সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا مَعْنٌ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُهَاجِرِ بْنِ مِسْمَارٍ ابْنِ أَخِي بُكَيْرِ بْنِ مِسْمَارٍ حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ حَمَلَةُ الْقُرْآنِ عُرَفَاءُ أَهْلِ الْجَنَّةِ
৩৫২৩. সাফওয়ান ইবনু সুলাইম হতে বর্ণিত, আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) বলেন, কুরআন বহন করা (হিফজ করা) জান্নাত বাসীদের সুগন্ধি হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইবরাহীম ইবনু মুহাজির এর দুর্বলতার কারণে। আর এটি আতার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।–অনুবাদক))
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ أَنَّهُ كَانَ يَخْتِمُ الْقُرْآنَ كُلَّ لَيْلَتَيْنِ
৩৫২৪. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) প্রতি দু’রাতে কুরআন খতম করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সাঈদ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৭৩।
আবূ উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ১৮২; ইবনু কাছীর, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ২৫৮; সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বায়তুল হারামে এক রাকাআতে কুরআন খতম করতাম। সনদ সহীহ। দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ২/৫০৩।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فِي كَمْ أَخْتِمُ الْقُرْآنَ قَالَ اخْتِمْهُ فِي شَهْرٍ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ اخْتِمْهُ فِي خَمْسٍ وَعِشْرِينَ قُلْتُ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ اخْتِمْهُ فِي عِشْرِينَ قُلْتُ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ اخْتِمْهُ فِي خَمْسَ عَشْرَةَ قُلْتُ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ اخْتِمْهُ فِي عَشْرٍ قُلْتُ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ اخْتِمْهُ فِي خَمْسٍ قُلْتُ إِنِّي أُطِيقُ قَالَ لَا
৩৫২৫. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি কত দিনে কুরআন খতম করতে পারি? তিনি বললেন, “তুমি এক মাসে কুরআন খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে পঁচিশ দিনে খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, “তাহলে বিশ দিনে খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, “তাহলে পনেরো দিনে খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে দশ দিনে খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে পাঁচ দিনে খতম করো।“ আমি (আরো অধিক) কষ্ট করতে সক্ষম। তিনি বললেন, “না“ (এর কমে করো না)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুতাররিফ ইবনু তারীফ আবী ইসহাক সাবিঈ নিকট হাদীস শ্রবন করা হতে পিছিয়ে রয়েছে। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৫৬, ৮৫৭ তে। এছাড়াও, নাসাঈ, ফাযাইলূল কুরআন নং ৯১; ইবনু কাছীর, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ২৪৭।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ رَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ لَا أَقْرَأَ الْقُرْآنَ فِي أَقَلَّ مِنْ ثَلَاثٍ
৩৫২৬. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমি যেন তিনদিনের কম সময়ে কুরআন খতম না করি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আব্দুর রহমান ইবনু রাফিঈ যঈফ, আর আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদের ব্যাপারে হক্ কথা হলো অধিক পরিমাণে মুনকারাত হাদীস বর্ণনা করার কারণে সেও যঈফ।
তাখরীজ: এ শব্দে আমি এটি কোথাও পাইনি। তবে, আহমাদ ২/১৫৮ তে রয়েছে: “তবে প্রতি তিন দিনে খতম করো।’ এর সনদ যঈফ।
আবূ দাউদ, সালাত ১৩৯১; আবূ নুয়াইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ৪/১২২ তে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, “তুমি প্রতি তিন দিনে তা পাঠ (খতম) কর।“ এর সনদ হাসান। আগের টীকাটি দেখুন।
আর “যে তিনদিনের কমে কুরআন খতম করবে, সে তা বুঝবে না।“ শব্দে গত হয়েছে। সেখানে এর তাখরীজ দিয়েছি।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ ابْنِ أَبِي نَهِيكٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد النَّاسُ يَقُولُونَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي نَهِيكٍ
৩৫২৭. সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ঐ ব্যক্তি আমাদের দলভূক্ত নয় যে কুরআনকে মধুর সুরে তিলাওয়াত করে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮৯, ৭৪৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৬, ৭৭ তে। এছাড়াও, দুরুক্বী, মুসনাদে সা’দ নং ১২৭; রাযী, ফাযাইলুল কুরআন নং ৯০; ইবনু কাছীর , ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ১৮৬; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৬১৩; আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ২০৯, ২১০; কুযাঈ, মুসনাদুশ শিহাব নং ১১৯৪, ১১৯৫, ১১৯৬; আব্দ ইবনু হুমাইদ, মুনতাখাব নং ১৫১; তাহাবী, মুশকিলিল আছার নং ১৩০৩।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا مِسْعَرٌ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ النَّاسِ أَحْسَنُ صَوْتًا لِلْقُرْآنِ وَأَحْسَنُ قِرَاءَةً قَالَ مَنْ إِذَا سَمِعْتَهُ يَقْرَأُ أُرِيتَ أَنَّهُ يَخْشَى اللَّهَ قَالَ طَاوُسٌ وَكَانَ طَلْقٌ كَذَلِكَ
৩৫২৮. তাউস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কুরআন পাঠে স্বর ও কিরা’আতের দিক থেকে উত্তম কোন্ ব্যক্তি? তিনি বললেন: “সেই ব্যক্তি যাকে কুরআন পাঠের সময় তুমি আল্লাহকে ভয় করতে দেখবে।“[1] তাউস বলেন, তালক (রহঃ) এরূপ ব্যক্তি ছিলেন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এতে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুল কারীম ইবনু আবীল মাখারিখ এর দুর্বলতা।. ২. মুরসাল বর্ণনা
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৫৪৬ নং ৯৬৯৪; আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ১৬৫ যঈফ সনদে; আবূ নুয়াইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ৪/১৯; যিকরু আখবারিল আসবাহান ২/৯০ যঈফ সনদে।
এছাড়া, তাবারাণী, কাবীর ১১/৭ নং ১০১৫২ ও আবূ উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ: ১৬৫ যঈফ সনদে। আরও দেখুন, ইবনু কাছীর, বিদায়াহ ৯/২৪৩; আবী শামাহ, মুরশিদুল ওয়াজীয পৃ: ১৯৯।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَأْذَنْ اللَّهُ لِشَيْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ وَقَالَ صَاحِبٌ لَهُ زَادَ يَجْهَرُ بِهِ
৩৫২৯. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা‘আলা অন্য কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না, যেরূপ কান লাগিয়ে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ শুনেন।“[1] তার এক সাথী বলেন, এর অর্থ উচ্চ আওয়াজের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ফাযাইলুল কুরআন নং ৫০২৩; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭৯২।
আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৫১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৯ তে।
এছাড়াও, ; ইবনু কাছীর , ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ১৭৯ সহীহ সনদে।
এটি গত হয়েছে এবং সামনেও আসছে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَيْءٍ كَمَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ
৩৫৩০. (অপর সনদে) আবূ সালামাহ হতে বর্ণিত, আবূ হুরাইরাহ রাঃ বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা অন্য কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ কান লাগিয়ে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ শুনেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এটি আবী হুরাইরা’র উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ لِأَبِي مُوسَى وَكَانَ حَسَنَ الصَّوْتِ بِالْقُرْآنِ لَقَدْ أُوتِيَ هَذَا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ
৩৫৩১. আবূ সালামাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে লক্ষ্য করে বলতেন, হে আবূ মূসা! “তোমাকে দাঊদ (আঃ)-এর সুমধুর কন্ঠ দান করা হয়েছে।“ আর তিনি অতি সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এতে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যঈফ. ২. মুরসাল বর্ণনা। তবে হাদীসটি (সহীহ) বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ফাযাইলুল কুরআন নং ৫০৪৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭৯৩।
আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২৭৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৯৭ তে।
এছাড়াও, বাইহাকী, ৩/১২, ১০/২৩১; শুয়াবুল ঈমান নং ২/৫২৬; আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ১৬৩।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ أَيْضًا أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ إِذَا رَأَى أَبَا مُوسَى قَالَ ذَكِّرْنَا رَبَّنَا يَا أَبَا مُوسَى فَيَقْرَأُ عِنْدَهُ
৩৫৩২. আবূ সালামাহ হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে দেখলেই বলতেন: হে আবূ মূসা, আমাদেরকে আমাদের রবের কথা স্মরণ করিয়ে দিন।’ তখন তিনি তাঁর নিকট কুরআন তিলাওয়াত করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এতে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যঈফ. ২. ইনকিতা’, আবূ সালামাহ উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ১৬৩; ইবনু কাছীর , ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ১৯১-১৯২। আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২২৬৪ এর পরে; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৯৬ তে।
এছাড়াও, বাইহাকী, শাহাদাত ১০/২৩১। এটি সামনেও আসছে।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ الْهَجَرِيُّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَا أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَضَعُ إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى يَتَغَنَّى وَيَدَعُ أَنْ يَقْرَأَ سُورَةَ الْبَقَرَةِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَفِرُّ مِنْ الْبَيْتِ يُقْرَأُ فِيهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ وَإِنَّ أَصْفَرَ الْبُيُوتِ الْجَوْفُ يَصْفَرُ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ
৩৫৩৩. আবীল আহওয়াস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমাদের কাউকে যেনে এ অবস্থায় দেখা না যায় যে, সে এক পায়ের উপরে আরেক পা উঠিয়ে সূর করে কুরআন পাঠ করছে, আর সূরা বাক্বারা পাঠ করা ছেড়ে দিচ্ছে। কেননা, শয়তান সেই ঘর/বাড়ি হতে পলায়ন করে, যেখানে সূরা বাক্বারা পাঠ করা হয়। আর (আসবাব সামগ্রী) শূণ্য ঘরের উপমা হলো সেই অন্তরের মত যা আল্লাহর কিতাব হতে শূণ্য।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; ইবরাহীম ইবনু মুসলিম আলহিজরী’র দুর্বলতার কারণে। এটি মাওকুফ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৫৯৯৮ যঈফ সনদে দীর্ঘাকারে; ইবনু আবী শাইবা ১০/৪৮৬ নং ১০০৭৩ সহীহ সনদে; তাবারাণী, আওসাত নং ৭৭৬২ ও সগীর ১/৫৩ যঈফ সনদে।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ قَالَ حَدَّثَنِي بَعْضُ آلِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَدِمَ سَلَمَةُ الْبَيْذَقُ الْمَدِينَةَ فَقَامَ يُصَلِّي بِهِمْ فَقِيلَ لِسَالِمٍ لَوْ جِئْتَ فَسَمِعْتَ قِرَاءَتَهُ فَلَمَّا كَانَ بِبَابِ الْمَسْجِدِ سَمِعَ قِرَاءَتَهُ رَجَعَ فَقَالَ غِنَاءٌ غِنَاءٌ
৩৫৩৪. সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ’র পরিবারের কোন সদস্য হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, পথ প্রদর্শক সালামাহ মাদীনায় এসে তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তখন সালিম (রহঃ) কে বলা হলো, আপনি যদি একটু আগে আসতেন, তবে আপনি তার (সুরালো) কিরা’আত শুনতে পেতেন। এরপর তিনি (সালিম) মসজিদের দরজার নিকট আসতেই তার কিরাআত শুনতে পেলেন। তখন তিনি ফিরে এসে বললেন, এতো সুরেলা আওয়াজ, সুরেলা আওয়াজ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। আর ইবনু জুরাইজ এটি আন আন শব্দে বর্ণনা করেছেন আর তিনি মুদাল্লিস।
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا مُوسَى كَانَ يَأْتِي عُمَرَ فَيَقُولُ لَهُ عُمَرُ ذَكِّرْنَا رَبَّنَا فَيَقْرَأُ عِنْدَهُ
৩৫৩৫. আবূ সালামাহ হতে বর্ণিত, আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট আসতেন। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বলতেন: আপনি আমাদেরকে আমাদের রবের কথা স্মরণ করিয়ে দিন।’ তখন তিনি তাঁর নিকট কুরআন তিলাওয়াত করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে, আবূ সালামাহ উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে নং ৩৫২৯ তে।
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَيْءٍ كَأَذَنِهِ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ
৩৫৩৬. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা‘আলা অন্য কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না, যেরূপ কান লাগিয়ে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর উচ্চ আওয়াজে সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ শুনেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (হাদীসটি সহীহ যা গত হয়েছে)।
তাখরীজ: ইবনু সা’দ, তাবাকাত ৪/১/৭৯; আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ১৬২।
এটি গত হয়েছে নং ৩৫২৬ তে।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَقَدْ أُوتِيَ أَبُو مُوسَى مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ
৩৫৩৭. ইবনু বুরাইদাহ তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আবূ মূসাকে দাঊদ (আঃ)-এর সুমধুর কন্ঠ দান করা হয়েছে।“ [1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩৪৯; ইবনু আবী শাইবা ১০/৪৬৩ নং ৯৯৮৭; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭৯৩; ইবনু সা’দ, তাবাকাত ৪/১/৭৯, ২/২/১০৬; এছাড়াও, বাইহাকী, শাহাদাত ১০/২৩০; হাকিম নং ৭৭৫৭ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعَ قِرَاءَةَ رَجُلٍ فَقَالَ مَنْ هَذَا قِيلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قَيْسٍ قَالَ لَقَدْ أُوتِيَ هَذَا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ
৩৫৩৮. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে এক ব্যক্তির কুরআন তিলাওয়াত শোনেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন: “এই ব্যক্তি কে?“ বলা হলো, ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়েস। তিনি বলেন: “একে দাউদ (আ.)-এর সুমধুর কন্ঠস্বর দান করা হয়েছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২২৬৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৯৬ তে। ((ইবনু মাজাহ, সালাত ১৩৪১; আহমাদ ২/৪৫০।-ফাতহুল মান্নান নং ৩৭৭১।-অনুবাদক))
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ طَلْحَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ عَنْ الْبَرَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ
৩৫৩৯. বারা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের (সুমধুর) কন্ঠস্বর দ্বারা কোরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত কর।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৮৭, ১৭০৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৬০।
এছাড়াও, আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ১৬০; রাযী, ফাযাইলুল কুরআন নং ২২; ইবনু কাছীর , ফাযাইলুল কুরআন পৃ. নং ১৯০; হাকিম ১/৫৭১-৫৭৫ তে।
((আবূ দাউদ, সালাত ১৪৬৮; নাসাঈ, সালাত ১০১৫, ১০১৬; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১৩৪২।--ফাতহুল মান্নান নং ৩৭৭২।-অনুবাদক))
دَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ زَاذَانَ أَبِي عُمَرَ عَنْ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ حَسِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ فَإِنَّ الصَّوْتَ الْحَسَنَ يَزِيدُ الْقُرْآنَ حُسْنًا
৩৫৪০. বারা ইবনু আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের (সুমধুর) কন্ঠস্বর দ্বারা কোরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করবে। কেননা, সুমধুর কণ্ঠস্বর কুরআনের সৌন্দর্য্যকে বাড়িয়ে দেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: হাকিম ১/৫৭৫। খতীব, মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২২০৮ তে একে দারেমীর প্রতি সম্বোন্থিত করেছেন। আগের টীকাটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ قَرَأَ رَجُلٌ عِنْدَ أَنَسٍ بِلَحْنٍ مِنْ هَذِهِ الْأَلْحَانِ فَكَرِهَ ذَلِكَ أَنَسٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَقَالَ غَيْرُهُ قَرَأَ غُورَكُ بْنُ أَبِي الْخِضْرِمِ
৩৫৪১. আব্দুল্লাহ ইবনু ইদরীস হতে বর্ণিত, আ’মাশ (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট গানের সুরে কুরআন পাঠ করল। তখন আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সেটি অপছন্দ করলেন।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, অপরজন বর্ণনা করেছেন: কুরআন পাঠ করলো গুরাক ইবনু আবীল খাযরাম।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আ’মাশ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০০/৪৬৬ নং ৯৯৯৮।
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ هَذِهِ الْأَلْحَانَ فِي الْقُرْآنِ مُحْدَثَةً
৩৫৪২. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ বলেন, তারা কুরআনকে এরূপ গানের সুরে পাঠ করাকে বিদআত (নব উদ্ভাবন) মনে করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেননি।–অনুবাদক)
কাযীউল কুযাত আল মারওয়ারদী তার কিতাব, “আল হাবী“ তে বলেন: সূর করে কুরআন পাঠের বিষয় হলো, যদি কুরআনের শব্দে অতিরিক্ত হরকত যোগ করার দ্বারা শব্দকে তার ‘সীগাহ’ হতে বের হয়ে যায়; অথবা, হরকতসমূহকে শব্দ থেকে বাদ দেওয়া, কিংবা মদ্দ’ বা লম্বা টানযুক্ত শব্দকে খাটো টানে পড়া, অথবা, খাটো টানকে লম্বা করে পড়া অথবা, এমনভাবে টেনে পড়া যাতে শব্দটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শব্দের অর্থ অস্পষ্ট হয়ে যায়- এসবই হারাম, এরূপ পাঠকারী গুনাহগার হবে….।“
কিতাব মুসনাদু দারেমী শেষ হলো, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। এর উপর মন্তব্য করেছেন ফাকীহ মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল হামীদ আল কারশী আল মিসরী মক্কায় অবস্থান করছেন। আর এটি ছিল হারাম শরীফের মাদরাসাতু মানসুরিয়াহ’তে। আল্লাহ এর দ্বারা উপকৃত করুন…।