সহীহ মুসলিম
وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ، بْنُ أَبِي خَلَفٍ حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، جَمِيعًا عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَ حَدِيثِهِمَا وَفِي حَدِيثِ سُفْيَانَ الْمُتْعَةُ فِي الْحَجِّ .
২৮৬১-(.../...) আমর আন নাকিদ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... সুলায়মান আত তায়মী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে উভয়ের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং সুফইয়ানের হাদীসে তামাত্তু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৩৬)
وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي، الْعَلاَءِ عَنْ مُطَرِّفٍ، قَالَ قَالَ لِي عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ إِنِّي لأُحَدِّثُكَ بِالْحَدِيثِ الْيَوْمَ يَنْفَعُكَ اللَّهُ بِهِ بَعْدَ الْيَوْمِ وَاعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أَعْمَرَ طَائِفَةً مِنْ أَهْلِهِ فِي الْعَشْرِ فَلَمْ تَنْزِلْ آيَةٌ تَنْسَخُ ذَلِكَ وَلَمْ يَنْهَ عَنْهُ حَتَّى مَضَى لِوَجْهِهِ ارْتَأَى كُلُّ امْرِئٍ بَعْدُ مَا شَاءَ أَنْ يَرْتَئِيَ .
২১৬২-(১৬৫/১২২৬) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেন, আমি আজ তোমাকে একটি হাদীস বলব, পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তা'আলা এর দ্বারা তোমাকে উপকৃত করবেন। জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে যিলহাজ্জ মাসের দশ তারিখের মধ্যে উমরাহ করিয়েছিলেন। এটা রহিত করে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ইন্তিকাল পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরে লোকেরা নিজ নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৩৭)
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، كِلاَهُمَا عَنْ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ ابْنُ حَاتِمٍ فِي رِوَايَتِهِ ارْتَأَى رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ . يَعْنِي عُمَرَ .
২৮৬৩-(১৬৬/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আল জুরায়রী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে হাতিম তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, "এক ব্যক্তি অর্থাৎ উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৩৮)
وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، قَالَ قَالَ لِي عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ أُحَدِّثُكَ حَدِيثًا عَسَى اللَّهُ أَنْ يَنْفَعَكَ بِهِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَ حَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ ثُمَّ لَمْ يَنْهَ عَنْهُ حَتَّى مَاتَ وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهِ قُرْآنٌ يُحَرِّمُهُ وَقَدْ كَانَ يُسَلَّمُ عَلَىَّ حَتَّى اكْتَوَيْتُ فَتُرِكْتُ ثُمَّ تَرَكْتُ الْكَىَّ فَعَادَ .
২৮৬৪-(১৬৭/...) উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদীস শুনাব। আশা করি, আল্লাহ তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এরূপ করতে নিষেধ করেননি এবং তা হারাম বলে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। (রোগের কারণে) তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে (ফেরেশতাগণ কর্তৃক) সালাম দেয়া অব্যাহত ছিল। আমি দাগ গ্রহণ করলে সালাম দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবার যখন দাগ দেয়া বন্ধ করলাম, পুনরায় সালাম দেয়া শুরু হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৩৯)
حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُطَرِّفًا، قَالَ قَالَ لِي عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ . بِمِثْلِ حَدِيثِ مُعَاذٍ .
২৮৬৫-(০০/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ... মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেন ... পরবর্তী অংশ উপরোক্ত মুআয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪০)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، قَالَ بَعَثَ إِلَىَّ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فِي مَرَضِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ فَقَالَ إِنِّي كُنْتُ مُحَدِّثَكَ بِأَحَادِيثَ لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَنْفَعَكَ بِهَا بَعْدِي فَإِنْ عِشْتُ فَاكْتُمْ عَنِّي وَإِنْ مُتُّ فَحَدِّثْ بِهَا إِنْ شِئْتَ إِنَّهُ قَدْ سُلِّمَ عَلَىَّ وَاعْلَمْ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ جَمَعَ بَيْنَ حَجٍّ وَعُمْرَةٍ ثُمَّ لَمْ يَنْزِلْ فِيهَا كِتَابُ اللَّهِ وَلَمْ يَنْهَ عَنْهَا نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ رَجُلٌ فِيهَا بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ .
২৮৬৬-(১৬৮/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মৃত্যুকালীন রোগে আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কয়েকটি হাদীস বলব, আশা করি আল্লাহ তা'আলা আমার পরে তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। আমি বেঁচে থাকলে তুমি আমার সূত্রে বর্ণনা করা গোপন রাখবে। আর আমি মারা গেলে তুমি চাইলে তা বর্ণনা করতে পার। আমাকে সালাম করা হতো। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। অতঃপর এ বিষয়ে কোন আয়াতও নাযিল হয়নি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তা নিষিদ্ধ করেননি। এক ব্যক্তি (উমার) এ বিষয়ে যা ইচ্ছা করলেন, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪১)
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، - رضى الله عنه - قَالَ اعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَ حَجٍّ وَعُمْرَةٍ ثُمَّ لَمْ يَنْزِلْ فِيهَا كِتَابٌ وَلَمْ يَنْهَنَا عَنْهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ فِيهَا رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ .
২৮৬৭-(১৬৯/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে (একই ইহরামে) আদায় করেছেন। এরপর এ বিষয়ে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও অনুরূপ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেননি। এরপর এক ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪২)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - قَالَ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهِ الْقُرْآنُ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ
২৮৬৮-(১৭০/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। এ বিষয়ে কুরআনে কোন আয়াত নাযিল হয়নি। এক ব্যক্তি ইচ্ছামত যা বলার, তাই বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৩)
وَحَدَّثَنِيهِ حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، - رضى الله عنه - بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ تَمَتَّعَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَمَتَّعْنَا مَعَهُ
২৮৬৯-(১৭১/...) হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৪)
حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ عُمَرَ الْبَكْرَاوِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا بِشْرُ، بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ قَالَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ نَزَلَتْ آيَةُ الْمُتْعَةِ فِي كِتَابِ اللَّهِ - يَعْنِي مُتْعَةَ الْحَجِّ - وَأَمَرَنَا بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ لَمْ تَنْزِلْ آيَةٌ تَنْسَخُ آيَةَ مُتْعَةِ الْحَجِّ وَلَمْ يَنْهَ عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى مَاتَ . قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ بَعْدُ مَا شَاءَ .
২৮৭০-(১৭২/...) হামিদ ইবনু উমার আল বাকরাবী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকদামী (রহঃ) ...... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে মুত'আহ্ অর্থাৎ তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কে আয়াত নাযিল হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কিত আয়াত রহিতকারী কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরবর্তীকালে এক ব্যক্তি নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তাই বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৫)
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَصِيرِ، حَدَّثَنَا أَبُو رَجَاءٍ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، . بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَفَعَلْنَاهَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَقُلْ وَأَمَرَنَا بِهَا .
২৮৭১-(১৭৩/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন, "আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি।" তিনি এরূপ বলেননি "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৬)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، حَدَّثَنِي عُقَيْلُ بْنُ، خَالِدٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ تَمَتَّعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ وَأَهْدَى فَسَاقَ مَعَهُ الْهَدْىَ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ وَبَدَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ ثُمَّ أَهَلَّ بِالْحَجِّ وَتَمَتَّعَ النَّاسُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَكَانَ مِنَ النَّاسِ مَنْ أَهْدَى فَسَاقَ الْهَدْىَ وَمِنْهُمْ مَنْ لَمْ يُهْدِ فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ قَالَ لِلنَّاسِ " مَنْ كَانَ مِنْكُمْ أَهْدَى فَإِنَّهُ لاَ يَحِلُّ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى يَقْضِيَ حَجَّهُ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ مِنْكُمْ أَهْدَى فَلْيَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلْيُقَصِّرْ وَلْيَحْلِلْ ثُمَّ لْيُهِلَّ بِالْحَجِّ وَلْيُهْدِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ هَدْيًا فَلْيَصُمْ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةً إِذَا رَجَعَ إِلَى أَهْلِهِ " . وَطَافَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَدِمَ مَكَّةَ فَاسْتَلَمَ الرُّكْنَ أَوَّلَ شَىْءٍ ثُمَّ خَبَّ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ مِنَ السَّبْعِ وَمَشَى أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ ثُمَّ رَكَعَ - حِينَ قَضَى طَوَافَهُ بِالْبَيْتِ عِنْدَ الْمَقَامِ - رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَانْصَرَفَ فَأَتَى الصَّفَا فَطَافَ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ سَبْعَةَ أَطْوَافٍ ثُمَّ لَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى قَضَى حَجَّهُ وَنَحَرَ هَدْيَهُ يَوْمَ النَّحْرِ وَأَفَاضَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ حَلَّ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ وَفَعَلَ مِثْلَ مَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ أَهْدَى وَسَاقَ الْهَدْىَ مِنَ النَّاسِ .
২৮৭২-(১৭৪/১২২৭) আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, বিদায় হাজ্জে (হজ্জে/হজে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু করেছেন, প্রথমে উমরাহ ও পরে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন এবং পশু কুরবানী করেছেন। তিনি যুল হুলায়ফাহ থেকে সাথে করে কুরবানীর পশু নিয়েছিলেন। এখান থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে 'উমরার, অতঃপর হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন। লোকেরাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সাথে উমরাহ যুক্ত করে তামাত্তু করেছে। কতক লোকেরা কুরবানীর পশু সাথে নিয়েছিল, আর কতকের কুরবানীর পশু ছিল না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কা (মক্কা)-তে উপনীত হয়ে লোকদের উদ্দেশে বললেন, তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে, হাজ্জ শেষ না করা পর্যন্ত তাদের জন্য (সাময়িকভাবে) নিষিদ্ধ কোন জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু নেই- তারা যেন বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে মাথার চুল খাটো করার পর ইহরাম খুলে ফেলে।
অতঃপর তারা (৮ যিলহাজ্জ) পুনরায় হাজ্জের (হজ্জের/হজের) জন্য ইহরাম বাঁধবে এবং (নির্দিষ্ট দিনে) কুরবানী করবে। কোন ব্যক্তি কুরবানীর পশু না পেলে হাজ্জ চলাকালীন সময়ে তিনদিন এবং বাড়িতে ফেরার পর সাতদিন সওম পালন করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে প্রথমে রুকনে (হাজারে আসওয়াদ) স্পর্শ করলেন, অতঃপর বায়তুল্লাহ এর তাওয়াফ করলেন- তিন চক্কর সামান্য দ্রুতগতিতে এবং চার চক্কর ধীরগতিতে।
বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) সমাপ্ত করে তিনি মাকামে ইবরাহীমের নিকট দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষ করলেন। অতঃপর তিনি সাফা পাহাড়ে এলেন এবং সাফা-মারওয়াহ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাতবার সাঈ করলেন। এরপর তিনি কোন জিনিস হালাল করেননি- যা হারাম হয়েছিল (ইহরামের কারণে অর্থাৎ তিনি ইহরামমুক্ত হননি) যে পর্যন্ত না হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন করেন এবং কুরবানীর দিন নিজের পশু কুরবানী না করেন এবং কাবাহ ঘর-এর তাওয়াফ করেছেন। অতঃপর যে সব জিনিস হারাম ছিল, তা তার জন্য হালাল হয়ে গেল (অর্থাৎ তিনি ইহরাম খুললেন) আর যেসব লোক সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছিল, তারাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুরূপ করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৭)
وَحَدَّثَنِيهِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي تَمَتُّعِهِ بِالْحَجِّ إِلَى الْعُمْرَةِ وَتَمَتُّعِ النَّاسِ مَعَهُ بِمِثْلِ الَّذِي أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنه - عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
২৮৭৩-(১৭৫/১২২৮) আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) .... উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পালন এবং তার সাথের লোকদের তামাত্তু হাজ্জ সম্পাদন সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৮)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ حَفْصَةَ، - رضى الله عنهم - زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا شَأْنُ النَّاسِ حَلُّوا وَلَمْ تَحْلِلْ أَنْتَ مِنْ عُمْرَتِكَ قَالَ " إِنِّي لَبَّدْتُ رَأْسِي وَقَلَّدْتُ هَدْيِي فَلاَ أَحِلُّ حَتَّى أَنْحَرَ " .
২৮৭৪-(১৭৬/১২২৯) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরামমুক্ত হল অথচ আপনি উমরাহ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি আমার মাথার চুল জমাট করেছি এবং কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি। অতএব আমি কুরবানী না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৪৯)
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، - رضى الله عنهم - قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لَكَ لَمْ تَحِلَّ بِنَحْوِهِ .
২৮৭৫-(.../...) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... হাফসাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, আপনি ইহরাম খুলেননি? ... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫০)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، - رضى الله عنهم - قَالَتْ قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا شَأْنُ النَّاسِ حَلُّوا وَلَمْ تَحِلَّ مِنْ عُمْرَتِكَ قَالَ " إِنِّي قَلَّدْتُ هَدْيِي وَلَبَّدْتُ رَأْسِي فَلاَ أَحِلُّ حَتَّى أَحِلَّ مِنَ الْحَجِّ " .
২৮৭৬-(১৭৭/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হাফসাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরাম খুলেছে অথচ আপনি উমরাহ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি এবং মাথার চুল জমাট করেছি। অতএব হাজ্জের (হজ্জের/হজের) যাবতীয় অনুষ্ঠান শেষ না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারব না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫১)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ حَفْصَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ . بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ " فَلاَ أَحِلُّ حَتَّى أَنْحَرَ " .
২৮৭৭-(১৭৮/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ..... মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ- কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫২)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمَخْزُومِيُّ، وَعَبْدُ الْمَجِيدِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ، - رضى الله عنها - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ أَزْوَاجَهُ أَنْ يَحْلِلْنَ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ . قَالَتْ حَفْصَةُ فَقُلْتُ مَا يَمْنَعُكَ أَنْ تَحِلَّ قَالَ " إِنِّي لَبَّدْتُ رَأْسِي وَقَلَّدْتُ هَدْيِي فَلاَ أَحِلُّ حَتَّى أَنْحَرَ هَدْيِي " .
২৮৭৮-(১৭৯/...) ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হাজের (হজ্জের/হজের) দিন তার স্ত্রীদের (উমরাহ সমাপনের পর) নির্দেশ দিলেন তারা যেন ইহরাম খুলেন। হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বললাম, আপনাকে ইহরাম খুলতে কিসে বাধা দিচ্ছে? তিনি বললেন, আমি মাথার চুল আঠালো করেছি এবং সাথে কুরবানীর পশু এনেছি। অতএব পশু কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৩)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - خَرَجَ فِي الْفِتْنَةِ مُعْتَمِرًا وَقَالَ إِنْ صُدِدْتُ عَنِ الْبَيْتِ صَنَعْنَا كَمَا صَنَعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَجَ فَأَهَلَّ بِعُمْرَةٍ وَسَارَ حَتَّى إِذَا ظَهَرَ عَلَى الْبَيْدَاءِ الْتَفَتَ إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ مَا أَمْرُهُمَا إِلاَّ وَاحِدٌ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ الْحَجَّ مَعَ الْعُمْرَةِ . فَخَرَجَ حَتَّى إِذَا جَاءَ الْبَيْتَ طَافَ بِهِ سَبْعًا وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ سَبْعًا لَمْ يَزِدْ عَلَيْهِ وَرَأَى أَنَّهُ مُجْزِئٌ عَنْهُ وَأَهْدَى .
২৮৭৯-(১৮০/১২৩০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে উমরাহ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রুপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও উমরাহ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জ (হজ্জ/হজ)-কে উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সাঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) ও এক সাঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৪)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، كَلَّمَا عَبْدَ اللَّهِ حِينَ نَزَلَ الْحَجَّاجُ لِقِتَالِ ابْنِ الزُّبَيْرِ قَالاَ لاَ يَضُرُّكَ أَنْ لاَ تَحُجَّ الْعَامَ فَإِنَّا نَخْشَى أَنْ يَكُونَ بَيْنَ النَّاسِ قِتَالٌ يُحَالُ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْبَيْتِ قَالَ فَإِنْ حِيلَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ فَعَلْتُ كَمَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَهُ حِينَ حَالَتْ كُفَّارُ قُرَيْشٍ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْبَيْتِ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ عُمْرَةً . فَانْطَلَقَ حَتَّى أَتَى ذَا الْحُلَيْفَةِ فَلَبَّى بِالْعُمْرَةِ ثُمَّ قَالَ إِنْ خُلِّيَ سَبِيلِي قَضَيْتُ عُمْرَتِي وَإِنْ حِيلَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ فَعَلْتُ كَمَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَهُ . ثُمَّ تَلاَ ( لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ ) ثُمَّ سَارَ حَتَّى إِذَا كَانَ بِظَهْرِ الْبَيْدَاءِ قَالَ مَا أَمْرُهُمَا إِلاَّ وَاحِدٌ إِنْ حِيلَ بَيْنِي وَبَيْنَ الْعُمْرَةِ حِيلَ بَيْنِي وَبَيْنَ الْحَجِّ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجَّةً مَعَ عُمْرَةٍ . فَانْطَلَقَ حَتَّى ابْتَاعَ بِقُدَيْدٍ هَدْيًا ثُمَّ طَافَ لَهُمَا طَوَافًا وَاحِدًا بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ لَمْ يَحِلَّ مِنْهُمَا حَتَّى حَلَّ مِنْهُمَا بِحَجَّةٍ يَوْمَ النَّحْرِ .
২৮৮০-(১৮১/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ এবং সালিম ইবনু আবদুল্লাহ উভয়ে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে কথা বললেন- যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এসেছিল। তারা উভয়ে বললেন, এ বছর হজ্জ না করলে আপনার কী ক্ষতি আছে? কারণ আমাদের আশংকা হচ্ছে- গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আপনি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌছতে পারবেন না। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, যদি তা আমার ও বায়তুল্লাহ এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়ও তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন, আমিও তদ্রুপ করব। কুরায়শ কাফিররা যখন তার ও বায়তুল্লাহর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়েছিল, এ সময় আমি তার সঙ্গে ছিলাম। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি উমরার নিয়্যত করলাম। অতঃপর তিনি রওনা হয়ে যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌছে উমরার জন্য তালবিয়াহ পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, যদি আমার পথ উন্মুক্ত থাকে, তবে আমি উমরাহ পূর্ণ করব। আর যদি আমার ও বায়তুল্লাহ এর মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন আমিও তাই করব। সে সময় আমি তার সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ "তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)।
তিনি আবার চলতে লাগলেন, যতক্ষণ না বায়দা নামক স্থানের উপকণ্ঠে পৌছলেন। এখানে পৌছে তিনি বললেনঃ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার বিধান একই। যদি আমার এবং উমরার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে আমার এবং হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মাঝেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি আমার উমরার সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ)-কেও বাধ্যতামূলক করে নিলাম। অতঃপর তিনি অগ্রসর হলেন এবং কুদায়দ নামক স্থানে পৌছে কুরবানীর পশু ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ উভয়ের জন্য এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) (সাত চক্কর) ও এক সাঈ (সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার দৌড়) করলেন এবং ইহরাম খুললেন না, বরং হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন করে কুরবানীর দিন উভয়ের ইহরাম খুললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৫)