হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (2621)


2621 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ مَوْلَى ثَقِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى خَتٌّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَيَّاطُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْتَرَ بِرَكْعَةٍ»
رقم طبعة با وزير = (2611)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করেছেন।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৭৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৯১; দারেমী: ১/৩৭২; আবূ দাঊদ: ১৩৩৬; নাসাঈ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১১৭৭; তাহাবী: ১/২৮৩; আবূ আওয়ানা: ২/৩২৬; সুনান বাইহাকী: ৩/২৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৯০১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৯৬২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (1/ 327 / 294): ق مطولا، دون قوله: بركعة.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2622)


2622 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: نَادَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنَ اللَّيْلِ؟ فَقَالَ: «يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً أَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنَ اللَّيْلِ»
رقم طبعة با وزير = (2613)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন, “আপনি আমাদেরকে রাত্রে কিভাবে সালাত আদায় করার নির্দেশ দিবেন?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে সালাত আদায় করবে, অতঃপর যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করবে। তবে এটি রাতে আদায় করা সব সালাতকে বিতরে (বিজোড়ে) পরিণত করবে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৭৩; সহীহ মুসলিম: ৭৪৯; ইবনু মাজাহ: ১৩২০; সুনান বাইহাকী: ৩/২২; বাগাবী: ৯৫৫; নাসাঈ: ৩/২২৭; তাবারানী: ১৩১৮৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০৭২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১১৯৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الروض النضير» (519)، «صحيح أبي داود» (1197): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (2623)


2623 - أَخْبَرَنَا شَبَابُ بْنُ صَالِحٍ بِوَاسِطَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ *، عَنْ * خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: نَادَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَا بَيْنَهُمَا، كَيْفَ صَلَاةُ اللَّيْلِ؟ فَقَالَ: «مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيتَ الصُّبْحَ فَصَلِّ وَاحِدَةً وَسَجْدَتَيْنِ قَبْلَ الصُّبْحِ»
رقم طبعة با وزير = (2614)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন, সেসময় আমি তাদের উভয়ের মাঝে ছিলাম, তিনি বলেন, “রাতের সালাত কেমন হবে?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমরা দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে সালাত আদায় করবে, অতঃপর যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করবে। আর ভোরের আগে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করবে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৪০; আবূ দাঊদ: ১৪২১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৭৩; সহীহ মুসলিম: ৭৪৯; ইবনু মাজাহ: ১৩২০; সুনান বাইহাকী: ৩/২২; বাগাবী: ৯৫৫; নাসাঈ: ৩/২৩২-২৩৩; তাবারানী: ১৩১৮৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০৭২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বিতরের পর দুই রাকা‘আত সালাত পড়ার অংশসহ শায বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৬১৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ بزيادة السجدتين. * [خَالِدٌ] قال الشيخ: هو ابن عبد الله الطحَّان الواسطيُّ، وشيخه خالد؛ هو: ابن مِهران الحذَّاء. وقد رواه عنه جمعٌ آخر: عند أبي عَوانَة (2/ 361)، وابن أبي شيبة (2/ 291)، وأحمد (2/ 79). وتابعه عاصم الأحول، عن عبد الله بن شقيقٍ: رواه أبو عوانة. وعبد الله - هذا - ثِقةٌ من رجال مسلم. وقد أخرجه من طريقه (1/ 172) مختصرا، دون قوله: «وسجدتين قبل الصُّبح». وكذلك أخرجه هو، والبخاري، وأصحاب «السُّنن» وغيرهم، من طريق أُخرى، عن ابن عمر، دون هذه الزيادة؛ منهم: نافع؛ كما في الحديث الَّذي قبله. فأرى أنَّها زيادة شاذَّة لا تَصِحُّ. وفاتَ المُعلِّق - هنا على طبعة المؤسسة (6/ 353) - أن يُنَبِّهَ على هذا - كما هي عادته -، بل أوهم أنَّها عندَ مُسلم!! * [عَنْ] قال الشيخ: في مطبوعة دار الكتب العلمية «بن! ».




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2624)


2624 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ [ص:354] يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: «صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَنْصَرِفَ فَارْكَعْ وَاحِدَةً تُوتِرُ لَكَ مَا قَدْ صَلَّيْتَ»
رقم طبعة با وزير = (2615)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাতের সালাত দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে, অতঃপর যখন সালাত শেষ করার ইচ্ছা করবে, তখন এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করবে। তবে এটি রাতে আদায় করা তোমার সব সালাতকে বিতরে পরিণত করবে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৭৩; সহীহ মুসলিম: ৭৪৯; ইবনু মাজাহ: ১৩২০; সুনান বাইহাকী: ৩/২২; বাগাবী: ৯৫৫; নাসাঈ: ৩/২২৭; তাবারানী: ১৩১৮৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০৭২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১১৯৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح؛ وهو مكرر (2613). تنبيه!! رقم (2613) = (2622) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2625)


2625 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي غَيْلَانَ الثَّقَفِيُّ بِبَغْدَادَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا مِجْلَزٍ يُحَدِّثُ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «الْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ»
رقم طبعة با وزير = (2616) [ص:355] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «أَبُو التَّيَّاحِ اسْمُهُ يَزِيدُ بْنُ حُمَيْدٍ الضُّبَعِيُّ، وَأَبُو مِجْلَزٍ اسْمُهُ لَاحِقُ بْنُ حُمَيْدٍ»




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিতর হলো রাতের শেষাংশে এক রাকা‘আত।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হাদীসের রাবী আবুত তাইয়্যাহর নাম ইয়াযিদ বিন হুমাইদ আস সুবাঈ। আর আবূ মিজলাযের নাম লাহিক বিন হুমাইদ।”



[1] মুসনাদু ইবনিল জা‘দ: ১৪৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৫৫৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৩; নাসাঈ: ৩/২৩২; সহীহ মুসলিম: ৭৫২; সুনান বাইহাকী: ৩/২২; নাসাঈ: ৩/২৩২; ইবনু মাজাহ: ১১৭৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৬১৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (2626)


2626 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَهَا تِلْكَ اللَّيْلَةَ، «فَتَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي، فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ، فَأَخَذَنِي فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ، فَصَلَّى فِي تِلْكَ اللَّيْلَةِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً، ثُمَّ نَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى نَفَخَ، وَكَانَ إِذَا نَامَ نَفَخَ، ثُمَّ أَتَاهُ الْمُؤَذِّنُ، فَخَرَجَ، وَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ» [ص:356] قَالَ عَمْرٌو: حَدَّثْتُ بِهَذَا بُكَيْرَ بْنَ الْأَشَجِّ، فَقَالَ: حَدَّثَنِي كُرَيْبٌ بِذَلِكَ
رقم طبعة با وزير = (2617)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার আমার খালা মাইমূনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে রাত্রি যাপন করি। এই রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার গৃহে ছিলেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযূ করেন তারপর সালাতে দাঁড়িয়ে যান। আমি তাঁর বাম পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তখন তিনি আমাকে ধরে তাঁর ডান পাশে রাখেন। ঐ রাতে তিনি ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে যান, এমনকি তিনি নাক ডাকতে শুরু করেন। আর তিনি যখন ঘুমাতেন নাক ডাকতেন। তারপর মুয়ায্যিন তাঁর কাছে আসলে তিনি বেরিয়ে যান এবং সালাত আদায় করেন কিন্তু ওযূ করেননি।” আমর রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি হাদীসটি বুকাইর আশাজ্জকে বর্ণনা করলে তিনি বলেন, “কুরাইবও আমাকে হাদীসটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন।”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১২১-১২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৪২; সহীহ আল বুখারী: ১৮৩; সহীহ মুসলিম: ৭৬৩; আবূ দাঊদ: ১৩৬৭; নাসাঈ: ৩/২১০-২১১; শামাইলে তিরমিযী: ২৬২; ইবনু মাজাহ: ১৩৬৩; আবূ আওয়ানা: ২/৩১৫-৩১৬; তাবারানী: ১২১৯২; সুনান বাইহাকী: ৩/৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৩৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق، ومضى (3583). تنبيه!! رقم (3583) = (3591) من «طبعة المؤسسة». لكن الحديث غير موجود بالرقم المشار إليه وإنما موجود برقم (2193) الموافق لـ (2196) من طبعة المؤسسة. وسيأتي أيضا برقم (2627) الموافق لـ (2636) من طبعة المؤسسة. - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2627)


2627 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ السَّامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُوسٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ بَاتَ عِنْدَ خَالَتِهِ مَيْمُونَةَ، «فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ»، قَالَ: «فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ، ثُمَّ قُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ، فَجَرَّنِي حَتَّى أَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ، ثُمَّ صَلَّى ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً، قِيَامُهُ فِيهِنَّ سَوَاءٌ»
رقم طبعة با وزير = (2618)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি একবার তার খালা মাইমূনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন। অতঃপর রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়িয়ে যান।” তিনি বলেন, “আমিও উঠে ওযূ করে তারপর তাঁর বাম পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তখন তিনি আমাকে টেনে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করান। তারপর তিনি ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন।এতে তাঁর কিয়াম (দাঁড়ানো) ছিল প্রত্যেক রাকাতে সমান দীর্ঘ। ”[1]



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১২১-১২২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৮; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৪২; সহীহ আল বুখারী: ১৮৩; সহীহ মুসলিম: ৭৬৩; আবূ দাঊদ: ১৩৬৭; নাসাঈ: ৩/২১০-২১১; শামাইলে তিরমিযী: ২৬২; ইবনু মাজাহ: ১৩৬৩; আবূ আওয়ানা: ২/৩১৫-৩১৬; তাবারানী: ১২১৯২; সুনান বাইহাকী: ৩/৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৩৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - وهو مختصر الآتي (2627). تنبيه!! رقم (2627) = (2636) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2628)


2628 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ [ص:357] إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُرَحْبِيلِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ، قَالَ: «أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ حَتَّى نَزَلْنَا السُّقْيَا»، فَقَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ: مَنْ يَسْقِينَا؟ قَالَ: «جَابِرٌ»، فَخَرَجْتُ فِي فَتَيَانٍ مِنَ الْأَنْصَارِ حَتَّى أَتَيْنَا الْمَاءَ الَّذِي بِالْأُثَايَةِ، وَبَيْنَهُمَا قَرِيبٌ مِنْ ثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ مِيلًا، فَسَقَيْنَا وَاسْتَقَيْنَا، حَتَّى إِذَا كَانَ بَعْدَ عَتَمَةٍ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى بَعِيرٍ يُنَازِعُهُ بَعِيرُهُ إِلَى الْحَوْضِ، فَقَالَ لَهُ: أَوْرِدْ، فَأَوْرَدَ، فَأَخَذْتُ بِزِمَامِ رَاحِلَتِهِ فَأَنَخْتُهَا، «فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى الْعَتَمَةَ وَجَابِرٌ إِلَى جَانِبِهِ، فَصَلَّى ثَلَاثَ عَشْرَةَ سَجْدَةً»
رقم طبعة با وزير = (2619)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “হুদায়বিয়ার সন্ধিকালিন সময় আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (মদীনা অভিমুখে) আগমন করছিলাম অতঃপর আমরা সুকইয়া নামক জায়গায় আসলাম। তখন মুয়ায বিন জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমাদেরকে কে পানি পান করাবে?” জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “অতঃপর আমি ও আনসারী কয়েকজন যুবক বের হই, অতঃপর আমরা উসায়ায় পানির জায়গায় আসি। উভয় স্থানের মাঝে প্রায় ২৩ মাইলের দূরত্ব। আমরা সেখানে নিজেরা পানি পান করি এবং বাহনদেরও পানি পান করাই। অতঃপর সন্ধার পর উটে আরোহন করে এক ব্যক্তি আসলো, তার উট তাকে পানির চৌবাচ্চার নিকট টেনে নিয়ে যেতে চাইলো। সে তাকে বলে, “সামনে আসো।” অতঃপর সে সামনে আসলো। আমি তার বাহনের লাগাম ধরে সেটাকে বসিয়ে দিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করেন, এসময় জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পাশে দিলেন। তিনি ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন।”[1]



[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা: ২২১৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৮০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৫; বাযযার: ৭২৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৬১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - انظر ما بعده.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2629)


2629 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ بِالسِّنْجِ، قَالَ: [ص:358] حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِسْكِينٍ الْيَمَامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ شُرَحْبِيلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَاخَ رَاحِلَتَهُ، ثُمَّ نَزَلَ فَصَلَّى عَشْرَ رَكَعَاتٍ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ أَوْتَرَ بِوَاحِدَةٍ، وَصَلَّى رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ، ثُمَّ صَلَّى الصُّبْحَ»
رقم طبعة با وزير = (2620)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তাঁর বাহনকে বসিয়েছেন তারপর তিনি অবতরণ করে দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত করে ১০ রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করেন। অতঃপর দুই রাকা‘আত সুন্নাত আদায় করে ফজরের সালাত আদায় করেন।”[1]



[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা: ২২১৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৮০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৫; বাযযার: ৭২৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৬১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «التعليق على صحيح ابن خزيمة» (1261).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين غير شرحبيل بن سعد وهو ضعيف يكتب حديثه









সহীহ ইবনু হিব্বান (2630)


2630 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ هِشَامٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَقْرَأُ فِي شَيْءٍ مِنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ جَالِسًا، حَتَّى إِذَا دَخَلَ فِي السِّنِّ كَانَ يَقْرَأُ حَتَّى إِذَا [ص:359] بَقِيَ عَلَيْهِ ثَلَاثُونَ أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً قَامَ فَقَرَأَ، ثُمَّ سَجَدَ»
رقم طبعة با وزير = (2621)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসে কিরা‘আত করতেন না, কিন্তু যখন তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি বসে কিরা‘আত পাঠ করতেন, অতঃপর যখন ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর সাজদা করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (2500). تنبيه!! رقم (2500) = (2509) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2631)


2631 - أَخْبَرَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، وَبُدَيْلٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي لَيْلًا طَوِيلًا قَائِمًا، وَلَيْلًا طَوِيلًا قَاعِدًا، فَإِذَا صَلَّى قَائِمًا رَكَعَ قَائِمًا، وَإِذَا صَلَّى قَاعِدًا رَكَعَ قَاعِدًا»
رقم طبعة با وزير = (2622)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দীর্ঘরাত দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন এবং দীর্ঘরাত বসে সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে রুকূ‘ করতেন আবার যখন তিনি বসে সালাত আদায় করতেন, তখন তিনি বসে রুকূ‘ করতেন।” [1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩০; সহীহ মুসলিম: ৭৩০; তিরমিযী: ৩৭৫; আবূ দাঊদ: ১২৫১; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صفة الصلاة»، «مختصر الشمائل المحمدية» (236)، «صحيح أبي داود» (880 و 1137): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2632)


2632 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:360] عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي شَيْئًا مِنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ جَالِسًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَجَعَلَ يَقْرَأُ، فَإِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنَ السُّورَةِ ثَلَاثُونَ آيَةً أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً، قَامَ فَقَرَأَ، ثُمَّ رَكَعَ»
رقم طبعة با وزير = (2623)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাতের কোন সালাত বসে আদায় করতে দেখি নাই, যতদিন না তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি (বসে দীর্ঘ) কিরা‘আত করতেন, অতঃপর যখন সূরার ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর রুকূ‘ করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (2500). تنبيه!! رقم (2500) = (2509) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2633)


2633 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَقْرَأُ فِي صَلَاتِهِ جَالِسًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَكَانَ يَقْرَأُ وَهُوَ جَالِسٌ، فَإِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنَ السُّورَةِ ثَلَاثُونَ آيَةً أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً، قَامَ فَقَرَأَهَا، ثُمَّ رَكَعَ»
رقم طبعة با وزير = (2624)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাতের) কোন সালাত বসে আদায় করতেন না, যতদিন না তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি বসে (দীর্ঘ) কিরা‘আত করতেন, অতঃপর যখন সূরার ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর রুকূ‘ করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2634)


2634 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «[ص:361] كَانَ يُصَلِّي ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ، ثُمَّ يُوتِرُ، ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، ثُمَّ يَقُومُ فَيَقْرَأُ، ثُمَّ يَرْكَعُ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالْإِقَامَةِ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ»
رقم طبعة با وزير = (2625)




আবূ সালামাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে আট রাকা‘আত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন এবং এক রাকা‘আত বিতর আদায় করতেন। তারপর তিনি বসে ‍দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর কিরা‘আত পাঠ করতেন, তারপর রুকূ‘ করতেন এবং ফজরের আযান ও ইকামতের মাঝে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।”[1]



[1] বাগাবী: ৯৬৪; সহীহ ‍মুসলিম: ৭৩৮; আবূ দাঊদ: ১৩৪০; নাসাঈ: ৩/২৫১; সহীহ বুখারী: ১১৫৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২১১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1211): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2635)


2635 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا أَبُو حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْعِشَاءَ تَجَوَّزَ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَنَامُ وَعِنْدَ رَأْسِهِ طَهُورُهُ وَسِوَاكُهُ، فَيَقُومُ فَيَتَسَوَّكُ وَيَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي، وَيَتَجَوَّزُ [ص:362] بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي ثَمَانِ رَكَعَاتٍ يُسَوِّي بَيْنَهُنَّ فِي الْقِرَاءَةِ، ثُمَّ يُوتِرُ بِالتَّاسِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَلَمَّا أَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَخَذَ اللَّحْمُ، جَعَلَ الثَّمَانَ سِتًّا، وَيُوتِرُ بِالسَّابِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ يَقْرَأُ فِيهِمَا: قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَإِذَا زُلْزِلَتْ»
رقم طبعة با وزير = (2626) أَبُو حُرَّةَ اسْمُهُ وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ




সা‘দ বিন হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইশার সালাত আদায় করতেন, তখন সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি ঘুমিয়ে যেতেন আর তাঁর মাথার কাছে ওযূর পানি ও মিসওয়াক থাকতো। তারপর তিনি ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক করতেন এবং ওযূ করতেন অতঃপর সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে আট রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। এগুলিতে তিনি সমান পরিমাণ কিরাআত করতেন। তারপর তিনি নবম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। অতঃপর বসে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হন এবং শরীর ভারী হয়ে যায়, তখন আট রাকা‘আতের স্থলে ছয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেন এবং সপ্তম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। তারপর তিনি বসে দুই রাকা‘আত সালাত পড়তেন, তাতে তিনি قُلْ يا أيها الكافرون (বলুন, হে কাফিরগণ।– সূরা কাফিরূন: ১) ও إذا زلزلت (যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে। -সূরা যিলযাল: ১) পড়তেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ হুর্রার নাম ওয়াসিল বিন আব্দুর রহমান।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১০৪; আবূ দাঊদ: ১৩৫২; নাসাঈ: ৩/২২০-২২১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1419).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2636)


2636 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ اللَّيْلِ، فَقَضَى حَاجَتَهُ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، [ص:363] ثُمَّ نَامَ، ثُمَّ قَامَ فَأَتَى الْقِرْبَةَ، فَأَطْلَقَ شِنَاقَهَا، ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوئَيْنِ، لَمْ يُكْثِرْ وَقَدْ أَبْلَغَ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى، فَقُمْتُ فَتَمَطَّيْتُ كَرَاهِيَةَ أَنْ يَرَى أَنِّي كُنْتُ أَرْقُبُهُ، فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ، فَقَامَ يُصَلِّي، فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ، فَأَخَذَ بِأُذُنِي فَأَدَارَنِي عَنْ يَمِينِهِ، فَتَتَامَّتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً، ثُمَّ اضْطَجَعَ فَنَامَ حَتَّى نَفَخَ، وَكَانَ إِذَا نَامَ نَفَخَ، فَإِذَا بِلَالٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلَاةِ، فَقَامَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ، وَكَانَ فِي دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا، وَفِي بَصَرِي نُورًا، وَفِي سَمْعِي نُورًا، وَعَنْ يَمِينِي نُورًا، وَعَنْ يَسَارِي نُورًا، وَفَوْقِي نُورًا، وَتَحْتِي نُورًا، وَأَمَامِي نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَأَعْظِمْ لِي نُورًا» قَالَ كُرَيْبٌ: فَلَقِيتُ بَعْضَ وَلَدِ الْعَبَّاسِ، فَحَدَّثَنِي بِهِنَّ وَذَكَرَ: «عَصَبِي، وَلَحْمِي، وَدَمِي، وَشَعْرِي، وَبَشَرِي»، وَذَكَرَ خَصْلَتَيْنِ
رقم طبعة با وزير = (2627)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার আমার খালা মাইমূনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে রাত্রি যাপন করি। এই রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে তাঁর হাজত পূরণ করেন। তারপর তিনি তার চেহারা ও হাত ধৌত করেন তারপর তিনি ঘুমিয়ে যান। তারপর তিনি আবার ঘুম থেকে উঠে মশকের কাছে আসেন এবং তার মুখ খুলেন অতঃপর তিনি মাঝারি রকমের ওযূ করেন; অতিরিক্ত করেননি তবে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর আমিও উঠি এবং আড়মোড় ভাঙ্গি এই শংকায় যে, তিনি আমাকে দেখে ফেলবেন যে, আমি তাঁকে পর্যবেক্ষন করছি। আমি উঠে গিয়ে ওযূ করি। তিনি সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়ান অতঃপর আমি তাঁর বাম পাশে দাঁড়াই। তখন তিনি আমার কান ধরে ঘুরিয়ে তাঁর ডান পাশে নেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত ১৩ রাকা‘আত পূর্ণ হয়। তারপর তিনি শুয়ে ঘুমিয়ে যান এবং নাক ডাকেন। তিনি যখন ঘুমাতেন, নাক ডাকতেন। তারপর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে তাঁকে সালাতের কথা জানান। তখন তিনি উঠে যান এবং সালাত আদায় করেন। কিন্তু নতুন করে ওযূ করেননি। তিনি দু‘আ করতেন: اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ يَسَارِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَأَعْظِمْ لِي نُورًا (হে আল্লাহ, আপনি আমার অন্তর নূর দিন, আমার দৃষ্টিতে নূর দিন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দিন, আমার ডানে নূর দিন, আমার বামে নূর দিন, আমার উপরে নূর দিন, আমার নিচে ‍নূর দিন, আমার সামনে নূর দিন, আমার পিছনে নূর দিন, আমাকে মহান নূর দিন)। কুরাইব রহিমাহুল্লাহ বলেন, “অতঃপর আমি আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কোন এক সন্তানের সাথে সাক্ষাত করি। তিনি আমাকে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেন এবং তিনি আরো উল্লেখ করেন, عَصَبِي ولحمي ودمي وشعري وبشري (আমার স্নায়ু, গোসত, রক্ত, চুল ও চামড়ায় নূর দিন), এবং তিনি আরো দুটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ৬৩১৬; সহীহ মুসলিম: ৭৬৩; শামায়েলে তিরমিযী: ২৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৮৬২; আবূ দাঊদ: ৫০৪৩; ইবনু মাজাহ: ৫০৮; নাসাঈ: ২/২১৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২২৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1226): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2637)


2637 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْوَاسِطِيُّ، وَجُمْعَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَلْخِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا أَلْفَاهُ السَّحَرَ عِنْدِي إِلَّا نَائِمًا»، يَعْنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2628)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি তাঁকে সাহারীর সময় আমার নিকট কেবল ঘুমন্ত অবস্থায় পেয়েছি।” অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১১৩৩; আবূ দাঊদ: ১৩১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৪২; ইবনু মাজাহ: ১১৯৭; সুনান বাইহাকী: ৩/৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১৯১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1191).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2638)


2638 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، قَالَ: [ص:365] سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ يَنَامُ أَوَّلَ اللَّيْلِ ثُمَّ يَقُومُ، فَإِذَا كَانَ مِنَ السَّحَرِ أَوْتَرَ، ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ، فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةُ الْمَرْءِ بِأَهْلِهِ كَانَ، فَإِذَا سَمِعَ الْأَذَانَ وَثَبَ، فَإِنْ كَانَ جُنُبًا أَفَاضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ وَإِلَّا تَوَضَّأَ، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ»
رقم طبعة با وزير = (2629) قَالَ: أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «هَذِهِ الْأَخْبَارُ لَيْسَ بَيْنَهَا تَضَادٌّ، وَإِنْ تَبَايَنَتْ أَلْفَاظُهَا وَمَعَانِيهَا مِنَ الظَّاهِرِ، لِأَنَّ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بِاللَّيْلِ عَلَى الْأَوْصَافِ الَّتِي ذُكِرَتْ عَنْهُ، لَيْلَةً بِنَعْتٍ وَأُخْرَى بِنَعْتٍ آخِرَ، فَأَدَّى كُلُّ إِنْسَانٍ مِنْهُمْ مَا رَأَى مِنْهُ، وَأَخْبَرَ بِمَا شَاهَدَ، وَاللَّهُ جَلَّ وَعَلَا جَعَلَ صَفِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُعَلِّمًا لِأُمَّتِهِ قَوْلًا وَفِعْلًا، فَدَلَّنَا تَبَايُنُ أَفْعَالِهِ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ عَلَى أَنَّ الْمَرْءَ مُخَيَّرٌ بَيْنَ أَنْ يَأْتِيَ بِشَيْءٍ مِنَ الْأَشْيَاءِ الَّتِي فَعَلَهَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَلَاتِهِ بِاللَّيْلِ دُونَ أَنْ يَكُونَ الْحُكْمُ لَهُ فِي الِاسْتِنَانِ بِهِ فِي نَوْعٍ مِنْ تِلْكَ الْأَنْوَاعِ لَا الْكُلِّ»




আসওয়াদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “তিনি রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন তারপর উঠে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর যখন ভোরের কাছাকাছি হতো, তখন তিনি বিতর সালাত আদায় করতেন। তারপর যদি তাঁর স্ত্রীর কাছে কোন মানবীয় প্রয়োজন থাকতো (তবে তা পূরণ করতেন)। অতঃপর যখন আযান শুনতেন, তখন তিনি লাফ দিয়ে উঠতেন। অতঃপর যদি তিনি জুনুবী থাকতেন, তবে তাঁর উপর পানি ঢেলে দিতেন। আর যদি জুনুবী না থাকতেন, তবে তিনি ওযূ করে সালাত আদায় করার জন্য বেরিয়ে যেতেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এসব হাদীসের মাঝে কোন বৈপরীত্ব নেই, যদিও বাহ্যত সেসবের শব্দ ও অর্থের মাঝে ভিন্নতা আছে। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন রাতে একভাবে সালাত আদায় করেছেন আরেকরাতে অন্যভাবে আদায় করেছেন। অতঃপর প্রত্যেকেই যা দেখেছেন, তা-ই বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয়পাত্রকে উম্মতের জন্য কথায় ও কাজে শিক্ষক বানিয়েছেন। তাহাজ্জুদ সালাতের ব্যাপারে তাঁর কর্মের বিভিন্নতা আমাদের কাছে প্রমাণ করে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাহাজ্জুদ সালাতের ব্যাপারে যেসব আমল করেছেন, সেগুলোর কোন একটি পালনে ব্যক্তির স্বাধীনতা রয়েছে। এমন নয় যে, এসবগুলো বাদে যে কোন একটি পালন করা সুন্নাত।”



[1] ইবনু মাজাহ: ১৩৬৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৫৩; সহীহ মুসলিম: ৭৩৯; নাসাঈ: ৩/২১৮; সহীহ আলবুখারী: ১১৪৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মুখতাসারুশ শামাইল: ২২৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «مختصر الشمائل» (223).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2639)


2639 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يَعْلَى بْنُ مَمْلَكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ، ثُمَّ يُسَبِّحُ، ثُمَّ يُصَلِّي بَعْدُ مَا شَاءَ اللَّهُ مِنَ اللَّيْلِ، ثُمَّ يَنْصَرِفُ فَيَرْقُدُ مِثْلَ مَا يُصَلِّي، ثُمَّ يَسْتَيْقِظُ مِنْ نَوْمَتِهِ تِلْكَ، فَيُصَلِّي مِثْلَ مَا نَامَ، وَصَلَاتُهُ تِلْكَ الْآخِرَةُ تَكُونُ إِلَى الصُّبْحِ»
رقم طبعة با وزير = (2630)




ইয়ালা বিন মামলাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর তাসবীহ পাঠ করতেন। তারপর তিনি রাতে সালাত আদায় করতেন, যতটা আল্লাহ চাইতেন। তারপর তিনি ঘুমাতে যেতেন অতঃপর যে পরিমাণ সালাত পড়তেন, সে পরিমাণ ঘুমাতেন। তারপর তিনি আবার ঘুম থেকে জাগতেন অতঃপর যে পরিমাণ ঘুমাতেন সে পরিমাণ সালাত আদায় করতেন। আর তার শেষ সালাত ভোর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতো।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৯৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৯; তাবারানী আল কাবীর: ২৩/৬৪৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৬০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (260)، «المشكاة» (1210 / التحقيق الثاني).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2640)


2640 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْعِشَاءَ تَجَوَّزَ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَنَامُ وَعِنْدَ رَأْسِهِ طَهُورُهُ وَسِوَاكُهُ، فَيَقُومُ فَيَتَسَوَّكُ وَيَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي، وَيَتَجَوَّزُ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ يُسَوِّي بَيْنَهُنَّ فِي الْقِرَاءَةِ، ثُمَّ يُوتِرُ بِالتَّاسِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَلَمَّا أَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَخَذَ اللَّحْمُ، جَعَلَ الثَّمَانِ سِتًّا، وَيُوتِرُ بِالسَّابِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ يَقْرَأُ فِيهِمَا: قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَإِذَا زُلْزِلَتْ»
رقم طبعة با وزير = (2631) أَبُو حُرَّةَ وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ




সা‘দ বিন হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইশার সালাত আদায় করতেন, তখন সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি ঘুমিয়ে যেতেন আর তাঁর মাথার কাছে ওযূর পানি ও মিসওয়াক থাকতো। তারপর তিনি ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক করতেন এবং ওযূ করতেন অতঃপর সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে আট রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। এগুলিতে তিনি সমান পরিমাণ কিরাআত করতেন। তারপর তিনি নবম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। অতঃপর বসে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হন এবং শরীর ভারী হয়ে যায়, তখন আট রাকা‘আতের স্থলে ছয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেন এবং সপ্তম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। তারপর তিনি বসে দুই রাকা‘আত সালাত পড়তেন, তাতে তিনি قُلْ يا أيها الكافرون (বলুন, হে কাফিরগণ।– সূরা কাফিরূন: ১) ও إذا زلزلت (যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে। -সূরা যিলযাল: ১) পড়তেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ হুর্রার নাম ওয়াসিল বিন আব্দুর রহমান।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১০৪; আবূ দাঊদ: ১৩৫২; নাসাঈ: ৩/২২০-২২১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - هو مكرر (2626). تنبيه!! رقم (2626) = (2635) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف