হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (3621)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ تُوُفِّيَ حَمِيمٌ لأُمِّ حَبِيبَةَ فَدَعَتْ بِصُفْرَةٍ فَمَسَحَتْهُ بِذِرَاعَيْهَا وَقَالَتْ إِنَّمَا أَصْنَعُ هَذَا لأَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا " .




৩৬২১-(৫৯/১৪৮৬) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিকাল করেন। এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৮)









সহীহ মুসলিম (3622)


وَحَدَّثَتْهُ زَيْنَبُ، عَنْ أُمِّهَا، وَعَنْ زَيْنَبَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَوْ عَنِ امْرَأَةٍ مِنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .




৩৬২২-(.../১৪৮৭-১৪৮৮) আর যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ হাদীসখানা তার মা উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৮)









সহীহ মুসলিম (3623)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ، تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّهَا، أَنَّ امْرَأَةً، تُوُفِّيَ زَوْجُهَا فَخَافُوا عَلَى عَيْنِهَا فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَأْذَنُوهُ فِي الْكُحْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَكُونُ فِي شَرِّ بَيْتِهَا فِي أَحْلاَسِهَا - أَوْ فِي شَرِّ أَحْلاَسِهَا فِي بَيْتِهَا - حَوْلاً فَإِذَا مَرَّ كَلْبٌ رَمَتْ بِبَعَرَةٍ فَخَرَجَتْ أَفَلاَ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا " .




৩৬২৩-(৬০/১৪৮৮) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তার মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল। লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল। তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। তারা তার কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত। এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হয়ে পড়ত। এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৯, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৯)









সহীহ মুসলিম (3624)


وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، بِالْحَدِيثَيْنِ جَمِيعًا حَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ فِي الْكُحْلِ وَحَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ وَأُخْرَى مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غَيْرَ أَنَّهُ لَمْ تُسَمِّهَا زَيْنَبُ نَحْوَ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ .




৩৬২৪-(.../...) উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত হাদীস এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন "মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।" - (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯০, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯০)









সহীহ মুসলিম (3625)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، أَنَّهُ سَمِعَ زَيْنَبَ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ، تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، وَأُمِّ حَبِيبَةَ تَذْكُرَانِ أَنَّ امْرَأَةً أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ لَهُ أَنَّ بِنْتًا لَهَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا فَاشْتَكَتْ عَيْنُهَا فَهْىَ تُرِيدُ أَنْ تَكْحُلَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَرْمِي بِالْبَعَرَةِ عِنْدَ رَأْسِ الْحَوْلِ وَإِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرٌ " .




৩৬২৫-(৬১/১৪৮৬-১৪৮৮) আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। তারা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তিনি তার (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (জাহিলিয়াত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯১, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯১)









সহীহ মুসলিম (3626)


وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَتْ لَمَّا أَتَى أُمَّ حَبِيبَةَ نَعِيُّ أَبِي سُفْيَانَ دَعَتْ فِي الْيَوْمِ الثَّالِثِ بِصُفْرَةٍ فَمَسَحَتْ بِهِ ذِرَاعَيْهَا وَعَارِضَيْهَا وَقَالَتْ كُنْتُ عَنْ هَذَا غَنِيَّةً سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ فَإِنَّهَا تُحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا " .




৩৬২৬-(৬২/১৪৮৬) আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাবীবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে তার পিতা আবূ সুফইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু'হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯২, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯২)









সহীহ মুসলিম (3627)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، رُمْحٍ عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ صَفِيَّةَ، بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ حَدَّثَتْهُ عَنْ حَفْصَةَ، أَوْ عَنْ عَائِشَةَ، أَوْ عَنْ كِلْتَيْهِمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ - أَوْ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ - أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجِهَا " .




৩৬২৭-(৬৩/১৪৯০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতায়বাহ ও ইবনু রুমূহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কিংবা আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু'জন থেকে যৌথভাবে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৩, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৩)









সহীহ মুসলিম (3628)


وَحَدَّثَنَاهُ شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - حَدَّثَنَا عَبْدُ، اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنْ نَافِعٍ، بِإِسْنَادِ حَدِيثِ اللَّيْثِ . مِثْلَ رِوَايَتِهِ .




৩৬২৮-(.../...) শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৪, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৪)









সহীহ মুসলিম (3629)


وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ نَافِعًا، يُحَدِّثُ عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، أَنَّهَا سَمِعَتْ حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ وَابْنِ دِينَارٍ وَزَادَ " فَإِنَّهَا تُحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا " .




৩৬২৯-(৬৪/...) আবূ গাসসান আল মিসমাঈ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সফিয়্যাহ বিনতে আবূ উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উমারের কন্যা হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। রাবী কর্তৃক বর্ণিত এ বর্ণনাটি লায়স ও ইবনু দীনার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে "কারণ সে তার (স্বামীর) জন্য চারমাস দশদিন শোক পালন করবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৫, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৫)









সহীহ মুসলিম (3630)


وَحَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، جَمِيعًا عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ بَعْضِ، أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى حَدِيثِهِمْ .




৩৬৩০-(.../...) আবূ রবী' ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সফিয়্যাহ বিনতু আবূ উবায়দ (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনৈক সহধর্মিণী সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তাদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৬)









সহীহ মুসলিম (3631)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَمْرٌو النَّاقِدُ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجِهَا " .




৩৬৩১-(৬৫/১৪৯১) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৭)









সহীহ মুসলিম (3632)


وَحَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُحِدُّ امْرَأَةٌ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا وَلاَ تَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا إِلاَّ ثَوْبَ عَصْبٍ وَلاَ تَكْتَحِلُ وَلاَ تَمَسُّ طِيبًا إِلاَّ إِذَا طَهُرَتْ نُبْذَةً مِنْ قُسْطٍ أَوْ أَظْفَارٍ " .




৩৬৩২-(৬৬/৯৩৮) হাসান ইবনু রবী' (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়্যাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এ সময় সীমায় (ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাঁদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যবহার করবে না এবং সে হায়য থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শন স্বরূপ) কুসত ও আযফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৮, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৮)









সহীহ মুসলিম (3633)


وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، كِلاَهُمَا عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالاَ " عِنْدَ أَدْنَى طُهْرِهَا نُبْذَةً مِنْ قُسْطٍ وَأَظْفَارٍ " .




৩৬৩৩-(.../...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে 'আমর আন নাকিদ ও ইয়াযীদ ইবনু হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুসত্ব ও আযফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৯, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৯৯)









সহীহ মুসলিম (3634)


وَحَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ كُنَّا نُنْهَى أَنْ نُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا وَلاَ نَكْتَحِلُ وَلاَ نَتَطَيَّبُ وَلاَ نَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا وَقَدْ رُخِّصَ لِلْمَرْأَةِ فِي طُهْرِهَا إِذَا اغْتَسَلَتْ إِحْدَانَا مِنْ مَحِيضِهَا فِي نُبْذَةٍ مِنْ قُسْطٍ وَأَظْفَارٍ .




৩৬৩৪-(৬৭/....) আবু রবী আয-যাহরানী (রহ) ... উম্মু আতিয়্যাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদেরকে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা চোখে (ইদ্দতকালীন) সময়ে সুরমা লাগাতাম না, কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যবহার করতাম না এবং রঙ্গিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোন মহিলা যখন হায়য থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুসত ও আযফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০০, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০০)









সহীহ মুসলিম (3635)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، السَّاعِدِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُوَيْمِرًا الْعَجْلاَنِيَّ جَاءَ إِلَى عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ الأَنْصَارِيِّ فَقَالَ لَهُ أَرَأَيْتَ يَا عَاصِمُ لَوْ أَنَّ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَسَلْ لِي عَنْ ذَلِكَ يَا عَاصِمُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَسَأَلَ عَاصِمٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسَائِلَ وَعَابَهَا حَتَّى كَبُرَ عَلَى عَاصِمٍ مَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَجَعَ عَاصِمٌ إِلَى أَهْلِهِ جَاءَهُ عُوَيْمِرٌ فَقَالَ يَا عَاصِمُ مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ عَاصِمٌ لِعُوَيْمِرٍ لَمْ تَأْتِنِي بِخَيْرٍ قَدْ كَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسْأَلَةَ الَّتِي سَأَلْتُهُ عَنْهَا . قَالَ عُوَيْمِرٌ وَاللَّهِ لاَ أَنْتَهِي حَتَّى أَسْأَلَهُ عَنْهَا . فَأَقْبَلَ عُوَيْمِرٌ حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَطَ النَّاسِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ نَزَلَ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَاذْهَبْ فَأْتِ بِهَا " . قَالَ سَهْلٌ فَتَلاَعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا فَرَغَا قَالَ عُوَيْمِرٌ كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا . فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَكَانَتْ سُنَّةَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ .




৩৬৩৫-(১/১৪৯২) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... সাহল ইবনু সা'দ সাইদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, উওয়াইমির আল-আজলানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আসিম ইবনু আদী আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে এসে তাকে বললেন, হে আসিম! যদি কেউ তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন পুরুষকে (ব্যভিচারে লিপ্ত) পায়; তবে তোমার অভিমত কী? সে কি তাকে হত্যা করবে? আর তখন তো তোমরা তাকে (কিসাস হিসেবে) হত্যা করবে। যদি তা না হয় তবে সে কী করবে? হে আসিম! তুমি আমার জন্য এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস কর। তখন আসিম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকম প্রশ্ন করা অপছন্দ করলেন এবং এটি দূষণীয় মনে করলেন*।

আসিম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে যা শুনলেন এতে বড়ই দুঃখিত হলেন। যখন আসিম ফিরে এলেন, তখন উওয়াইমির তার কাছে এসে বললেনঃ হে আসিম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বলেছেন? আসিম উওয়াইমিরকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে ভাল কাজ নিয়ে আসনি। তুমি যে বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে বলেছ তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই অপছন্দ করেছেন। উওয়াইমির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস না করে ক্ষান্ত হব না।

তখন উওয়াইমির গেলেন এবং লোক সমাবেশে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে তাকে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে (ব্যভিচারে লিপ্ত) দেখতে পায় তাহলে সে-কি তাকে হত্যা করে ফেলবে? এরপর তো (কিসাস হিসেবে) আপনারা তাকে হত্যা করে ফেলবেন। অথবা সে কী করবে? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে (আল্লাহর) হুকুম নাযিল হয়েছে। তুমি যাও, তোমার স্ত্রীকে নিয়ে এসো।

সাহল বললেনঃ এরপর তারা উভয়ে (স্বামী-স্ত্রী) লিআন করলো। আর আমিও তখন লোকজনদের সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হাযির ছিলাম। যখন তারা লিআন সমাধা করলেন তখন উওয়াইমির বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! যদি আমি তাকে আমার স্ত্রী হিসেবে রেখে দেই তাহলে তো আমি তার উপর মিথ্যারোপকারী হয়ে গেলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেয়ার আগেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন।

ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তখন থেকে লি'আনকারীদের জন্য এটাই নিয়ম-বিধান হিসেবে পরিণত হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩৬০১, ৪র্থ খণ্ড; ইসলামিক সেন্টার ৩৬০১, ৫ম খণ্ড)









সহীহ মুসলিম (3636)


وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّ عُوَيْمِرًا الأَنْصَارِيَّ، مِنْ بَنِي الْعَجْلاَنِ أَتَى عَاصِمَ بْنَ عَدِيٍّ . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَأَدْرَجَ فِي الْحَدِيثِ قَوْلَهُ وَكَانَ فِرَاقُهُ إِيَّاهَا بَعْدُ سُنَّةً فِي الْمُتَلاَعِنَيْنِ . وَزَادَ فِيهِ قَالَ سَهْلٌ فَكَانَتْ حَامِلاً فَكَانَ ابْنُهَا يُدْعَى إِلَى أُمِّهِ . ثُمَّ جَرَتِ السُّنَّةُ أَنَّهُ يَرِثُهَا وَتَرِثُ مِنْهُ مَا فَرَضَ اللَّهُ لَهَا .




৩৬৩৬-(২/...) হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, আজলান গোত্রের উওয়াইমির আনসারী আসিম ইবনু আদীর কাছে এলেন ..... পরবর্তী অংশ মালিক বর্ণিত হাদীসের মত বর্ণনা করেন। তিনি তার হাদীসে এ কথাও বলেছেন, "উওয়াইমির তার স্ত্রীকে আলাদা করে দেয়াতে পরবর্তীতে লি'আনকারীদ্বয়ের জন্য তা বিধানরূপে পরিগণিত হল।" তিনি তার বর্ণনায় আরও উল্লেখ করেছেন, "সাহল বলেছেন- সে মহিলাটি ছিল গর্ভবতী। সে গর্ভজাত সন্তানটিকে পরবর্তীতে তার মায়ের দিকে সম্বন্ধ করে ডাকা হয়।" এরপর এ বিধান প্রবর্তিত হলো যে, সে তার মায়ের ওয়ারিস পাবে এবং তার মা আল্লাহর নির্ধারিত অংশ হিসেবে তার (সন্তান) থেকে মিরাসের অধিকারী হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০২, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০২)









সহীহ মুসলিম (3637)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، وَعَنِ السُّنَّةِ، فِيهِمَا عَنْ حَدِيثِ، سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَخِي بَنِي سَاعِدَةَ أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً وَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِقِصَّتِهِ . وَزَادَ فِيهِ فَتَلاَعَنَا فِي الْمَسْجِدِ وَأَنَا شَاهِدٌ . وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَفَارَقَهَا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ذَاكُمُ التَّفْرِيقُ بَيْنَ كُلِّ مُتَلاَعِنَيْنِ " .




৩৬৩৭-(৩/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাকে ইবনু শিহাব (রহঃ) বানু সা'ইদাহ গোত্রের ইবনু সা'দ বর্ণিত দু'জন লি'আনকারী ও তার বিধান সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি (সাহল) বলেনঃ জনৈক আনসারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! যদি কোন লোক তার স্ত্রীর সঙ্গে (ব্যভিচাররত) অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে সে সম্পর্কে আপনার মতামত কী? এরপর পুরো ঘটনাসহ হাদীস বর্ণনা করেন। এতে বাড়তি বর্ণনা করেন যে, (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে মসজিদের ভেতরে লি'আন করল আর আমি উপস্থিত ছিলাম। আর তিনি এ হাদীসে বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেয়ার পুর্বেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখেই তাকে আলাদা করে দেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ উভয় লি'আনকারীর মাঝখানে বিচ্ছেদ।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০৩, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০৩)









সহীহ মুসলিম (3638)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، جُبَيْرٍ قَالَ سُئِلْتُ عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، فِي إِمْرَةِ مُصْعَبٍ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا قَالَ فَمَا دَرَيْتُ مَا أَقُولُ فَمَضَيْتُ إِلَى مَنْزِلِ ابْنِ عُمَرَ بِمَكَّةَ فَقُلْتُ لِلْغُلاَمِ اسْتَأْذِنْ لِي . قَالَ إِنَّهُ قَائِلٌ فَسَمِعَ صَوْتِي . قَالَ ابْنُ جُبَيْرٍ قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ ادْخُلْ فَوَاللَّهِ مَا جَاءَ بِكَ هَذِهِ السَّاعَةَ إِلاَّ حَاجَةٌ فَدَخَلْتُ فَإِذَا هُوَ مُفْتَرِشٌ بَرْذَعَةً مُتَوَسِّدٌ وِسَادَةً حَشْوُهَا لِيفٌ قُلْتُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُتَلاَعِنَانِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ نَعَمْ إِنَّ أَوَّلَ مَنْ سَأَلَ عَنْ ذَلِكَ فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ أَنْ لَوْ وَجَدَ أَحَدُنَا امْرَأَتَهُ عَلَى فَاحِشَةٍ كَيْفَ يَصْنَعُ إِنْ تَكَلَّمَ تَكَلَّمَ بِأَمْرٍ عَظِيمٍ . وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى مِثْلِ ذَلِكَ قَالَ فَسَكَتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ أَتَاهُ فَقَالَ إِنَّ الَّذِي سَأَلْتُكَ عَنْهُ قَدِ ابْتُلِيتُ بِهِ . فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ هَؤُلاَءِ الآيَاتِ فِي سُورَةِ النُّورِ ( وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ ) فَتَلاَهُنَّ عَلَيْهِ وَوَعَظَهُ وَذَكَّرَهُ وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ قَالَ لاَ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا كَذَبْتُ عَلَيْهَا . ثُمَّ دَعَاهَا فَوَعَظَهَا وَذَكَّرَهَا وَأَخْبَرَهَا أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ . قَالَتْ لاَ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَكَاذِبٌ فَبَدَأَ بِالرَّجُلِ فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ ثُمَّ ثَنَّى بِالْمَرْأَةِ فَشَهِدَتْ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ غَضَبَ اللَّهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنَ الصَّادِقِينَ ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا.




৩৬৩৮-(৪/১৪৯৩) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনে নুমায়র ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুস'আবের স্ত্রীর ব্যাপারে আমাকে লিআনকারী দু'জনের মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, তাদের আলাদা করা হবে কি না। তিনি বলেনঃ তখন আমি কী বলব তা আমি বুঝতে পারছিলাম না। এরপর আমি মাক্কায় ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বাসায় গেলাম। আমি তার গোলামকে বললাম, আমার জন্য অনুমতি নিয়ে এসো। সে বললঃ তিনি এখন বিশ্রাম নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি আমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন। তিনি বললেনঃ ইবনু জুবায়র? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ ভিতরে এসো। আল্লাহর কসম! বিশেষ প্রয়োজনই এ সময় তোমাকে নিয়ে এসেছে। আমি ভিতরে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি একটি কম্বল বিছিয়ে একটি বালিশের উপর হেলান দিয়ে আছেন। বালিশটি খেজুর ছোবড়ায় ভরা ছিল। আমি বললামঃ হে আবূ আবদুর রহমান দুজন লিআনকারী- এদের কি পৃথক করা হবে? তিনি বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! হ্যাঁ।

সর্বপ্রথম এ বিষয়ে অমুকের পুত্র অমুক জিজ্ঞেস করেছিল। সে বলেছিলঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি কী বলেন, যদি আমাদের মধ্যে কেউ তার স্ত্রীকে অপকর্মে লিপ্ত দেখতে পায় তাহলে সে কী করবে? যদি সে বলাবলি করে তাহলে তো গুরুতর আকার ধারণ করবে। যদি সে নীরব থাকে, তাহলে এমন সাংঘাতিক বিষয়ে কি করে নীরব থাকবে। তিনি বলেনঃ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ রইলেন; কোন উত্তর দিলেন না। সে ব্যক্তি আবার তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রসূল! যে বিষয়টি সম্পর্কে ইতোপূর্বে আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার নিজের উপরই তা ঘটেছে। তখন আল্লাহ তা'আলা সূরা আন-নূর-এর এ আয়াতগুলো নাযিল করেন-

"আর যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই- তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্যের পদ্ধতি হবে এই যে, সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর লা'নাত বর্ষিত হবে। আর স্ত্রীর শাস্তি বাতিল করা হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, তার স্বামী যদি সত্যবাদী হয় তবে নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গযব"- (সূরা আন-নূর ২৪ঃ ৬-৯)।

তিনি তাকে এ আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে শোনালেন। এরপর তাকে নসীহত করলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজ। সে বলল, না। সে মহান সত্তার কসম যিনি আপনাকে নবী হিসেবে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি তার (আমার স্ত্রীর) উপর কোন মিথ্যা আরোপ করিনি। এরপর তিনি মহিলাকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে উপদেশ দিলেন, তাকে আখিরাতের ভয় দেখালেন, সর্বোপরি তাকে জানিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজতর। সে বলল, না, সে মহান সত্তার কসম- যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, নিশ্চয়ই সে মিথ্যাবাদী। এরপর তিনি পুরুষ লোকটির দ্বারা লিআন বাক্য পাঠ করাতে শুরু করলেন। তখন সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, সে তার কথায় সত্যবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার উপর আল্লাহর লা'নাত নেমে আসুক।

এরপর তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীলোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সেও আল্লাহর নামে শপথ করে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, সে (স্বামী) মিথ্যাবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে (তার স্বামী) সত্যবাদী হয় তাহলে তার (মহিলার) উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০৪, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০৪)









সহীহ মুসলিম (3639)


وَحَدَّثَنِيهِ عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ، أَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ سُئِلْتُ عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، زَمَنَ مُصْعَبِ بْنِ الزُّبَيْرِ فَلَمْ أَدْرِ مَا أَقُولُ فَأَتَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ أَرَأَيْتَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ .




৩৬৩৯-(.../...) 'আলী ইবনু হুজর সাদী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) বললেন, মুসআব ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর শাসনামলে দু'জন লি'আনকারী সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলে আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না কী উত্তর দেব। তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে এলাম এবং সে দু'জন লি'আনকারী সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলামঃ তাদের বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে আপনার মত কী? এরপর তিনি ইবনু নুমায়র (রহঃ) এর হাদীসের মতই বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০৫, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০৫)









সহীহ মুসলিম (3640)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْمُتَلاَعِنَيْنِ " حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ أَحَدُكُمَا كَاذِبٌ لاَ سَبِيلَ لَكَ عَلَيْهَا " . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَالِي قَالَ " لاَ مَالَ لَكَ إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا فَهْوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا فَذَاكَ أَبْعَدُ لَكَ مِنْهَا " . قَالَ زُهَيْرٌ فِي رِوَايَتِهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .




৩৬৪০-(৫/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুজন লি'আনকারীর (লি'আন বাক্য পাঠের ব্যাপারে) তোমাদের দু'জনের হিসাব আল্লাহর দায়িত্বে। তোমাদের দু'জনের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আর তোমার (স্ত্রীর) উপর তোমার কোন করণীয় নেই। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার অর্থের (প্রদত্ত মাহর) কী হবে। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার অর্থ পাবে না। যদি তুমি তার ব্যাপারে সত্যবাদী হও তাহলে তোমার দেয়া সম্পদ ঐ বস্তুর বদলা বলে গণ্য হবে যা দ্বারা তুমি তার লজ্জাস্থান হালাল করেছ। আর যদি তুমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থাক তাহলে তার থেকে মাল ফেরত পাওয়া দুরহ ব্যাপার।

যুহায়র (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬০৬, ইসলামিক সেন্টার ৩৬০৬)