হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (3601)


وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ، رُزَيْقٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، قَالَتْ طَلَّقَنِي زَوْجِي ثَلاَثًا فَأَرَدْتُ النُّقْلَةَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " انْتَقِلِي إِلَى بَيْتِ ابْنِ عَمِّكِ عَمْرِو بْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَاعْتَدِّي عِنْدَهُ " .




৩৬০১-(৪৫/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। এতে আমি তার ঘর থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম। (এ পর্যায়ে) আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার চাচাত ভাই 'আমর ইবনু উম্মু মাকতুমের বাড়িতে চলে যাও এবং তার ঘরেই ইদ্দাত পালন করতে থাক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭১, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭১)









সহীহ মুসলিম (3602)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ كُنْتُ مَعَ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ جَالِسًا فِي الْمَسْجِدِ الأَعْظَمِ وَمَعَنَا الشَّعْبِيُّ فَحَدَّثَ الشَّعْبِيُّ بِحَدِيثِ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَجْعَلْ لَهَا سُكْنَى وَلاَ نَفَقَةً ثُمَّ أَخَذَ الأَسْوَدُ كَفًّا مِنْ حَصًى فَحَصَبَهُ بِهِ . فَقَالَ وَيْلَكَ تُحَدِّثُ بِمِثْلِ هَذَا قَالَ عُمَرُ لاَ نَتْرُكُ كِتَابَ اللَّهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّنَا صلى الله عليه وسلم لِقَوْلِ امْرَأَةٍ لاَ نَدْرِي لَعَلَّهَا حَفِظَتْ أَوْ نَسِيَتْ لَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ( لاَ تُخْرِجُوهُنَّ مِنْ بُيُوتِهِنَّ وَلاَ يَخْرُجْنَ إِلاَّ أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُبَيِّنَةٍ )




৩৬০২-(৪৬/...) মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু জাবালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদের সঙ্গে সেখানকার বড় মসজিদে বসা ছিলাম। শা'বীও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি ফাতিমাহ বিনতু কায়স বর্ণিত হাদীস প্রসঙ্গে বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের সিদ্ধান্ত দেননি। তখন আসওয়াদ তার হাতে এক মুঠো কংকর নিয়ে শা'বীর দিকে নিক্ষেপ করলেন। এরপর বললেন, সর্বনাশ! তুমি এমন ধরনের হাদীস বর্ণনা করছ? (অথচ) উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমরা আল্লাহর কিতাব এবং আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর সুন্নাত এমন একজন মহিলার উক্তির কারণে ছেড়ে দিতে পারি না। আমরা জানি না, সে স্মরণ রাখতে পেরেছে অথবা ভুলে যে তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ আছে। আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ "তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ থেকে বহিষ্কার করে দিয়ে না এবং তারাও যেন ঘর থেকে বের না হয়। তবে তারা স্পষ্ট কোন অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে ভিন্ন কথা"- (সূরা আত ত্বলাক (তালাক) ৬৫ঃ ১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭২, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭২)









সহীহ মুসলিম (3603)


وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِي، إِسْحَاقَ بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ أَبِي أَحْمَدَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ رُزَيْقٍ، بِقِصَّتِهِ .




৩৬০৩-(.../...) আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ আয যাব্বী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ..... আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে আবূ আহমাদ আম্মার ইবনু রুযায়ক সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৩, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৩)









সহীহ মুসলিম (3604)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي، الْجَهْمِ بْنِ صُخَيْرٍ الْعَدَوِيِّ قَالَ سَمِعْتُ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ، تَقُولُ إِنَّ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا ثَلاَثًا فَلَمْ يَجْعَلْ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُكْنَى وَلاَ نَفَقَةً قَالَتْ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا حَلَلْتِ فَآذِنِينِي " . فَآذَنْتُهُ فَخَطَبَهَا مُعَاوِيَةُ وَأَبُو جَهْمٍ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَمَّا مُعَاوِيَةُ فَرَجُلٌ تَرِبٌ لاَ مَالَ لَهُ وَأَمَّا أَبُو جَهْمٍ فَرَجُلٌ ضَرَّابٌ لِلنِّسَاءِ وَلَكِنْ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ " . فَقَالَتْ بِيَدِهَا هَكَذَا أُسَامَةُ أُسَامَةُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " طَاعَةُ اللَّهِ وَطَاعَةُ رَسُولِهِ خَيْرٌ لَكِ " . قَالَتْ فَتَزَوَّجْتُهُ فَاغْتَبَطْتُ .




৩৬০৪-(৪৭/...) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ বকর ইবনু আবূ জাহম ইবনু সুখায়র আল আদাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি যে, তার স্বামী তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের অধিকার দেননি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন, তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। এরপর আমি তাকে ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার কথা জানালাম। তখন মু'আবিয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা), আবূ জাহম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও উসামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠান। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মু'আবিয়াহ তো একজন গরীব মানুষ, তার কোন ধনসম্পদ নেই। আর আবূ জাহম-সে তো স্ত্রীদের প্রহারকারী। তবে উসামাহ- তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে পার। তখন তিনি তার হাতের ইশারায় বললেন, উসামাহ্ তো এরূপ। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ ও তার রসূলের আনুগত্য করাই তোমার জন্য কল্যাণকর। তিনি বললেন, তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। (আল্লাহ আমাকে প্রাচুর্য ও বিত্তবৈভবে পরিপূর্ণ করে দিলেন) ফলে আমি ঈর্ষার কেন্দ্রে পরিণত হলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৪, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৪)









সহীহ মুসলিম (3605)


وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ، أَبِي الْجَهْمِ قَالَ سَمِعْتُ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ، تَقُولُ أَرْسَلَ إِلَىَّ زَوْجِي أَبُو عَمْرِو بْنُ حَفْصِ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ بِطَلاَقِي وَأَرْسَلَ مَعَهُ بِخَمْسَةِ آصُعِ تَمْرٍ وَخَمْسَةِ آصُعِ شَعِيرٍ فَقُلْتُ أَمَا لِي نَفَقَةٌ إِلاَّ هَذَا وَلاَ أَعْتَدُّ فِي مَنْزِلِكُمْ قَالَ لاَ . قَالَتْ فَشَدَدْتُ عَلَىَّ ثِيَابِي وَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " كَمْ طَلَّقَكِ " . قُلْتُ ثَلاَثًا . قَالَ " صَدَقَ لَيْسَ لَكِ نَفَقَةٌ . اعْتَدِّي فِي بَيْتِ ابْنِ عَمِّكِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ ضَرِيرُ الْبَصَرِ تُلْقِي ثَوْبَكِ عِنْدَهُ فَإِذَا انْقَضَتْ عِدَّتُكِ فَآذِنِينِي " . قَالَتْ فَخَطَبَنِي خُطَّابٌ مِنْهُمْ مُعَاوِيَةُ وَأَبُو الْجَهْمِ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مُعَاوِيَةَ تَرِبٌ خَفِيفُ الْحَالِ وَأَبُو الْجَهْمِ مِنْهُ شِدَّةٌ عَلَى النِّسَاءِ - أَوْ يَضْرِبُ النِّسَاءَ أَوْ نَحْوَ هَذَا - وَلَكِنْ عَلَيْكِ بِأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ " .




৩৬০৫-(৪৮/...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ফাতিমাহ বিনতু কায়সকে বলতে শুনেছি যে, আমার স্বামী আবূ আমর হাফস্ ইবনু মুগীরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী'আহ-কে আমার নিকটে আমাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার সংবাদ দিয়ে পাঠান। তিনি তার সাথে আমার খোরপোষের জন্য পাঁচ সা' (এক সা' সাড়ে তিন কেজির সমান) খেজুর এবং পাঁচ সা' যব পাঠিয়ে দেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমার জন্য কি খোরপোষ এ পরিমাণ? আমি তোমাদের ঘরে ইদ্দাত করব না। তিনি (আইয়্যাশ) বললেন, না তা হতে পারে না। তিনি (ফাত্বিমাহ) বললেন, আমি তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, সে তোমাকে কত ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে? আমি বললাম, তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক)। তিনি বললেন, সে (আয়্যাশ) ঠিকই বলেছে। তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি তোমার চাচাতো ভাই ইবনু উম্মু মাকতুমের ঘরে গিয়ে ইদ্দাত পালন কর। সে একজন অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে সেখানে কাপড় চোপড় খুলে রাখতে পারবে। এরপর তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে।

তিনি (ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার ইদ্দাতকাল অতিবাহিত হলে বেশ কয়েকজন লোক আমার কাছে বিয়ের পায়গাম পাঠালেন। তার মধ্যে মু'আবিয়াহ ও আবূ জাহমও ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মু'আবিয়াহ তো একজন গরীব মানুষ, নগণ্য সম্পদের অধিকারী আর আবূ জাহম তো নারীদের প্রতি কঠোর (অথবা বললেন) সে স্ত্রীদের লাঠিপেটা করে অথবা এরূপ কিছু বললেন। তবে উসামাহ ইবনু যায়দকেই গ্রহণ করা তোমার জন্য উচিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৫, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৫)









সহীহ মুসলিম (3606)


وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْجَهْمِ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ فَسَأَلْنَاهَا فَقَالَتْ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي عَمْرِو بْنِ حَفْصِ بْنِ الْمُغِيرَةِ فَخَرَجَ فِي غَزْوَةِ نَجْرَانَ . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِنَحْوِ حَدِيثِ ابْنِ مَهْدِيٍّ وَزَادَ قَالَتْ فَتَزَوَّجْتُهُ فَشَرَّفَنِي اللَّهُ بِابْنِ زَيْدٍ وَكَرَّمَنِي اللَّهُ بِابْنِ زَيْدٍ .




৩৬০৬-(৪৯/...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি এবং আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স এর কাছে গেলাম। এরপর আমরা তাকে (তার ত্বলাক (তালাক) (তালাক) সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আবূ আমর হাফস্ ইবনু মুগীরার স্ত্রী ছিলাম। একবার তিনি নাজরানের যুদ্ধে রওনা হয়ে গেলেন। এরপর আবূ বকর ইবনু আবূ জাহম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইবনু মাহদী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন যে, "তিনি (ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স) বলেন, আর আমি তাকে বিয়ে করলাম। এরপর আল্লাহ ইবনু যায়দের দ্বারা আমাকে সম্মানিত করলেন এবং আমাকে তার মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৬)









সহীহ মুসলিম (3607)


وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبُو سَلَمَةَ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ زَمَنَ ابْنِ الزُّبَيْرِ فَحَدَّثَتْنَا أَنَّ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا طَلاَقًا بَاتًّا . بِنَحْوِ حَدِيثِ سُفْيَانَ .




৩৬০৭-(৫০/...) উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর শাসনামলে আমি এবং আবূ সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেরকে সুফইয়ানের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে বললেন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৭)









সহীহ মুসলিম (3608)


وَحَدَّثَنِي حَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنِ الْبَهِيِّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، قَالَتْ طَلَّقَنِي زَوْجِي ثَلاَثًا فَلَمْ يَجْعَلْ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُكْنَى وَلاَ نَفَقَةً .




৩৬০৮-(৫১/...) হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য বাসস্থান এবং খোরপোষের ফায়সালা দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৮, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৮)









সহীহ মুসলিম (3609)


وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، تَزَوَّجَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ بِنْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَكَمِ فَطَلَّقَهَا فَأَخْرَجَهَا مِنْ عِنْدِهِ فَعَابَ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ عُرْوَةُ فَقَالُوا إِنَّ فَاطِمَةَ قَدْ خَرَجَتْ . قَالَ عُرْوَةُ فَأَتَيْتُ عَائِشَةَ فَأَخْبَرْتُهَا بِذَلِكَ فَقَالَتْ مَا لِفَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ خَيْرٌ فِي أَنْ تَذْكُرَ هَذَا الْحَدِيثَ .




৩৬০৯-(৫২/১৪৮১) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেন এবং তাকে তার থেকে বের করে দেন। উরওয়াহ (রহঃ) এতে তাদের ভৎসনা করেন। তারা বললেন, ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)ও তো ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। উরওয়াহ বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে এলাম এবং তার কাছে এ ঘটনা উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স এর জন্য কোন কল্যাণ নেই যে, সে এ হাদীস বর্ণনা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৯, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৭৯)









সহীহ মুসলিম (3610)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ فَاطِمَةَ، بِنْتِ قَيْسٍ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ زَوْجِي طَلَّقَنِي ثَلاَثًا وَأَخَافُ أَنْ يُقْتَحَمَ عَلَىَّ . قَالَ فَأَمَرَهَا فَتَحَوَّلَتْ .




৩৬১০-(৫৩/১৪৮২) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন, আমার আশংকা হয় যে, তিনি আমার উপর চড়াও হবেন। তখন তিনি তাকে অন্যত্র চলে যাবার নির্দেশ দিলেন এবং তিনি চলে গেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮০, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮০)









সহীহ মুসলিম (3611)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ مَا لِفَاطِمَةَ خَيْرٌ أَنْ تَذْكُرَ هَذَا . قَالَ تَعْنِي قَوْلَهَا لاَ سُكْنَى وَلاَ نَفَقَةَ .




৩৬১১-(৫৪/১৪৮১) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স এর জন্য এ কথা বলায় কোন কল্যাণ নেই যে, তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রাপ্তা মহিলার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮১, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮১)









সহীহ মুসলিম (3612)


وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ لِعَائِشَةَ أَلَمْ تَرَىْ إِلَى فُلاَنَةَ بِنْتِ الْحَكَمِ طَلَّقَهَا زَوْجُهَا الْبَتَّةَ فَخَرَجَتْ فَقَالَتْ بِئْسَمَا صَنَعَتْ . فَقَالَ أَلَمْ تَسْمَعِي إِلَى قَوْلِ فَاطِمَةَ فَقَالَتْ أَمَا إِنَّهُ لاَ خَيْرَ لَهَا فِي ذِكْرِ ذَلِكَ .




৩৬১২-(.../...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (রহঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বললেন, হাকামের অমুক মেয়েটির সম্পর্কে আপনি কি অবহিত নন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন? এরপর সে ঘর থেকে বের হয়েছে। তিনি বললেন, আপনি কি ফাতিমার উক্তি শুনেননি? তখন তিনি (উরওয়াহ্) বললেন, তার উক্তি বর্ণনার মধ্যে তার জন্য কোন কল্যাণ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮২, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮২)









সহীহ মুসলিম (3613)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ طُلِّقَتْ خَالَتِي فَأَرَادَتْ أَنْ تَجُدَّ نَخْلَهَا فَزَجَرَهَا رَجُلٌ أَنْ تَخْرُجَ فَأَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " بَلَى فَجُدِّي نَخْلَكِ فَإِنَّكِ عَسَى أَنْ تَصَدَّقِي أَوْ تَفْعَلِي مَعْرُوفًا " .




৩৬১৩-(৫৫/১৪৮৩) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মায়মূন, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রাপ্ত হন। এরপর তিনি তার (খেজুর বাগানের) খেজুর পাড়ার ইচ্ছা করলেন। এক ব্যক্তি তাকে বাইরে যেতে বাধা দিলেন। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর পাড়ার জন্য বাইরে যেতে পার। কারণ সম্ভবত তা থেকে অন্যদের সদাকাহ করবে অথবা অন্য কোন ভাল কাজ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৩, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৩)









সহীহ মুসলিম (3614)


وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، - وَتَقَارَبَا فِي اللَّفْظِ - قَالَ حَرْمَلَةُ حَدَّثَنَا وَقَالَ أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، - حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ أَبَاهُ، كَتَبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَرْقَمِ الزُّهْرِيِّ يَأْمُرُهُ أَنْ يَدْخُلَ، عَلَى سُبَيْعَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ الأَسْلَمِيَّةِ فَيَسْأَلَهَا عَنْ حَدِيثِهَا وَعَمَّا قَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ اسْتَفْتَتْهُ فَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ يُخْبِرُهُ أَنَّ سُبَيْعَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ سَعْدِ ابْنِ خَوْلَةَ وَهُوَ فِي بَنِي عَامِرِ بْنِ لُؤَىٍّ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا فَتُوُفِّيَ عَنْهَا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ وَهْىَ حَامِلٌ فَلَمْ تَنْشَبْ أَنْ وَضَعَتْ حَمْلَهَا بَعْدَ وَفَاتِهِ فَلَمَّا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا تَجَمَّلَتْ لِلْخُطَّابِ فَدَخَلَ عَلَيْهَا أَبُو السَّنَابِلِ بْنُ بَعْكَكٍ - رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ - فَقَالَ لَهَا مَا لِي أَرَاكِ مُتَجَمِّلَةً لَعَلَّكِ تَرْجِينَ النِّكَاحَ إِنَّكِ وَاللَّهِ مَا أَنْتِ بِنَاكِحٍ حَتَّى تَمُرَّ عَلَيْكِ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرٌ . قَالَتْ سُبَيْعَةُ فَلَمَّا قَالَ لِي ذَلِكَ جَمَعْتُ عَلَىَّ ثِيَابِي حِينَ أَمْسَيْتُ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَأَفْتَانِي بِأَنِّي قَدْ حَلَلْتُ حِينَ وَضَعْتُ حَمْلِي وَأَمَرَنِي بِالتَّزَوُّجِ إِنْ بَدَا لِي . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَلاَ أَرَى بَأْسًا أَنْ تَتَزَوَّجَ حِينَ وَضَعَتْ وَإِنْ كَانَتْ فِي دَمِهَا غَيْرَ أَنْ لاَ يَقْرَبُهَا زَوْجُهَا حَتَّى تَطْهُرَ .




৩৬১৪-(৫৬/১৪৮৪) আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়'আহ বিনতু হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। যখন তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফাতাওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন তখন উমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়'আহ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বানু আমির ইবনু লুঈ গোত্রের সা'দ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী এবং বিদায় হাজজের (হজ্জের/হজের) সময় ওফাত পান। সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন।

তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বানু আবদুদ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা'কাক নামক এক ব্যক্তি তার কাছে এলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, মতলব কী? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি। সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবায়'আহ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকে এ কথা বলল, তখন কাপড়-চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে চলে এলাম।

এরপর আমি তাকে সে বিষযে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সস্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রসূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আমি দূষণীয় মনে করি না, যদিও সে তখন নিফাসের ইদ্দাত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী যেন স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৪, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৪)









সহীহ মুসলিম (3615)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَابْنَ، عَبَّاسٍ اجْتَمَعَا عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ وَهُمَا يَذْكُرَانِ الْمَرْأَةَ تُنْفَسُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ عِدَّتُهَا آخِرُ الأَجَلَيْنِ . وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ قَدْ حَلَّتْ . فَجَعَلاَ يَتَنَازَعَانِ ذَلِكَ قَالَ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي - يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ - فَبَعَثُوا كُرَيْبًا - مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ - إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ يَسْأَلُهَا عَنْ ذَلِكَ فَجَاءَهُمْ فَأَخْبَرَهُمْ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ قَالَتْ إِنَّ سُبَيْعَةَ الأَسْلَمِيَّةَ نُفِسَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ وَإِنَّهَا ذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ .




৩৬১৫-(৫৭/১৪৮৫) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আল আনাযী (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে সমবেত হলেন। তারা এমন একজন মহিলার কথা আলোচনা করছিলেন যিনি তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক দিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন। তখন ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তার ইদ্দাত হবে দু'টির মধ্যে দীর্ঘতরটি। আবূ সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দু'জনে বিতর্ক শুরু করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি আমার ভাতিজা আবূ সালামার পক্ষে। এরপর তারা সবাই ইবনু আব্বাসের মুক্তদাস কুরায়বকে উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন। সে তাদের কাছে এসে বলল যে, উম্মু সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, সুবায়'আহ আসলামিয়াহ তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক রাত পরই সন্তান প্রসব করেন এবং তিনি সে বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থাপন করেন। তখন তিনি তাকে বিবাহ করার অনুমতি দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৫, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৫)









সহীহ মুসলিম (3616)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو، النَّاقِدُ قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، كِلاَهُمَا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . غَيْرَ أَنَّقَالَ فِي حَدِيثِهِ فَأَرْسَلُوا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ وَلَمْ يُسَمِّ كُرَيْبًا .




৩৬১৬-(.../...) মুহাম্মদ ইবনু রুমূহ, আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাদি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে "তারা সাবাই উম্মু সালামার কাছে সংবাদ পাঠালেন" এবং তিনি (লায়স) কুরায়বের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৬)









সহীহ মুসলিম (3617)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ هَذِهِ الأَحَادِيثَ الثَّلاَثَةَ، قَالَ قَالَتْ زَيْنَبُ دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ تُوُفِّيَ أَبُوهَا أَبُو سُفْيَانَ فَدَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِطِيبٍ فِيهِ صُفْرَةٌ خَلُوقٌ أَوْ غَيْرُهُ فَدَهَنَتْ مِنْهُ جَارِيَةً ثُمَّ مَسَّتْ بِعَارِضَيْهَا ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ تُحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا "




৩৬১৭-(৫৮/১৪৮৬) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে এ তিনটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (হুমায়দ ইবনু নাফি) বলেন, যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মু হাবীবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর পিতা আবূ সুফইয়ান ইনতিকাল করেন তখন আমি তার কাছে গেলাম। আমি দেখতে পেলাম যে, উম্মু হাবীবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হলদে বর্ণের মিশ্রিত সুগন্ধি আনলেন অথবা অন্য কোন প্রসাধনী চেয়ে পাঠালেন। এরপর তা থেকে একটি বালিকাকে নিজ হাতে লাগিয়ে দিলেন। এরপর তিনি তার দু'কপালে হাত মুছে নিলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখে সে মহিলার জন্য তার কোন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে বিধবা তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৭)









সহীহ মুসলিম (3618)


قَالَتْ زَيْنَبُ ثُمَّ دَخَلْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ حِينَ تُوُفِّيَ أَخُوهَا فَدَعَتْ بِطِيبٍ فَمَسَّتْ مِنْهُ ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ تُحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا




৩৬১৮-(.../১৪৮৭) যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর আমি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী) যায়নাব বিনতু জাহশ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে গেলাম। সে সময় তার ভাই ইনতিকাল করেছিলেন। আমি দেখলাম, তিনিও সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার থেকে স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে তার জন্য মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৭)









সহীহ মুসলিম (3619)


قَالَتْ زَيْنَبُ سَمِعْتُ أُمِّي أُمَّ سَلَمَةَ، تَقُولُ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ ابْنَتِي تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَقَدِ اشْتَكَتْ عَيْنُهَا أَفَنَكْحُلُهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ " . مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا كُلَّ ذَلِكَ يَقُولُ لاَ ثُمَّ قَالَ " إِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرٌ وَقَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ تَرْمِي بِالْبَعَرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ "




৩৬১৯-(.../১৪৮৮) অতঃপর যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি আমার মা উম্মু সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি যে, একবার এক মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার কন্যাকে রেখে তার স্বামী ইনতিকাল করেছেন। তার (শোক পালন করতে গিয়ে) চোখে অসুখ হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কি তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ বললেনঃ 'না'। এরপর সে দুই কি তিন বার জিজ্ঞেস করল। প্রতিবারই তিনি বললেন, না। এরপর তিনি বললেন, তার ইদ্দাত তো চারমাস দশদিন। অথচ জাহিলিয়্যাহ যুগে তোমাদের একজন মহিলা বছরান্তে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৭)









সহীহ মুসলিম (3620)


قَالَ حُمَيْدٌ قُلْتُ لِزَيْنَبَ وَمَا تَرْمِي بِالْبَعَرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ فَقَالَتْ زَيْنَبُ كَانَتِ الْمَرْأَةُ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا دَخَلَتْ حِفْشًا وَلَبِسَتْ شَرَّ ثِيَابِهَا وَلَمْ تَمَسَّ طِيبًا وَلاَ شَيْئًا حَتَّى تَمُرَّ بِهَا سَنَةٌ ثُمَّ تُؤْتَى بِدَابَّةٍ حِمَارٍ أَوْ شَاةٍ أَوْ طَيْرٍ فَتَفْتَضُّ بِهِ فَقَلَّمَا تَفْتَضُّ بِشَىْءٍ إِلاَّ مَاتَ ثُمَّ تَخْرُجُ فَتُعْطَى بَعَرَةً فَتَرْمِي بِهَا ثُمَّ تُرَاجِعُ بَعْدُ مَا شَاءَتْ مِنْ طِيبٍ أَوْ غَيْرِهِ .




৩৬২০-(.../১৪৮৯) হুমায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি যায়নাবকে বললাম, এ যাবৎ উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করার তাৎপর্য কী ছিল? তখন যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, সে কালে কোন স্বামী ইন্তিকাল করলে স্ত্রীকে একটি সংকীর্ণ কক্ষে (কুঠরীতে) প্রবেশ করতে হত। ছিড়ে-ফাড়া কাপড়-চোপড় পরিধান করতে হত। সে কোন প্রসাধনী দ্রব্য স্পর্শ করতে পারত না কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহার করত না। এমনিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কেটে যেত। এরপর তার সামনে আনা হত গাধা, বকরী কিংবা পাখী জাতীয় কোন প্রাণী এবং সে ঐ প্রাণীকে স্পর্শ করে ইদ্দাত পূর্ণ করত। সে যে প্রাণীকে স্পর্শ করত তা খুব কমই বাচত। এরপর সে ঐ সংকীর্ণ কুঠরী থেকে বের হয়ে আসত। তখন তার হাতে উটের বিষ্ঠা দেয়া হত এবং সে তা ছুড়ে মারত। এরপর সে তার পছন্দসই প্রসাধনী সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহারের প্রতি মনোযোগী হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৭)