হাদীস বিএন


রিয়াদুস সালিহীন





রিয়াদুস সালিহীন (1646)


عَنِ ابنِ عمر رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: نهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم عن القَزَعِ . متفق عَلَيْهِ




১/১৬৪৬। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথার কিছু অংশ নেড়া করতে ও কিছু অংশে চুল রেখে দিতে নিষেধ করেছেন।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯২০, ৫৯২১, মুসলিম ২১২০, নাসায়ী ৫০৫০, ৫০৫১, ৫২২৮-৫২৩১, অদা ৪১৯৩, ৪১৯৪, ইবনু মাজাহ ৩৬৩৭, ৩৬৩৮, আহমাদ ৪৪৫৯, ৪৯৫৩, ৫১৫৩, ৫৩৩৩, ৫৫২৩, ৫৫২৫, ৫৫৮৩, ৫৮১২, ৬৪২৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1647)


وَعَنْه، قَالَ: رَأَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم صَبِيّاً قَدْ حُلِقَ بَعْضُ شَعْرِ رَأسِهِ وَتُرِكَ بَعْضُهُ، فَنَهَاهُمْ عَنْ ذَلِكَ، وَقَالَ: «احْلِقُوهُ كُلَّهُ، أَوِ اتْرُكُوهُ كُلَّهُ». رواه أَبُو داود بإسناد صحيح عَلَى شرط البخاري ومسلم




২/১৬৪৭। উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিশুকে দেখলেন যে, তার মাথার কিছু চুল কামানো হয়েছে এবং কিছু চুল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। [এরূপ দেখে] তিনি তাদের [লোকদের]কে এ কাজ থেকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, ‘‘[হয়] সম্পূর্ণ মাথার চুল চেঁছে দাও; না হয় সম্পূর্ণ মাথার চুল রেখে দাও।’’ [আবূ দাঊদ, বুখারী-মুসলিমের শর্তাধীন সূত্রে] [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯২০, ৫৯২১, মুসলিম ২১২০, নাসায়ী ৫০৫০, ৫০৫১, ৫২২৮-৫২৩১, আবূ দাউদ ৪১৯৩, ৪১৯৪, ৪১৯৫, ইবনু মাজাহ ৩৬৩৭, ৩৬৩৮, আহমাদ ৪৪৫৯, ৪৯৫৩, ৫১৫৩, ৫৩৩৩, ৫৫২৩, ৫৫২৫, ৫৫৮৩, ৫৮১২, ৬৪২৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1648)


وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ جَعفَرٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، أمْهَلَ آلَ جَعْفَر ثَلاَثاً ثُمَّ أَتَاهُمْ فَقَالَ: «لاَ تَبْكُوا عَلَى أَخِي بَعْدَ اليَوْمِ» ثُمَّ قَالَ: «ادْعُوا لِي بَنِي أَخِي» فَجِيءَ بِنَا كَأنَّنَا أَفْرُخٌ، فَقَالَ: «ادْعُوا لِي الحَلاَّقَ» فَأَمَرَهُ، فَحَلَقَ رُؤُوسَنَا . رواه أَبُو داود بإسناد صحيح عَلَى شرط البخاري ومسلم




৩/১৬৪৮। আব্দুল্লাহ ইবনে জা’ফর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জা’ফরের পরিবারকে [তার শাহাদত বরণের সময় শোক পালনের উদ্দেশ্যে] তিনদিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়েছিলেন। তারপর তিনি তাদের কাছে এসে বললেন, ‘‘তোমরা আজ থেকে আমার ভাইয়ের জন্য কান্না করবে না।’’ তারপর বললেন, ‘‘আমার জন্য আমার ভাইপোদেরকে ডেকে দাও।’’ সুতরাং আমাদেরকে [রসুলুল্লাহ-এর সামনে] এমন অবস্থায় উপস্থিত করা হল, যেন আমরা পাখীর ছানা। অতঃপর তিনি বললেন, ‘‘নাপিত ডেকে নিয়ে এসো।’’ [সে উপস্থিত হলে] তাকে [আমাদের চুল কামানোর জন্য] আদেশ করলেন। সে আমাদের মাথা নেড়া করে দিল। [আবু দাঊদ, বুখারী-মুসলিমের শর্তানুযায়ী বিশুদ্ধ সনদ-সূত্রে] [1]


[1] আবূ দাউদ ৪১৯২, নাসায়ী ৫২২৭, আহমাদ ১৭৫৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1649)


وعَن عَلِىٍّ رضي الله عنه رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ: نَهَى رسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم أنْ تحْلِقَ المَرأةُ رَأسَهَا . رواهُ النِّسائى




৪/১৬৪৯। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে তাদের মাথার চুল মুণ্ডন করতে নিষেধ করেছেন। [নাসায়ী] [1]








[1] আমি [আলবানী) বলছিঃ তিরমিযীও বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এর সনদে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে বলে সমস্যা বর্ণনা করেছেন। আমি ‘‘য‘ঈফাহ্’’ গ্রন্থে [নং ৬৭৮) বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ যঈফ









রিয়াদুস সালিহীন (1650)


وَعَنْ أَسمَاءَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ ابْنَتِي أَصَابَتْهَا الحَصْبَةُ، فَتَمَرَّقَ شَعْرُهَا، وَإِنِّي زَوَّجْتُهَا، أَفَأَصِلُ فِيهِ ؟ فَقَالَ: لَعَنَ اللهُ الوَاصِلَةَ وَالمَوْصُولَةَ . متفق عليه وفي روايةٍ : الوَاصِلَةَ، والمُسْتوْصِلَةَ




নকল চুল বা পরচুলা লাগানো, উলকি উৎকীর্ণ করা [চামড়ায় ছুঁচ ফুটিয়ে দিয়ে তাতে রং ঢেলে নক্সা আঁকা বা নাম লেখা] সৌন্দর্যের জন্য দাঁত ঘষে সরু করা বা দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿إِنْ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ إِلَّا إِنَاثًا وَإِنْ يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَانًا مَرِيدًا ١١٧ لَعَنَهُ اللَّهُ ۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَفْرُوضًا ١١٨ وَلَأُضِلَّنَّهُمْ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَآمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ آذَانَ الْأَنْعَامِ وَلَآمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللَّهِ﴾ [النساء : ١١٧، ١١٩]

অর্থাৎ তাঁর [আল্লাহর] পরিবর্তে তারা কেবল দেবীদের পূজা করে এবং তারা কেবল বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে। আল্লাহ তাকে [শয়তানকে] অভিসম্পাত করেছেন এবং সে [শয়তান] বলেছে, ‘আমি তোমার দাসদের এক নির্দিষ্ট অংশকে [নিজের দলে] গ্রহণ করবই এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করবই; তাদের হৃদয়ে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করবই, আমি তাদেরকে নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে তারা পশুর কর্ণচ্ছেদ করবেই এবং তাদেরকে নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবেই।’ [আর যে আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবক-রূপে গ্রহণ করবে, নিশ্চয় সে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।] (সূরা নিসা ১১৭-১১৯ আয়াত)



১/১৬৫০। আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার মেয়ে এক প্রকার চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে তার মাথার চুল ঝরে গেছে। আর আমি তার বিয়েও দিয়েছি। এখন কি আমি তার মাথায় পরচুলা লাগিয়ে দেব?’ তিনি বললেন, ‘‘যে পরচুলা লাগিয়ে দেয় এবং যার লাগানো হয় উভয় মহিলাকে আল্লাহ অভিসম্পাত করুন বা করেছেন।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৩৫, ৫৯৩৬, ৫৯৩৬, ৫৯৪১, মুসলিম ২১২২, নাসায়ী ৫০৯৪, ৫২৫০, ইবনু মাজাহ ১৯৮৮, আহমাদ ২৪২৮২, ২৬৩৭৮, ৩৬৩৯১, ২৬৪২০, ২৬৪৩৯

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1651)


وعَنْ عائشة رضي اللَّه عنْهَا نَحْوُهُ، متفقٌ عليه




২/১৬৫১। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতেও উক্ত-রূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]




[1] সহীহুল বুখারী ৫২০৫, মুসলিম ২১২৩, নাসায়ী ৫০৯৭, আহমাদ ২৪২৮২, ২৪৩২৯, ২৫৩৮১, ২৫৪৩৮, ২৫৫৯৭, ২৫৬৭৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1652)


وَعَنْ حُميدِ بنِ عَبدِ الرَّحْمَانِ : أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ رضي الله عنه عامَ حَجَّ عَلَى المِنْبَرِ وَتَنَاوَلَ قُصَّةً مِنْ شَعْرٍ كَانَتْ فِي يَدِ حَرَسِيٍّ فَقَالَ: يَا أَهْلَ المَدِينَةِ أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ ؟! سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَنْهَى عَنْ مِثْلِ هَذِهِ، وَيَقُولُ : «إِنَّمَا هَلَكَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ حِينَ اتَّخَذَهَا نِسَاؤُهُمْ» . متفق عليه




৩/১৬৫২। হুমাইদ ইবনে আব্দুর রাহমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি হজ্জ করার বছরে মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে মিম্বরে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন---ঐ সময়ে তিনি জনৈক দেহরক্ষীর হাত থেকে এক গোছা চুল নিজ হাতে নিয়ে বললেন, ‘হে মদ্বীনাবাসীগণ! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ জিনিস [ব্যবহার] নিষেধ করতে শুনেছি। তিনি বলতেন, ‘‘বানী ইস্রাঈল তখনই ধ্বংস হয়েছিল, যখন তাদের মহিলারা এই জিনিস ব্যবহার করতে আরম্ভ করেছিল।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৩৪৬৮, ৩৪৮৮, ৫৯৩৩, ৫৯৩৮, মুসলিম ২১২৭, তিরমিযী ২৭৮১, নাসায়ী ৫২৪৫, ৫২৪৬, আবূ দাউদ ৪১৬৭, আহমাদ ১৬৩৮৮, ১৬৪০১, ১৬৪২৩, ১৬৪৮২, ২৭৫৭৮, মুওয়াত্তা মালিক ১৭৬৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1653)


وعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَعَنَ الوَاصِلَةَ وَالمُسْتَوْصِلَةَ، وَالوَاشِمَةَ وَالمُسْتَوشِمَةَ . متفق عليه




৪/১৬৫৩। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরচুলা যে মহিলা লাগিয়ে দেয় এবং যে পরচুলা লাগাতে বলে, আর যে মহিলা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে উলকি উৎকীর্ণ করে ও যে উলকি উৎকীর্ণ করতে বলে তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৩৭, ৫৯৪০, ৫৯৪২, ৫৯৪২, ৫৯৪৭, মুসলিম ২১২৪, তিরমিযী ১৭৫৯, ২৭৮৩, নাসায়ী ৩৪১৬, ১৫৯৫, ৫২৫১, আবূ দাউদ ৪১৬৮, ইবনু মাজাহ ১৯৮৭, আহমাদ ৪৭১০

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1654)


وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: لَعَنَ اللهُ الوَاشِمَاتِ وَالمُسْتَوشِمَاتِ وَالمُتَنَمِّصَاتِ، وَالمُتَفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ، المُغَيِّرَاتِ خَلْقَ اللهِ، فَقَالَتْ لَهُ امْرَأَةٌ فِي ذَلِكَ فَقَالَ: وَمَا لِي لاَ أَلْعَنُ مَنْ لَعَنَهُ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ فِي كِتَابِ اللهِ ؟ قالَ اللهُ تَعَالَى : ﴿‏وما آتاكم الرسول فخذوه وما نهاكم عنه فانتهوا‏﴾ [الحشر: ٧] . متفق عليه




৫/১৬৫৪। আব্দুললাহ ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আল্লাহর অভিশাপ হোক সেই সব নারীদের উপর, যারা দেহাঙ্গে উলকি উৎকীর্ণ করে এবং যারা উৎকীর্ণ করায় এবং সে সব নারীদের উপর, যারা ভ্রূ চেঁছে সরু [প্লার্ক] করে, যারা সৌন্দর্যের মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।’ জনৈক মহিলা এ ব্যাপারে তাঁর [ইবনে মাসঊদের] প্রতিবাদ করলে তিনি বললেন, ‘আমি কি তাকে অভিসম্পাত করব না, যাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন এবং তা আল্লাহর কিতাবে আছে? আল্লাহ বলেছেন, ‘‘রাসূল যে বিধান তোমাদেরকে দিয়েছেন তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাক।’’ (সূরা হাশর ৭ আয়াত, বুখারী ও মুসলিম][1]


[1] সহীহুল বুখারী ৪৮৮৬, ৪৮৮৭, ৫৯৩১, ৫৯৩৯, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮, মুসলিম ২১২৫, তিরমিযী ২৭৮২, নাসায়ী ৫০৯৯, ৫১০৭-৫১০৯, ৫২৫২-৫২৫৪, আবূ দাউদ ৪১৬৯, ইবনু মাজাহ ১৯৮৯, আহমাদ ৩৮৭১, ৩৯৩৫, ৩৯৪৫, ৩৯৪৬, ৪০৭৯, ৪১১৮, ৪২১৮, ৪২৭১, ৪৩৩১, ৪৩৮৯, ৪৪১৪, ৪৪২০, দারেমী ২৬৪৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1655)


عَنْ عَمرِو بنِ شُعَيبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ تَنْتِفُوا الشَّيْبَ ؛ فَإِنَّهُ نُورُ المُسْلِمِ يَوْمَ القِيَامَةِ» حديث حسن، رواه أبو داود، والترمذي، والنسائي بأسانيد حسنة، قال الترمذي :[ هو حديث حسن ]




১/১৬৫৫। আমর ইবনে শুআইব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর [আমরের] দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা সাদা পাকা চুল উপড়ে ফেলো না। কেননা, কিয়ামতের দিন তা মুসলিমের জন্য জ্যোতি হবে।’’ [হাসান হাদিস, আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, হাসান সূত্রে, ইমাম তিরমিযী বলেন, এটি হাসান হাদিস] [1]


[1] আবূ দাউদ ৪২০২, তিরমিযী ২৮২১, নাসায়ী ৫০৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৭২১

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান









রিয়াদুস সালিহীন (1656)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ علَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» . رواه مسلم




২/১৬৫৬। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি এমন কর্ম করল, যার সম্পর্কে আমাদের কোন প্রকার নির্দেশ নেই---তা প্রত্যাখ্যাত।’’(মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ২৬৯৭, মুসলিম ১৭১৮, আবূ দাউদ ৪৬০৬, ইবনু মাজাহ ১৪, আহমাদ ২৩৯২৯, ২৪৬০৪, ২৪৯৪৪, ২৫৫০২, ২৫৬৫৯, ২৫৭৯৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1657)


وَعَنْ أبي قَتَادَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا بَالَ أَحَدُكُمْ، فَلاَ يَأْخُذَنَّ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ، وَلاَ يَسْتَنْجِ بِيَمِينِهِ، وَلاَ يَتَنَفَّسْ فِي الإنَاءِ» . متفق عليه




১/১৬৫৭। আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমাদের কেউ পেশাব করবে তখন সে যেন তার পুরুষাঙ্গ ডান হাত দিয়ে না ধরে, ডান হাত দ্বারা ইস্তিঞ্জা না করে। আর [পান করার সময়] পানির পাত্রের মধ্যে যেন নিঃশ্বাস না ফেলে।’’ (বুখারী-মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ১৫৩, ১৫৪, ৫৬৫৩০, মুসলিম ২৬৭, তিরমিযী ১৫, ১৮৮৯, নাসায়ী ২৪, ২৫, ৪৭, আবূ দাউদ ৩১, ইবনু মাজাহ ৩১০, আহমাদ ১৮৯২৭, ২২০১৬, ২২০৫৯, ২২১২৮, ২২১৪১, দারেমী ৬৭৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1658)


عَنْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ يَمشِ أَحَدُكُمْ فِي نَعْلٍ وَاحِدَةٍ، لِيَنْعَلْهُمَا جَمِيعاً، أَو لِيَخْلَعْهُمَا جَمِيعاً» . وفي رواية : «أَو لِيُحْفِهِمَا جَمِيعاً» . متفق عليه




১/১৬৫৮। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমাদের কেউ যেন এক পায়ে জুতা পরে না হাঁটে। হয় উভয় জুতা পরবে, নচেৎ উভয় জুতা খুলে রাখবে।’’

অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘‘নচেৎ উভয় পা খালি রাখবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৮৫৫, মুসলিম ২০৯৭, তিরমিযী ১৭৭৪, আবূ দাউদ ৪১৩৬, ইবনু মাজাহ ৩৬১৭, আহমাদ ৭৩০২, ৯২৭৩, ৯৪২২, ৯৮৩২, ৯৮৬৪, ১০৪৫৭, মুওয়াত্তা মালিক ১৭০১

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1659)


وَعَنْهُ، قَالَ: سَمِعُتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «إِذَا انْقَطَعَ شِسْعُ نَعْلِ أَحَدِكمْ، فَلاَ يَمْشِ فِي الأُخْرَى حَتَّى يُصْلِحَهَا» . رواهُ مسلم




২/১৬৫৯। উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যখন তোমাদের কারো জুতার ফিতা ছিঁড়ে যাবে, তখন সে যেন তা না সারা পর্যন্ত অন্য জুতাটি পরে না হাঁটে।’’ (মুসলিম) [1]


[1] মুসলিম ২০৯৮, নাসায়ী ৫৩৬৯, ৫৩৭০, আবূ দাউদ ৪১৩৬, আহমাদ ৭৩০০, ৭৩৯৮, ৯১৯৯, ৯৪২২, ৯৮৩২, ৯৮৬৪, ১০৪৫৭, ২৭৩৬৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1660)


وَعَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَنْتَعِلَ الرَّجُلُ قَائِماً . رواه أبو داود بإسناد حسن




৩/১৬৬০। জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে দাঁড়িয়ে জুতা পরতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ হাসান সূত্রে) [1]


[1] আবূ দাউদ ৪১৩৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান









রিয়াদুস সালিহীন (1661)


عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ». متفق عليه




১/১৬৬১। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমরা ঘুমবে, তখন তোমাদের ঘরগুলোতে আগুন জ্বালিয়ে রেখো না।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৬২৯৩, মুসলিম ২০১৫, তিরমিযী ১৮১৩, আবূ দাউদ ৫২৪৬, ইবনু মাজাহ ৩৭৬৯, আহমাদ ৪৫০১, ৪৫৩২, ৫০০৮, ৫৩৭৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1662)


وَعَنْ أَبِي مُوسَى الأَشعَرِي رضي الله عنه قَالَ: احْتَرَقَ بَيْتٌ بِالمَدِينَةِ عَلَى أَهْلِهِ مِنَ اللَّيْلِ، فَلَمَّا حُدِّثَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِشَأنِهِم، قالَ : «إِنَّ هَذِهِ النَّارَ عَدُوٌّ لَكُمْ، فَإِذَا نِمْتُمْ، فَأَطْفِئُوهَا». متفق عليه




২/১৬৬২। আবূ মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাতের বেলায় মদিনার এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানানো হলে তিনি বললেন, ‘‘এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য চরম শত্রু। সুতরাং যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন [তোমাদের নিরাপত্তার খাতিরে] তা নিভিয়ে দাও।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৬২৯৪, মুসলিম ২০১৬, ইবনু মাজাহ ৩৭৭০, আহমাদ ১৯০৭৬

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1663)


وَعَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه عَن رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «غَطُّوا الإنَاءَ، وَأَوْكِئُوا السِّقَاءَ، وَأَغْلِقُوا الأَبْوَابَ. وَأطْفِئُوا السِّرَاجَ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لاَ يَحُلُّ سِقَاءً، وَلاَ يَفْتَحُ بَاباً، وَلاَ يَكْشِفُ إنَاءً . فَإِنْ لَمْ يَجِدْ أَحَدُكُمْ إِلاَّ أَنْ يَعْرُضَ عَلَى إنَائِهِ عُوداً، وَيَذْكُرَ اسْمَ اللهِ، فَلْيَفْعَل، فَإِنَّ الفُوَيْسِقَةَ تُضْرِمُ عَلَى أَهْلِ البَيْتِ بَيْتَهُمْ». رواه مسلم




৩/১৬৬৩। জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘[রাত্রে ঘুমাবার আগে] তোমরা পাত্র ঢেকে দাও, পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাসমূহ বন্ধ করে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং পাত্রের ঢাকনাও উন্মুক্ত করে না। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি পাত্রের মুখে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে আড় করে রাখার জন্য কেবল একটি কাষ্ঠখণ্ড ছাড়া অন্য কিছু না পায়, তাহলে সে যেন তাই করে। কারণ ইঁদুর ঘরের লোকজনসহ ঘর পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।’’ (মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৩২৮০, মুসলিম ২০১২, ২০১৩, ২০১৪, তিরমিযী ১৮১২, ২৮৫৭, আবূ দাউদ ৩৭৩১, ৩৭৩৩, ইবনু মাজাহ ৩৪১০, আহমাদ ১৩৮১৬, ১৩৮৭১, ১৪০২৫, ১৪৫৯৭, ১৪৭১৭, ১৪৭৪৭, মুওয়াত্তা মালিক ১৭২৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1664)


وَعَنْ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ: نُهِينَا عَنِ التَّكَلُّفِ . رواه البخاري




[লৌকিকতার বশবর্তী হয়ে অথবা সুনাম ও প্রশংসার লোভে সাধ্যাতীত বা কষ্টসাধ্য] এমন কাজ করা বা কথা বলা নিষিদ্ধ, যাতে কোনো মঙ্গল নেই।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, قُلْ مَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ

অর্থাৎ বল, আমি উপদেশের জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না এবং যারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাধ্যাতীত কর্ম করে আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নই। (সূরা স্বাদ ৮৬ আয়াত)



১/১৬৬৪। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাধ্যাতীত কর্ম করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে।’ (বুখারী) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৭২৯৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1665)


وَعَنْ مَسرُوقٍ، قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى عَبدِ اللهِ بْنِ مَسعُود رضي الله عنه فَقَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، مَنْ عَلِمَ شَيْئاً فَلْيَقُلْ بِهِ، وَمَنْ لَمْ يَعْلَمْ، فَلْيَقُلْ : اللهُ أَعْلَمُ، فَإِنَّ مِنَ العِلْمِ أَنْ يَقُولَ لِمَا لاَ يَعْلَمُ : اللهُ أَعْلَمُ . قالَ اللهُ تَعَالَى لِنَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم : ﴿ قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين‏﴾ [ص : ٨٦] . رواه البخاري




২/১৬৬৫। মাসরূক্ব [রহঃ] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন ‘হে লোক সকল! যে ব্যক্তির কিছু জানা থাকে, সে যেন তা বলে। আর যার জানা নেই, সে যেন বলে, ‘আল্লাহই ভালো জানেন।’ কারণ তোমার অজানা বিষয়ে ‘আল্লাহই ভালো জানেন’ বলাও এক প্রকার ইলম [জ্ঞান]। মহান আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সম্বোধন করে বলেছেন, ‘‘বল, আমি উপদেশের জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না এবং যারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাধ্যাতীত কর্ম করে, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নই।’’ (সূরা স্বাদ ৮৬ আয়াত, বুখারী] [1]


[1] সহীহুল বুখারী ১০০৭, ১০২০, ৪৬৯৩, ৪৭৬৮, ৪৭৭৪, ৪৮০৯, ৪৮২০, ৪৮২১-৪৮২৫, মুসলিম ২৭৯৮, তিরমিযী ৩২৫৪, আহমাদ ৩৬০২, ৪৯৩, ৪১৯৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ