হাদীস বিএন


সুনান আন-নাসাঈ





সুনান আন-নাসাঈ (3439)


أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، وَمُوسَى بْنُ عُلَيٍّ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: لَمَّا أُمِرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِتَخْيِيرِ أَزْوَاجِهِ بَدَأَ بِي فَقَالَ: «إِنِّي ذَاكِرٌ لَكِ أَمْرًا، فَلَا عَلَيْكِ أَنْ لَا تُعَجِّلِي حَتَّى تَسْتَأْمِرِي أَبَوَيْكِ»، قَالَتْ: قَدْ عَلِمَ أَنَّ أَبَوَايَ لَمْ يَكُونَا لِيَأْمُرَانِّي بِفِرَاقِهِ، قَالَتْ: ثُمَّ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا} [الأحزاب: 28]- إِلَى قَوْلِهِ - {جَمِيلًا} [الأحزاب: 28] فَقُلْتُ: أَفِي هَذَا أَسْتَأْمِرُ أَبَوَيَّ؟ فَإِنِّي أُرِيدُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَرَسُولَهُ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ قَالَتْ عَائِشَةُ: «ثُمَّ فَعَلَ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ مَا فَعَلْتُ، وَلَمْ يَكُنْ ذَلِكَ حِينَ قَالَ لَهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاخْتَرْنَهُ طَلَاقًا، مِنْ أَجْلِ أَنَّهُنَّ اخْتَرْنَهُ»




আবূ সালামা ইব্‌ন আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর স্ত্রী আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে তাঁর স্ত্রীদেরকে ইখতিয়ার দেয়ার জন্য আদেশ করা হলো, তখন তিনি আমার থেকে আরম্ভ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে, তোমার মাতাপিতার সাথে পরামর্শ না করে উত্তর দেবে না। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ তিনি জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হতে আদেশ করবেন না। তিনি বলেন, এরপর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই আয়াত পাঠ করেনঃ “হে নবী। আপনি আপনার স্ত্রীগণকে বলে দিন, যদি তোমরা পার্থিব জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ কামনা কর, . . .”। তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে আমি আমার মাতাপিতার কি গ্রহণ করবো? আমি আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌র রাসূল এবং পরকালকে গ্রহণ করব। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণ আমি যা করেছি তারাও তা-ই করলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাঁদেরকে বললেন (ইখতিয়ার দিলেন): আর তারা তাঁকেই গ্রহণ করলেন, তখন তাঁকে গ্রহণ করার দরুন তা তালাক হয়নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3440)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا نَزَلَتْ {إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ} [الأحزاب: 29] دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَدَأَ بِي فَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، إِنِّي ذَاكِرٌ لَكِ أَمْرًا، فَلَا عَلَيْكِ أَنْ لَا تُعَجِّلِي حَتَّى تَسْتَأْمِرِي أَبَوَيْكِ» قَالَتْ: قَدْ عَلِمَ وَاللَّهِ أَنَّ أَبَوَيَّ لَمْ يَكُونَا لِيَأْمُرَانِّي بِفِرَاقِهِ، فَقَرَأَ عَلَيَّ {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا} [الأحزاب: 28] فَقُلْتُ: أَفِي هَذَا أَسْتَأْمِرُ أَبَوَيَّ؟ فَإِنِّي أُرِيدُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «هَذَا خَطَأٌ وَالْأَوَّلُ أَوْلَى بِالصَّوَابِ، وَاللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَعْلَمُ»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, যখন (আরবি) নাযিল হয়, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট উপস্থিত হয়ে আমাকেই প্রথম বলেনঃ “হে আয়েশা। আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি তাতে তাড়াহুড়ো না করে বরং তোমার পিতামাতার সাথে পরামর্শ করে উত্তর দেবে। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আদেশ করবেন না। তিনি এরপরও আমার নিকট এই আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ (আরবি) তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে কি আমি আমার পিতামাতাকে জিজ্ঞাস করব? আমি আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলকেই গ্রহণ করেছি। আবূ আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এই রেওয়াত ভুল, বরং প্রথম বর্ণনাই সঠিক। আল্লাহ্‌ সম্যক অবগত।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3441)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَعِيلَ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «خَيَّرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاخْتَرْنَاهُ، فَهَلْ كَانَ طَلَاقًا »




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইখতিয়ার (বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার) প্রদান করলে আমরা তাঁকেই গ্রহণ করলাম। তাতে কি তালাক হয়েছিল?




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3442)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، قَالَ: قَالَ الشَّعْبِيُّ: عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «قَدْ خَيَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِسَاءَهُ، فَلَمْ يَكُنْ طَلَاقًا»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদেরকে ইখতিয়ার দিয়েছিলেন, তা তালাক (বিবেচিত) হয়নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3443)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ صُدْرَانَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَشْعَثُ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «قَدْ خَيَّرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِسَاءَهُ، فَلَمْ يَكُنْ طَلَاقًا»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণকে ইখতিয়ার দিলে তা তালাক (বিবেচিত) হয়নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3444)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «قَدْ خَيَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِسَاءَهُ، أَفَكَانَ طَلَاقًا؟»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণকে ইখতিয়ার দিয়েছিলেন, তাতে কি তালাক হয়েছিল?




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3445)


أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الضَّعِيفُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «خَيَّرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاخْتَرْنَاهُ، فَلَمْ يَعُدَّهَا عَلَيْنَا شَيْئًا»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ইখতিয়ার প্রদান করলে আমরা তাঁকেই গ্রহণ করলাম, তাকে আমাদের উপর কিছুই (তালাক) গণনা করেন নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3446)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ مَوْهَبٍ، عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: كَانَ لِعَائِشَةَ، غُلَامٌ وَجَارِيَةٌ، قَالَتْ: فَأَرَدْتُ أَنْ أُعْتِقَهُمَا، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «ابْدَئِي بِالْغُلَامِ قَبْلَ الْجَارِيَةِ»




কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর একজন দাস ও একজন দাসী ছিল।তিনি বলেন,আমি তাদেরকে আযাদ করার ইচ্ছা করলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা প্রকাশ করলাম। তিনি বললেনঃ দাসীর পূর্বে দাসকে আযাদ কর।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3447)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ، عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: كَانَ فِي بَرِيرَةَ ثَلَاثُ سُنَنٍ، إِحْدَى السُّنَنِ أَنَّهَا أُعْتِقَتْ، فَخُيِّرَتْ فِي زَوْجِهَا، وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ»
وَدَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْبُرْمَةُ تَفُورُ بِلَحْمٍ، فَقُرِّبَ إِلَيْهِ خُبْزٌ وَأُدْمٌ مِنْ أُدْمِ الْبَيْتِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلَمْ أَرَ بُرْمَةً فِيهَا لَحْمٌ؟» فَقَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، ذَلِكَ لَحْمٌ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ، وَأَنْتَ لَا تَأْكُلُ الصَّدَقَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هُوَ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ، وَهُوَ لَنَا هَدِيَّةٌ»




নবী (সঃ) এর স্ত্রী আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মধ্যে তিনটি সুন্নত (শরীআতী বিধান) ছিল। একটি এই যে, তাকে আযাদ করা হলে তার স্বামী সম্বন্ধে (বিবাহ বহাল রাখার ব্যাপারে) তাকে ইখতিয়ার দেওয়া হয়, ২. রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে আযাদ করবে ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) সেই পাবে। ৩. একদিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)(তাঁর ঘরে)প্রবেশ করে দেখলেন, ডেগে গোশত রান্না হচ্ছিল তখন তাঁর সামনে রুটি এবং ঘরের তরকারী উপস্থিত করা হলে, তিনি বলেনঃ আমি কি ডেগে গোশত দেখিনি? তখন তাঁরা বললেনঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ঐ গোশত বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাদকা দেওয়া হয়েছে,আর আপনি তো সাদকা খান না। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা তাঁর জন্য তো সাদকা, কিন্তু তা আমাদের জন্য হাদিয়া।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3448)


أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ فِي بَرِيرَةَ ثَلَاثُ قَضِيَّاتٍ، أَرَادَ أَهْلُهَا أَنْ يَبِيعُوهَا وَيَشْتَرِطُوا الْوَلَاءَ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا، فَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ»، وَأُعْتِقَتْ فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا، وَكَانَ يُتَصَدَّقُ عَلَيْهَا فَتُهْدِي لَنَا مِنْهُ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «كُلُوهُ، فَإِنَّهُ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ، وَهُوَ لَنَا هَدِيَّةٌ»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মধ্যে তিনটি বিষয় (মাসয়ালার সিদ্ধান্ত) ছিল, ১. তাঁর মালিকগণ তাকে বিক্রি করার ইচ্ছা করলে এবং ‘ওয়ালা’ (মীরাছ)-এর শর্ত আরোপ করলে আমি তা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করি। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করে আযাদ করে দাও। কেননা, ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) যে আযাদ করবে সে-ই পাবে। ২. তাকে আযাদ করা হলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (তাঁর স্বামী সম্বন্ধে) ইখতিয়ার দিলে সে নিজেকেই গ্রহণ করলো (স্বামীকে ত্যাগ করল)। ৩. তাকে সাদকা দেওয়া হত, আর সে তা থেকে আমাদের হাদিয়া দিত। আমি এ বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তোমরা তা থেকে খেতে পার; কেননা তাতো তাঁর জন্য সাদকা, আর আমাদের জন্য হাদিয়া।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3449)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: اشْتَرَيْتُ بَرِيرَةَ فَاشْتَرَطَ أَهْلُهَا وَلَاءَهَا، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «أَعْتِقِيهَا، فَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْطَى الْوَرِقَ» قَالَتْ: فَأَعْتَقْتُهَا، فَدَعَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَيَّرَهَا مِنْ زَوْجِهَا، قَالَتْ: لَوْ أَعْطَانِي كَذَا وَكَذَا مَا أَقَمْتُ عِنْدَهُ، فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا، وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا
---
[حكم الألباني] صحيح دون قوله وكان زوجها حرا فإنه شاذ




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ক্রয় করতে চাইলে তাঁর মনিবরা তাঁর ‘ওয়ালা’(মীরাছ) দাবী করলো। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এটি উল্লেখ করলে, তিনি বললেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও। কেননা ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) যে অর্থ প্রদান করে (মুক্ত করে), সে-ই পাবে। তখন আমি তাকে আযাদ করে দিলাম। এর পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)তাকে ডেকে তাঁর স্বামী সম্বন্ধে তাকে ইখতিয়ার দিলেন, সে বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ যদি সে (স্বামী) এত এতও দান করে, তা হলেও আমি তাঁর নিকট থাকব না। সে নিজেকে গ্রহণ করলো, তখন তাঁর স্বামী ছিল স্বাধীন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح دون قوله وكان زوجها حرا فإنه شاذ




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3450)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ بَرِيرَةَ فَاشْتَرَطُوا وَلَاءَهَا، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا، فَإِنَّ الْوَلَاءَ لِمَنْ أَعْتَقَ»، وَأُتِيَ بِلَحْمٍ، فَقِيلَ: إِنَّ هَذَا مِمَّا تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ، فَقَالَ: «هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَلَنَا هَدِيَّةٌ»، وَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا
---
[حكم الألباني] صحيح دون قوله حر والمحفوظ أنه كان عبدا




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ক্রয় করতে মনস্থ করলে তাঁর মনিবরা ওয়ালার (মীরাছের) শর্ত আরোপ করে। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করে আযাদ করে দাও। কেননা, যে আযাদ করবে, ওয়ালা (মীরাছ) সে-ই পাবে। (তাঁর নিকট) কিছু গোশত আনা হলে বলা হলঃ ইহা ঐ গোশত, যা বারীরা(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাদকারূপে দেওয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা তাঁর জন্য সাদকা। কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়া। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইখতিয়ার দেন। এ সময় তাঁর স্বামী আযাদ ছিল।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح دون قوله حر والمحفوظ أنه كان عبدا




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3451)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَاتَبَتْ بَرِيرَةُ عَلَى نَفْسِهَا بِتِسْعِ أَوَاقٍ، فِي كُلِّ سَنَةٍ بِأُوقِيَّةٍ، فَأَتَتْ عَائِشَةَ تَسْتَعِينُهَا، فَقَالَتْ: لَا، إِلَّا أَنْ يَشَاءُوا أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عَدَّةً وَاحِدَةً وَيَكُونُ الْوَلَاءُ لِي، فَذَهَبَتْ بَرِيرَةُ فَكَلَّمَتْ فِي ذَلِكَ أَهْلَهَا فَأَبَوْا عَلَيْهَا، إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْوَلَاءُ لَهُمْ، فَجَاءَتْ إِلَى عَائِشَةَ وَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ ذَلِكَ، فَقَالَتْ لَهَا مَا قَالَ أَهْلُهَا، فَقَالَتْ: لَا هَا اللَّهِ إِذًا إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْوَلَاءُ لِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا هَذَا؟» فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ بَرِيرَةَ أَتَتْنِي تَسْتَعِينُ بِي عَلَى كِتَابَتِهَا، فَقُلْتُ: لَا، إِلَّا أَنْ يَشَاءُوا أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عَدَّةً وَاحِدَةً وَيَكُونُ الْوَلَاءُ لِي، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِأَهْلِهَا فَأَبَوْا عَلَيْهَا، إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْوَلَاءُ لَهُمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ابْتَاعِيهَا وَاشْتَرِطِي لَهُمُ الْوَلَاءَ، فَإِنَّ الْوَلَاءَ لِمَنْ أَعْتَقَ»، ثُمَّ قَامَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: " مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتْ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُونَ: أَعْتِقْ فُلَانًا وَالْوَلَاءُ لِي. كِتَابُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَحَقُّ، وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ، وَكُلُّ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ " فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مِنْ زَوْجِهَا وَكَانَ عَبْدًا فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا قَالَ عُرْوَةُ: «فَلَوْ كَانَ حُرًّا، مَا خَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের ব্যাপারে তার মালিকের সংগে দাসত্ব হতে মুক্তির (কিতাবাত) চুক্তি করে যে, সে নয় বছরে তার মালিকের নয় উকিয়া, প্রতি বছর এক উকিয়া করে আদায় করবে। এরপর সে আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট সাহায্যপ্রার্থী হয়ে আগমন করলে তিনি বলেনঃ না, তবে যদি তারা চায় তাহলে আমি তাদেরকে একত্রে সব পাওনা আদায় করে দেব। আর ‘ওয়ালা’(মীরাছ)আমার হবে। বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এরপর তার মালিকের নিকট গিয়ে এ ব্যাপারে তাদের সাথে আলোচনা করলে তারা তা মানলো না। তারা বলল, ‘ওয়ালা’(মীরাছ) আমাদের থাকবে। তখন বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এসে তাঁর মালিক যা বলেছে, তা তাঁকে বললেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করেন। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তা হয় না, ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) আমারই থাকবে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কি ব্যাপার? তিনি (আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)) বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর দাসত্ব মুক্তির অর্থ আদায়ের ব্যাপারে আমার নিকট সাহায্য চাইলে, আমি বললামঃ না,(তা হবেনা,)যদি তারা ইচ্ছা করে, তবে আমি একসঙ্গে তাদের পাওনা আদায় করে দেব, কিন্তু ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) আমার থাকবে। সে তার মালিকের নিকট এ কথা বললে তারা তা মানতে অস্বীকার করে এবং বলেঃ ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) আমাদের থাকবে। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁকে ক্রয় করে নাও তাদের ওয়ালার শর্ত (করতে) দাও। কেননা ‘ওয়ালা’(মীরাছ) যে মুক্ত করবে তারই থাকবে। পড়ে তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে আল্লাহ্‌র হামদ ও প্রশংসা বর্ণনার পর বললেনঃ মানুষের কী হলো, তারা এমন এমন শর্ত করে যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই। তারা বলেঃ অমুককে মুক্ত কর তাঁর ‘ওয়ালা’ (মীরাছ) আমি পাব। মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌র কিতাব অধিক পালনীয়। মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’য়ালা যে শর্ত ঠিক করেছেন, তা খুবই সুদৃঢ়। আর যে শর্ত আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই, তা বাতিল। যদিও তা একশত শর্তও হয়। এর পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তাঁর স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার প্রদান করেন, সে (স্বামী) ছিল দাস। তখন সে নিজেকে গ্রহণ করে ও (স্বামীকে ছেড়ে দেয়)। উরওয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ যদি তাঁর স্বামী স্বাধীন হতো তাহলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইখতিয়ার দিতেন না।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3452)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: «كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ عَبْدًا»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্বামী ছিল দাস।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3453)


أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّهَا اشْتَرَتْ بَرِيرَةَ مِنْ أُنَاسٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فَاشْتَرَطُوا الْوَلَاءَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْوَلَاءُ لِمَنْ وَلِيَ النِّعْمَةَ» وَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا. وَأَهْدَتْ لِعَائِشَةَ لَحْمًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ وَضَعْتُمْ لَنَا مِنْ هَذَا اللَّحْمِ». قَالَتْ عَائِشَةُ: تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ، فَقَالَ: «هُوَ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ وَهُوَ لَنَا هَدِيَّةٌ»
---
[حكم الألباني] حسن صحيح




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি কয়েকজন আনসারী হতে বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ক্রয় করেন। তারা ওয়ালার (মীরাছের)শর্ত আরোপ করে। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে আযাদ করে, সে-ই ওয়ালার (মীরাছের) হকদার। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইখতিয়ার প্রদান করেন। তাঁর স্বামী ছিল দাস। একদা বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে গোশত হাদিয়া দিলে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমার জন্য এ গোশত থেকে কিছু রেখে দিলে (ভাল হতো)। আয়েশ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)বলেনঃ এ তো বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে সাদাকা স্বরূপ দান করা হয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ তা তাঁর জন্য তো সাদাকা কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়া।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3454)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ الْكَرْمَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ - عَنْ عَائِشَةَ، قَالَ: وَكَانَ وَصِيَّ أَبِيهِ قَالَ: وَفَرِقْتُ أَنْ أَقُولَ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِيكَ -، قَالَتْ عَائِشَةُ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَرِيرَةَ وَأَرَدْتُ أَنْ أَشْتَرِيَهَا وَاشْتُرِطَ الْوَلَاءُ لِأَهْلِهَا، فَقَالَ: «اشْتَرِيهَا، فَإِنَّ الْوَلَاءَ لِمَنْ أَعْتَقَ» قَالَ: وَخُيِّرَتْ وَكَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا، ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ: مَا أَدْرِي، وَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَحْمٍ، فَقَالُوا: هَذَا مِمَّا تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ، قَالَ: «هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَلَنَا هَدِيَّةٌ»




আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করি। আমি বলিঃ আমার ইচ্ছা আমি বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ক্রয় করি, আর তাঁর মালিকের জন্য ‘ওয়ালার’ (মীরাছের) শর্ত রাখি। তিনি বলেনঃ তুমি তাঁকে ক্রয় কর। কেননা, যে মুক্ত করে ওয়ালা (মীরাছ) তারই। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তাঁর স্বামীর ব্যাপারে, ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী ছিল দাস। এরপর রাবী বলেনঃ আমি জানিনা, (তিনি দাস না স্বাধীন)। (একদা) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গোশত আনা হলে তাঁর পরিবারের লোক বললেনঃ এটা বারীরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রদত্ত সাদাকা। তিনি বললেনঃ তা তাঁর জন্য সাদাকা ছিল, এখন তা আমাদের জন্য হাদিয়া।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3455)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يَعْفُورٍ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، قَالَ: - تَذَاكَرْنَا الشَّهْرَ عِنْدَهُ، فَقَالَ بَعْضُنَا: ثَلَاثِينَ، وَقَالَ بَعْضُنَا: تِسْعًا وَعِشْرِينَ - فَقَالَ أَبُو الضُّحَى: حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ: أَصْبَحْنَا يَوْمًا وَنِسَاءُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَبْكِينَ عِنْدَ كُلِّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ أَهْلُهَا، فَدَخَلْتُ الْمَسْجِدَ فَإِذَا هُوَ مَلْآنٌ مِنَ النَّاسِ، قَالَ: فَجَاءَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَصَعِدَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي عُلِّيَّةٍ لَهُ، فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، فَرَجَعَ، فَنَادَى بِلَالًا، فَدَخَلَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: أَطَلَّقْتَ نِسَاءَكَ؟ فَقَالَ: «لَا، وَلَكِنِّي آلَيْتُ مِنْهُنَّ شَهْرًا» فَمَكَثَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ، ثُمَّ نَزَلَ فَدَخَلَ عَلَى نِسَائِهِ




আবু যুহা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবু ইয়াকুব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ আমরা তাঁর নিকট মাসের বিষয়ে আলোচনা করলে আমাদের কেউ বললেনঃ মাস ত্রিশ দিনের হয়ে থাকে, আবার কেউ বলল, উনত্রিশ দিনের। এর মধ্যে আবু যুহা বললেনঃ ইবন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। একদিন আমরা সকালে উঠে দেখলাম, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ ক্রন্দন করছেন এবং তাদের প্রত্যেকের নিকট তাদের পরিবারের লোক উপস্থিত রয়েছে। এরপর আমি মসজিদে গিয়ে দেখলাম, মসজিদ লোকে ভর্তি। তিনি বলেনঃ এরপর উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আসলেন, এবং উপরে উঠে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ‘দ্বিতল’ কক্ষে ছিলেন। উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে সালাম করলেন, কিন্তু কেউ তাঁর সালামের জবাব দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, এবারও কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, কিন্তু কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি ফিরে এসে বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ডাক দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি বললেনঃ না। বরং আমি তাদের সাথে এক মাসের জন্য ‘ঈলা’ করেছি। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে উনত্রিশ দিন ছিলেন। এরপর তিনি সেখান থেকে অবতরণ করে তাঁর স্ত্রীদের নিকট গমন করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আন-নাসাঈ (3456)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: آلَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ نِسَائِهِ شَهْرًا فِي مَشْرُبَةٍ لَهُ، فَمَكَثَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً ثُمَّ نَزَلَ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَيْسَ آلَيْتَ عَلَى شَهْرٍ؟ قَالَ: «الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ»




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একমাস স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার কসম ‘ঈলা’ করলেন। এ সময় তিনি উনত্রিশ দিন ‘দ্বিতল’ প্রকোষ্ঠে অবস্থান করলেন। তারপর তিনি অবতরণ করলে বলা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনি কি একমাসের ঈলা করেন নি? তিনি বললেনঃ (এ) মাস উনত্রিশ দিনের।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3457)


أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ ظَاهَرَ مِنَ امْرَأَتِهِ فَوَقَعَ عَلَيْهَا، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي ظَاهَرْتُ مِنَ امْرَأَتِي فَوَقَعْتُ قَبْلَ أَنْ أُكَفِّرَ، قَالَ: «وَمَا حَمَلَكَ عَلَى ذَلِكَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ؟» قَالَ: رَأَيْتُ خَلْخَالَهَا فِي ضَوْءِ الْقَمَرِ، فَقَالَ: «لَا تَقْرَبْهَا حَتَّى تَفْعَلَ مَا أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ»




ইবন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলো, যে তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করেছিল। আর কাফফারা আদায় করার পূর্বেই সে তার সাথে সহবাস করে। সে এসে বলেঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার স্ত্রীর সাথে যিহার করেছি এবং কাফফারা আদায়ের পূর্বে তার সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করল? আল্লাহ তোমাকে রহম করুন। সে বললঃ আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের মল দেখলাম। তিনি বললেনঃ এখন তুমি মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌র আদেশ পালন না করা পর্যন্ত তার নিকট গমন করো না (সহবাস করবে না)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3458)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: تَظَاهَرَ رَجُلٌ مِنَ امْرَأَتِهِ فَأَصَابَهَا قَبْلَ أَنْ يُكَفِّرَ، فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا حَمَلَكَ عَلَى ذَلِكَ؟» قَالَ: رَحِمَك û اللَّهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، رَأَيْتُ خَلْخَالَهَا أَوْ سَاقَيْهَا فِي ضَوْءِ الْقَمَرِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَاعْتَزِلْهَا حَتَّى تَفْعَلَ مَا أَمَرَكَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ»




ইকরামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করে কাফফারা আদায় করার পূর্বেই তার সাথে তার সাথ সহবাস করলো। এরপর সে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তা বর্ণনা করলো। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আমি তার পায়ের মল দেখলাম, অথবা (সে বললঃ) আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের গোছা দেখলাম। একথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ তোমাকে যা আদেশ করেছেন তা(কাফফারা) না করা পর্যন্ত তুমি তার থেকে দূরে থাকবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن