হাদীস বিএন


রিয়াদুস সালিহীন





রিয়াদুস সালিহীন (1686)


وَعنْ عُرْوَةَ بْنِ عامِرِ رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ: ذُكِرتِ الطَّيَرَةُ عِنْد رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم فقَالَ: «أحْسَنُهَا الْفَألُ، وَلا تَرُدُّ مُسْلِماً، فَإذا رأى أحَدُكُمْ ما يَكْرَه، فَلْيقُلْ : اَللهم لا يَأتى بالحَسَناتِ إلاَّ أنتَ، وَلا يَدْفَعُ السَّيِّئاتِ إلاَّ أنْتَ، وَلا حوْلَ وَلا قُوَّةَ إلاَّ بِكَ» حديثٌ صَحيحٌ رَوَاهُ أبو داودُ بإسنادٍ صَحيحٍ .




৪/১৬৮৬। উরওয়াহ ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মুখে অশুভ বা কুলক্ষণ সম্পর্কে কথা হচ্ছিল। তিনি বললেন: এর মধ্যে ভাল হল ফাল। কিন্তু কোন মুসলিমকে অশুভ লক্ষণ তার কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারে না। তোমাদের মধ্যে কেউ অপছন্দীয় কোন বিষয় দেখলে সে যেন বলে, ‘‘হে আল্লাহ! তুমি ব্যতীত কেউ কল্যাণ দিতে পারে না এবং তুমি ব্যতীত কেউ অকল্যাণ দূর করতে পারে না। অবস্থার পরিবর্তন করা বা মঙ্গল ও অমঙ্গল বিধান করার ক্ষমতা শুধুমাত্র তোমারই’’। [আবূ দাঊদ][1]


[1] আমি [আলবানী) বলছিঃ এ সহীহ্ আখ্যা দেয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। কারণ উরওয়া ইবনু আমেরের রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ ঘটার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। এ ছাড়াও এর সনদে আনআনাহ মুদাল্লিস বর্ণনাকারী। দেখুন ‘‘আলকালিমুত তাইয়্যিব টীকা নং [১৯৩

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ যঈফ









রিয়াদুস সালিহীন (1687)


عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الَّذِينَ يَصْنَعُونَ هَذِهِ الصُّوَرَ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، يُقَالُ لَهُمْ : أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ» . متفق عليه




১/১৬৮৭। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যারা এ জাতীয় [প্রাণীর] মূর্তি বা ছবি তৈরি করে, কিয়ামতের দিন তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে, তোমার যা বানিয়েছিলে তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা কর।’’ (বুখারী) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৫১, ৭৫৫৮, মুসলিম ২১০৮, নাসায়ী ৫৩৬১, আহমাদ ৪৪৬১, ৪৬৯৩, ৪৭৭৭, ৫১৪৬, ৫৭৩৩, ৬০৪৮, ৬২০৫, ৬২২৬, ৬২৯০

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1688)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : قَدِمَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ سَفَرٍ، وَقَدْ سَتَرْتُ سَهْوَةً لِي بِقِرامٍ فِيهِ تَمَاثيلُ، فَلَمَّا رَآهُ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم تَلَوَّنَ وَجْهُهُ، وَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، أَشَدُّ النَّاسِ عَذَاباً عِندَ اللهِ يَوْمَ القِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللهِ» قَالَتْ : فَقَطَعْنَاهُ فَجَعَلْنَا مِنهُ وِسَادَةً أَوْ وِسَادَتَيْنِ . متفق عليه




২/১৬৮৮। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [তাবূক যুদ্ধের] সফর থেকে ফিরে এলেন। আমি আমার কক্ষের তাক বা জানালায় পাতলা কাপড়ের পর্দা টাঙ্গিয়ে ছিলাম; তাতে ছিল [প্রাণীর] অনেকগুলি চিত্র। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ওটা দেখলেন, তখন তার চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি বললেন, ‘‘হে আয়েশা! কিয়ামতের দিন সেসব মানুষের সবচেয়ে বেশি শাস্তি হবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ তৈরি করবে।’’ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘সুতরাং আমরা তা ছিঁড়ে ফেললাম এবং তা দিয়ে একটি বা দু’টি হেলান-বালিশ তৈরি করলাম।’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৫৪, মুসলিম ২১০৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1689)


وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : «كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ يُجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسٌ فَيُعَذِِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ» . قَالَ ابنُ عَبَّاسٍ : فَإِنْ كُنْتَ لاَ بُدَّ فَاعِلاً، فَاصْنعِ الشَّجَرَ وَمَا لاَ رُوحَ فِيهِ. متفق عليه




৩/১৬৮৯। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘প্রত্যেক ছবি [বা মূর্তি] নির্মাতা জাহান্নামে যাবে, তার নির্মিত প্রতিটি ছবি বা মূর্তির পরিবর্তে একটি করে প্রাণ সৃষ্টি করা হবে, যা তাকে জাহান্নামে শাস্তি দিতে থাকবে।’’ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘যদি তুমি করতেই চাও, তাহলে গাছপালা ও নিষ্প্রাণ বস্তুর ছবি বা মূর্তি তৈরি করতে পার।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ২১১০, তিরমিযী ১৭৫১, ২২৮৩, নাসায়ী ৫৩৫৮, ৫৩৫৯, আবূ দাউদ ৫০২৪, ইবনু মাজাহ ৩৯১৬, আহমাদ ১৮৬৯, ২১৬৩, ২২১৪, ২৮০৬, ৩২৬২, ৩৩৭৩, ৩৩৮৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1690)


وَعَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا، كُلِّفَ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوْحَ يَومَ القِيَامَةِ وَلَيْسَ بِنَافِخٍ» . متفق عليه




৪/১৬৯০। উক্ত রাবী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যে ব্যক্তির দুনিয়াতে কোনো [প্রাণীর] চিত্র বানিয়েছে তাকে কিয়ামতের দিনে তাতে রূহ ফুঁকার জন্য বাধ্য করা হবে, অথচ সে রূহ ফুঁকতে পারবে না।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ২১১০, তিরমিযী ১৭৫১, ২২৮৩, নাসায়ী ৫৩৫৮, ৫৩৫৯, আবূ দাউদ ৫০২৪, ইবনু মাজাহ ৩৯১৬, আহমাদ ১৮৬৯, ২১৬৩, ২২১৪, ২৮০৬, ৩২৬২, ৩৩৭৩, ৩৩৮৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1691)


وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : «إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَاباً يَومَ القِيَامَةِ المُصَوِّرُونَ». متفق عليه




৫/১৬৯১। ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘কিয়ামতের দিনে ছবি বা মূর্তি নির্মাতাদের সর্বাধিক কঠিন শাস্তি হবে।’’ (বুখারী-মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৫০, মুসলিম ২১০৯, নাসায়ী ৫৩৬৪, আহমাদ ৩৫৪৮, ৪০৪০

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1692)


وَعَنْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : «قَالَ اللهُ تَعَالَى : وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ كَخَلْقِي ؟ فَلْيَخْلُقُوا ذَرَّةً أَوْ لِيَخْلُقُوا حَبَّةً، أَوْ لِيَخْلُقُوا شَعِيرَةً». متفق عليه




৬/১৬৯২। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তার চাইতে বড় জালেম কে আছে, যে আমার সৃষ্টির অনুরূপ সৃষ্টি তৈরি করতে চায়? সুতরাং তারা একটি ধূলিকণা বা পিঁপড়ে সৃষ্টি করুক অথবা একটি শস্যদানা সৃষ্টি করুক অথবা একটি যবদানা সৃষ্টি করুক।’’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৫৩, ৭৫৫৯, মুসলিম ২১১১, আহমাদ ৭১২৬, ৭৪৬৯, ৮৮৩৪, ১০৪৩৮, ২৭৭৯৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1693)


وَعَنْ أَبِي طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ تَدْخُلُ المَلاَئِكَةُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ». متفق عليه




৭/১৬৯৩। আবূ ত্বালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সে ঘরে [রহমতের] ফিরিশ্তা প্রবেশ করেন না যে ঘরে কুকুর থাকে এবং সে ঘরেও নয় যে ঘরে ছবি বা মূর্তি থাকে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৩২২৫, ৩২২৬, ৩৩২২, ৪৩০২, ৪০০২, ৫৯৪৯, ৫৯৫৮, মুসলিম ২১০৬, তিরমিযী ২৮০৪, নাসায়ী ৪২৮২, ৫৩৪৭-৫৩৫০, আবূ দাউদ ৪১৫৩, ৪১৫৫, ইবনু মাজাহ ৩৬৪৯, আহমাদ ১৫৯১০, ১৫৯১৮, ১৫৯৩৪, মুওয়াত্তা মালিক ১৮০২

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1694)


وعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: وَعَدَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم جِبْرِيلُ أَنْ يَأتِيَهُ، فَرَاثَ عَلَيْهِ حَتَّى اشْتَدَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَخَرَجَ فَلَقِيَهُ جِبرِيلُ فَشَكَا إِلَيهِ، فَقَالَ: إِنَّا لاَ نَدْخُلُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ . رواهُ البُخاري




৮/১৬৯৪। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, [একবার] জিব্রীল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসার ওয়াদা দিলেন। কিন্তু তিনি আসতে বিলম্ব করলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত [এ বিলম্ব] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষে অত্যন্ত ভারী বোধ হতে লাগল। অবশেষে তিনি বাইরে বের হয়ে গেলেন। তখন জিব্রীল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি বিলম্ব হওয়ার অভিযোগ করলে জিব্রীল বললেন, ‘আমরা সেই ঘরে প্রবেশ করি না যে ঘরে কুকুর কিম্বা ছবি থাকে।’ (বুখারী) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৬৬০, ৩২২৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1695)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : وَاعَدَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم جِبرِيلُ عليه السلام، في سَاعَةٍ أَنْ يَأتِيَهُ، فَجَاءتْ تِلْكَ السَّاعَةُ وَلَمْ يَأتِهِ ! قَالَتْ : وَكَانَ بِيَدِهِ عَصاً، فَطَرَحَهَا مِنْ يَدِهِ وَهُوَ يَقُولُ : «مَا يُخْلِفُ اللهُ وَعْدَهُ وَلاَ رُسُلُهُ». ثُمَّ التَفَتَ، فَإِذَا جَرْوُ كَلْبٍ تَحْتَ سَرِيرِهِ . فَقَالَ: «مَتَى دَخَلَ هَذَا الكَلْبُ ؟» فَقُلْتُ : وَاللهِ مَا دَرَيْتُ بِهِ، فَأَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ، فَجَاءَهُ جِبْرِيلُ عليه السلام، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «وَعَدْتَنِي، فَجَلَسْتُ لَكَ وَلَمْ تَأَتِنِي» فَقَالَ: مَنَعَنِي الكَلْبُ الَّذِي كَانَ فِي بَيْتِكَ، إِنَّا لاَ نَدْخُلُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ . رواه مسلم




৯/১৬৯৫। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা জিব্রীল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কোন এক সময়ে সাক্ষাৎ করার জন্য ওয়াদা করেন। সুতরাং সে নির্ধারিত সময়টি এসে পৌঁছল; কিন্তু জিব্রীল আসলেন না। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে একটি লাঠি ছিল। তিনি তা ফেলে দিলেন এবং বললেন, ‘‘আল্লাহ নিজ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না এবং তাঁর দূতগণও না।’’ তারপর তিনি ফিরে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখতে পেলেন যে, তাঁর খাটের নীচে একটি কুকুর ছানা বসে আছে। তখন তিনি বললেন, ‘‘এ কুকুরটি কখন এখানে ঢুকে পড়েছে?’’ [আয়েশা বলেন] আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! আমি ওর ব্যাপারে জানতেই পারিনি।’

সুতরাং তিনি আদেশ দিলে ওটাকে বাইরে বের করা হল। তারপর জিব্রীল -এর আগমন ঘটল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [অভিযোগ করে] বললেন, ‘‘আপনি আমার সঙ্গে ওয়াদা করেছিলেন, আর আমি আপনার প্রতীক্ষায় বসেছিলাম, অথচ আপনি আসলেন না?’’ জিব্রীল বললেন, ‘আমাকে ঐ কুকুর ছানাটি [ঘরে ঢুকতে] বাধা দিয়েছিল; যেটা আপনার ঘরের মধ্যে ছিল। নিশ্চয় আমরা সে ঘরে প্রবেশ করি না, যে ঘরে কুকুর কিম্বা কোন ছবি বা মূর্তি থাকে।’ (মুসলিম) [1]


[1] মুসলিম ২১০৪, আহমাদ ২৪৫৭৬

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1696)


وَعَنْ أبي الهَيَّاجِ حَيَّانَ بِن حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ لِيْ عَليُّ بنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللهُ عنه: أَلاَ أَبْعَثُكَ عَلَى مَا بَعَثَنِي عَلَيْهِ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم ؟ أَنْ لاَ تَدَعَ صُورَةً إِلاَّ طَمَسْتَهَا، وَلاَ قَبْراً مُشْرَفاً إِلاَّ سَوَّيْتَهُ. رواه مسلم




১০/১৬৯৬। আবুল হাইয়াজ হাইয়ান ইবনে হুসাইন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আলী ইবনে আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন, ‘তোমাকে সে কাজের জন্য পাঠাব না কি, যে কাজের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পাঠিয়েছিলেন? [তা হচ্ছে এই যে,] কোন [প্রাণীর] ছবি বা মূর্তি দেখলেই তা নিশ্চিহ্ন করে দেবে এবং কোন উঁচু কবর দেখলে তা সমান করে দেবে।’ (মুসলিম) [1]


[1] মুসলিম ৯৬৯, তিরমিযী ১০৪৯, নাসায়ী ২০৩১, আবূ দাউদ ৩১১৮, আহমাদ ৬৮৫, ৭৪৩, ৮৯১, ১০৬৭, ১১৭৪, ১১৭৯, ১২৪৩, ১২৮৬

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1697)


عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنِ اقْتَنَى كَلْباً إِلاَّ كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ فَإِنَّهُ يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَومٍ قِيرَاطَانِ». متفق عليه. وفي رواية : «قِيرَاطٌ»




১/১৬৯৭। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যে ব্যক্তি শিকারি অথবা পশু-রক্ষক কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর পোষে, তার নেকী থেকে প্রত্যেক দিন দুই কিরাত পরিমাণ সওয়াব কমে যায়।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1] অন্য বর্ণনায় আছে, ‘‘এক কিরাত সওয়াব কমে যায়।’’


[1] সহীহুল বুখারী ৫৪৮০, ৫৪৮১, ৫৪৮২, মুসলিম ১৫৭৪, তিরমিযী ১৪৮৭, নাসায়ী ৪২৮৪, ৪২৮৬, ৪২৮৭, ৪২৯১, আহমাদ ৪৪৬৫, ৪৫৩৫, ৪৭৯৮, ৪৯২৫, ৫০৫৩, ৫১৪৯, ৫২৩১, ৫৩৭০, ৫৪৮১, ৫৭৪১, ৫৮৮৯, ৬৩০৬, ৬৪০৭, মুওয়াত্তা মালিক ১৮০৮

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1698)


وَعَنْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ أَمْسَكَ كَلْباً، فَإِنَّهُ ينْقُصُ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَومٍ قِيرَاطٌ إِلاَّ كَلْبَ حَرْثٍ أَوْ مَاشِيَةٍ . متفق عليه
وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسلِمٍ : مَنِ اقْتَنَى كَلْباً لَيْسَ بِكَلْبِ صَيْدٍ، وَلاَ مَاشِيَةٍ وَلاَ أَرْضٍ، فَإِنَّهُ يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِهِ قِيرَاطَانِ كُلَّ يَوْمٍ




২/১৬৯৮। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কুকুর বাঁধে [পালে], তার আমল [নেকী] থেকে প্রত্যহ এক কিরাত পরিমাণ কমে যায়।’’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]

অন্য বর্ণনায় আছে, ‘‘যে ব্যক্তি এমন কুকুর পোষে, যা শিকারের জন্য নয়, পশু রক্ষার জন্য নয় এবং ক্ষেত পাহারার জন্য নয়, সে ব্যক্তির নেকী থেকে প্রত্যেক দিন দুই কিরাত পরিমাণ সওয়াব কমে যায়।’’ [কিরাত ঠিক কত পরিমাণ, তা আল্লাহই জানেন।]


[1] সহীহুল বুখারী ২৩২২, ৩৩২৪, মুসলিম ১৫৭৫, তিরমিযী ১৪৯০, নাসায়ী ৪২৮১, ৪২৯০, আবূ দাউদ ২৮৪৪, ইবনু মাজাহ ৩২০৪, আহমাদ ৭৫৬৬, ৮৩৪২, ৯২০৯, ৯৭৬৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1699)


عَن أَبِيْ هُرَيرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَصْحَبُ المَلاَئِكَةُ رُفْقَةً فِيهَا كَلْبٌ أَوْ جَرَسٌ». رواه مسلم




১/১৬৯৯। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সেই কাফেলার সঙ্গে [রহমতের] ফিরিশতা থাকেন না, যাতে কুকুর কিম্বা ঘুঙুর থাকে।’’ (মুসলিম)[1]


[1] মুসলিম ২১১৩, তিরমিযী ১৭০৩, আবূ দাউদ ২৫৫৫, আহমাদ ৭৫১২, ৮০৩৬, ৮২৩৭, ৮৩২৩, ৮৭৭২, ৮৮৪৫, ৯০৯৮, ৯৪৪৫, ৯৮০৫, ১০৫৫৮, দারেমী ২৫৭৬

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1700)


وَعَنْه : أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الجَرَسُ مَزَامِيرُ الشَّيْطَانِ» . رواه مسلم




২/১৭০০। উক্ত রাবী হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘ঘণ্টা বা ঘুঙুর শয়তানের বাঁশি।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] মুসলিম ২১১৪, আবূ দাউদ ২৫৫৬, আহমাদ ৮৫৬৫, ৮৬৩৪

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1701)


وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: نهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الجَلاَّلَةِ فِي الإبِلِ أَنْ يُرْكَبَ عَلَيْهَا. رواه أبو داود بإسناد صحيح




যে হালাল পশু [উট, গরু ইত্যাদি] সাধারণত: মানুষের পায়খানা খায়, তার উপর সওয়ার হওয়া মকরুহ। এরূপ নোংরা-ভোজী উট যদি ঘাস খেতে লাগে [এবং নোংরা ভক্ষণ করা ত্যাগ করে] তাহলে তার মাংস পবিত্র হবে বিধায় মকরুহ থাকবে না।



১/১৭০১। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নোংরা-ভোজী উঁটনীর উপর চড়তে বারণ করেছেন।’ [আবূ দাঊদ-বিশুদ্ধ সূত্রে][1]

[প্রকাশ থাকে যে, এরূপ পশুর দুধ ও গোশত খাওয়ার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা এসেছে।


[1] আবূ দাউদ ২৫৫৭, ২৫৫৮, ১৭০২, সহীহুল বুখারী ৪১৫, মুসলিম ৫৫২, তিরমিযী ৫৭২, নাসায়ী ৭২৩, আবূ দাউদ ২৭৪, ৪৭৪, ৪৭৫, আহমাদ ১১৬৫১, ১২৩৬৪, ১২৪৭৯, ১২৭৭০, ১২৮০৪, ১৩০২১, ১৩০৩৮, ১৩০৮৮, ১৩২৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৬, ১৩৬৬১, দারেমী ১৩৯৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1702)


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «البُصَاقُ فِي المَسْجِدِ خَطِيئَةٌ، وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا». متفق عليه




১/১৭০২। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মসজিদের ভিতর থুথু ফেলা পাপ। আর তার কাফফারা [প্রায়শ্চিত্ত] হল তা মাটিতে পুঁতে দেওয়া।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

অর্থাৎ মসজিদের মেঝে কাঁচা মাটি বা বালির হলে তা মাটি বা বালি ঢাকা দিতে হবে। আমাদের [শাফেয়ী] মাযহাবের আলেম আবুল মাহাসিন রুওয়ানী তাঁর ‘আল-বাহর’ গ্রন্থে বলেন, বলা হয়েছে যে, দাফন করার অর্থ হল, তা মসজিদ থেকে দূর করে দেওয়া। কিন্তু মসজিদের মেঝে যদি মোজাইক করা বা পাকা হয়, তাহলে তা জুতা বা অন্য কিছু দিয়ে রগড়ে দেওয়া---যেমন বহু জাহেল করে থাকে---দাফন করা নয়। বরং তাতে পাপ বৃদ্ধি করা এবং মসজিদকে বেশি নোংরা করা হয়। যে কেউ এমন করে থাকে, তার উচিত হল, তা কাপড়, হাত অথবা অন্য কিছু দিয়ে মুছে দেওয়া অথবা পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া।


[1] সহীহুল বুখারী ৪১৫, মুসলিম ৫৫২, তিরমিযী ৫৭২, নাসায়ী ৭২৩, আবূ দাউদ ২৭৪, ৪৭৪, ৪৭৫, আহমাদ ১১৬৫১, ১২৩৬৪, ১২৪৭৯, ১২৭৭০, ১২৮০৪, ১৩০২১, ১৩০৩৮, ১৩০৮৮, ১৩২৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৬, ১৩৬৬১, দারেমী ১৩৯৫

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1703)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي جِدَارِ القِبْلَةِ مُخَاطاً، أَوْ بُزَاقاً، أَوْ نُخَامَةً، فَحَكَّهُ . متفق عَلَيْهِ




২/১৭০৩। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকের দেওয়ালে পোঁটা, থুথু কিম্বা শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন। সুতরাং তিনি রগড়ে পরিষ্কার করে দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯, ইবনু মাজাহ ৭৬৪, আহমাদ ২৪৬৩০, ২৫৪০৬, মুওয়াত্তা মালিক ৪৫৭

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1704)


وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهَ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ المَسَاجِدَ لاَ تَصْلُحُ لِشَيءٍ مِنْ هَذَا البَوْلِ وَلاَ القَذَرِ، إنَّمَا هي لِذِكْرِ اللهِ تَعَالَى، وَقِراءةِ القُرْآنِ» أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم . رواه مسلم




৩/১৭০৪। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় এ মসজিদসমূহ পেশাব ও নোংরা-আবর্জনার উপযুক্ত স্থান নয়। এসব তো মহান আল্লাহর জিকির এবং কুরআন তেলাওয়াত করার জন্য।’’ অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ কিছু বলেছেন। (মুসলিম) [1]


[1] সহীহুল বুখারী ২১৯, ২২১, ৬০২৫, মুসলিম ২৮৪, ২৮৫, তিরমিযী ১৪৭, নাসায়ী ৫৩, ৫৫, ৩২৯, ইবনু মাজাহ ৫২৮, আহমাদ ১১৬৭২, ১১৭২২, ১২২৯৮, ১২৫৭২, ১২৯৫৫, মুওয়াত্তা মালিক ১৪৪, দারেমী ৭৪০

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ









রিয়াদুস সালিহীন (1705)


وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ سَمِعَ رَجُلاً يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي المَسْجِدِ فَلْيَقُلْ : لاَ رَدَّها اللهُ عَلَيْكَ، فَإِنَّ المَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا» . رواه مسلم




১/১৭০৫। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান [ঘোষণা] করতে শোনে, সে যেন বলে, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’ কারণ, মসজিদ এর জন্য বানানো হয়নি।’’ (মুসলিম)[1]


[1] মুসলিম ৫৬৮, তিরমিযী ১৩২১, আবূ দাউদ ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৬৭, আহমাদ ৮৩৮২, ৯১৬১, দারেমী ১৪০১

তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ