হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (3103)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الْإِخْوَةِ يَدَّعِي بَعْضُهُمْ الْأَخَ وَيُنْكِرُ الْآخَرُونَ قَالَ يَدْخُلُ مَعَهُمْ بِمَنْزِلَةِ عَبْدٍ يَكُونُ بَيْنَ الْإِخْوَةِ فَيَعْتِقَ أَحَدُهُمْ نَصِيبَهُ قَالَ وَكَانَ عَامِرٌ وَالْحَكَمُ وَأَصْحَابُهُمَا يَقُولُونَ لَا يَدْخُلُ إِلَّا فِي نَصِيبِ الَّذِي اعْتَرَفَ بِهِ




৩১০৩. আ’মাশ হতে বর্ণিত, এমন কিছু ভাই যাদের কতক (একজনকে) ভাই দাবী করলো, আর অপর কতক অস্বীকার করলো- তাদের সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ভাইদের মাঝের দাসের স্থলে তাকে তাদের সাথে শরীক বানানো হবে। তখন তাদের একজন তার অংশ ছেড়ে দিবে। তিনি বলেন, আমির, হাকাম ও তাদের সাথীরা বলতেন: যে তাকে স্বীকৃতি দিল, কেবল সেই ভাইয়ের অংশে সে অংশীদার হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে আব্দুর রহমান এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি মুদাল্লিস।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪৩; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৩।









সুনান আদ-দারিমী (3104)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ وَكِيعٍ قَالَ إِذَا كَانَا أَخَوَيْنِ فَادَّعَى أَحَدُهُمَا أَخًا وَأَنْكَرَهُ الْآخَرُ قَالَ كَانَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى يَقُولُ هِيَ مِنْ سِتَّةٍ لِلَّذِي لَمْ يَدَّعِ ثَلَاثَةٌ وَلِلْمُدَّعِي سَهْمَانِ وَلِلْمُدَّعَى سَهْمٌ




৩১০৪. আবী বাকর হতে বর্ণিত, ওয়াকী’ (রহঃ) বলেন, যখন দু’ভায়ের মধ্যে একজন কাউকে ভাই দাবী করবে এবং অপর জন তা অস্বীকার করবে, তখন (কে কত অংশ পাবে)?তিনি বলেন, ইবনু আবী লাইলা বলতেন: এটি ছয় ভাগের অন্যতম: ‘যে দাবী করে না (তথা অস্বীকার করে), তার জন্য তিন ভাগ; যে দাবী করে তার জন্য দুই ভাগ এবং যাকে ভাই বলে দাবী করা হয়, তার জন্য এক ভাগ।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলাহ মুখস্তশক্তিতে খুবই দুর্বল।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা১১/৩৮৫ নং ১১৫৪৩; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৩।









সুনান আদ-দারিমী (3105)


حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ حَمَّادٍ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ ثَلَاثَةُ بَنِينَ فَقَالَ ثُلُثِي لِأَصْغَرِ بَنِيَّ فَقَالَ الْأَوْسَطُ أَنَا أُجِيزُ وَقَالَ الْأَكْبَرُ لَا أُجِيزُ قَالَ هِيَ مِنْ تِسْعَةٍ يُخْرِجُ ثُلُثَهُ فَلَهُ سَهْمُهُ وَسَهْمُ الَّذِي أَجَازَ وَقَالَ حَمَّادٌ يَرُدُّ السَّهْمَ عَلَيْهِمْ جَمِيعًا وَقَالَ عَامِرٌ الَّذِي رَدَّ إِنَّمَا رَدَّ عَلَى نَفْسِهِ




৩১০৫. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, কোনো লোকের তিনটি পুত্র রয়েছে,- সে বললো, তিনভাগের দু’ভাগ সবচেয়ে ছোট ছেলের জন্য। তখন মেজ ছেলে বললো, আমি তা অনুমোদন করলাম, আর বড় ছেলে বললো, আমি তা অনুমতি দেই না।

এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, এ হলো তিনভাগ যা নয় ভাগ হতে বের করা হবে। এমতাবস্থায় সে (ছোট ছেলে) পাবে তার নিজের অংশ ও যে ভাই অনুমোদন দিল, তার অংশ।

হাম্মাদ বলেন, তাদের সকলকে অবশিষ্ট অংশ পুনরায় দিতে হবে।আমির বলেন, ‘যে ব্যক্তি পুনরায় দেয়, সে নিজের থেকেই পুনরায় দেয়।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাম্মাদ পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৯-২৩০ নং ১১০৭২; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৫।









সুনান আদ-দারিমী (3106)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ خَالِدٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ فِي رَجُلٍ أَقَرَّ بِأَخٍ قَالَ بَيِّنَتُهُ أَنَّهُ أَخُوهُ




৩১০৬. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে লোক কাউকে ভাই বলে স্বীকৃতি দিলো, তার সম্পর্কে শুরাইহ বলেন, আমি একে দলীল-প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করবো যে, সে তার ভাই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৬ নং ১১৫৪৫।









সুনান আদ-দারিমী (3107)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ الْحَارِثِ الْعُكْلِيِّ فِي رَجُلٍ أَقَرَّ عِنْدَ مَوْتِهِ بِأَلْفِ دِرْهَمٍ مُضَارَبَةً وَأَلْفٍ دَيْنًا وَلَمْ يَدَعْ إِلَّا أَلْفَ دِرْهَمٍ قَالَ يُبْدَأُ بِالدَّيْنِ فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ كَانَ لِصَاحِبِ الْمُضَارَبَةِ




৩১০৭. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে এক হাজার দিরহাম ‘মুদারাবা’ (যৌথ কারবার)-এ আছে এবং এক হাজার দিরহাম zwj;ঋণ আছে বলে স্বীকারোক্তি করলো- আর এ ব্যতীত আর কোনোকিছুই সে ছেড়ে গেল না- এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হারিছ আল উকলী বলেন, প্রথমে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এরপর বাড়তি কিছু থাকলে তা হবে মুদারাবা’ (যৌথ কারবারের) অংশীদারের।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হারিছ আল উকলী পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৫ নং ১১০৫৭।









সুনান আদ-দারিমী (3108)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ ثَلَاثَ مِائَةِ دِرْهَمٍ وَثَلَاثَةَ بَنِينَ فَجَاءَ رَجُلٌ يَدَّعِي مِائَةَ دِرْهَمٍ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَقَرَّ لَهُ أَحَدُهُمْ قَالَ يَدْخُلُ عَلَيْهِمْ بِالْحِصَّةِ ثُمَّ قَالَ الشَّعْبِيُّ مَا أُرَى أَنْ يَكُونَ مِيرَاثًا حَتَّى يُقْضَى الدَّيْنُ




৩১০৮. মুতার্রিফ হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে তিনশত দিরহাম ও তিনটি ছেলে রেখে গেলো। এরপর এক লোক এসে মৃত ব্যক্তির নিকট তার এক শত দিরহাম zwj;পাওনা আছে বলে দাবী করলো এবং তাদের কোন একজন তা স্বীকার করে বললো, তাকে ভাগে অংশীদার করা হলো। এমন ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় না এ ব্যক্তির মীরাছ (বন্টিত) হবে, যতক্ষণ না তার দেনা (ঋণ) আদায় করা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হারিছ আল উকলী পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৯; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪২।









সুনান আদ-দারিমী (3109)


حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ مُصْعَبُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ هَلَكَ وَتَرَكَ ابْنَيْنِ وَتَرَكَ أَلْفَيْ دِرْهَمٍ فَاقْتَسَمَا الْأَلْفَيْ دِرْهَمٍ وَغَابَ أَحَدُ الِابْنَيْنِ فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَحَقَّ عَلَى الْمَيِّتِ أَلْفَ دِرْهَمٍ قَالَ يَأْخُذُ جَمِيعَ مَا فِي يَدِ هَذَا الشَّاهِدِ وَيُقَالُ لَهُ اتَّبِعْ أَخَاكَ الْغَائِبَ وَخُذْ نِصْفَ مَا فِي يَدِهِ




৩১০৯. আশ’আস হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে দু’টি ছেলে ও দু’হাজার দিরহাম রেখে গেলো। অত:পর দু’ভাই দু’হাজার দিরহাম ভাগ করে নিল এবং দু’জনের একজন চলে গেল। এরপর এক লোক এসে মৃত ব্যক্তির নিকট তার এক হাজার দিরহাম (zwj;পাওনা আছে বলে) দাবী করলো।– এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, উপস্থিত পুত্রের প্রাপ্ত সকল সম্পদ সে নিয়ে নেবে এবং তাকে (পূ্ত্রকে) বলা হবে, তুমি তোমার ভাইকে খুজে বের করে তার থেকে তার সম্পদের অর্ধেক নিয়ে নাও।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। আবী খাইসামা হলেন মুস’আব ইবনু সাঈদ।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩, ২২৫ নং ১১০৪৮, ১১০৫০, ১১০৫৮।









সুনান আদ-দারিমী (3110)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ زِيَادٍ الْأَعْلَمِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَقَرَّ بَعْضُ الْوَرَثَةِ بِدَيْنٍ فَهُوَ عَلَيْهِ بِحِصَّتِهِ




৩১১০. যিয়াদ আল আ’লাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ওয়ারিস কোনো ঋণের স্বীকারোক্তি দেয়, তবে তা তার অংশ দ্বারা আদায় করা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫০।









সুনান আদ-দারিমী (3111)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هَاشِمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا شَهِدَ اثْنَانِ مِنْ الْوَرَثَةِ بِدَيْنٍ فَهُوَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ إِذَا كَانُوا عُدُولًا وَقَالَ الشَّعْبِيُّ عَلَيْهِمَا فِي نَصِيبِهِمَا




৩১১১. আবী হাশিম হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি ওযারিসগণের মধ্য থেকে দু’জন ঋণের সাক্ষ্য দেয়, তবে পুরো সম্পদ হতেই তা আদায় করা হবে, যদি তারা (বাকীরা) না করে। আর শা’বী বলেন, এ দু’জনের অংশে উভয়ের উপর (এ ঋণ পরিশোধের) দায়িত্ব পড়বে। [1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩২২।









সুনান আদ-দারিমী (3112)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ جُمَيْعٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ كَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ يُوَرِّثُ أَهْلَ الْمُرْتَدِّ إِذَا قُتِلَ




৩১১২. আব্দুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুরতাদকে (শাস্তি হিসেবে) হত্যা করা হলে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার পরিবারকে তার মীরাছ দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ । কাসিম তার দাদা আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৪ নং ১১৪২৯, ১২/২৭৬ নং ১২৮১২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৫; আব্দুর রাযযাক ১৯২৯৭ তে রয়েছে: মা’মার ও ইবনু জুরাইজ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, মুরতাদের মীরাছ সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্যের অনুরূপ।









সুনান আদ-দারিমী (3113)


حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ جَعَلَ مِيرَاثَ الْمُرْتَدِّ لِوَرَثَتِهِ مِنْ الْمُسْلِمِينَ




৩১১৩. আমর শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুরতাদের মীরাছ তার মুসলিম ওয়ারিসদের মাঝে বন্টন করে দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৫ নং ১১৪৩০, ১২/২৭৫ নং ১২৮১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৪।









সুনান আদ-দারিমী (3114)


حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ جَعَلَ مِيرَاثَ الْمُرْتَدِّ لِوَرَثَتِهِ مِنْ الْمُسْلِمِينَ




৩১১৪. হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুরতাদের মীরাছ তার মুসলিম ওয়ারিসদের মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ’র দুর্বলতার কারণে । তবে এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্নও বটে। কারণ হাকাম আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ নং ১১৪৩১, ১২/২৭৬ নং ১২৮১১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৪; আব্দুর রাযযাক ১০১৪২, ১৯৩০১।









সুনান আদ-দারিমী (3115)


حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ الْحَكَمِ قَالَ إِذَا قَتَلَ الرَّجُلُ أَخَاهُ عَمْدًا لَمْ يُوَرَّثْ مِنْ مِيرَاثِهِ وَلَا مِنْ دِيَتِهِ فَإِذَا قَتَلَهُ خَطَأً وُرِّثَ مِنْ مِيرَاثِهِ وَلَمْ يُوَرَّثْ مِنْ دِيَتِهِ قَالَ وَكَانَ عَطَاءٌ يَقُولُ ذَلِكَ




৩১১৫. আব্দুল কারীম হতে বর্ণিত, হাকাম বলেন, যখন কোনো লোক তার ভাইকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তখন সে তার মীরাছ হতে কিছুই পাবে, আর তার দিয়াত (রক্তপণ) হতেও কিছু পাবে না। তবে যদি সে ভুল করে হত্যা করে, তবে তার মীরাছ হতে সে অংশ পাবে, তবে তার দিয়াত (রক্তপণ) থেকে কোনো অংশ সে পাবে না।[1]তিনি বলেন, আতা (রহঃ) এ কথাই বলতেন।[2]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে এটি বিচ্ছিন্ন, কেননা, আব্দুল কারীম ইবনু মালিক আলজাযারী, আমরা যতটা জানতে পেরেছি, তিনি হাকাম ইবনু উতাইবাহ হতে কোন রিওয়াত করেছেন বলে আমরা জানতে পারিনি। আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬১-৩৬২ নং ১১৪৫২ সহীহ সনদে।

[2] আতার বক্তব্যটিও বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা ১১৪৫৩ তে যঈফ সনদে ইবনু জুরাইজের ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করার কারণে।









সুনান আদ-দারিমী (3116)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ خِلَاسٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ رَمَى رَجُلٌ أُمَّهُ بِحَجَرٍ فَقَتَلَهَا فَطَلَبَ مِيرَاثَهُ مِنْ إِخْوَتِهِ فَقَالَ لَهُ إِخْوَتُهُ لَا مِيرَاثَ لَكَ فَارْتَفَعُوا إِلَى عَلِيٍّ فَجَعَلَ عَلَيْهِ الدِّيَةَ وَأَخْرَجَهُ مِنْ الْمِيرَاثِ




৩১১৬. খিলাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো এক লোক তার মাতাকে পাথর মেরে হত্যা করলো, অত:পর সে তার ভাইদের নিকট তার মীরাছ দাবী করলো। তখন তাকে তার ভাইগণ বললো, তুমি কোনো মীরাছ পাবে না।’ তখন সে ব্যক্তি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নিকট এলো। তখন তিনি তার উপর দিয়াত ধার্য্য করলেন, আর তাকে মীরাছ হতে বঞ্চিত করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে এটি বিচ্ছিন্ন, কারণ খিলাস ইবনু আমর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত পাননি।

তাখরীজ : বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২০; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৯৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬২ নং ১১৪৫৪।









সুনান আদ-দারিমী (3117)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ الْحُرِّ عَنْ الْحَكَمِ أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا قَتَلَ امْرَأَتَهُ خَطَأً أَنَّهُ يُمْنَعُ مِيرَاثَهُ مِنْ الْعَقْلِ وَغَيْرِهِ




৩১১৭. হুররী হতে বর্ণিত, হাকাম বলেন, কোনো লোক যদি তার স্ত্রীকে ভুলবশত: হত্যা করে, তবে দিয়াত ও অন্যান্য বিষয়ের মীরাছ পাবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাকাম পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (3118)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَرِثُ الْقَاتِلُ مِنْ الْمَقْتُولِ شَيْئًا




৩১১৮. মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির কোনো কিছুরই মীরাছ পাবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৭ নং ১১৪৪৩ যঈফ সনদে। এটি সামনেও আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (3119)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ فِي رَجُلٍ قَذَفَ امْرَأَتَهُ وَجَاءَ بِشُهُودٍ فَرُجِمَتْ قَالَ يَرِثُهَا




৩১১৯. মা’মার হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে (যিনার) অভিযোগ করলো এবং সে সাক্ষী উপস্থিত করলো। ফলে তাকে (স্ত্রীলোকটিকে) পাথর মেরে হত্যা করা হলো।– এ সম্পর্কে কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, সে লোকটি তার (স্ত্রীলোকটির) মীরাছ পাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ কাতাদাহ পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (3120)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ حَمَّادٍ فِي رَجُلٍ جُلِدَ الْحَدَّ أَرَاهُ مَاتَ شَكَّ أَبُو النُّعْمَانِ قَالَ يَتَوَارَثَانِ




৩১২০. আবূ আওয়ানাহ হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তিকে হদ্দ (নির্ধারিত কোনো শাস্তি) হিসেবে চাবুক মারা হলো- (বর্ণনাকারী) আবী নু’মানের সন্দেহ যে সম্ভবত সে মৃত্যু বরণ করলো। তার সম্পর্কে হাম্মাদ বলেন, তারা পরস্পরে ওয়ারিস হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাম্মাদ পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (3121)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ الْقَاتِلُ لَا يَرِثُ وَلَا يَحْجُبُ




৩১২১. আমির হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না এবং সে ‘হুজব’ (তথা অন্য কাউকে বঞ্চিত) ও করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ মুহাম্মদ ইবনু সালিমের দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ : বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২০।









সুনান আদ-দারিমী (3122)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الْعَبْدِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْقَاتِلُ




৩১২২. আমর আল আব্দী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬০ নং ১১৪৪৫।