হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (3455)


وَعَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَانَ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ رَجُلٌ بِهِ جُرْحٌ فجزِعَ فأخذَ سكيّناً فحزَّ بِهَا يَدَهُ فَمَا رَقَأَ الدَّمُ حَتَّى مَاتَ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: بَادَرَنِي عَبْدِي بِنَفْسِهِ فَحَرَّمْتُ عَلَيْهِ الْجنَّة




৩৪৫৫-[১০] জুনদুব ইবনু ’আব্দুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পূর্বকালে জনৈক লোক (হাতে রক্তাক্ত অবস্থায়) আহত হয়েছিল। সে তার ব্যথা সহ্য করতে না পেরে একটি ছুরির আঘাতে স্বীয় হাতটি কেটে ফেলে, তারপরও রক্তক্ষরণ রোধ হলো না। পরিশেষে সে মৃত্যুবরণ করল। আল্লাহ তা’আলা বললেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে অত্যন্ত তাড়াহুড়া করল। অতএব আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3463) و مسلم (113/181)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3456)


وَعَنْ جَابِرٍ: أَنَّ الطُّفَيْلَ بْنَ عَمْرٍو الدَّوْسِيَّ لَمَّا هَاجَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ هَاجَرَ إِلَيْهِ وَهَاجَرَ مَعَهُ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِهِ فَمَرِضَ فَجَزِعَ فَأَخَذَ مَشَاقِصَ لَهُ فَقَطَعَ بِهَا بَرَاجِمَهُ فَشَخَبَتْ يَدَاهُ حَتَّى مَاتَ فَرَآهُ الطُّفَيْلُ بْنُ عَمْرٍو فِي مَنَامِهِ وَهَيْئَتُهُ حسنةٌ ورآهُ مغطيّاً يدَيْهِ فَقَالَ لَهُ: مَا صنع بِكُل رَبُّكَ؟ فَقَالَ: غَفَرَ لِي بِهِجْرَتِي إِلَى نَبِيِّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: مَا لِي أَرَاكَ مُغَطِّيًا يَدَيْكَ؟ قَالَ: قِيلَ لِي: لَنْ تصلح مِنْكَ مَا أَفْسَدْتَ فَقَصَّهَا الطُّفَيْلُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِر" . رَوَاهُ مُسلم




৩৪৫৬-[১১] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় হিজরত করেন তখন তুফায়ল ইবনু ’আমর আদ্ দাওসী -ও তাঁর সাথে হিজরত করলেন, সাথে তার স্বগোত্রীয় এক লোকও হিজরত করে এসেছিল এবং সে অসুস্থ হয়ে পড়ল। এতে লোকটি অসুস্থতায় অধৈর্য হয়ে ছুরি নিয়ে স্বীয় হাতের কব্জি কেটে ফেলল। ফলে দ্রুতবেগে রক্তক্ষরণের দরুন সে মৃত্যুবরণ করল। অতঃপর তুফায়ল ইবনু ’আমর তাকে স্বপ্ন দেখলেন যে, তার অবয়ব ও বেশভূষা খুবই সুন্দর; কিন্তু তার হাত দু’টি আবৃত করা। তুফায়ল তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রব্ তোমার সাথে কিরূপ আচরণ করেছেন? উত্তরে সে বলল, আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরত করার কারণে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তুফায়ল পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, আমি তোমার হাত দু’টি আবৃত দেখছি, তার কারণ কি? সে বলল, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বলেছেন, তুমি ইচ্ছাকৃতভাবে যা ক্ষতি করেছ, আমি কক্ষনো তা ঠিক করব না। অতঃপর তুফায়ল এতদসম্পর্কে পুরো বিষয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করলেন, হে আল্লাহ! তার হাত দু’টিকেও ক্ষমা করে দিন। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (116/184)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3457)


وَعَن أبي شُرَيحٍ الكعبيِّ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثُمَّ أَنْتُمْ يَا خُزَاعَةُ قَدْ قَتَلْتُمْ هَذَا الْقَتِيلَ مِنْ هُذَيْلٍ وَأَنَا وَاللَّهِ عَاقِلُهُ مَنْ قَتَلَ بَعْدَهُ قَتِيلًا فَأَهْلُهُ بَيْنَ خِيرَتَيْنِ: عَن أَحبُّوا قتلوا وَإِن أَحبُّوا أخذا العقلَ . رَوَاهُ الترمذيُّ وَالشَّافِعِيّ. وَفِي شرح السنَّة بإِسنادِه وَصَرَّحَ: بِأَنَّهُ لَيْسَ فِي الصَّحِيحَيْنِ عَنْ أَبِي شُرَيْح وَقَالَ:




৩৪৫৭-[১২] আবূ শুরাইহ আল কা’বী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মক্কা বিজয়ের খুৎবাতে) বলেছেন, হে খুযা’আহ্ গোত্র! তোমরা এই হুযায়ল গোত্রের লোকটিকে হত্যা করেছ। আল্লাহর কসম! আমি তার দিয়াত (রক্তপণ) আদায় করবো। অতঃপর যে কেউ কোনো লোককে হত্যা করবে, তখন নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি করার অধিকার থাকবে। যদি তারা হত্যাকারী থেকে প্রতিশোধ নিতে চায়, তাহলে কিসাস (প্রতিশোধ) স্বরূপ তাকে হত্যা করবে। আর যদি দিয়াত গ্রহণ করতে চায়, তাও করতে পারবে। (তিরমিযী ও শাফি’ঈ)
আর শারহুস্ সুন্নাহ্-এর কিতাবে ইমাম শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সানাদে বর্ণিত আছে। হাদীসটি শুরাইহ আল কা’বী -এর মাধ্যমে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়নি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ الترمذي (1406) و الشافعي فی الأم (9/6) [و، أبو داود (4504) و أصلہ متفق علیہ، و البخاري (104) و مسلم (1354) مختصرًا و لم، یذکرا ھذا اللفظ] ٭ و رواہ البغوي في شرح السنۃ (301/7 ح 2004 وقال: متفق علی، صحتہ، أخرجاہ جمیعًا‘‘ إلخ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3458)


وَأَخْرَجَاهُ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي هُرَيْرَةَ يَعْنِي بِمَعْنَاهُ




৩৪৫৮-[১৩] আর তিনি (শারহুস্ সুন্নাহ্-এর গ্রন্থাকার) বলেন, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে সমঅর্থে বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (112) و مسلم (447 / 1355)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3459)


وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ يَهُودِيًّا رَضَّ رَأْسَ جَارِيَةٍ بَيْنَ حَجَرَيْنِ فَقِيلَ لَهَا: مَنْ فَعَلَ بِكِ هَذَا؟ أَفُلَانٌ؟ حَتَّى سُمِّيَ الْيَهُودِيُّ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا فَجِيءَ بِالْيَهُودِيِّ فَاعْتَرَفَ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُضَّ رَأْسُهُ بِالْحِجَارَةِ




৩৪৫৯-[১৪] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহূদী একটি মেয়ের মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে ছেঁচে দিল। অতঃপর মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করা হলো, কে তোমার সাথে এরূপ করেছে? অমুক, না অমুক? পরিশেষে এক ইয়াহূদীর নাম উল্লেখ করা হলে মেয়েটি মাথা নাড়িরে ইশারায় সম্মতি জানাল। অতঃপর সেই ইয়াহূদীকে উপস্থিত করা হলে সে তার দোষ স্বীকার করল। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাথাটিও পাথর দ্বারা ছেঁচে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তার মাথাটিও অনুরূপভাবে ছেঁচে দেয়া হলো। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6884) و مسلم (1672/15)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3460)


وَعَنْهُ قَالَ: كَسَرَتِ الرُّبَيِّعُ وَهِيَ عَمَّةُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ثَنِيَّةَ جَارِيَةٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فَأَتَوُا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَ بِالْقِصَاصِ فَقَالَ أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ عَمُّ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ لَا وَاللَّهِ لَا تُكْسَرُ ثَنِيَّتُهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "يَا أَنَسُ كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ" فَرَضِيَ الْقَوْمُ وَقَبِلُوا الْأَرْشَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى الله لَأَبَره"




৩৪৬০-[১৫] উক্ত রাবী [আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রুবাইয়ি’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা); যিনি আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ফুফু, তিনি এক আনসারী মেয়ের সামনের দাঁত ভেঙ্গে দেয়। অতঃপর মেয়েটির গোত্রের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অভিযোগ করলে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিসাস (প্রতিশোধ) গ্রহণের আদেশ দিলেন। তখন আনাস ইবনু মালিক -এর চাচা আনাস ইবনুন্ নযর বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এমনটি হতে পারে না। আল্লাহর কসম! রুবাইয়ি’-এর দাঁত ভাঙ্গতে দেয়া হবে না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আনাস! আল্লাহর নির্দেশ হলো কিসাস নেয়া। অতঃপর নিহত ব্যক্তির গোত্রের লোকেরা ক্বিসাসের দাবির পরিবর্তে দিয়াত (রক্তপণ) গ্রহণ করতে সম্মত হলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার এমন কিছু (নেক) বান্দা আছে, যারা আল্লাহর নামে কোনো শপথ করলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (4611) و مسلم (1675/24)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3461)


وَعَن أبي جُحيفةَ قَالَ: سَأَلْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ هَلْ عِنْدَكُمْ شَيْءٌ لَيْسَ فِي الْقُرْآنِ؟ فَقَالَ: وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ مَا عِنْدَنَا إِلَّا مَا فِي الْقُرْآنِ إِلَّا فَهْمًا يُعْطَى رَجُلٌ فِي كِتَابِهِ وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ قُلْتُ: وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ؟ قَالَ: الْعَقْلُ وَفِكَاكُ الْأَسِيرِ وَأَنْ لَا يُقْتَلَ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَذَكَرَ حَدِيثَ ابْنِ مَسْعُودٍ: "لَا تُقْتَلُ نَفْسٌ ظُلْمًا" فِي "كتاب الْعلم"




৩৪৬১-[১৬] আবূ জুহায়ফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, কুরআনে নেই এমন কিছু কি আপনার নিকট আছে? তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যিনি খাদ্য-শস্য অঙ্কুরিত করে প্রাণের সঞ্চার করেছেন। কুরআনে যা আছে তা ব্যতীত অন্য কোনো কিছু আমাদের কাছে নেই। তবে হ্যাঁ, কিতাব (কুরআন) ও সহীফার (লিখিত হাদীস গ্রন্থের) মধ্যে বুঝার জন্য আল্লাহ তা’আলা মানুষকে যে জ্ঞান দিয়ে থাকেন, তা আমাদের নিকট রয়েছে। আমি বললাম, সহীফার মধ্যে কি লেখা আছে? তিনি বললেন, দিয়াতের (রক্তপণের) বিধান, বন্দীদের মুক্তিপণ এবং এই ফায়সালা যে, কিসাসস্বরূপ কোনো মুসলিমকে কোনো কাফিরের বদলে হত্যার অনুমোদন নেই। (বুখারী)
আর ইবনু মাস্’ঊদ হতে এ প্রসঙ্গে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে ’’কোনো ব্যক্তিকে জুলুম ও নির্যাতনমূলক হত্যা করা যাবে না’’ যা ’ইলম পর্বে বর্ণিত হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6903) حدیث ابن مسعود تقدم (211)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3462)


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَزَوَالُ الدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ قَتْلِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ ووقفَه بعضُهم وَهُوَ الْأَصَح




৩৪৬২-[১৭] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো মুসলিমকে হত্যা করার চেয়ে দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহ তা’আলার কাছে অধিকতর সহজ। (তিরমিযী ও নাসায়ী; আর কোনো কোনো মুহাদ্দিস হাদীসটিকে মাওকূফ বলেছেন, আর এটাই সঠিক।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (1395) و النسائي (82/7 ح 3991۔ 3994)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3463)


وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ




৩৪৬৩-[১৮] তবে ইবনু মাজাহ এ হাদীসটি বারা ইবনু ’আযিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (3619) ٭ سفیان الثوري عنعن و الحدیث، ضعیف من جمیع طرقہ و لم یصب من صححہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3464)


وَعَن أبي سعيدٍ وَأبي هريرةَ عَن رسولِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَوْ أَنَّ أَهْلَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ اشْتَرَكُوا فِي دَمِ مُؤْمِنٍ لَأَكَبَّهُمُ اللَّهُ فِي النَّارِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ




৩৪৬৪-[১৯] আবূ সা’ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি আকাশমন্ডলী ও জমিনের সকল অধিবাসীরা সম্মিলিতভাবে একজন মু’মিনকে হত্যা করে, তাহলে আল্লাহ তা’আলা সকলকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। (তিরমিযী; তিনি হাদীসটিকে গরীব বলেছেন)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ الترمذي (1398) ٭ یزید الرقاشي ضعیف و لہ شواھد ضعیفۃ، عند البیھقي (22/8) وغیرہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3465)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَجِيءُ الْمَقْتُولُ بِالْقَاتِلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ نَاصِيَتُهُ وَرَأْسُهُ بِيَدِهِ وَأَوْدَاجُهُ تَشْخُبُ دَمًا يَقُولُ: يَا رَبِّ قَتَلَنِي حَتَّى يُدْنِيَهُ مِنَ العرشِ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه




৩৪৬৫-[২০] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন নিহত ব্যক্তি তার স্বীয় হাত দিয়ে হত্যাকারীর কপাল ও মাথার কেশগুচ্ছ ধরে এরূপ অবস্থায় উপনীত হবে যে, তার রগসমূহ হতে রক্তক্ষরণ হতে থাকবে এবং সে বলতে থাকবে, হে আমার রব! এই ব্যক্তিই আমাকে হত্যা করেছে। এ কথা বলতে বলতে সে ’আর্শের সন্নিকটবর্তী হয়ে যাবে। (তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ الترمذي (3029 وقال: حسن) و النسائي (87/7ح، 4010) و ابن ماجہ (2621)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3466)


وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَشْرَفَ يَوْمَ الدَّارِ فَقَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ إِلَّا بِإِحْدَى ثلاثٍ: زِنىً بَعْدَ إِحْصَانٍ أَوْ كُفْرٌ بَعْدَ إِسْلَامٍ أَوْ قتْلِ نفْسٍ بِغَيْر حق فَقتل بِهِ ؟ فو الله مَا زَنَيْتُ فِي جَاهِلِيَّةٍ وَلَا إِسْلَامٍ وَلَا ارْتَدَدْتُ مُنْذُ بَايَعْتُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا قَتَلْتُ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ فَبِمَ تَقْتُلُونَنِي؟ رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَه وللدارمي لفظ الحَدِيث




৩৪৬৬-[২১] আবূ উমামাহ্ ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’উসমান ইবনু ’আফফান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর অবরোধের দিন উঁচুস্থানে উঠে (বিদ্রোহীদের উদ্দেশে) বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি। তোমরা কি জান না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো মুসলিমের রক্ত তিনটি কারণের কোনো একটি ব্যতীত হালাল নয়- (১) বিবাহের পর ব্যভিচার করা, (২) ইসলাম গ্রহণের পর পুনরায় কুফরীতে লিপ্ত হওয়া এবং (৩) অনৈতিকভাবে কোনো লোককে হত্যা করা। এ তিনটি কারণের কোনো একটি করলে তাকে হত্যা করা যাবে। আল্লাহর কসম! আমি জাহিলিয়্যাত যুগেও যিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হইনি এবং ইসলাম গ্রহণের পরও না। আমি যেদিন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ইসলামের বায়’আত গ্রহণ করেছি, সেদিন হতে কক্ষনো কুফরীতে লিপ্ত হইনি এবং আমি এমন কোনো লোককে হত্যাও করিনি, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন। তাহলে বল, তোমরা কেন আমাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছ? (তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ; হাদীসের শব্দবিন্যাস দারিমীর)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2158 وقال: حسن) و النسائي (91/7۔ 92 ح، 4024) و ابن ماجہ (2533) والدارمي (171/2۔ 172 ح 2302 مختصرًا)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3467)


وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ مُعْنِقًا صَالِحًا مَا لَمْ يُصِبْ دَمًا حَرَامًا فَإِذَا أَصَابَ دَمًا حَرَامًا بَلَّحَ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৩৪৬৭-[২২] আবুদ্ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো মু’মিন বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত অনৈতিকভাবে কোনো লোক হত্যা না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে নেক কাজে অগ্রগামী থাকে। কিন্তু যখনই সে অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করবে, তখনই তার (কল্যাণকর) অগ্রগামী রোধ হয়ে যাবে। (আবূ দাঊদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أبو داود (4270)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3468)


وَعَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "كُلُّ ذَنْبٍ عَسَى اللَّهُ أَنْ يَغْفِرَهُ إِلَّا مَنْ مَاتَ مُشْرِكًا أَوْ مَنْ يقتُلُ مُؤمنا مُتَعَمدا" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৩৪৬৮-[২৩] উক্ত রাবী ([আবুদ্ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আশা করা যায় যে, আল্লাহ তা’আলা সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। কিন্তু ঐ ব্যক্তিকে ক্ষমা করবেন না, যে ব্যক্তি মুশরিক অবস্থায় মারা যায়, অথবা স্বেচ্ছায় কোনো মু’মিনকে হত্যা করে। (আবূ দাঊদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: وعنه عن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أبو داود (4270)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3469)


وَرَوَاهُ النَّسَائِيّ عَن مُعَاوِيَة




৩৪৬৯-[২৪] আর ইমাম নাসায়ী এ হাদীসটি মু’আবিয়াহ্ হতে বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ النسائي (81/7 ح 3989)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3470)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ وَلَا يُقَادُ بِالْوَلَدِ الْوَالِدُ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ والدارمي




৩৪৭০-[২৫] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে দণ্ডবিধি কার্যকরী করা যাবে না। আর পিতা যদি সন্তানকে হত্যা করে ফেলে, তার কোনো কিসাস নেই। (তিরমিযী ও দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (1401) والدارمي (190/2 ح 2362) [و ابن، ماجہ (2661)] ٭ إسماعیل بن مسلم ضعیف و للحدیث شواھد ضعیفۃ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3471)


وَعَن أبي رِمْثَةَ قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ أبي فقالَ: "مَنْ هَذَا الَّذِي مَعَكَ؟" قَالَ: ابْنِي أَشْهَدُ بِهِ قَالَ: "أَمَا إِنَّهُ لَا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَزَادَ فِي "شَرْحِ السُّنَّةِ" فِي أَوَّلِهِ قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ أَبِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَأَى أَبِي الَّذِي بِظَهْرِ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ: دَعْنِي أُعَالِجُ الَّذِي بِظَهْرِكِ فَإِنِّي طَبِيبٌ. فَقَالَ: "أَنْتَ رفيقٌ واللَّهُ الطبيبُ"




৩৪৭১-[২৬] আবূ রিমসাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সাথে এটা কে? আমার পিতা বললেন, আমার ছেলে। এ ব্যাপারে আপনি সাক্ষী থাকুন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জেনে রাখ! তার অন্যায়ের শাস্তি তোমার ওপর এবং তোমার অন্যায়ের শাস্তি তার ওপর বর্তাবে না। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)
আর শারহুস্ সুন্নাহ্-তে হাদীসের প্রথম দিকে কিছু অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। তিনি (আবূ রিমসাহ্ ) বলেন, আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তখন আমার পিতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পৃষ্ঠদর্শনে (মোহরে নাবূওয়াত দেখে) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন। আপনার পিঠে যেটি আছে, আমি এর সুচিকিৎসা করে দেই। কেননা আমি একজন চিকিৎসক। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কেবল একজন সেবক আর আল্লাহ তা’আলা হলেন (প্রকৃত) চিকিৎসক।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: جيد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (4495) و النسائي (53/8 ح 4836) و البغوي في، شرح السنۃ (181/10 ح 2534) [من طریق الشافعي و ھذا فی الأم (95/7)]









মিশকাতুল মাসাবিহ (3472)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جدِّهِ عَن سُراقةَ بنِ مالكٍ قَالَ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقِيدُ الْأَبَ مِنِ ابْنِهِ وَلَا يُقِيدُ الِابْنَ من أَبِيه. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ (لم تتمّ دراسته) وَضَعفه




৩৪৭২-[২৭] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতার মাধ্যমে দাদা হতে, তিনি সুরাকহ্ ইবনু মালিক হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখেছি, তিনি পুত্র থেকে পিতার কিসাস গ্রহণ করতেন, কিন্তু পিতা থেকে পুত্রের কিসাস গ্রহণ করতেন না। (তিরমিযী, তবে তিনি এ হাদীসটিকে য’ঈফ বলেছেন)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: وعن عمرو بن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1399) ٭ مثنی بن الصباح: ضعیف .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3473)


وَعَن الْحسن عَن سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ قَتَلَ عَبْدَهُ قَتَلْنَاهُ وَمَنْ جَدَعَ عَبْدَهُ جَدَعْنَاهُ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ وَزَادَ النَّسَائِيُّ فِي رِوَايَةٍ أُخْرَى: "وَمن خصى عَبده خصيناه"




৩৪৭৩-[২৮] হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) সামুরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার গোলামকে হত্যা করবে, আমরাও তাকে হত্যা করব। আর যে কেউ তার গোলামের কোনো অঙ্গ কাটবে, আমরাও তার অঙ্গ কেটে দেব। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ, দারিমী)
আর ইমাম নাসায়ী তাঁর অন্য বর্ণনায় এ কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, যে কেউ তার গোলামকে খাসী করবে আমরাও তাকে খাসী করে দেব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1414 وقال: حسن غریب) و أبو داود، (4515) و ابن ماجہ (2664) و الدارمي (191/2 ح 2363) و النسائي (20/8۔ 21 ح 4740۔، 2742)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3474)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ قَتَلَ مُتَعَمِّدًا دُفِعَ إِلَى أولياءِ المقتولِ فإِنْ شاؤوا قَتَلوا وإِنْ شَاؤوا أَخَذُوا الدِّيَةَ: وَهِيَ ثَلَاثُونَ حِقَّةً وَثَلَاثُونَ جَذَعَةً وَأَرْبَعُونَ خَلِفَةً وَمَا صَالَحُوا عَلَيْهِ فَهُوَ لَهُمْ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৩৪৭৪-[২৯] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতার মাধ্যমে দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় হত্যা করবে, তাকে নিহত ব্যক্তির অভিভাবক ও ওয়ারিসদের হাতে অর্পণ করা হবে। নিহত ব্যক্তির লোকেরা ইচ্ছা করলে তাকে হত্যা করতে পারে অথবা তার থেকে দিয়াত (রক্তপণ) নিতে পারে। আর দিয়াত হলো ত্রিশটি চার বৎসর বয়সী উট, ত্রিশটি পাঁচ বৎসর বয়সী উট এবং চল্লিশটি গর্ভধারণের উপযুক্ত উটনী অর্থাৎ যার পেটে বাচ্চা রয়েছে। আর ওয়ারিসগণ যদি এর চেয়ে কম উট নিয়ে রাজি হয়ে যায়, সেটাও হতে পারে। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1387 وقال: حسن غریب)