সহীহ ইবনু হিব্বান
3701 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا [ص:14] يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ سُحَيْمٍ مَوْلَى آلَ حُنَيْنٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي سُفْيَانَ الْأَخْنَسِيِّ، عَنْ أُمِّهِ أُمِّ حَكِيمٍ بِنْتِ أَبِي أُمَيَّةَ بْنِ الْأَخْنَسِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ أَهَلَّ مِنَ الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى بِعُمْرَةٍ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»، قَالَ: فَرَكِبَتْ أُمُّ حَكِيمٍ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ حَتَّى أَهَلَّتْ مِنْهُ بِعُمْرَةٍ «
رقم طبعة با وزير = (3693)
উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মাসজিদ আকসা থেকে উমরাহর ইহরাম বাঁধবে, তার অতীতের গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” রাবী বলেন, “অতঃপর উম্মু হাকীম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বাহনে চড়ে বাইতুল মাকদিসে যান অতঃপর তিনি সেখান থেকে ইহরাম বাঁধেন।”[1]
[1] মুখতাসার সুনান আবূ দাঊদ: ২/২৮৫; মুসনাদ আবী ইয়ালা: ২/৩২৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৯৯; তাবারানী আল কাবীর: ২৩/১০০৬; ইবনু মাজাহ: ৩০০১; আবূ ইয়ালা: ২/৩১৯; আবূ দাঊদ: ১৭৪১; দারাকুতনী: ২/২৮৩; সুনান বাইহাকী: ৫/৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ২/১২০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «الضعيفة» (211)، «التعليق الرغيب» (2/ 120)، «المشكاة» (2532).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
3702 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ طَلْحَةَ، قَالَتْ: أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّهَا قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا نُخْرِجُ، وَنُجَاهِدُ مَعَكَ، فَإِنِّي لَا أَرَى عَمَلًا فِي الْقُرْآنِ أَفْضَلَ مِنَ الْجِهَادِ، قَالَ: «لَا، إِنَّ لَكُنَّ أَحْسَنَ الْجِهَادِ حَجُّ الْبَيْتِ حَجٌّ مَبْرُورٌ»
رقم طبعة با وزير = (3694)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা কি বের হয়ে আপনাদের সাথে থেকে জিহাদ করবো না?” কেননা আমি কুরআনে জিহাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কোন কিছু দেখতে পাই না!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “না। নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট জিহাদ রয়েছে, বাইতুল্লাহর হজ হলো মাকবূল হজ।”[1]
[1] নাসাঈ: ৫/১১৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৭১-৭৯; সহীহুল বুখারী: ১৫২০; ইবনু মাজাহ: ২৯০১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩০৭৪; সুনান বাইহাকী: ৪/৩২৬; বাগাবী: ১৮৪৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৮৮১১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মসুলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ২/১০৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (2/ 106): خ.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3703 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ مَوْلَى ثَقِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «قَالَ اللَّهُ: إِنَّ عَبْدًا صَحَّحْتُ لَهُ جِسْمَهُ، وَوَسَّعْتُ عَلَيْهِ فِي الْمَعِيشَةِ يَمْضِي عَلَيْهِ خَمْسَةُ أَعْوَامٍ لَا يَفِدُ إِلَيَّ لَمَحْرُومٌ»
رقم طبعة با وزير = (3695)
আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেছেন, “যেই বান্দাকে আমি শারীরিক সুস্থতা দান করেছি এবং জীবন-যাপনে প্রশস্ততা দিয়েছি তারপর পাঁচ বছর গত হয়ে যায় তবূও সে দিকে আসে না, তবে নিশ্চয়ই সে বঞ্চিত।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৮২৬; আবূ ইয়ালা: ২/৬৩; সুনান বাইহাকী: ৫/২৬২; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/২০৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ২/১৩৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «الصحيحة» (1662) «التعليق الرغيب» (3/ 134).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3704 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ فُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، وَيُوسُفُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ذَكَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَ فَقَالَ «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ قَدِ افْتَرَضَ عَلَيْكُمُ الْحَجَّ»، فَقَامَ رَجُلٌ، فَقَالَ: أَكُلُّ عَامٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟، قَالَ: فَسَكَتَّ عَنْهُ حَتَّى أَعَادَهَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، قَالَ: «لَوْ قُلْتُ: نَعَمْ، لَوَجَبَتْ، وَلَوْ وَجَبَتْ مَا قُمْتُمْ بِهَا، ذَرُونِي مَا تَرَكْتُكُمْ، فَإِنَّمَا هَلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ بِكَثْرَةِ سُؤَالِهِمْ، وَاخْتِلَافِهِمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ، فَإِذَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ شَيْءِ فَاجْتَنِبُوهُ، وَإِذَا أَمَرْتُكُمْ بِشَيْءٍ، فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ»، وَذَكَرَ أَنَّ هَذِهِ الْآيَةَ الَّتِي فِي الْمَائِدَةِ نَزَلَتْ فِي ذَلِكَ {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ} [المائدة: 101] «
رقم طبعة با وزير = (3696)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, “হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর হজ ফরয করে দিয়েছেন।” তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এটা কি প্রত্যেক বছর?” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি চুপ থাকেন। এভাবে লোকটি তিনবার প্রশ্ন করেন। অতঃপর তিনি বলেন, “যদি আমি ‘হ্যাঁ’ বলতাম, তবে সেটা ওয়াজিব হয়ে যেতো। আর যদি সেটা ওয়াজিব হয়ে যেতো, তবে তোমরা সেটা পালন করতে পারতে না। আমি যেই বিষয় (নিয়ে আলোচনা) ছেড়ে দেই, তোমরা আমাকে সেই বিষয়ে (প্রশ্ন করা) ছেড়ে দিবে। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা অধিক প্রশ্ন করা এবং তাদের নাবীদের ব্যাপারে মতভেদ করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই যখন আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করতে নিষেধ করি, তখন তোমরা তা থেকে দূরে থাকবে। আর যখন আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করতে আদেশ করি, তখন তোমরা সেখান থেকে সাধ্যমত আমল করো।” রাবী বলেন, সূরা মায়িদার এই আয়াতটিও এই ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেছেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لكم تسؤكم (হে ঈমানদারগণ, তোমরা এমন সব বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না, যদি তা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হয়, তবে তোমাদের খারাপ লাগবে।–সূরা মায়িদা: ১০১)।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৫০৮; সহীহ মুসলিম: ১৩৩৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৩২৬; নাসাঈ: ৫/১১০-১১১; দারাকুতনী: ২/২৮১; তাবারী: ১২৮০৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৯৮০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (980): م، خ، وفيه: «ذروني ... ».
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3705 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: خَطَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّاسَ فَقَالَ «يَا أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ اللَّهَ فَرَضَ عَلَيْكُمُ الْحَجَّ»، فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ: أَوَفِي كُلِّ عَامٍ؟ حَتَّى قَالَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، وَرَسُولُ اللَّهِ يَعْرِضُ عَنْهُ، ثُمَّ قَالَ: «لَوْ قُلْتُ: نَعَمْ، لَوَجَبَتْ، وَلَوْ وَجَبَتْ لَمَا قُمْتُمْ بِهِ»، ثُمَّ قَالَ: «ذَرُونِي مَا تَرَكْتُكُمْ، فَإِنَّمَا [ص:20] هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِسُؤَالِهِمْ، وَاخْتِلَافِهِمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ، فَمَا أَمَرْتُكُمْ مِنْ شَيْءٍ، فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ، وَمَا نَهَيْتُكُمْ مِنْ شَيْءٍ فَاجْتَنِبُوهُ»
رقم طبعة با وزير = (3697)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, “হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর হজ ফরয করে দিয়েছেন।” তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এটা কি প্রত্যেক বছর?” রাবী বলেন, “এটা তিনি তিনবার বলেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। অতঃপর তিনি বলেন, “যদি আমি ‘হ্যাঁ’ বলতাম, তবে সেটা ওয়াজিব হয়ে যেতো। আর যদি সেটা ওয়াজিব হয়ে যেতো, তবে তোমরা সেটা পালন করতে পারতে না।” তারপর তিনি বলেন, “আমি যেই বিষয় (নিয়ে আলোচনা) ছেড়ে দেই, তোমরা আমাকে সেই বিষয়ে (প্রশ্ন করা) ছেড়ে দিবে। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের নাবীদেরকে (অধিক) প্রশ্ন করা এবং তাঁদের ব্যাপারে মতভেদ করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই যখন আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করতে আদেশ করি, তখন তোমরা সেখান থেকে সাধ্যমত আমল করো, যখন আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করতে নিষেধ করি, তখন তোমরা তা থেকে দূরে থাকবে।” [1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৫০৮; সহীহ মুসলিম: ১৩৩৭; সুনান বাইহাকী: ৪/৩২৬; নাসাঈ: ৫/১১০-১১১; দারাকুতনী: ২/২৮১; তাবারী: ১২৮০৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৯৮০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3706 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُسَيَّبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا حَجَّ بِنِسَائِهِ قَالَ: «إِنَّمَا هِيَ هَذِهِ الْحِجَّةُ، ثُمَّ عَلَيْكُمْ بِظُهُورِ الْحُصُرِ»
رقم طبعة با وزير = (3698) [ص:21] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: خِطَابُ هَذَا الْخَبَرِ وَقَعَ عَلَى بَعْضِ النِّسَاءِ، أَرَادَ بِهِ نِسَاءَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالْقَصْدُ فِيهِ بَعْضُ الْأَحْوَالِ، وَهُوَ الْحَالُ الَّذِي لَا يَكُونُ عَلَيْهِنَّ إِقَامَةُ الْفَرَائِضِ فِيهِ كَالصَّلَاةِ، وَالْحَجِّ، وَمَا أَشْبَهَهُمَا
ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর স্ত্রীদের নিয়ে হজ্জ করেন, তখন তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই এটা হলো হজ্জ। তারপর তোমাদের জন্য জরুরী হলো ঘরে অবস্থান করা।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসের বক্তব্য কিছু নারীদের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে, তবে তিনি এর দ্বারা তাঁর স্ত্রীদের উদ্দেশ্য নিয়েছেন। উদ্দেশ্য হলো কিছু অবস্থা, আর সেটা হলো ঐ অবস্থা যেখানে তাদের উপর ফরয পালন করা জরুরী নয়। যেমন: সালাত, হজ্জ প্রভৃতি।”
[1] হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/২১৪; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৪৬; বাযযার: ১০৭৭; সুনান বাইহাকী: ৫/২২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৪০১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2401).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
3707 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ*، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فِي قَوْلِهِ {بَرَاءَةٌ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ} [التوبة: 1]، قَالَ: «لَمَّا قَفَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حُنَيْنٍ، اعْتَمَرَ مِنَ الْجِعْرَانَةِ»، ثُمَّ أَمَّرَ أَبَا بَكْرٍ عَلَى تِلْكَ الْحِجَّةِ
رقم طبعة با وزير = (3699)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলেন, “এই সম্পর্কচ্ছেদ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ থেকে” তিনি বলেন, “যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুনাইন যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন, তখন তিনি জি‘রানাহ থেকে উমরাহ করেন। তারপর তিনি সেই হজ্জে আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আমীর নিযুক্ত করেন।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩০৭৮; তাফসীরে ইবনু কাসীর: ২/৩৪৫-৩৪৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৬৯৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر التعليق. * [مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ] قال الشيخ: صاحب «الصحيح»، وقد أخرجه فيه (4/ 362 / 3078) ... بإسناده المذكور، وهو صحيح؛ رجاله ثقات رجال الشيخين، غير الرمادي: وهو ثقة حافظ، وهو مِنْ رُوَاة «مصنِّف عبد الرزَّاق»؛ إلاَّ أَنَّ هذا الحديث إِنَّمَا رواه عبد الرزَّاق في «التفسير» (1/ 2 / 265)، وهو مِنْ رواية غير الرماديِّ، على ما يُفيدُه كلام المُعَلِّقُ عليه في مُقدِّمتِه. وقد سقطَ منه ذِكرُ أبي هُريرة؛ وهو مذكور في «تفسير ابن كثير» (2/ 322) برواية عبد الرزَّاق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3708 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ بْنِ زِيَادَةَ بْنِ الطُّفَيْلِ اللَّخْمِيُّ أَبُو الْعَبَّاسِ بِعَسْقَلَانَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ حَمْرَاءَ الزُّهْرِيَّ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى رَاحِلَتِهِ وَاقِفًا بِالْحَزْوَرَةِ يَقُولُ: «وَاللَّهِ إِنَّكِ لَخَيْرُ أَرْضِ اللَّهِ، وَأَحَبُّ أَرْضِ اللَّهِ إِلَى اللَّهِ، وَلَوْلَا أَنِّي أُخْرِجْتُ مِنْكِ مَا خَرَجْتُ»
رقم طبعة با وزير = (3700)
আব্দুল্লাহ বিন আদী বিন হামরা আয যুহরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জাযওয়ারাতে তাঁর বাহনের উপর অবস্থান করতে দেখেছি। এসময় তিনি (মক্কার উদ্দেশ্যে বলছিলেন, আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর ভুমির মাঝে শ্রেষ্ঠ ভুমি, এবং আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় ভুমি। যদি আমাকে তোমার থেকে বের করে দেওয়া না হতো, তবে আমি (তোমার থেকে) বের হয়ে যেতাম না!”[1]
[1] ইবনু মাজাহ: ৩১০৮; তিরমিযী: ৩৯২৫; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৫/৩১৬; হাকিম: ৩/৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩০৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মিশকাত: ২৭২৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «المشكاة» (2725).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3709 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، وَأَبِي الطُّفَيْلِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا أَطْيَبَكِ مِنْ بَلْدَةٍ وَأَحَبَّكِ إِلَيَّ، وَلَوْلَا أَنَّ قَوْمِي أَخْرَجُونِي مِنْكِ، مَا سَكَنْتُ غَيْرَكِ»
رقم طبعة با وزير = (3701)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তুমি কতো পবিত্র ও আমার প্রিয় শহর। যদি আমার কওম তোমার থেকে আমাকে বের করে না দিতো, তবে আমি তুমি ছাড়া কোথাও বসবাস করতাম না!”[1]
[1] তাবারানী আল কাবীর: ১০৬২৪; তিরমিযী: ৩৯২৬; হাকিম: ১/৪৮৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (মিশকাত: ২৭২৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «المشكاة» (2724).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3710 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بِسْطَامٍ بِالْبَصْرَةَ، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا رَجَاءُ بْنُ صُبَيْحٍ الْحَرَشِيُّ، حَدَّثَنَا مُسَافِعُ بْنُ شَيْبَةَ الْحَجَبِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ وَهُوَ مُسْنِدٌ ظَهْرَهُ إِلَى الْكَعْبَةِ: «الرُّكْنُ وَالْمَقَامُ يَاقُوتَتَانِ مَنْ يَوَاقِيتِ الْجَنَّةِ، وَلَوْلَا أَنَّ اللَّهَ طَمَسَ عَلَى نُورِهِمَا لَأَضَاءَتَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ»
رقم طبعة با وزير = (3702)
আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রুকন (হাজরে আসওয়াদ) ও মাকামে ইবরাহিম (এর পাথর দুটি) জান্নাতের ইয়াকূতসমূহের মাঝে দুটি ইয়াকূত পাথর। যদি আল্লাহ এ দুটির নূর নিষ্প্রভ করে না দিতেন, তবে এ দুটি পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুকে আলোকিত করতো।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২১৩-২১৪; তিরমিযী: ৮৭৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩২; হাকিম: ১/৪৫৬; সুনান বাইহাকী: ৫/৭৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান লিগাইরিহী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (মিশকাত: ২৭৮০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «المشكاة» (2580)، «التعليق الرغيب» (2/ 122).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن لغيره
3711 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى بِالْمَوْصِلِ، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا ثَابِتُ أَبُو زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لِهَذَا الْحَجَرِ لِسَانًا وَشَفَتَيْنِ يَشْهَدُ لِمَنِ اسْتَلَمَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِحَقٍّ».
رقم طبعة با وزير = (3703)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই এই হাজরে আসওয়াদের একটি জিহবা ও দুটি ঠোট রয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে সত্যনিষ্ঠভাবে (হাত বা মুখ দিয়ে) স্পর্শ করবে, এটি কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।”[1]
[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা; ২৭১৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৬৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৬; হাকিম: ১/৪৫৭; দারেমী: ২/৪২; তিরমিযী: ৯৬১; ইবনু মাজাহ: ২৯৪৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৫-২৭৩৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق على ابن خزيمة» (2735 - 2736).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3712 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ [ص:26] الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيَبْعَثَنَّ اللَّهُ هَذَا الرُّكْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهُ عَيْنَانِ يُبْصِرُ بِهِمَا، وَلِسَانٌ يَنْطِقُ بِهِ يَشْهَدُ لِمَنِ اسْتَلَمَهُ بِحَقٍّ»
رقم طبعة با وزير = (3704)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ এই হাজরে আসওয়াদকে কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত করবেন, এমন অবস্থায় যে, তার দুটি চোখ থাকবে, যা দ্বারা সে দেখতে পাবে, একটি জিহবা থাকবে, যা দ্বারা সে কথা বলবে। যে ব্যক্তি এটাকে সত্যনিষ্ঠভাবে (হাত বা মুখ দিয়ে) স্পর্শ করবে, এটি তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।”[1]
[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা; ২৭১৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৬৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৬; হাকিম: ১/৪৫৭; দারেমী: ২/৪২; তিরমিযী: ৯৬১; ইবনু মাজাহ: ২৯৪৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৫-২৭৩৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح بما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3713 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ الْبُخَارِيُّ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ أَيُّوبَ يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ جِبْرِيلَ حِينَ رَكَضَ زَمْزَمَ بِعَقِبِهِ جَعَلَتْ أُمُّ إِسْمَاعِيلَ تَجْمَعُ الْبَطْحَاءَ»، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «رَحِمَ اللَّهُ هَاجَرَ، لَوْ تَرَكَتْهَا كَانَتْ عَيْنًا مَعِينًا»
رقم طبعة با وزير = (3705)
উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই জিবরীল আলাইহিস সালাম যখন পায়ের গোড়ালীর আঘাতে যমযম কূপ সৃষ্টি করেন, তখন ইসমাঈল আলাইহিস সালামের মা মাটিকে একত্রিত করতে শুরু করেন (পানিকে আটকিয়ে রাখার জন্য)।” আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “মহান আল্লাহ হাজারা আলাইহিস সালামের প্রতি রহম করুন, যদি তিনি সেটাকে আপন অবস্থায় ছেড়ে দিতেন, তবে সেটা প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পরিণত হতো!”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১২১; সহীহুল বুখারী: ২৩৬৮; সুনান বাইহাকী: ৫/৯৮-৯৯; তাবারী: ১৩/২২৯-২৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৬৬৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1669): خ لم يذكر أٌبيًّا، وهو الأصحُّ*. * قال الشيخ: ولم يتنبه المعلق على الكتاب للفرق بين رواية البخاري وغيره ممن عزاه إليهم، وبين رواية الكتاب!
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3714 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَعْيَنَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْقِلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْجَزَرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يَحْمِلَ السِّلَاحَ بِمَكَّةَ*»
رقم طبعة با وزير = (3706)
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আনহু ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “কোন ব্যক্তির জন্য মক্কায় অস্ত্র বহন করে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয়।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৫৬; বাগাবী: ২০০৫; সুনান বাইহাকী: ৫/১৫৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৯৩৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2938): م. * [لاَ يَحِلُّ لأَحَدٍ أَنْ يَحْمِلَ السِّلاَحَ بِمَكَّةَ] قال الشيخ: أي: لقتالٍ كما في رواية، انظر المصدر المذكور أعلاه. ومِنْ طريقه: اخرجه ابن خُزيمة (4/ 226 / 227)، والحاكم (1/ 460)، وقال «صحيح غريب». وقال الذهبي: «خ م».
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3715 - أَخْبَرَنَا ابْنُ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: لَمَّا فَتْحَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ، قَتَلَتْ هُذَيْلُ رَجُلًا مِنْ بَنِي لَيْثٍ بِقَتِيلٍ كَانَ لَهُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَامَ، فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ جَلَّ وَعَلَا حَبَسَ الْفِيلَ عَنْ مَكَّةَ، وَسَلَّطَ عَلَيْهَا رَسُولَهُ وَالْمُؤْمِنِينَ، وَإِنَّهَا لَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ كَانَ قَبْلِي، وَلَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ بَعْدِي، وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ، وَإِنَّهَا سَاعَتِي هَذِهِ، ثُمَّ هِيَ حَرَامٌ، لَا يُعْضَدُ شَجَرُهَا، وَلَا يُخْتَلَى شَوْكُهَا، وَلَا يُلْتَقَطُ سَاقِطُهَا إِلَّا لِمُنْشِدٍ، وَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ، فَهُوَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ، إِمَّا أَنْ يَقْتُلَ، وَإِمَّا أَنْ يَفْدِيَ»، فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْيَمَنِ يُقَالُ لَهُ: أَبُو شَاهٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُبُوا لِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ»، ثُمَّ قَامَ الْعَبَّاسُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا الْإِذْخِرَ، فَإِنَّا نَجْعَلُهُ فِي قُبُورِنَا، وَفِي بُيُوتِنَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِلَّا الْإِذْخِرَ»
رقم طبعة با وزير = (3707)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আনহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ যখন স্বীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মক্কার বিজয় দান করেন, তখন হুযাইল গোত্রের লোকজন জাহেলী যুগে তাদের এক নিহত ব্যক্তির দায়ে বানু লাইস গোত্রের একজনকে হত্যা করেন। অতঃপর ব্যাপারটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পৌঁছলে, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ হস্তী (বাহিনী) কে মক্কা প্রবেশে আটকিয়ে দিয়েছিলেন। আর তিনি এর উপর তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুমিনদেরকে কর্তৃত্ব দান করেছেন। নিশ্চয়ই এটা আমার পূর্বে কারো জন্য হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কারো জন্য বৈধ হবে না। নিশ্চয়ই এটা আমার জন্য দিবসের একটা অংশে হালাল করা হয়েছে। আর এটা হলো সেই সময়। তারপর এটি হারাম হিসেবে বহাল থাকবে। তার বৃক্ষ কাটা যাবে না, তার কাঁটা কর্তন করা যাবে, প্রচারক ছাড়া এখানকার হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেওয়া যাবে না। আর যার কোন ব্যক্তি নিহত হয়, তার জন্য দুটি ইখতিয়ারের মাঝে উত্তম ইখতিয়ার রয়েছে; হয়তো সে হত্যা করবে নতুবা মুক্তিপণ গ্রহণ করবে।” তখন একজন ইয়ামানের আবূ শাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নামক এক ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এটি আমার জন্য লিখে দিন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা আবূ শাহ'র জন্য এটি লিখে দাও।” তারপর আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু দাঁড়িয়ে বলেন, “হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইযখির ঘাস ব্যতীত। কেননা এটাকে আমরা কবর ও বাড়ির কাজে ব্যবহার করি।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তবে ইযখির ঘাস ব্যতীত।”[1]
[1] ইবনু মাজাহ: ২৬২৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1760): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3716 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْقَطَّانُ بِالرَّقَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَكِيمُ بْنُ سَيْفٍ الرَّقِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ: «مَا عِنْدَنَا كِتَابٌ نَقْرَؤُهُ إِلَّا كِتَابَ اللَّهِ، وَصَحِيفَةً فِي قِرَابِ سَيْفِي، فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا، فَإِذَا فِيهَا شَيْءٌ مِنْ أَسْنَانِ الْإِبِلِ وَالْجِرَاحَاتِ، وَإِذَا فِيهَا مَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذَنِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَمَلَائِكَتِهِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا، وَلَا عَدْلًا، ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ، يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ، فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، وَلَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ، وَلَا عَدْلٌ، وَالْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا، فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ»
رقم طبعة با وزير = (3708)
ইবরাহিম আত তাইমী তার বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তার বাবা বলেন, “আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে পড়ার মতো কোন কিতাব নেই, তবে আল্লাহর কিতাব ও আমার তরবারীর খাপের মধ্যে যে পুস্তিকা রয়েছে, সেটা ছাড়া।” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি সেটা আমাদেরকে পড়ে শুনান। অতঃপর আমরা দেখতে পাই সেখানে উটের বিভিন্ন বয়স (যেগুলো যাকাত বা রক্তপণ হিসেবে দেওয়া হবে) ও বিভিন্ন আহতের রক্তমুল্য সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।” সেখানে আরো আছে, “যে ব্যক্তি তার মুনীবের অনুমতি ব্যতীত কোন কওমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। সমস্ত মুসলিমের নিরাপত্তা বিধান এক। (কোন মুসলিম কর্তৃক কাউকে নিরাপত্তা প্রদান করা হলে, সেটা সবার পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার শামিল। কাজেই সেটাকে সম্মান দেখানো সবার জন্য জরুরী), সেটা তাদের মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ব্যক্তিও পালনে সচেষ্ট হবে। কাজেই যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের (নিরাপত্তা বিধানের) সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। মদীনার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী জায়গা হারাম। কাজেই যে ব্যক্তি তাতে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করবে, অথবা কোন বিদ‘আতীতে আশ্রয় দিবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ৩১৭২, ৬৭৫৫; সহীহ মুসলিম: ১৩৭০; তিরমিযী: ২১২৭; আবূ ইয়ালা: ২৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৫১; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৭/৩৫০; হুমাইদী: ৪০; ইবনু মাজাহ: ২৬৫৮; নাসাঈ: ৮/২৩; ইবনুল জারুদ: ৭৯৪; সুনান বাইহাকী: ৮/২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1773): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
3717 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، ثُمَّ قَالَ: مَا كَتَبْنَا، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا الْقُرْآنَ، وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَدِينَةُ حَرَامٌ [ص:33] مَا بَيْنَ عِيرٍ إِلَى ثَوْرٍ، فَمَنْ أَحْدَثَ حَدَثًا فِيهَا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ، ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ، وَمَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذَنِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ»
رقم طبعة با وزير = (3709)
আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আল্লাহর কিতাব ও আমার তরবারীর খাপের মধ্যে যে পুস্তিকা রয়েছে, সেটা ছাড়া আর কোন কিছু লিপিবদ্ধ করি নাই। আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মদীনার আইর ও সাওর নামক দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী জায়গা হারাম। কাজেই যে ব্যক্তি তাতে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করবে, অথবা কোন বিদ‘আতীতে আশ্রয় দিবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। সমস্ত মুসলিমের নিরাপত্তা বিধান এক।(কোন মুসলিম কর্তৃক কাউকে নিরাপত্তা প্রদান করা হলে, সেটা সবার পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার শামিল। কাজেই সেটাকে সম্মান দেখানো সবার জন্য জরুরী), সেটা তাদের মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ব্যক্তিও পালনে সচেষ্ট থাকবে। কাজেই যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের (নিরাপত্তা বিধানের) সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। যে ব্যক্তি তার মুনীবের অনুমতি ব্যতীত কোন কওমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ৩১৭২, ৬৭৫৫; সহীহ মুসলিম: ১৩৭০; তিরমিযী: ২১২৭; আবূ ইয়ালা: ২৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৫১; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৭/৩৫০; হুমাইদী: ৪০; ইবনু মাজাহ: ২৬৫৮; নাসাঈ: ৮/২৩; ইবনুল জারুদ: ৭৯৪; সুনান বাইহাকী: ৮/২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3718 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ زَكَرِيَّا، قَالَ: حَدَّثَنِي عَامِرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُطِيعًا، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ: «لَا يُقْتَلُ قُرَشِيٌّ صَبْرًا بَعْدَ هَذَا الْيَوْمِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»، وَلَمْ يُدْرِكِ الْمُسْلِمُونَ أَحَدًا مِنْ كُفَّارِ قُرَيْشً غَيْرَ مُطِيعٍ، وَكَانَ اسْمَهُ الْعَاصِ، فَسَمَّاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُطِيعًا
رقم طبعة با وزير = (3710)
মুতী‘রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি মক্কা বিজয়ের দিন বলেছেন, “আজকের দিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত কোন কুরাইশী ব্যক্তিকে বেঁধে হত্যা করা যাবে না। আর মুসলিমগণ কুরাইশ কাফিরদের মাঝে মুতী‘ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ছাড়া আর কাউকে নাগালে পাননি। তার নাম ছিল আল আস। অতঃপর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার নাম মুতী‘ রাখেন।”[1]
[1] ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৮২৬; তাবারানী আল কাবীর: ২০/৬৯৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪১২; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২২৭; হাকিম: ৪/২৭৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯৩৯৯; হুমাইদী: ৫৬৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১৪/৪৯০; সহীহ মুসলিম: ১৭৮২; দারেমী: ২/১৯৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2427 و 3243): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الصحيح
3719 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، وَالْحَجَبِيُّ، وَأَبُو الْوَلِيدِ، قَالُوا: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، دَخَلَ مَكَّةَ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، فَلَمَّا وَضَعَهُ، قِيلَ: «هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةَ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ»
رقم طبعة با وزير = (3711)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। অতঃপর যখন তিনি সেটা খুলে রাখেন, তখন তাঁকে বলা হলো, “এই যে ইবনু খতল, কা‘বার গিলাফ ধরে ঝুলে আছে!” তখন তিনি বলেন, “তাকে হত্যা করো।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২৩; সহীহুল বুখারী: ৫৮০৮; আবূ দাঊদ: ২৬৮৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১৪/৪৯২; দারেমী: ২/৭৩-৭৪; হুমাইদী: ১২১২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৯; সহীহ মুসলিম: ১৩৫৭; ইবনু মাজাহ: ২৮০৫; সুনান বাইহাকী: ৭/৫৯; বাগাবী: ২০০৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2406): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3720 - أَخْبَرَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَنَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:36] مُفَضَّلُ بْنُ مُهَلْهِلٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُوسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ: «إِنَّ هَذَا الْبَلَدَ حَرَامٌ، حَرَّمَهُ اللَّهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، لَا يُنَفَّرُ صَيْدُهُ، وَلَا يُعْضَدُ شَوْكَهُ، وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتَهُ إِلَّا مَنْ عَرَّفَهَا، وَلَا يُخْتَلَى خَلَاؤُهُ»، فَقَالَ الْعَبَّاسُ: إِلَّا الْإِذْخِرَ، فَإِنَّهُ لِبُيُوتِهِمْ، فَقَالَ: «إِلَّا الْإِذْخِرَ، وَلَا هِجْرَةَ، وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ، وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا»
رقم طبعة با وزير = (3712)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বলেছেন, “নিশ্চয়ই এই শহর হারাম। মহান আল্লাহ এটাকে কিয়ামত পর্যন্ত হারাম ঘোষনা করেছেন। এখানকার শিকার তাড়িয়ে দেওয়া যাবে না, এখানকার কাঁটা উপড়ে ফেলা যাবে না, এখানকার হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেওয়া যাবে না, এখানকার ঘাস উৎপাটন করা যাবে না।” তখন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তবে ইযখির ঘাস ব্যতীত। কেননা এটা আমাদের বাড়ির কাজে লাগে। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তবে ইযখির ব্যতীত`। আর (মক্কাবাসীর জন্য) কোন হিজরত নেই। তবে জিহাদ ও নিয়ত বলবত থাকবে। আর যখন তোমাদের জিহাদে বের হওয়ার আহবান করা হবে, তখন তোমরা বের হবে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৫৩; তাবারানী কাবীর: ১০৯৪৩; সুনান বাইহাকী: ৬/১৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩১৫-৩১৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯৭১৩; সহীহুল বুখারী: ১৫৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৫৩; তিরমিযী: ১৫৯০; নাসাঈ: ৫/২০৩-২০৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1761): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم