হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1583)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُنْدُبٍ عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامٍ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَتَبَادَرُ الظِّلَّ فِي أُطُمِ بَنِي غَنْمٍ فَمَا هُوَ إِلَّا مَوَاضِعُ أَقْدَامِنَا




১৫৮৩. যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে জুমু’আর সালাত্ আদায় করতাম, তারপর ফিরে আসতাম। এরপর আমরা বনী গনম গোত্রের দূর্গের ছায়া দিয়ে দ্রুত যেতাম। আর তখন (দেখতাম) সে ছায়াগুলি কেবলমাত্র আমাদের কদম পরিমাণে (হেলানো) থাকতো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাত্বি’ বা বিচ্ছিন্ন।

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/১৪১ নং ৬৭২; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/১৯১; আহমাদ ১/১৬৪, ১৬৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮০ ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩১৩৭। তবে এর পরবর্তী হাদীসটি এর শাহিদ।









সুনান আদ-দারিমী (1584)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ قَالَ سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ فَيْءٌ يُسْتَظَلُّ بِهِ




১৫৮৪. আইয়াস ইবনে সালামা ইবনুল আকওয়া থেকে তার পিতা (সালামাহ ইবনুল আকওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’)-এর সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে জুমু‘আর সালাত আদায় করার পর যখন ফিরে আসতাম তখন প্রাচীরের এমন কোন ছায়াই পড়তো না, যে ছায়ার নিচে আমরা আশ্রয় গ্রহণ করতে পারি (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই নামায পড়া হতো)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী, ৪১৬৮; zwj;মুসলিম, জুমুআ ৮৬০; এছাড়াও দারুকুতনী ২/১৮ নং ২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫১১, ১৫১২।









সুনান আদ-দারিমী (1585)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا صَدَقَةُ هُوَ ابْنُ خَالِدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ يَرُدُّهُ إِلَى أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ يَرُدُّهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ غَسَّلَ وَاغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ غَدَا وَابْتَكَرَ ثُمَّ جَلَسَ قَرِيبًا مِنْ الْإِمَامِ وَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ حَتَّى يَنْصَرِفَ الْإِمَامُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ يَخْطُوهَا كَعَمَلِ سَنَةٍ صِيَامِهَا وَقِيَامِهَا




১৫৮৫. আওস (রাঃ)হতে বর্ণিত, তিনি এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমুআর দিন উত্তমরূপে (মাথা) ধৌত করবে এবং আগে আগে গোসল করবে, অতঃপর সকাল-সকাল মসজিদে গিয়ে ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসবে এবং (খুতবার সময়) চুপ থাকবে এবং ইমামের (খুতবা) শেষ করা পর্যন্ত যাবতীয় অনর্থক কথা (ও কাজ) হতে বিরত থাকবে, তার জন্য প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের সিয়াম পালন ও রাত জেগে সালাত আদায়ের সমান সওয়াব রয়েছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((আহমাদ ৪/১০৪; আবু দাউদ, তাহারাত ৩৪৫; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১০৮৭; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১০৬৪, ১০৬৫; হাকিম ১/২৮২; তিরমিযী, সালাত ৪৯৬; নাসাঈ ৩/৯৫-৯৬; ইবনু খুযাইমা ১৭৬৭- আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত “আল ইহসান“ এর ২৭৮১ নং হাদীসের টীকা হতে- অনুবাদক)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৮১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫৫৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1586)


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ




১৫৮৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় যদি তুমি তোমার সাথীকে বল, ‘চুপ থাকো’, তবে তুমিও অনর্থক কাজ করলে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩৪; zwj;মুসলিম, জুমুআ ৮৫১; মালিক, জুমু’আ (৬)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৪৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৯৩, ২৭৯৫ ও মসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৬। এছাড়া পরবর্তী হাদীস দু’টিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1587)


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ




১৫৮৭. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় যদি তুমি তোমার সাথীকে বল, ‘চুপ থাকো’, তবে তুমিও অনর্থক কাজ করলে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: পূর্বের ও পরের হাদীস দুটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1588)


أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ




১৫৮৮. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: পূর্বের হাদীস দুটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1589)


حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ أَوْ قَدْ خَرَجَ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ




১৫৮৯. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় অথবা, ইমামের বের হওয়ার পর (মসজিদে) আসে, তবে সে যেনো দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩০; zwj;মুসলিম, জুমুআ ৮৭৫।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৯৪৬, ২২৭৬, ২২৮৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫০০, ২৫০১, ২৫০২ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৫৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1590)


أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ جَاءَ أَبُو سَعِيدٍ وَمَرْوَانُ يَخْطُبُ فَقَامَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ فَأَتَاهُ الْحَرَسُ يَمْنَعُونَهُ فَقَالَ مَا كُنْتُ أَتْرُكُهُمَا وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُ بِهِمَا




১৫৯০. ইয়ায ইবনু আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জুমু’আর দিন (মসজিদে) ঢুকলেন, আর মারওয়ান তখন খুতবা দিচ্ছিল। তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। মারওয়ানের দেহরক্ষীরা তাঁর কাছে এসে তাঁকে বাধা দিলো। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ দু’ রাকা’আত আদায়ের জন্য আদেশ করতে দেখেছি। ফলে আমি এ দুই রাক’আত কখনও ছাড়তে পারি না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুহাম্মদ ইবনু ’ইজলান এর কারণে এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৯৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫০৩, ২৫০৫ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৫৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1591)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الرَّبِيعِ هُوَ ابْنُ صَبِيحٍ الْبَصْرِيُّ قَالَ رَأَيْتُ الْحَسَنَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ وَقَالَ الْحَسَنُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ يَتَجَوَّزُ فِيهِمَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ




১৫৯১. রবী’- যিনি হলেন ইবনু সাবীহ আল বাসরী- থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় হাসানকে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর হাসান বলেন, “যদি তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় (মসজিদে) আসে, তবে সে যেনো সংক্ষেপে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়।“[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমি এ মত পোষণ করি।

[1]তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((ইবনু মাজাহ, ইক্বামাহ ১১১৪; আবু দাউদ ১১১৭; মুসলিম, জুমু’আ ৮৭৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৯২; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/১৯৪। এছাড়া এর শাহিদ আবী হুরাইরা রা: এর হাদীসটিও সহীহ।- মুসনাদুল মাউসিলী ১৯৪৬ নং এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে- অনুবাদক।)) মুসনাদুল মাউসিলী ২২৭৬; আর এর তাখরীজের জন্য দেখুন, সেখান থেকে ১৯৪৬, ২১৮৬ নং দুটির টীকা।









সুনান আদ-দারিমী (1592)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ أَخْبَرَنِي خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَرَأَ ص فَلَمَّا مَرَّ بِالسَّجْدَةِ نَزَلَ فَسَجَدَ




১৫৯২. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তখন তিনি “সূরা সোয়াদ“ তিলাওয়াত করলেন। এরপর যখন সিজদা (-এর আয়াত) অতিক্রম করলেন, তখন তিনি (মিম্বার) হতে অবতরণ করলেন এবং সিজদা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: এটি ১৫০৭ (অনূবাদে ১৫০৪) নং এ গত হয়েছৈ।









সুনান আদ-দারিমী (1593)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ دَخَلَ رَجُلٌ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ فَقَالَ أَصَلَّيْتَ قَالَ لَا قَالَ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ




১৫৯৩. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, জুমু’আর দিন এক লোক মুসজিদে প্রবেশ করলো, আর সেই সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন তিনি (লোকটিকে) জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি কি সালাত আদায় করেছো?“ লোকটি বললো, না। তিনি বললেন: “তাহলে তুমি দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নাও।“[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমিও এ মত পোষণ করি।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩০; zwj;মুসলিম, জুমুআ ৮৭৫। এটি ১৫৯২ (অনূবাদে ১৫৮৯) নং এ গত হয়েছে। পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1594)


أَخْبَرَنَا الْعَلَاءُ بْنُ عُصَيْمٍ الْجُعْفِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبْجَرَ حَدَّثَنِي أَبِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبْجَرَ عَنْ وَاصِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ خَطَبَنَا عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ فَأَبْلَغَ وَأَوْجَزَ فَقُلْنَا يَا أَبَا الْيَقْظَانِ لَوْ كُنْتَ نَفَّسْتَ شَيْئًا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ طُولَ صَلَاةِ الرَّجُلِ وَقِصَرَ خُطْبَتِهِ مَئِنَّةٌ مِنْ فِقْهِهِ فَأَطِيلُوا هَذِهِ الصَّلَاةَ وَاقْصُرُوا هَذِهِ الْخُطَبَ وَإِنَّ مِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا




১৫৯৪. আবু ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন, আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের উদ্দেশ্যে একটি সারগর্ভ অথচ সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলেন। তখন আমরা তাঁকে বললাম, হে আবুল ইয়াকযান! আপনি যদি তা কিছুটা দীর্ঘ করতেন! তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “কোন ব্যক্তির দীর্ঘ সালাত ও সংক্ষিপ্ত খুতবা (ভাষণ) তার প্রজ্ঞার পরিচায়ক। অতএব, তোমরা এ সালাতকে দীর্ঘ করো এবং খুতবা (ভাষণ)-কে সংক্ষিপ্ত করো। কেননা, অবশ্যই কোন কোন ভাষণে যাদুকরি প্রভাব থাকে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, জুমু’আ ৮৬৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৪২; তার সূত্রে ইবনু হিব্বান, আস সহীহ নং ২৭৯১।

আমরা এর তাখরীজ পূর্ণভাবে দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬১৮. ১৬২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৯১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1595)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَتْ صَلَاتُهُ قَصْدًا وَخُطْبَتُهُ قَصْدًا




১৯৯৫. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। তাঁর সালাত মধ্যম প্রকৃতির এবং তাঁর খুতবাও ছিল মধ্যম প্রকৃতির।[1] (অর্থাৎ অতি দীর্ঘও নয়, আবার অতি সংক্ষিপ্তও নয়)

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: মুসলিম, আল জুমু’আ ৮৬৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০২ তে। আরও দেখুন, মা’রেফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৬৫০৮।









সুনান আদ-দারিমী (1596)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْطُبُ خُطْبَتَيْنِ وَهُوَ قَائِمٌ وَكَانَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمَا بِجُلُوسٍ




১৫৯৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দণ্ডায়মান অবস্থায় দু’টি খুতবা দিতেন। আর তিনি এ দু’য়ের (দু’ খুতবার) মাঝখানে বসার মাধ্যমে একটিকে অপরটি হতে আলাদা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী. জুমু’আ ৯২০, ৯২৮; নাসাঈ, জুমু’আ ৩/১০৯; মুসলিম, জুমু’আ ৮৬১; তিরমিযী, সালাত ৫০৬; আবু দাউদ, সালাত ১০৯২; আহমাদ ২/৯৮। আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1597)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ كَانَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خُطْبَتَانِ يَجْلِسُ بَيْنَهُمَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيُذَكِّرُ النَّاسَ




১৫৯৭. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের খুতবা ছিলো দু’টি। আর তিনি উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন, (খুতবায়) কুরআন পাঠ করতেন এবং লোকদেরকে উপদেশ দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১১২; মুসলিম, জুমু’আ ৮৬২; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1598)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ قَالَ رَأَى عُمَارَةُ بْنُ رُوَيْبَةَ بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ رَافِعًا يَدَيْهِ فَقَالَ قَبَّحَ اللَّهُ هَذِهِ الْيَدَيْنِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَمَا يُشِيرُ إِلَّا بِأُصْبُعِهِ




১৫৯৮. হুসাইন হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বিশর ইবনু মারওয়ানকে মিম্বারের উপর (দু’আর জন্য) দু’হাত উঠানো অবস্থায় দেখে বলেন, আল্লাহ এই হাত দু’টিকে ধ্বংস করুন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মিম্বারের উপর (খুতবা দিতে) দেখেছি। কিন্তু তিনি (দু’আর সময়) কেবলমাত্র তাঁর (শাহাদত) আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, জুমু’আ ৮৭৪; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৮২ তে। এছাড়া পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1599)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ رُوَيْبَةَ قَالَ رَأَى بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ رَافِعًا يَدَيْهِ يَدْعُو عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَالَ فَسَبَّهُ وَقَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَمَا يَقُولُ بِأُصْبُعِهِ إِلَّا هَكَذَا وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ عِنْدَ الْخَاصِرَةِ




১৫৯৯. হুসাইন ইবনু আব্দুর রহমান উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, তিনি (উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ) বিশর ইবনু মারওয়ানকে জুমু’আর দিন মিম্বারের উপর দু’আর জন্য দু’হাত উঠানো অবস্থায় দেখলেন। তখন তিনি তাকে তিরস্কার করলেন এবং বললেন: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মিম্বারের উপর (খুতবা দিতে) দেখেছি। তিনি তাঁর আঙ্গুল দ্বারা এরূপ করা ব্যতীত (দু’আতে) আর কিছুই করতেন না।“ আর (এ বলে) তিনি তার শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা কটিদেশের নিকটে ইশারা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (1600)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُومُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يُجْعَلَ الْمِنْبَرُ فَلَمَّا جُعِلَ الْمِنْبَرُ حَنَّ ذَلِكَ الْجِذْعُ حَتَّى سَمِعْنَا حَنِينَهُ فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ عَلَيْهِ فَسَكَنَ




১৬০০. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার তৈরীর পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়াতেন। তারপর যখন মিম্বর তৈরী করা হল, তখন এই কাষ্ঠখণ্ডটি এমনভাবে কাঁদতে লাগল যে, আমরা এর কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির উপর তাঁর হাত রাখলেন, ফলে এটি শান্ত হল।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাফিজ ইবনু কাছীর বিদায়া ৬/১২৮ এ বাযযারের সূত্রে উল্লেখ করেছেন। ((এর সনদকে তিনি জাইয়্যেদ (উত্তম) বলেছেন। -ফাতহুল মান্নান)) তবে এটি অপর সনদে ইমাম আহমদ জাবির (রা:) সূত্রে বর্ণনা করেছেন সহীহ সনদে।

তাখরীজ: বুখারী, মানাকিব, নং ৩৫৮৫। এর মূল রয়েছে বুখারী, নং ৪৪৯, ৯১৪, ২০৯৫, ৩৫৮৪, ৩৫৮৫ তে। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫০৮ তে। ((আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/২৯৩; বুখারী ৪৪৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫০৮- - ফাতহুল মান্নান, নং ৩৪ এর টীকা- অনুবাদক।))









সুনান আদ-দারিমী (1601)


حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يَتَّخِذَ الْمِنْبَرَ فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ تَحَوَّلَ إِلَيْهِ حَنَّ الْجِذْعُ فَاحْتَضَنَهُ فَسَكَنَ وَقَالَ لَوْ لَمْ أَحْتَضِنْهُ لَحَنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ




১৬০১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার বানানোর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের নিকট (দাঁড়িয়ে) খুতবা দিতেন। তারপর যখন মিম্বার বানানো হলো এবং তিনি এর দিকে স্থানান্তরিত হলেন, তখন কাষ্ঠ খণ্ডটি কান্নাজুড়ে দিল। তিনি যখন এটিকে আলিঙ্গন করলেন, অতঃপর এটি শান্ত হল। তখন তিনি বললেন: ‘আমি যদি একে আলিঙ্গন না করতাম, তবে তা অবশ্যই কিয়ামত পর্য়ন্ত (এভাবে) কাঁদতে থাকত।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ৩৯ নং এ গত হয়েছে। ((আহমাদ, আল মুসনাদ ১/২৪৯, ২৬৩, ২৬৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪৮৪ নং ১১৭৯৫; আবদ্ ইবনু হুমাইদ ১৩৩৬; বুখারী, আল কাবীর ৭/২৬; তাবারাণী, মু’জামুল কাবীর ১২/১৮৭ নং ১২৮৪১।- ৩৯ নং হাদীসের টীকা অনুযায়ী- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (1602)


حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ




১৬০২. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ৪০ নং এ গত হয়েছে। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৫৬।