হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (121)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ ابْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْأَشَجِّ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: " إِنَّهُ سَيَأْتِي نَاسٌ يُجَادِلُونَكُمْ بِشُبُهَاتِ الْقُرْآنِ، فَخُذُوهُمْ بِالسُّنَنِ، فَإِنَّ أَصْحَابَ السُّنَنِ أَعْلَمُ بِكِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح وباقي رجاله ثقات




১২১. উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: অচিরেই এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআন কারীমের ‘মুতাশাবিহা’ (অস্পষ্ট/দ্ব্যর্থবোধক) আয়াত নিয়ে তোমাদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হবে। তোমরা তাদেরকে সুন্নাহ দিয়ে আটকে দিবে। কেননা, ‘আসহাবুস সুন্নাহ’ (সুন্নাহ বিষয়ে জ্ঞানীগণ) আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা’র কিতাব সম্পর্কেও অধিক জ্ঞান রাখেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যঈফ। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। (তবে একাধিক সহীহ সনদে এটি বর্ণিত হয়েছে। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/২৫০-২৫২ নং ৮৩, ২২৯, এর সনদ সহীহ।

অপর একটি উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ. ৫৫, ৫৮, ৭৬; লালিকায়ী, শারহুল উসূলুল ই’তিকাদ আহলিস সুন্নাহ ১/১৩৯ নং ২০২; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বয়ানিল ইলম নং ১৭০১; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৮৪; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ নং ৬০৮।









সুনান আদ-দারিমী (122)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيٌّ هُوَ ابْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامٍ هُوَ ابْنُ عُرْوَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: مَا زَالَ أَمْرُ بَنِي إِسْرَائِيلَ مُعْتَدِلًا لَيْسَ فِيهِ شَيْءٌ حَتَّى نَشَأَ فِيهِمُ الْمُوَلَّدُونَ أَبْنَاءُ سَبَايَا الْأُمَمِ أَبْنَاءُ النِّسَاءِ الَّتِي سَبَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ مِنْ غَيْرِهِمْ فَقَالُوا فِيهِمْ بِالرَّأْيِ فَأَضَلُّوهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




১২২. উরওয়া ইবনু যুবায়ের বলেন, বনী ইসরাঈল বিজাতীয় যেসব মহিলাদেরকে অন্য সম্প্রদায় থেকে যুদ্ধবন্দিনী হিসেবে ধরে এনেছিলো সেসব বিজাতীয় মহিলাদের সন্তানেরা যখন তাদের মাঝে প্রতিপালিত হতে লাগলো তার পূর্ব পর্যন্ত বনী ইসরাঈলের কাজকর্ম ন্যায়সঙ্গতই চলছিল, তাদের মধ্যে কোন (অন্যায্য) কিছুই ছিল না। যখন তারা (বিজাতীয় মহিলাদের সন্তানেরা) তাদের নিজস্ব মতামত দ্বারা বনী ইসরাঈলদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে লাগল, তখন এভাবেই তারা বনী ইসরাঈলদেরকে পথভ্রষ্ট করতে শুরু করল।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

তাখরীজ: ইবন আব্দুল বাররা, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১৭৭৪, সনদ সহীহ; ফাসাওয়ী, আল মা’রেফাতু ওয়াত তারীখ ৩/৯৩; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/১৮০।









সুনান আদ-দারিমী (123)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ يَزِيدَ الْمِنْقَرِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: " جَاءَ رَجُلٌ يَوْمًا إِلَى ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَا أَدْرِي مَا هُوَ، فَقَالَ لَهُ: ابْنُ عُمَرَ: لَا تَسْأَلْ عَمَّا لَمْ يَكُنْ، فَإِنِّي سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ يَلْعَنُ مَنْ سَأَلَ عَمَّا لَمْ يَكُنْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




১২৩. হাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ আল-মিনকারী তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একদিন এক লোক ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট এলো এবং তাঁকে একটি বিষয়ে জ্ঞিজ্ঞেস করল, আমি জানি না সে বিষয়টি কী। তখন ইবনু উমার তাকে বললেন, যা এখনও সংঘটিত হয়নি, সে বিষয়ে প্রশ্ন কর না। কেননা, যা ঘটেনি এমন একটি বিষয়ে প্রশ্নকারীর প্রতি আমি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে লা’নত (অভিশাপ) করতে শুনেছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

তাখরীজ: ইবন আব্দুল বাররা, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১৮২০, সনদ যঈফ; আবী খায়ছামা, আল ইলম নং ১৪৪; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ ২/৭, ৮, সনদ যঈফ।









সুনান আদ-দারিমী (124)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، أَنبَأَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ: بَلَغَنَا أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيَّ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ، كَانَ يَقُولُ " إِذَا سُئِلَ عَنِ الْأَمْرِ: أَكَانَ هَذَا؟ فَإِنْ قَالُوا: نَعَمْ، قَدْ كَانَ، حَدَّثَ فِيهِ بِالَّذِي يَعْلَمُ وَالَّذِي يَرَى، وَإِنْ قَالُوا: لَمْ يَكُنْ، قَالَ: فَذَرُوهُ حَتَّى يَكُونَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :لم يحكم عليه المحقق




১২৪. যুহরী রাহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, যায়দ ইবনু ছাবিত আল-আনসারী রিদ্বওয়ানুল্লাহি আলাইহি-কে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জিজ্ঞেস করতেন, এটি কি ঘটেছে? যদি তারা বলত, হ্যাঁ, ঘটেছে, তখন সে বিষয়ে তিনি যা জানেন এবং যা দেখেছেন, তা বর্ণনা করতেন। আর যদি তারা বলত, না, এটি (এখনও) ঘটেনি, তবে তিনি বলতেন, তাহলে এটি না ঘটা পর্যন্ত একে (এ বিষয়ে প্রশ্ন করা) ছেড়ে দাও।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি যুহরীর কথা। (এটি হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনু আব্দুল বারর, তাখরীজে দেখুন)

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ২/৮; ইবন আব্দুল বাররা, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১৮১৩, সনদ হাসান; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/৪০৯ নং ৩১৮; মুত্তাকী আল হিন্দ, কানযুল উম্মাল নং ৮৯০৪।









সুনান আদ-দারিমী (125)


أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنبَأَنَا أَبُو هِشَامٍ الْمَخْزُومِيُّ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ، عَنْ عَامِرٍ قَالَ سُئِلَ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنْ مَسْأَلَةٍ فَقَالَ: " هَلْ كَانَ هَذَا بَعْدُ؟ قَالُوا: لَا، قَالَ: دَعُونَا حَتَّى يَكُونَ، فَإِذَا كَانَ، تَجَشَّمْنَاهَا لَكُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع عامر الشعبي لم يسمع من عمار




১২৫. আমির রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে কোন একটি মাস’আলা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কি এটা সংঘটিত হয়েছে? তারা বলল, না। তিনি বললেন, তাহলে এটি না ঘটা পর্যন্ত আমাদেরকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা ছাড়ো। আর যখন তা ঘটবে, তখন তোমাদেরকে তা জানানোর দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করবো।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত। তবে এর সনদে বিচ্ছিন্নতা (ইনক্বিতা) রয়েছে। আমির শা’বী আম্মার থেকে কিছু শোনেননি।

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ২/৮; মুত্তাকী আল হিন্দ, কানযুল উম্মাল ৮৯০৫।









সুনান আদ-দারিমী (126)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ رِضْوُانُ اللَّهِ عَلَيْهِ، عَلَى الْمِنْبَرِ: «أُحَرِّجُ بِاللَّهِ عَلَى رَجُلٍ سَأَلَ عَمَّا لَمْ يَكُنْ، فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ بَيَّنَ مَا هُوَ كَائِنٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১২৬. তাউস রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলেছেন: আল্লাহ’র ওয়াস্তে আমি সেই লোকের উপর কঠোরতা আরোপ করবো (কঠিন শাস্তি দেব), যে ব্যক্তি এমন বিষয়ে প্রশ্ন করবে, যা এখনও ঘটেনি। কারণ নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা বিদ্যমান সকল বিষয় (এর হুকুম) সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবন আব্দুল বাররা, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১৮০৭,১৮০৮; ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ২/৭; কিতাবুল ইলম নং ১২৫।









সুনান আদ-দারিমী (127)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: " مَا رَأَيْتُ قَوْمًا كَانُوا خَيْرًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا سَأَلُوهُ إِلَّا عَنْ ثَلَاثَ عَشْرَةَ مَسْأَلَةً حَتَّى قُبِضَ، كُلُّهُنَّ، فِي الْقُرْآنِ، مِنْهُنَّ (يَسْأَلُونَكَ عَنِ الشَّهْرِ الْحَرَامِ) [البقرة: 217]، وَ (وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ) [البقرة: 222] قَالَ: مَا كَانُوا يَسْأَلُونَ إِلَّا عَمَّا يَنْفَعُهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




১২৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ থেকে উত্তম কোন লোকদেরকে দেখিনি। তারা তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁকে মাত্র তেরোটি প্রশ্ন করেছিলেন, আর সে সবগুলোই কুরআনে রয়েছে:

সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

(يسألونك عن الشهر الحرام)... (سورة البقرة: 217)



“তারা আপনাকে হারাম (সম্মানিত) মাসসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে...।“ (সুরা বাক্বারাহ: ২১৭)

(ويسألونك عن المحيض)... (سورة البقرة: 222)

“তারা আপনাকে (স্ত্রী লোকদের) ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে...।“ (সুরা বাক্বারাহ: ১২২)

তিনি (ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: তারা কখনো এমন বিষয়ে প্রশ্ন করতেন না, যাতে তাদের কল্যাণ হতো না বা উপকারে আসতো না।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। মুহাম্মদ ইবনু ফাদল আত্বা ইবনু সায়্যিব থেকে শ্রবণের ব্যাপারে পিছিয়ে রয়েছেন।

তাখরীজ: ইবন আব্দুল বাররা, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১৮০৯, ২০৫৩; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/৩৯৮ নং ২৯৬।









সুনান আদ-দারিমী (128)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَنبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: لَمَنْ أَدْرَكْتُ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكْثَرُ مِمَّنْ سَبَقَنِي مِنْهُمْ، فَمَا رَأَيْتُ قَوْمًا أَيْسَرَ سِيرَةً، وَلَا أَقَلَّ تَشْدِيدًا مِنْهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




১২৮. উমায়র ইবনু ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের মধ্যে যারা আমার পূর্বে গত হয়েছেন, তাদের তুলনায় আমি যে সকল সাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছি, তাদের সংখ্যাই বেশি। আর তাঁদের মত এত বেশি সহজ-সরল প্রকৃতির ও অতি স্বল্প কঠোরতা আরোপকারী এমন কোন দলকে আমি দেখিনি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৪/১৭ নং ১৭৪০৯; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১১৬০।









সুনান আদ-দারিমী (129)


أَخْبَرَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ حُبَابٍ، أَخْبَرَنِي رَجَاءُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ عُبَادَةَ بْنَ نُسَيٍّ الْكِنْدِيَّ وَسُئِلَ عَنِ امْرَأَةٍ مَاتَتْ مَعَ قَوْمٍ لَيْسَ لَهَا وَلِيٌّ، فَقَالَ: «أَدْرَكْتُ أَقْوَامًا مَا كَانُوا يُشَدِّدُونَ تَشْدِيدَكُمْ، وَلَا يَسْأَلُونَ مَسَائِلَكُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১২৯. রাজা ইবনু হায়াওয়াত বলেন, এক ওয়ালী বিহীন মহিলা যে তার নিজ গোত্রে মারা গেছে- এ জাতীয় মহিলা সম্পর্কে উবাদাহ ইবনু নুসাই আল-কিনদী রাহিমাহুল্লাহকে প্রশ্ন করা হলে, উত্তরে আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: আমি এমন লোকদেরকে পেয়েছি, যারা কখনও তোমাদের কঠোরতার ন্যায় কঠোরতা আরোপ করতেন না এবং তোমাদের এ জাতীয় প্রশ্নের ন্যায় প্রশ্ন করতেন না।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, আত তারীখ পৃ: ৪৭।









সুনান আদ-দারিমী (130)


أَخْبَرَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ سُفْيَانَ، أَنبَأَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، أَخْبَرَنِي رَجَاءُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ مُسْلِمٍ الْقُرَشِيِّ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ بِمَرْجِ الدِّيبَاجِ فَرَأَيْتُ مِنْهُ خَلْوَةً، فَسَأَلْتُهُ عَنْ مَسْأَلَةٍ فَقَالَ لِي: مَا تَصْنَعُ بِالْمَسَائِلِ؟ قُلْتُ: لَوْلَا الْمَسَائِلُ، لَذَهَبَ الْعِلْمُ. قَالَ: «لَا تَقُلْ ذَهَبَ الْعِلْمُ، إِنَّهُ لَا يَذْهَبُ الْعِلْمُ مَا قُرِئَ الْقُرْآنُ، وَلَكِنْ لَوْ قُلْتَ يَذْهَبُ الْفِقْهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




১৩০. হিশাম ইবনু মুসলিম আল কুরাশী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু মুহাইরিয রাহিমাহুল্লাহ’র সাথে একটি রেশমী বস্ত্রের মত (মনোরম দর্শনীয়) উপত্যকায়[1] ছিলাম, সেখানে আমি তার একটি নির্জন বৈঠকখানা (খালওয়া) দেখলাম। তখন আমি তাঁকে একটি মাস’আলা জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে তিনি আমাকে বললেন, এত প্রশ্ন করো কেন? আমি বললাম, যদি প্রশ্ন না করা হয়, তবে ইলম তো উঠে যাবে। তিনি বলেন, ‘ইলম উঠে যাবে’ বলো না। ইলম ততক্ষণ পর্যন্ত উঠে যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত কুরআন পাঠ করা হবে। বরং তুমি যদি বলতে, ফিকহ্ উঠে যাবে (তবে সেটাই যথাযথ হত)।[2]

[1] একটি দর্শনীয় মনোরম উপত্যকা। একটি উপত্যকা, পাহাড়ের মাঝ আমোদস্থল। (এর এবং স্যাঁতসেতে অঞ্চলের (নদী অববাহিকা) মাঝে দশ মাইলের দূরত্ব বিদ্যমান- ফতহুল মান্নান, অত্র হাদীসের ব্যাখ্যা দেখুন।-অনুবাদক)

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর ৩৮/৪০৬; আবু নুয়াইম হিলইয়া ৫/১৪১।









সুনান আদ-দারিমী (131)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ دَاوُدَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، أَنَّ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا لَا نَدْرِي، لَعَلَّنَا نَأْمُرُكُمْ بِأَشْيَاءَ لَا تَحِلُّ لَكُمْ، وَلَعَلَّنَا نُحَرِّمُ عَلَيْكُمْ أَشْيَاءَ هِيَ لَكُمْ حَلَالٌ، إِنَّ آخِرَ مَا نَزَلَ مِنَ الْقُرْآنِ آيَةُ الرِّبَا، وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يُبَيِّنْهَا لَنَا حَتَّى مَاتَ، فَدَعُوا مَا يَرِيبُكُمْ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه الشعبي لم يدرك عمر بن الخطاب




১৩১. শা’বী বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, হে মানবমণ্ডলী! আমরা (অনেক কিছুই) জানি না। আমরা হয়তো তোমাদেরকে এমন বিষয়ে আদেশ করে ফেলি, যা তোমাদের জন্য হালাল নয়। আবার এমন সব বস্তু হয়তো তোমাদের উপর হারাম ঘোষণা করি, যা মূলত তোমাদের জন্য হালাল। আর কুরআনের সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াত হল, সুদ সংক্রান্ত আয়াত। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত তা (তোমরা যেসকল বিষয়ে প্রশ্ন কর, তার সমস্ত বিষয়) সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে যাননি। ফলে যা তোমাদেরকে সন্দেহে ফেলে তা পরিত্যাগ করে যা সন্দেহে ফেলে না, তা গ্রহণ করো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। শা’বী উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি। এজন্য এর সনদে ইনক্বিতা’ (বিচ্ছিন্নতা) থাকায় এটি যঈফ। (তবে সহীহ বুখারীতে ইবনু আব্বাস থেকে সর্বশেষ আয়াত সম্পর্কে হাদীস বর্ণিত রয়েছে , সহীহ বুখারী, কিতাবুত তাফসীর, হাদীস নং- ৪৫৪৪।- ফাতহুল মান্নান।)

তাখরীজ: তাবারী, তাফসীর ৩/১১৪; (ইবনু মাজাহ, কিতাবুত তিজারাত, নং ২২৭৬ সাঈদ ইবনুল মুসায়্যেব, উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে (আলবানী এর সনদকে সহীহ বলেছেন ; বুখারী, তা’লিক হিসেবে - ফাতহুল মান্নান, অত্র হাদীসের ব্যাখ্যা দ্র:- অনুবাদক)









সুনান আদ-দারিমী (132)


أَخْبَرَنَا سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ عَمِّهِ، قَالَ: خَرَجْتُ مِنْ عِنْدِ إِبْرَاهِيمَ، فَاسْتَقْبَلَنِي حَمَّادٌ، «فَحَمَّلَنِي ثَمَانِيَةَ أَبْوَابٍ، مَسَائِلَ. فَسَأَلْتُهُ، فَأَجَابَنِي عَنْ أَرْبَعٍ وَتَرَكَ أَرْبَعًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف عم عبد الله بن إدريس وهو داود بن يزيد الأودي




১৩২. ইবনু ইদরীস তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম এর নিকট থেকে বের হয়ে এলাম। তখন হাম্মাদ আমার সাথে সাক্ষাত করে আমার উপর আটটি বিষয়ে প্রশ্ন (মাস’আলা) চাপিয়ে দিলেন। ফলে আমি তাঁকে (ইবরাহীমকে) (সেই মাস’আলাগুলো সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। আর তিনি চারটি মাস’আলার জবাব দিলেন এবং চারটি মাস’আলা উপেক্ষা করলেন (জবাব দিলেন না)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদ যঈফ। আব্দুল্লাহ ইবনু ইদরীসের চাচা দাউদ ইবনু ইয়াযীদ আল আউদী যঈফ।

তাখরীজ: আমি আর কোথাও এ হাদীসটি খুঁজে পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (133)


أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبْجَرَ، عَنْ زُبَيْدٍ، قَالَ: مَا سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ شَيْءٍ إِلَّا عَرَفْتُ الْكَرَاهِيَةَ فِي وَجْهِهِ




১৩৩. যুবাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যখনই ইবরাহীমকে কোন বিষয়ে কোন প্রশ্ন করেছি, তখনই তার চেহারায় অপছন্দনীয়-ভাব লক্ষ্য করেছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৬০৫; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২০, সনদ সহীহ;









সুনান আদ-দারিমী (134)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْثَرَ أَنْ يَقُولَ إِذَا سُئِلَ عَنْ شَيْءٍ لَا عِلْمَ لِي بِهِ مِنَ الشَّعْبِيِّ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১৩৪. উমার ইবনু আবী যায়িদাহ বলেন, কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ‘এ বিষয়ে আমার জানা নাই’- এ কথাটি শা’বী’র চেয়ে অপর কোন ব্যক্তিকে এত অধিকবার বলতে শুনিনি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৭৪;









সুনান আদ-দারিমী (135)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، - قَالَ سَمِعْتُهُ يَذْكُرُ - قَالَ: كَانَ الشَّعْبِيُّ إِذَا جَاءَهُ شَيْءٌ اتَّقَى. وَكَانَ إِبْرَاهِيمُ يَقُولُ، وَيَقُولُ، وَيَقُولُ ". قَالَ أَبُو عَاصِمٍ: كَانَ الشَّعْبِيُّ فِي هَذَا أَحْسَنَ حَالًا عِنْدَ ابْنِ عَوْنٍ مِنْ إِبْرَاهِيمَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১৩৫. ইবনু আউন থেকে বর্ণিত, আমি তাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: শা’বী’র নিকট কোন বিষয় (সম্পর্কে প্রশ্ন) আসলে, তিনি বিরত থাকতেন। আর ইবরাহীম (জবাবে) বলতেই থাকতেন, আর বলতেই থাকতেন আর বলতেই থাকতেন (জবাব দিয়েই যেতেন)। আবু আসিম (বর্ণনাকারী) বলেন, এ বিষয়ে ইবরাহীমের চেয়ে শা’বী’র অবস্থা-ই ইবনু আউনের নিকট অধিক উত্তম ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, আত তারীখ নং ২০০৪।









সুনান আদ-দারিমী (136)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، أَنبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ، قَالَ: قُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ مَا لَكَ لَا تَقُولُ فِي الطَّلَاقِ شَيْئًا؟ قَالَ: مَا مِنْهُ شَيْءٌ إِلَّا قَدْ سَأَلْتُ عَنْهُ، وَلَكِنِّي «أَكْرَهُ أَنْ أُحِلَّ حَرَامًا، أَوْ أُحَرِّمَ حَلَالًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১৩৬. জাফর ইবনু ইয়াস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইরকে বললাম, আপনার কী হয়েছে, আপনি যে তালাক সম্বন্ধে কিছুই বলেন না? তিনি বললেন, এ (তালাকের) ব্যাপারে এমন কোন বিষয় নেই যা আমি (পূর্ববর্তীদেরকে) জিজ্ঞেস করিনি। কিন্তু, আমি অপছন্দ করি (এই আশংকায়) যে, (না জানি হয়তো) আমি কোন হারাম বিষয়কে হালাল বলে ফতওয়া দিয়ে ফেলি কিংবা কোন হালাল বিষয়কে হারাম বলে ফতওয়া দিয়ে ফেলি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি অন্য কোথায় পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (137)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي لَيْلَى، يَقُولُ: لَقَدْ أَدْرَكْتُ فِي هَذَا الْمَسْجِدِ عِشْرِينَ وَمِائَةً مِنَ الْأَنْصَارِ، «وَمَا مِنْهُمْ مِنْ أَحَدٍ يُحَدِّثُ بِحَدِيثٍ إِلَّا وَدَّ أَنَّ أَخَاهُ كَفَاهُ الْحَدِيثَ، وَلَا يُسْأَلُ عَنْ فُتْيَا إِلَّا وَدَّ أَنَّ أَخَاهُ كَفَاهُ الْفُتْيَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১৩৭. আতা ইবনু সায়িব বলেন, আমি আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি এই মসজিদে একশত বিশ জন আনসার সাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছি। তাদের কেউ হাদীস বর্ণনা করতে গেলে প্রত্যেকেই চাইতেন যে, তাঁর ভাই (অপর সাহাবী) হাদীস বর্ণনা করুক, যাতে তাঁর আর বর্ণনার প্রয়োজন না পড়ে। আবার তাদের নিকট ফতওয়া চাওয়া হলেও তাদের প্রত্যেকেই চাইতেন যে, তাঁর ভাই (অপর সাহাবী) ফাতাওয়া প্রদান করুক, যাতে তাঁর আর ফতোয়া দেওয়ার প্রয়োজন না পড়ে।।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, তাবাকাত ৬/৭৪, ৭৫ সনদ সহীহ; আবু zwj;যুর’আহ, আত তারীখ নং ২০৩১; ইবনুল মুবারাক, আয যুহদ নং ৫৮; ইবনুল আব্দুল বারর, জামি’ বয়ানিল ইলম নং ১৯৪৪, ১৯৪৫।









সুনান আদ-দারিমী (138)


حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ دَاوُدَ، قَالَ سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ، كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ إِذَا سُئِلْتُمْ؟ قَالَ: عَلَى الْخَبِيرِ وَقَعْتَ، كَانَ " إِذَا سُئِلَ الرَّجُلُ، قَالَ لِصَاحِبِهِ: أَفْتِهِمْ، فَلَا يَزَالُ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْأَوَّلِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل أبي بكر بن عياش وداود هو ابن أبي هند




১৩৮. দাউদ রাহি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শা’বী রাহি.কে জিজ্ঞাসা করেছি, আপনাদেরকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করা হলে, আপনারা কীরূপ করতেন? তিনি বলেন, তুমি অভিজ্ঞ ব্যক্তির উপরই এসে পড়েছ। যখন কোন ব্যক্তিকে কোন বিষয়ে কিছু জিজ্ঞেস করা হত, তখন তিনি তাঁর সাথীকে বলতেন, আপনি তাদেরকে ফতওয়া দিন। ফলে (সবাইকে জিজ্ঞাসা শেষ করে) প্রথম জনের নিকট ফিরে আসা পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (139)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ، قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: إِنَّ الْعَالِمَ يَدْخُلُ فِيمَا بَيْنَ اللَّهِ وَبَيْنَ عِبَادِهِ، فَلْيَطْلُبْ لِنَفْسِهِ الْمَخْرَجَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى ابن المنكدر




১৩৯. ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় একজন আলিম আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মধ্যবর্তী বিষয়াবলীতে প্রবেশ করে। ফলে সে যেন নিজের জন্য (তা থেকে) বের হওয়ার পথ খুঁজে নেয়।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইবনুল মুনকাদির পর্যন্ত সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/১৫৩; খতীব, ফকীহ ওয়াল মুতাফকিহ নং ১০৮৮-১০৮৯ সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (140)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مِسْعَرٍ قَالَ: أَخْرَجَ إِلَيَّ مَعْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ كِتَابًا، فَحَلَفَ لِي بِاللَّهِ أنَّهُ خَطُّ أَبِيهِ، فَإِذَا فِيهِ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: وَالَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ «مَا رَأَيْتُ أَحَدًا كَانَ أَشَدَّ عَلَى الْمُتَنَطِّعِينَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَا رَأَيْتُ أَحَدًا كَانَ أَشَدَّ عَلَيْهِمْ مِنْ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - وَإِنِّي لَأَرَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - كَانَ أَشَدَّ خَوْفًا عَلَيْهِمْ أَوْ لَهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




১৪০. মিস’আর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মা’ন ইবনু আব্দুর রহমান আমার নিকট একটি কিতাব বের করে আনলেন, তারপর আল্লাহর নামে কসম করে বললেন, এটি তার পিতার হাতের লেখা। সেখানে লেখা ছিল, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সেই মহান সত্তার কসম, যিনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, ‘দ্বীনের ব্যাপারে অতিরঞ্জনকারী (নিজের উপর কঠোরতাকারী)’-দের বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেয়ে অধিক কঠোর আমি আর কাউকে দেখিনি। অনুরূপভাবে তাদের বিরুদ্ধে আবু বকরের চেয়ে কঠোর আর কাউকে দেখিনি। আর তাদের বিরুদ্ধে কিংবা তাদের জন্য উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর চেয়ে ভয়ংকর কাউকে দেখিনি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ৯/৫০ নং ৬৪৮০; আবী ইয়ালা আল মুসনাদ ৮/৪৩৮ নং ৫০২২; তাবারাণী, মু’জামুল কাবীর ১০/২১৬ নং ১০৩৬৭।