হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (2881)


وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ أَرَادَ ابْنُ عُمَرَ الْحَجَّ حِينَ نَزَلَ الْحَجَّاجُ بِابْنِ الزُّبَيْرِ . وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ هَذِهِ الْقِصَّةِ وَقَالَ فِي آخِرِ الْحَدِيثِ وَكَانَ يَقُولُ مَنْ جَمَعَ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ كَفَاهُ طَوَافٌ وَاحِدٌ وَلَمْ يَحِلَّ حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا .




২৮৮১-(.../...) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল- ঐ বছর উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদীসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, "তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ)ই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৬)









সহীহ মুসলিম (2882)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، أَرَادَ الْحَجَّ عَامَ نَزَلَ الْحَجَّاجُ بِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّ النَّاسَ كَائِنٌ بَيْنَهُمْ قِتَالٌ وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يَصُدُّوكَ فَقَالَ لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ أَصْنَعُ كَمَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ عُمْرَةً . ثُمَّ خَرَجَ حَتَّى كَانَ بِظَاهِرِ الْبَيْدَاءِ قَالَ مَا شَأْنُ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ إِلاَّ وَاحِدٌ اشْهَدُوا - قَالَ ابْنُ رُمْحٍ أُشْهِدُكُمْ - أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجًّا مَعَ عُمْرَتِي . وَأَهْدَى هَدْيًا اشْتَرَاهُ بِقُدَيْدٍ ثُمَّ انْطَلَقَ يُهِلُّ بِهِمَا جَمِيعًا حَتَّى قَدِمَ مَكَّةَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلَمْ يَزِدْ عَلَى ذَلِكَ وَلَمْ يَنْحَرْ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ وَلَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَنَحَرَ وَحَلَقَ وَرَأَى أَنْ قَدْ قَضَى طَوَافَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ بِطَوَافِهِ الأَوَّلِ . وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ كَذَلِكَ فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .




২৮৮২-(১৮২/...) মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হল- সে বছর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হজ্জে যাবার সংকল্প করলেন। তাকে বলা হল, লোকদের মধ্যে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আমাদের আশংকা হচ্ছে- তারা আপনাকে বাধা দিবে। তিনি বললেন, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ-" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)। এরূপ পরিস্থিতিতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন, আমিও অনুরূপ করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, নিশ্চয়ই আমি উমরার সংকল্প করেছি। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। অবশেষে যখন আল বায়দার উপকণ্ঠে পৌছলেন তখন তিনি বললেন, হাজ্জ ও উমরার অবস্থা একই, তোমরা সাক্ষী থাক।

ইবনু রুমূহের বর্ণনায় আছেঃ আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি নিশ্চয়ই আমার উমরার সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অনিবার্য করে নিলাম। অতঃপর তিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে নিলেন যা তিনি কুদায়দ নামক স্থানে ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও উমরার একত্রে ইহরাম বেঁধে অগ্রসর হলেন। অবশেষে মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে তিনি বায়তুল্লাহ এর তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করলেন না। তিনি কুরবানীও করেননি। মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটেননি এবং (ইহরামের কারণে) যা কিছু তার জন্য হারাম হয়েছিল, তার কোনটি হালাল করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন ও মাথা কামালেন এবং তার মত অনুযায়ী তিনি তার প্রথম ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) দ্বারাই হাজ্জ ও উমরার তাওয়াফ সম্পাদন করে ফেলেছেন। ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৭)









সহীহ মুসলিম (2883)


حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ، حَرْبٍ حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، كِلاَهُمَا عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، . بِهَذِهِ الْقِصَّةِ . وَلَمْ يَذْكُرِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ فِي أَوَّلِ الْحَدِيثِ حِينَ قِيلَ لَهُ يَصُدُّوكَ عَنِ الْبَيْتِ . قَالَ إِذًا أَفْعَلَ كَمَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَذْكُرْ فِي آخِرِ الْحَدِيثِ هَكَذَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . كَمَا ذَكَرَهُ اللَّيْثُ .




২৮৮৩-(১৮৩/...) আবূ রবী' আয যাহরানী, আবূ কামিল ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... নাফি সূত্রে ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাকে বলা হল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রুপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন" যেমন লায়স (রহঃ) এর বর্ণনায় রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৮)









সহীহ মুসলিম (2884)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَوْنٍ الْهِلاَلِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، الْمُهَلَّبِيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - فِي رِوَايَةِ يَحْيَى - قَالَ أَهْلَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ مُفْرَدًا وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عَوْنٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهَلَّ بِالْحَجِّ مُفْرَدًا .




২৮৮৪-(১৮৪/১২৩১) ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব ও আবদুল্লাহ ইবনু আওন আল হিলালী (রহঃ) ...... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। ইয়াহইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ইফরাদ হজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু আওন এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফরাদ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৫৯)









সহীহ মুসলিম (2885)


وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ بَكْرٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُلَبِّي بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ جَمِيعًا . قَالَ بَكْرٌ فَحَدَّثْتُ بِذَلِكَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ لَبَّى بِالْحَجِّ وَحْدَهُ . فَلَقِيتُ أَنَسًا فَحَدَّثْتُهُ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ أَنَسٌ مَا تَعُدُّونَنَا إِلاَّ صِبْيَانًا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لَبَّيْكَ عُمْرَةً وَحَجًّا " .




২৮৮৫-(১৮৫/১২৩২) সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একত্রে হাজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাকর বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাকর) আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রে হাজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬০)









সহীহ মুসলিম (2886)


وَحَدَّثَنِي أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ الْعَيْشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا حَبِيبُ، بْنُ الشَّهِيدِ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ، رضى الله عنه أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَهُمَا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ قَالَ فَسَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ أَهْلَلْنَا بِالْحَجِّ . فَرَجَعْتُ إِلَى أَنَسٍ فَأَخْبَرْتُهُ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ كَأَنَّمَا كُنَّا صِبْيَانًا .




২৮৮৬-(১৮৬/...) উমাইয়্যাহ্ ইবনু বিসত্বাম আল আয়শী (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একত্রে হাজ্জ ও উমরাহ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাকর) পুনরায় আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম!* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬১)









সহীহ মুসলিম (2887)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ وَبَرَةَ، قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ أَيَصْلُحُ لِي أَنْ أَطُوفَ بِالْبَيْتِ قَبْلَ أَنْ آتِيَ الْمَوْقِفَ . فَقَالَ نَعَمْ . فَقَالَ فَإِنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ لاَ تَطُفْ بِالْبَيْتِ حَتَّى تَأْتِيَ الْمَوْقِفَ . فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ فَقَدْ حَجَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَافَ بِالْبَيْتِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَ الْمَوْقِفَ فَبِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَقُّ أَنْ تَأْخُذَ أَوْ بِقَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ إِنْ كُنْتَ صَادِقًا




২৮৮৭-(১৮৭/১২৩৩) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ওয়াবারাহ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আল মাওকিফ (আরাফাহ) এ যাবার পূর্বে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করা আমার জন্য সঠিক হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, কিন্তু ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তুমি বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করো না- যে পর্যন্ত না মাওকিফে আসো ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন এবং মাওকিফে যাবার পূর্বেই বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন। অতএব তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে বল, তোমার কাছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা মত 'আমল করা উচিত, না ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কথা মত? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬২)









সহীহ মুসলিম (2888)


وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ وَبَرَةَ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - أَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَقَدْ أَحْرَمْتُ بِالْحَجِّ فَقَالَ وَمَا يَمْنَعُكَ قَالَ إِنِّي رَأَيْتُ ابْنَ فُلاَنٍ يَكْرَهُهُ وَأَنْتَ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْهُ رَأَيْنَاهُ قَدْ فَتَنَتْهُ الدُّنْيَا . فَقَالَ وَأَيُّنَا - أَوْ أَيُّكُمْ - لَمْ تَفْتِنْهُ الدُّنْيَا ثُمَّ قَالَ رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْرَمَ بِالْحَجِّ وَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَسُنَّةُ اللَّهِ وَسُنَّةُ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم أَحَقُّ أَنْ تَتَّبِعَ مِنْ سُنَّةِ فُلاَنٍ إِنْ كُنْتَ صَادِقًا .




২৮৮৮-(১৮৮/...) কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ওয়াবারাহ (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহর তওয়াফ করব অথচ আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাঁধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে। ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ তওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৩)









সহীহ মুসলিম (2889)


حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ سَأَلْنَا ابْنَ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ، قَدِمَ بِعُمْرَةٍ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَلَمْ يَطُفْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ أَيَأْتِي امْرَأَتَهُ فَقَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا وَصَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ سَبْعًا وَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ .




২৮৮৯-(১৮৯/১২৩৪) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, উমরাহ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ তওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কাহ) আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ তওয়াফ করেন, মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সাঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৪)









সহীহ মুসলিম (2890)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ، بْنُ حُمَيْدٍ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، جَمِيعًا عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ، عُمَرَ - رضى الله عنهما - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ .




২৮৯০-(.../...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৫)









সহীহ মুসলিম (2891)


حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، - وَهُوَ ابْنُ الْحَارِثِ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ قَالَ لَهُ سَلْ لِي عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ عَنْ رَجُلٍ يُهِلُّ بِالْحَجِّ فَإِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ أَيَحِلُّ أَمْ لاَ فَإِنْ قَالَ لَكَ لاَ يَحِلُّ . فَقُلْ لَهُ إِنَّ رَجُلاً يَقُولُ ذَلِكَ - قَالَ - فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ لاَ يَحِلُّ مَنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ إِلاَّ بِالْحَجِّ . قُلْتُ فَإِنَّ رَجُلاً كَانَ يَقُولُ ذَلِكَ . قَالَ بِئْسَ مَا قَالَ فَتَصَدَّانِي الرَّجُلُ فَسَأَلَنِي فَحَدَّثْتُهُ فَقَالَ فَقُلْ لَهُ فَإِنَّ رَجُلاً كَانَ يُخْبِرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ فَعَلَ ذَلِكَ وَمَا شَأْنُ أَسْمَاءَ وَالزُّبَيْرِ فَعَلاَ ذَلِكَ . قَالَ فَجِئْتُهُ فَذَكَرْتُ لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ مَنْ هَذَا فَقُلْتُ لاَ أَدْرِي . قَالَ فَمَا بَالُهُ لاَ يَأْتِينِي بِنَفْسِهِ يَسْأَلُنِي أَظُنُّهُ عِرَاقِيًّا . قُلْتُ لاَ أَدْرِي . قَالَ فَإِنَّهُ قَدْ كَذَبَ قَدْ حَجَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ - رضى الله عنها - أَنَّ أَوَّلَ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ حِينَ قَدِمَ مَكَّةَ أَنَّهُ تَوَضَّأَ ثُمَّ طَافَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ حَجَّ أَبُو بَكْرٍ فَكَانَ أَوَّلَ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ ثُمَّ عُمَرُ مِثْلُ ذَلِكَ ثُمَّ حَجَّ عُثْمَانُ فَرَأَيْتُهُ أَوَّلُ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ ثُمَّ مُعَاوِيَةُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ثُمَّ حَجَجْتُ مَعَ أَبِي الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ فَكَانَ أَوَّلَ شَىْءٍ بَدَأَ بِهِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ ثُمَّ رَأَيْتُ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارَ يَفْعَلُونَ ذَلِكَ ثُمَّ لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ ثُمَّ آخِرُ مَنْ رَأَيْتُ فَعَلَ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ ثُمَّ لَمْ يَنْقُضْهَا بِعُمْرَةٍ وَهَذَا ابْنُ عُمَرَ عِنْدَهُمْ أَفَلاَ يَسْأَلُونَهُ وَلاَ أَحَدٌ مِمَّنْ مَضَى مَا كَانُوا يَبْدَءُونَ بِشَىْءٍ حِينَ يَضَعُونَ أَقْدَامَهُمْ أَوَّلَ مِنَ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ ثُمَّ لاَ يَحِلُّونَ وَقَدْ رَأَيْتُ أُمِّي وَخَالَتِي حِينَ تَقْدَمَانِ لاَ تَبْدَآنِ بِشَىْءٍ أَوَّلَ مِنَ الْبَيْتِ تَطُوفَانِ بِهِ ثُمَّ لاَ تَحِلاَّنِ وَقَدْ أَخْبَرَتْنِي أُمِّي أَنَّهَا أَقْبَلَتْ هِيَ وَأُخْتُهَا وَالزُّبَيْرُ وَفُلاَنٌ وَفُلاَنٌ بِعُمْرَةٍ قَطُّ فَلَمَّا مَسَحُوا الرُّكْنَ حَلُّوا وَقَدْ كَذَبَ فِيمَا ذَكَرَ مِنْ ذَلِكَ .




২৮৯১-(১৯০/১২৩৫) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহ) ...... মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইরাকের অধিবাসী এক ব্যক্তি তাকে বলল, আমার পক্ষ থেকে আপনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করুন যে, এক ব্যক্তি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধল, সে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পর ইহরাম খুলতে পারবে কিনা? তিনি যদি আপনাকে বলেন, সে ইহরাম খুলতে পারবে না- তবে তাকে বলুন, এক ব্যক্তি বলেছে, সে ইহরাম খুলতে পারবে। রাবী বলেন, অতএব আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছে, সে তা সমাধান না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারবে না। আমি বললাম, কিন্তু এক ব্যক্তি তাই বলেছে। তিনি বললেন, সে যা বলছে তা দুঃখজনক।

ইরাকের লোকটি আমার সাথে পুনরায় সাক্ষাৎ করলে আমি তাকে উপরোক্ত কথা বললাম। সে বলল, আপনি তাকে বলুন, কিন্তু এক ব্যক্তি বলে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করেছেন এবং আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অনুরূপ করেছেন কেন? রাবী বলেন, আমি তার নিকট গিয়ে এ বিষয় তাকে জানাই। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, তার কী হয়েছে যে, সে নিজে আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করছে না? আমার মনে হয়, সে ইরাকী। আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কে আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে সর্বপ্রথম যে কাজ করেছেন তা ছিল এই যে, তিনি ওযু করেন, এরপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন, অতঃপর আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন।

তিনি (মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে) সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন এবং এরপর উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও অনুরূপ করেছেন। অতঃপর উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাজ্জ করেছেন। আমি তাকে সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করতে দেখেছি এবং এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর মু'আবিয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও (অনুরূপ করেছেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবায়র ইবনুল আওওয়াম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। তিনিও সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন। এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর আমি মুহাজির ও আনসারদের অনুরূপ করতে দেখেছি। এছাড়া তারা অন্য কিছু করেননি। অতঃপর সর্বশেষে আমি যাকে অনুরূপ করতে দেখেছি, তিনি হচ্ছেন আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তিনি হাজ্জকে উমরাহ দ্বারা ভঙ্গ করেননি। আর সে ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তো তাদের মধ্যে বর্তমান আছে। তারা কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না?

এভাবে যত লোক অতীত হয়েছে, তারা মাক্কায় (মক্কায়) পা রেখেই সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর তওয়াফ করতেন। অতঃপর তারা ইহরাম খুলতেন না। আর আমি, আমার মা [আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] ও আমার খালা [আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)]-কেও দেখেছি যে, তারা মাক্কা (মক্কায়) পৌঁছে প্রথমেই বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করেছেন। এরপরও ইহরাম খুলেননি। আমার মা (আসমা) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি তার বোন (আয়িশাহ), যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং অমুক অমুক শুধুমাত্র উমরার ইহরাম বেঁধে মাক্কায় (মক্কায়) এসেছেন এবং তারা (ত্বওয়াফ ও সাঈর পরে) রুকন (হাজারে আওসয়াদ) চুম্বন করার পর ইহরাম খুলেছেন। এ ব্যক্তি (ইরাকী) এ ব্যাপারে যা বলেছে, মিথ্যা বলেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৬)









সহীহ মুসলিম (2892)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي مَنْصُورُ، بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أُمِّهِ، صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، - رضى الله عنهما - قَالَتْ خَرَجْنَا مُحْرِمِينَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْىٌ فَلْيَقُمْ عَلَى إِحْرَامِهِ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْىٌ فَلْيَحْلِلْ " . فَلَمْ يَكُنْ مَعِي هَدْىٌ فَحَلَلْتُ وَكَانَ مَعَ الزُّبَيْرِ هَدْىٌ فَلَمْ يَحْلِلْ . قَالَتْ فَلَبِسْتُ ثِيَابِي ثُمَّ خَرَجْتُ فَجَلَسْتُ إِلَى الزُّبَيْرِ فَقَالَ قُومِي عَنِّي . فَقُلْتُ أَتَخْشَى أَنْ أَثِبَ عَلَيْكَ.




২৮৯২-(১৯১/১২৩৬) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তাই আমি ইহরাম খুলে ফেললাম। কিন্তু (আমার স্বামী) যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তাই তিনি ইহরাম খুলেননি।

রাবী বলেন, আমি আমার স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করে বের হয়ে গিয়ে যুবাযর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর পাশে বসলাম। তিনি বললেন, আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাপিয়ে পড়ব? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৭)









সহীহ মুসলিম (2893)


وَحَدَّثَنِي عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو هِشَامٍ الْمُغِيرَةُ بْنُ سَلَمَةَ، الْمَخْزُومِيُّ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، - رضى الله عنهما - قَالَتْ قَدِمْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ جُرَيْجٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَقَالَ اسْتَرْخِي عَنِّي اسْتَرْخِي عَنِّي . فَقُلْتُ أَتَخْشَى أَنْ أَثِبَ عَلَيْكَ .




২৮৯৩-(১৯২/...) আব্বাস ইবনু আবদুল আযম আল আম্বারী (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে হজ্জের ইহরাম বেঁধে (মক্কায়) পৌঁছলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, "তুমি আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাও, দূরে সরে যাও।" আমি (আসমা) বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাপিয়ে পড়ব?" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৮)









সহীহ মুসলিম (2894)


وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ، مَوْلَى أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ - رضى الله عنهما - حَدَّثَهُ أَنَّهُ، كَانَ يَسْمَعُ أَسْمَاءَ كُلَّمَا مَرَّتْ بِالْحَجُونِ تَقُولُ صَلَّى اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ نَزَلْنَا مَعَهُ هَا هُنَا وَنَحْنُ يَوْمَئِذٍ خِفَافُ الْحَقَائِبِ قَلِيلٌ ظَهْرُنَا قَلِيلَةٌ أَزْوَادُنَا فَاعْتَمَرْتُ أَنَا وَأُخْتِي عَائِشَةُ وَالزُّبَيْرُ وَفُلاَنٌ وَفُلاَنٌ فَلَمَّا مَسَحْنَا الْبَيْتَ أَحْلَلْنَا ثُمَّ أَهْلَلْنَا مِنَ الْعَشِيِّ بِالْحَجِّ . قَالَ هَارُونُ فِي رِوَايَتِهِ أَنَّ مَوْلَى أَسْمَاءَ . وَلَمْ يُسَمِّ عَبْدَ اللَّهِ .




২৮৯৪-(১৯৩/১২৩৭) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখনই আল-হাজুন (হারাম শরীফের সীমার মধ্যে মাক্কার (মক্কার) উচ্চভূমিতে একটি পাহাড়) অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তাকে বলতে শুনতেন, সল্লাল্লাহু আলা রসূলহী (আল্লাহ তা'আলা তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুগ্রহ করুন)। আমরা তার সঙ্গে এখানে অবতরণ করেছিলাম, আমাদের বোঝা ছিল কম, বাহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং রসদও ছিল সামান্য। আমি, আমার বোন আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা), যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আরও অমুক অমুক উমরাহ পালন করেছিলাম। আমরা যখনই বায়তুল্লাহ স্পর্শ করলাম, তখনই ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর তৃতীয় প্রহরে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলাম। অধঃস্তন রাবী হারূন তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, "আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মুক্তদাস" এবং তিনি 'আবদুল্লাহ' নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৯)









সহীহ মুসলিম (2895)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُسْلِمٍ الْقُرِّيِّ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - عَنْ مُتْعَةِ الْحَجِّ، فَرَخَّصَ فِيهَا وَكَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَنْهَى عَنْهَا فَقَالَ هَذِهِ أُمُّ ابْنِ الزُّبَيْرِ تُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ فِيهَا فَادْخُلُوا عَلَيْهَا فَاسْأَلُوهَا قَالَ فَدَخَلْنَا عَلَيْهَا فَإِذَا امْرَأَةٌ ضَخْمَةٌ عَمْيَاءُ فَقَالَتْ قَدْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا .




২৮৯৫-(১৯৪/১২৩৮) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট তামাত্তু হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি তার অনুমতি দিলেন কিন্তু ইবনু যুবায়র তা নিষেধ করতেন। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এই তো ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মা, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করার অনুমতি দিয়েছেন। তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস কর। রাবী বলেন, আমরা তার কাছে গেলাম, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং তার দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭০)









সহীহ মুসলিম (2896)


وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ح وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - جَمِيعًا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ فَأَمَّا عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَفِي حَدِيثِهِ الْمُتْعَةُ وَلَمْ يَقُلْ مُتْعَةُ الْحَجِّ . وَأَمَّا ابْنُ جَعْفَرٍ فَقَالَ قَالَ شُعْبَةُ قَالَ مُسْلِمٌ لاَ أَدْرِي مُتْعَةُ الْحَجِّ أَوْ مُتْعَةُ النِّسَاءِ .




২৮৯৬-(১৯৫/...) ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... শু'বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অধঃস্তন রাবী আবদুর রহমানের বর্ণনায় "আল মুত'আহ" উল্লেখ আছে- "মুত'আতুল হাজ্জ (হজ্জ/হজ)" নয় এবং ইবনু জাফার (রহঃ) এর বর্ণনায় শুবাহ (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল কুররী (রহঃ) বলেছেন, তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) না মুত'আহ বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা আমি জানি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭১)









সহীহ মুসলিম (2897)


وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ الْقُرِّيُّ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ أَهَلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِعُمْرَةٍ وَأَهَلَّ أَصْحَابُهُ بِحَجٍّ فَلَمْ يَحِلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ مَنْ سَاقَ الْهَدْىَ مِنْ أَصْحَابِهِ وَحَلَّ بَقِيَّتُهُمْ فَكَانَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ فِيمَنْ سَاقَ الْهَدْىَ فَلَمْ يَحِلَّ .




২৮৯৭-(১৯৬/১২৩৯) উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরার ইহরাম বাঁধলেন এবং তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তারা ইহরাম খুলেননি। অন্যরা (তওয়াফ ও সাঈর পর) ইহরাম মুক্ত হয়ে গেলেন। যারা সাথে কুরবানীর পশু এনেছিলেন, তলহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তিনিও ইহরাম খুলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭২)









সহীহ মুসলিম (2898)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَكَانَ مِمَّنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ الْهَدْىُ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ وَرَجُلٌ آخَرُ فَأَحَلاَّ .




২৮৯৮-(১৯৭/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে তার বর্ণনায় হাদীসের শেষাংশ এরূপঃ "যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, ত্বলহাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আরও এক ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তারা উভয়ে ইহরাম খুলে ফেলেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৩)









সহীহ মুসলিম (2899)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ فِي الأَرْضِ وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرً وَيَقُولُونَ إِذَا بَرَأَ الدَّبَرْ وَعَفَا الأَثَرْ وَانْسَلَخَ صَفَرْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ لِمَنِ اعْتَمَرْ . فَقَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الْحِلِّ قَالَ " الْحِلُّ كُلُّهُ " .




২৮৯৯-(১৯৮/১২৪০) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন জাহিলী যুগে লোকেরা হজ্জের মাসসমূহে উমরাহ পালন করাকে পৃথিবীর বুকে সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধ মনে করত এবং মুহাররম মাসকে 'সফর মাস হিসেবে গণনা করত। তারা বলত, যখন উটের পিঠ ভালো হয়ে যাবে, হাজীদের পদচিহ্ন লুপ্ত হয়ে যাবে এবং সফর মাস অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন যে ব্যক্তি উমরাহ করতে চায়, তার জন্য তা করা জায়িয হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে যিলহাজের চার তারিখে মাক্কায় (মক্কায়) পৌছলে তিনি তাদের হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ নির্দেশ তাদের কাছে গুরুতর কাজ বলে মনে হল। অতএব তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কিরূপে ইহরামমুক্ত হব? তিনি বললেন, সম্পূর্ণরূপে ইহরামমুক্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৪)









সহীহ মুসলিম (2900)


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، الْبَرَّاءِ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ فَقَدِمَ لأَرْبَعٍ مَضَيْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فَصَلَّى الصُّبْحَ وَقَالَ لَمَّا صَلَّى الصُّبْحَ " مَنْ شَاءَ أَنْ يَجْعَلَهَا عُمْرَةً فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً " .




২৯০০-(১৯৯/...) নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবূল আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। তিনি যিলহাজ্জ মাসের ৪ তারিখের পর (মাক্কাহ (মক্কাহ) পৌছলেন এবং ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষে তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করতে চায়, সে তা করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৫)