হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2061)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الْأَسَدِيُّ حَدَّثَنَا ثَوْرٌ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَكَلَ أَوْ شَرِبَ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ غَيْرَ مَكْفُورٍ وَلَا مُوَدَّعٍ وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْ رَبِّنَا




২০৬১. আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো কিছু খেতেন কিংবা পান করতেন, তখন তিনি বলতেনঃ “আলহামদু লিল্লাহি হামদান কাছিরান ত্বয়্যিবান মুবারাকান ফীহি গইরা মাকফুরীন, ওয়ালা মুয়াদ্দাঈন, ওয়ালা মুসতাগনান আন রব্বিনা।“ (অর্থ: পবিত্র বারাকাতময় অনেক অনেক প্রশংসা আল্লাহর জন্য। হে আমাদের রব, এত্থেকে কখনো মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না, বিদায় নিতে পারব না এবং এ থেকে বেপরওয়া হতেও পারব না।)[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : zwj;মুহাম্মদ ইবনুল কাসিমকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দেয়া হয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, আত’ইমাহ নং ৫৪৫৮, ৫৪৫৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২১৭ তে। এছাড়াও, বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ৬০৩৮; আবূশ শাইখ, আখলাকুন্নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃ: ২২০; তিরমিযী, শামাইল নং ১১৩।









সুনান আদ-দারিমী (2062)


أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حُرَّةَ عَنْ عَمِّهِ عَنْ سِنَانِ بْنِ سَنَّةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الطَّاعِمُ الشَّاكِرُ كَالصَّائِمِ الصَّابِرِ




২০৬২. সিনান ইবনু সান্না’র পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কৃতজ্ঞ খাদ্য গ্রহণকারী ব্যক্তি ধৈর্য্যশীল রোযাদারের মতো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমাদ ও তার পূত্র আব্দুল্লাহ’র মুসনাদ ও যাওয়াইদ, ৪/৩৪৩; মিযযী, তাহযীবুল কামাল ১২/১৫৩; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭২৫, এ সনদটি সহীহ; বূসীরী তার মিসবাহুজ zwj;যুজাজাহ ২/৪২ এ বলেন, এ সনদটি সহীহ, রাবীগণ বিশস্ত; ইবনু মাজাহ সিনান এটি একাকী বর্ণনা করেছেন।… আর্zwnj; এর শাহিদ রয়েছে আবী হুরাইরা হতে যা বর্ণনা করেছেন ইবনু খুযাইমা, ইবনু হিব্বান, হাকিম ও তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, বুখারী এর অংশবিশেষ তা’লীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৬৫৮২ নং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩১৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন ৯৫২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2063)


حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَلْعَقْ أَصَابِعَهُ الثَّلَاثَ




২০৬৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ খাদ্য খায়, তখন সে যেনো তার আঙ্গুলসমূহ তিনবার চেটে খায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাবারাণী, আউসাত নং ৩৬২০; সগীর ১/১৬৫; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৮/৪৬৩; মাজমাউল বাহরাইন নং ৪০৪০;

হাইছামী মাজমাউয যাওয়াইদ ৫/২৮ এ বলেন: এটি তাবারাণী, আউসাতে বর্ণনা করেছেন এর রাবীগণ বিশ্বস্ত। আর এটি মুসলিমে, আবূ দাউদে তাঁর আমল হিসেবে বর্ণিত আছে। তিনি যখন খাদ্য খেতেন তখন আঙ্গুল সমূহ চেটে খেতেন। তিনি বলেছেন, আঙ্গুলসমূহ চেটে খাওয়াতেই বরকত।; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৩৪; পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (2064)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَمْسَحْ يَدَهُ حَتَّى يَلْعَقَ أَصَابِعَهُ أَوْ يُلْعِقَهَا




২০৬৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ খাদ্য খায়, তখন তার আঙ্গুলসমূহ তিনবার চেটে না খাওয়া কিংবা না চাটানো পর্যন্ত সে যেনো তার হাত না মুছে ফেলে করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, আতইমাহ নং ৫৪৫৬; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৩১;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫০৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৫২; আল গিলানিয়া ৯৫৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৯৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2065)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْبَرَّاءُ هُوَ مُعَلَّى بْنُ رَاشِدٍ قَالَ حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي أُمُّ عَاصِمٍ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيْنَا نُبَيْشَةُ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ طَعَامًا فَدَعَوْنَاهُ فَأَكَلَ مَعَنَا ثُمَّ قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ مَنْ أَكَلَ فِي قَصْعَةٍ ثُمَّ لَحِسَهَا اسْتَغْفَرَتْ لَهُ الْقَصْعَةُ




২০৬৫. উম্মু আসিম (রাহি.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্ত দাস নুবায়শাহ একদিন আমাদের কাছে এলেন। আমরা এ সময় খাবার খাচ্ছিলাম। ফলে আমরা তাকে আমাদের সাথে খেতে ডাকলে তিনি আমাদের সাথে খেলেন। এরপর তিনি তখন আমাদের বর্ণনা করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কেউ যদি গামলায় বা পাত্রে কিছু আহার করে এরপর তা চেটে খায় তবে এই গামলা বা পাত্র তার জন্য ‘ইস্তিগফার’ (ক্ষমা প্রার্থনা) করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে উম্মু আসিম রয়েছে যার সম্পর্কে কেউ জারাহ ও তা’দীল করেননি (কেউ প্রশংসাও করেননি, কেউ দোষ-ত্রুটিও বর্ণনা করেননি)। ফলে তা ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী।

((তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গারীব, আলবানী (তাহক্বীক্ব, যঈফুল জামি’ ৫/১৭৭) এবং ড. বাশশার আউয়াদ মা’রুফ (তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইবনু মাজাহ নং ৩২৭১) যঈফ বলেছেন।– অনুবাদক))

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৭৬; ইবনু মাজাহ, আতইমাহ ৩২৭১, ৩২৭২; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/৩৪; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮০৫; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ১১৪৩; দাওলাবী, আল কুন্নী ২/১৬৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১১/৩১৬ নং ২৮৭৭।









সুনান আদ-দারিমী (2066)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَقَطَتْ لُقْمَةُ أَحَدِكُمْ فَلْيَمْسَحْ عَنْهَا التُّرَابَ وَلْيُسَمِّ اللَّهَ وَلْيَأْكُلْهَا




২০৬৬. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কারো খাবারের গ্রাস পড়ে যায়, তখন সে যেনো তা থেকে ময়লা-মাটি মুছে ফেলে এবং বিসমিল্লাহ বলে তা খেয়ে নেয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৩৪; আহমাদ ৩/১০০, ১৭৭, ২৯০; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮০৪; আবূ দাউদ, আতইমাহ ৩৮৪৫; বাইহাকী, সিদাক্ব ৭/২৭৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৪৯, ৫২৫২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2067)


أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ كَانَ مَعْقِلُ بْنُ يَسَارٍ يَتَغَدَّى فَسَقَطَتْ لُقْمَتُهُ فَأَخَذَهَا فَأَمَاطَ مَا بِهَا مِنْ أَذًى ثُمَّ أَكَلَهَا فَجَعَلَ أُولَئِكَ الدَّهَاقِينُ يَتَغَامَزُونَ بِهِ فَقَالُوا لَهُ مَا تَرَى مَا يَقُولُ هَؤُلَاءِ الْأَعَاجِمُ يَقُولُونَ انْظُرُوا إِلَى مَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنْ الطَّعَامِ وَإِلَى مَا يَصْنَعُ بِهَذِهِ اللُّقْمَةِ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أَكُنْ أَدَعُ مَا سَمِعْتُ بِقَوْلِ هَؤُلَاءِ الْأَعَاجِمِ إِنَّا كُنَّا نُؤْمَرُ إِذَا سَقَطَتْ مِنْ أَحَدِنَا لُقْمَةٌ أَنْ يُمِيطَ مَا بِهَا مِنْ الْأَذَى وَأَنْ يَأْكُلَهَا




২০৬৭. মা‘কিল ইবনে ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা তিনি সকালের খাবার খাচ্ছলেন। হঠাৎ তার একটি গ্রাস নিচে পড়ে গেলো। তিনি তা তুলে নিয়ে তার ময়লা দূর করে আহার করেন। তিনি বলেন- এতে অনারব ব্যবসায়ীরা চোখ টিপাটিপি করতে লাগলো। তারা তাকে বললো, আপনি কি দেখছেন না, এ সকল অনারবরা কী বলছে? তারা বলছে: তার সামনে (অনেক) খাবার অথচ তিনি এ পতিত লুকমাটি নিয়ে কী করছেন, .দেখ! তিনি বলেন, এসব অনারবের কথায় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে শ্রুত কথা ত্যাগ করতে প্রস্তুত নই। আমাদের মধ্যে কারো খাবারের গ্রাস পড়ে গেলে তাকে নির্দেশ দেয়া হতো যে, সে যেন তা তুলে নিয়ে তার ময়লা দূর করে খেয়ে নেয় এবং শয়তানের জন্য ফেলে না রাখে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ। হাসান মা’কিল ইবনু ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শোনেননি। তবে তার থেকে মারফু’ হিসেবে সহীহ যা পরবর্তী হাদীসটি এর শাহিদ বা সাক্ষ্য প্রদানকারী। ((তবে একে আলবানী (যঈফ ইবনু মাজাহ, ৭০৭) এবং এবং ড. বাশশার আউয়াদ মা’রুফ (তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইবনু মাজাহ নং ৩২৭৮) যঈফ বলেছেন।– অনুবাদক))

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, আতইমাহ ৩২৭৮; তাবারাণী, আল কাবীর ২০/২০০-২০১ নং ৪৫০-৪৫৩।









সুনান আদ-দারিমী (2068)


أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَأْكُلْ بِيَمِينِهِ وَلْيَشْرَبْ بِيَمِينِهِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ وَيَشْرَبُ بِشِمَالِهِ




২০৬৮. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ খাদ্য খায়, তখন সে যেনো তার ডান হাত দিয়ে খায় এবং ডান হাত দিয়ে পান করে। কেননা, শয়তান বাম হাত দিয়ে খায় ও বাম হাত দিয়ে পান করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, সিফাতুন্নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৬; মুসলিম, আশরিবাহ ২০২০;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৫৬৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২২৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৪৮ তে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (2069)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنَحْوِهِ




২০৬৯. (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০২০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২৮৩৬। এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2070)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ حَدَّثَنِي إِيَاسُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ أَبْصَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُسْرَ بْنَ رَاعِي الْعِيرِ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ فَقَالَ كُلْ بِيَمِينِكَ قَالَ لَا أَسْتَطِيعُ قَالَ لَا اسْتَطَعْتَ قَالَ فَمَا وَصَلَتْ يَمِينُهُ إِلَى فِيهِ




২০৭০. ইয়াস ইবনু সালামাহ’র পিতা (সালামা ইবন আকওয়া রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উটের রাখাল বুসরকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বাম হাতে আহার করতে দেখেন। তখন তিনি বলেনঃ “তুমি তোমার ডান হাতে আহার কর।“ সে বললো, আমি পারবো না । তিনি বললেনঃ “তুমি যেন না-ই পার।“ তিনি (সালামা রাঃ) বলেনঃ সে আর তার ডান হাত মুখের কাছে তুলতে পারেনি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০২১; ((আহমাদ ৪/৪৬)); আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫১২, ৬৫১৩ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা, ৮/২৯৩ নং ৪৪৯৭; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৬/৪৩।









সুনান আদ-দারিমী (2071)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ الْمَدَنِيِّ عَنْ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ بِثَلَاثِ أَصَابِعَ وَلَا يَمْسَحُ يَدَهُ حَتَّى يَلْعَقَهَا




২০৭১. কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম তিন আঙ্গূলে আহার করতেন এবং এবং হাত চেটে না খাওয়া পর্যন্ত তা মুছে ফেলতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০৩২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৫১ তে। এছাড়া, আবীশ শাইখ, আখলাকুন্নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃ: ১৯৫; আরও দেখুন, ফাতহুল বারী ৯/৫৭৭-৫৭৯; আগের টীকাটি এবং গিলানিয়্যাত নং ৯৫৫, ৯৬১।









সুনান আদ-দারিমী (2072)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ الْمَدَنِيِّ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ أَوْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ كَعْبٍ شَكَّ هِشَامٌ أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَأْكُلُ بِأَصَابِعِهِ الثَّلَاثِ فَإِذَا فَرَغَ لَعِقَهَا وَأَشَارَ هِشَامٌ بِأَصَابِعِهِ الثَّلَاثِ




২০৭২. কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম তিন আঙ্গুলে আহার করতেন এবং আহার শেষে আঙ্গুলগুলো চেটে খেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য।









সুনান আদ-দারিমী (2073)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَسْكُتْ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتَهُ يَوْمًا وَلَيْلَةً وَالضِّيَافَةُ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَمَا بَعْدَ ذَلِكَ صَدَقَةٌ




২০৭৩. আবী শুরাইহ আল খুযাঈ’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছিলেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। আবার যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাত দিবসে বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে অথবা চুপ থাকে। আবার যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস করে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান দেখায় তার প্রাপ্যের বিষয়ে। একদিন একরাত ভালভাবে মেহমানদারী করা আর তিন দিন হলো সাধারণ মেহমানদারী, আর তার পরবর্তী (দিনগুলি) হল সাদাক্বাহ স্বরূপ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু ইসহাক রয়েছেন যিনি এটি আন আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন, যিনি মুদাল্লিস। তবে হাদীসটি (সহীহ) বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, আদাব নং ৬০১৯; মুসলিম, ঈমান ৪৮।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২১৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৮৭; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৮৫, ৫৮৬ তে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (2074)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ سَمِعَ نَافِعَ بْنَ جُبَيْرٍ عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُحْسِنْ إِلَى جَارِهِ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَسْكُتْ




২০৭৪. আবী শুরাইহ আল খুযাঈ’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস করে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান দেখায়। আবার যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীর সাথে উত্তম আচরণ করে। আবার যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাত দিবসে বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে অথবা চুপ থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, ঈমান ৪৮; এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2075)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي الْجُودِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُهَاجِرِ عَنْ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرِبَ أَبِي كَرِيمَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّمَا مُسْلِمٍ ضَافَ قَوْمًا فَأَصْبَحَ الضَّيْفُ مَحْرُومًا فَإِنَّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ نَصْرَهُ حَتَّى يَأْخُذَ لَهُ بِقِرَى لَيْلَتِهِ مِنْ زَرْعِهِ وَمَالِهِ




২০৭৫. মিকদাম ইবনু মা’দীকারিব আবূ কারীমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি কারো নিকট মেহমান হিসাবে যায় এবং সে সকাল পর্যন্ত মাহরুম থাকে, এমতাবস্থায় প্রত্যেক মুসলিমের উচিত তার সাহায্য করা। এমন কি সেই মেহমান, সে রাতের জন্য মেহমানীর হক সে কাওমের ফসল এবং মাল হতে নেওয়ার হকদার হয়ে যায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৩১, ১৩৩; আবূ দাউদ, আতইমাহ ৩৭৫১; হাকিম ৪/১৩২; ইবনু মাজাহ, আদাব ৩৬৭৭; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/৩৯, ৪০; দারুকুতনী ৪/২৮৭ সহীহ সনদে; বাইহাকী, যাহাইয়া ৯/৩৩২ সহীহ সনদে; এর শাহিদ হাদীস রয়েছে বুখারী মুসলিমে উক্ববাহ ইবনু আমির হতে বুখারী, মাযালিম ২৪৬১; মুসলিম লুক্বতাহ ১৭২৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৮৮।









সুনান আদ-দারিমী (2076)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ مُسْلِمٍ أَنَّ عُبَيْدَ بْنَ حُنَيْنٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَقَطَ الذُّبَابُ فِي شَرَابِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ كُلَّهُ ثُمَّ لِيَنْزِعْهُ فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ دَاءً وَفِي الْآخَرِ شِفَاءً




২০৭৬. উবাইদ ইবনু হুনায়ন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কারো পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে সেটাকে তাতে পুরোপুরি ডুবিয়ে দেবে। অতঃপর তাকে উঠিয়ে ফেলবে। কেননা তার এক ডানায় রোগ থাকে আর অপর ডানায় থাকে রোগের প্রতিষেধক।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, বাদায়ুল খালক নং ৩৩২০।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৮৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৪৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2077)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ دَاءً وَفِي الْآخَرِ شِفَاءً قَالَ أَبُو مُحَمَّد قَالَ غَيْرُ حَمَّادٍ ثُمَامَةُ عَنْ أَنَسٍ مَكَانَ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَوْمٌ يَقُولُونَ عَنْ الْقَعْقَاعِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَحَدِيثُ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ أَصَحُّ




২০৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়লে সেটাকে তাতে ডুবিয়ে দেবে। কেননা তার এক ডানায় রোগ থাকে আর অপর ডানায় থাকে রোগের প্রতিষেধক।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যঈফ। ছুমামাহ ইবনু আব্দুল্লাহ আবী হুরাইরার সাক্ষাত লাভ করেননি।

তাখরীজ: আহমাদ ২/৬৩, ৩৫৫, ৩৮৮।









সুনান আদ-দারিমী (2078)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعًى وَاحِدٍ وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ




২০৭৮. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মু’মিন এক পেটে খায়, আর কাফির সাত পেটে খায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আবী ইয়ালা মাউসিলী, মুসনাদ, নং ২০৭০; বুখারী, আতইমাহ ৫৩৯৪; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৬১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাউসিলী, মুসনাদে এবং পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (2079)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




২০৭৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আতইমাহ ৫৩৯৫; মুসলিম, আশরিবাহ ২০৬০। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫১৫২, ৫৬৩৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৩৮; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৮৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2080)


وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




২০৮০. আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০৬৮ তে।