بلوغ المرام
Bulughul-Maram
বুলূগুল মারাম
بلوغ المرام (48)
وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا تَوَضَّأَ أَدَارَ الْمَاءَ عَلَى مُرْفَقَيْهِ. أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادِ ضَعِيفٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. رواه الدارقطني (1/ 15/83)
অনুবাদঃ
৪৮। জাবির (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত। ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ করার সময় তাঁর দু কনুই-এর উপর পানি ফিরাতেন।-দারীকুতনী দুর্বল সানাদে এটি বর্ণনা করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] অত্যন্ত দুর্বল। দারাকুতনী (১/১৫/৮৩) এ হাদীসের সনদে কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন আকীল মাতরূক। যিয়াউদ্দীন মাকসেদী তাঁর আস সুনান ওয়াল আহকাম (১/৯৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উকাইল রয়েছে। ইমাম আহমাদ তাঁর সম্পর্কে বলেন, তিনি তেমন কেউ নন। আবু হাতিম আর রাযী বলেন, তিনি মাতরূকুল হাদীস। ইমাম যাহাবী তার তানকীহুত তাহকীক (১/৪৭) গ্রন্থে বলেন, আল কাসিম হচ্ছে মাতরূক। ইমাম যাঈলয়ীও তার তাখরীজুল কাশশাফ (১/৩৮৩) গ্রন্থেও হাদীসটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আল কাফী আশ শাক (৯০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ দুর্বল। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/৮০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আল কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন উকাইল রয়েছে যিনি মাতরূক। ইমাম দারাকুতনীও তাঁর সুনানে (১/২১৫) উক্ত রাবী শক্তিশালী বলে মন্তব্য করেছেন। ইমাম শওকানী ফাতহুল কাদীর (২/২৭) গ্রন্থে বলেন, আল কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ মাতরূক আর তার দাদা দুর্বল বর্ণনাকারী। ইমাম শাওকানী তার সাইলুল জাররার (১/৮৩) গ্রন্থে বলেন, উক্ত রাবীর বিতর্কের বিষয়টি অতি প্রসিদ্ধ। ইমাম তাঁর খুলাসা (১/১০৮) এবং আল মাজমু (১/৩৮৫) গ্রন্থেও হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তবে শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলা সহীহাহ (২০৬৭) গ্রন্থে বলেন, এর আরও সূত্র থাকায় এটি শক্তিশালী হয়েছে। অনুরূপভাবে তিনি সহীহুল জামে (৪৬৯৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।