হাদীস বিএন


সুনান আন-নাসাঈ





সুনান আন-নাসাঈ (3339)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ: أَنَّ امْرَأَةً جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، جِئْتُ لِأَهَبَ نَفْسِي لَكَ، فَنَظَرَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَعَّدَ النَّظَرَ إِلَيْهَا وَصَوَّبَهُ، ثُمَّ طَأْطَأَ رَأْسَهُ، فَلَمَّا رَأَتِ الْمَرْأَةُ أَنَّهُ لَمْ يَقْضِ فِيهَا شَيْئًا، جَلَسَتْ، فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ، فَقَالَ: أَيْ رَسُولَ اللَّهِ، إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكَ بِهَا حَاجَةٌ فَزَوِّجْنِيهَا، قَالَ: «هَلْ عِنْدَكَ مِنْ شَيْءٍ؟» فَقَالَ: لَا، وَاللَّهِ مَا وَجَدْتُ شَيْئًا، فَقَالَ: «انْظُرْ، وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ» فَذَهَبَ، ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ: لَا وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَلَا خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ، وَلَكِنْ هَذَا إِزَارِي - قَالَ سَهْلٌ: مَا لَهُ رِدَاءٌ - فَلَهَا نِصْفُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا تَصْنَعُ بِإِزَارِكَ، إِنْ لَبِسْتَهُ لَمْ يَكُنْ عَلَيْهَا مِنْهُ شَيْءٌ، وَإِنْ لَبِسَتْهُ لَمْ يَكُنْ عَلَيْكَ مِنْهُ شَيْءٌ» فَجَلَسَ الرَّجُلُ حَتَّى طَالَ مَجْلِسُهُ، ثُمَّ قَامَ، فَرَآهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُوَلِّيًا، فَأَمَرَ بِهِ، فَدُعِيَ، فَلَمَّا جَاءَ قَالَ: «مَاذَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ؟» قَالَ: مَعِي سُورَةُ كَذَا وَسُورَةُ كَذَا، عَدَّدَهَا، فَقَالَ: «هَلْ تَقْرَؤُهُنَّ عَنْ ظَهْرِ قَلْبٍ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «مَلَّكْتُكَهَا بِمَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ»




সাহল ইব্‌ন সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একজন মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আমি এসেছি নিজেকে আপনাকে দান করার জন্য। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি দৃষ্টি দিলেন, তাঁর দৃষ্টিকে তিনি উপরে উঠালেন, এরপর নিচু করলেন। তারপর তিনি তাঁর মস্তক নিচু করে রইলেন। মহিলাটি যখন দেখলো, তিনি তার ব্যাপারে কিছুই ফইসালা করছেন না, তখন সে বসে পড়লো। এসময় তাঁর সাহাবীদের এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন; ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! যদি এ মহিলার প্রতি আপনার প্রয়োজন না থাকে, তবে তাকে আমার নিকট বিবাহ দিন। তিনি বললেনঃ তোমার নিকট কিছু আছে কি ? সে বললেনঃ না। আল্লাহ্‌র কসম। আমি কিছুই পেলাম না। তিনি বললেনঃ দেখ যদি একটি লোহার আংটিও পাও। সে ব্যক্তি চলে গেল, এরপর এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! না, এক্তি লোহার আংটিও পেলাম না, কিন্তু এ তহবন্দটি আছে, তাকে এর অর্ধেক দিতে পারি। সাহল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ তার কোন চাদরও ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার এ তহবন্দ দিয়ে কি করবে ? যদি তুমি তা পরিধান কর, তাহলে তার গায়ে এর কিছুই থাকবে না। আর যদি সে পরিধান করে, তবে তোমার গায়ে কিছুই থাকবে না। তখন ঐ লোকটি অনেক্ষন বসে রইল। এরপর ঐ ব্যক্তি দাঁড়িয়ে গেল এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চলে যেতে দেখতে পেলেন। তারপর তাকে ডাকতে আদেশ করলে তাকে ডাকা হলো। সে আসলে তিনি বললেনঃ তোমার নিকট কুরআনের কিছু আছে কি ? সে বললেনঃ আমার নিকট অমুক সুরা রয়েছ, আর তা গুণে গুণে বললো। তিনি বললেনঃ তুমি কি তা মুখস্ত পড়তে পার ? সে বললেনঃ কুরআনের যে অংশ তোমার মুখস্ত আছে, তার বিনিময় আমি মহিলাকে তোমার অধিকারে (বিয়েতে) দিয়ে দিলাম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3340)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: " تَزَوَّجَ أَبُو طَلْحَةَ أُمَّ سُلَيْمٍ، فَكَانَ صِدَاقُ مَا بَيْنَهُمَا الْإِسْلَامَ، أَسْلَمَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ قَبْلَ أَبِي طَلْحَةَ، فَخَطَبَهَا، فَقَالَتْ: إِنِّي قَدْ أَسْلَمْتُ، فَإِنْ أَسْلَمْتَ نَكَحْتُكَ، فَأَسْلَمَ فَكَانَ صِدَاقَ مَا بَيْنَهُمَا "




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবূ তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উম্মু সুলায়মকে বিবাহ করলেন। তাদের মধ্যকার মোহর ছিল ইসলাম। উম্মু সুলায়ম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবূ তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পূর্বেই ইসলাম গ্রহন করেন। আবূ তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বিবাহের পয়গাম দিলে তিনি বললেনঃ আমি ইসলাম গ্রহন করেছি। যদি তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, তাহলে আমি তোমাকে বিবাহ করবো। সে ইসলাম গ্রহণ করলে এটাই তাদের মোহর ধার্য হয়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3341)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ النَّضْرِ بْنِ مُسَاوِرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: " خَطَبَ أَبُو طَلْحَةَ أُمَّ سُلَيْمٍ، فَقَالَتْ: وَاللَّهِ مَا مِثْلُكَ يَا أَبَا طَلْحَةَ يُرَدُّ، وَلَكِنَّكَ رَجُلٌ كَافِرٌ، وَأَنَا امْرَأَةٌ مُسْلِمَةٌ، وَلَا يَحِلُّ لِي أَنْ أَتَزَوَّجَكَ، فَإِنْ تُسْلِمْ فَذَاكَ مَهْرِي وَمَا أَسْأَلُكَ غَيْرَهُ، فَأَسْلَمَ فَكَانَ ذَلِكَ مَهْرَهَا " قَالَ ثَابِتٌ: «فَمَا سَمِعْتُ بِامْرَأَةٍ قَطُّ كَانَتْ أَكْرَمَ مَهْرًا مِنْ أُمِّ سُلَيْمٍ الْإِسْلَامَ، فَدَخَلَ بِهَا فَوَلَدَتْ لَهُ»




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবূ তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উম্মু সুলায়ম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বিবাহের পয়গাম দিলে তিনি বললেনঃ হে আবূ তালহা ! আল্লাহ্‌র কসম ! তোমার মত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে দেয়া যায় না। কিন্তু তুমি একজন কাফির, আর আমি একজন মুসলিম মহিলা। তোমাকে বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ নয়। যদি তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, তাহলে তা-ই আমার মোহর হবে। আমি তোমার কাছে এর অতিরিক্ত কিছুই চাই না। তখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করলে তা-ই তার মোহর ধার্য হলো। সাবিত (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ আমি কখনো এমন কোন মহিলার কথা শুনি নাই, যে মোহরের ব্যাপারে উম্মু সুলায়ম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে উত্তম। পরে তিনি তার সাথে একান্ত নির্জনবাস করলে তিনি তাকে (স্বামীকে) সন্তান দান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3342)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، ح وَأَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، وَشُعَيْبٌ، عَنْ أَنَسٍ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَعْتَقَ صَفِيَّةَ وَجَعَلَهُ صَدَاقَهَا»




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফিয়্যা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে মুক্ত করে দিলেন, আর এটাকেই তিনি তাঁর মোহর ধার্য করলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3343)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح وَأَنْبَأَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ ابْنِ الْحَبْحَابِ، عَنْ أَنَسٍ، «أَعْتَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَفِيَّةَ، وَجَعَلَ عِتْقَهَا مَهْرَهَا» وَاللَّفْظُ لِمُحَمَّدٍ




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফিয়্যা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে মুক্ত করে দিলেন, আর এই মুক্ত করাকে তাঁর মোহর ধার্য করলেন১ –এ শব্দ ভাষ্য মুহাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3344)


أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي صَالِحُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " ثَلَاثَةٌ يُؤْتَوْنَ أَجْرَهُمْ مَرَّتَيْنِ: رَجُلٌ كَانَتْ لَهُ أَمَةٌ فَأَدَّبَهَا فَأَحْسَنَ أَدَبَهَا، وَعَلَّمَهَا فَأَحْسَنَ تَعْلِيمَهَا، ثُمَّ أَعْتَقَهَا وَتَزَوَّجَهَا، وَعَبْدٌ يُؤَدِّي حَقَّ اللَّهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ، وَمُؤْمِنُ أَهْلِ الْكِتَابِ "




আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন ধরনের লোক রয়েছে, যাদের দুই গুন বিনিময় দেয়া হবে। এক ব্যক্তি যার দাসী ছিল, তাকে সে শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছে এবং উত্তম ভাবে শিক্ষা দিয়েছে এবং তাকে ইলম- (দীন) শিক্ষা দিয়েছে এবং তা উত্তম ভাবে শিক্ষা দিয়েছে। এরপর সে তাকে মুক্ত করে বিবাহ (করে স্ত্রীর মর্যাদা প্রদান) করেছে। (দ্বিতীয়ত) ঐ দাস, যে আল্লাহ্‌র হক এবং তার মনিবের হক আদায় করে। এবং (তৃতীয়ত), আহলে কিতাবের মধ্যে যারা মু’মিন হয়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3345)


أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي زُبَيْدٍ عَبْثَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَعْتَقَ جَارِيَتَهُ، ثُمَّ تَزَوَّجَهَا فَلَهُ أَجْرَانِ»




আবূ মুসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করে বিবাহ করে, তার জন্য দ্বিগুণ প্রতিদান রয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3346)


أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، وَسُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ، عَنْ قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ: {وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ} [النساء: 3] قَالَتْ: «يَا ابْنَ أُخْتِي، هِيَ الْيَتِيمَةُ، تَكُونُ فِي حَجْرِ وَلِيِّهَا، فَتُشَارِكُهُ فِي مَالِهِ، فَيُعْجِبُهُ مَالُهَا وَجَمَالُهَا، فَيُرِيدُ وَلِيُّهَا أَنْ يَتَزَوَّجَهَا بِغَيْرِ أَنْ يُقْسِطَ فِي صَدَاقِهَا، فَيُعْطِيَهَا مِثْلَ مَا يُعْطِيهَا غَيْرُهُ، فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوهُنَّ إِلَّا أَنْ يُقْسِطُوا لَهُنَّ، وَيَبْلُغُوا بِهِنَّ أَعْلَى سُنَّتِهِنَّ مِنَ الصَّدَاقِ، فَأُمِرُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا طَابَ لَهُمْ مِنَ النِّسَاءِ سِوَاهُنَّ»، قَالَ عُرْوَةُ: قَالَتْ عَائِشَةُ: " ثُمَّ إِنَّ النَّاسَ اسْتَفْتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدُ فِيهِنَّ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: {وَيَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ} [النساء: 127]- إِلَى قَوْلِهِ - {وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ} [النساء: 127] "، قَالَتْ عَائِشَةُ: " وَالَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ تَعَالَى أَنَّهُ يُتْلَى فِي الْكِتَابِ الْآيَةُ الْأُولَى الَّتِي فِيهَا {وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ} [النساء: 3] "، قَالَتْ عَائِشَةُ: " وَقَوْلُ اللَّهِ فِي الْآيَةِ الْأُخْرَى {وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ} [النساء: 127] رَغْبَةَ أَحَدِكُمْ عَنْ يَتِيمَتِهِ الَّتِي تَكُونُ فِي حَجْرِهِ حِينَ تَكُونُ قَلِيلَةَ الْمَالِ وَالْجَمَالِ، فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا رَغِبُوا فِي مَالِهَا مِنْ يَتَامَى النِّسَاءِ إِلَّا بِالْقِسْطِ مِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ "




উরওয়া ইবৃন যুবায়র (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা:)-কে আল্লাহ্ এ বাণীঃ
---- অর্থ ; তোমরা যদি আশংকা কর যে, তোমরা ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিবাহ করবে নারীদের থেকে যাকে তোমাদের ভাল লাগে.....। (৪ঃ ৩) সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি বলেনঃ হে আমার ভাগ্লে। আয়াতে ঐ ইয়াতীম সম্পর্কে বলা হয়েছে যে তার অভিভাবক ক্রোড়ে পালিত হচ্ছে, এবং সে তাকে তার মালে শরীক করে নেয়। এরপর তার মাল ও সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে এবং অভিভাবক তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করে। তার মাহরে ইনসাফ করা ব্যতীত এবং তাকে ঐ মাহ্রই দিতে চায় না, যা তাকে অন্যরা দিতে চায়। অতএব তাদের প্রতি ইনসাফ করা ব্যতীত এবং মোহরের সর্বোচ্চ হার তাদেরকে আদায় করা ব্যতীত, তাদেরকে বিবাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর তাদের ব্যতীত অন্য যে মহিলা তাদের পছন্দ হয়, তাদেরকে বিবাহ করতে আদেশ করা হয়েছে। উরওয়া (রা:) বলেন, আয়েশা (রা:) বলেছেনঃ এরপর লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে তাদের ব্যাপারে সমাধান দিতে বললে, আল্লাহ্ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ
অর্থঃ লোকেরা আপনার নিকট নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়। বলুনঃ আল্লাহ্ তোমাদেরকে তাদের সম্বন্ধে ব্যবস্থা জানাচ্ছেন...অথচ তোমরা তাদের বিবাহ করতে চাও.....। (৪ঃ ১২৭) আয়েশা (রা:) বলেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা যা উল্লেখ করেছেন তা তিলাওয়াত করা হয় আল্লাহর কিতাবে;
আয়েশা (রা:) বলেন, অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলার বাণী হলো : -- তোমাদের কারও ক্রোড়ে যে ইয়াতীম রয়েছে যখন সে স্বল্প মাল ও স্বল্প সৌন্দর্যশীলা হয়, তাদের প্রতি তোমাদের মন আকৃষ্ট হয় না, তখন ইয়াতীমদের মালের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাদেরকে বিবাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে, ইনসাফ ব্যতীত।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3347)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَتْ: «فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أُوقِيَّةً وَنَشٍّ» وَذَلِكَ خَمْسُ مِائَةِ دِرْهَمٍ




আবূ সালাম (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রা:)-কে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাড়ে বার আওকিয়ায় বিবাহ করেছেন, আর এর পরিমাণ পাচশ দিরহাম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3348)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «كَانَ الصَّدَاقُ إِذْ كَانَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَشْرَةَ أَوَاقٍ»




আবূ হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আমাদের মধ্যে ছিলেন, তখনকার মোহর ছিল দশ আওকিয়া।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3349)


أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرِ بْنِ إِيَاسِ بْنِ مُقَاتِلِ بْنِ مُشَمْرِخِ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَابْنِ عَوْنٍ، وَسَلَمَةَ بْنِ عَلْقَمَةَ، وَهِشَامِ بْنِ حَسَّانَ - دَخَلَ حَدِيثُ بَعْضِهِمْ فِي بَعْضٍ -، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَلَمَةُ: عَنْ ابْنِ سِيرِينَ، نُبِّئْتُ عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ، وَقَالَ الْآخَرُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: أَلَا لَا تَغْلُوا صُدُقَ النِّسَاءِ، فَإِنَّهُ لَوْ كَانَ مَكْرُمَةً وَفِي الدُّنْيَا، أَوْتَقْوَى عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ، كَانَ أَوْلَاكُمْ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مَا أَصْدَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ، وَلَا أُصْدِقَتْ امْرَأَةٌ مِنْ بَنَاتِهِ، أَكْثَرَ مِنْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ أُوقِيَّةً، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيُغْلِي بِصَدُقَةِ امْرَأَتِهِ، حَتَّى يَكُونَ لَهَا عَدَاوَةٌ فِي نَفْسِهِ، وَحَتَّى يَقُولَ: كُلِّفْتُ لَكُمْ عِلْقَ الْقِرْبَةِ، وَكُنْتُ غُلَامًا عَرَبِيًّا مُوَلَّدًا فَلَمْ أَدْرِ مَا عِلْقُ الْقِرْبَةِ، قَالَ: وَأُخْرَى يَقُولُونَهَا: لِمَنْ قُتِلَ فِي مَغَازِيكُمْ، أَوْ مَاتَ، قُتِلَ فُلَانٌ شَهِيدًا، أَوْ مَاتَ فُلَانٌ شَهِيدًا، وَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ قَدْ أَوْقَرَ عَجُزَ دَابَّتِهِ، أَوْ دَفَّ رَاحِلَتِهِ ذَهَبًا، أَوْ وَرِقًا، يَطْلُبُ التِّجَارَةَ، فَلَا تَقُولُوا ذَاكُمْ، وَلَكِنْ قُولُوا كَمَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، أَوْ مَاتَ فَهُوَ فِي الْجَنَّةِ»




আবূল আজফা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রা:) বলেছেন ; হুঁশিয়ার! তোমরা নারীর মোহরের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না, কেননা যদি তা দুনিয়ায় উত্তম কার্য হতো, তাহলে তোমাদের চেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার অধিক উপযুক্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কোন স্ত্রীকে বা তার কন্যাদের কারও বার আওকিয়ার অধিক মোহর দেননি। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অধিক মোহর দান করে, শেষ পর্যন্ত ঐ স্ত্রীলোকের প্রতি ঐ ব্যক্তির অন্তরে বিদ্বেষের সৃষ্টি হয়। এমন কি সে বলে, তোমার জন্য আমি কাঁধে মশক বহনে বাধ্য হয়েছি (অনেক কষ্ট সহ্য করেছি)। রাবী বলেন, আমি ছিলাম জন্ম সূত্রে আরবী, বংশ ধারায় অ-আরবী। তাই (আরবি) কথাটির মর্ম তা আমি বুঝতে পারলাম না। আর একটি বিষয় : তোমাদের যুদ্ধে যারা নিহত হয়, অথবা মারা যায়। লোকেরা বলে যে, সে শহীদ হিসাবে মারা গেছে, অথচ সম্ভবত সে তার বাহনের পিঠে অথবা হাওদা এক প্রান্তে স্বর্ণ ও চাদির বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে। তাই তোমরা ঐ কথা (শহীদি মৃত্যু হয়েছে) না বলে এরূপ বল, যেরূপ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তা হলো এইঃ যে আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয় অথবা মারা যায়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3350)


أَخْبَرَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، تَزَوَّجَهَا وَهِيَ بِأَرْضِ الْحَبَشَةِ، زَوَّجَهَا النَّجَاشِيُّ، وَأَمْهَرَهَا أَرْبَعَةَ آلَافٍ، وَجَهَّزَهَا مِنْ عِنْدِهِ، وَبَعَثَ بِهَا مَعَ شُرَحْبِيلَ ابْنِ حَسَنَةَ، وَلَمْ يَبْعَثْ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ، وَكَانَ مَهْرُ نِسَائِهِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِرْهَمٍ»




উম্মু হাবীব (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাঁকে বিবাহ করেন, তখন তিনি ছিলেন হাবশায়। (হাবশার বাদশাহ) নাজ্জাশী তাকে বিবাহ দেন এবং তার মোহর আদায় করেন চার হাজার দিরহাম এবং তার নিজের পক্ষ হতে বিবাহ উপটৌকন প্রদান করেন। আর তাকে ঐ সকল দিয়ে শুরাহবীল ইবন হাসান (রা:)-এর সাথে পাঠিয়ে দেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট কিছুই পাঠাননি। আর তার অন্যান্য স্ত্রীদের মোহর ছিল চারশত দিরহাম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، ابو داود ، (2086) ، (انوار الصحیفہ ص 346)









সুনান আন-নাসাঈ (3351)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لِمُحَمَّدٍ، عَنْ ابْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِهِ أَثَرُ الصُّفْرَةِ، فَسَأَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَخْبَرَهُ، أَنَّهُ تَزَوَّجَ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَمْ سُقْتَ إِلَيْهَا؟» قَالَ: زِنَةَ نَوَاةٍ مِنْ ذَهَبٍ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَوْلِمْ وَلَوْ بِشَاةٍ»




মালিক (রা:) হতে বর্ণিত, আবদুর রহমান ইবন আউফ (রা:) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খেদমতে উপস্থিত হলেন, তখন তাঁর শরীরে বিবাহের সুগন্ধির চিহ্ন অবশিষ্ট ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি জানালেন যে, তিনি এক আনসারী রমণীকে বিবাহ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাকে কত মোহর দান করেছ। তিনি বললেন : একদানা পরিমাণ স্বর্ণ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) : বললেনঃ একটা ছাগল দ্বারা হলেও ওয়ালীমা কর।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আন-নাসাঈ (3352)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ: قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيَّ بَشَاشَةُ الْعُرْسِ، فَقُلْتُ: تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ، قَالَ: «كَمْ أَصْدَقْتَهَا؟» قَالَ: زِنَةَ نَوَاةٍ مِنْ ذَهَبٍ




আব্দুল আযীয ইবন সুহায়ব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, আমি আনাস (রা:)-কে বলতে শুনেছি, আবদুর রহমান ইবন আউফ (রা:) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আমাকে দেখলেন, তখন আমার মধ্যে ছিল বিবাহের খুশি। আমি বললাম ; আমি এক আনসারী রমণীকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেনঃ তাকে কত মোহর দিয়েছ ? আমি বললাম : একদানা পরিমাণ স্বর্ণ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3353)


أَخْبَرَنَا هِلَالُ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، ح وأَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ تَمِيمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ حَجَّاجًا، يَقُولُ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ نُكِحَتْ عَلَى صَدَاقٍ أَوْ حِبَاءٍ أَوْ عِدَةٍ قَبْلَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ فَهُوَ لَهَا، وَمَا كَانَ بَعْدَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ فَهُوَ لِمَنْ أُعْطَاهُ، وَأَحَقُّ مَا أُكْرِمَ عَلَيْهِ الرَّجُلُ ابْنَتُهُ أَوْ أُخْتُهُ» اللَّفْظُ لِعَبْدِ اللَّهِ




আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে রমণীকে বিবাহ দেয়া হয়েছে মোহরের বিনিময়ে অথবা দানে অথবা বিবাহের আকদের পূর্বে কোন প্রতিশ্রুতিতে তা তারই; আর যা আকদের পরে দেয়া হয়, তা যে দান করেছে তার এবং পুরুষকে যা দ্বারা সম্মানিত করা হয়, তার কন্যা বা বোন তার হকদার।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3354)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ زَائِدَةَ بْنِ قُدَامَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالْأَسْوَدِ، قَالَا: أُتِيَ عَبْدُ اللَّهِ فِي رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا، فَتُوُفِّيَ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: سَلُوا هَلْ تَجِدُونَ فِيهَا أَثَرًا؟ قَالُوا: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَا نَجِدُ فِيهَا - يَعْنِي أَثَرًا - قَالَ: أَقُولُ بِرَأْيِي فَإِنْ كَانَ صَوَابًا فَمِنَ اللَّهِ، «لَهَا كَمَهْرِ نِسَائِهَا، لَا وَكْسَ وَلَا شَطَطَ، وَلَهَا الْمِيرَاثُ، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ»، فَقَامَ رَجُلٌ، مَنْ أَشْجَعَ، فَقَالَ: فِي مِثْلِ هَذَا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِينَا، فِي امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا بَرْوَعُ بِنْتُ وَاشِقٍ تَزَوَّجَتْ رَجُلًا، فَمَاتَ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، «فَقَضَى لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِ صَدَاقِ نِسَائِهَا، وَلَهَا الْمِيرَاثُ، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ» فَرَفَعَ عَبْدُ اللَّهِ يَدَيْهِ وَكَبَّرَ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «لَا أَعْلَمُ أَحَدًا قَالَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ الْأَسْوَدُ، غَيْرَ زَائِدَةَ»




আলকামা এবং আসওয়াদ (রা:) হতে বর্ণিত, তারা বলেন : আবদুল্লাহ (রা:) -এর নিকট এ মর্মে একটা মামলা আনা হলো যে, এক ব্যক্তি জনৈক রমণীকে বিবাহ করেছে, অথচ সে তার কোন মোহর ধার্য করেনি। আর সে ব্যক্তি সহবাস করার পূবেই মারা গেছে। আবদুল্লাহ (রা:) বললেন, তোমরা (লোকদের) জিজ্ঞাসা কর এ বিষয় সম্পর্কে। তোমরা কি কোন উদ্ধিতি (হাদীস) পাচ্ছ? তারা বললোঃ হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা এ বিষয়ে কোন হাদীস পাচ্ছি না। তিনি বললেনঃ আমি আমার জ্ঞান অনুযায়ী বলছি, যদি তা সঠিক হয়, তবে তা আল্লাহর পক্ষ হতে। আর তার মোহর হলো তার মত রমণীদের মোহরের অনুরূপ। তা হতে বেশীও হবে না এবং কমও হবে না। সে মীরাছ পাবে, এবং তার ইদ্দত পালন করতে হবে। তখন আশজা গোত্রের এক ব্যক্তি দাড়িয়ে বললো ; আমাদের এক মহিলার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই ফয়সালা দেন যার নাম ছিল বিরওয়া’ বিনত ওয়াশিক। সে এক পুরুষকে বিবাহ করেছিল এবং সহবাসের পূর্বেই তার স্বামী ইনতিকাল করে। তার জন্যও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মত নারীদের অনুরূপ করেন। আর তার জন্য মীরাছ এবং ইদ্দত পালনও ধার্য করেন। একথা শুনে আবদুল্লাহ (রা:) হস্তদ্বয় উত্তোলন করে তাকবীর অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলেন। আবূ আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এ হাদীসে যায়দ ব্যতীত আর কাউকেও আসওয়াদের নাম উল্লেখ করতে শুনিনি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3355)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ أُتِيَ فِي امْرَأَةٍ تَزَوَّجَهَا رَجُلٌ، فَمَاتَ عَنْهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا، وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا، فَاخْتَلَفُوا إِلَيْهِ قَرِيبًا مِنْ شَهْرٍ لَا يُفْتِيهِمْ، ثُمَّ قَالَ: «أَرَى لَهَا صَدَاقَ نِسَائِهَا، لَا وَكْسَ وَلَا شَطَطَ، وَلَهَا الْمِيرَاثُ، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ»، فَشَهِدَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الْأَشْجَعِيُّ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى فِي بَرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ بِمِثْلِ مَا قَضَيْتَ»




আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তার নিকট এক মহিলার বিষয়ে উপস্থাপন করা হলো, যাকে একজন পুরুষ বিবাহ করে ইনতিকাল করে। আর তার জন্য কোন মোহরও ধার্য করেনি এবং তার সাথে সহবাসও করেনি। লোকেরা তার নিকট প্রায় একমাস যাবত যাতায়াত করতে লাগলো। তিনি তাকে কোন সমাধান দিচ্ছিলেন না। এরপর তিনি বললেন, আমার মতে তার জন্য তার মত রমণীর মোহর হবে; বেশীও না এবং কমও না। আর সে মীরাছ পাবে এবং তাকে ইন্দত পালন করতে হবে। তখন মা’কিল ইবন সিনান আশজ’ঈ (রা:) সাক্ষ্য দিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) : বিরওয়া বিনত ওয়াশিক-এর ব্যাপারে আপনার মতই ফায়সালা দিয়েছিলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3356)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فِي رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً فَمَاتَ وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا قَالَ: «لَهَا الصَّدَاقُ، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ، وَلَهَا الْمِيرَاثُ» فَقَالَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ: «فَقَدْ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِهِ فِي بَرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ»




আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি কোন এক মহিলাকে বিবাহ করে মৃত্যুবরণ করে, সে তার জন্য কোন মোহরও ধার্য করেনি এবং তার সাথে সহবাসও করেনি। এ মহিলা সম্পর্কে তিনি বলেনঃ তাকে মোহর দিতে হবে এবং তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে এবং সে মীরাছও পাবে। মা’কিল ইবন সিনান (রা:) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরওয়া বিনত ওয়াশিকের ব্যাপারে এরূপ ফয়সালা দিতে শুনেছি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3357)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ مِثْلَهُ




আলকামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ (রা:) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত রয়েছে।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3358)


أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ أَتَاهُ قَوْمٌ فَقَالُوا: إِنَّ رَجُلًا مِنَّا تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا، وَلَمْ يَجْمَعْهَا إِلَيْهِ حَتَّى مَاتَ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: مَا سُئِلْتُ مُنْذُ فَارَقْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ عَلَيَّ مِنْ هَذِهِ، فَأْتُوا غَيْرِي، فَاخْتَلَفُوا إِلَيْهِ فِيهَا شَهْرًا، ثُمَّ قَالُوا لَهُ فِي آخِرِ ذَلِكَ: مَنْ نَسْأَلُ إِنْ لَمْ نَسْأَلْكَ، وَأَنْتَ مِنْ جِلَّةِ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَذَا الْبَلَدِ وَلَا نَجِدُ غَيْرَكَ؟ قَالَ: سَأَقُولُ فِيهَا بِجَهْدِ رَأْيِي، فَإِنْ كَانَ صَوَابًا فَمِنَ اللَّهِ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَإِنْ كَانَ خَطَأً فَمِنِّي وَمِنَ الشَّيْطَانِ وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ مِنْهُ بُرَآءُ، أُرَى أَنْ أَجْعَلَ «لَهَا صَدَاقَ نِسَائِهَا، لَا وَكْسَ وَلَا شَطَطَ، وَلَهَا الْمِيرَاثُ، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»، قَالَ: وَذَلِكَ بِسَمْعِ أُنَاسٍ مَنْ أَشْجَعَ، فَقَامُوا فَقَالُوا: " نَشْهَدُ أَنَّكَ قَضَيْتَ بِمَا قَضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي امْرَأَةٍ مِنَّا يُقَالُ لَهَا: بَرْوَعُ بِنْتُ وَاشِقٍ " قَالَ: «فَمَا رُئِيَ عَبْدُ اللَّهِ فَرِحَ، فَرْحَةً يَوْمَئِذٍ إِلَّا بِإِسْلَامِهِ»




আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তার নিকট একদল লোক এসে বললো ; আমাদের এক ব্যক্তি কোন মোহর ধার্য না করে এক রমণীকে বিবাহ করে মৃত্যুবরণ করলো এবং সে তার সাথে সহবাসও করেনি। আবদুল্লাহ (রা:) বললেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইনতিকালের পরে এর চাইতে কোন কঠিন ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করা হয়নি। তোমরা আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কারও নিকট যাও। তারা একমাস যাবত এ ব্যাপারে তার নিকট যাতায়াত করতে রইলো। এরপর তারা তাঁকে বললোঃ আপনাকে জিজ্ঞাসা না করে আর কাকে জিজ্ঞাসা করবো? আপনি হলেন এ শহরে- মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নেতৃস্থানীয় সাহাবীদের অন্যতম। আপনাকে ব্যতীত আর কাউকেও আমরা পাচ্ছি না। তিনি বললেন, আচ্ছা এ ব্যাপারে আমার চিন্তায় যা আসে, তা আমি বলছি; যদি তা সঠিক হয় তবে তা এক আল্লাহর পক্ষ হতে, যিনি এক ও একক, যার কোন শরীক নেই, আর যদি ভুল হয়, তবে তা আমার পক্ষ হতে, আর শয়তানের পক্ষ হতে। আল্লাহ্ এবং তার রাসূল এ ব্যাপারে দায়মুক্ত। আমার মতে, তার জন্য তার সমপর্যায়ের নবীদের অনুরূপ মোহর (মাহরে মীছাল) হবে, কোন প্রকার কম ও বেশী ব্যতীত, সে মীরাছ পাবে এবং তাকে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করতে হবে। তিনি বললেন: এ ফয়সালা আশজা গোত্রের কয়েকজন লোক শুনলো এবং তারা দাড়িয়ে বললোঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি এমন ফয়সালা দিলেন, যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরওয়া বিনত ওয়াশিক নামী এক মহিলার ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছিলেন। আবদুল্লাহ (রা:)-কে সেদিন যেমন আনন্দিত দেখা গিয়েছিল, তার ইসলাম গ্রহণের দিন ব্যতীত আর কোন দিন এত আনন্দিত দেখা যায়নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح