রিয়াদুস সালিহীন
عَنْ عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: المَيِّتُ يُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ . وَفِي روايةٍ : «مَا نِيحَ عَلَيْهِ» . متفق عليه
১/১৬৬৬। উমার ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মৃত ব্যক্তিকে তার কবরের মধ্যে তার জন্য মাতম করে কান্না করার দরুন শাস্তি দেওয়া হয়।’’ (বুখারী ও মুসলিম) অন্য এক বর্ণনায় আছে, যতক্ষণ তার জন্য মাতম করে কান্না করা হয়, [ততক্ষণ মৃত-ব্যক্তির আযাব হয়।] [1]
[1] সহীহুল বুখারী ১২৮৮, ১২৯০, ১২৯২, মুসলিম ৯২৭, তিরমিযী ১০০২, নাসায়ী ১৮৫৩, ১৮৫৮, ইবনু মাজাহ ১৫৯৩, আহমাদ ২৯০৩৮৮, ৪৮৫০, ৪৯৩৯, ৫২৪০, ৬১৪৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ مِنَّا مَنْ ضَرَبَ الخُدُودَ، وَشَقَّ الجُيُوبَ، وَدَعَا بِدَعْوَى الجَاهِلِيَّةِ» . متفق عليه
২/১৬৬৭। ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে [শোকের সময়] গালে আঘাত করে, বুকের কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলিয়াতের ডাকের ন্যায় ডাক ছাড়ে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
* [অর্থাৎ চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে মৃত ব্যক্তির বীরত্ব, দানশীলতা ও বিভিন্ন গুণ বর্ণনা করে, যেমন: ও আমার বাঘ! ও আমার চাঁদ! ও আমার রাজা! ইত্যাদি]
[1] সহীহুল বুখারী ১২৯৪, ১২৯৭, ১২৯৮, ৩৫১৯, মুসলিম ১০৩, তিরমিযী ৯৯৯, নাসায়ী ১৮৬২, ১৮৬৪, ১৫৮৪, আহমাদ ৩৬৫০, ৪১০০, ৪১০৩, ৪৩৪৮, ৪৪১৬
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَبِي بُرْدَةَ رضي الله عنه، قَالَ: وَجَعَ أَبُو مُوسَى رضي الله عنه، فَغُشِيَ عَلَيْهِ، وَرَأسُهُ فِي حِجْرِ امْرَأَةٍ مِنْ أَهْلِهِ، فَأَقْبَلَتْ تَصِيحُ بِرَنَّةٍ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَرُدَّ عَلَيْهَا شَيْئاً، فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ: أَنَا بَرِيءٌ مِمَّنْ بَرِىءَ مِنْهُ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَرِيءٌ مِنَ الصَّالِقَةِ، وَالحَالِقَةِ، وَالشَّاقَّةِ . متفق عليه
৩/১৬৬৮। আবূ বুরদাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, [তাঁর পিতা] আবূ মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু যন্ত্রণায় কাতর হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর [ঐ সময়] তাঁর মাথা তাঁর এক স্ত্রীর কোলে রাখা ছিল এবং সে চিৎকার করে কান্না করতে লাগল। তিনি [অজ্ঞান থাকার কারণে] তাকে বাধা দিতে পারলেন না। সুতরাং যখন তিনি চেতনা ফিরে পেলেন, তখন বলে উঠলেন, ‘আমি সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত, যে মহিলা থেকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই মহিলা থেকে সম্পর্কমুক্ত হয়েছেন, যে শোকে উচ্চ স্বরে মাতম করে কান্না করে, মাথা মুণ্ডন করে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ১০৪, নাসায়ী ১৮৬১, ১৮৬৩, ১৮৬৫-১৮৬৭, আবূ দাউদ ৩১৩০, ইবনু মাজাহ ১৫৮৬, আহমাদ ১৯০৪১, ১৯০৫৩, ১৯১১৯, ১৯১২৯, ১৯১৯১, ১৯২৩০
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنِ المُغِيرَةِ بنِ شُعبَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : «مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ، فَإِنَّهُ يُعَذَّبُ بِمَا نِيحَ عَلَيهِ يَومَ القِيَامَةِ» متفق عليه
৪/১৬৬৯। মুগীরাহ ইবনে শু‘বাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি যে, ‘‘যার জন্য মাতম করে কান্না করা হয়, তাকে কিয়ামতের দিনে তার জন্য মাতম করার দরুন শাস্তি দেওয়া হবে।’’ (বুখারী, মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ১২৯১, মুসলিম ৪, ৯৩৩, তিরমিযী ১০০০, আহমাদ ১৭৬৭৪, ১৭৭১৯, ১৭৭৩৭, ১৭৭৭৩
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ نُسَيْبَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : أَخَذَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عِندَ البَيْعَةِ أَنْ لاَ نَنُوحَ . متفق عليه
৫/১৬৭০। উম্মে আত্বিআহ নুসাইবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘বায়আতের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এই অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন যে, আমরা মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করব না।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ১৩০৬, ৪৮৯২, ৭২১৫, মুসলিম ৯৩৬, নাসায়ী ৪১৭৯, ৪১৮০, আবূ দাউদ ৩১২৭, আহমাদ ২০২৬৭, ২৬৭৫৩, ২৬৭৬০
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنِ النُّعمَانِ بنِ بَشِيرٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: أُغْمِيَ عَلَى عَبدِ اللهِ بْنِ رَوَاحَةَ رضي الله عنه فَجَعَلَتْ أُخْتُهُ تَبْكِي، وَتَقُولُ : وَاجَبَلاهُ، وَاكَذَا، وَاكَذَا : تُعَدِّدُ عَلَيْهِ . فقالَ حِينَ أَفَاقَ : مَا قُلْتِ شَيْئاً إِلاَّ قِيلَ لِي أَنْتَ كَذَلِكَ ؟! . رواه البخاري
৬/১৬৭১। নু’মান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু [একবার] অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁর বোন কান্না করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘ও [আমার] পাহাড় গো! ও আমার এই গো! ও আমার ওই গো!’ এভাবে তাঁর একাধিক গুণ বর্ণনা করতে লাগলেন। সুতরাং যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, ‘তুমি যা কিছু বলেছ, সে সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করা হচ্ছিল যে, তুমি ঐরূপ ছিলে নাকি?’ (বুখারী) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ৪২৬৮
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: اشْتَكَى سَعْدُ بنُ عُبَادَةَ شَكْوَى رَضِيَ اللهُ عَنهُ، فَأَتَاهُ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَعُودُهُ مَعَ عَبدِ الرَّحمانِ بْنِ عَوفٍ، وَسَعْدِ بنِ أَبِي وَقَّاصٍ، وَعَبدِ اللهِ بنِ مَسعُود رضي الله عنه . فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ، وَجَدَهُ فِي غَشْيَةٍ فَقَالَ: «أَقَضَى ؟» قَالُوا : لاَ يَا رَسُولَ اللهِ ، فَبكَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا رَأَى القَوْمُ بُكَاءَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَكَوْا، قَالَ: «أَلاَ تَسْمَعُونَ ؟ إِنَّ اللهَ لاَ يُعَذِّبُ بِدَمْعِ العَيْنِ، وَلاَ بِحُزْنِ القَلْبِ، وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا - وَأَشَارَ إلَى لِسَانِهِ - أَو يَرْحَمُ» . متفق عليه
৭/১৬৭২। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সা’দ ইবনে উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার পীড়িত হলে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, সা’দ ইবনে আবী অক্কাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদদের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট কুশল জিজ্ঞাসার জন্য গেলেন। যখন তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন, তখন তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘ও কি মারা গেছে?’’ লোকেরা জবাব দিল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! না [মারা যায়নি]।’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেদে ফেললেন। সুতরাং লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কান্না করতে দেখল, তখন তারাও কাঁদতে লাগল। তিনি বললেন, ‘‘তোমরা কি শুনতে পাও না? নিঃসন্দেহে আল্লাহ চোখের অশ্রু ঝরাবার জন্য শাস্তি দেন না এবং আন্তরিক দুঃখ প্রকাশের জন্যও শাস্তি দেন না। কিন্তু তিনি তো এটার কারণে শাস্তি দেন অথবা দয়া করেন।’’ এই বলে তিনি নিজ জিভের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ১৩০৪, মুসলিম ৯২৪
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَن أَبِي مَالِكِ الأَشْعَرِي رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «النَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبلَ مَوْتِهَا تُقَامُ يَومَ القِيَامَةِ وَعَلَيْهَا سِربَالٌ مِنْ قَطِرَانٍ، وَدِرْعٌ مِنْ جَرَبٍ» . رواه مسلم
৮/১৬৭৩। আবূ মালেক আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মাতম-কারিণী মহিলা যদি মরণের পূর্বে তওবা না করে, তাহলে আল-কাতরার পায়জামা এবং পাঁচড়ার জামা পরিহিতা অবস্থায় তাকে কিয়ামতের দিনে দাঁড় করানো হবে।’’ (মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ৯৩৪, ইবনু মাজাহ ১৫৮১, আহমাদ ২২৩৮৬, ২২৩৯৭, ২২৪০৫
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أُسَيدِ بنِ أَبِي أُسَيدٍ التَّابِعِيِّ، عَنِ امْرَأةٍ مِنَ المُبَايِعَاتِ، قَالَتْ :كَانَ فِيمَا أَخَذَ عَلَيْنَا رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي المَعْرُوفِ الَّذِي أَخَذَ عَلَيْنَا أَنْ لاَ نَعْصِيَهُ فِيهِ : أَنْ لاَ نَخْمِشَ وَجْهَاً، وَلاَ نَدْعُوَ وَيْلاً، وَلاَ نَشُقَّ جَيْباً، وَأَنْ لاَ نَنْشُرَ شَعْراً . رواه أبو داود بإسناد حسن
৯/১৬৭৪। উসাইদ ইবনে আবূ উসাইদ তাবেয়ী, এমন এক মহিলা থেকে বর্ণনা করেন, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বায়আতকারিণী মহিলাদের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব সৎকর্ম করতে ও তাতে তাঁর অবাধ্যতা না করতে আমাদের কাছে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, সে সবের মধ্যে এটিও ছিল যে, [শোকাহত হয়ে] আমরা চেহারা খামচাব না, ধ্বংস ও সর্বনাশ কামনা করব না, বুকের কাপড় ছিঁড়ব না এবং মাথার চুল আলুথালু করব না।’ [আবূ দাঊদ হাসান সূত্রে] [1]
[1] আবূ দাউদ ৩১৩১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান
وَعَنْ أَبِي مُوسَى رَضِيَ اللهُ عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَا مِنْ مَيِّتٍ يَمُوْتُ فَيَقُوْمُ بَاكِيهِمْ فَيَقُولُ : وَاجَبَلاَهُ، وَاسَيِّدَاهُ، أَو نَحْوَ ذَلِكَ إِلاَّ وُكِّلَ بِهِ مَلَكَانِ يَلْهَزَانِهِ : أَهَكَذَا كُنْتَ؟» . رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]
১০/১৬৭৫। আবূ মুসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখনই কোনো মৃত্যুগামী ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করে। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে রোদন-কারিণী রোদন করে এবং বলে, ‘ও আমার পাহাড় গো! ও আমার সর্দার গো!’ অথবা অনুরূপ আরও কিছু বলে, তখনই সেই মৃতের জন্য দু’জন ফিরিশতা নিযুক্ত করা হয়, যারা তার বুকে ঘুষি মেরে বলতে থাকেন, ‘তুই কি ঐ রকম ছিলি নাকি?’ (তিরমিযী হাসান] [1]
[1] তিরমিযী ১০০৩, ইবনু মাজাহ ১৫৯৪
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান
وَعَنْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «اثْنَتَانِ فِي النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ : الطَّعْنُ فِي النَّسَبِ، وَالنِّيَاحَةُ عَلَى المَيِّتِ». رواه مسلم
১১/১৬৭৬। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মানুষের মধ্যে দুটো আচরণ এমন পাওয়া যায়, যা তাদের ক্ষেত্রে কুফরীমূলক কর্ম; বংশে খোঁটা দেওয়া ও মৃতের জন্য মাতম করে কান্না করা।’’ (মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ৬৭, তিরমিযী ১০০১, আহমাদ ৭৮৪৮, ৮৬৮৮, ৯১০১, ৯২৯১, ৯৩৯৭, ৯৫৬২, ১০০৫৭, ১০৪২৮, ১০৪৯০
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أُنَاسٌ عَنِ الكُهَّانِ، فَقَالَ: «لَيْسُوا بِشَيءٍ» فَقَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّهُمْ يُحَدِّثُونَا أَحْيَاناً بِشَيءٍ، فَيَكُونُ حَقّاً ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «تِلْكَ الكَلِمَةُ مِنَ الحَقِّ يَخْطَفُهَا الجِنِّيُّ فَيَقُرُّهَا فِي أُذُنِ وَلِيِّهِ، فَيَخْلِطُونَ مَعَهَا مئَةَ كَذْبَةٍ». متفق عليه
وَفِي رِوَايَةٍ لِلبُخَارِيِّ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّها سَمِعَتْ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : إِنَّ المَلائِكَةَ تَنْزِلُ فِي العَنَانِ - وَهُوَ السَّحَابُ - فَتَذْكُرُ الأَمْرَ قُضِيَ فِي السَّماءِ، فَيَسْتَرِقُ الشَّيْطَانُ السَّمْعَ، فَيَسْمَعُهُ، فَيُوحِيهِ إلَى الكُهَّانِ، فَيَكْذِبُونَ مَعَهَا مِئَةَ كَذْبَةٍ مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
যারা কাঁকর, যবদানা ইত্যাদি মেরে [ফালনামা খুলে বা হাত চালিয়ে বা হস্তরেখা পড়ে অথবা রাশি গণনা করে] ভাগ্য-ভবিষ্যৎ তথা অজানা ও গায়েবী বিষয়ের খবর বলে, তাদের নিকট এসে ঐ শ্রেণীর কিছু জিজ্ঞাসা করা বৈধ নয়।
১/১৬৭৭। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গণকদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, ‘‘ওরা অপদার্থ।’’ [অর্থাৎ ওদের কথার কোন মূল্য নেই]। তারা নিবেদন করল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! ওরা তো কখনো কখনো আমাদেরকে কোন জিনিস সম্পর্কে বলে, আর তা সত্য ঘটে যায়।’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘এই সত্য কথাটি জ্বিন [ফিরিশ্তার নিকট থেকে] ছোঁ মেরে নিয়ে তার ভক্তের কানে পৌঁছে দেয়। তারপর সে ঐ [একটি সত্য] কথার সাথে একশ’টি মিথ্যা মিশিয়ে দেয়।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
বুখারীর অন্য এক বর্ণনায় আছে, যা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, ‘‘ফিরিশ্তাবর্গ আল্লাহর বিধানসমূহ নিয়ে মেঘমালার অভ্যন্তরে অবতরণ করেন এবং সে সব কথাবার্তা আলোচনা করেন, যার সিদ্ধান্ত আসমানে হয়েছে। সুতরাং শয়তান অতি সংগোপনে লুকিয়ে তা শুনে ফেলে এবং ভবিষ্যৎ-বক্তা গণকদের মনে প্রক্ষিপ্ত করে। তারপর তার সাথে তারা নিজেদের পক্ষ থেকে একশত মিথ্যা মিশ্রণ করে তা প্রচার করে।’’
[1] সহীহুল বুখারী ৩২১০, ৫৭৬২, ৬২১৩, ৭৫৬১, মুসলিম ২২২৮, আহমাদ ২৪০৪৯
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ صَفِيَّةَ بِنتِ أَبِي عُبَيدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُ، عَن بَعضِ أَزوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ أَتَى عَرَّافاً فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ أَرْبَعِينَ يَوماً» . رواه مسلم
২/১৬৭৮। স্বাফিয়্যাহ বিন্তে আবূ উবাইদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন স্ত্রী [হাফসাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা] হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে কোন [গায়বী] বিষয়ে প্রশ্ন করে, তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করা হয় না।’ (মুসলিম) [অন্য হাদীসে আছে, আর যে ব্যক্তি গণকের কথা বিশ্বাস করবে, সে কাফের হয়ে যাবে। আহমাদ, তিরমিযী]
[অন্য হাদীসে আছে, আর যে ব্যক্তি গণকের কথা বিশ্বাস করবে, সে কাফের হয়ে যাবে। আহমাদ, তিরমিযী]
[1] মুসলিম ২২৩০, আহমাদ ১৬২০২, ২২৭১১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وعنْ قَبِيصَةَ بن المُخَارِقًرضي الله عنه قَالَ: سمِعْتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم يقُولُ: الْعِيَافَةُ، والطَّيرَةُ، والطَّرْقُ، مِنَ الجِبْتِ
৩/১৬৭৯। কাবীসাহ্ ইবনুল মুখারিক্ব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছিঃ ‘ইয়াফাহ’ অর্থাৎ রেখা টেনে, ‘তিয়ারাহ’ অর্থাৎ কোন কিছু দর্শন করে এবং ‘তারক’ অর্থাৎ পাখি দিয়ে মঙ্গল-অমঙ্গল নির্ণয় আল্লাহর সাথে বি-দ্রোহিতামূলক কাজ।[1]
[1] আমি [আলবানী) বলছিঃ তিনি এরূপই বলেছেন অথচ এর সনদে হাইয়্যান ইবনু আলা রয়েছেন তিনি মাজহূল। দেখুন ‘‘গায়াতুল মারাম’’ [২৯৯)।
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ যঈফ
وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنِ اقْتَبَسَ عِلْماً مِنَ النُّجُومِ، اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ زَادَ مَا زَادَ» رواه أبو داود بإسناد صحيح
৪/১৬৮০। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু অংশ শিক্ষা করল, সে আসলে যাদু বিদ্যার একটি অংশ শিক্ষা করল। বিধায় জ্যোতিষ বিদ্যা যত বেশী পরিমাণে শিক্ষা করবে, অত বেশী পরিমাণে তার যাদু বিদ্যা বেড়ে যাবে।’’ [আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ সূত্রে] [1]
[1] আবূ দাউদ ৩৯০৫, ইবনু মাজাহ ৩৭২৬, আহমাদ ২০০১, ২৮৩৬
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ مُعاوِيَةَ بنِ الحَكَمِ رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ إِنِّي حَدِيثُ عَهْدٍ بِالجَاهِليَّةِ، وَقَدْ جَاءَ اللهُ تَعَالَى بِالإِسْلاَمِ، وَإِنَّ مِنَّا رِجَالاً يَأتُونَ الكُهَّانَ ؟ قَالَ: «فَلاَ تَأتِهِمْ» قُلْتُ : وَمِنَّا رِجَالٌ يَتَطَيَّرُونَ ؟ قَالَ: «ذَلِكَ شَيْءٌ يَجِدُونَهُ فِي صُدُورِهِمْ، فَلاَ يَصُدُّهُمْ» قُلْتُ : وَمِنَّا رِجَالٌ يَخُطُّونَ ؟ قَالَ: «كَانَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ يَخُطُّ، فَمَنْ وَافَقَ خَطَّهُ، فَذَاكَ» . رواه مسلم
৫/১৬৮১। মুআবিয়াহ ইবনে হাকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নিবেদন করলাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি জাহেলী যুগের অত্যন্ত নিকটবর্তী [অর্থাৎ আমি অল্পদিন হল অন্ধ-যুগ থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছি] এবং বর্তমানে আল্লাহ আমাকে ইসলামে দীক্ষিত করেছেন। আমাদের কিছু লোক গণকদের নিকট [ভাগ্য-ভবিষ্যৎ জানতে] যায়।’ তিনি বললেন, ‘‘তুমি তাদের কাছে যেও না।’’ আমি বললাম, ‘আমাদের কিছু লোক অশুভ লক্ষণ মেনে চলে।’ তিনি বললেন, ‘‘এ এমন জিনিস, যা তারা নিজেদের অন্তরে অনুভব করে। সুতরাং এ [সব ধারণা] যেন তাদেরকে [বাঞ্ছিত কর্মে] বাধা না দেয়।’’ আমি নিবেদন করলাম, ‘আমাদের মধ্যে কিছু লোক দাগ টেনে শুভাশুভ নিরূপণ করে।’ তিনি বললেন, ‘‘[প্রাচীনযুগে] এক পয়গম্বর দাগ টানতেন। সুতরাং যার দাগ টানার পদ্ধতি উক্ত পয়গম্বরের পদ্ধতি অনুসারে হবে, তা সঠিক বলে বিবেচিত হবে [নচেৎ না]।’’ (মুসলিম)[1]
[1] মুসলিম ৫৩৭, নাসায়ী ১২১৮, আবূ দাউদ ৯৩০, ৯৩১, ৩২৮২, ৩৯০৯, আহমাদ ২৩২৫০, ২৩২৫৬, দারেমী ১৫০২
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَبِي مَسعُودٍ البَدْرِيِّ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ ثَمَنِ الكَلْبِ، وَمَهْرِ البَغِيِّ، وَحُلْوَانِ الكَاهِنِ. متفق عَلَيْهِ
৬/১৬৮২। আবূ মাসঊদ বাদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারের বিনিময় এবং গণকের পারিতোষিক গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[অর্থাৎ কুকুর বিক্রি করে, নিজের দাসীকে বেশ্যার কাজে এবং দাসকে গণকের কাজে খাটিয়ে অর্থ উপার্জন করতে নিষেধ করেছেন।]
[1] সহীহুল বুখারী ২২৩৭, ২২৮২, ৫৩৪৬, ৫৭৬১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ، وَيُعْجِبُنِي الفَأْلُ» قَالُوا : وَمَا الفَألُ ؟ قَالَ: «كَلِمَةٌ طَيِّبَةٌ» متفق عَلَيْهِ
১/১৬৮৩। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘রোগের সংক্রমণ ও অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই। শুভ লক্ষণ মানা আমার নিকট পছন্দনীয়। আর তা হল, উত্তম বাক্য।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[অর্থাৎ উত্তম বাক্য শুনে মনে মনে কল্যাণের আশা পোষণ করা, যেমন চাকরীর দরখাস্ত নিয়ে গিয়ে কারো জিজ্ঞেস করলেন, সে বলল, মঞ্জুর। তখন আপনার মনে দরখাস্ত মঞ্জুর হওয়ার আশা করা বিধি-সম্মত।]
[1] সহীহুল বুখারী ৫৭৫৬, ৫৭৭৬, মুসলিম ২২২৪, তিরমিযী ১৬১৫, আবূ দাউদ ৩৯১৬, ইবনু মাজাহ ৩৫৩৭, আহমাদ ১১৭৬৯, ১১৯১৪, ১২১৫৪, ১২৩৬৭, ১২৪১১, ১৩২২১, ১৩৫০৮, ১৩৫৩৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ . وَإِنْ كَانَ الشُّؤمُ فِي شَيْءٍ فَفِي الدَّارِ، وَالمَرْأَةِ، وَالفَرَسِ» . متفق عَلَيْهِ
২/১৬৮৪। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘ছোঁয়াচে ও অশুভ বলে কিছু নেই। অশুভ বলতে যদি কিছু থাকে, তাহলে তা ঘর, স্ত্রী ও ঘোড়ার মধ্যে আছে।’’ (বুখারী) [1]
[কোন বস্তু প্রকৃতপক্ষে অমঙ্গলময় নয়। তবে বিশেষ কিছু গুণাগুণের ভিত্তিতে কোন কোন ব্যক্তির জন্য কষ্ট ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে তাকে অমঙ্গলময় বোধ করা হয় যেমন, স্বামীর অবাধ্য স্ত্রী, সংকীর্ণ ঘর, অবাধ্য বাহন ইত্যাদি।]
[1] সহীহুল বুখারী ৫৭৫৩, ২০৯৯, ২৮৫৮, ৫০৯৩, ৫০৯৪, ৫৭৭২, মুসলিম ২২৫, তিরমিযী ২৮২৪, নাসায়ী ৩৫৬৮, ৩৫৬৯, আবূ দাউদ ৩৯২২, ইবনু মাজাহ ১৯৯৫, ৩৫৪০, মুওয়াত্তা মালিক ১৮১৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ بُريْدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَتَطَيَّرُ . رواه أَبُو داود بإسناد صحيح
৩/১৬৮৫। বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [কোন কিছুকে] অশুভ লক্ষণ মানতেন না। [আবূ দাঊদ-বিশুদ্ধ হাদিস] [1]
[1] আবূ দাউদ ৩৯২০, আহমাদ ২২৪৩৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ