মিশকাতুল মাসাবিহ
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنِ ابْتَاعَ نَخْلًا بَعْدَ أَنْ تُؤَبَّرَ فَثَمَرَتُهَا لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ وَمَنِ ابْتَاعَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ فَمَالُهُ لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ" . رَوَاهُ مُسلم وروى البُخَارِيّ الْمَعْنى الأول وَحده
২৮৭৫- ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক তা’বীর করার পর কোনো খেজুর বাগান ক্রয় করবে, সেক্ষেত্রে ঐ বাগানের বিক্রেতারা মালিকানা পাবে। তবে যদি ক্রেতা শর্তারোপ করে, তখন ক্রেতাই পাবে। যদি কেউ কোনো ক্রীতদাস ক্রয় করে এবং ঐ ক্রীতদাসের কিছু মাল রয়েছে, সেই মাল বিক্রেতার হবে। অবশ্য যদি ক্রেতা শর্তারোপ করে নেয়। (মুসলিম; আর বুখারী শুধু প্রথম অংশ বর্ণনা করেছেন)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1543/80) و البخاري (2379)
وَعَنْ جَابِرٍ: أَنَّهُ كَانَ يَسِيرُ عَلَى جَمَلٍ لَهُ قد أعيي فَمَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهِ فَضَرَبَهُ فَسَارَ سَيْرًا لَيْسَ يَسِيرُ مِثْلَهُ ثُمَّ قَالَ: "بِعْنِيهِ بِوُقِيَّةٍ" قَالَ: فَبِعْتُهُ فَاسْتَثْنَيْتُ حُمْلَانَهُ إِلَى أَهْلِي فَلَمَّا قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ أَتَيْتُهُ بِالْجَمَلِ وَنَقَدَنِي ثَمَنَهُ وَفِي رِوَايَةٍ فَأَعْطَانِي ثَمَنَهُ وَرَدَّهُ عَلَيَّ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لِلْبُخَارِيِّ أَنَّهُ قَالَ لِبِلَالٍ: "اقْضِهِ وَزِدْهُ" فَأَعْطَاهُ وَزَادَهُ قِيرَاطًا
২৮৭৬-[২] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন তিনি তাঁর একটি উটে চড়ে যাচ্ছিলেন, উটটি নিতান্তই ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটটির কাছে গেলেন এবং তাকে আঘাত করলেন। এতে করে উটটি এমন দ্রুত গতিতে চলতে লাগলো যে, যেরূপ চলতে (পূর্বে) সে সক্ষম ছিল না। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, উটটি আমার কাছে (চল্লিশ দিরহাম বা রৌপ্য-মুদ্রায়) বিক্রি করে ফেল। তিনি বলেন, উক্ত দরে আমি বিক্রি করলাম, কিন্তু এ শর্ত দিলাম যে, আমি বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে এর উপর চড়ব। মদীনায় পৌঁছে আমি উটটি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম; তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এর মূল্য আদায় করে দিলেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এর মূল্য আদায় করে দিলেন এবং উটটিও ফেরত দিয়ে দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
বুখারীর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলাল -কে বললেন তাঁকে এর মূল্য দিয়ে দাও এবং কিছু অতিরিক্তও দিয়ে দাও। উক্ত দরে বিলাল জাবির -কে তাঁর প্রাপ্য প্রদান করলেন এবং অতিরিক্ত এক ক্বীরাত্ব দিলেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2718، 2967) و مسلم (109۔ 715/111)
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: جَاءَتْ بَرِيرَةُ فَقَالَتْ: إِنِّي كَاتَبْتُ عَلَى تِسْعِ أَوَاقٍ فِي كُلِّ عَامٍ وُقِيَّةٌ فَأَعِينِينِي فَقَالَتْ عَائِشَةُ: إِنْ أَحَبَّ أَهْلُكِ أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عُدَّةً وَاحِدَةً وَأُعْتِقَكِ فَعَلْتُ وَيَكُونُ وَلَاؤُكِ لِي فَذَهَبَتْ إِلَى أَهْلِهَا فَأَبَوْا إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْوَلَاءُ لَهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "خُذِيهَا وَأَعْتِقِيهَا" ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: "أَمَّا أبعد فَمَا بَالُ رِجَالٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتَ فِي كِتَابِ اللَّهِ مَا كَانَ مِنْ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ فَقَضَاءُ اللَّهِ أَحَقُّ وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ وَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ"
২৮৭৭-[৩] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন বারীরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার নিকট এসে বলল, আমি আমার মালিকের সাথে প্রতি বছর এক উক্বিয়্যাহ্ [৪০ দিরহাম] হিসাবে নয় বছরে নয় উক্বিয়্যাহ্ [৩৩৬ দিরহাম] দেয়ার শর্তে লিখিত চুক্তিনামা সম্পাদনা করেছি, এজন্য আপনি আমাকে সাহায্য করুন। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমার মালিক যদি ইচ্ছাপোষণ করে (আর তোমার যদি সম্মতি থাকে) যে, উল্লেখিত দিরহাম একসাথে আদায় করে আমি তোমাকে মুক্ত করে দিব এবং মুক্তিদান সূত্রে আমি তোমার উত্তরাধিকার তথা স্বত্বের অধিকারিণী বলে গণ্য হবো।
বারীরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মালিকের কাছে গিয়ে এ কথা ব্যক্ত করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল এবং বলল, উক্ত উত্তরাধিকার-স্বত্ব আমাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে] বললেন, তুমি তাকে কিনে নাও এবং মুক্ত করে দাও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে খুৎবা দিতে গিয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর বললেন, একশ্রেণীর লোকের এই স্বভাব কেন যে, তারা এরূপ শর্তারোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই? আর আল্লাহর কিতাবে নেই, এমন সকল প্রকার শর্তই বাতিল বলে সাব্যস্ত হবে। এভাবে যদি একশ’ শর্তও করে, তবুও আল্লাহ তা’আলার শারী’আতই (বিধানই) অগ্রগণ্য এবং আল্লাহ তা’আলার দেয়া শর্তই সর্বাধিক সুদৃঢ়। তাই উত্তরাধিকার-স্বত্ব একমাত্র মুক্তকারীর বলে গণ্য হবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2168) و مسلم (1504/6)
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَن بيع الْوَلَاء وَعَن هِبته
২৮৭৮-[৪] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরাধিকার স্বত্বকে (মুক্তকরণ সূত্রে) বিক্রি করা এবং তা দান করা হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2535) و مسلم (1506/16)
عَنْ مَخْلَدِ بْنِ خُفَافٍ قَالَ: ابْتَعْتُ غُلَامًا فَاسْتَغْلَلْتُهُ ثُمَّ ظَهَرْتُ مِنْهُ عَلَى عَيْبٍ فَخَاصَمْتُ فِيهِ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَضَى لِي بِرَدِّهِ وَقَضَى عَلَيَّ بِرَدِّ غَلَّتِهِ فَأَتَيْتُ عُرْوَةَ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: أَرُوحُ إِلَيْهِ الْعَشِيَّةَ فَأُخْبِرُهُ أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى فِي مِثْلِ هَذَا: أَنَّ الْخَرَاجَ بِالضَّمَانِ فَرَاحَ إِلَيْهِ عُرْوَةُ فَقَضَى لِي أَنْ آخُذَ الْخَرَاجَ مِنَ الَّذِي قَضَى بِهِ عَلَيِّ لَهُ. رَوَاهُ فِي شَرْحِ السُّنَّةِ
২৮৭৯-[৫] মাখলাদ ইবনু খুফাফ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একটি দাস কিনেছিলাম এবং তার মাধ্যমে কিছু উপার্জনও করিয়েছিলাম। অতঃপর আমি তার মধ্যে একটি দোষ সম্পর্কে অবগত হলাম এবং শাসনকর্তা ’উমার ইবনু ’আবদুল ’আযীয (রাহিমাহুল্লাহ)-এর কাছে আমি তার বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি বিচার করলেন যে, আমি তাকে ফেরত দিতে পারবো, তবে অবশ্যই তার দ্বারা উপার্জিত সব কিছুই আমাকে ফেরত দিতে হবে। আমি ’উরওয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট এ রায় জানালাম। তিনি বললেন, আমি সন্ধ্যাকালেই শাসনকর্তার নিকট যাবো এবং তাঁকে অবহিত করবো। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জাতীয় ঘটনায় রায় দিয়েছেন যে, উপার্জিত আয় তার তত্ত্বাবধান ব্যয় বলে সাব্যস্ত হবে। ’উরওয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) সন্ধ্যাকালেই ’উমার ইবনু ’আবদুল ’আযীয (রাহিমাহুল্লাহ)-এর কাছে গেলেন। এমতাবস্থায় তিনি বিচার করলেন যে, উক্ত উপার্জিত আয় তিনি পূর্বে (প্রথমে) যাকে দেয়ার জন্য আদেশ করেছিলেন তার কাছ থেকে আমি যেন তা ফেরত নেই। (শারহুস্ সুন্নাহ্)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ البغوي في شرح السنۃ (164/8 بعد ح 2119) [و أبو داود، (3508) والترمذي (1285۔ 1286) و ابن ماجہ (2242)]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذَا اخْتَلَفَ الْبَيِّعَانِ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الْبَائِعِ وَالْمُبْتَاعُ بِالْخِيَارِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيِّ قَالَ: "الْبَيِّعَانِ إِذَا اخْتَلَفَا وَالْمَبِيعُ قَائِمٌ بِعَيْنِهِ وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ أَو يترادان البيع"
২৮৮০-[৬] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যদি কোনো মতবিরোধ দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে বিক্রেতার কথা অগ্রাধিকার হবে এবং ক্রেতার জন্য অবকাশ থাকবে। (তিরমিযী)
ইবনু মাজাহ ও দারিমী-এর বর্ণনায় রয়েছে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যদি মতবিরোধ দেখা দেয় এবং বিক্রিত দ্রব্য হুবহু সমুপস্থিত থাকে, আর কোনো পক্ষে সাক্ষী না থাকে, সেক্ষেত্রে বিক্রেতার কথা অগ্রাধিকার পাবে। অথবা উভয়ে ক্রয়-বিক্রয়কে বাতিল করে পরস্পর দ্রব্য ও মূল্য ফেরত দিয়ে দিবে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (1270) و ابن ماجہ (2186) و الدارمي (250/2 ح، 2552)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ أَقَالَ مُسْلِمًا أقاله اللَّهُ عَثْرَتَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَفِي "شَرْحِ السُّنَّةِ" بِلَفْظِ "الْمَصَابِيحِ" عَن شُرَيْح الشَّامي مُرْسلا
২৮৮১-[৭] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুসলিম ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করবে (ফেরত দিবে), কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা’আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)
এ হাদীসটি শারহুস্ সুন্নাহ্-এর মধ্যে মাসাবীহের শব্দ দ্বারা শুরাইহ, শামী মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أبو داود (3460) و ابن ماجہ (2199) والبغوي في، شرح السنۃ (161/8 ح 2117) ٭ الأعمش مدلس و عنعن و للحدیث شواھد ضعیفۃ .
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسلم: اشْترى رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ عَقَارًا مِنْ رَجُلٍ فَوَجَدَ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ فِي عَقَارِهِ جَرَّةً فِيهَا ذَهَبٌ فَقَالَ لَهُ الَّذِي اشْتَرَى الْعَقَارَ: خُذْ ذَهَبَكَ عَنِّي إِنَّمَا اشْتَرَيْتُ الْعَقَارَ وَلَمْ أَبْتَعْ مِنْكَ الذَّهَبَ. فَقَالَ بَائِعُ الْأَرْضِ: إِنَّمَا بِعْتُكَ الْأَرْضَ وَمَا فِيهَا فَتَحَاكَمَا إِلَى رَجُلٍ فَقَالَ الَّذِي تَحَاكَمَا إِلَيْهِ: أَلَكُمَا وَلَدٌ؟ فَقَالَ أَحَدُهُمَا: لي غُلَام وَقَالَ الآخر: لي جَارِيَة. فَقَالَ: أَنْكِحُوا الْغُلَامَ الْجَارِيَةَ وَأَنْفِقُوا عَلَيْهِمَا مِنْهُ وَتَصَدَّقُوا
২৮৮২-[৮] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতের মধ্যে এক লোক একখন্ড জমি অপর লোক হতে ক্রয় করলো। ক্রেতা ক্রয়কৃত জমির মধ্যে এক কলসে স্বর্ণ পেল। সে বিক্রেতাকে বলল, তোমার স্বর্ণ তুমি নিয়ে যাও! আমি তো তোমার কাছ থেকে কেবল জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। বিক্রেতা বলল, জমি এবং জমির মধ্যে যা কিছু আছে সবই তো আমি বিক্রি করে দিয়েছি। তারা উভয়ে পরস্পরের মধ্যে বিরোধ-মীমাংসার জন্য তৃতীয় ব্যক্তির কাছে গেল। সে ব্যক্তি তাদের উভয়কে জিজ্ঞেস করল, তোমাদের সন্তান-সন্ততি আছে কি? তাদের একজন বলল, আমার একটি ছেলে আছে। অপরজন বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। তখন সে ব্যক্তি বলল, তোমাদের ছেলে ও মেয়ের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ কর এবং এই স্বর্ণ বিবাহের ব্যয় নির্বাহ কর, আর দান-খয়রাত করে দাও। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2472) و مسلم (1721/21)
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَهُمْ يُسْلِفُونَ فِي الثِّمَارِ السَّنَةَ وَالسَّنَتَيْنِ وَالثَّلَاثِ فَقَالَ: "مَنْ سلف فِي شَيْءٍ فَلْيُسْلِفْ فِي كَيْلٍ مَعْلُومٍ وَوَزْنٍ مَعْلُوم إِلَى أجل مَعْلُوم"
২৮৮৩- ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় পদার্পণ করলেন, তখন মদীনাবাসীগণ এক, দুই এবং তিন বছরের মেয়াদে বিভিন্ন রকমের ফল ক্রয়-বিক্রয় করতো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয় করবে, অতঃপর তার উচিত অগ্রিম দেয়া নির্ধারিত পরিমাপে (ওযনে) এবং নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2239) و مسلم (127/ 1604)
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتِ: اشْتَرَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَعَامًا من يَهُودِيٍّ إِلَى أَجَلٍ وَرَهَنَهُ دِرْعًا لَهُ مِنْ حَدِيد
২৮৮৪-[২] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ইয়াহূদীর নিকট হতে কিছু খাদ্যদ্রব্য বাকিতে ক্রয় করেছেন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এবং তাঁর লৌহবর্ম ঐ ইয়াহূদীর কাছে বন্ধক রেখেছিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2068) و مسلم (1603/126)
وَعَنْهَا قَالَتْ: تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَدِرْعُهُ مَرْهُونَةٌ عِنْدَ يَهُودِيٍّ بِثَلَاثِينَ صَاعا من شعير. رَوَاهُ البُخَارِيّ
২৮৮৫-[৩] উক্ত রাবী [’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তেকালের সময় তাঁর লৌহবর্ম ৩০ সা’ (প্রায় তিন মণ) যবের বিনিময়ে এক ইয়াহূদীর কাছে বন্ধক রাখা ছিল। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2916)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "الظَّهْرُ يُرْكَبُ بِنَفَقَتِهِ إِذَا كَانَ مَرْهُونًا وَلَبَنُ الدَّرِّ يُشْرَبُ بِنَفَقَتِهِ إِذَا كَانَ مَرْهُونًا وَعَلَى الَّذِي يركب وَيشْرب النَّفَقَة" . رَوَاهُ البُخَارِيّ
২৮৮৬-[৪] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আরোহণের পশু বন্ধক রাখলে, তার উপর আরোহণ করা যাবে, অবশ্য এর ব্যয়ভারও বহন করতে হবে। তবে দুগ্ধবতী পশু বন্ধক রাখলে, এর দুগ্ধ দোহন (পান) করা যাবে, তখন এর ব্যয়ভারও বহন করতে হবে। আরোহণের এবং দুধ পান করার অধিকার যার রয়েছে তাকেই ব্যয়ভার বহন করতে হবে। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2512)
عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا يَغْلَقُ الرَّهْنُ الرَّهْنَ مِنْ صَاحِبِهِ الَّذِي رَهَنَهُ لَهُ غنمه وَعَلِيهِ غرمه" . رَوَاهُ الشَّافِعِي مُرْسلا
২৮৮৭-[৫] সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বন্ধক রাখা তার মালিককে বন্ধকী জিনিস হতে স্বত্বহীন করে না। উক্ত জিনিসের আয়-ভোগ এবং এর ভরণ-পোষণ তারই ওপর বর্তাবে। (ইমাম শাফি’ঈ [রহঃ] মুরসাল সূত্রে বর্ণিত)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الشافعي فی الأم (186/3۔ 167) ٭ السند مرسل و، انظر الحدیث الآتي (2888)
وَرُوِيَ مثله أَو مثل مَعْنَاهُ لَا يُخَالف عَنهُ عَن أبي هُرَيْرَة مُتَّصِلا
২৮৮৮-[৬] আর অনুরূপ হাদীস বা একই অর্থবোধক হাদীস যা সাংঘর্ষিক নয় আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে যুক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (2441) ٭ الزھري مدلس و عنعن فالسند، غیر متصل و انظر الحدیث السابق (2887)
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْمِكْيَالُ مِكْيَالُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ وَالْمِيزَانُ مِيزَانُ أَهْلِ مَكَّةَ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيّ
২৮৮৯-[৭] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরিমাপের ক্ষেত্রে মদীনাবাসীর প্রচলিত পরিমাপ এবং ওযনের ক্ষেত্রে মক্কাবাসীর প্রচলিত ওযন গণ্য হবে। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (3340) و النسائي (54/5 ح 2521، 4598) ٭ سفیان الثوري مدلس و عنعن و تابعہ المدلس الو لید بن مسلم و عنعن .
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَصْحَابِ الْكَيْلِ وَالْمِيزَانِ: "إِنَّكُمْ قَدْ وُلِّيتُمْ أَمْرَيْنِ هَلَكَتْ فِيهِمَا الْأُمَمُ السَّابِقَة قبلكُمْ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
২৮৯০-[৮] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিমাপ ও ওযনকারীদের উদ্দেশে বলেছেনঃ তোমাদের ওপর এমন দু’টি দায়িত্ব অর্পিত রয়েছে, যার কারণে পূর্ববর্তী অনেক উম্মাত ও জাতি ধ্বংস হয়েছে। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف جدًا، رواہ الترمذي (1217) ٭ فیہ حسین بن قیس، الواسطي: متروک .
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ أَسْلَفَ فِي شَيْءٍ فَلَا يَصْرِفْهُ إِلَى غَيْرِهِ قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَهُ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
২৮৯১-[৯] আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোনো দ্রব্য অগ্রিম ক্রয় করেছে, সে ঐ দ্রব্য স্বীয় হস্তে আসার পূর্বে অপরের নিকট হস্থান্তর করতে পারবে না। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (3468) و ابن ماجہ (2283) ٭ عطیۃ، العوفي ضعیف و مدلس .
عَن معمر قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنِ احْتَكَرَ فَهُوَ خَاطِئٌ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَسَنَذْكُرُ حَدِيثَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ "كَانَتْ أَمْوَالُ بَنِي النَّضِيرِ" فِي بَابِ الْفَيْءِ إِنْ شَاءَ الله تَعَالَى
২৮৯২- মা’মার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক খাদ্য-সামগ্রী গুদামজাত করে, সে অপরাধী; সে গুনাহগার সাব্যস্ত হবে। (মুসলিম)
’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস ’’বানী নাযীর-এর যুদ্ধলব্ধ ধন-সম্পদ’’ অধ্যায়ে অতি শীঘ্রই উল্লেখ করব ইনশা-আল্লা-হু তা’আলা।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1605/129) حدیث عمر یأتي (4056)
عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْجَالِبُ مَرْزُوقٌ والمحتكر مَلْعُون" . رَوَاهُ ابْن مَاجَه والدارمي
২৮৯৩-[২] ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ আমদানীকারক ভাগ্যবান (জীবিকাপ্রাপ্ত) হবে এবং গুদামজাতকারী অভিশপ্ত (বরকতবিহীন) হবে। (ইবনু মাজাহ, দারিমী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (2153) والدارمي (249/2 ح 2548) ٭، علي بن سالم: ضعیف و علي بن زید بن جدعان ضعیف مشھور .
وَعَن أنس قَالَ: غَلَا السِّعْرُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ سَعِّرْ لَنَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْمُسَعِّرُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الرَّازِقُ وَإِنِّي لَأَرْجُو أَنْ أَلْقَى رَبِّي وَلَيْسَ أحد مِنْكُم يطلبنني بمظلة بِدَمٍ وَلَا مَالٍ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ
২৮৯৪-[৩] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আমলে এক সময় দ্রব্য-সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পেল। লোকেরা অনুরোধ করল- হে আল্লাহর রসূল! দ্রব্য-সামগ্রীর মূল্য সুনির্ধারিত করে দিন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দ্রব্যমূল্যের উত্থান-পতন আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতেই নির্ধারিত হয়ে থাকে। সুতরাং সঙ্কীর্ণতা ও প্রশস্ততা একমাত্র তিনিই আনেন এবং তিনিই রিযক দিয়ে থাকেন। সদাসর্বদা আমার এ প্রচেষ্টাই থাকবে, আমি আল্লাহর কাছে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করি যেন আমার ওপর তোমাদের কারো জানের বা মালের প্রতি কোনো অন্যায়-অবিচারের দাবি না থাকে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ الترمذي (1314 وقال: حسن صحیح) و أبو داود، (3451) و ابن ماجہ (2200) والدارمي (249/2 ح 2548)