Part 1 | Page 2
খন্ডঃ 1 | পৃষ্ঠাঃ 2
বক্তাগণ এবং তাঁর গুণাবলি বর্ণনার প্রচেষ্টায় সকল ভাষার কারুকার্য ব্যর্থ হয় এবং গুণাবলি প্রকাশের ভাষা স্বীয় উদ্দেশ্য লাভে পথভ্রষ্ট হয়। তাঁর রাজত্বে সকল প্রকার সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা কার্যকর এবং তাঁর মাহাত্ম্য অনুধাবনের ক্ষেত্রে সকল গভীর চিন্তাধারা পরাভূত। তাঁর প্রশংসা জ্ঞাপনে একনিষ্ঠ পরিশ্রমী (مجتهدين) ব্যক্তিবর্গের রসনাও অক্ষমতা প্রকাশ করে এবং অস্বীকারকারীদের আশালব্ধ সকল চিন্তা তাঁর নিকট ছিন্ন হয়ে যায়। কেননা রাজত্বে তাঁর কোনো শরিক নেই, নেই কোনো সমকক্ষ; বিচারকার্যে তাঁর কোনো পরামর্শদাতা নেই এবং নেই কোনো উজির। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই; তিনি প্রতিটি বিষয়কে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে গণনা করেছেন এবং প্রতিটি ব্যক্তির জন্য সুযোগ নির্ধারণ করেছেন, যাতে যে ধ্বংস হবে সে যেন সুস্পষ্ট প্রমাণ (بينة) দর্শনের পর ধ্বংস হয় এবং যে জীবিত থাকবে সে যেন সুস্পষ্ট প্রমাণ (بينة) দর্শনের পর জীবিত থাকে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর মনোনীত বান্দা এবং তাঁর পছন্দনীয় রাসূল; আল্লাহ তাঁকে প্রদীপ্ত নূর ও উজ্জ্বল আলো দিয়ে প্রেরণ করেছেন। অতঃপর তিনি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে রিসালাত পৌঁছে দিয়েছেন এবং যে বিষয়ের দিকে তিনি আহ্বান করেছেন তার প্রমাণাদি (دلالة) স্পষ্ট করেছেন। সুতরাং তাঁর সুন্নাহর অনুসরণে হিদায়াতের আবশ্যকতা রয়েছে এবং তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ করার মধ্যে ঔজ্জ্বল্য বিদ্যমান। তাঁর ওপর এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। অতঃপর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে মুহাম্মদ (সা.)-কে চয়ন করেছেন এবং স্বীয় জনপদসমূহ থেকে তাঁকে নিজের জন্য মনোনীত করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁকে তাঁর সৃষ্টির কাছে সত্যসহ সুসংবাদদাতা হিসেবে এবং যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে তাদের জন্য সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি বান্দাদের মধ্য থেকে সৃষ্টিজগতকে আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করতে পারেন।