মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْمُسْلِمُونَ تَتَكَافَأُ دِمَاؤُهُمْ وَيَسْعَى بِذِمَّتِهِمْ أَدْنَاهُمْ وَيَرُدُّ عَلَيْهِمْ أَقْصَاهُمْ وَهُمْ يَدٌ عَلَى مَنْ سِوَاهُمْ أَلَا لَا يُقْتَلُ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ وَلَا ذُو عَهْدٍ فِي عَهْدِه" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
৩৪৭৫-[৩০] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সমস্ত মুসলিমের রক্ত সমপর্যায়ের। যে কোনো একজন মুসলিমও যদি কাউকে (নিরাপত্তার) আশ্রয় দেয়, তবে তা সকলকেই রক্ষা করতে হবে। আর যদি দূরে কোনো বিচ্ছিন্ন সেনাদল গনীমাতের সম্পদ অর্জন করে, তাহলে তৎনিকটবর্তী পুরো দলও এর অংশীদার হবে। আর অমুসলিমদের মুকাবেলায় সমস্ত মুসলিম এক হাতের ন্যায় (অর্থাৎ অভিন্ন শক্তি)। সাবধান! কোনো কাফিরের বদলায় কোনো মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। আর যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ আছে, চুক্তির মেয়াদ পর্যন্ত তাকেও হত্যা করা যাবে না। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (4530) و النسائي (24/8 ح 4749) ❀ تنبیہ: سنن ابی داود کی حدیث، 4530 ضعیف ہے، دیکھئے انوار الصحیفہ ص 159 (قتادہ و حسن بصری عنعنا)
وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه عَن ابْن عَبَّاس
৩৪৭৬-[৩১] আর ইবনু মাজাহও হাদীসটি ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (2660) ٭ حنش ھو أبو علي الحسین بن قیس، الرحبي متروک و قولہ: ’’لا یقتل مؤمن بکافر‘‘ صحیح بالشواھد و قولہ: ’’و لا ذو، عھد في عھدہ‘‘ ضعیف ولہ شواھد ضعیفۃ عند ابن حبان (الموارد: 1699) و أبي داود، (4530) وغیرہما .
وَعَن أبي شُريحِ الخُزاعيِّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنْ أُصِيبَ بِدَمٍ أَوْ خَبْلٍ وَالْخَبْلُ: الْجُرْحُ فَهُوَ بِالْخِيَارِ بَيْنَ إِحْدَى ثَلَاثٍ: فَإِنْ أَرَادَ الرَّابِعَةَ فَخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ: بَيْنَ أَنْ يَقْتَصَّ أَوْ يَعْفُوَ أَوْ يَأْخُذَ الْعَقْلَ فَإِنْ أَخَذَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا ثُمَّ عَدَا بَعْدَ ذَلِكَ فَلَهُ النَّارُ خَالِدًا فِيهَا مُخَلَّدًا أبدا . رَوَاهُ الدَّارمِيّ
৩৪৭৭-[৩২] আবূ শুরাইহ আল খুযা’ঈ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয় অথবা আঘাতের কারণে অঙ্গহানি হয়। তখন তার অভিভাবক তিনটির যে কোনো একটি গ্রহণ করতে পারে। তবে যদি সে চতুর্থ কোনটি ইচ্ছা করে তখন তার হাত ধরে ফেল। তিনটি জিনিস হলো- কিসাস, ক্ষমা ও দিয়াত গ্রহণ করা। আর এ তিনটির কোনো একটি গ্রহণ করার পর যদি সে সীমালঙ্ঘন করে, তাহলে তার জন্য জাহান্নাম। সেখানে সে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। (দারিমী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارمي (188/2 ح 2356) [و ابن ماجہ (2623) و، أبو داود (4496)] ٭ سفیان بن أبی العوجاء: ضعیف و لبعض الحدیث شاھد حسن عند أحمد، (32/4 ح 16492)
وَعَن طَاوُوس عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنْ قُتِلَ فِي عِمِّيَّةٍ فِي رَمْيٍ يَكُونُ بَيْنَهُمْ بِالْحِجَارَةِ أَوْ جَلْدٍ بِالسِّيَاطِ أَوْ ضَرْبٍ بِعَصًا فَهُوَ خَطَأٌ عقله الْخَطَأِ وَمَنْ قَتَلَ عَمْدًا فَهُوَ قَوَدٌ وَمَنْ حَالَ دُونَهُ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَغَضَبُهُ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
৩৪৭৮-[৩৩] ত্বাঊস (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্রে ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গোলযোগের মধ্যে নিহত হয়। যেমন- পাথর মারামারি অথবা চাবুক ছোঁড়াছুঁড়ি বা লাঠালাঠি দ্বারা গোলমাল হয়েছে- এমতাবস্থায় তাকে অনিচ্ছাকৃত হত্যা বলে ধরা হবে। আর এর দিয়াত (রক্তপণ)-ও ভুলবশত হত্যার দিয়াতের মধ্যেই শামিল হবে। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তখন ঐ হত্যাকারী ক্বিসাসের আওতায় এসে যাবে। আর যে ব্যক্তি কিসাস গ্রহণ করার মাঝে বাধা দেয়, তার ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত ও গজব রয়েছে। তার ফরয ও নফল কোনো ’ইবাদাতই গৃহীত হবে না। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: وعن طاووس
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (4539) و النسائي (39/8 ح 4793۔ 4794)
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا أُعْفِي مَنْ قَتَلَ بعدَ أَخذ الديةِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৪৭৯-[৩৪] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দিয়াত (রক্তপণ) গ্রহণ করার পরও (হত্যাকারীকে) হত্যা করল, আমি তাকে ক্ষমা করব না। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4507) ٭ الحسن البصري مدلس و عنعن و، فیہ علۃ أخری .
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَا مِنْ رَجُلٍ يُصَابُ بِشَيْءٍ فِي جَسَدِهِ فَتَصَدَّقَ بِهِ إِلَّا رَفَعَهُ اللَّهُ بِهِ دَرَجَةً وَحَطَّ عَنْهُ خَطِيئَة" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَابْن مَاجَه
৩৪৮০-[৩৫] আবুদ্ দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে কোনো ব্যক্তি শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়, আর আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দেয়, তখন আল্লাহ তা’আলা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন এবং তার গুনাহ মাফ করে দেন। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1393 وقال: غریب) و ابن ماجہ (2693)، ٭ أبو السفر ثقۃ لکنہ أرسل عن أبی الدرداء رضي اللہ عنہ، کذا فی التہذیب وغیرہ .
عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخطاب قَتَلَ نَفَرًا خَمْسَةً أَوْ سَبْعَةً بِرَجُلٍ وَاحِدٍ قَتَلُوهُ قَتْلَ غِيلَةٍ وَقَالَ عُمَرُ: لَوْ تَمَالَأَ عَلَيْهِ أَهْلُ صَنْعَاءَ لَقَتَلْتُهُمْ جَمِيعًا. رَوَاهُ مَالِكٌ
৩৪৮১-[৩৬] সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন ’উমার ইবনুল খত্ত্বাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এক ব্যক্তির হত্যার বদলে (কিসাস স্বরূপ) পাঁচ অথবা সাত ব্যক্তিকে হত্যা করেন। তারা সংগোপনে সম্মিলিতভাবে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল। অতঃপর ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, যদি ঐ লোকটিকে সমস্ত সান্’আ-এর অধিবাসী মিলে হত্যা করত, তাহলে আমিও কিসাসস্বরূপ তাদের সকলকে হত্যা করতাম। (মালিক)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ مالک (871/2 ح 1688) ٭ رجالہ ثقات و سعید بن المسیب، سمع من عمر رضي اللہ عنہ .
وروى البُخَارِيّ عَن ابْن عمر نَحوه
৩৪৮২-[৩৭] ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) এ হাদীসটি ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6896)
وَعَن جُنْدبٍ قَالَ: حَدَّثَنِي فُلَانٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَجِيءُ الْمَقْتُولُ بِقَاتِلِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَقُولُ: سَلْ هَذَا فِيمَ قَتَلَنِي؟ فَيَقُولُ: قَتَلْتُهُ عَلَى مُلْكِ فُلَانٍ . قَالَ جُنْدُبٌ: فاتَّقِها. رَوَاهُ النَّسَائِيّ
৩৪৮৩-[৩৮] জুনদুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে কতক লোক বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিহত ব্যক্তি কিয়ামত দিবসে (আল্লাহ তা’আলার নিকট) তার হত্যাকারীকে ধরে নিয়ে এসে বলবে, এ লোকটিকে জিজ্ঞেস করুন, সে কেন আমাকে হত্যা করেছে? তখন সে (হত্যাকারী) বলবে, আমি অমুক লোকের বলে বলীয়ান হয়ে (জিম্মাদারীতে) তাকে হত্যা করেছি। রাবী জুনদুব বলেন, সুতরাং তোমরা এ জাতীয় হত্যাযজ্ঞের সহযোগিতা হতে বেঁচে থাক। (নাসায়ী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ النسائي (84/7 ح 4003)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ أَعَانَ عَلَى قَتْلِ مُؤْمِنٍ شَطْرَ كَلِمَةٍ لَقِيَ اللَّهَ مَكْتُوبٌ بينَ عينيهِ آيسٌ من رَحْمَة الله" . رَوَاهُ ابْن مَاجَه
৩৪৮৪-[৩৯] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সামান্য কথার দ্বারাও কোনো মু’মিনের হত্যার ব্যাপারে সহযোগিতা করল, সে এমন অবস্থায় আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করবে যে, তার কপালের মধ্যে লেখা থাকবে- অর্থাৎ ’আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ’। (ইবনু মাজাহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (2620) ٭ یزید الشامي: منکر الحدیث، و للحدیث شواھد ضعیفۃ عند البیھقي (22/8) وغیرہ .
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "إِذَا أَمْسَكَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ وَقَتَلَهُ الْآخَرُ يُقْتَلُ الَّذِي قتَل ويُحبسُ الَّذِي أمْسَكَ" . رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيّ
৩৪৮৫-[৪০] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে আটক রাখে, আর আটককৃত ব্যক্তিকে অন্য কেউ হত্যা করে, তাহলে হত্যার দরুন হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে এবং যে আটক রেখেছিল তাকে বন্দী করা হবে। (দারাকুত্বনী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارقطني (140/3 ح 3243) [و البیھقي (50/8، وقال: ھذا غیر محفوظ) ٭ سفیان الثوري مدلس و عنعن و فی السند علۃ أخری .
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "هَذِهِ وَهَذِهِ سَوَاءٌ" يَعْنِي الخِنصرُ والإبهامَ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
৩৪৮৬- ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এটা আর এটা সমতুল্য, অর্থাৎ কনিষ্ঠা ও বৃদ্ধাঙ্গুলি। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6895)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنِينِ امْرَأَةٍ مَنْ بَنِي لِحْيَانَ سَقَطَ مَيِّتًا بِغُرَّةِ: عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ ثُمَّ إِنَّ الْمَرْأَةَ الَّتِي قُضِيَ عَلَيْهَا بِالْغُرَّةِ تُوُفِّيَتْ فَقَضَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَنْ مِيرَاثَهَا لبنيها وَزوجهَا الْعقل على عصبتها
৩৪৮৭-[২] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানী লিহ্ইয়ান গোত্রের জনৈকা মহিলার গর্ভস্থ ভ্রূণ (পেটের বাচ্চা) হত্যার ফায়সালা দিয়েছেন (তথা যে ভ্রূণটি নিহত হয়ে তার পেট থেকে পড়ে গিয়েছিল), একটি গোলাম বা বাঁদী রক্তপণস্বরূপ আদায় করতে হবে। কিন্তু রক্তপণ আদায়ের পূর্বেই মহিলাটি মৃত্যুবরণ করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা করলেন যে, তার উত্তরাধিকার তার সন্তান এবং স্বামী পাবে এবং রক্তপণ তার অভিভাবকদেরকে আদায় করতে হবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6909) و مسلم (39 / 1681)
وَعَنْهُ قَالَ: اقْتَتَلَتِ امْرَأَتَانِ مِنْ هُذَيْلٍ فَرَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِحَجَرٍ فَقَتَلَتْهَا وَمَا فِي بَطْنِهَا فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ دِيَةَ جَنِينِهَا غُرَّةٌ: عَبْدٌ أَوْ وَلِيدَةٌ وَقَضَى بِدِيَةِ الْمَرْأَةِ عَلَى عَاقِلَتِهَا وورَّثَها ولدَها وَمن مَعَهم
৩৪৮৮-[৩] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযায়ল গোত্রের দুই মহিলা পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হয়ে একজন অপরজনের ওপর পাথর মেরে আঘাত করে। ফলে একজন তার গর্ভস্থিত ভ্রূণসহ নিহত হয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিলেন যে, গর্ভস্থিত ভ্রূণের রক্তপণ হলো একজন গোলাম বা বাঁদী। আর নিহত মহিলার রক্তপণ হত্যাকারিণী মহিলার অভিভাবকদেরকে আদায় করতে হবে। আর হত্যাকারিণী মহিলার (মৃত্যুতে) সন্তান এবং উত্তরাধিকারীরা তার মীরাস পাবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (6910) و مسلم (1681/36)
وَعَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ: أَنَّ امْرَأَتَيْنِ كَانَتَا ضَرَّتَيْنِ فَرَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِحَجَرٍ أَوْ عَمُودِ فُسْطَاطٍ فَأَلْقَتْ جَنِينَهَا فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الجَنينِ غُرَّةً: عبْداً أَوْ أَمَةٌ وَجَعَلَهُ عَلَى عَصَبَةِ الْمَرْأَةِ هَذِهِ رِوَايَةُ التِّرْمِذِيِّ وَفِي رِوَايَةِ مُسْلِمٍ: قَالَ: ضَرَبَتِ امْرَأَةٌ ضَرَّتَهَا بِعَمُودِ فُسْطَاطٍ وَهِيَ حُبْلَى فَقَتَلَتْهَا قَالَ: وَإِحْدَاهُمَا لِحْيَانَيَّةٌ قَالَ: فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِيَة الْمَقْتُول عَلَى عَصَبَةِ الْقَاتِلَةِ وَغُرَّةً لِمَا فِي بَطْنِهَا
৩৪৮৯-[৪] মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন দুই সতীন পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হয়ে পাথর অথবা তাঁবুর খুঁটি দ্বারা একজন অপরজনকে আঘাত করলে গর্ভধারিণীর গর্ভপাত হয়ে যায়। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থিত ভ্রূণের জন্য একটি গোলাম বা বাঁদী দেয়ার ফায়সালা করেন। আর এটা হত্যাকারিণী মহিলার অভিভাবকদের ওপর ওয়াজিব করলেন। (তিরমিযী)
আর মুসলিম-এর বর্ণনায় আছে, মুগীরাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন জনৈকা মহিলা তার সতিনকে তাঁবুর খুঁটির আঘাতে মেরেই ফেলল। নিহত মহিলাটি ছিল গর্ভবতী। মুগীরাহ্ বলেন, তাদের একজন ছিল লিহ্ইয়ান গোত্রের রমণী। রাবী বলেন, নিহত মহিলার রক্তপণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যাকারিণীর অভিভাবকদের ওপর ওয়াজিব করলেন আর গর্ভস্থিত ভ্রূণের রক্তপণস্বরূপ একটি গোলাম বা বাঁদী দেয়ার নির্দেশ প্রদান করলেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (1411) و مسلم (1682/37)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَلَا إِنَّ دِيَةَ الْخَطَأِ شِبْهِ الْعَمْدِ مَا كَانَ بِالسَّوْطِ وَالْعَصَا مِائَةٌ مِنَ الإِبلِ: مِنْهَا أربعونَ فِي بطونِها أولادُها . رَوَاهُ النسائيُّ وَابْن مَاجَه والدارمي
৩৪৯০-[৫] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জেনে রাখ, স্বেচ্ছায় হত্যার ন্যায় ভুলবশত হত্যা; যেমন- চাবুক অথবা লাঠির দ্বারা হত্যা করা হয়। তার দিয়াত (রক্তপণ) একশত উট, তন্মধ্যে চল্লিশটি হবে গর্ভবতী। (নাসায়ী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ النسائي (42/8 ح 4797) و ابن ماجہ (2628 مطولاً و سندہ، ضعیف) و الدارمي (197/2 ح 2388) [و أبو داود (4547 صحیح، 4548) و رواہ البخاري، (6895)]
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُد عَنهُ وَابْن مَاجَه وَعَن ابْن عمر. وَفِي "شَرْحِ السُّنَّةِ" لَفْظُ "الْمَصَابِيحِ" عَنِ ابْنِ عمر
৩৪৯১-[৬] আর আবূ দাঊদ এবং ইবনু মাজাহ এ হাদীসটি ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর এবং ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। আর আর শারহুস্ সুন্নাহ্-তে মাসাবীহ এর ভাষ্যে ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হয়েছে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أبو داود (4549) و البغوي في شرح السنۃ (186/10، ح 2536) ٭ علي بن زید بن جدعان ضعیف و حدیث أبي داود (4547) و البخاري (6895)، یغني عنہ .
وَعَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَكَانَ فِي كِتَابِهِ: "أَنَّ مَنِ اعْتَبَطَ مُؤْمِنًا قَتْلًا فَإِنَّهُ قَوَدُ يَدِهِ إِلَّا أَنْ يَرْضَى أَوْلِيَاءُ الْمَقْتُولِ" وَفِيهِ: "أَنَّ الرَّجُلَ يُقْتَلُ بِالْمَرْأَةِ" وَفِيهِ: "فِي النَّفْسِ الدِّيَةُ مِائَةٌ مِنَ الْإِبِلِ وَعَلَى أَهْلِ الذَّهَبِ أَلْفُ دِينَارٍ وَفِي الْأَنْفِ إِذَا أُوعِبَ جَدْعُهُ الدِّيَةُ مِائَةٌ مِنَ الْإِبِلِ وَفِي الْأَسْنَانِ الدِّيَةُ وَفِي الشفتين الدِّيَة وَفِي البيضين الدِّيةُ وَفِي الذَّكرِ الدِّيةُ وَفِي الصُّلبِ الدِّيَةُ وَفِي الْعَيْنَيْنِ الدِّيَةُ وَفِي الرِّجْلِ الْوَاحِدَةِ نِصْفُ الدِّيَةِ وَفِي الْمَأْمُومَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ وَفِي الجائفَةِ ثلث الدِّيَة وَفِي المنقلة خمس عشر مِنَ الْإِبِلِ وَفِي كُلِّ أُصْبُعٍ مِنْ أَصَابِعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ عَشْرٌ مِنَ الْإِبِلِ وَفِي السِّنِّ خَمْسٌ مِنَ الْإِبِلِ" . رَوَاهُ النَّسَائِيُّ وَالدَّارِمِيُّ وَفِي رِوَايَةِ مَالِكٍ: "وَفِي الْعَيْنِ خَمْسُونَ وَفِي الْيَدِ خَمْسُونَ وَفِي الرِّجْلِ خَمْسُونَ وَفِي الْمُوضِحَةِ خَمْسٌ"
৩৪৯২-[৭] আবূ বকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ’আমর ইবনু হাযম তাঁর পিতার মাধ্যমে তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন। (তিনি বলেন,) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামান অধিবাসীদের নিকট লিখে পাঠান। (তাতে লেখা ছিল) যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অনৈতিকভাবে কোনো মু’মিনকে হত্যা করে, তা তার হাতের (কর্ম ফলের) প্রাপ্য কিসাস; তবে যদি নিহত ব্যক্তির অভিভাবকগণ অন্য কিছুতে রাজি হয়ে যায়। আর তাতে এটাও লেখা ছিল যে, নারী প্রতিশোধস্বরূপ পুরুষকে হত্যা করা যাবে। তাতে এটাও ছিল যে, প্রাণের রক্তপণ হলো একশত উট। আর যদি কেউ স্বর্ণ দ্বারা রক্তপণ আদায় করতে চায়, তবে একহাজার দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) দিতে হবে। আর যদি কারো নাক মূল হতে কেটে ফেলা হয়, তার রক্তপণ হলো একশত উট। সমস্ত দাঁতের বিনিময়ে পরিপূর্ণ রক্তপণ, উভয় ঠোঁটের বিনিময়ে পরিপূর্ণ রক্তপণ, উভয় অণ্ডকোষেরবিনিময়ে পরিপূর্ণ রক্তপণ, লিঙ্গ কাটলেও পরিপূর্ণ রক্তপণ, মেরুদণ্ড ভেঙ্গে ফেললে পরিপূর্ণ রক্তপণ, উভয় চোখ ফুড়িয়ে দিলে বা উপড়ে ফেললে পরিপূর্ণ রক্তপণ ওয়াজিব হবে। তবে এক পা কেটে ফেললে অর্ধেক রক্তপণ। আর মস্তকের খুলিতে আঘাত করলে এবং পেটের ভিতরাংশে আঘাত হানলেও এক-তৃতীয়াংশ রক্তপণ দিতে হবে। আর যদি কোনো আঘাতের দরুন হাড্ডি স্থানচ্যুত হয়ে যায়, তাহলে পনেরোটি উট রক্তপণ ওয়াজিব হবে। আর হাত ও পায়ের প্রতিটি আঙ্গুলের রক্তপণ হলো দশটি উট এবং প্রতিটি দাঁতের রক্তপণ পাঁচটি উট ওয়াজিব হবে। (নাসায়ী ও দারিমী)
আর ইমাম মালিক-এর বর্ণনায় আছে, এক চোখের রক্তপণ হলো পঞ্চাশটি উট এবং পায়ের রক্তপণ হলো পঞ্চাশটি উট এবং এক হাতের রক্তপণ হলো পঞ্চাশটি উট। আর এমনভাবে আঘাত করা, যার দরুন হাড্ডি বহিঃপ্রকাশ হয়ে যায়, তার জন্য পাঁচটি উট ওয়াজিব হবে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ النسائي (57/8۔ 58 ح 4857) و الدارمي (192/2۔، 193 ح2370 مختصرًا) و مالک (849/2 ح 1647) ٭ سلیمان بن داود صوابہ سلیمان بن، أرقم وھو ضعیف .
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَوَاضِحِ خَمْسًا خَمْسًا مِنَ الْإِبِلِ وَفِي الْأَسْنَانِ خَمْسًا خَمْسًا مِنَ الْإِبِلِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَالدَّارِمِيُّ وَرَوَى التِّرْمِذِيُّ وابنُ مَاجَه الْفَصْل الأول
৩৪৯৩-[৮] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কারও আঘাতের কারণে ক্ষত তার শরীরের হাড্ডি প্রকাশ হয়, তার জন্য পাঁচটি উট এবং দাঁত ভাঙ্গার ক্ষেত্রে (প্রত্যেকটি দাঁতের জন্য) পাঁচটি উট আদায় করতে হবে। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও দারিমী); আর তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ শুধুমাত্র এ হাদীসের প্রথম অংশটিই বর্ণনা করেছেন)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (4566) و النسائي (57/8 ح 4856، مختصرًا) و الدارمي (195/2 ح 2375) والترمذي (1390) وقال: حسن صحیح) و ابن ماجہ، (2655)
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَصَابِعَ الْيَدَيْنِ وَالرِّجْلَيْنِ سَوَاء. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ
৩৪৯৪-[৯] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় হাত ও উভয় পায়ের অঙ্গুলিসমূহের রক্তপণ সমপরিমাণ নির্ধারণ করেছেন। (আবূ দাঊদ ও তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أبو داود (4561) و الترمذي (1391 وقال: حسن، صحیح غریب)