সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُفَّتْ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ وَحُفَّتْ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ
২৮৮১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “জান্নাতকে অপছন্দনীয়-কষ্টকর বস্তু দ্বারা বেষ্টন করা হয়েছে আর জাহান্নামকে প্রবৃত্তি-(কামনা-বাসনা) দ্বারা বেষ্টন করা হয়েছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সিফাতুল জান্নাত ২৮২২। ((তিরমিযী, সিফাতুল জান্নাত ২৫৫৯))
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩২৭৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৬, ৭১৮ তে। এছাড়াও, আবী নুয়াইম, সিফাতুল জান্নাত নং ৪২।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جُبَيْرٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ بَيْنَا أَنَا قَاعِدٌ فِي الْمَسْجِدِ وَحَلْقَةٌ مِنْ فُقَرَاءِ الْمُهَاجِرِينَ قُعُودٌ إِذْ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَعَدَ إِلَيْهِمْ فَقُمْتُ إِلَيْهِمْ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَهُمْ لِيُبْشِرْ فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ بِمَا يَسُرُّ وُجُوهَهُمْ فَإِنَّهُمْ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ قَبْلَ الْأَغْنِيَاءِ بِأَرْبَعِينَ عَامًا قَالَ فَلَقَدْ رَأَيْتُ أَلْوَانَهُمْ أَسْفَرَتْ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو حَتَّى تَمَنَّيْتُ أَنْ أَكُونَ مَعَهُمْ
২৮৮২. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি মসজিদে একস্থানে বসে ছিলাম, আবার দরিদ্র মুহাজিরগণও একটি হালকায় (বৃত্তাকারে) বসে ছিলেন। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে তাদের নিকট গিয়ে বসলেন। ফলে আমিও উঠে তাদের নিকট গেলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশ্যে বললেন: “দরিদ্র মুহাজিরগণ যেন সুসংবাদ গ্রহণ করে যা তাদেরকে চেহারাগুলিকে উত্ফুল্ল করবে। কেননা, তারা সম্পদশালীদের চল্লিশ বছর পুর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।“
তিনি বলেন, আমি দেখলাম তাদের চেহারাগুলির রং (আনন্দে) আলোকিত হয়ে উঠলো।
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এমনকি আমি আকাংখা করতে থাকলাম যে, আমি যদি তাদের সাথী হতাম!’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহএর দুর্বলতার কারণে। তবে তিনি এ বর্ণনায় একাকী নন, বরং তার সমর্থনে বর্ণনা করেন আব্দুল্লাহ ইবনু ওয়াহহাব-তাখরীজে যা উল্লেখিত হয়েছে।
তাখরীজ: আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৫/১৩৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৭৭ (ইবনু ওয়াহহাব সূত্রে) এ সনদটি সহীহ; মুসলিম, যুহদ ২৯৭৯।
আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৭৮ তে।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اشْتَكَتْ النَّارُ إِلَى رَبِّهَا فَقَالَتْ رَبِّ أَكَلَ بَعْضِي بَعْضًا فَأَذِنَ لَهَا بِنَفَسَيْنِ نَفَسٍ فِي الشِّتَاءِ وَنَفَسٍ فِي الصَّيْفِ فَهُوَ أَشَدُّ مَا تَجِدُونَ مِنْ الْحَرِّ وَأَشَدُّ مَا تَجِدُونَ مِنْ الزَّمْهَرِيرِ
২৮৮৩. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “জাহান্নাম তার রবের নিকট অভিযোগ করে বলেছে, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে। তখন তিনি তাকে দু’টি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করেন। একটি নিঃশ্বাস শীতকালে আর একটি নিঃশ্বাস গ্রীষ্মকালে। ফলে তোমরা গরমের তীব্রতা এবং শীতের তীব্রতা অনুভব করে থাক।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, বাদউল খালক ৩২৬০; মুসলিম, মাসাজিদ ৬১৭ (১৮৫, ১৮৭)
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪৬৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭২ তে।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ
২৮৮৪. (অপর সনদে) আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। [1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান আসিম ইবনু বাহদালাহ’র কারণে।
তাখরীজ: আর হাদীসটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا الْهَجَرِيُّ عَنْ أَبِي عِيَاضٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ نَارَكُمْ هَذِهِ جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنْ نَارِ جَهَنَّمَ
২৮৮৫. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের এ আগুণ জাহান্নামের আগুণের সত্তর ভাগের একভাগ।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আল হিজরী এর দুর্বলতার কারণে। আর তিনি হলেন, ইবরাহীম ইবনু মুসলিম। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, বাদাইল খালক ৩২৬৫; মুসলিম, জান্নাত ২৮৪৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪৬২, ৭৪৬৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৬০৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৬৩ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَهْوَنُ النَّاسِ عَذَابًا مَنْ لَهُ نَعْلَانِ يَغْلِي مِنْهُمَا دِمَاغُهُ
২৮৮৬. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “(জাহান্নামে) সবচেয়ে হালকা আযাবভোগকারী ব্যক্তি হবে এমন যে, তার পায়ে একজোড়া আগুণের জুতা থাকবে, যার কারণে তার মস্তিষ্ক টগবগ করে ফুটতে থাকবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ২/৪৩২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪৭২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৬১৭ তে।
আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু আবী শাইবা ১৩/১৫৭ নং ১৫৯৭৯ নু’মান ইবনু বাশীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে সহীহ সনদে; সহীহ মুসলিম, ঈমান ২১৩; আবী আওয়ানা ১/৯৯।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يُلْقَى فِي النَّارِ أَهْلُهَا وَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ ثَلَاثًا حَتَّى يَأْتِيَهَا رَبُّهَا فَيَضَعَ قَدَمَهُ عَلَيْهَا فَتُزْوَى وَتَقُولُ قَطْ قَطْ قَطْ
২৮৮৭. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছন: “যখন জাহান্নামের অধিবাসীদের তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন জাহান্নাম বলবে, আরো আছে কি? আরো আছে কি? একথা তিনবার বলবে। তখন এর রব আল্লাহ্ তা’আলা নিজ পা তাতে রাখবেন। তখন জাহান্নাম গুটিয়ে গিয়ে বলবে, আর নয়, আর নয়, আর নয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, তাফসীর ৪৮৪৯, ৪৮৫০; মুসলিম, জান্নাত ২৮৪৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪৪৭, ৭৪৭৬, ৭৪৭৭ তে।
আর এর শাহিদ হাদীস যেটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩১৪০ তে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ عَنْ مُوَرِّقٍ الْعِجْلِيِّ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَاللَّحْنَ وَالسُّنَنَ كَمَا تَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ
২৮৮৮. মুওয়াররিক আল ইজলী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ‘তোমরা ফারাইয, ভাষা ও সুন্নাহসমূহ (হাদীস) শিক্ষা করবে যেভাবে তোমরা কুর’আন শিক্ষা করে থাক।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৪৫৯ নং ৯৯৭৫, ১১/২৩৬ নং ১১০৯১; সাঈদ ইবনু মাসসূর, আস সুনান নং ১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ فَإِنَّهَا مِنْ دِينِكُمْ
২৮৮৯. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ‘তোমরা ফারাইয শিক্ষা করবে কেননা, তা তোমাদের দীনের (গুরুত্বপূর্ণ) অংশবিশেষ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত তবে এ সনদে ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। ইবরাহীম নাখঈ’ উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি। এটিও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮১; সাঈদ ইবনু মাসসূর, আস সুনান নং ২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يُوسُفُ الْمَاجِشُونُ قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ لَوْ هَلَكَ عُثْمَانُ وَزَيْدٌ فِي بَعْضِ الزَّمَانِ لَهَلَكَ عِلْمُ الْفَرَائِضِ لَقَدْ أَتَى عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ وَمَا يَعْلَمُهَا غَيْرُهُمَا
২৮৯০. ইবনু শিহাব (যুহুরী) রাহি: হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি উছমান ও যাইদ (এ দুই ফারাইয পণ্ডিত একসাথে) কোন সময় মৃত্যু বরণ করতো, তবে ফারাইযের জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে যেতো। লোকদের উপর এমন যুগ এসে গেছে যখন এ দু’জন ব্যতীত আর কেউই ফারাইযের জ্ঞান রাখে না।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটিও যুহরীর উপর মাওকুফ (যুহরীর বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত)।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১০; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ১/৪৮৬ সহীহ সনদে।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ وَالْفَرَائِضَ فَإِنَّهُ يُوشِكُ أَنْ يَفْتَقِرَ الرَّجُلُ إِلَى عِلْمٍ كَانَ يَعْلَمُهُ أَوْ يَبْقَى فِي قَوْمٍ لَا يَعْلَمُونَ
২৮৯১. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘তোমরা ফারাইয ও কুর’আন শিক্ষা করবে; কেননা, অচিরেই এমন হবে যে, কোনো লোক এ জ্ঞানের মুখাপেক্ষী হবে যা সে ইত:পূর্বে শিক্ষা করেছিল অথবা, সে এমন লোকদের মধ্যে অবস্থান করবে যারা (তা) জানে না।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মাসউ’দী এর দুর্বলতার কারণে। এছাড়া এ সনদে ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। কাসিম তার দাদা ইবনু মাসউদ এর সাক্ষাত লাভ করেননি।
তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ৯/২১১ নং ৮৯২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৫ নং ১১০৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩ (যে কুরআন শিখে সে যেন ফারাইযও শিখে।’) সনদ সহীহ। আগের ও পরের আছার দু’টি দেখুন।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩২ তে।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَبِي مُسْلِمٍ عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ قَالَ قَالَ أَبُو مُوسَى مَنْ عَلِمَ الْقُرْآنَ وَلَمْ يَعْلَمْ الْفَرَائِضَ فَإِنَّ مَثَلَهُ مَثَلُ الْبُرْنُسِ لَا وَجْهَ لَهُ أَوْ لَيْسَ لَهُ وَجْهٌ
২৮৯২. আবী খলীল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি কুরআন শিখল কিন্তু ফারাইয শিখল না, তার উপমা হলো ঐ বুরনুস (এক প্রকার টুপি)-এর মতো যাতে কোনো মুখ (তথা মুখ বের করার জায়গা) নেই।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, যিয়াদ ইবনু আবী মুসলিম দুর্বলতার কারণে, যাকে ইবনু মুসলিম বলা হয়।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮২; হাফিজ (ইবনু হাজার আসকালানী), যাহরুল ফিরদাউস ৪/৬৮।
অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা, আমছালুল হাদীস নং ৪৯ তে আবী হুরাইরার সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r হতে: “যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে কিন্তু ফারাইয শেখে না, তার উপমা হলো সেই ব্যক্তির মতো যার মাথা নেই।“ তবে ইবনু মাঈন এ হাদীসের রাবী ইসহাক ইবনু নাজীহ সম্পর্কে বলেন: সে মিথ্যাবাদী, আল্লাহর শত্রু, নিকৃষ্ট লোক।’
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قُلْتُ لِعَلْقَمَةَ مَا أَدْرِي مَا أَسْأَلُكَ عَنْهُ قَالَ أَمِتْ جِيرَانَكَ
২৮৯৩. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি (তাবিঈ’) আলকামাহকে বললাম, আমি জানি না, আমি আপনাকে (ফারাইযের) কোন্ বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব। তখন তিনি বললেন: তোমার সম্পদশালী প্রতিবেশীদের (নিকটাত্মীয়দের) সম্পর্কে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আলকামাহ পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। এটি আলকামার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১০৯০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯; সেখানে আছে, তোমার সম্পদশালী প্রতিবেশীদের (নিকটাত্মীয়দের) সম্পর্কে, যারা একের পর অন্যে তাতে ওয়ারীস হবে।’
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَالطَّلَاقَ وَالْحَجَّ فَإِنَّهُ مِنْ دِينِكُمْ
২৮৯৪. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘তোমরা ফারাইয, তালাক্ব ও হাজ্জ (এর বিধি-বিধান) শিক্ষা করবে; কেননা, তা তোমাদের দীনের (গুরুত্বপূর্ণ) অংশবিশেষ।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে। এটিও ইবনু মাসউদ এর উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯। আগের ও পরের আছার আছার গুলি দেখুন।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ كَانُوا يُرَغِّبُونَ فِي تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَالْفَرَائِضِ وَالْمَنَاسِكِ
২৮৯৫. কাছীর হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ‘তারা কুরআন, ফারাইয ও মানাসিক (হাজ্জ) শিক্ষার ব্যাপারে উত্সাহ দিতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাসান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এ আছারটি এটি কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَلْيَتَعَلَّمْ الْفَرَائِضَ فَإِنْ لَقِيَهُ أَعْرَابِيٌّ قَالَ يَا مُهَاجِرُ أَتَقْرَأُ الْقُرْآنَ فَإِنْ قَالَ نَعَمْ قَالَ تَفْرِضُ فَإِنْ قَالَ نَعَمْ فَهُوَ زِيَادَةٌ وَخَيْرٌ وَإِنْ قَالَ لَا قَالَ فَمَا فَضْلُكَ عَلَيَّ يَا مُهَاجِرُ
২৮৯৬. আবী উবাইদাহ হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে কুর’আন পাঠ করে, সে যেন ফারাইয শিক্ষা করে; নচেত, যদি তিনি কোনো বেদুইনের সাথে সাক্ষাত করেন, আর সে তাঁকে বলে, ইয়া মুহাজির! আপনি কি কুরআন পাঠ করেন? আর যদি তিনি জবাব দেন, হাঁ। তবে সে আবার জিজ্ঞাসা করে, ফারাইয শিখেছেন? তখন যদি তিনি বলেন, হাঁ। তবে তো বড়ই ভাল। কিন্তু যদি তিনি বলেন: না, তবে সে বলবে, হে মুহাজির, তাহলে আমাদের উপর আপনার শ্রেষ্ঠত্ব কিসের?’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত তবে এ সনদে ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আবী উবাইদাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ তার পিতা হতে তার শ্রবণ করা সহীহ নয়।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৩ নং ১১০৮০; তাবারাণী, কাবীর ৯/১৬১-১৬২ নং ৮৭৪২; হাকিম ৪/৩৩৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯। আগের আছার সমূহও দেখুন।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩১ তে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ قَالَ سَأَلْنَا مَسْرُوقًا كَانَتْ عَائِشَةُ تُحْسِنُ الْفَرَائِضَ قَالَ وَالَّذِي لَا إِلَهَ غَيْرُهُ لَقَدْ رَأَيْتُ الْأَكَابِرَ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ يَسْأَلُونَهَا عَنْ الْفَرَائِضِ
২৮৯৭. মুসলিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাসরূক্ব (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কি ফারাইযে দক্ষ ছিলেন? তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম, যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই! আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণকে দেখেছি, তাঁরা তাঁকে ফারাইয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ফাসাওয়ী, মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ১/৪৮৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮৪, ১১০৮৫।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ قَالَ شُعْبَةُ هَذَا أَوَّلُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَهَذَا تَدَلَّى مِنْ حِصْنِ الطَّائِفِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُمَا حَدَّثَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ
২৮৯৮. আবূ ‘উসমান [নাহদী (রহ.)] হতে বর্ণিত। শু’বাহ বলেন, হাদীসটি সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে, যিনি আল্লাহর পথে গিয়ে সর্বপ্রথম তীর নিক্ষেপ করেছিলেন এবং আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত, যিনি তায়িফ (অবরোধকালে) তায়িফের দুর্গ হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসেছিলেন। তাঁরা দু’জনেই বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবী করে, তার জন্য জান্নাত হারাম।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি zwj;বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয ৬৭৬৬, ৬৭৬৭; মুসলিম, ঈমান ৬৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০০, ৭০৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৫, ৪১৬।
এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৫ নং ৬১৫৫; ১৪/১৪৬-১৪৭; আরো দেখুন, গত ২৫৭২ (অনুবাদে ) নং হাদীসটি।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ قَالَ كُفْرٌ بِاللَّهِ ادِّعَاءٌ إِلَى نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ وَكُفْرٌ بِاللَّهِ تَبَرُّؤٌ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ
২৮৯৯. মা’মার (রহঃ) আবূ বাকর সিদ্দিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ‘নিজেকে কোনো অজ্ঞাত বংশের বলে দাবী করা আল্লাহর প্রতি কুফরী’র শামিল এবং (নিজ) বংশের সাথে সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করাও আল্লাহর প্রতি কুফরী’র শামিল, যদিও তা নীচ-হীন হয়।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫২ তে।
সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৬ নং ৬১৬০; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/১৪৪; তাবারাণী, আওসাত নং ৮৫৭০; ইবনু আদী, আল কামিল ৭/১৭১০।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস হতে, আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫০ তে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زَكَرِيَّا أَبِي يَحْيَى قَالَ سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ نَحْوًا مِنْهُ
২৯০০. আবী ওয়াইল (রহঃ) সূত্রে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাখরীজ: আমার ধারণা, সাহাবী ছিলেন আবী মাসউদ আল বাদরী। আর এ হাদীসটি হলো ঐ হাদীস যা আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন, তাবারাণী, কাবীর ১৭/২৬১ নং ৭১৯ তে।