সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ ابْنِ وَهْبٍ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ أَمْرُ الْوَصِيِّ جَائِزٌ فِي كُلِّ شَيْءٍ إِلَّا فِي الِابْتِيَاعِ وَإِذَا بَاعَ بَيْعًا لَمْ يُقِلْ وَهُوَ رَأْيُ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ
৩২৪৩. আবী ওয়াহাব থেকে বর্ণিত, মাকহুল বলেন, ওসীয়তপ্রাপ্ত ব্যক্তির সকল কর্ম জায়িয একমাত্র বাড়ী-ঘর ব্যতীত। আর যদি সে কোনো ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে, তবে তার সমালোচনা করা যাবে না।[1] আর এটি ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ’র মত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২১৪ নং ১১০১৫।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ الْوَصِيُّ أَمِينٌ فِي كُلِّ شَيْءٍ إِلَّا فِي الْعِتْقِ فَإِنَّ عَلَيْهِ أَنْ يُقِيمَ الْوَلَاءَ
৩২৪৪. আওযাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি ব্যতীত সকল ব্যাপারে অছী (ওয়াসীয়াতকৃত) ব্যক্তি আমানদার। কেননা, তার উপর দায়িত্ব হলো সে (দাসের) অভিভাবক নির্ধারণ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম মুদাল্লিস, আর তিনি এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي مَالِ الْيَتِيمِ يَعْمَلُ بِهِ الْوَصِيُّ إِذَا أَوْصَى إِلَى الرَّجُلِ
৩২৪৫. মানসূর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, কোনো লোকের প্রতি ওয়াসীয়াত করা হলে ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি ইয়াতীমের মাল দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ وَصِيُّ الْيَتِيمِ يَأْخُذُ لَهُ بِالشُّفْعَةِ وَالْغَائِبُ عَلَى شُفْعَتِهِ
৩২৪৬. ইসমাঈল (রহঃ) থেকে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, ইয়াতীমের অসী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তার পক্ষ হতে (মাল) থেকে গ্রহণ করতে পারবে এবং অনুপস্থিত ব্যক্তি তার অগ্রাধিকার দানের ভিত্তিতে অধিকারপ্রাপ্ত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইসমাঈল ইবনু মুসলিম আল মাক্কী যঈফ; অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: আমি এটি এছাড়া কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ شَيْخٍ مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَعِنْدَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ حَبِيبٍ وَأَبُو قِلَابَةَ إِذْ دَخَلَ غُلَامٌ فَقَالَ أَرْضُنَا بِمَكَانِ كَذَا وَكَذَا بَاعَكُمْ الْوَصِيُّ وَنَحْنُ أَطْفَالٌ فَالْتَفَتَ إِلَى سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ فَقَالَ مَا تَقُولُ فَأَضْجَعَ فِي الْقَوْلِ فَالْتَفَتَ إِلَى أَبِي قِلَابَةَ فَقَالَ مَا تَقُولُ قَالَ رُدَّ عَلَى الْغُلَامِ أَرْضَهُ قَالَ إِذًا يَهْلِكُ مَالُنَا قَالَ أَنْتَ أَهْلَكْتَهُ
৩২৪৭. ইকরিমাহ- যিনি দামিশক্ বাসী একজন আলিম ছিলেন- তিনি বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) এর নিকট ছিলাম। তখন তার নিকট সুলাইমান ইবনু হাবীব ও আবী কিলাবাহ (রহঃ)ও ছিলেন। তখন একটি ছেলে উপস্থিত হয়ে বললো, অমুক অমুক স্থানে আমাদের জায়গা-জমি ছিল। আমাদের অসী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি) আপনাদের নিকট তা বিক্রী করেছে, আর আমরা হলাম ছোট বালক। তখন সুলাইমান ইবনু হাবীব আমার নিকট এসে বললেন, আপনার মতামত কি? তিনি বলেন, তখন তিনি বলতে ইতস্তত: করলেন। তখন তিনি আবী কিলাবার দিকে ফিরে বললেন, আপনার মতামত কি? তখন তিনি বললেন, ছেলেটাকে তার জমি ফিরিয়ে দিতে হবে।সে (ছেলেটি) বললো, তাহলে তো আমাদের সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বললেন, তুমিই তো তা ধ্বংস করলে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইকরিমাহ- মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়); অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: আমি এটি এছাড়া কোথাও পাইনি। তবে দেখতে পারেন, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩২৯; আব্দুর রাযযাক নং ১৬৪৭৯।
أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ أَوْصَى لِرَجُلٍ بِنِصْفِ مَالِهِ وَلِآخَرَ بِثُلُثِ مَالِهِ قَالَ يَضْرِبَانِ بِذَلِكَ فِي الثُّلُثِ هَذَا بِالنِّصْفِ وَهَذَا بِالثُّلُثِ
৩২৪৮. আশ’আস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, কোনো ব্যক্তি একজনের জন্য তার সম্পদের অর্ধেক এবং অপর জনের জন্য এক তৃতীয়াংশ ওয়াসীয়াত করে, তবে উভয়ে এক তৃতীয়াংশের মধ্যেই অংশীদার হবে (এক তৃতীয়াংশের অতিরিক্ত সম্পদে অংশীদার হবে না)- অর্ধেক ওয়ালা তা পাবে, এক তৃতীয়াংশ ওয়ালাও তা পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ يُغَيِّرُ صَاحِبُ الْوَصِيَّةِ مِنْهَا مَا شَاءَ غَيْرَ الْعَتَاقَةِ
৩২৪৯. শাইবানী থেকে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতকারী ব্যক্তি তা (ওয়াসীয়াত) তার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করতে পারে, তবে দাসমুক্তি ব্যতীত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৬৩৮৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭৩ নং ১০৮৫৬।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ يُحْدِثُ الرَّجُلُ فِي وَصِيَّتِهِ مَا شَاءَ وَمِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا
৩২৫০. আব্দুল্লাহ ইবনু আবী রবীয়াহ হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ওয়াসীয়াতকারী তার ওয়াসীয়াতে ইচ্ছেমত সংযোজন করতে পারে, আর সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৪১; আব্দুর রাযযাক নং ১৬৩৭৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭২ নং ১০৮৫৩।
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ قَالَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ أَنَّ أَبَاهُ أَعْتَقَ رَقِيقًا لَهُ فِي مَرَضِهِ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَرُدَّهُمْ وَيُعْتِقَ غَيْرَهُمْ قَالَ فَخَاصَمُونِي إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ فَأَجَازَ عِتْقَ الْآخِرِينَ وَأَبْطَلَ عِتْقَ الْأَوَّلِينَ
৩২৫১. আমর ইবনু দীনার (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার পিতা তার অসুস্থ অবস্থায় কয়েকটি দাস মুক্ত করলেন। এরপর তার মনে হলো যে, তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে অপর কতককে মুক্তি দান করবেন। রাবী বলেন, তখন তারা (গোলামেরা) আব্দুল মালিক ইবনু মারওয়ানের নিকট মোকদ্দমা পেশ করেন। তখন তিনি পরে মুক্তিপ্রাপ্তদের মুক্তিদানকে বহাল রাখলেন এবং প্রথমবার মুক্তিপ্রাপ্তদের মুক্তিদানকে বাতিল করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; দীনার- মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়); অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: আমি এটি এছাড়া কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ عَنْ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالَ قَالَ عُمَرُ يُحْدِثُ الرَّجُلُ فِي وَصِيَّتِهِ مَا شَاءَ وَمِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَمَّامٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَمْرٍو وَبَيْنَهُمَا قَتَادَةُ
৩২৫২. শারীদ ইবনু সুওয়াইদ হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ওয়াসীয়াতকারী তার ওয়াসীয়াতে ইচ্ছেমত সংযোজন করতে পারে, আর সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, হাম্মাম আমর হতে শ্রবণ করেননি, আর উভয়ের মাঝে রয়েছে কাতাদাহ।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্ন)।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩২৪৬ এ ও সামনে আসছে।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِوَصِيَّةٍ ثُمَّ يُوصِي بِأُخْرَى قَالَ هُمَا جَائِزَتَانِ فِي مَالِهِ
৩২৫৩. মা’মার (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার সম্পদ হতে একবার ওসীয়াত করলো। এরপর সে পুনরায় ওয়াসীয়াত করলো।– সম্পর্কে যুহুরী (রহঃ) বলেন, তার সম্পদ হতে এ উভয় ওয়াসীয়াতই জায়িয (বৈধ)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৬৩৮৯; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭০।
حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ مِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا
৩২৫৪. কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্ন)।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩২৪৬ নং ও ৩২৪৮ নং এ। এছাড়াও, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৪১।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى قَالَ إِذَا اتَّهَمَ الْقَاضِي الْوَصِيَّ لَمْ يَعْزِلْهُ وَلَكِنْ يُوَكِّلُ مَعَهُ غَيْرَهُ وَهُوَ رَأْيُ الْأَوْزَاعِيِّ
৩২৫৫. আওযাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ওয়াসী’ বা ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কাযী বা বিচারক অভিযুক্ত করে, সে তাকে প্রত্যাহার করে নেবে না। তবে সে তার সাথে অন্য কাউকে এর দায়িত্বে নিয়োজিত করবে। আর এটি আওযাঈ’র মত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম মুদাল্লিস, আর তিনি এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। তবে আছার বা হাদীসটি হাসান।
তাখরীজ: দেখুন, ইবনু আবী শাইবা নং ১০৯২২; আব্দুর রাযযাক নং ১৪৮১১।
সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৪১;
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ عَامِرٍ قَالَ يَجُوزُ بَيْعُ الْمَرِيضِ وَشِرَاؤُهُ وَنِكَاحُهُ وَلَا يَكُونُ مِنْ الثُّلُثِ
৩২৫৬. শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আমির (রহঃ) বলেন, অসুস্থ ব্যক্তির ক্রয়-বিক্রয় ও বিবাহ জায়িয (বৈধ), তবে তা এক-তৃতীয়াংশ থেকে (অধিক) হতে পারবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, শারীক এর কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৩৬২ যঈফ সনদে।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الْحَارِثِ الْعُكْلِيِّ قَالَ مَا حَابَى بِهِ الْمَرِيضُ فِي مَرَضِهِ مِنْ بَيْعٍ أَوْ شِرَاءٍ فَهُوَ فِي ثُلُثِهِ قِيمَةُ عَدْلٍ
৩২৫৭. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, হারিস আল উকলী বলেন, অসুস্থ ব্যক্তির অসুস্থতার সময় ক্রয় বা বিক্রয়ের যে সুবিধা দেওয়া যাবে, তা তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদের সমমূল্যের হতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ قَالَ أَعْطَتْ امْرَأَةٌ مِنْ أَهْلِنَا وَهِيَ حَامِلٌ فَسُئِلَ الْقَاسِمُ فَقَالَ هُوَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ قَالَ يَحْيَى وَنَحْنُ نَقُولُ إِذَا ضَرَبَهَا الْمَخَاضُ فَمَا أَعْطَتْ فَمِنْ الثُّلُثِ
৩২৫৮. হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাদের পরিবারের কোনো এক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় (সম্পদ) দান (করার ঘোষণা) করলো। কাসিম কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তার সমুদয় মালই দান করতে হবে। কিন্তু ইয়াহইয়া বলেন, আমাদের মত হলো: যখন তার প্রসব বেদনা উঠবে, তখন তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে সে দান করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২১১ নং ১১০০৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৮৭।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ قَالَ لِغُلَامِهِ إِنْ دَخَلْتُ دَارَ فُلَانٍ فَغُلَامِي حُرٌّ ثُمَّ دَخَلَهَا وَهُوَ مَرِيضٌ قَالَ يُعْتَقُ مِنْ الثُّلُثِ وَإِنْ دَخَلَ فِي صِحَّتِهِ عُتِقَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ
৩২৫৯. আমর হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার দাসকে বললো, আমি যদি অমুকের ঘরে প্রবেশ করি, তবে আমার দাস মুক্তি লাভ করবে। এরপর সেই লোকের অসুস্থ অবস্থায় সে তার নিকট প্রবেশ করল- এ ব্যক্তি সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, সে লোক তাকে এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে মুক্তিদান করবে। আর যদি সে তার সুস্থ অবস্থায় তার নিকট যায়, তবে তার পুরো সম্পদ দান করে হলেও গোলামকে মুক্তি দান করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আমরের কারণে, তিনি ইবনু উবাইদ ইবনু বাব। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ৬/৪৯৫, ৪৯৬ নং ১৮১০, ১৮১৩।
حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنَا النُّعْمَانُ بْنُ الْمُنْذِرِ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ إِذَا كَانَ الْوَرَثَةُ مَحَاوِيجَ فَلَا أَرَى بَأْسًا أَنْ يُرَدَّ عَلَيْهِمْ مِنْ الثُّلُثِ قَالَ يَحْيَى فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلْأَوْزَاعِيِّ فَأَعْجَبَهُ
৩২৬০. নু’মান ইবনুল মুনযির হতে বর্ণিত, মাকহুল (রহঃ) বলেন, যদি ওয়ারিসগণ অভাবী-দরিদ্র হয়, তবে (ওয়াসীয়াতের) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ পুনরায় তাদের মাঝে বন্টন করে দেওয়াতে আমি কোনো দোষ আছে বলে মনে করি না।ইয়াহইয়া বলেন, আমি এটি আওযাঈ (রহঃ) এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বিস্মিত হন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তবে মাকহুলের বক্তব্য হিসেবে এটি আমি জানতে পারিনি।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ ح وَأَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَا إِذَا شَهِدَ شَاهِدَانِ مِنْ الْوَرَثَةِ جَازَ عَلَى جَمِيعِهِمْ وَإِذَا شَهِدَ وَاحِدٌ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ
৩২৬১. ইউনূসের সূত্রে হাসান (রহঃ) হতে[1] এবং মুগীরাহ’র সূত্রে ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেছেন: ওয়ারীসদের মধ্য থেকে দু’জন সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকলে তাদের সকলের পক্ষে তারা দু’জনই যথেষ্ট হবে।[2]আর যখন একজন উপস্থিত থাকবে, তখন তা (কার্যকর) হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগে তার অংশ দ্বারা।[3]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫০; আব্দুর রাযযাক নং ১৯১৪৪। এটি হাসান থেকে মাশহুর। তবে ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫৮ তে হাসান হতে বর্ণনা করেছেন যে, যদি ওয়ারীসদের একজন উপস্থিত থাকে তবে, তা তাদের সকলের পক্ষ হতে যথেষ্ট হবে।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৯১৪৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫৬ সহীহ সনদে।
[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((এর তাহক্বীক্ব মুহাক্বিক্ব উল্লেখ করেননি। তবে পূর্বের সনদ এ সনদ একই। ফলে এটিও সহীহ।–অনুবাদক))
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৮।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ أَنَّهُ سَمِعَ الشَّعْبِيَّ يَقُولُ إِذَا شَهِدَ رَجُلٌ مِنْ الْوَرَثَةِ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي جَمِيعِ حِصَّتِهِ
৩২৬২. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, তিনি শা’বী (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন, তা হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগ থেকে তার অংশ দ্বারা। অত:পর তিনি বললেন: এরপর তার পুরো অংশে কার্যকর হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৯; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩১৫।