يوجد حديثان: "إن الماء طهور لا ينجسه شيء" وحديث ابن عمر: "إذا بلغ قلتين لم يحمل الخبث" فهل بينهما تعارض؟ نعم، حديث عبد الله بن عمر ضعيف فنرجح الأول.
- هل الحديثان على إطلاقهما؟
- مر علينا لا يغتسل الرجل بفضل المرأة ولا العكس هل هذا على سبيل الإرشاد؟ نعم، الدليل: ثبوت ذلك على النبي أنه اغتسل بفضل ميمونة.
- سلك بعض العلماء في هذا الحديث مسلكا غريبا: أن الرجل يتوضأ بفضل المرأة ولا عكس، ما وجه الغرابة؟ أن الحديث واحد.
- من هنا نأخذ: أنه مهما بلغ الإنسان من العلم فإنه عرضه للخطأ.
- هناك كليب صغير ولغ في إناء فما الحكم؟ الماء ينجس ويغسل، كيف يغسل؟
سبع مرات أولاهن بالتراب، حتى لو كان صغيرا؟ نعم؛ لأن الحديث عام: "إذا ولغ الكلب".
وردت قصة غريبة في عهد الرسول تدل على جفاء الأعراب وعدم معرفتهم بحدود ما أنزل الله على رسوله ما هي؟ قصة الأعرابي الذي باب في المسجد.
- لو وقعت مثل هذه القضية ماذا نفعل؟ نصبر حتى ينتهي ونطهره ونخبر الأعرابي بحمه.
- هل الصحابة على صواب حين زجروه؟
لن ينههم الرسول صلى الله عليه وسلم عن المبادرة، ولكن أشار إلى العلة وهي: "ولا تزرموه" حتى لا يتضرر وتكثر المفسدة.
- هل هذا الأمر بالتطير فرض كفاية أو فرض عين؟ فرض كفاية.
- هل في هذا الحديث دليل على رد قول من يقول: إن الأرض تطهر بالشمس والريح؟
أمر النبي بالمبادرة للتطهير.
- المؤلف أتى بهذا الحديث في باب المياه، فما هي المناسبة؟ المناسبة: أن الماء هو الذي تزال به النجاسة.
- في حديث: "ما قطع من البهيمة وهي حية فهو ميت" إشارة إلى قاعدة ذكرها الفقهاء فما هي؟ ما أبين من حي فهو كميتته.
- ما قطع من الآدمي حكمه؟ طاهر، لماذا؟ لأن ميتته طاهرة، وكذلك على القول الراجح:
ما انفصل بغير الأذى والقذر فإنه طاهر.
ফাতহু যিল জালালী ওয়াল ইকরাম
খন্ডঃ 1 | পৃষ্ঠাঃ 115
দুটি হাদীস রয়েছে: "নিশ্চয়ই পানি পবিত্র, কোনো কিছুই একে অপবিত্র করে না" এবং ইবনে উমরের হাদীস: "যখন পানি দুই কুল্লায় পৌঁছে, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।" এই দুইয়ের মধ্যে কি কোনো বৈপরীত্য আছে? হ্যাঁ, আবদুল্লাহ ইবনে উমরের হাদীসটি দুর্বল, তাই আমরা প্রথমটিকে প্রাধান্য দিই।
- হাদীস দুটি কি তাদের সাধারণ অর্থে (শর্তহীনভাবে) প্রযোজ্য?
- আমাদের আলোচনায় এসেছে যে, পুরুষ যেন নারীর অবশিষ্ট পানি দ্বারা গোসল না করে এবং নারীও যেন পুরুষের অবশিষ্ট পানি দ্বারা গোসল না করে; এটি কি কেবল নির্দেশনামূলক? হ্যাঁ, এর প্রমাণ হলো: নবী করীম (সা.) থেকে এটি প্রমাণিত যে, তিনি মাইমুনার (রা.) অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করেছেন।
- কিছু আলেম এই হাদীসের ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত পথ অবলম্বন করেছেন: পুরুষ নারীর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করবে কিন্তু নারী তা পারবে না; এই অদ্ভুত হওয়ার কারণ কী? কারণ হাদীসটি তো অভিন্ন।
- এখান থেকে আমরা এই শিক্ষা পাই যে: মানুষ জ্ঞানের যে স্তরেই পৌঁছাক না কেন, সে ভুলের ঊর্ধ্বে নয়।
- একটি ছোট কুকুর ছানা যদি কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তবে বিধান কী? পানি নাপাক হয়ে যাবে এবং পাত্রটি ধৌত করতে হবে; কীভাবে ধৌত করতে হবে?
সাত বার, যার প্রথমবার হতে হবে মাটি দিয়ে। এমনকি যদি কুকুরটি ছোটও হয়? হ্যাঁ; কারণ হাদীসটি ব্যাপক: "যখন কুকুর মুখ দেয়"।
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে একটি অদ্ভুত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে যা মরুবাসীদের রূঢ় স্বভাব এবং আল্লাহ তাঁর রাসূলের ওপর যা নাযিল করেছেন তার বিধান সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতার পরিচয় দেয়; সেটি কী? সেটি হলো সেই মরুবাসীর ঘটনা যে মসজিদে প্রস্রাব করেছিল।
- যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে তবে আমাদের কী করা উচিত? সে শেষ না করা পর্যন্ত আমরা ধৈর্য ধারণ করব, এরপর স্থানটি পবিত্র করব এবং তাকে এ বিষয়ের বিধান সম্পর্কে অবগত করব।
- সাহাবীগণ যখন তাকে ধমক দিয়েছিলেন, তখন কি তারা সঠিক ছিলেন?
রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদেরকে উদ্যোগ গ্রহণে নিষেধ করেননি, তবে তিনি মূল কারণের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, আর তা হলো: "তার প্রস্রাব মাঝপথে বন্ধ করে দিও না" যাতে তার শারীরিক ক্ষতি না হয় এবং অকল্যাণ বৃদ্ধি না পায়।
- এই পবিত্রকরণের আদেশটি কি ফরজে কিফায়া নাকি ফরজে আইন? এটি ফরজে কিফায়া।
- এই হাদীসে কি তাদের মত খণ্ডনের দলিল রয়েছে যারা বলেন যে, সূর্যের আলো এবং বাতাসের মাধ্যমে মাটি পবিত্র হয়ে যায়?
নবী (সা.) অবিলম্বে পবিত্র করার নির্দেশ দিয়েছেন।
- লেখক এই হাদীসটি পানির অধ্যায়ে নিয়ে এসেছেন, এর প্রাসঙ্গিকতা কী? প্রাসঙ্গিকতা হলো: পানিই সেই মাধ্যম যার দ্বারা নাপাকি দূর করা হয়।
- "জীবিত পশু থেকে যা কিছু কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয় তা মৃতবৎ" - এই হাদীসটিতে ফকীহগণ কর্তৃক বর্ণিত একটি মূলনীতির ইঙ্গিত রয়েছে, সেটি কী? তা হলো: জীবিত প্রাণী থেকে যা বিচ্ছিন্ন হয়, তা ওই প্রাণীর মৃতদেহের হুকুমভুক্ত।
- মানুষের শরীর থেকে যা বিচ্ছিন্ন হয় তার বিধান কী? তা পবিত্র। কেন? কারণ মানুষের মৃতদেহও পবিত্র। একইভাবে বিশুদ্ধতম মত অনুযায়ী:
ক্ষতিকর বা নাপাক বস্তু ব্যতীত শরীর থেকে যা কিছু বিচ্ছিন্ন বা নির্গত হয়, তা পবিত্র।