হাদীস বিএন


সুনান আন-নাসাঈ





সুনান আন-নাসাঈ (3539)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّهَا: أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَتْهُ عَنْ ابْنَتِهَا مَاتَ زَوْجُهَا وَهِيَ تَشْتَكِي، قَالَ: «قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَحِدُّ السَّنَةَ، ثُمَّ تَرْمِي الْبَعْرَةَ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ، وَإِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»




যয়নাব বিন্‌ত আবু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে তার কন্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো, যার স্বামী মারা গিয়েছিল, এবং সে (চোখের) অসুখে আক্রান্ত ছিল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেক নারী জাহিলী যুগে এক বছর শোক পালন করতে, এবং সাল পূর্ণ হলে গোবর নিক্ষেপ করত। এখন তো মাত্র চার মাস দশ দিন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3540)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْدَانَ بْنِ عِيسَى بْنِ مَعْدَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَعْيَنَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، مَوْلَى الْأَنْصَارِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ: أَنَّ امْرَأَةً مِنْ قُرَيْشٍ جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: إِنَّ ابْنَتِي تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَقَدْ خِفْتُ عَلَى عَيْنِهَا وَهِيَ تُرِيدُ الْكُحْلَ، فَقَالَ: «قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَرْمِي بِالْبَعْرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ، وَإِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا» فَقُلْتُ لِزَيْنَبَ: مَا رَأْسُ الْحَوْلِ؟ قَالَتْ: «كَانَتِ الْمَرْأَةُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ إِذَا هَلَكَ زَوْجُهَا، عَمَدَتْ إِلَى شَرِّ بَيْتٍ لَهَا، فَجَلَسَتْ فِيهِ حَتَّى إِذَا مَرَّتْ بِهَا سَنَةٌ خَرَجَتْ فَرَمَتْ وَرَاءَهَا بِبَعْرَةٍ»




উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কুরায়স-এর এক নারী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো যে, আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, আমার আশংকা হয় তার চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। (উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ ) তার ইছা ছিল, তিনি তাকে সুরমা লাগাবার অনুমতি দেবেন। কিন্তু (নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) তিনি বললেনঃ (তোমাদের পূর্বে অর্থাৎ জাহিলী যুগে) তোমাদের প্রত্যেক নারী বছর পূর্ন হলে গোবর নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চার মাস দশদিন। হুমায়দ ইব্‌ন নাফি’ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি যয়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ এক বছর পূর্তি কী? তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে যখন কোন নারীর স্বামীর মৃত্যু হতো, তখন সে তার অতি নিকৃষ্ট ঘরে আশ্রয় নিত। যখন এক বছর পূর্ণ হতো, তখন সে নিজের পেছনে গোবর ছুঁড়ে দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতো।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3541)


أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبِ بْنِ عَرَبِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ: أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْ أُمَّ سَلَمَةَ، وَأُمَّ حَبِيبَةَ، أَتَكْتَحِلُ فِي عِدَّتِهَا مِنْ وَفَاةِ زَوْجِهَا؟ فَقَالَتْ: أَتَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَتْهُ عَنْ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: «قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا أَقَامَتْ سَنَةً، ثُمَّ قَذَفَتْ خَلْفَهَا بِبَعْرَةٍ، ثُمَّ خَرَجَتْ، وَإِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا حَتَّى يَنْقَضِيَ الْأَجَلُ»




যয়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, জনৈক মহিলা উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং উম্মু হাবীবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট স্বামীর মৃত্যু হলে নারীর ইদ্দতের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো, সে সুরমা লাগাবে কি? তারা বললেনঃ এক নারী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকে জাহিলী যুগে যখন স্বামী মারা যেত, তখন এক বছর ইদ্দত পালন করতো, এরপর পেছনে গোবর ছুঁড়ে দিয়ে বের হতো। আর এখন তো চার মাস দশ দিনেই তার ইদ্দত শেষ হয়ে যায়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3542)


أَخْبَرَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «أَنَّهُ رَخَّصَ لِلْمُتَوَفَّى عَنْهَا عِنْدَ طُهْرِهَا فِي الْقُسْطِ وَالْأَظْفَارِ»




উম্মু আতিয়্যা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, যে নারীর স্বামী মারা গেছে ঐ নারীকে তার (হায়েয থেকে) পবিত্র হওয়ার সময়ে কুস্‌ত এবং আয্‌ফার লাগানোর অনুমতি দান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3543)


أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السِّجْزِيُّ خَيَّاطُ السُّنَّةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ النَّحْوِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ: {وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا وَصِيَّةً لِأَزْوَاجِهِمْ مَتَاعًا إِلَى الْحَوْلِ غَيْرَ إِخْرَاجٍ} [البقرة: 240] «نُسِخَ ذَلِكَ بِآيَةِ الْمِيرَاثِ مِمَّا فُرِضَ لَهَا مِنَ الرُّبُعِ وَالثُّمُنِ، وَنَسَخَ أَجَلَ الْحَوْلِ، أَنْ جُعِلَ أَجَلُهَا أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»
---
[حكم الألباني] حسن صحيح




ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎঃ ‘তোমাদের মধ্যে যাদের মৃত্যু আসন্ন এবং যাদের স্ত্রীদের রেখে যায়, তারা যেন তাদের স্ত্রীদেরকে ঘর থেকে বের না করে তাদের এক বছরের ভরণ পোষণের ওসীয়ত করে’ – এই আয়াতটি মীরাছের আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। যে আয়াতে আল্লাহ্‌ তা’আলা স্ত্রীদের জন্য মীরাছের ১/৪ বা ১/৮ অংশ নির্ধারিত করা হয়েছে। আর এক বছর ইদ্দতের আদেশ চার মাস দশ দিনের ইদ্দতের আদেশ দ্বারা রহিত হয়ে গেছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3544)


أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ: {وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا وَصِيَّةً لِأَزْوَاجِهِمْ مَتَاعًا إِلَى الْحَوْلِ غَيْرَ إِخْرَاجٍ} [البقرة: 240]، قَالَ: " نَسَخَتْهَا: {وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا} [البقرة: 234] "
---
[حكم الألباني] حسن صحيح




ইকরামা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) সম্পর্কে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আয়াতটি (আরবি) আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3545)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَاصِمٍ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ، أَخْبَرَتْهُ - وَكَانَتْ عِنْدَ رَجُلٍ مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ -: أَنَّهُ طَلَّقَهَا ثَلَاثًا وَخَرَجَ إِلَى بَعْضِ الْمَغَازِي، وَأَمَرَ وَكِيلَهُ أَنْ يُعْطِيَهَا بَعْضَ النَّفَقَةِ، فَتَقَالَّتْهَا، فَانْطَلَقَتْ إِلَى بَعْضِ نِسَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَدَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ عِنْدَهَا فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ طَلَّقَهَا فُلَانٌ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا بِبَعْضِ النَّفَقَةِ، فَرَدَّتْهَا، وَزَعَمَ أَنَّهُ شَيْءٌ تَطَوَّلَ بِهِ؟ قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَانْتَقِلِي إِلَى أُمِّ كُلْثُومٍ فَاعْتَدِّي عِنْدَهَا» ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ أُمَّ كُلْثُومٍ امْرَأَةٌ يَكْثُرُ عُوَّادُهَا، فَانْتَقِلِي إِلَى عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ أَعْمَى» فَانْتَقَلَتْ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ، فَاعْتَدَّتْ عِنْدَهُ حَتَّى انْقَضَتْ عِدَّتُهَا، ثُمَّ خَطَبَهَا أَبُو الْجَهْمِ وَمُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ، فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، تَسْتَأْمِرُهُ فِيهِمَا، فَقَالَ: «أَمَّا أَبُو الْجَهْمِ فَرَجُلٌ أَخَافُ عَلَيْكِ قَسْقَاسَتَهُ لِلْعَصَا، وَأَمَّا مُعَاوِيَةُ فَرَجُلٌ أَمْلَقُ مِنَ الْمَالِ» فَتَزَوَّجَتْ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ بَعْدَ ذَلِكَ
---
[حكم الألباني] ضعيف الإسناد وقوله أم كلثوم منكر والمحفوظ أم شريك




আবদুর রহমান ইব্‌ন আসিম (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ফাতিমা বিন্‌ত কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে অবহিত করেছেন, তিনি মাখযূম গোত্রের এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলেন, যিনি তাঁকে তিন তালাক দেন এবং কোন যুদ্ধে গমন করেন। আর তিনি নিজের উকীলদের নিকট বলে যানঃ তুমি তাঁকে কিছু খরচ দিয়ে দিও। (সেই উকীল তাঁকে কিছু দিল।) কিন্তু তিনি বলেন, ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তা কম মনে করে ফিরিয়ে দিলেন এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন স্ত্রীর নিকট গমন করেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তিনি ঐ ঘরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ ! এ (আমি) ফাতিমা বিন্‌ত কায়স। তাকে অমুক ব্যক্তি তালাক দিয়েছে। আর অমুকের মারফত তার খরচ পাঠিয়েছে। সে তা সামান্য মনে করে তা ফিরিয়ে দিয়েছে। সে (স্বামী) বলেঃ এতটুকু দেয়াও তার ইহ্‌সান। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে ব্যক্তি ঠিকই বলেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এখন তুমি উম্মু কুলসুমের কাছে গিয়ে তোমার ইদ্দত পূর্ণ কর। এরপর তিনি আবার বললেনঃ উম্মু কুলসুমের ঘরে মেহমানদের যাতায়াত অধিক হয়। অতএব তুমি এখন আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উম্মু মাকতুমের কাছে গিয়ে থাক। কেননা, সে অন্ধ। তিনি (ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবদুল্লাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট চলে গেলেন এবং সেখানে তার ইদ্দত পূর্ণ করলেন। তার ইদ্দতের সময় পূর্ণ হলে আবু জাহ্‌ম এবং মুআবিয়া ইব্‌ন আবু সুফিয়ান বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে উক্ত দুই ব্যক্তি সম্বন্ধে পরামর্শ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তো তোমার জন্য জাহান্নামের লাঠির ভয় করি, আর মুআবিয়া তো অভাবী লোক। ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ এরপরে আমি উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বিবাহ করলাম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسناد وقوله أم كلثوم منكر والمحفوظ أم شريك




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3546)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُجَيْنُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ أَبِي عَمْرِو بْنِ حَفْصِ بْنِ الْمُغِيرَةِ فَطَلَّقَهَا آخِرَ ثَلَاثِ تَطْلِيقَاتٍ، فَزَعَمَتْ فَاطِمَةُ أَنَّهَا جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَفْتَتْهُ فِي خُرُوجِهَا مِنْ بَيْتِهَا «فَأَمَرَهَا أَنْ تَنْتَقِلَ إِلَى ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ الْأَعْمَى» فَأَبَى مَرْوَانُ، أَنْ يُصَدِّقَ فَاطِمَةَ فِي خُرُوجِ الْمُطَلَّقَةِ مِنْ بَيْتِهَا قَالَ عُرْوَةُ: «أَنْكَرَتْ عَائِشَةُ ذَلِكَ عَلَى فَاطِمَةَ»




আবূ সালাম ইব্‌ন আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি তাকে (আবূ সালামা (রাহিমাহুল্লাহ)-কে) অবহিত করেছেন যে, তিনি আবূ আমর ইব্‌ন হাফ্‌স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে বিবাহাধীনে ছিলেন। তিনি তাকে তিন তালাকের শেষটি পর্যন্ত দিলেন। ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে নিজের ঘর হতে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতাওয়া চাইলেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তার ঘর থেকে ইব্‌ন উম্মু মাকতুম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ঘরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। রাবী বলেনঃ মারওয়ান তালাকপ্রাপ্তার ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতিমাকে বিশ্বাস করতে অস্বীকৃতি প্রদান করেন। আর উরওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কথা প্রত্যাখ্যান করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3547)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ فَاطِمَةَ، قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زَوْجِي طَلَّقَنِي ثَلَاثًا وَأَخَافُ أَنْ يُقْتَحَمَ عَلَيَّ، «فَأَمَرَهَا» فَتَحَوَّلَتْ




হিশাম (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ফাতিমা বিন্‌ত কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে; এখন আমার ভয় হয়, আমার নিকট অতর্কীতে কেউ (কোন চোর) ঢুকে পড়তে পারে। তখন তিনি তাকে সেখান থেকে অন্যত্র যাওয়ার অনুমতি দিলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3548)


أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ مَاهَانَ بَصْرِيٌّ، عَنْ هُشَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَيَّارٌ، وَحُصَيْنٌ، وَمُغِيرَةُ، وَدَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، وَذَكَرَ آخَرِينَ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، فَسَأَلْتُهَا عَنْ قَضَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهَا؟ فَقَالَتْ: طَلَّقَهَا زَوْجُهَا الْبَتَّةَ، فَخَاصَمَتْهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي السُّكْنَى وَالنَّفَقَةِ، قَالَتْ: «فَلَمْ يَجْعَلْ لِي سُكْنَى وَلَا نَفَقَةً، وَأَمَرَنِي أَنْ أَعْتَدَّ فِي بَيْتِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ»




শা’বী (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ফাতিমা বিন্‌ত কায়স নিকট গেলাম এবং তাঁর নিকট তার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফয়সালার কথা জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ তাঁর স্বামী তাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তার বাসস্থান ও খোরপোশের ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলাম। তিনি (ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)) বলেনঃ তিনি আমার জন্য বাসস্থান ও খরচাদি দেওয়ার কথা বললেন না। আর তিনি আমাকে ইব্‌ন উম্মু মাকতূমের ঘরে ইদ্দত পালন করার আদেশ দেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3549)


أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْجَوَّابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمَّارٌ - هُوَ ابْنُ رُزَيْقٍ -، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، قَالَتْ: طَلَّقَنِي زَوْجِي فَأَرَدْتُ النُّقْلَةَ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «انْتَقِلِي إِلَى بَيْتِ ابْنِ عَمِّكِ عَمْرِو بْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَاعْتَدِّي فِيهِ» فَحَصَبَهُ الْأَسْوَدُ، وَقَالَ: «وَيْلَكَ لِمَ تُفْتِي بِمِثْلِ هَذَا؟» قَالَ عُمَرُ: " إِنْ جِئْتِ بِشَاهِدَيْنِ يَشْهَدَانِ أَنَّهُمَا سَمِعَاهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِلَّا لَمْ نَتْرُكْ كِتَابَ اللَّهِ لِقَوْلِ امْرَأَةٍ: {لَا تُخْرِجُوهُنَّ مِنْ بُيُوتِهِنَّ وَلَا يَخْرُجْنَ إِلَّا أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُبَيِّنَةٍ} [الطلاق: 1] "




শা’বী (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে আমার স্বামী তালাক দিল, আমি স্থানান্তরের (তার ঘর থেকে চলে যাওয়ার) ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার চাচাত ভাই আমর ইব্‌ন উম্মু মাকতুমের ঘরে গিয়ে সেখানে তোমার ইদ্দত পালন কর। একথা শুনে আসওয়াদ তাঁকে পাথর ছুড়ে মেরে বললেনঃ আপনার কপাল মন্দ! আপনি এরুপ কথা কেন ফাতাওয়া দিয়েছেন? উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (তা ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলেছিলেন, যদি তুমি দুইজন সাক্ষী আনো, যারা এই সাক্ষ্য দিবে যে, আমরা তা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি; (তাহলে আমি তোমার কথা গ্রহণ করবো)। তা-না হলে আমরা একজন মহিলার কথায় আল্লাহ্‌র কিতাব ছাড়তে পারি না, আল্লাহ্‌র কিতাবে নির্দেশ আছেঃ “ঐ মহিলাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করো না, আর তারাও যেন বের না হয়; যদি না তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতার কাজে লিপ্ত হয়।”




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3550)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: طُلِّقَتْ خَالَتُهُ فَأَرَادَتْ أَنْ تَخْرُجَ إِلَى نَخْلٍ لَهَا، فَلَقِيَتْ رَجُلًا فَنَهَاهَا، فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «اخْرُجِي، فَجُدِّي نَخْلَكِ، لَعَلَّكِ أَنْ تَصَدَّقِي وَتَفْعَلِي مَعْرُوفًا»




জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ তাঁর খালাকে তালাক দেওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে যেতে চাইলেন। (পথে) এক ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলে সে তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করলো। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলে, তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার খেজুর কেটে নিয়ে এসো। হয়তো তুমি সাদকা করবে এবং (মানুষের উপকারের জন্য) কল্যাণের কাজে করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3551)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الْجَهْمِ، قَالَ: دَخَلْتُ أَنَا وَأَبُو سَلَمَةَ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، قَالَتْ: طَلَّقَنِي زَوْجِي فَلَمْ يَجْعَلْ لِي سُكْنَى وَلَا نَفْقَةً، قَالَتْ: فَوَضَعَ لِي عَشْرَةَ أَقْفِزَةٍ عِنْدَ ابْنِ عَمٍّ لَهُ، خَمْسَةٌ شَعِيرٌ وَخَمْسَةٌ تَمْرٌ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ لَهُ ذَلِكَ، فَقَالَ: «صَدَقَ، وَأَمَرَنِي أَنْ أَعْتَدَّ فِي بَيْتِ فُلَانٍ»، وَكَانَ زَوْجُهَا طَلَّقَهَا طَلَاقًا بَائِنًا




আবু বকর ইব্‌ন হাফ্‌স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আমি এবং আবূ সালামা ফাতিমা বিন্‌ত কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয়, কিন্তু আমার জন্য থাকার ঘর ও খোরপোষের ব্যবস্থা করেনি। তিনি বলেনঃ সে তার এক চাচাতো ভাইয়ের নিকট আমার জন্য দশ কাফীয১ রাখলো এর পাঁচ কাফীয ছিল যব, আর পাঁচ কাফীয ছিল খেজুর। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ সে সত্যই বলেছে। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, আমি যেন অমুকের ঘরে আমার ইদ্দত পালন করি। তাঁর স্বামী তাঁকে বাইন তালাক দিয়েছিল।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3552)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ شُعَيْبٍ، قَالَ: قَالَ الزُّهْرِيُّ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ: أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، طَلَّقَ ابْنَةَ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، وَأُمُّهَا حَمْنَةُ بِنْتُ قَيْسٍ الْبَتَّةَ، فَأَمَرَتْهَا خَالَتُهَا فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ، بِالِانْتِقَالِ مِنْ بَيْتِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَسَمِعَ بِذَلِكَ مَرْوَانُ فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا فَأَمَرَهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَى مَسْكَنِهَا حَتَّى تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا، فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ تُخْبِرُهُ، أَنَّ خَالَتَهَا فَاطِمَةَ أَفْتَتْهَا بِذَلِكَ، وَأَخْبَرَتْهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَفْتَاهَا بِالِانْتِقَالِ حِينَ طَلَّقَهَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَفْصٍ الْمَخْزُومِيُّ، فَأَرْسَلَ مَرْوَانُ قَبِيصَةَ بْنَ ذُؤَيْبٍ إِلَى فَاطِمَةَ فَسَأَلَهَا عَنْ ذَلِكَ؟ فَزَعَمَتْ أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ أَبِي عَمْرٍو لَمَّا أَمَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ عَلَى الْيَمَنِ، خَرَجَ مَعَهُ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا بِتَطْلِيقَةٍ، وَهِيَ بَقِيَّةُ طَلَاقِهَا، فَأَمَرَ لَهَا الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ، وَعَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ بِنَفَقَتِهَا، فَأَرْسَلَتْ إِلَى الْحَارِثِ وَعَيَّاشٍ تَسْأَلُهُمَا النَّفَقَةَ الَّتِي أَمَرَ لَهَا بِهَا زَوْجُهَا؟ فَقَالَا: وَاللَّهِ مَا لَهَا عَلَيْنَا نَفَقَةٌ إِلَّا أَنْ تَكُونَ حَامِلًا، وَمَا لَهَا أَنْ تَسْكُنَ فِي مَسْكَنِنَا إِلَّا بِإِذْنِنَا، فَزَعَمَتْ فَاطِمَةُ، أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ، «فَصَدَّقَهُمَا» قَالَتْ: فَقُلْتُ: أَيْنَ أَنْتَقِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ: «انْتَقِلِي عِنْدَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ وَهُوَ الْأَعْمَى الَّذِي عَاتَبَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي كِتَابِهِ» فَانْتَقَلْتُ عِنْدَهُ، فَكُنْتُ أَضَعُ ثِيَابِي عِنْدَهُ حَتَّى أَنْكَحَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، زَعَمَتْ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ




উবায়দুল্লাহ ইব্‌ন আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উতবা (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন উসমান সাঈদ ইব্‌ন যায়দ এর কন্যাকে চূড়ান্ত (বাইন বা তিন) তালাক দিল। সেই কন্যার নাম ছিল হামনা বিন্‌ত কায়স। তিনি তাকে এমন তালাক দিলেন, যা দ্বারা সম্পর্ক একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অর্থাৎ তিন তালাক। তার খালা ফাতিমা বিন্‌ত কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বললেনঃ তুমি আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর-এর ঘর থেকে চলে যাও। মারওয়ান একথা শুনে আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন উসমানের স্ত্রীকে নির্দেশ দিলেনঃ তোমার ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি নিজের ঘরে অবস্থান কর। আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর-এর স্ত্রী মারওয়ানের কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আমাকে আমার খালা ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ঘর হতে চলে যাওয়ার আদেশ করেছেন। আর তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ঐ সময় ঘর হতে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন, যখন তাকে (তার স্বামী) আবূ আমর ইব্‌ন হাফস তালাক দিয়েছিলেন। মারওয়ান যখন এ ঘটনা জানতে পারলেন, তখন তিনি কাবীসা ইব্‌ন যুআয়বকে ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট পাঠালেন। এ ব্যাপারে তিনি তাকে (ফাতিমাকে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আবু আমর আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে চলে যান, যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইয়ামানের শাসক নিযুক্ত করেন। (সেখানে গিয়ে) আমার স্বামী এক তালাক দিয়ে পাঠান, আর তা ছিল তার অবশিষ্ট (শেষ) তালাক। তখন হারিস ইব্‌ন হিশাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আইয়্যাশ ইব্‌ন আবূ রবীআ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) –কে বলে পাঠান আমাকে খোরপোষ দেয়ার জন্য। আমি আমার খরচ চাওয়ার জন্য তাদের নিকট লোক পাঠালাম, যা আমার স্বামী আমাকে দিতে বলেছিল। তারা বললেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমাদের নিকট তার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে যদি সে গর্ভবতী হয়, (তা হলে তার জন্য খোরপোষ ছিল)। আর আমরা যতক্ষণ না বলি, সে যেন আমাদের ঘরে না থাকে। ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ তখন আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে এ ঘটনা জানালাম। তিনি তাদের সত্যায়ন করলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌ ! আমি এখন কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ ইব্‌ন উম্মু মাকতুমের নিকট চলে যাও, ইনি সে অন্ধ লোক, যার জন্য আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর কিতাবে তাকে (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে) মৃদু ভর্ৎসনা করেছিলেন। আমি তাঁর নিকট চলে গেলাম। আমি তাঁর নিকট অপ্রয়োজনীয় কাপড় ফেলে দিতাম। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে (তার বক্তব্য মতে) তাকে বিবাহ দেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3553)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ، عَنْ الْمُنْذِرِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ فَاطِمَةَ ابْنَةَ أَبِي حُبَيْشٍ، حَدَّثَتْهُ أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَشَكَتْ إِلَيْهِ الدَّمَ؟ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ، فَانْظُرِي إِذَا أَتَاكِ قُرْؤُكِ فَلَا تُصَلِّي، فَإِذَا مَرَّ قُرْؤُكِ فَلْتَطْهُرِي»، قَالَ: «ثُمَّ صَلِّي مَا بَيْنَ الْقُرْءِ إِلَى الْقُرْءِ»




ফাতিমা বিন্‌ত আবূ হুবায়শ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে (সর্বদা) রক্ত নির্গমনের কথা ব্যক্ত করলেন। তিনি তাকে বললেনঃ এই রক্ত কোন শিরা (জনিত ব্যাধি) হতে প্রবাহিত হয় (অর্থাৎ জরায়ু হতে আসে না)। যখন তোমার হায়েয আরম্ভ হয়, তখন তুমি এর প্রতি লক্ষ্য রাখ। তখন সালাত আদায় করবে না। হায়েযের সময় চলে গেলে তুমি পাক হবে। তিনি বললেনঃ উভয় হায়েযের মধ্যবর্তী সময় সালাত আদায় করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، تقدم ، (212) ، (انوار الصحیفہ ص 347)









সুনান আন-নাসাঈ (3554)


حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ النَّحْوِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ: {مَا نَنْسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنْسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِنْهَا أَوْ مِثْلِهَا} [البقرة: 106] وَقَالَ: {وَإِذَا بَدَّلْنَا آيَةً مَكَانَ آيَةٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يُنَزِّلُ} [النحل: 101] الْآيَةَ، وَقَالَ: {يَمْحُو اللَّهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهُ أُمُّ الْكِتَابِ} [الرعد: 39] «فَأَوَّلُ مَا نُسِخَ مِنَ الْقُرْآنِ الْقِبْلَةُ»، وَقَالَ: {وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ} [البقرة: 228]- إِلَى قَوْلِهِ - {إِنْ أَرَادُوا إِصْلَاحًا} [البقرة: 228] «وَذَلِكَ بِأَنَّ الرَّجُلَ كَانَ إِذَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ فَهُوَ أَحَقُّ بِرَجْعَتِهَا وَإِنْ طَلَّقَهَا ثَلَاثًا فَنَسَخَ ذَلِكَ»، وَقَالَ: {الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ} [البقرة: 229]
---
[حكم الألباني] حسن صحيح




ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, (আরবি) এ আয়াতের তাফসীরে বর্ণিত যে, ‘আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা ভুলিয়ে দিলে, তা হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আনি। ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এরপর অন্য একটি আয়াত বর্ণনা করেনঃ (আরবি) ‘যখন আমি এক আয়াতের বদলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি, আল্লাহ্‌ যা নাযিল করেন, তা তিনি-ই ভাল জানেন, (তখন তারা বলেঃ তুমি তো কেবল মিথ্যা উদ্ভাবনকারী।’) আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) ‘আল্লাহ্‌র যা ইচ্ছা তা নিশ্চিহ্ন করেন এবং যা ইচ্ছা তা প্রতিষ্ঠিত রাখেন, আর তাঁরই নিকট আছে কিতাবের মূল।’ এরপর ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ সর্বপ্রথম কুরআনে যা রহিত হয়েছিল, তা ছিল কেবলা। ইব্‌ন আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আরো বলেনঃ (আরবি) আল্লাহ্‌র বাণীঃ ‘মহিলারা তিন হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে, আর তাদের জন্য বৈধ হবে না, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাদের গর্ভে যা সৃষ্টি করেছেন তা গোপন রাখা।‘ যদি তারা আল্লাহ্‌ এবং কিয়ামতের দিনের উপর ঈমান রাখে। আর তাদের স্বামীগণ এই অবস্থায় তাদের ফিরিয়ে রাখার অধিক হকদার। যদি তারা অপেক্ষা করার ইচ্ছা রাখে।’ তিনি এই আয়াত বর্ণনা কর্তে গিয়ে বলেন, এই অবস্থা এইরুপ ছিল, যখন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দিত, তবে সে-ই তার রজ’আত করার (স্ত্রী রুপে ফিরিয়ে নেয়ার) অধিকারী ছিল, যদিও সে তাকে তিন তালাক দিত। আল্লাহ্‌ তা’আলা তা রহিত করে বলেনঃ তালাক দু’বার। এরপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দেবে, অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দেবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3555)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ: طَلَّقْتُ امْرَأَتِي وَهِيَ حَائِضٌ، فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُمَرُ فَذَكَرَ لَهُ ذَلِكَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مُرْهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا، فَإِذَا طَهُرَتْ - يَعْنِي - فَإِنْ شَاءَ فَلْيُطَلِّقْهَا» قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ: فَاحْتَسَبْتَ مِنْهَا؟ فَقَالَ: مَا يَمْنَعُهَا، أَرَأَيْتَ إِنْ عَجَزَ وَاسْتَحْمَقَ




ইব্‌ন উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আমার স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দেই। এরপর উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে এই ঘটনা জানালে তিনি বললেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। তারপর যখন সে পাক হবে, তখন ইচ্ছা হলে (তাকে রাখবে, অথবা) তালাক দেবে। ইব্‌ন উমরের শাগরিদ বলেন, আমি বললামঃ এই তালাকও আপনি হিসাব করেছেন? তিনি বললেনঃ তবে কী, তুমি বল তো যদি কোন ব্যক্তি অপারগ হয় – কিংবা নির্বুদ্ধিতার কাজ করে (অজ্ঞতার কারণে তালাক দিয়ে বসে – তা তো হিসাবে ধরা হবে)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن









সুনান আন-নাসাঈ (3556)


حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، ح وأَخْبَرَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالُوا: إِنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَذَكَرَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى، فَإِذَا طَهُرَتْ فَإِنْ شَاءَ طَلَّقَهَا، وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَهَا، فَإِنَّهُ الطَّلَاقُ الَّذِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ بِهِ» قَالَ تَعَالَى: {فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ} [الطلاق: 1]




ইবন উমর হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ তিনি তাঁর স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়ে দিলেন। ঊমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর নিকট এই ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তাকে বলে দাও, অন্য হায়েয না আসা পর্যন্ত সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর যখন সে পাক হবে তখন ইচ্ছা করলে সে তাকে তালাক দিবে, বা তাকে রেখে দিবে। কেননা, এই তালাকি হবে সে তালাক, মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তাকে যার আদেশ করেছেন। আল্লাহ্‌তা’আলা বলেছেনঃ তাদের তালাক দেবে ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح









সুনান আন-নাসাঈ (3557)


أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ،، قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: كَانَ ابْنُ عُمَرَ، إِذَا سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَيَقُولُ: أَمَّا إِنْ طَلَّقَهَا وَاحِدَةً أَوِ اثْنَتَيْنِ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «أَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ تَطْهُرَ، ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا، وَأَمَّا إِنْ طَلَّقَهَا ثَلَاثًا، فَقَدْ عَصَيْتَ اللَّهَ فِيمَا أَمَرَكَ بِهِ مِنْ طَلَاقِ امْرَأَتِكَ، وَبَانَتْ مِنْكَ امْرَأَتُكَ»




নাফি (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ইবন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট যখন ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হতো, যে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তিনি বলতেনঃ সে যদি এক অথবা দুই তালাক দেয় তবে রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ সে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। এরপর অন্য হায়েযের পরে পাক পর্যন্ত তাকে রাখবে। (সে পাক হলে) পরে তাকে সহবাসের পূর্বে তালাক দেবে; আর যদি সে তিন তালাক একত্রে দিয়ে থাকে, তবে আল্লাহ্‌তা’আলা তোমাকে তোমার স্ত্রীকে দেয়ার ব্যপারে যে আদেশ করেছেন, তুমি তা লংঘন করলে এবং তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন (বাইন) হয়ে যাবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আন-নাসাঈ (3558)


أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى مَرْوَزِيٌّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ «فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَاجَعَهَا»




ইবন উমর(রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেন। এরপর রাসুলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে নির্দেশ তিনি তাকে ফিরিয়ে নেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح