হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1961)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَهَلَّ بِهِمَا جَمِيعًا فَلَقِيتُ ابْنَ عُمَرَ فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ أَنَسٍ فَقَالَ إِنَّمَا أَهَلَّ بِالْحَجِّ فَرَجَعْتُ إِلَى أَنَسٍ فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ مَا يَعُدُّونَا إِلَّا صِبْيَانًا




১৯৬১. বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি. হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হাজ্জ ও ‘উমরাহ) এ উভয়ের জন্য একত্রে ইহরাম বেধেছেন। এরপর আমি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করে তাকে আনাস রা: এর বক্তব্য জানালাম। তখন তিনি বললেন: তিনি শুধুমাত্র হাজ্জের ইহরাম বেধে ছিলেন।’ এরপর আমি আনাস রা: এর নিকট ফিরে এসে তাকে ইবনু উমার রা: এর বক্তব্য জানালাম। তখন তিনি বললেন: তাঁরা সবসময় আমাদেরকে শিশু-ই মনে করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি। মুসলিম, হাজ্জ ১২২৩; আগের হাদীসটিও দেখুন। এর পূর্ণ তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯৩৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1962)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَاهُ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ إِنْ وَلِيتُمْ هَذَا الْأَمْرَ فَلَا تَمْنَعُوا أَحَدًا طَافَ أَوْ صَلَّى أَيَّ سَاعَةٍ شَاءَ مِنْ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ




১৯৬২. জুবাইর ইবন মুতইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “হে বনী আবদ মানাফ! তোমরা যদি এ কাজের (হাজ্জের) ওয়ালী বা দায়িত্বশীল হয়ে থাকো, তবে কোনো লোককে রাত ও দিনের যেকোন সময় ইচ্ছা বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে এবং সালাত আদায় করতে বাধা দিওনা।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৯৬, ৭৪১৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৫২, ১৫৫৩, ১৫৫৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬২৬, ৬২৭, ৬২৮ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৭১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1963)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَاتَ بِذِي طُوًى حَتَّى أَصْبَحَ ثُمَّ دَخَلَ مَكَّةَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُهُ




১৯৬৩. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘যি-তুয়া’[1] নামক স্থানে রাত্রি যাপণ করেছিলেন। যখন সকাল হলো, তারপর তিনি মক্কায় প্রবেশ করলেন। আর ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ও এরূপ করতেন।[2]

[1] যি-তুয়া: মক্কার উপত্যকার অন্যতম। বর্তমানে তা বসতির মধ্যস্থানে অবস্থিত।…

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৫৫৩, ১৫৭৩, ১৫৭৪; মুসলিম, হাজ্জ ১২৫৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯০৮ তে। পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1964)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدْخُلُ مَكَّةَ مِنْ الثَّنِيَّةِ الْعُلْيَا وَيَخْرُجُ مِنْ الثَّنِيَّةِ السُّفْلَى




১৯৬৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করতেন উচ্চভূমি দিয়ে এবং বের হতেন নিম্নভূমি দিয়ে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৫৭৭; মুসলিম, হাজ্জ ১২৫৭; আগের টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1965)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَدْخَلَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ وَاسْتَوَتْ بِهِ نَاقَتُهُ أَهَلَّ مِنْ مَسْجِدِ ذِي الْحُلَيْفَةِ




১৯৬৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন স্বীয় পা বাহনের পা-দানিতে (রিকাবে) রাখতেন এবং তাঁর জন্তুযান তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেতো, তখন তিনি যুল-হুলায়ফার মসজিদ হতে ইহরাম বাঁধেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৬৫- এর মূল রয়েছে ওযু ১৬৬ তেও; মুসলিম, হাজ্জ ১১৮৭ (২৭); আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৭৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৭৬৩ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬৬৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1966)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ قَالَا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى عَنْ نُبَيْهِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ قَالَ فِي الْمُحْرِمِ إِذَا اشْتَكَى عَيْنَيْهِ يَضْمِدُهَا بِالصَّبِرِ




১৯৬৬. আবান ইবনু উছমান রাহি. তার পিতা উছমান ইবন আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চক্ষু রোগে আক্রান্ত মুহরিম ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন: “ঘৃতকুমারী দিয়ে সেই দু’টিতে পট্টি বেধে দাও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, হাজ্জ ১২০৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1967)


أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَصَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّفَا




১৯৬৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে (সাতবার) বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের কাছে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন এরপর সাফা (সা’ঈ করার) উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সালাত ৩৯৫, ৩৯৬; মুসলিম, হাজ্জ ১২৩৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৬২৭, ৫৬২৯, ৫৬৩৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮০৯ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৬৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1968)


قَالَ شُعْبَةُ فَحَدَّثَنِي أَيُّوبُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ هِيَ السُّنَّةُ




১৯৬৮. আইয়্যুব বলেন, … (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এটিই সুন্নাত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি পূর্বের সনদের সাথে সংযুক্ত এবং সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/৮৫; আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৬২৯। তাবারানী আগের হাদীসটি উল্লেখ করার পর বলেন, গুণদার তার হাদীসে অতিরিক্ত বলেন… আইয়্যুব বলেছেন’- বলে এ হাদীসটি উল্লেখ করেন।









সুনান আদ-দারিমী (1969)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ الْأَحْوَلِ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّاسُ يَنْصَرِفُونَ فِي كُلِّ وَجْهٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ بِالْبَيْتِ




১৯৬৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা বিভিন্ন দিকে ফিরে যাচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (লোকেদের) বললেন: “তাদের শেষ দায়িত্ব যেন হয় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা। তা না করা পর্যন্ত তাদের কেউ যেন ফিরে না যায়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭৫৫; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪০৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৯৭ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫১১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1970)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رُخِّصَ لِلْحَائِضِ أَنْ تَنْفِرَ إِذَا أَفَاضَتْ




১৯৭০. ইবনু ‘আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঋতুমতী মহিলাদের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে যে, তাওয়াফে ইফাযা করার পর তারা ফিরে যেতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭৬০, ১৭৬১; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৯৮ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫১২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1971)


قَالَ وَسَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ عَامَ الْأَوَّلِ أَنَّهَا لَا تَنْفِرُ ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ تَنْفِرُ إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَخَّصَ لَهُنَّ




১৯৭১. তিনি (বর্ণনাকারী তাউস) বলেন, আমি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে প্রথম বছরে বলতে শুনেছিলাম যে, সে (ঋতুমতী মহিলা) ফিরে যেতে পারবে না।’ এরপর আমি তাকে বলতে শুনলাম যে, সে (ঋতুমতী মহিলা) ফিরে যেতে পারবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে (ঋতুমতী মহিলাদেরকে) এর অনুমতি দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি পূর্বের সনদের সাথে সংযুক্ত (এবং সহীহ)।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৯৯ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০১৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1972)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ يَقُولُ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي طَاوُسٌ الْيَمَانِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ وَهُوَ يُسْأَلُ عَنْ حَبْسِ النِّسَاءِ عَنْ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ إِذَا حِضْنَ قَبْلَ النَّفْرِ وَقَدْ أَفَضْنَ يَوْمَ النَّحْرِ فَقَالَ إِنَّ عَائِشَةَ كَانَتْ تَذْكُرُ رُخْصَةً لِلنِّسَاءِ وَذَلِكَ قَبْلَ مَوْتِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بِعَامٍ




১৯৭২. তাউস আল ইয়ামানী রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন, যে সকল মহিলাগণ প্রস্থানের পূর্বে ঋতুমতী হলো, কিন্তু সে ইয়াওমুন নাহর বা কুরবানীর দিবসে তাওয়াফে ইফাযা করে নিয়েছে, -এমন মহিলাদের বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা হতে বিরত থাকা প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মহিলাদের জন্য (এ ব্যাপারে) অনুমতির কথা বণর্না করেছেন। আর এটি ছিল আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মৃত্যুর এক বছর পূর্বের ঘটনা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ এর যঈফ হওয়ার কারণে। (তবে এটি অপর একটি সহীহ সনদেও বর্ণিত হয়েছে- যেমন তাখরীজে উল্লিখিত হয়েছে।- অনুবাদক)

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ২/২৩৫; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৪১৯৮ সহীহ সনদে। দেখুন, আয়িশার হাদীস বিগত ১৯৫৩ নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (1973)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ يَعْنِي ابْنَ أَبِي خَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّهُ قَالَ لِعَائِشَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ رِجَالًا يَبْعَثُ أَحَدُهُمْ بِالْهَدْيِ مَعَ الرَّجُلِ فَيَقُولُ إِذَا بَلَغْتَ مَكَانَ كَذَا وَكَذَا فَقَلِّدْهُ فَإِذَا بَلَغَ ذَلِكَ الْمَكَانَ لَمْ يَزَلْ مُحْرِمًا حَتَّى يَحِلَّ النَّاسُ قَالَ فَسَمِعْتُ صَفْقَتَهَا بِيَدِهَا مِنْ وَرَاءِ الْحِجَابِ وَقَالَتْ لَقَدْ كُنْتُ أَفْتِلُ الْقَلَائِدَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْعَثُ بِالْهَدْيِ إِلَى الْكَعْبَةِ مَا يَحْرُمُ عَلَيْهِ شَيْءٌ مِمَّا يَحِلُّ لِلرَّجُلِ مِنْ أَهْلِهِ حَتَّى يَرْجِعَ النَّاسُ




১৯৭৩. মাসরুক্ব (রাহি.) হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা-কে বলেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! কোনো এক ব্যক্তি তাদের মধ্যকার অপর এক ব্যক্তির মাধ্যমে তার হাদী (কুরবানীর জন্তু পাঠিয়ে দেয়, এবং বলে, তুমি যখন অমুক অমুক স্থানে পৌছবে, তখন একে ‘কিলাদা (কুরবানীর জন্তু হিসেবে পরিচিতিমুলক রশি) গলায় ঝুলিয়ে দেবে। এরপর যখন সে সেই স্থানে পৌছে গেলো, সে তখনও মুহরিম অবস্থা পরিত্যাগ করেনি, এমনকি লোকেরা হালাল (ইহরামমুক্ত) হয়ে গেলো। তিনি বলেন, এরপর পর্দার আড়াল হতে তার হাত দিয়ে (রশি পাকানোর মতো) শব্দ আমি শুনতে পেলাম। আর তিনি বললেন: আমি নিজ হাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী পাঠিয়ে দিতেন (অথচ তিনি পরিবারের মাঝে অবস্থান করতেন)। আর কোনো লোকের জন্য তার পরিবারের সাথে যা হালাল হয়ে থাকে, তিনি এমন কোন বিষয় নিজের উপর হারাম করতেন না, যতক্ষণ লোকেরা ফিরে না আসে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৬৯৬; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৫৮, ৪৬৫৯, ৪৮৫২, ৪৮৫৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০০৯, ৪০১০, ৪০১১, ৪০১২, ৪০১৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1974)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ وَعَمْرَةُ بِنْتُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَفْتِلُ قَلَائِدَ هَدْيِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْعَثُ بِهَدْيِهِ مُقَلَّدَةً وَيُقِيمُ بِالْمَدِينَةِ وَلَا يَجْتَنِبُ شَيْئًا حَتَّى يُنْحَرَ هَدْيُهُ




১৯৭৪. ‘আয়িশাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাঁর হাদী (কুরবানীর পশু) কে কিলাদা পরিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তিনি মদীনায় অবস্থান করেন। আর তাঁর কুরবানীর পশু যবেহ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো কিছু হতে বিরত হননি।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের অংশবিশেষ। সেখানে এর তাখরীজ দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1975)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ عَنْ أُمِّهِ مُسَيْكَةَ وَأَثْنَى عَلَيْهَا خَيْرًا عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا نَبْنِي لَكَ بِمِنًى بِنَاءً يُظِلُّكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا مِنًى مُنَاخُ مَنْ سَبَقَ




১৯৭৫. ‘আয়িশাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আমরা মিনায় আপনার জন্য কি একটি ঘর বানিয়ে দেব না, যা আপনাকে ছায়া দান করবে? তিনি বললেন, না। যিনি মিনায় যে স্থানে আগে পৌঁছাবে সেটিই হবে তার অবস্থানস্থল।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (তিরমিযীও এক হাসান ও সহীহ বলেছেন।)

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫১৯ তে। ((আহমাদ ৬/২০৬-২০৭; তিরমিযী, হাজ্জ ৮৮১; ইবনু মাজাহ, মানাসিক ৩০০৬, ৩০০৭; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ ৪/২৮৪ নং ২৮৯১; আবূ দাউদ, মানাসিক ২০১৯; বাইহাকী, হাজ্জ ৫/১৩৯; হাকিম ১/৪৬৬-৪৬৭-৪৬৮। তিনি একে মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন। তবে তা মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ নয়। কারণ, বর্ণনাকারীনী মুসাইকাহ হতে মুসলিম কোনো হাদীস বর্ণনা করেননি।









সুনান আদ-দারিমী (1976)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْتُلُوهُ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدٍ وَقُرِئَ عَلَى مَالِكٍ قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَلَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَئِذٍ مُحْرِمًا




১৯৭৬. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় (মক্কা) প্রবেশ করেছিলেন। যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণটি মাথা হতে খুললেন, তখন এক ব্যক্তি এসে তাঁকে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এ হলো ইবনু খাতল, সে কা‘বার গিলাফ ধরে আছে। তিনি বললেনঃ “তাকে তোমরা হত্যা কর।“[1]

আব্দুল্লাহ ইবনু খালিদ বলেন: মালিকের নিকট পাঠ করা হলো: তিনি বলেন: ইবনু শিহাব যুহুরী বলেছেন যে, আর সেদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম ছিলেন না।[2]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: মালিক, হাজ্জ ২৫৬; বুখারী, হাজ্জ ১৮৪৬; মুসলিম, হাজ্জ ১৩৫৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৩৯, ৩৫৪০, ৩৫৪১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৭১৯, ৩৭২১ তে।

[2] মালিকের মুয়াত্তায় পুর্বের হাদীসটি বর্ণনার পরে রয়েছে: মালিক বলেছেন, আর সেদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম ছিলেন না। আল্লাহই ভাল জানেন।’









সুনান আদ-দারিমী (1977)


أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمَّارٍ الدُّهْنِيُّ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ حِينَ افْتَتَحَهَا وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ بِغَيْرِ إِحْرَامٍ قَالَ إِسْمَعِيلُ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي الزُّبَيْرِ كَانَ مَعَ أَبِيهِ




১৯৭৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (হাজ্জ বা উমরার) ইহরাম ব্যতীতই মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন তাঁর মাথায় কালো রংয়ের শিরস্ত্রাণ ছিল।[1] ইসমাঈল বলেন, তিনি এটি আবী যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শুনেছেন। আর তিনি তার পিতার সাথে ছিলেন।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, হাজ্জ ১৩৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১৪৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৭২২, ৫৪২৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1978)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ وَعَبْدُ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيُّ أَنَّ مُجَاهِدًا أَخْبَرَهُمَا أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي لَيْلَى أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيًّا أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ أَنْ يَقُومَ عَلَى بُدْنِهِ وَأَنْ يَقْسِمَ بُدْنَهُ كُلَّهَا لُحُومَهَا وَجُلُودَهَا وَجِلَالَهَا وَلَا يُعْطِيَ فِي جِزَارَتِهَا مِنْهَا شَيْئًا




১৯৭৮. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দেন তাঁর নিজের কুরবানীর জানোয়ারের পাশে দাঁড়াতে আর এগুলোর গোশ্ত, চামড়া এবং জিনসমূহ সহ সবকিছু বিতরণ করে দিতে এবং তা হতে কসাইকে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছুই না দিতে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৭১৬; মুসলিম, হাজ্জ ১৩১৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৯, ২৯৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1979)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الضَّبُعِ فَقَالَ هُوَ صَيْدٌ وَفِيهِ كَبْشٌ إِذَا أَصَابَهُ الْمُحْرِمُ




১৯৭৯. জাবির ইবনু আবদিল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ‘যবুউ’ (বেজী বা খাটাশ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বলেনঃ এটা তো শিকার মাত্র। ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে কেউ যদি একে শিকার করে, তবে এর বদলে একটি মেষ বা দুম্বা কুরবানী করতে হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১২৭, ২১৫৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯৬৪, ৩৯৬৫ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন ৯৭৯, ১০৬৮ তে। ((আবূ দাউদ, আত’আমাহ ৩৮০১; তিরমিযী, আত’আমাহ ১৭৯২; নাসাঈ, সাইদ ৭/২০০- ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/১৯৪১ এর টীকা দ্র:-অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (1980)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ قَالَ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ الضَّبُعِ آكُلُهُ قَالَ نَعَمْ قُلْتُ هُوَ صَيْدٌ قَالَ نَعَمْ قُلْتُ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ نَعَمْ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ مَا تَقُولُ فِي الضَّبُعِ تَأْكُلُهُ قَالَ أَنَا أَكْرَهُ أَكْلَهُ




১৯৮০. আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আম্মার রাহি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘যবুউ’ (বেজী বা খাটাশ) খাওয়া সম্পর্কে যে, আমরা কি তা খাব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, তা কি কোনো শিকারযোগ্য প্রাণী? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, আপনি কি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ।[1] আবূ মুহাম্মদকে বলা হলো, ‘যবউ’ খাওয়া সম্পর্কে আপনার মত কি? তিনি বললেন, আপনি তা খাওয়া অপছন্দ করি।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১২৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯৬৫ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন ১০৬৮ তে। এটি পূর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।

এছাড়াও: তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/৩৭০, ৩৭১; বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান নং ১৯২১৬; তিরমিযী বলেন, আমি এটি সম্পর্কে ইমাম বুখারী কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি একে সহীহ বলেছেন। বাইহাকী বলেন, এটি উত্তম (জাইয়্যেদ) হাদীস যার দ্বারা হুজ্জাত (দলীল) সাব্যস্ত হয়।’ আব্দুল হা্ক্ব ও একে সহীহ বলেছেন। দেখুন, মা’রিফাহ ১৪/৮৭-৮৮।...