হাদীস বিএন


সুনান আন-নাসাঈ





সুনান আন-নাসাঈ (3499)


أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: أَنْبَأَنَا يَزِيدُ النَّحْوِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ: " فِي قَوْلِهِ {مَا نَنْسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنْسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِنْهَا أَوْ مِثْلِهَا} [البقرة: 106] وَقَالَ: {وَإِذَا بَدَّلْنَا آيَةً مَكَانَ آيَةٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يُنَزِّلُ} [النحل: 101] الْآيَةَ، وَقَالَ: {يَمْحُو اللَّهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهُ أُمُّ الْكِتَابِ} [الرعد: 39] فَأَوَّلُ مَا نُسِخَ مِنَ الْقُرْآنِ الْقِبْلَةُ، وَقَالَ: {وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ} [البقرة: 228] وَقَالَ: {وَاللَّائِي يَئِسْنَ مِنَ الْمَحِيضِ مِنْ نِسَائِكُمْ إِنْ ارْتَبْتُمْ فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ} [الطلاق: 4] فَنُسِخَ مِنْ ذَلِكَ، قَالَ تَعَالَى: {وَإِنْ طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَمَسُّوهُنَّ} [البقرة: 237] {فَمَا لَكُمْ عَلَيْهِنَّ مِنْ عِدَّةٍ تَعْتَدُّونَهَا} [الأحزاب: 49] "
---
[حكم الألباني] حسن صحيح




ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, (অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ
(আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3500)


أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تَحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ، إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»




উম্মু হাবীবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে স্ত্রীলোক আল্লাহ্‌ এবং পরকালে বিশ্বাস করে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা তাঁর জন্য বৈধ নয়, স্বামী ব্যতীত। (কেননা স্বামীর জন্য) চার মাস দশদিন(শোক পালন করতে হবে)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3501)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، قُلْتُ: عَنْ أُمِّهَا؟ قَالَ: نَعَمْ: إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنِ امْرَأَةٍ تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا فَخَافُوا عَلَى عَيْنِهَا أَتَكْتَحِلُ؟ فَقَالَ: «قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَمْكُثُ فِي بَيْتِهَا فِي شَرِّ أَحْلَاسِهَا حَوْلًا، ثُمَّ خَرَجَتْ فَلَا أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»




হামিদ ইব্‌ন নাফি যয়নব বিন্‌ত উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আমি বললামঃ যয়নব তাঁর মাতা উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কেউ এমন এক স্ত্রীলোক সম্পর্কে জিজ্ঞাস করলো, যার স্বামী মারা গেছেন। তারা তাঁর চোখের ব্যাপারে শংকিত হয়ে পড়েছিলেন। সে কি সুরমা ব্যবহার করবে? তিনি বললেনঃ এর আগে জাহিলী যুগে তোমাদের প্রত্যেক স্ত্রীলোক নিজেদের ঘরে বসে থাকতো মোটা ও নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করে (যা উটের হাওদার নীচে দেয়া হতো)। (আর সে এই কষ্টের মধ্যে) পূর্ণ এক বছর কাটিয়ে দিত। এরপর বের হত। এখন কি তোমাদের উপর চার মাস দশদিন পালন করা সহনীয় নও (অধিক কঠিন মনে হয়) ?




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3502)


أَخْبَرَنِي إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا جَرِيرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ قَيْسِ بْنِ قَهْدٍ الْأَنْصَارِيِّ - وَجَدُّهُ قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، وَأُمِّ حَبِيبَةَ، قَالَتَا: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: إِنَّ ابْنَتِي تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا، وَإِنِّي أَخَافُ عَلَى عَيْنِهَا أَفَأَكْحُلُهَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَجْلِسُ حَوْلًا، وَإِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا، فَإِذَا كَانَ الْحَوْلُ خَرَجَتْ وَرَمَتْ وَرَاءَهَا بِبَعْرَةٍ»




উম্মু হাবীবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার কন্যার স্বামী ইন্‌তিকাল করেছে। আর আমি চোখের ব্যাপারে (খারাপ না হয়ে যায়) আমি কি তাঁর চোখে সুরমা লাগাতে পারি? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ পূর্বে তো প্রত্যেক নারী এক বছর পর্যন্ত বসে থাকতো, আর এই সময় তো (কোন অধিক সময় নয়, মাত্র) চার মাস দশদিন। আর যখন এক বছর পূর্ণ হতো ? তখন ঐ মহিলা বের হয়ে নিজের পেছনের দিকে উটের গোবর ছিটাতো।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3503)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ نَافِعًا، يَقُولُ: عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، أَنَّهَا سَمِعَتْ حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تَحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ، فَإِنَّهَا تَحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»




উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা এবং কিয়ামতে বিশ্বাস স্থাপনকারী কোন নারীর জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা বৈধ নয়। তবে স্বামীর জন্য চার মাস দশদিন শোক করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3504)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سَعِيدٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تَحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ أَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ، فَإِنَّهَا تَحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»




সাফিয়্যা বিন্‌ত আবূ উবায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ যে নারী আল্লাহ্‌ এবং কিয়ামতে বিশ্বাস করে তার জন্য কোন মৃতের উপর তিন দিনের অধিক শোক বৈধ নয়, স্বামী ব্যতীত। কেননা স্বামীর জন্য সে চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3505)


أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا السَّهْمِيُّ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ أُمُّ سَلَمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، نَحْوَهُ




উম্মে সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3506)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لِمُحَمَّدٍ، قَالَا: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ: أَنَّ سُبَيْعَةَ الْأَسْلَمِيَّةَ نُفِسَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ، فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَأْذَنَتْ أَنْ تَنْكِحَ، «فَأَذِنَ لَهَا» فَنَكَحَتْ




মিস্ওয়ার ইব্ন মাখ্রামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, যখন সুবায়‘আ আসলামী তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পরেই সন্তান প্রসব করলো। তখন সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিবাহ করার অনুমতি প্রার্থনা করলো। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। পরে সে বিবাহে আবদ্ধ হলো।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আন-নাসাঈ (3507)


أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دَاوُدَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَمَرَ سُبَيْعَةَ أَنْ تَنْكِحَ إِذَا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا»




মিস্ওয়ার ইব্ন মাখরামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুবায়‘আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বিয়ে করার অনুমতি দান করেন যখন সে নিফাস হতে পাক হবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3508)


أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ أَبِي السَّنَابِلِ، قَالَ: وَضَعَتْ سُبَيْعَةُ حَمْلَهَا بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِثَلَاثَةٍ وَعِشْرِينَ أَوْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ لَيْلَةً، فَلَمَّا تَعَلَّتْ تَشَوَّفَتْ لِلْأَزْوَاجِ فَعِيبَ ذَلِكَ عَلَيْهَا، فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «مَا يَمْنَعُهَا، قَدْ انْقَضَى أَجَلُهَا»




আবূ সানাবিল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ সুবায়‘আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্বামীর মৃত্যুর তেইশ অথবা পঁচিশ দন অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি সন্তান প্রসব করলেন। যখন তাঁন নিফাসের সময় অতিবাহিত হলো, তখন তিনি অন্য স্বামী গ্রহন করার প্রস্তুতি গ্রহন করতে লাগলেন। ফলে লোকেরা সমালোচনা করলো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এর উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ এখন তার বিয়ে করতে বাধা কোথায়? কারণ তার ইদ্দত পূর্ণ হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3509)


أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، يَقُولُ: اخْتَلَفَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَابْنُ عَبَّاسٍ فِي الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا إِذَا وَضَعَتْ حَمْلَهَا، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: تُزَوَّجُ، وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: أَبْعَدَ الْأَجَلَيْنِ؟ فَبَعَثُوا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ، فَقَالَتْ: تُوُفِّيَ زَوْجُ سُبَيْعَةَ فَوَلَدَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِخَمْسَةَ عَشَرَ نِصْفِ شَهْرٍ، قَالَتْ: فَخَطَبَهَا رَجُلَانِ فَحَطَّتْ بِنَفْسِهَا إِلَى أَحَدِهِمَا، فَلَمَّا خَشُوا أَنْ تَفْتَاتَ بِنَفْسِهَا، قَالُوا: إِنَّكِ لَا تَحِلِّينَ، قَالَتْ: فَانْطَلَقْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «قَدْ حَلَلْتِ فَانْكِحِي مَنْ شِئْتِ»




আবদু রাব্বিহী ইব্ন সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আমি আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছিঃ আবু হুরায়রা এবং ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ঐ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে মতবিরোধ করলেন যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তার স্বামীর মৃত্যুর (কিছুদিন) পর সে সন্তান প্রসব করে। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ (সেই মহিলা প্রসব করার পর) বিবাহ করতে পারবে। আর ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ দুই সময়ের মধ্যে যেটা দীর্ঘ হবে তা পালন করবে।১ পরে তারা উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট লোক পাঠালে তিনি বললেনঃ সুবায়‘আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্বামী মারা যাওয়ার পনের দিন (অর্ধমাস) পর সে সন্তান প্রসব করে। এরপর দুই ব্যক্তি তার কাছে বিবাহের প্রস্তাব করলে সে একজনের দিকে আকৃষ্ট হল। তার পরিবারের লোকেরা আশংকা করলো যে, হয়তো সে একচ্ছত্র রূপে (বিয়ের) সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে। তারা তাকে বললেনঃ এখনও তো তোমার ইদ্দতও পূর্ণ হয়নি। সুবায়‘আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তুমি বৈধ হয়ে গেছ, কাজেই এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3510)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لِمُحَمَّدٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ، وَأَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَهِيَ حَامِلٌ؟ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: آخِرُ الْأَجَلَيْنِ، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: إِذَا وَلَدَتْ فَقَدْ حَلَّتْ، فَدَخَلَ أَبُو سَلَمَةَ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ، فَسَأَلَهَا عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَتْ: وَلَدَتْ سُبَيْعَةُ الْأَسْلَمِيَّةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِنِصْفِ شَهْرٍ، فَخَطَبَهَا رَجُلَانِ أَحَدُهُمَا شَابٌّ وَالْآخَرُ كَهْلٌ، فَحَطَّتْ إِلَى الشَّابِّ، فَقَالَ الْكَهْلُ: لَمْ تَحْلِلْ، وَكَانَ أَهْلُهَا غُيَّبًا، فَرَجَا إِذَا جَاءَ أَهْلُهَا أَنْ يُؤْثِرُوهُ بِهَا، فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «قَدْ حَلَلْتِ فَانْكِحِي مَنْ شِئْتِ»




আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কেউ আবূ হুরায়রা ও ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট ঐ মহিলার ব্যাপারে প্রশ্ন করলো, যার স্বামী মারা যায় এবং সে তখন গর্ভবতী ছিল। ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ সে তার দু’টি ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘ হয়, সে তা গ্রহন করবে। আর আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ যখনই সে প্রসব করেছে তখনই সে হালাল (তার ইদ্দত পূর্ণ) হয়ে গেছে। আবূ সালমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (এই মতবিরোধ শ্রবণ করে) উম্মু সালমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট গমন করলেন এবং তার নিকট এই মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি (উম্মে সালমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)) বললেনঃ সুবায়‘আর স্বামীর মৃত্যুর পর অর্ধ মাস অতীত হলে সে সন্তান প্রসব করল। এরপর দুই ব্যক্তি তার নিকট বিবাহের পরগাম পাঠায়, তাদের একজন ছিল যুবক, আর দ্বিতীয় জন ছিল আধা বয়সী (প্রৌঢ়)। সে যুবকের দিকে আকৃষ্ট হল। তখন প্রৌঢ় ব্যক্তি বললোঃ এখন হালাল হও নি। উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)বলেনঃ তখন সুবায়‘আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পরিবারের লো্ক উপস্থিত ছিল না। মধ্য বয়সের লোকটি মনে করলো, যখন তার আত্নী্য-স্বজন আসবে, তখন হয়তো তারা তাকে অগ্রাধিকার দিবে। পরে সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তুমি হালাল হয়ে গেছ, এখন তুমি যাকে ইচ্ছা বিয়ে করতে পার।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3511)


أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ وَهُوَ ابْنُ زُرَيْعٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قِيلَ لِابْنِ عَبَّاسٍ، فِي امْرَأَةٍ وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِعِشْرِينَ لَيْلَةً: أَيَصْلُحُ لَهَا أَنْ تَزَوَّجَ؟ قَالَ: «لَا، إِلَّا آخِرَ الْأَجَلَيْنِ». قَالَ: قُلْتُ: قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: {وَأُولَاتُ الْأَحْمَالِ أَجَلُهُنَّ أَنْ يَضَعْنَ حَمْلَهُنَّ} [الطلاق: 4] فَقَالَ: «إِنَّمَا ذَلِكَ فِي الطَّلَاقِ»، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي - يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ - فَأَرْسَلَ غُلَامَهُ كُرَيْبًا، فَقَالَ: ائْتِ أُمَّ سَلَمَةَ، فَسَلْهَا هَلْ كَانَ هَذَا سُنَّةٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَجَاءَ فَقَالَ: قَالَتْ: نَعَمْ، سُبَيْعَةُ الْأَسْلَمِيَّةُ وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِعِشْرِينَ لَيْلَةً، «فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَزَوَّجَ» فَكَانَ أَبُو السَّنَابِلِ فِيمَنْ يَخْطُبُهَا




আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কেউ ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলো, যদি কোন স্ত্রীলোক তার স্বামীর মৃত্যুবরণ করার বিশ দিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করে, তবে কি তার বিবাহ করা সঠিক হবে? ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ না। (বিবাহ করা বৈধ হবে না), যতক্ষন না সে তার দুই ইদ্দতের মধ্যে দীর্ঘ ইদ্দতটি পূর্ণ করে। আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা’আলা তো বলেছেনঃ “যারা গর্ভবতী তাদের ইদ্দত হলো তাদের সন্তান প্রসব করা।” ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে উত্তরে) বললেন, এই আদেশ তালাকপ্রাপ্তা নারীর ব্যাপারে। এরপর আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমি আমার ভাইপো আবূ সালামার সাথে আছি। (অর্থাৎ যা সে বলছে তা-ই আমার নিকট উত্তম এবং সহীহ্)। এই কথার পর তিনি তার দাস কুরায়বকে উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি বললেন, তুমি উম্মু সালামা (রা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর যে, এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন সুন্নত (বিধান) আছে কি না। কুরায়ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যা বলেছেন ব্যক্ত করলে) উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হ্যাঁ, (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নত এ ব্যাপারে এই যে,) সুবায়‘আ আসলামী (রা.) তার স্বামীর মৃত্যুর বিশ দিন পর সন্তান প্রসব করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করার অনুমতি দেন। আর আবূ সানাবিল তার বিবাহের পয়গামদাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আন-নাসাঈ (3512)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ وَابْنَ عَبَّاسٍ وَأَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ تَذَاكَرُوا عِدَّةَ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا تَضَعُ عِنْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: تَعْتَدُّ آخِرَ الْأَجَلَيْنِ، وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: بَلْ تَحِلُّ حِينَ تَضَعُ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي، فَأَرْسَلُوا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: وَضَعَتْ سُبَيْعَةُ الْأَسْلَمِيَّةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِيَسِيرٍ، فَاسْتَفْتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ»




সুলায়মান ইব্ন ইয়াসার (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, আবূ হুরায়রা, ইব্ন আব্বাস ও আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজেদের মধ্যে ঐ মহিলার ইদ্দত সম্বন্ধে আলোচনা করেন, যার স্বামী মারা যাওয়ার সময় (অবিলম্বে) সে সন্তান প্রসব করে। ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ দু'টি ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর, সেটি পালন করবে। আর আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ সেই মহিলা তার সন্তান প্রসব করার সময়ই হালাল হয়ে যাবে এবং আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমি আমার ভ্রাতুষ্পুত্রের সাথে একমত। এরপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে পাঠালে তিনি বললেনঃ সুবায়'আ আসলামিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার স্বামীর মৃত্যুর অল্প ক'দিন পর সন্তান প্রসব করলো। এ ব্যাপারে সুবায়'আ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এর সমাধান (ফাতাওয়া) চাইলে তিনি তাকে বিবাহের অনুমতি প্রদান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3513)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ وَاصِلِ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: وَضَعَتْ سُبَيْعَةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَيَّامٍ، «فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَزَوَّجَ»




উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ সুবায়'আ তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করার অনুমতি প্রদান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3514)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ابْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، وَأَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ اخْتَلَفَا فِي الْمَرْأَةِ تُنْفَسُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ: آخِرُ الْأَجَلَيْنِ، وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: إِذَا نُفِسَتْ فَقَدْ حَلَّتْ، فَجَاءَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَقَالَ: أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي - يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - فَبَعَثُوا كُرَيْبًا مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ، يَسْأَلُهَا عَنْ ذَلِكَ، فَجَاءَهُمْ، فَأَخْبَرَهُمْ أَنَّهَا قَالَتْ: وَلَدَتْ سُبَيْعَةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «قَدْ حَلَلْتِ»




সুলায়মান ইব্ন ইয়াসার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মধ্যে ঐ মহিলার ইদ্দতের ব্যাপারে মতবিরোধ দেখা দেয়, যার স্বামীর মৃত্যুর কিছু দিন পর সে সন্তান প্রসব করলো। আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ দুই ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হয়, (ঐ মহিলা সেটি পালন করবে)। আর আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ যখন সে সন্তান প্রসব করলো, তখন সে হালাল হয়ে গেল (তার ইদ্দত পূর্ণ হলো)। এরপর আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আসলে তিনি বললেনঃ আমি আমার ভাতিজা অর্থাৎ আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমানের পক্ষ অবলম্বন করছি। এরপর তাঁরা ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠান। তিনি (এই ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে) এসে তাদেরকে অবহিত করলেন যে, উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করলো। এরপর সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এর উল্লেখ করলে, তিনি বললেন, তুমি হালাল হয়ে গেছ, (অর্থাৎ তোমার ইদ্দত পূর্ণ হয়ে গেছে)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3515)


أَخْبَرَنَا حُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: كُنْتُ أَنَا وَابْنُ عَبَّاسٍ وَأَبُو هُرَيْرَةَ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: إِذَا وَضَعَتِ الْمَرْأَةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا فَإِنَّ عِدَّتَهَا آخِرُ الْأَجَلَيْنِ، فَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: فَبَعَثْنَا كُرَيْبًا، إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ، يَسْأَلُهَا عَنْ ذَلِكَ، فَجَاءَنَا مِنْ عِنْدِهَا أَنَّ سُبَيْعَةَ تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا، فَوَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَيَّامٍ، «فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَتَزَوَّجَ»




আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, (একদা) আমি, ইব্ন আব্বাস এবং আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একত্রে (বসা) ছিলাম। ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক তার স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তান প্রসব করে, তখন ঐ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হবে, দুই ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেটি। আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আমরা কুরায়ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালে, (কুরায়ব) তাঁর নিকট থেকে (সংবাদ নিয়ে) আসলো যে, সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্বামীর মৃত্যু হলে তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সে সন্তান প্রসব করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করার অনুমতি প্রদান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3516)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ: حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ زَيْنَبَ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ، أَخْبَرَتْهُ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنَّ امْرَأَةً مِنْ أَسْلَمَ يُقَالُ لَهَا: سُبَيْعَةُ كَانَتْ تَحْتَ زَوْجِهَا، فَتُوُفِّيَ عَنْهَا وَهِيَ حُبْلَى، فَخَطَبَهَا أَبُو السَّنَابِلِ بْنُ بَعْكَكٍ فَأَبَتْ أَنْ تَنْكِحَهُ، فَقَالَ: مَا يَصْلُحُ لَكِ أَنْ تَنْكِحِي حَتَّى تَعْتَدِّي آخِرَ الْأَجَلَيْنِ، فَمَكَثَتْ قَرِيبًا مِنْ عِشْرِينَ لَيْلَةً ثُمَّ نُفِسَتْ، فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «انْكِحِي»




আবু সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, যয়নাব বিন্ত আবু সালামা তাকে অবহিত করেছেন তার মা, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, যে বনী আসলাম গোত্রের সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (নাম্নী এক মহিলা) তার স্বামীর কাছে বিবাহে ছিল। তাকে গর্ভবতী অবস্থায় রেখে স্বামী মারা যায়। আবূ সানাবিল ইব্ন বা'কাক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার বিবাহের পয়গাম দেন, কিন্তু তিনি তাকে বিবাহ করতে রাযী হলেন না। পরে তিনি বললেনঃ দুই ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর, সেটি পূর্ণ করার পূর্বে তোমার বিয়ে করা ঠিক হবে না। সে প্রায় বিশদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করলো। এরপর যখন সে সন্তান প্রসব করলো, তখন সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি বললেনঃ তুমি এখন বিয়ে করতে পার।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আন-নাসাঈ (3517)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي دَاوُدُ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَخْبَرَهُ قَالَ: بَيْنَمَا أَنَا وَأَبُو هُرَيْرَةَ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ إِذْ جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ: تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَهِيَ حَامِلٌ، فَوَلَدَتْ لِأَدْنَى مِنْ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ مِنْ يَوْمِ مَاتَ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: آخِرُ الْأَجَلَيْنِ، فَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: أَخْبَرَنِي رَجُلٌ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ سُبَيْعَةَ الْأَسْلَمِيَّةَ جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَهِيَ حَامِلٌ، فَوَلَدَتْ لِأَدْنَى مِنْ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ، «فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَتَزَوَّجَ» قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَأَنَا أَشْهَدُ عَلَى ذَلِكَ




আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একদিন আমি এবং আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইব্ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় এক মহিলা এসে তার স্বামীর অবস্থা বলল যে, তার স্বামী মৃত্যুবরণ করেছে, তখন সে গর্ভবতী ছিল। (সে বলল): স্বামীর মৃত্যুর দিন থেকে চার মাস পূর্ণ না হতেই সে সন্তান প্রসব করে। ইব্ন আবাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ যে ইদ্দত দীর্ঘতর হবে, (তা-ই তোমার ইদ্দত হবে)। আবূ সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সাহাবী অবহিত করেছেন যে, সুবায়'আ আসলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে (নিজের অবস্থা বর্ননা করতে গিয়ে) বললো যে, তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, তখন সে গর্ভবতী ছিল। এরপর সে সন্তান প্রসব করেছে, তখন চার মাস অতিবাহিত হয়নি। তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাহ করার অনুমতি দান করেন। তখন আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতে লাগলেনঃ আমি এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3518)


أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَاهُ، كَتَبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَرْقَمَ الزُّهْرِيِّ يَأْمُرُهُ أَنْ يَدْخُلَ عَلَى سُبَيْعَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ الْأَسْلَمِيَّةِ، فَيَسْأَلَهَا حَدِيثَهَا وَعَمَّا قَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ اسْتَفْتَتْهُ، فَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، يُخْبِرُهُ، أَنَّ سُبَيْعَةَ، أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ سَعْدِ بْنِ خَوْلَةَ وَهُوَ مِنْ بَنِي عَامِرِ بْنِ لُؤَيٍّ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا، فَتُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ وَهِيَ حَامِلٌ، فَلَمْ تَنْشَبْ أَنْ وَضَعَتْ حَمْلَهَا بَعْدَ وَفَاتِهِ، فَلَمَّا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا تَجَمَّلَتْ لِلْخُطَّابِ، فَدَخَلَ عَلَيْهَا أَبُو السَّنَابِلِ بْنُ بَعْكَكٍ رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ، فَقَالَ لَهَا: مَا لِي أَرَاكِ مُتَجَمِّلَةً لَعَلَّكِ تُرِيدِينَ النِّكَاحَ، إِنَّكِ وَاللَّهِ مَا أَنْتِ بِنَاكِحٍ حَتَّى تَمُرَّ عَلَيْكِ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا، قَالَتْ سُبَيْعَةُ: فَلَمَّا قَالَ لِي ذَلِكَ جَمَعْتُ عَلَيَّ ثِيَابِي حِينَ أَمْسَيْتُ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ «فَأَفْتَانِي بِأَنِّي قَدْ حَلَلْتُ حِينَ وَضَعْتُ حَمْلِي، وَأَمَرَنِي بِالتَّزْوِيجِ إِنْ بَدَا لِي»




উবায়দুল্লাহ্ ইব্ন আবদুল্লাহ্ হতে বর্ণিত, আপনি গিয়ে সুবায়'আ বিন্ত হারিস আসলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তার হাদীস (ঘটনা) জিজ্ঞাসা করুন। যখন সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তার অবস্থার সমাধান চেয়েছিল, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কি বলেছিলেন। তখন উমর ইব্ন আবদুল্লাহ্, আবদুল্লাহ ইব্ন উতবাকে লিখলেন যে, সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে অবহিত করেছেন, তিনি সা'দ ইব্ন খাওলা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বিবাহধীন ছিলেন, আর তিনি সা'দ ছিলেন আমির ইব্ন লু'আই গোত্রের লোক। আর তিনি বদরী সাহাবী ছিলেন। তিনি যখন বিদায় হজ্জে ইনতিকাল করেন, তখন তিনি (সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)) গর্ভবতী ছিলেন। কিন্তু তার স্বামীর মৃত্যুর (কয়েক দিন) পরই তিনি সন্তান প্রসব করেন। যখন সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিফাস হতে পাক হন। তখন তিনি বিবাহ প্রস্তাবকারীদের জন্য সাজসজ্জা করলেন। আবদুদ্দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইব্ন বা'কাক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর নিকট এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখছি কেন? মনে হয় তুমি বিবাহের ইচ্ছা করছো? আল্লাহ্‌র শপথ। তোমার জন্য বিবাহ করা ঠিক হবে না, চার মাস দশদিন অতিবাহিত হওয়ার আগে। সুবায়'আ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ যখন সে একথা বললো, তখন আমি সন্ধ্যায় আমার প্রয়োজনীয় পোষাক পড়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে ফাতাওয়া দিয়ে বললেনঃ আমি যখন বাচ্চা প্রসব করেছি, তখনই আমি হালাল হয়েছি (আমার ইদ্দত পূর্ণ হয়েছে)। তিনি আমাকে আমার ইচ্ছা হলে বিবাহ করার নির্দেশ দিলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم