হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (1101)


1101 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، [ص:384] عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ مَاذَا عَلَيْهِ؟ فَإِنْ عِنْدِي ابْنَتَهُ وَأَنَا أَسْتَحْيِي أَنْ أَسْأَلَهُ، قَالَ الْمِقْدَادُ: فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «إِذَا وَجَدَ ذَلِكَ، فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ، وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ»
رقم طبعة با وزير = (1098) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: مَاتَ الْمِقْدَادُ بْنُ الْأَسْوَدِ بِالْجُرُفِ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ، وَمَاتَ سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ، وَقَدْ سَمِعَ سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ الْمِقْدَادَ وَهُوَ ابْنُ دُونِ عَشْرِ سِنِينَ.




মিকদাদ বিন আসওয়াদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নিশ্চয়ই আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে আদেশ করেন তিনি যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যিনি তার স্ত্রীর কাছাকাছি হলে মযী (উত্তেজনাবশত বীর্যরস) বের হয়, এই অবস্থায় তার করণীয় কী? কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মেয়ে আমার স্ত্রী, এজন্য আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছি।” মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই ব্যাপারে করলে তিনি জবাবে বলেন, “যখন সে এমনটা দেখতে পাবে, সে যেন তার লজ্জাস্থানে পানি ছিটা দেয় এবং সে যেন সালাতের ন্যায় ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “মিকদাদ বিন আসওয়াদ ৩৩ হিজরীতে জুরুফে মারা যান আর সুলাইমান বিন ইয়াসার ৯৪ হিজরীতে মারা যান। সুলাইমান বিন ইয়াসার মিকদাদ বিন আসওয়াদ এর কাছ থেকে হাদীস শ্রবণ করেন, যখন তার বয়স ১০ বছরেরও কম বয়স ছিল।”



[1] সহীহ মুসলিম: ৩০৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২; নাসাঈ: ১/২১৪; বাইহাকী, মা‘রেফাতুস সুনান: ১/২৯২; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪০; মুসনাদ ইমাম শাফেঈ: ১/২৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬০০; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৫; আবূ দাঊদ: ২০৭; সুনান বাইহাকী: ১/১১৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৯০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট করে কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০২।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (202).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات إلا أن في السند انقطاعاً سقط منه ابن عباس، لأن سليمان بن يسار لم يسمع من المقداد ولا من علي.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1102)


1102 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنِي الرُّكَيْنُ بْنُ الرَّبِيعِ الْفَزَارِيُّ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ قَبِيصَةَ*، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «إِذَا رَأَيْتَ الْمَذْيَ فَاغْسِلْ ذَكَرَكَ، وَإِذَا رَأَيْتَ الْمَاءَ فَاغْتَسِلْ». [1: 78]
رقم طبعة با وزير = (1099) [ص:386] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: يُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَ الْمِقْدَادَ أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ هَذَا الْحُكْمِ فَسَأَلَهُ وَأَخْبَرَهُ، ثُمَّ أَخْبَرَ الْمِقْدَادُ عَلِيًّا بِذَلِكَ، ثُمَّ سَأَلَ عَلِيٌّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَمَّا أَخْبَرَهُ بِهِ الْمِقْدَادُ، حَتَّى يَكُونَا سُؤَالَيْنِ فِي مَوْضِعَيْنِ مُخْتَلِفَيْنِ، وَالدَّلِيلُ عَلَى أَنَّهُمَا كَانَا فِي مَوْضِعَيْنِ أَنَّ عِنْدَ سُؤَالِ عَلِيٍّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ بِالِاغْتِسَالِ عِنْدَ الْمَنِيِّ، وَلَيْسَ هَذَا فِي خَبَرِ الْمِقْدَادِ، يَدُلُّكُ هَذَا عَلَى أَنَّهُمَا غَيْرُ مُتَضَادَّيْنِ.




আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি মযীপ্রবণ মানুষ ছিলাম, ফলে আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, জবাবে তিনি বলেন, “যখন তুমি মযী দেখবে, তখন তোমার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে, আর যখন তুমি বীর্য দেখবে, তখন গোসল করবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হতে পারে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করার জন্য, অতঃপর তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে উত্তর দেন অতঃপর মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে উত্তরটি জানিয়ে দেন। তারপর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক জানানো বিষয়টি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানান, এভাবে দুই জায়গায় দুই বার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে দুই জায়গায় দুইবার প্রশ্ন করা হয়, তার দলীল হলো আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর প্রশ্নের জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বীর্য দেখলে গোসল করার নির্দেশ দেন, যা মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে নেই, যা প্রমাণ করে যে হাদীস দুটি স্বতন্ত্র আলাদা হাদীস।”



[1] নাসাঈ: ১/১১২; আত তায়ালিসী: ১/১৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৯২; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৪৬; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৪৫; আবূ দাঊদ: ২০৬; সুনান বাইহাকী: ১/১১৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬০২, ৬০৩; তিরমিযী: ১১৪; ইবনু মাজাহ: ৫০৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০১।)



মযী বের হওয়ার কারণে ওযূ না করে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা সালাতের জন্য যথেষ্ট নয়; এবং কাপড়ে পানির ছিটা দেওয়ার পরিবর্তে ওযূ করা যথেষ্ট হবে (না)[1]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (125)، «صحيح أبي داود» (201). * [قَبِيصَةَ] قال الشيخ: في الأصل: (عقبة).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1103)


1103 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:388] عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ: كُنْتُ أَلْقَى مِنَ الْمَذْيِ شِدَّةً، فَكُنْتُ أُكْثِرُ الِاغْتِسَالَ مِنْهُ، فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: «إِنَّمَا يُجْزِئُكَ مِنْهُ الْوُضُوءُ»، فَقُلْتُ: فَكَيْفَ بِمَا يُصِيبُ ثَوْبِي مِنْهُ؟، قَالَ: «يَكْفِيكَ أَنْ تَأْخُذَ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَتَنْضَحَ بِهَا مِنْ ثَوْبِكَ حَيْثُ تَرَى أَنَّهُ أَصَابَهُ». [1: 78]
رقم طبعة با وزير = (1100)




সাহল বিন হানিফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি মযীর কারণে খুব কষ্টের সম্মুখীন হতাম এবং এজন্য আমি প্রচুর পরিমাণে গোসল করতাম। অতঃপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি জবাবে বলেন, “তোমার জন্য যথেষ্ট হলো ওযূ করা।” আমি বললাম, “যা আমার কাপড়ে লেগে যায়, সেটা আমি কিভাবে পরিষ্কার করবো?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমার জন্য যথেষ্ট হলো তুমি এক অঞ্জলি পানি নিবে অতঃপর যেখানে তা লেগেছে দেখতে পাবে, সেখানে পানি ছিটা দিবে।”[2]



[1] শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বলেন, শিরোনামে ‘না’ কথাটি নেই। সম্ভবত এটা ভুল। কেননা হাদীসে কাপড়ে মযী লাগলে শুধু ওযূ যথেষ্ট এমন কথা নেই। বরং কাপড়ে পানি ছিটানো এবং ওযূ করা ‍উভয়টির কথা বলা হয়েছে।



[2] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৯১; আবূ দাঊদ: ২১০; তিরমিযী: ১১৫; ইবনু মাজাহ: ৫০৬; দারেমী: ১/১৮৪; তাহাবী: ১/৪৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «صحيح أبي داود» (205).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي، فقد صرح ابن إسحاق بالتحديث.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1104)


1104 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْعِجْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «إِذَا رَأَيْتَ الْمَاءَ فَاغْسِلْ ذَكَرَكَ وَتَوَضَّأْ، وَإِذَا رَأَيْتَ الْمَنِيَّ فَاغْتَسِلْ». [3: 65]
رقم طبعة با وزير = (1101)




আলী বিন আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, “আমি মযীপ্রবণ লোক ছিলাম। সুতরাং আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন, “যখন তুমি পানি দেখবে, তখন তুমি তোমার পুরুষাঙ্গ ধৌত করবে এবং ওযূ করবে আর যখন তুমি বীর্য দেখবে, তখন গোসল করবে।”[1]



[1] সহীহ বুখারী: ২৬৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৮; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৬; আত তায়ালিসী: ১/৪৪; মুসনাদ আহমাদ: ১/১২৯; নাসাঈ: ১/৯৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০১।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (1099). تنبيه!! رقم (1099) = (1102) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1105)


1105 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ خَلِيفَةَ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، أَنَّ عَلِيًّا أَمَرَ عَمَّارًا أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمَذْيِ، فَقَالَ: «يَغْسِلُ مَذَاكِيرَهُ وَيَتَوَضَّأُ». []
رقم طبعة با وزير = (1102)




রাফি‘ বিন খাদীজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, “আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেন তিনি যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন মযী সম্পর্কে। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জবাবে বলেন, “সে তার পুরুষাঙ্গ ধুয়ে নিবে এবং ওযূ করবে।”[1]



[1] নাসাঈ: ১/৯৭; তাহাবী: ১/৪৫; হুমাইদী: ৩৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর অংশ ব্যতীত বাকী অংশ সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীক আলা সুবুলুস সালাম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح دون ذكر عمار - «التعليق على سبل السلام».




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله رجال الشيخين غير إياس بن خليفة، فقد روى له النسائي ولم يوثقه غير المؤلف 4/ 34، ولم يرو عنه غير عطاء، وقال الذهبي في «الميزان»: لا يكاد يعرف، وقول الحافظ في «التقريب»: صدوق فيه ما فيه. وابن أبي نجيح: هو عبد الله بن أبي نجيح يسار الثقفي المكي ثقة روى له الستة.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1106)


1106 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ [ص:390] رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْيُ مَاذَا عَلَيْهِ؟ فَإِنْ عِنْدِي ابْنَتَهُ وَأَنَا أَسْتَحْيِي أَنْ أَسْأَلَهُ، قَالَ الْمِقْدَادُ: فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: «إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ، فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ، وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ». [3: 65]
رقم طبعة با وزير = (1103) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَحِمَهُ اللَّهُ: قَدْ يَتَوَهَّمُ بَعْضُ الْمُسْتَمِعِينَ لِهَذِهِ الْأَخْبَارِ مِمَّنْ لَمْ يَطْلُبِ الْعِلْمَ مِنْ مَظَانِّهِ، وَلَا دَارَ فِي الْحَقِيقَةِ عَلَى أَطْرَافِهِ، أَنْ بَيْنَهَا تَضَادًّا أَوْ تَهَاتُرًا، لِأَنَّ فِي خَبَرِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَفِي خَبَرِ إِيَاسِ بْنِ خَلِيفَةَ، أَنَّهُ أَمَرَ عَمَّارًا أَنْ يَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَفِي خَبَرِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُ أَمَرَ الْمِقْدَادَ أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَيْسَ بَيْنَهَا تَهَاتُرٌ، لِأَنَّهُ يُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَ عَمَّارًا أَنْ يَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَهُ، ثُمَّ أَمَرَ الْمِقْدَادَ أَنْ يَسْأَلَهُ، فَسَأَلَهُ، ثُمَّ سَأَلَ بِنَفْسِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالدَّلِيلُ عَلَى صِحَّةِ مَا ذَكَرْتُ أَنْ مَتْنَ كُلِّ خَبَرٍ يُخَالِفُ مَتْنَ الْخَبَرِ الْآخَرِ، لِأَنَّ فِي خَبَرِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «إِذَا رَأَيْتَ الْمَاءَ فَاغْتَسِلْ» وَفِي خَبَرِ إِيَاسِ بْنِ خَلِيفَةَ: أَنَّهُ أَمَرَ عَمَّارًا أَنْ يَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «يَغْسِلُ مَذَاكِيرَهُ وَيَتَوَضَّأُ»، وَلَيْسَ فِيهِ ذِكْرُ الْمَنِيِّ الَّذِي فِي خَبَرِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَخَبَرُ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ سُؤَالٌ مُسْتَأْنَفٌ، فَيَسْأَلُ أَنَّهُ لَيْسَ بِالسُّؤَالَيْنِ الْأَوَّلَيْنِ اللَّذَيْنِ [ص:391] ذَكَرْنَاهُمَا، لِأَنَّ فِي خَبَرِ الْمِقْدَادِ: أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْيُ مَاذَا عَلَيْهِ؟ فَإِنْ عِنْدِي ابْنَتَهُ، فَذَلِكَ مَا وَصَفْنَا، عَلَى أَنَّ هَذِهِ أَسْئِلَةٌ مُتَبَايِنَةٌ، فِي مَوَاضِعَ مُخْتَلِفَةٍ، لِعِلَلٍ مَوْجُودَةٍ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَكُونَ بَيْنَهَا تَضَادُّ أَوْ تَهَاتُرٌ




মিকদাদ বিন আসওয়াদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নিশ্চয়ই আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে আদেশ করেন তিনি যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যিনি তার স্ত্রীর কাছাকাছি হলে মযী (উত্তেজনাবশত বীর্যরস) বের হয়, এই অবস্থায় তার করণীয় কী? কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মেয়ে আমার স্ত্রী, এজন্য আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছি।” মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই ব্যাপারে করলে তিনি জবাবে বলেন, “যখন সে এমনটা দেখতে পাবে, সে যেন তার লজ্জাস্থানে পানি ছিটা দেয় এবং সে যেন সালাতের ন্যায় ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীস শ্রবণকারীদের মাঝে যিনি সঠিক জায়গা থেকে ইলম অন্বেষন করেননি এবং যিনি প্রকৃতপক্ষে সঠিক প্রান্তে আবর্তন করেননি, তিনি কোন কোন সময় সংশয়ে পড়ে যান যে, নিশ্চয়ই হাদীসগুলোর মাঝে পারষ্পরিক বৈপরীত্ব রয়েছে। কেননা আবূ আব্দুর রহমান সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের রয়েছে (আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন), “আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়াস বিন খলীফার হাদীসে রয়েছে, তিনি আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেছিলেন তিনি যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন আর সুলাইমান বিন ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের রয়েছে তিনি মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করার জন্য। বস্তুত এসব হাদীসের মাঝে কোন বৈপরীত্ব নেই। কেননা এখানে এই সম্ভাবনা রয়েছে যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেন জিজ্ঞেস করার জন্য, অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন। তারপর তিনি মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেন জিজ্ঞেস করার জন্য, অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন। তারপর তিনি নিজে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন। আমি যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতার পক্ষে দলীল হলো হাদীসগুলোর প্রত্যেকটির মূল বক্তব্য অন্যটি থেকে আলাদা। কেননা আবূ আব্দুর রহমানের হাদীসে রয়েছে, “আমি প্রচুর মযীপ্রবণ মানুষ। তারপর আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম। জবাবে তিনি বলেন, “যখন তুমি পানি (বীর্য) দেখবে, তখন গোসল করবে। ইয়াস বিন খলীফার হাদীসে রয়েছে, তিনি আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করার জন্য, তিনি জবাবে বলেন, “সে তার পুরুষাঙ্গ ধৌত করবে এবং ওযূ করবে।” এই হাদীসে মনীর কথা নেই, যা আবূ আব্দুর রহমানের হাদীসে রয়েছে। আর মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে নতুন একটি প্রশ্ন রয়েছে, সুতরাং এমন প্রশ্ন করেন, যা পূর্বে উল্লেখিত দুই হাদীসে নেই। কেননা মিকদাদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে এসেছে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে আদেশ করেন ” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করার জন্য ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে, যিনি তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হলে মযী (বীর্যরস) বের হয়, এই অবস্থায় তার করণীয় কী? কেননা তাঁর মেয়ে আমার অধীনে রয়েছে অর্থাৎ আমার স্ত্রী।“ কাজেই হাদীসগুলোর প্রকৃত ব্যাপার সেটাই যা আমরা বর্ণনা করলাম, সেটা হলো প্রশ্নগুলো ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় করা, যার ফলে সঙ্গত কারণেই প্রশ্নগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়েছে; এমন নয় যে এগুলোর মাঝে বৈপরীত্ব রয়েছে।”



[1] সহীহ মুসলিম: ৩০৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২; নাসাঈ: ১/২১৪; বাইহাকী, মা‘রেফাতুস সুনান: ১/২৯২; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪০; মুসনাদ ইমাম শাফেঈ: ১/২৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬০০; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৫; আবূ দাঊদ: ২০৭; সুনান বাইহাকী: ১/১১৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৯০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির ব্যাপারে স্পষ্ট করে কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০২।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (202).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات إلا أنه منقطع.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1107)


1107 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ الْحَذَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرُّكَيْنُ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ عَمِيلَةَ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً، فَجَعَلْتُ أَغْتَسِلُ فِي الشِّتَاءِ حَتَّى تَشَقَّقَ ظَهْرِي، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَوْ ذُكِرَ لَهُ، فَقَالَ: «لَا تَفْعَلْ، إِذَا رَأَيْتَ الْمَذْيَ فَاغْسِلْ ذَكَرَكَ، وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ، وَإِذَا نَضَحْتَ الْمَاءَ، فَاغْتَسِلْ». [4: 49]
رقم طبعة با وزير = (1104)




আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি প্রচুর মযী প্রবণ মানুষ ছিলাম। এজন্য আমি শীতকালে গোসল করতে শুরু করলাম, ফলে আমার পিঠ ফেটে যায়। অতঃপর ব্যাপারটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আলোচনা করলাম –অথবা আলোচনা করা হলো (অধঃস্থন রাবীর সন্দেহ)- তখন তিনি জবাবে বলেন, “তুমি এরকম করবে না। যখন তুমি মযী দেখবে, তখন তুমি তোমার পুরুষাঙ্গ ধুয়ে ফেলবে এবং সালাতের ন্যায় ওযূ করবে আর যখন তোমার বীর্যপাত ঘটবে তখন গোসল করবে।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৯২; মুসনাদ আহমাদ: ১/১০৯; নাসাঈ: ১/১১১, ১১২; আত তায়ালিসী: ১/১৪; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৪৬; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৪৫; আবূ দাঊদ: ২০৬; সুনান বাইহাকী: ১/১১৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬০২, ৬০৩; তিরমিযী: ১১৪; ইবনু মাজাহ: ৫০৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০১।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (1099). تنبيه!! رقم (1099) = (1102) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1108)


1108 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ: «أَنَّهَا كَانَتْ تَغْتَسِلُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِنَاءِ الْوَاحِدِ». [5: 10]
رقم طبعة با وزير = (1105)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, “তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একই পাত্রে গোসল করতেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৩০৯; নাসাঈ: ১/১২৭; সুনান বাইহাকী: ১/১৯৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/২০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১০২৭; হুমাইদী: ১৫৯; আত তায়ালিসী: ১/৪২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৩৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৭; সহীহ বুখারী: ২৫০; আবূ দাঊদ: ২৩৮; ইবনু মাজাহ: ৩৭৬; দারেমী: ১/১৯১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭০।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (70)، «الروض» (798 و 803)، «تعليقي على ابن خزيمة» (238 و 239): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (1109)


1109 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي وَهُوَ حَامِلٌ أُمَامَةَ بِنْتَ زَيْنَبَ ابْنَتِهِ، فَكَانَ إِذَا قَامَ حَمَلَهَا، وَإِذَا سَجَدَ وَضَعَهَا». [5: 10]
رقم طبعة با وزير = (1106)




আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, “তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মেয়ে যয়নাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার মেয়ে উমামাকে কোলে নিয়ে সালাত আদায় করতেন; যখন তিনি সালাতে দাঁড়াতেন, তখন তাকে কোলে নিতেন আর যখন সাজদায় যেতেন, তখন তাকে রেখে দিতেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৫৪৩; আবূ দাউদ: ৯১৭; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৭০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৯৫; সহীহ বুখারী: ৫১৬; নাসাঈ: ৩/১০; দারেমী: ১/৩১৬; তায়ালিসী: ১/১০৯; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৬; হুমাইদী: ৪২২; নাসাঈ: ৩/১০; তাবারানী কাবীর: ২২/১০৬৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৫১, ৮৫৩।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (851 - 853): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1110)


1110 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا قَتَادَةَ، يَقُولُ: بَيْنَمَا نَحْنُ عَلَى بَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُلُوسٌ، إِذْ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْمِلُ أُمَامَةَ بِنْتَ أَبِي الْعَاصِ بْنِ الرَّبِيعِ وَأُمُّهَا زَيْنَبُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ صَبِيَّةٌ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ عَلَى عَاتِقِهِ، يَضَعُهَا إِذَا رَكَعَ، وَيُعِيدُهَا عَلَى عَاتِقِهِ إِذَا قَامَ، حَتَّى قَضَى صَلَاتَهُ، يَفْعَلُ ذَلِكَ بِهَا.
رقم طبعة با وزير = (1107)




আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, “তিনি বলেন, “আমরা একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দরজার কাছে বসে ছিলাম, এমন সময় তিনি উমামাহ বিনতু আবূল আস বিন রবী‘, যার মা ছিলেন যাইনাব বিনতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তখন তিনি শিশু ছিলেন, তাকে কোলে নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যে বের হলেন, অতঃপর তিনি তাকে কাঁধে নিয়ে সালাত আদায় করেন; যখন তিনি রুকু‘ করেন, তখন তাকে রেখে দিতেন আবার যখন দাঁড়াতেন, তখন তাকে কাঁধে তুলে নিতেন। এভাবেই তিনি সালাত শেষ করেন।”[1]



[1] সহীহ বুখারী: ৫৯৯৬; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩০৩; সহীহ মুসলিম: ৫৪৩; আবূ দাঊদ: ৯১৮; নাসাঈ: ১/১২৭; দারেমী: ১/৩১৬; তাবারানী: ২২/১০৭৩; সুনান বাইহাকী: ১/১২৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৫১, ৮৫৩।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1111)


1111 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ: «إِنْ كُنْتُ لَأَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، تَخْتَلِفُ أَيْدِينَا فِيهِ وَتَلْتَقِي». [4: 1]
رقم طبعة با وزير = (1108)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয় আমি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একই পাত্র থেকে গোসল করতাম, তাতে আমাদের হাতগুলো পরস্পরের সাথে লেগে যেতো ।”[1]



[1] আবূ আওয়ানা: ১/২৮৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৯২; সহীহ বুখারী: ২৬১; সহীহ মুসলিম: ৩২১; সুনান বাইহাকী: ১১/১৮৬; নাসাঈ: ১/২০১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭০।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (70)، «الروض» (798 و 803)، «التعليق على ابن خزيمة» (238 و 239): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم. أبو الطاهر هو أحمد بن عمرو بن عبد الله بن عمرو بن السرح المصري، ثقة من رجال مسلم.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1112)


1112 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ: دَخَلْتُ عَلَى مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَذَكَرْنَا مَا يَكُونُ مِنْهُ الْوُضُوءُ، فَقَالَ مَرْوَانُ: أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1109) [ص:397] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: عَائِذٌ بِاللَّهِ أَنْ نَحْتَجَّ بِخَبَرٍ رَوَاهُ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ وَذَوُوهُ فِي شَيْءٍ مِنْ كُتُبِنَا، لَأَنَّا لَا نَسْتَحِلُّ الِاحْتِجَاجَ بِغَيْرِ الصَّحِيحِ مِنْ سَائِرِ الْأَخْبَارِ، وَإِنْ وَافَقَ ذَلِكَ مَذْهَبَنَا، وَلَا نَعْتَمِدُ مِنَ الْمَذَاهِبِ إِلَّا عَلَى الْمُنْتَزَعِ مِنَ الْآثَارِ، وَإِنْ خَالَفَ ذَلِكَ قَوْلَ أَئِمَّتِنَا، وَأَمَّا خَبَرُ بُسْرَةَ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ، فَإِنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ سَمِعَهُ مِنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ بُسْرَةَ، فَلَمْ يُقْنِعْهُ ذَلِكَ حَتَّى بَعَثَ مَرْوَانُ شُرْطِيًّا لَهُ إِلَى بُسْرَةَ فَسَأَلَهَا، ثُمَّ آتَاهُمْ فَأَخْبَرَهُمْ بِمِثْلِ مَا قَالَتْ بُسْرَةُ، فَسَمِعَهُ عُرْوَةُ ثَانِيًا عَنِ الشُّرْطِيِّ، عَنْ بُسْرَةَ، ثُمَّ لَمْ يُقْنِعْهُ ذَلِكَ حَتَّى ذَهَبَ إِلَى بُسْرَةَ فَسَمِعَ مِنْهَا، فَالْخَبَرُ عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ بُسْرَةَ مُتَّصِلٌ لَيْسَ بِمُنْقَطِعٍ، وَصَارَ مَرْوَانُ وَالشُّرْطِيُّ كَأَنَّهُمَا عَارِيَتَانِ يَسْقُطَانِ مِنَ الْإِسْنَادِ.




উরওয়া বিন যুবাইর (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার মারওয়ান বিন হাকাম এর কাছে গেলাম, অতঃপর আমরা আলোচনা করলাম কিসে ওযূ করতে হয়, সেই সম্পর্কে। তখন মারওয়ান আমাকে বলেন, “আমাকে বুসরা বিনতু সাফওয়ান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, তখন সে যেন ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আল্লাহর কাছে পানাহ চাই আমাদের কিতাবে এমন হাদীস দিয়ে দলীল গ্রহণ করা থেকে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন হাকাম ও তার মত লোকজন। কেননা আমরা হাদীসসমূহ থেকে সহীহ হাদীস ছাড়া অন্যান্য হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা বৈধ মনে করিনা, যদিও সেই হাদীস আমাদের মতামতের অনুকূলে যায়। আর বিভিন্ন মতামত থেকে আমরা কেবল হাদীস নিসৃত মতামতের উপরই নির্ভর করি, যদিও তা আমাদের ইমামদের মতামতের বিপরীত হয়। আমরা যে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীস বর্ণনা করলাম, সেই হাদীস উরওয়া বিন যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারওয়ান বিন হাকাম এর মাধ্যমে ‍বুসরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শুনেছেন। কিন্তু তিনি এতে সন্তুষ্ট হননি, এমনকি মারওয়ান বিন হাকাম তার এক পুলিশকে পাঠান বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে, তিনি তাকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন, অতঃপর তিনি ফিরে এসে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা যেভাবে তাকে হাদীস করেন, সেভাবে তাদেরকে হাদীসটি বর্ণনা করেন। কাজেই উরওয়া পুলিশের সূত্রে বুসরার হাদীস দ্বিতীয়বার শ্রবন করেন। কিন্তু এতেও তিনি পরিতৃপ্ত হননি, ফলে তিনি নিজেই বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে যান এবং তাঁর কাছ থেকে সরাসরি হাদীস শ্রবণ করেন। কাজেই বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে উরওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস মুত্তাসিল; মুনকাতি‘ নয়। সুতরাং মারওয়ান ও পুলিশ যেন ‘শুন’ যারা সানাদ থেকে বাদ পড়ে গেছে।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (116)، «صحيح أبي داود» (175).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، رجاله رجال الصحيح، وقد صححه غير واحد من الأئمة.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1113)


1113 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُسَرَّحٍ الْحَرَّانِيُّ أَبُو بَدْرٍ بِسَرْغَامَرْطَا مِنْ دِيَارِ مُضَرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:398] شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ حَدَّثَهُ، عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ»، قَالَ: فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عُرْوَةُ فَسَأَلَ بُسْرَةَ فَصَدَّقَتْهُ. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1110)




উরওয়া (রহ.) বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, তখন সে যেন ওযূ করে।” অতঃপর উরওয়া হাদীসটি অস্বীকার করেন এবং স্বয়ং গিয়ে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি সেটিকে সত্যায়ন করেন।” [1]



[1] দারাকুতনী: ২২৬১; সুনান বাইহাকী: ১/১২৯; হাকিম: ১/১৩৭; নাসাঈ: ১/২১৬; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: أحمد بن خالد أبو بدر، ترجمه الإمام الذهبي في «الميزان»، ونقل عن الدارقطني قوله: ليس بشيء. وأبوه ترجمه المؤلف في «الثقات» 8/ 226، وقال: مستقيم الحديث جداً. وباقي رجاله ثقات.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1114)


1114 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي رَبِيعَةُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَرْوَانَ، عَنْ بُسْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ»،، [ص:399] قَالَ عُرْوَةُ: فَسَأَلْتُ بُسْرَةَ، فَصَدَّقَتْهُ. [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1111)




উরওয়া (রহ.) বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন নতুন করে ওযূ করে।” উরওয়া (রহ.) বলেন, “অতঃপর আমি বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি সেটিকে সত্যায়ন করেন।” [1]



[1] ইবনুল জারুদ: ১৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩৩; দারাকুতনী: ২২৬১; সুনান বাইহাকী: ১/১২৯; হাকিম: ১/১৩৭; নাসাঈ: ১/২১৬; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৩৪; আবূ দাউদ: ১৮১; নাসাঈ: ১/১০০; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮; তাবারানী কাবীর: ৪৯৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৩; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/১৮৫; দারেমী: ১/১৮৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১২; হাকিম: ১/১৩৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي، رجاله رجال الصحيح، ابن أبي فديك: هو محمد بن إسماعيل بن مسلم بن أبي فديك الدِّيلي مولاهم المدني، روى له الجماعة.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1115)


1115 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بُسْرَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ، فَلْيُعِدِ الْوُضُوءَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1112) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: لَوْ كَانَ الْمُرَادُ مِنْهُ غَسْلَ الْيَدَيْنِ كَمَا، قَالَ بَعْضُ النَّاسِ: لَمَّا قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَلْيُعِدِ الْوُضُوءَ»، إِذِ الْإِعَادَةُ لَا تَكُونُ إِلَّا لِلْوُضُوءِ الَّذِي هُوَ لِلصَّلَاةِ




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন পুনরায় ওযূ করে নেয়।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ হাদীসে ওযূ করা দ্বারা যদি দুই হাত ধোয়া উদ্দেশ্য হতো, যেমনটা কিছু লোক মনে করে থাকে, তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই বলতেন না “সে যেন পুনরায় ওযূ করে নেয়” কেননা পুনরায় ওযূ করা কথাটি কেবল সালাতের জন্য যে ওযূ করা হয় সেটাকেই বুঝায়।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০৬; তিরমিযী: ৮২; নাসাঈ: ১/২১৬; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (1116)


1116 - أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ قُرَيْشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْعَدَنِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَرْوَانَ، عَنْ بُسْرَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ، فَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1113)




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে, সে যেন সালাতের ন্যায় ওযূ করে নেয়।”[1]



[1] ইবনু মাজাহ: ৪৭৯; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০৬; তিরমিযী: ৮২; নাসাঈ: ১/২১৬; সুনান বাইহাকী: ১/১২৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1117)


1117 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ ذَكْوَانَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَمِرٍ الْيَحْصَبِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ بُسْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ، وَالْمَرْأَةُ مِثْلُ ذَلِكَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1114)




বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে, সে যেন ওযূ করে নেয়। নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ*।”[1]



[1] সুনান বাইহাকী: ১/১৩২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪১১; নাসাঈ: ১/২১৬; দারেমী: ১/১৮৪; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ” অংশটুকু মুদরাজ বাকী অংশ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির “নারীরাও এক্ষেত্রে অনুরুপ” অংশটুকু মুদরাজ বাকী অংশ সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৫।) * “হাদিসের সনদ বা মতনে বিনা পার্থক্যে রাবির পক্ষ থেকে বৃদ্ধিকে মুদরাজ বলা হয়”।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح إلا قوله: «والمرأة مثل ذلك»؛ فإنها مدرجة - «صحيح أبي داود» -أيضا-.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1118)


1118 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمُعَدَّلُ بِالْفُسْطَاطِ، وَعِمْرَانُ بْنُ فَضَالَةَ الشَّعِيرِيُّ بِالْمَوْصِلِ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَنَافِعِ بْنِ أَبِي نُعَيْمٍ الْقَارِئِ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَفْضَى أَحَدُكُمْ بِيَدِهِ إِلَى فَرْجِهِ، وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا سِتْرٌ وَلَا حِجَابٌ، فَلْيَتَوَضَّأْ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1115) [ص:402] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: احْتِجَاجُنَا فِي هَذَا الْخَبَرِ بِنَافِعِ بْنِ أَبِي نُعَيْمٍ دُونَ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ النَّوْفَلِيِّ لِأَنَّ يَزِيدَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ تَبَرَّأْنَا مِنْ عُهْدَتِهِ فِي كِتَابِ الضُّعَفَاءِ.




আবূ হুরাইরা হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার লজ্জাস্থান তার হাত দিয়ে স্পর্শ করে, এবং হাত ও লজ্জাস্থানের মাঝে কোন অন্তরাল বা পর্দা না থাকে, তবে সে যেন ওযূ করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে আমরা নাফি বিন আবূ নু‘আইম এর মাধ্যমে দলীল গ্রহণ করেছি কিন্তু ইয়াযিদ বিন আব্দুল মালিক আন নাওফালীর মাধ্যমে দলীল গ্রহণ করিনি, কেননা আমরা ইয়াযিদ বিন আব্দুল মালিক থেকে দায়মুক্তি ঘোষনা করেছি, যেমনটা কিতাবুয যু‘আফাহ কিতাবে উল্লেখ আছে।”



[1] ইমাম শাফেঈ, আল উম্ম: ১/১৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৩৩; দারাকুতনী: ৭/১৪১; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৭৪; সুনান বাইহাকী: ২/১৩১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৬; তাবারানী আস সাগীর: ১/৪২; হাকিম: ১/১৩৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ১২৩৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الموارد» (210)، «الصحيحة» (1235).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: سنده حسن، يزيد بن عبد الملك النوفلي، ضعيف، لم يحتج به المؤلف، وذكره في كتابه «الضعفاء»، كما قال هنا، وذكره ابن عدي في «الكامل في الضعفاء» 7/ 2715، وساق له هذا الحديث، لكن أخرج المؤلف حديثه لأنه تابعه عليه نافع بن أبي نعيم القارئ، وهو صدوق، وبه احتج المؤلف كما قال.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1119)


1119 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: خَرَجْنَا وَفْدًا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَاءَ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، مَا تَقُولُ فِي مَسِّ الرَّجُلِ ذَكَرَهُ بَعْدَمَا يَتَوَضَّأُ؟، فَقَالَ: «هَلْ هُوَ إِلَّا مُضْغَةٌ أَوْ بَضْعَةٌ مِنْهُ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1116)




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা প্রতিনিধি দল হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে যাওয়ার জন্য বের হলাম, এসময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল কোন ব্যক্তির ওযূ করার পর তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার ব্যাপারে আপনার কী বলবেন?” জবাবে তিনি বলেন, “সেটা একটি অঙ্গ অথবা (রাবীর সন্দেহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) এটা তার একটি অঙ্গ ব্যতীত অন্য কিছু কী?”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (176).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي.









সহীহ ইবনু হিব্বান (1120)


1120 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ بِعَسْقَلَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُلَازِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ طَلْقٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَتَاهُ أَعْرَابِيٌّ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَحَدَنَا يَكُونُ فِي الصَّلَاةِ فَيَحْتَكُّ فَتُصِيبُ يَدُهُ ذَكَرَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَهَلْ هُوَ إِلَّا بَضْعَةٌ مِنْكَ أَوْ مُضْغَةٌ مِنْكَ». [1: 23]
رقم طبعة با وزير = (1117)




তলক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে ছিলাম, এমন সময় এক বেদুঈন ব্যক্তি এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমাদের কোন ব্যক্তি সালাতে থাকে, অতঃপর তার শরীর চুলকায়, ফলে তার হাত পুরুষাঙ্গে লেগে যায়?” জবাবে তিনি বলেন, “সেটা তোমার একটি অঙ্গ অথবা (রাবীর সন্দেহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন) এটা তোমার এক টুকরো মাংস ব্যতীত অন্য কিছু কী?”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/১৬৫; আবূ দাঊদ: ১৮২; তিরমিযী: ৮৫; দারাকুতনী: ১/১৪৯; ইবনুল জারুদ: ২১; তাহাবী, শারহুল মা‘আনিল আসার: ১/৭৫; সুনান বাইহাকী: ১/১৩৪; আত তায়ালিসী: ১/৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (177).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: ابن أبي السري هو: محمد بن المتوكل بن عبد الرحمن الهاشمي، قال الحافظ في «التقريب»: صدوق عارف، له أوهام كثيرة، إلا أنه لم ينفرد به، فقد تابعه عليه غير واحد، كما مر في تخريج الحديث الذي قبله، وباقي رجاله ثقات.