হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (623)


أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا مِنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رُدُّوا الْحَدِيثَ وَاسْتَذْكِرُوهُ فَإِنَّهُ إِنْ لَمْ تَذْكُرُوهُ ذَهَبَ وَلَا يَقُولَنَّ رَجُلٌ لِحَدِيثٍ قَدْ حَدَّثَهُ قَدْ حَدَّثْتُهُ مَرَّةً فَإِنَّهُ مَنْ كَانَ سَمِعَهُ يَزْدَادُ بِهِ عِلْمًا وَيَسْمَعُ مَنْ لَمْ يَسْمَعْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف مندل بن علي




৬২৩. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: তোমরা হাদীস পুনঃপুনঃ পড়তে থাক এবং তা মুখস্ত করো। কেননা, তোমরা যদি হাদীস মুখস্ত না করো (না পড়ো), তবে তা বিদায় নেবে। আর কোনো ব্যক্তি কোনো হাদীস বর্ণনা করে, (তাকে সেটি পুনরায় বর্ণনা করতে বললে সে) যেন এ কথা না বলে: আমি তো সেটি একবার বর্ণনা করেছি, (পুনরায় বর্ণনা করব না)। কেননা, যে ব্যক্তি তা শুনবে, তা দ্বারা তার ইলম বৃদ্ধি পাবে, আর যে হাদীসটি শোনেনি তাকে সে শুনাতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। মানদাল ইবনু আলী যঈফ।









সুনান আদ-দারিমী (624)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ تَذَاكَرُوا فَإِنَّ إِحْيَاءَ الْحَدِيثِ مُذَاكَرَتُهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




৬২৪. আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা বলেন: তোমরা (হাদীস নিয়ে) পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাক, কেননা, হাদীস পুনর্জীবিত করা হলো তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী ৬৩৪ নং হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (625)


أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ وَمُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ تَذَاكَرُوا الْحَدِيثَ فَإِنَّ ذِكْرَهُ حَيَاتُهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬২৫. আলকামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তোমরা হাদীস নিয়ে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাক, কেননা, হাদীস নিয়ে আলাপ-আলোচনা করাই হলো একে পুনর্জীবিত করা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৪; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/১০১; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নয় ৭২৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৭; এ সনদ অন্ধকারাচ্ছন্ন।









সুনান আদ-দারিমী (626)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ كَانَ ابْنُ شِهَابٍ يُحَدِّثُ الْأَعْرَابَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬২৬. যিয়াদ ইবনু সা’দ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনু শিহাব (যুহরী) রাহিমাহুল্লাহ বেদু’ঈনদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৮; দেখুন আয যুহরী, নং নং ২৮৮, ২৮৯।









সুনান আদ-দারিমী (627)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ كَانَ إِسْمَعِيلُ بْنُ رَجَاءٍ يَجْمَعُ صِبْيَانَ الْكُتَّابِ يُحَدِّثُهُمْ يَتَحَفَّظُ بِذَاكَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬২৭. আ’মাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনু রাজা’ মকতবের দুইজন বালককে একত্রিত করে তাদের নিকটও হাদীস বর্ণনা করতেন। এভাবে তিনি (হাদীস) মুখস্ত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৯,৬৩৮, ৭১২; খতীব, আল জামি’ নং ৬৮০; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৩ নং ৬১৮৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭৩।









সুনান আদ-দারিমী (628)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّقَرِيِّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ حَدِّثْ حَدِيثَكَ مَنْ يَشْتَهِيهِ وَمَنْ لَا يَشْتَهِيهِ فَإِنَّهُ يَصِيرُ عِنْدَكَ كَأَنَّهُ إِمَامٌ تَقْرَؤُهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬২৮. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আগ্রহী ও অনাগ্রহী উভয়ের নিকটই তুমি তোমার হাদীস বর্ণনা কর, কেননা, তোমার নিকট তা হবে একটি গ্রন্থের মতো, যেন তুমি তা পাঠ করছ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৫, ১৮৮৬; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৮৮; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৬৩০।









সুনান আদ-দারিমী (629)


أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ السَّلَامِ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا سَمِعْتُمْ مِنَّا حَدِيثًا فَتَذَاكَرُوهُ بَيْنَكُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :حجاج بن أرطاة ضعيف




৬২৯. আতা রাহি. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমরা যখন আমাদের নিকট থেকে কোনো হাদীস শ্রবণ করবে, তখন তোমাদের মাঝে সেটি নিয়ে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করবে।[1]

[1] তাহক্বক্বি: হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ যঈফ। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৪৬৯; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৮।









সুনান আদ-দারিমী (630)


أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ هُشَيْمٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ قَالَ كُنَّا نَأْتِي الْحَسَنَ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا بَيْنَنَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح




৬৩০. ইউনূস বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হাসান রাহিমাহুল্লাহ’র নিকট এলাম (এবং তার নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করলাম)। আর যখন আমরা তার নিকট থেকে বের হয়ে গেলাম, তখন (সেগুলি) নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করতে থাকলাম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (631)


أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حُنَيْنِ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَرْوِيَ حَدِيثًا فَلْيُرَدِّدْهُ ثَلَاثًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৬৩১. নাফি’ রাহি. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমাদের কেউ যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করে, তখন সে যেন সেটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করে।[1]

[1] তাহক্বীক্বি এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৬৪০।









সুনান আদ-দারিমী (632)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ إِحْيَاءُ الْحَدِيثِ مُذَاكَرَتُهُ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ يَرْحَمُكَ اللَّهُ كَمْ مِنْ حَدِيثٍ أَحْيَيْتَهُ فِي صَدْرِي كَانَ قَدْ مَاتَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد




৬৩২. আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা বলেন: হাদীসকে পুনরুজ্জীবিত করার অর্থ হলো তা পরস্পর আলাপ-আলোচনা করা। তখন আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ বলেন: আল্লাহ আপনাকে রহম করুন! যে হাদীস মরে গেছে তা আপনি কিভাবে আপনার অন্তরে পুনর্জীবিত করবেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ যঈফ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৪৭২, ১৮৯৫; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৮৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৩১, ৭০৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭২।









সুনান আদ-দারিমী (633)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ الْعُكْلِيُّ وَابْنُ شُبْرُمَةَ وَالْقَعْقَاعُ بْنُ يَزِيدَ وَمُغِيرَةُ إِذَا صَلَّوْا الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ جَلَسُوا فِي الْفِقْهِ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَهُمْ إِلَّا أَذَانُ الصُّبْحِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৩৩. মুহাম্মদ ইবনু ফুযাইল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, হারিস ইবনু ইয়াযীদ আল উকলী, ইবনু শুবরুমাহ, কা’কা’ ইবনু ইয়াযীদ এবং মুগীরাহ ঈশা’র সালাতের পর ফিকহ্ (গভীর জ্ঞান) সম্পর্কে (আলোচনায়) বসে যেতেন। একমাত্র ফযরের আযানই তাদেরকে (এ আলোচনা হতে) পৃথক করতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১০৭; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ২/৬১৪। সামনে আসছে (৬৪২) ৬৪৪ নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (634)


أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ قَالَ سَمِعْتُ شَرِيكًا ذَكَرَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَطَاءٍ وَطَاوُسٍ وَمُجَاهِدٍ قَالَ عَنْ اثْنَيْنِ مِنْهُمْ لَا بَأْسَ بِالسَّمَرِ فِي الْفِقْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم




৬৩৪. লাইছ হতে বর্ণিত, আতা, তাউস ও মুজাহিদ রাহিমাহুমুল্লাহ-এর মধ্য থেকে দু’জন বলেছেন: ফিকহ্ সম্পর্কে আলোচনা করে রাত কাটানো কোনো দোষের কাজ নয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, লাইছ যঈফ। আগের টীকাটি দেখুন।

তাখরীজ: মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক।









সুনান আদ-দারিমী (635)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ لَا بَأْسَ بِالسَّمَرِ فِي الْفِقْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




৬৩৫. লাইছ থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ফিকহ্ সম্পর্কে আলোচনা করে রাত কাটানোতে কোনো দোষ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১১০; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৯৫৫।









সুনান আদ-দারিমী (636)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَفْصٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنْ اللَّيْلِ خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ابن جريج لم يدرك ابن عباس




৬৩৬. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহ zwj;আনহুমা বলেন: রাতে এক ঘণ্টা সময় জ্ঞান চর্চা করা (নফল ইবাদতে) রাত্রি জাগরণ করার চেয়ে উত্তম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ ইবনু আব্বাসের সাক্ষাৎ লাভ করেননি।

তাখরীজ: মা’মার, জামি’ নং ২০৪৬৯ (মুসান্নাফ ইবনু আব্দুর রাযযাকের সাথে সন্নিবেশিত) কাতাদাহ হতে, কাতাদাও ইবনু আব্বাসের সাক্ষাৎ পাননি। ইবনু আব্দুল বার, জামি বায়ানিল ইলম নং ১০৭; পূর্বে গত হয়েছে ২৭১; আরও দেখুন মিশকাত নং ২৫৯।









সুনান আদ-দারিমী (637)


أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى عَنْ هُشَيْمٍ أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ كُنَّا نَأْتِي جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا فَكَانَ أَبُو الزُّبَيْرِ أَحْفَظَنَا لِحَدِيثِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف حجاج وهو: ابن أبي أرطاة




৬৩৭. আতা রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমরা জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট যেতাম (এবং তার নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করতাম)। আর যখন আমরা তার নিকট থেকে বের হয়ে আসতাম, তখন (সেগুলি) নিজেদের মধ্যে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাকতাম। তখন আবু যুবাইর তার হাদীসের জন্য আমাদেরকে উত্তেজিত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, হাজ্জাজ যঈফ।

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭৯; খতীব, আল জামি’ নং ৪৭১।









সুনান আদ-দারিমী (638)


أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ سَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ تَذَاكَرَ ابْنُ شِهَابٍ لَيْلَةً بَعْدَ الْعِشَاءِ حَدِيثًا وَهُوَ جَالِسٌ مُتَوَضِّئًا قَالَ فَمَا زَالَ ذَلِكَ مَجْلِسَهُ حَتَّى أَصْبَحَ قَالَ مَرْوَانُ جَعَلَ يَتَذَاكَرُ الْحَدِيثَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৩৮. মারওয়ান ইবনু মুহাম্মদ বলেন, আমি লাইছ ইবনু সা’দকে বলতে শুনেছি, ইবনু শিহাব (যুহুরী) রাহিমাহু্ল্লাহ রাতে ঈশার সালাতের পরে অযু অবস্থায় বসে হাদীস আলোচনা করতেন। তিনি বলেন: তার এ মাজলিস সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতো। মারওয়ান বলেন: তিনি হাদীসের আলোচনাই চালিয়ে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, তারীখ দিমাশক- আয zwj;যুহরী নং ৯৫, ৯৬ সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (639)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ كُنْتُ إِذَا لَقِيتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَكَأَنَّمَا أَفْجُرُ بِهِ بَحْرًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৩৯. মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক থেকে বর্ণিত, যুহরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমি যখন উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি.-এর সাথে সাক্ষাৎ (করে তাকে প্রশ্ন) করতাম, তখন মনে হতো যেন আমি কোনো এক সাগরকে সবেগে প্রবাহিত করে দিয়েছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইবনু ইসহাক্ থেকে ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭১১ নং ৬১০৮, ১৩/৮৯ নং ১৫৭৮৩; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ১/৫৬১ সহীহ সনদে। দেখুন মা’রিফাহ ১/২৫৫, ৬২২ ও তারীখ, ইবনু আসাকীর- যুহরী নং ২২৭।









সুনান আদ-দারিমী (640)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ الْحَارِثُ الْعُكْلِيُّ وَأَصْحَابُهُ يَتَجَالَسُونَ بِاللَّيْلِ وَيَذْكُرُونَ الْفِقْهَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




৬৪০. জারীর থেকে বর্ণিত, উছমান ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি. বলেন: হারিস আল উকলী ও তার সাথীরা রাতে বসে ফিকহ নিয়ে আলাপ আলোচনা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে আগে এটি সহীহ সনদে গত হয়েছে ৬৩৫ নং এ।

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক।









সুনান আদ-দারিমী (641)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ أَوْ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ فَإِنَّ حَيَاتَهُ مُذَاكَرَتُهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف أبي إسرائيل وهو: إسماعيل بن خليفة لكن الأثر صحيح بشواهده




৬৪১. আবুল আহওয়াস থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা পরস্পর হাদীস আলোচনা কর, কেননা, তা পুনর্জীবিত করা হলো তা নিয়ে পরস্পর আলোচনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, আবু ইসরাঈল যঈফ। এর যঈফ হওয়ার কারণ আতা হতে হাদীস শোনা হতে তার পিছিয়ে থাকা। তবে আছারটি সহীহ এর শাহিদ এর কারণে। দেখুন নং ৬১৭, ৬২৬, ৬২৭।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৬।









সুনান আদ-দারিমী (642)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ عَوْنٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لِأَصْحَابِهِ حِينَ قَدِمُوا عَلَيْهِ هَلْ تَجَالَسُونَ قَالُوا لَيْسَ نُتْرَكُ وَذَاكَ قَالَ فَهَلْ تَزَاوَرُونَ قَالُوا نَعَمْ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الرَّجُلَ مِنَّا لَيَفْقِدُ أَخَاهُ فَيَمْشِي فِي طَلَبِهِ إِلَى أَقْصَى الْكُوفَةِ حَتَّى يَلْقَاهُ قَالَ فَإِنَّكُمْ لَنْ تَزَالُوا بِخَيْرٍ مَا فَعَلْتُمْ ذَلِكَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والإنقطاع




৬৪২. আউন বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথীরা যখন তাঁর নিকট উপস্থিত হলো, তখন তিনি তাদেরকে বললেন: তোমরা কি একত্রে বসবে? তারা বলল, না, আমরা সেটি (বসা) পরিত্যাগ করলাম। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে কি তোমরা পরস্পরকে দেখতে এসেছো? তারা বললেন: হাঁ। হে আবু আব্দুর রহমান, আমাদের এক ব্যক্তি তার এক ভাইকে হারিয়ে ফেলেছিল, ফলে তার খোঁজে সে কুফার উপকণ্ঠ পর্যন্ত হেঁটে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর সে তাকে পেয়ে গেলো। তখন তিনি বললেন: তোমরা যতক্ষণ এটি করতে থাকবে ততক্ষণ তোমরা কল্যাণের মধ্যেই থাকবে।[1]

[1] তাহ্কীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল মাসউদী যঈফ। ২. ইনকিতা। আউন ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ রা: এর সাক্ষাৎ লাভ করেন নি।

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৯/২২৬ নং ৮৯৭৯