মিশকাতুল মাসাবিহ
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنِ احْتَكَرَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ طَعَامَهُمْ ضَرَبَهُ اللَّهُ بِالْجُذَامِ وَالْإِفْلَاسِ" . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ. وَرَزِينٌ فِي كِتَابِهِ
২৮৯৫-[৪] ’উমার ইবনুল খত্ত্বাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মুসলিমের ওপর অভাব-অনটন সৃষ্টি করে খাদ্য-সামগ্রী গুদামজাত করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে কুষ্ঠরোগে এবং দারিদ্রে নিপতিত করবেন। (ইবনু মাজাহ, বায়হাক্বী-এর শু’আবুল ঈমান ও ’রযীন’ তাঁর গ্রন্থে)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ ابن ماجہ (2155) و البیھقي في شعب الإیمان، (11218) و رزین (لم أجدہ) ٭ و صححہ البوصیري و قال المنذري: ’’ھذا إسناد جید، متصل و رواتہ ثقات‘‘ و حسنہ ابن حجر فی الفتح (348/4)
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنِ احْتَكَرَ طَعَامًا أَرْبَعِينَ يَوْمًا يُرِيدُ بِهِ الْغَلَاءَ فَقَدْ بَرِئَ مِنَ اللَّهِ وَبَرِئَ اللَّهُ مِنْهُ" . رَوَاهُ رَزِينٌ
২৮৯৬-[৫] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশে চল্লিশ দিন পর্যন্ত খাদ্য-সামগ্রী গুদামজাত করে রাখবে, আল্লাহ থেকে সম্পর্কহীন (সে আল্লাহর আইন অমান্যকারী) এবং আল্লাহ তা’আলাও তার থেকে দায়িত্বমুক্ত হয়ে যান (আল্লাহ তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান)। (রযীন)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ رزین (لم أجدہ) [و أحمد 33/2 بلفظ مختلف نحوا، المعنی] ٭ فیہ أبو بشر (الأملوکي) صاحب أبی الزاھریۃ: ضعیف .
وَعَنْ مُعَاذٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: بِئْسَ الْعَبْدُ الْمُحْتَكِرُ: إِنْ أَرْخَصَ اللَّهُ الْأَسْعَارَ حَزِنَ وَإِنْ أَغْلَاهَا فَرِحَ . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ وَرَزِينٌ فِي كِتَابِهِ
২৮৯৭-[৬] মু’আয (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, গুদামজাতকারী ব্যক্তি কতই না নিকৃষ্ট! আল্লাহ তা’আলা দ্রব্যমূল্য কমিয়ে দিলে সে দুশ্চিন্তায় পড়ে। আর দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দিলে সে আনন্দ-উচ্ছাস প্রকাশ করে। (বায়হাক্বী’র শু’আবুল ঈমানে ও ’রযীন’ তাঁর গ্রন্থে)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ البیھقي في شعب الإیمان (11215) و رزین (لم، أجدہ) ٭ السند منقطع و فیہ عطیۃ بن بقیۃ عن أبیہ عن ثور بن یزید بہ و بقیۃ لم، یصرح بالسماع .
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنِ احْتَكَرَ طَعَامًا أَرْبَعِينَ يَوْمًا ثمَّ تَصَدَّقَ بِهِ لَمْ يَكُنْ لَهُ كَفَّارَةً" . رَوَاهُ رزين
২৮৯৮-[৭] আবূ উমামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন পর্যন্ত খাদ্যজাত দ্রব্য গুদামজাত করে রাখবে, সে তার এ মাল দান-খয়রাত করে দিলেও তার জন্য যথেষ্ট (কাফফারা) হবে না। (রযীন)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * لم أجدہ، رواہ رزین (لم أجدہ) ٭ و للحدیث طریق موضوع لا یستشھد، بہ، فیہ محمد بن مروان السدي کذاب، إنما ذکرتہ لأرد علیہ (انظر الضعیفۃ للشیخ، الألباني رحمہ اللہ: 859)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَيُّمَا رَجُلٍ أَفْلَسَ فَأَدْرَكَ رَجُلٌ مَالَهُ بِعَيْنِهِ فَهُوَ أَحَق بِهِ من غَيره"
২৮৯৯- আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দেউলিয়াগ্রস্ত বলে গণ্য হবে, যে তার কাছে নিজের মাল হুবহু পাবে, সে তার অন্য পাওনাদার অপেক্ষা অগ্রাধিকারযোগ্য হবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2402) و مسلم (1559/22)
وَعَن أبي سعيد قَالَ: أُصِيبَ رَجُلٌ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثِمَارٍ ابْتَاعَهَا فَكَثُرَ دينه فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "تَصَدَّقُوا عَلَيْهِ" فَتَصَّدَّقَ النَّاسُ عَلَيْهِ فَلَمْ يَبْلُغْ ذَلِك وَفَاء دينه فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِغُرَمَائِهِ "خُذُوا مَا وَجَدْتُمْ وَلَيْسَ لَكُمْ إِلَّا ذَلِك" . رَوَاهُ مُسلم
২৯০০-[২] আবূ সা’ঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে ফল-ফলাদি ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভীষণ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে বললেন, তাকে দান-খয়রাতের মাধ্যমে সাহায্য কর। এমতাবস্থায় লোকেরা তাকে দায়-খয়রাত করল, কিন্তু তাতে তার ঋণ পরিশোধ যথেষ্ট হলো না। সুতরাং রসূললুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তির পাওনাদারগণকে ডেকে বললেন, যা সমুপস্থিত আছে তা তোমরা আদায় করে নাও; এর অতিরিক্ত আর পাবে না (মাওকূফ করে দাও)। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1556/18)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كَانَ رجل يدائن النَّاسَ فَكَانَ يَقُولُ لِفَتَاهُ: إِذَا أَتَيْتَ مُعْسِرًا تجَاوز عَنهُ لَعَلَّ الله أَن يَتَجَاوَزُ عَنَّا قَالَ: فَلَقِيَ اللَّهَ فَتَجَاوَزَ عَنْهُ
২৯০১-[৩] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক ব্যক্তি লোকেদেরকে ধার দিত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, কোনো পাওনাদারকে (ঋণ পরিশোধে) অক্ষম দেখলে তাকে মুক্তি দিয়ে দিও। এর ওয়াসীলায় হয়তো আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে মুক্তি দিবেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর (মৃত্যুর পর) ঐ ব্যক্তি আল্লাহর দরবারে পৌঁছলে আল্লাহ তা’আলা তাকে মুক্তি করে দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2078) و مسلم (1562/31)
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُنْجِيَهُ اللَّهُ مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلْيُنَفِّسْ عَنْ مُعْسِرٍ أَوْ يَضَعْ عَنْهُ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
২৯০২-[৪] আবূ কাতাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এ কামনা করে যে, আল্লাহ তা’আলা তাকে কিয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট হতে মুক্তি দেন, সে যেন অক্ষম ঋণগ্রস্তকে সহজ উপায় করে দেয় অথবা ঋণ মাওকূফ করে দেয়। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1563/32)
وَعَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا أَوْ وَضَعَ عَنْهُ أَنْجَاهُ اللَّهُ مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَة" . رَوَاهُ مُسلم
২৯০৩-[৫] উক্ত রাবী [আবূ কাতাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অক্ষম ঋণীকে সময় দিবে অথবা ঋণ মাওকূফ করে দেবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট হতে তাকে মুক্তি দান করবেন। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1563/32)
وَعَنْ أَبِي الْيَسَرِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا أَوْ وَضَعَ عَنْهُ أَظَلَّهُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ" . رَوَاهُ مُسلم
২৯০৪-[৬] আবুল ইয়াসার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অক্ষম ঋণীকে সময়দান করবে অথবা তার ঋণ মাওকূফ করবে, আল্লাহ তা’আলা (কিয়ামত দিবসে) তাকে তাঁর ছায়া দান করবেন। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (3006/74)
وَعَن أبي رَافع قَالَ: اسْتَسْلَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَكْرًا فَجَاءَتْهُ إِبِلٌ مِنَ الصَّدَقَةِ قَالَ: أَبُو رَافِعٍ فَأَمَرَنِي أَنْ أَقْضِيَ الرَّجُلَ بَكْرَهُ فَقُلْتُ: لَا أَجِدُ إِلَّا جَمَلًا خِيَارًا رَبَاعِيًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَعْطِهِ إِيَّاهُ فَإِنَّ خَيْرَ النَّاسِ أَحْسَنُهُمْ قَضَاءً" . رَوَاهُ مُسلم
২৯০৫-[৭] আবূ রাফি’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (জনৈক ব্যক্তিকে) একটি যুবা উট ধার নিলেন। অতঃপর সাদাকার উট (সরকারী কোষাগারে) আমদানী হলে আবূ রাফি’ আমাকে তার ঋণ পরিশোধ করতে আদেশ করলেন। আমি বললাম, শুধুমাত্র উটনীর বাচ্চা আছে (যা তুলনামূলকভাবে বড়)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সেই বড়টিই তাকে দিয়ে দাও; অবশ্যই লোকেদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে তার প্রাপ্য পরিশোধে উত্তমতা অবলম্বন করে। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1600/118)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلًا تَقَاضَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَغْلَظَ لَهُ فَهَمَّ أَصْحَابُهُ فَقَالَ: "دَعُوهُ فَإِنَّ لِصَاحِبِ الْحَقِّ مَقَالًا وَاشْتَرُوا لَهُ بَعِيرًا فَأَعْطُوهُ إِيَّاهُ" قَالُوا: لَا نَجِدُ إِلَّا أَفْضَلَ مِنْ سِنِّهِ قَالَ: "اشْتَرُوهُ فَأَعْطُوهُ إِيَّاهُ فَإِنَّ خَيْرَكُمْ أحسنكم قَضَاء"
২৯০৬-[৮] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কঠোরতার সাথে প্রাপ্যের তাগাদা করল; এতে সাহাবীগণ তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেন, তাকে কিছু বলো না। কেননা পাওনাদার কঠোরতা প্রয়োগের অধিকার রাখে। তার প্রাপ্য পরিশোধের জন্য একটি উট কিনে তাকে দিয়ে দাও। সাহাবীগণ বললেন, তার প্রাপ্য বড় উট ছাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, বড়টিই ক্রয় করে তাকে দিয়ে দাও। তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম, যে অন্যের প্রাপ্য পরিশোধে উত্তম হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2306) و مسلم (1601/120)
وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ فَإِذَا أُتْبِعَ أحدكُم على مَلِيء فَليتبعْ"
২৯০৭-[৯] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সক্ষম ব্যক্তির জন্য (অন্যের দেনা পরিশোধে) গড়িমসি করা জুলুম। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি দেনা পরিশোধের জন্য কোনো সক্ষম ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে তা গৃহীত করা কর্তব্য। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2287) و مسلم (1564/33)
وَعَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّهُ تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا لَهُ عَلَيْهِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَسْجِدِ فَارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا حَتَّى سَمِعَهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي بَيْتِهِ فَخَرَجَ إِلَيْهِمَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى كَشَفَ سِجْفَ حُجْرَتِهِ وَنَادَى كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ: "يَا كَعْبُ" قَالَ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَشَارَ بِيَدِهِ أَنْ ضَعِ الشَّطْرَ مِنْ دَيْنِكَ قَالَ كَعْبٌ: قَدْ فَعَلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: "قُمْ فاقضه"
২৯০৮-[১০] কা’ব ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে একদিন মসজিদের মধ্যে ইবনু আবূ হাদরাদ-কে তাঁর প্রাপ্য ঋণের তাগাদা করলেন। উভয়ের কথোপকথনে উচ্চ আওয়াজের সৃষ্টি হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ ঘর থেকে তা শুনতে পেয়ে দরজার পর্দা উঠিয়ে বললেন, হে কা’ব! কা’ব উপস্থিত বলে ছুটে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের ইশারায় বললেন, তাকে তার প্রাপ্য ঋণের অর্ধেক মাফ করে দাও। কা’ব বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি তা-ই করলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে বললেন, এবার অবশিষ্ট ঋণ পরিশোধ করে দাও। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (457) ومسلم (1558/20)
وَعَن سَلمَة بن الْأَكْوَع قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ أُتِيَ بِجِنَازَةٍ فَقَالُوا: صَلِّ عَلَيْهَا فَقَالَ: "هَلْ عَلَيْهِ دَيْنٌ؟" قَالُوا: لَا فَصَلَّى عَلَيْهَا ثُمَّ أُتِيَ بِجِنَازَةٍ أُخْرَى فَقَالَ: "هَل عَلَيْهِ دين؟" قَالُوا: نعم فَقَالَ: "فَهَلْ تَرَكَ شَيْئًا؟" قَالُوا: ثَلَاثَةَ دَنَانِيرَ فَصَلَّى عَلَيْهَا ثمَّ أُتِي بالثالثة فَقَالَ: "هَلْ عَلَيْهِ دَيْنٌ؟" قَالُوا: ثَلَاثَةُ دَنَانِيرَ قَالَ: "هَلْ تَرَكَ شَيْئًا؟" قَالُوا: لَا قَالَ: "صلوا على صَاحبكُم" قَالَ أَبُو قَتَادَة: صلى الله عَلَيْهِ وَسلم عَلَيْهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَعَلَيَّ دَيْنُهُ فَصَلَّى عَلَيْهِ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
২৯০৯-[১১] সালামাহ্ ইবনুল আক্ওয়া’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বসা ছিলাম। এমতাবস্থায় একটি জানাযা উপস্থিত করা হলো। লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানাযার সালাত আদায়ের অনুরোধ করলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, মৃত লোকের ওপর কোনো ঋণ আছে কি? তারা বলল, না। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাযার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর অপর একটি জানাযা আনা হলো। সেটির ব্যাপারেও তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, মৃত ব্যক্তির ওপর কোনো ঋণ আছে কি? তখন বলা হলো, হ্যাঁ, আছে। জিজ্ঞেস করলেন, (ঋণ পরিশোধে) কোনো কিছু রেখে গেছে কি? লোকেরা বলল, হ্যাঁ, তিনটি স্বর্ণমুদ্রা রেখে গেছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ জানাযার সালাত আদায় করলেন।
অতঃপর আরেকটি জানাযা উপস্থিত করা হলে সেটির ব্যাপারেও তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তার ওপর কোনো ঋণ আছে কি? লোকেরা বলল, তিনটি স্বর্ণমুদ্রা তার ওপর ঋণ আছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, কিছু রেখে গেছে কি? লোকেরা বলল, না। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের জানাযার সালাত আদায় করে নাও। আবূ কাতাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ লোকের জানাযার সালাত আদায় করিয়ে দিন, আমি তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব নিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করিয়ে দিলেন। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2289)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنْ أَخَذَ أَمْوَالَ النَّاسِ يُرِيدُ أَدَاءَهَا أَدَّى اللَّهُ عَنْهُ وَمَنْ أَخَذَ يُرِيدُ إِتْلَافَهَا أَتْلَفَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ" . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
২৯১০-[১২] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক পরিশোধের নিয়্যাতে অপর লোকের মাল (ঋণরূপে) গ্রহণ করে, আল্লাহ তা’আলা তার ঋণ পরিশোধ করে দেন। আর যে লোক বিনষ্ট করার নিয়্যাতে ঋণদাতার মাল গ্রহণ করে আল্লাহ তা’আলা তাকে ধ্বংস করে দেন। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2387)
وَعَن أبي قَتَادَة قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ قُتِلْتُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ صَابِرًا مُحْتَسِبًا مُقبلا غير مُدبر يكفر اللَّهُ عَنِّي خَطَايَايَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "نَعَمْ" . فَلَمَّا أَدْبَرَ نَادَاهُ فَقَالَ: "نَعَمْ إِلَّا الدَّيْنَ كَذَلِكَ قَالَ جِبْرِيلُ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
২৯১১-[১৩] আবূ কাতাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! আমি জানতে চাই, যদি দৃঢ়পদ থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে পশ্চাদপদ না হয়ে সম্মুখপানে অগ্রসর হয়ে আল্লাহর পথে শহীদ হই, তবে কি আল্লাহ আমার সব গুনাহ মাফ করে দেবেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর ঐ লোক চলে যেতে উদ্যত হলে পিছন থেকে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে বললেন, কিন্তু ঋণ ক্ষমা করা হবে না। জিবরীল (আঃ) এসে এ কথাটিই বলে গেলেন। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (117/ 1885)
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "يُغْفَرُ لِلشَّهِيدِ كل ذَنْب إِلَّا الدّين" . رَوَاهُ مُسلم
২৯১২-[১৪] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শাহীদের ঋণ ছাড়া সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1886/119)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤْتَى بِالرَّجُلِ الْمُتَوَفَّى عَلَيْهِ الدِّينُ فَيَسْأَلُ: "هَلْ تَرَكَ لِدَيْنِهِ قَضَاءً؟" فَإِنْ حُدِّثَ أَنَّهُ تَرَكَ وَفَاءً صَلَّى وَإِلَّا قَالَ لِلْمُسْلِمِينَ: "صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ" . فَلَمَّا فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْفُتُوحَ قَامَ فَقَالَ: "أَنَا أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ فَمَنْ تُوفِّيَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ فَتَرَكَ دينا فعلي قَضَاؤُهُ وَمن ترك فَهُوَ لوَرثَته"
২৯১৩-[১৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জানাযা উপস্থিত করা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করতেন, তার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা রেখে গেছে কি? যদি বলা হতো, হ্যাঁ, ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা রেখে গেছে, তবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করতেন। অন্যথায় মুসলিমদের উদ্দেশে বলতেন, তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযার সালাত আদায় করে নাও। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা যখন তাঁকে বিভিন্ন জিহাদে বিজয় দিলেন, তখন বললেন, আমি মু’মিনদের জন্য তাদের নিজের চেয়ে অধিক কল্যাণকামী। এমতাবস্থায় মু’মিনদের মধ্য হতে কেউ ঋণ পরিশোধ না করে মৃত্যুবরণ করলে, তা পরিশোধের দায়িত্ব আমার ওপর বর্তাবে। পক্ষান্তরে মৃত ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে গেলে তা তার উত্তরাধিকারীগণ পাবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2298) و مسلم (1619/14)
عَنْ أَبِي خَلْدَةَ الزُّرَقِيِّ قَالَ: جِئْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ فِي صَاحِبٍ لَنَا قَدْ أَفْلَسَ فَقَالَ: هَذَا الَّذِي قَضَى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَيُّمَا رَجُلٍ مَاتَ أَوْ أَفْلَسَ فَصَاحِبُ الْمَتَاعِ أَحَقُّ بِمَتَاعِهِ إِذَا وَجَدَهُ بِعَيْنِه" . رَوَاهُ الشَّافِعِي وَابْن مَاجَه
২৯১৪-[১৬] আবূ খলদাহ্ আয্ যুরাক্বী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা আমাদের সাথি এক ব্যক্তি দেউলিয়াগ্রস্ত হয়ে পড়লে তার ব্যাপারে আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, এ জাতীয় বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তার কাছে যে ব্যক্তি তার কোনো বস্তু হুবহু সংরক্ষিত পায়, সেই তার অগ্রাধিকারী হবে। (শাফি’ঈ ও ইবনু মাজাহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الشافعي فی الأم (199/3) و ابن ماجہ (2360)