الحديث


بلوغ المرام
Bulughul-Maram
বুলূগুল মারাম





بلوغ المرام (57)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ يَتَوَضَّأُ, فَيُسْبِغُ الْوُضُوءَ, ثُمَّ يَقُولُ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ, وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ, إِلَّا فُتِحَتْ لَهُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
وَالتِّرْمِذِيُّ, وَزَادَ: اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ, وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (234) عن عقبة بن عامر قال: كانت علينا رعاية الإبل، فجاءت نوبتي، فروحتها بعشي، فأدركت رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما يحدث الناس، فأدركت من قوله: «ما من مسلم يتوضأ فيحسن وضوءه، ثم يقوم فيصلى ركعتين، مقبل عليهما بقلبه ووجهه، إلا وجبت له الجنة» قال: فقلت: ما أجود هذه، فإذا قاتل بين يدي يقول: التي قبلها أجود، فنظرت فإذا عمر. قال: إني قد رأيتك جئت آنفا، قال: فذكره. وزاد: «الثمانية، يدخل من أيها شاء

سنن الترمذي (55)، وهذه الزيادة التي عند الترمذي لا تصح، كما هو مبين بالأصل




অনুবাদঃ

৫৭। ‘উমার (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উত্তমরূপে উযূ করবে অতঃপর বলবে- উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহু; আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত তওয়াবীন ওয়াজ আলনী মিনাল মুতাত্বহহিরীন। অর্থঃ ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নাই, এবং সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রসূল। যে এই দুয়া পাঠ করবে সে যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে- মুসলিম[1] ও তিরমিযী।



তিরমিযীতে অতিরিক্ত আছে, “হে আল্লাহ আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা হাসিলকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত কর।” তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেয়া হবে।[2]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম (২৩৪)। উকবাহ বিন আমির হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের উপর। উট চরানোর দায়িত্ব ছিল। অতঃপর আমার বিশ্রামের পালা এসে গেল। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে কথাবার্তা বলতে লক্ষ্য করলাম। আমি এ কথাটুকু শুনতে পেলাম, “কোন মুসলিম যখন উত্তমরূপে অযূ করে গভীর মনোযোগের সাথে দুরাকায়াত সালাত আদায় করে। তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। রাবী বলেন, আমি বললাম এটা কতনা উত্তম। আমাকে হঠাৎ করে একজন বলল, এটা পূর্বে থেকেই উত্তম। অতঃপর আমি দেখি যে তিনি উমার (রাঃ)। তিনি বললেন, আমি তো দেখছি যে, তুমি এইমাত্র বুঝতে পেরেছ। তারপর তিনি এ হাদীস শুনালেন। এবং এর সাথে আরো বৃদ্ধি করে বললেন, আটটি দরজার যেকোনটি দিয়ে ইচ্ছে প্রবেশ করতে পারবে।

[2] সুনান তিরমিযী (৫৫) , তিরমিযী হতে এই অতিরিক্ত বর্ণনাটি সহীহ নয়।