সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ قَرَأَ رَجُلٌ عِنْدَ أَنَسٍ بِلَحْنٍ مِنْ هَذِهِ الْأَلْحَانِ فَكَرِهَ ذَلِكَ أَنَسٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَقَالَ غَيْرُهُ قَرَأَ غُورَكُ بْنُ أَبِي الْخِضْرِمِ
৩৫৪১. আব্দুল্লাহ ইবনু ইদরীস হতে বর্ণিত, আ’মাশ (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট গানের সুরে কুরআন পাঠ করল। তখন আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সেটি অপছন্দ করলেন।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, অপরজন বর্ণনা করেছেন: কুরআন পাঠ করলো গুরাক ইবনু আবীল খাযরাম।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আ’মাশ পর্যন্ত সহীহ। এটি তার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০০/৪৬৬ নং ৯৯৯৮।
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ هَذِهِ الْأَلْحَانَ فِي الْقُرْآنِ مُحْدَثَةً
৩৫৪২. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ বলেন, তারা কুরআনকে এরূপ গানের সুরে পাঠ করাকে বিদআত (নব উদ্ভাবন) মনে করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেননি।–অনুবাদক)
কাযীউল কুযাত আল মারওয়ারদী তার কিতাব, “আল হাবী“ তে বলেন: সূর করে কুরআন পাঠের বিষয় হলো, যদি কুরআনের শব্দে অতিরিক্ত হরকত যোগ করার দ্বারা শব্দকে তার ‘সীগাহ’ হতে বের হয়ে যায়; অথবা, হরকতসমূহকে শব্দ থেকে বাদ দেওয়া, কিংবা মদ্দ’ বা লম্বা টানযুক্ত শব্দকে খাটো টানে পড়া, অথবা, খাটো টানকে লম্বা করে পড়া অথবা, এমনভাবে টেনে পড়া যাতে শব্দটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শব্দের অর্থ অস্পষ্ট হয়ে যায়- এসবই হারাম, এরূপ পাঠকারী গুনাহগার হবে….।“
কিতাব মুসনাদু দারেমী শেষ হলো, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। এর উপর মন্তব্য করেছেন ফাকীহ মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল হামীদ আল কারশী আল মিসরী মক্কায় অবস্থান করছেন। আর এটি ছিল হারাম শরীফের মাদরাসাতু মানসুরিয়াহ’তে। আল্লাহ এর দ্বারা উপকৃত করুন…।