হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2421)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَتَيْنِ مِنْ هُذَيْلٍ اقْتَتَلَتَا فَرَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِحَجَرٍ فَقَتَلَتْهَا وَمَا فِي بَطْنِهَا فَاخْتَصَمُوا فِي الدِّيَةِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَضَى أَنَّ دِيَةَ جَنِينِهَا غُرَّةُ عَبْدٍ أَوْ وَلِيدَةٍ وَقَضَى بِدِيَتِهَا عَلَى عَاقِلَتِهَا وَوَرِثَتْهَا وَرَثَتُهَا وَلَدُهَا وَمَنْ مَعَهَا فَقَالَ حَمَلُ بْنُ النَّابِغَةِ الْهُذَلِيُّ كَيْفَ أُغَرَّمُ مَنْ لَا شَرِبَ وَلَا أَكَلَ وَلَا نَطَقَ وَلَا اسْتَهَلَّ فَمِثْلُ ذَلِكَ يُطَلُّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا هُوَ مِنْ إِخْوَانِ الْكُهَّانِ مِنْ أَجْلِ سَجْعِهِ الَّذِي سَجَعَ




২৪২১. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ হুযায়ল গোত্রের দু’ মহিলা মারামারি করার সময় একে অপরকে পাথর দিয়ে আঘাত করে। যার ফলে তার ও তার গর্ভস্থিত সন্তানের মৃত্যু ঘটে। তখন সে মহিলার আত্নীয়-স্বজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়াতের ব্যাপারে মামলা দায়ের করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থিত মৃত সন্তানের জন্য দিয়াতস্বরূপ একটি দাস বা দাসী দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন এবং তা হত্যাকারী মহিলার আত্নীয়-স্বজনদের পরিশোধ করতে বলেন। এরপর তিনি ঐ দিয়াতের মালের উত্তরাধিকারী হিসাবে নিহত মহিলার স্বামী ও সন্তানদের নির্ধারিত করেন। তখন হামল ইবনু মালিক ইবনু নাবিগা হুযালী বলেনঃ আমি সে বাচ্চার দিয়াত কিরূপে দেব, যে খাদ্য-পানীয় গ্রহণ করেনি কথা বলেনি এবং কাঁদেওনি? সুতরাং তার খুনের বিনিময় তো বাতিল যোগ্য। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “মনে হচ্ছে, সে গণকদের ভাই।“ এ ব্যক্তির এরূপ ছন্দ করে কথা বলার কারণে (তিনি একথা বলেন)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, তিব্ব ৫৭৫৮, দিয়াত ৬৯০৫, ৬৯১০; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৮১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১৭, ৬০১৮, ৬০২০, ৬০২২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2422)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِيَةُ قَتِيلِ الْخَطَإِ شِبْهِ الْعَمْدِ وَمَا كَانَ بِالسَّوْطِ وَالْعَصَا مِنْهَا أَرْبَعُونَ فِي بُطُونِهَا أَوْلَادُهَا




২৪২২. আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “অনিচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ভুলবশত হত্যার ন্যায়, যা চাবুক বা লাঠির দ্বারা সংঘটিত হয়। (এর দিয়াতের পরিমাণ হলে - একশো উট) যার মধ্যে থাকবে চল্লিশটি গর্ভবতী উট।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১১ এবং ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২৬ তে। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০/৪৪। ((আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৪৭; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৪০, ৪২ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৭ - ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৮৩।- অনুবাদক ))









সুনান আদ-দারিমী (2423)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَجُلًا اطَّلَعَ مِنْ جُحْرٍ فِي حُجْرَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِدْرًى يُخَلِّلُ بِهَا رَأْسَهُ فَرَآهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْظُرُنِي لَطَعَنْتُ بِهَا فِي عَيْنَيْكَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا جُعِلَ الْإِذْنُ مِنْ أَجْلِ النَّظَرِ




২৪২৩. সাহল ইবনু সা’দ সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হুজরার একটি ছিদ্র দিয়ে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন একটি হুজরায় উঁকি দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ছিল একটি চুলের কাঠি। তা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাকে দেখে ফেললেন। অত:পর তিনি বললেন: “আমি যদি জানতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তবে অবশ্যই এটি দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম।“ এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “দৃষ্টিপাতের কারণেই তো অনুমতি গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : (হাদীসটি সহীহ।) হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, লিবাস ২৯২৪, দিয়াত ৬৯০১; মুসলিম, আদাব ২১৫৬।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৫১০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮০৯, ৬০০১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৫৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2424)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حُجْرَةٍ وَمَعَهُ مِدْرًى يَحُكُّ بِهِ رَأْسَهُ اطَّلَعَ إِلَيْهِ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْظُرُ لَقُمْتُ حَتَّى أَطْعَنَ بِهِ عَيْنَيْكَ إِنَّمَا جُعِلَ الْإِذْنُ مِنْ أَجْلِ النَّظَرِ




২৪২৪. সাহল ইবনু সা’দ সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন একটি হুজরায় অবস্থান করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ছিল একটি চুলের কাঠি। তা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় (একটি ছিদ্র দিয়ে) এক ব্যক্তি (হুজরার মধ্যে) তাঁর প্রতি উঁকি দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “আমি যদি জানতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তবে অবশ্যই আমি তোমাকে বাধা দিতাম, এমনকি এটি দিয়ে তোমার চোখ ফুঁড়ে দিতাম। নিশ্চয়ই দৃষ্টিপাতের কারণেই তো অনুমতি গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2425)


أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ زَكَرِيَّا عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ عَنْ مُطِيعٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ لَا يُقْتَلُ قُرَشِيٌّ صَبْرًا بَعْدَ هَذَا الْيَوْمِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ




২৪২৫. মুতী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: “আজকের দিনের পর কিয়ামত পর্যন্ত কুরাইশ বংশের কাউকে হত্যা করা হবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৭৮২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৭১৯, ৩৭২১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৭৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2426)


حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُطِيعٍ سَمِعْتُ مُطِيعًا يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ نَحْوَهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد فَسَّرُوا ذَلِكَ أَنْ لَا يُقْتَلَ قُرَشِيٌّ عَلَى الْكُفْرِ يَعْنِي لَا يَكُونُ هَذَا أَنْ يَكْفُرَ قُرَشِيٌّ بَعْدَ ذَلِكَ الْيَوْمِ فَأَمَّا فِي الْقَوَدِ فَيُقْتَلُ




২৪২৬. মুতী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: (এরপর) তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

আবূ মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন, এর ব্যাখ্যা হলো, কুরাইশদের কুফরের অবস্থায় হত্যা করা হবে না। অর্থাৎ কখনো এমন হবে না যে, কুরাইশগণ আজকের পরে আবার কুফরী করবে। তবে (প্রাণ হত্যার বদলে কিংবা বিবাহিত ব্যক্তির যিনার শাস্তি) কিসাসের ক্ষেত্রে তাদের হত্যা করা যাবে।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি। ((মুসলিম, জিহাদ ১৭৮২। -অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2427)


أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عُمَيْرٍ حَدَّثَنِي إِيَادُ بْنُ لَقِيطٍ عَنْ أَبِي رِمْثَةَ قَالَ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ وَمَعِيَ ابْنٌ لِي وَلَمْ نَكُنْ رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَخْضَرَانِ فَلَمَّا رَأَيْتُهُ عَرَفْتُهُ بِالصِّفَةِ فَأَتَيْتُهُ فَقَالَ مَنْ هَذَا الَّذِي مَعَكَ قُلْتُ ابْنِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ فَقَالَ ابْنُكَ فَقُلْتُ أَشْهَدُ بِهِ قَالَ فَإِنَّ ابْنَكَ هَذَا لَا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ




২৪২৭. আবূ রিমছা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার এক ছেলেকে সাথে নিয়ে মদীনায় গমন করি। আর আমরা ইতিপূর্বে কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিনি। এরপর আমরা যখন তাঁর নিকট এলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এলেন। তখন তারঁ গায়ে ছিল সবুজ রংয়ের দু’টি চাদর। আমি তাঁর সিফাত (বাহ্যিক গুণাবলী বা চেহারা) দেখেই তাঁকে চিনে ফেললাম। ফলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তখন তিনি বলেনঃ “তোমার সঙ্গে যে রয়েছে সে কে? তিনি বলেনঃ কা#39;বার রবের শপথ! এ আমার ছেলে। তখন তিনি বলেনঃ “তোমার ছেলে?“ আমি বললাম: এ ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি । তিনি বলেনঃ তাহলে ( জেনে রাখ!) তোমার এ ছেলের অপরাধের দায় তোমার উপর বর্তাবে না এবং তোমার অপরাধের দায়ও তার উপর বর্তাবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৯৫ এবং ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2428)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادٍ حَدَّثَنَا إِيَادٌ عَنْ أَبِي رِمْثَةَ قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لِأَبِي ابْنُكَ هَذَا فَقَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ حَقًّا قَالَ أَشْهَدُ بِهِ قَالَ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَاحِكًا مِنْ ثَبَتِ شَبَهِي فِي أَبِي وَمِنْ حَلِفِ أَبِي عَلَيَّ فَقَالَ إِنَّ ابْنَكَ هَذَا لَا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ قَالَ وَقَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى




২৪২৮. আবূ রিমছা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গমন করি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতাকে বলেনঃ “একি তোমার ছেলে?“ তিনি বলেনঃ কা#39;বার রবের শপথ! হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “সত্যিই?“ আমার পিতা বলেনঃ এ ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি । তিনি বলেনঃ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য মুচকি হাসেনি এজন্য যে, আমার চেহারার সাথে আমার পিতার চেহারার হুবহু মিল ছিল, তবুও আমার পিতা আমার ব্যাপারে শপথ করেন। এরপর তিনি বলেনঃ “জেনে রাখ! তোমার এ ছেলের অপরাধের দায় তোমার উপর বর্তাবে না এবং তোমার অপরাধের দায়ও তার উপর বর্তাবে না।“ এরপর রাসূলুল্লাহ এ আয়াত পাঠ করেনঃ “একে অপরের (গুনাহের) বোঝা বহন করবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি। তবে আগের হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কথোপকথনকারী ছিল আবূ রিমছা’ আর এখানে কথক হলেন আবূ রিমছা’র পুত্র।









সুনান আদ-দারিমী (2429)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ قَالَ قَعَدْنَا نَفَرٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَذَاكَرْنَا فَقُلْنَا لَوْ نَعْلَمُ أَيَّ الْأَعْمَالِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى لَعَمِلْنَاهُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَ كَبُرَ مَقْتًا حَتَّى خَتَمَهَا قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى خَتَمَهَا قَالَ أَبُو سَلَمَةَ فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا ابْنُ سَلَامٍ قَالَ يَحْيَى فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا أَبُو سَلَمَةَ وَقَرَأَهَا عَلَيْنَا يَحْيَى وَقَرَأَهَا عَلَيْنَا الْأَوْزَاعِيُّ وَقَرَأَهَا عَلَيْنَا مُحَمَّدٌ




২৪২৯. আবদুল্লাহ ইবনু সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী একবার এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন বিষয়ে পরস্পর আলোচনা করলাম। আমরা বললাম আল্লাহ তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি তা যদি জানতে পারতাম তবে তা আমরা করতাম। তখন আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করেন:

“আকাশমণ্ডলি ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। হে মু’মিনগন তোমরা যা করো না, তা তোমরা বলো কেন? (সূরা সাফফ ৬১: ১-৩) ... এ সুরার শেষ পর্যন্ত।আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সর্বশেষ আয়াত পর্যন্ত তা আমাদের পাঠ করে শুনান। আবু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন আবু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, ইয়াহইয়া আমাদেরকে পাঠ করে শুনিয়েছেন, আওযাঈ (রহঃ) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন, আর মুহাম্মদ আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু কাছীরের দুর্বলতার কারণে। তিনি হলেন ইবনু আবী আত্বা; তবে তিনি এ বর্ণনায় একাকী নন; তার অনুসরণে বর্ণনা করেছেন ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম, যা এর সনদকে সহীহতে উন্নীত করে।

তাখরীজ: তিরমিযী, তাফসীর ৩৩০৬।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪৯৭, ৭৪৯৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৫৯৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৮৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2430)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَكَفَّلَ اللَّهُ لِمَنْ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ لَا يُخْرِجُهُ إِلَّا جِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَتَصْدِيقُ كَلِمَاتِهِ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يَرُدَّهُ إِلَى مَسْكَنِهِ الَّذِي خَرَجَ مِنْهُ مَعَ مَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ أَوْ غَنِيمَةٍ




২৪৩০. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ “যে ব্যক্তিকে তার ঘর হতে বের হয়, যদি শুধু আল্লাহ্zwnj;র রাস্তায় জিহাদ করা এবং আল্লাহ্zwnj;র কালিমার প্রতি ঈমানই তাকে বের করে থাকে, তবে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, অথবা যেখান থেকে সে বের হয়েছিল, তাকে সেই ঘরে তার (পূর্ণ) সাওয়াব বা গনীমত সহ ফিরিয়ে আনবেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।আর হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, ঈমান ২৬; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৭৬;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬১০ ও ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১১৮,১১১৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2431)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ جَابِرٍ قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ قَالَ مَنْ عُقِرَ جَوَادُهُ وَأُهْرِيقَ دَمُهُ




২৪৩১. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে) বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন্ জিহাদ উত্তম? তিনি বলেনঃ যে যুদ্ধে মুজাহিদের ঘোড়াকে হত্যা করা হয় এবং তার নিজেরও রক্ত প্রবাহিত হয় (নিহত হয়)।[1]









সুনান আদ-দারিমী (2432)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ قَالَ قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ ثُمَّ حَجٌّ مَبْرُورٌ




২৪৩২. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘কোন্ আমলটি উত্তম?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনা।’ তিনি বলেন, আবার প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘এরপর আল্লাহ্zwnj;র রাস্তায় জিহাদ করা।’ প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি।’ তিনি বললেনঃ ‘উত্তম হজ্জ।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, ঈমান ২৬; মুসলিম, ঈমান ৮৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫১, ৪৫৯৮। আরও দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ হা/২০০-২১১।









সুনান আদ-দারিমী (2433)


أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ بَحِيرٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ مَالِكِ بْنِ يَخَامِرَ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَاتَلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فُوَاقَ نَاقَةٍ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَهُوَ قَدْرُ مَا تَدُرُّ حَلَبَهَا لِمَنْ حَلَبَهَا




২৪৩৩. মুআয ইবন জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি একটি উটের দু‘বেলা দুধ দোহানের মধ্যবর্তী বিরতির সময়টুকুও আল্লাহ রাস্তায় যুদ্ধে ব্যয় করে, তার জন্য আন্নাত অবধারিত হয়ে যায়।“[1] সেই সময়টুকু হলো (দুইবার দুধদোহনের মধ্যবর্তী সময়) যা তাতে দোহনকারীর জন্য প্রচুর দুধ প্রবাহিত করে।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। নু’আইম ইবনু হাম্মাদ ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬১৮ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৯৬ তে। ((আবূ দাউদ, জিহাদ নং ২৫৪১; নাসাঈ, জিহাদ ৬/২৫-- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৯৪।- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2434)


أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ عَلَيْهِمْ وَهُمْ جُلُوسٌ فَقَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ النَّاسِ مَنْزِلَةً قُلْنَا بَلَى قَالَ رَجُلٌ مُمْسِكٌ بِرَأْسِ فَرَسِهِ أَوْ قَالَ فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَتَّى يَمُوتَ أَوْ يُقْتَلَ قَالَ فَأُخْبِرُكُمْ بِالَّذِي يَلِيهِ فَقُلْنَا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ امْرُؤٌ مُعْتَزِلٌ فِي شِعْبٍ يُقِيمُ الصَّلَاةَ وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ وَيَعْتَزِلُ شُرُورَ النَّاسِ قَالَ فَأُخْبِرُكُمْ بِشَرِّ النَّاسِ مَنْزِلَةً فَقُلْنَا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الَّذِي يُسْأَلُ بِاللَّهِ وَلَا يُعْطِي بِهِ




২৪৩৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তারা বসে ছিলেন এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের নিকট বেরিয়ে এলেন। তখন তিনি বললেন: “আমি কি তোমাদেরকে সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল ব্যক্তি সম্পর্কে অবগত করাব না?“ আমরা বললাম, কেন নয়? (নিশ্চয়ই) ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তিনি বললেন: “সে ঐ ব্যক্তি, যে মহান মহিয়ান আল্লাহর রাস্তায় তাঁর ঘোড়ার মাথা ধরে প্রস্তুত থাকে।“ অথবা তিনি বলেন, বের হয়ে যায় এবং মৃত্যুবরণ করে বা শহীদ হয়ে যায়। তার পরবর্তী পর্যায়ের লোকের সংবাদও তোমাদেরকে দেব কি ? আমরা বললাম, হ্যাঁ; ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তিনি বললেন, সে হল ঐ ব্যক্তি যে নির্জনে কোন গুহায় থাকে, সেখানে সে সালাত আদায় করে, যাকাত আদায় করে এবং লোকদের অনিষ্ট থেকে দূরে সরে থাকে।“ এরপর তিনি বললেন, “তোমাদেরকে কি নিকৃষ্ট লোক সম্পর্কে অবহিত করব?“ আমরা বললাম, হ্যাঁ; ইয়া রাসূলুল্লাহ্! (অবহিত করুন)। তিনি বললেন, “সে হল ঐ ব্যক্তি যার কাছে কেউ আল্লাহ তা’আলার নামে (সাহায্য) চায় কিন্তু সে তাকে দান করে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৪, ৬০৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৯৩, ১৫৯৪ তে। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৪৩৪। ((মালিক, মুয়াত্তা, জিহাদ ১, মুরসাল হিসেবে; তিরমিযী, ফাযাইলুল্ জিহাদ ১৬৫২; নাসাঈ, যাকাত ৫/৮৩-- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৯৫।- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2435)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَقَامُ الرَّجُلِ فِي الصَّفِّ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَفْضَلُ مِنْ عِبَادَةِ الرَّجُلِ سِتِّينَ سَنَةً




২৪৩৫. ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের সারিতে কোনো ব্যক্তির সামান্য সময় অবস্থান করা (ঘরে বসে) সত্তর বছর ইবাদত করার চাইতেও উত্তম।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান: ১. আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যঈফ ২. ইনকিতা’ বা সনদে বিচ্ছিন্নতা, কেননা ইমরাণ ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে হাসানের শ্রবণ সাব্যস্ত বা প্রমাণিত নয়।

তাখরীজ: বাযযার নং ১৬৬৬, ১৬৬৭; তাবারাণী, কাবীর নং ১৮/১৬৮ নং ৩৭৭, ৩৯৫, ৪১৭; আওসাত ২/২৫২; মাজমাউল বাহরাইন নং ২৭১৩; হাকিম, ২/৬৮; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৬১; উকাইলী, আয যু’আফা ১/৮৬।

তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরাহ হতে আহমাদ ২৫২৪; তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৫০; হাকিম, ২/৬৮; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৬০ হাসান সনদে; অপর শাহিদ রয়েছে আবী উমামাহ হতে আহমাদ ৫/২৬৬ তে যঈফ সনদে।

অপর শাহিদ রয়েছে উছমান ইবনু আফ্ফান হতে ইবনু আদী, আল কামিল ৩/১০৬০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2436)


أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ شُرَيْحٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ أَنَّ مَالِكَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ مَرَّ عَلَى حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ أَوْ حَبِيبٌ مَرَّ عَلَى مَالِكٍ وَهُوَ يَقُودُ فَرَسًا يَمْشِي فَقَالَ ارْكَبْ حَمَلَكَ اللَّهُ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اغْبَرَّتْ قَدَمَاهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَرَّمَهُ اللَّهُ عَلَى النَّارِ




২৪৩৬. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তির পদদ্বয় আল্লাহর পথে ধুলি-ধুসরিত হলো আল্লাহ তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দেবেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আব্দুল্লাহ ইবনু সুলাইমানকে আমি চিনি না। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০৭৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬০৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৮৮ তে। এছাড়াও, আহমাদ ৫/২২৫; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ তরজমাহ ১০০৩ সহীহ সনদে; দেখুন, আসদুল গাবাহ ৫/৩১-৩৩; আল ইসাবাহ ৯/৫৪-৫৫। ((তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৩২; নাসাঈ, জিহাদ ৬/১৪-- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৯৭।- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2437)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَغَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا




২৪৩৭. সাহল ইবনু সা‘দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর রাস্তায় এক সকাল কিংবা এক বিকাল অবশ্যই দুনিয়া ও এর মধ্যেকার সব কিছু থেকে উত্তম।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৭৯৪; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৮১;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৫১৪, ৭৫৩১, ৭৫৩৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2438)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ عَبْدٍ يَصُومُ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ إِلَّا بَاعَدَ اللَّهُ بَيْنَ وَجْهِهِ وَبَيْنَ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا




২৪৩৮. আবূ সাঈদ আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আল্লাহর রাস্তায় একদিন সাওম পালন করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার থেকে জাহান্নাম-কে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দিবেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৪০; মুসলিম, সিয়াম ১১৫৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৫৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪১৭ তে। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৪২৩।









সুনান আদ-দারিমী (2439)


أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ شُرَيْحٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي الصَّبَّاحِ مُحَمَّدِ بْنِ سُمَيْرٍ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةٍ فَسَمِعَهُ ذَاتَ لَيْلَةٍ وَهُوَ يَقُولُ حُرِّمَتْ النَّارُ عَلَى عَيْنٍ سَهِرَتْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَحُرِّمَتْ النَّارُ عَلَى عَيْنٍ دَمَعَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ قَالَ وَقَالَ الثَّالِثَةَ فَنَسِيتُهَا قَالَ أَبُو شُرَيْحٍ سَمِعْتُ مَنْ يَقُولُ ذَاكَ حُرِّمَتْ النَّارُ عَلَى عَيْنٍ غَضَّتْ عَنْ مَحَارِمِ اللَّهِ أَوْ عَيْنٍ فُقِئَتْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ




২৪৩৯. আবী রাইহানাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কোনো এক যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তিনি এক রাতে তাঁকে বলতে শুনেছেন: “সেই চক্ষুর জন্য জাহান্নামকে হারাম করা হয়েছে যে চোখ আল্লাহর পথে পাহারা দানে বিনিদ্র রজনী যাপন করে এবং সেই চক্ষুর জন্যও জাহান্নামকে হারাম করা হয়েছে যা আল্লাহর ভয়ে কাঁদে আর।“ তিনি বলেন, তিনি তৃতীয় আরেকটি বিষয়ও বলেছিলেন, যা আমি ভূলে গেছি। বর্ণনাকারী আবী শুরাইহ বলেন, যে ব্যক্তি বলেছেন, আমি তাকে বলতে শুনেছি এ তৃতীয় বিষয়টি (হলো): “সেই চক্ষুর জন্য জাহান্নামকে হারাম করা হয়েছে যে চোখ আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়াবলী থেকে ফিরে থাকে অথবা, সেই চক্ষুর জন্যও জাহান্নামকে হারাম করা হয়েছে যা আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) উপড়ে ফেলা হয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৩৪; ইবনু আবী শাইবা ৫/৩৫০; নাসাঈ, কুবরা ৪৩২৫; হাকিম, ২/৮৩; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৪৯; বুখারী, কাবীর নং ৪/২৬৪; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ২/২৮; হাকিম এর সনদকে সহীহ বলেছেন, যাহাবী তা বজায় রেখেছেন।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে হাকিম ইবনু মু’আবিয়া যার তাখরীজ দিয়েছি মাউসিলী, zwj;মু’জামুশ শুয়ূখ নং ২১৫। এর অপর একটি শাহিদ রয়েছে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৩৪৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2440)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا ابْنُ الدَّرَاوَرْدِيِّ عَنْ صَالِحِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَائِدَةَ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَحِمَ اللَّهُ حَارِسَ الْحَرَسِ قَالَ عَبْد اللَّهِ وَعُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ لَمْ يَلْقَ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ




২৪৪০. উকবা ইবনে আমের আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তা‘আলা নিরাপত্তামূলক পাহারাদানকারীদের উপর রহমত বর্ষণ করুন।“[1] আব্দুল্লাহ আদ দারিমী বলেন, বর্ণনাকারী উমার ইবনু আব্দুল আযীয উক্ববাহ ইবনু আমির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান: ১. ইনকিতা’ বা সনদে বিচ্ছিন্নতা ২. সালিহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু যাইদাহ যঈফ ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭৫০ তে। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৪১৬; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৪৯, ১৫০ মুরসাল যঈফ; আরও দেখুন, মিসবাহুয যুজাজাহ ২/৩৯৪।