হাদীস বিএন


সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ





সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (821)


` احبسوا على المؤمنين ضالتهم، قالوا: وما ضالة المؤمنين؟ قال: العلم `.
موضوع.
رواه الديلمي في ` المسند ` (1 / 1 / 20) وعفيف الدين أبو المعالي في ` فضل العلم ` (114 / 1) عن عمرو بن حكام عن بكر عن زياد بن أبي حسان عن أنس مرفوعا. قلت: وهذا موضوع، زياد هذا قال الحاكم والنقاش: ` روى عن أنس وغيره أحاديث موضوعة `. وكان شعبة شديد الحمل عليه وكذبه، وقال الدارقطني:
` متروك `. وبكر هو ابن خنيس، قال النسائي وغيره: ضعيف.
وقال ابن حبان في ` المجروحين ` (1 / 186) : ` يروي عن البصريين والكوفيين أشياء موضوعة يسبق إلى القلب أنه المتعمد لها `. وعمرو بن حكام ضعيف، وإنما آفة الحديث ممن فوقه. والحديث أورده السيوطي في ` الجامع ` من رواية الديلمي وابن النجار في ` تاريخه ` عن أنس فتعقبه المناوي بقوله: ` وفيه إبراهيم بن هاني أورده الذهبي في ` الضعفاء ` وقال: ` مجهول أتى بالبواطيل `. عن عمرو بن حكام تركه أحمد والنسائي. عن بكر بن خنيس قال الدارقطني: متروك عن زياد بن أبي حسان تركوه `. فاعجب من السيوطي كيف سود كتابه بحديث هذا حال إسناده، ثم ازدد عجبا منه حين تعلم أنه هو نفسه أورد الحديث في ذيل الأحاديث الموضوعة ` (ص 42) من رواية الديلمي!!
‌‌




৮২১। তোমরা মুমিনদের হারিয়ে যাওয়া বস্তুকে আটক করো। তারা বললোঃ মুমিনদের হারিয়ে যাওয়া বস্তু কী? তিনি বললেনঃ জ্ঞান।





হাদীছটি জাল।





এটি দাইলামী `আল-মুসনাদ` (১/১/২০) গ্রন্থে এবং আফীফুদ্দীন আবুল মা'আলী `ফাযলুল ইলম` (১/১১৪) গ্রন্থে আমর ইবনু হুক্কাম হতে তিনি বাকর হতে তিনি যিয়াদ ইবনু আবী হাসসান হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। এই যিয়াদ সম্পর্কে হাকিম এবং নাক্কাশ বলেনঃ তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও অন্যদের থেকে বহু বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। শুবাহ তার ব্যাপারে খুবই কঠোর ছিলেন। তিনি তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক। বাকর হচ্ছেন ইবনু খুনায়েস। তার সম্পর্কে নাসাঈ ও অন্য বিদ্বানগণ বলেছেনঃ তিনি দুর্বল। ইবনু হিব্বান `আল-মাজরুহীন` (১/১৮৬) গ্রন্থে বলেনঃ তিনি বাসরী এবং কূফীদের থেকে বানোয়াট বহু কিছু বর্ণনা করেছেন। এমনকি হৃদয় ধাবিত হবে যে, তিনি তা ইচ্ছাকৃতই করেছেন। আর আমর ইবনু হুক্কাম দুর্বল। হাদীছটির বিপদ তার উপরের ব্যক্তি হতে।





আজব ব্যাপার এই যে, সুয়ুতী নিজে হাদীছটি `যায়লুল আহাদীছিল মাওযুআহ` (পৃঃ ৪২) গ্রন্থে উল্লেখ করার পরেও কিভাবে `আল-জামে` গ্রন্থে দাইলামী এবং ইবনুন নাজ্জারের `আত-তরিখ` গ্রন্থের বর্ণনা হতে উল্লেখ করলেন!





যাতে ইবরাহীম ইবনু হানী রয়েছেন। যাহাবী তাকে “আয-যোয়াফা” গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি মাজহুল বাতিলগুলো বর্ণনা করেছেন। আমরকে ইমাম আহমাদ ও নাসাঈ পরিত্যাগ করেছেন। দারাকুতনী বাকরকে মাতরূক আখ্যা দিয়েছেন











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (822)


` إذا كتبتم الحديث فاكتبوه بإسناده، فإن يك حقا كنتم شريكا في الأجر، وإن يك باطلا كان وزره عليه `.
موضوع.
رواه عثمان بن محمد المحمي في ` حديثه ` (208 / 1) عن بعاد بن يعقوب قال: حدثنا سعيد بن عمرو العنبري عن مسعدة بن صدقة عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن الحسين عن أبيه مرفوعا. قلت: وهذا سند ضعيف جدا، آفته مسعدة بن صدقة هذا، قال الدارقطني: ` متروك `. ذكره الذهبي ثم ساق له هذا الحديث ثم قال: ` هذا موضوع `. ووافقه الحافظ في ` اللسان `.
وأما السيوطي فذهل عن قول هذين الحافظين فأورده في ` الجامع الصغير ` من رواية الحاكم في ` علوم الحديث ` وأبي نعيم وابن عساكر عن علي. فتعقبه المناوي بقوله: ` رمز لضعفه، وليس بضعيف فقط، بل قال في ` الميزان `: موضوع `.
‌‌




৮২২। তোমরা যখন হাদীছ লিখবে, তখন তা সনদসহ লিখ। কারণ যদি হাদীছটি সত্য হয়, তাহলে তোমরাও ছাওয়াবের ভাগী হবে আর যদি বাতিল হয় তাহলে তার গুনাহ তার উপরেই বর্তাবে।





হাদীছটি জাল।





এটি উছমান ইবনু মুহাম্মাদ আল-মাহমী `হাদীছ` (১/২০৮) গ্রন্থে আব্বাদ ইবনু ইয়াকুব হতে তিনি সাঈদ ইবনু আমর আল-আম্বারী হতে তিনি মুসাইদাহ ইবনু সাদাকাহ হতে তিনি জাফার ইবনু মুহাম্মাদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এর সমস্যা হচ্ছে মুসাইদাহ ইবনু সাদাকাহ। দারাকুতনী তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মাতরূক। যাহাবী তার এ হাদীছটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। সুয়ূতী এই দুই শাইখের কথাকে ভুলে গিয়ে “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে


হাদীছটি উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানবী যাহাবীর ভাষ্য উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (823)


` اعمل لوجه واحد يكفك الوجوه كلها `.
ضعيف جدا.
رواه السهمي في ` تاريخ جرجان ` (170، 350) عن أبي هرمز: سمعت أنسا يقول فذكره مرفوعا.
قلت: وهذا سند ضعيف جدا، أبوهرمز هذا اسمه نافع بن هرمز قال أبو حاتم: ` متروك ذاهب الحديث `. وقال النسائي: ` ليس بثقة `. واختلف فيه قول ابن معين، فكذبه مرة، وقال مرة: لا يكتب حديثه. وقال مرة: لا أعرفه. وقال مرة: ليس بشيء.
والحديث أورده السيوطي في ` الجامع الصغير ` من رواية ابن عدي والديلمي عن أنس. وتعقبه المناوي بقوله: ` وفيه أبو عبد الرحمن السلمي سبق أنه وضاع للصوفية، ومحمد بن أحمد بن هارون قال الذهبي في ` الضعفاء `: متهم بالوضع، ونافع بن هرمز أبوهرمز قال في ` الميزان `: كذبه ابن معين. وتركه أبو حاتم وضعفه أحمد انتهى. وبه يعرف أن سنده مهلهل بالمرة فكان ينبغي للمصنف حذفه `.
قلت: السلمي وابن هارون ليس بشيء في سند السهمي، وكذا ابن عدي، فإن الجرجاني رواه عنه في أحد الموضعين المشار إليهما، فآفة الحديث أبوهرمز هذا فقط، وحينئذ فلا يصل الأمر إلى الحكم على الحديث بالوضع، والله أعلم.
‌‌




৮২৩। তুমি এক চেহারার (সত্তার) জন্য আমল করো, তাহলে তা তোমাকে সকল চেহারা (সত্তা) হতে রক্ষা করবে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি সাহসী “তারীখু জুরজান” (১৭০,৩৫০) গ্রন্থে আবূ হুরমুয হতে তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। আবু হুরমুযের নাম নাফে ইবনু হুরমুয। তার সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি মাতরূক, যাহেবুল হাদীছ। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।





ইবনু মাঈন তার ব্যাপারে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভূগেছেন। একবার তিনি তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আরেকবার বলেছেনঃ তার হাদীছ লিখা যাবে না। আরেকবার বলেছেনঃ তাকে আমি চিনি না। আরেকবার বলেছেনঃ তিনি কিছুই না।





হাদীছটি সুয়ূতী “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে দাইলামী ও ইবনু আদীর বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ তাতে আবূ আব্দির রহমান আস-সুলামী রয়েছেন। তিনি সূফীদের জন্য হাদীছ জালকারী। তাতে আরো রয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে হারূণ, তার সম্পর্কে যাহাবী `আয-যোয়াফা` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি জাল করার দোষে দোষী। ইবনু মাঈন তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আবু হাতিম তাকে পরিত্যাগ করেছেন। ইমাম আহমাদ তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সুলামী ও ইবনু হারূণ সাহমীর সনদে নাই। ইবনু আদীরও সনদে নেই। অতএব সাহমীর বর্ণনার সমস্যা হচ্ছে আবু হুরমুয। তখন হাদীছটি জালের পর্যায়ে পৌঁছায় না।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (824)


` بجلوا المشايخ، فإن تبجيل المشايخ من إجلال الله تعالى `.
موضوع.
رواه ابن حبان في ` المجروحين ` (2 / 4) وابن عدي (203 / 2) وابن منده في ` تاريخ أصبهان ` (ق 235 / 2) عن صخر بن محمد الحاجبي: حدثنا الليث بن سعد عن الزهري عن أنس مرفوعا. ومن هذا الوجه رواه لاحق بن محمد الإسكافي في ` شيوخه ` (115 / 1) . قلت: وهذا إسناد موضوع، آفته صخر هذا قال ابن حبان عقبه: ` لا تحل الرواية عنه `. وقال فيه ابن طاهر: ` كذاب `.
وقال ابن عدي: ` كان يضع الحديث، حدث عن الثقات بالبواطيل `. وقال أيضا:
` وهذا حديث موضوع على الليث `. وأورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (1 / 182) من رواية ابن حبان عنه، وأقره السيوطي في ` اللآلئ ` (1 / 149) . ورواه الخطيب من هذا الوجه في الجزء الثاني من ` الجامع ` كما في ` المنتقى منه ` (18 / 2) .
‌‌




৮২৪ । তোমরা শাইখদেরকে সম্মান প্রদর্শন করো; কারণ তাদেরকে সম্মান প্রদর্শন করলে আল্লাহকে সম্মান করা হয়।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু হিব্বান `আল-মাজরুহীন` (২/৪) গ্রন্থে ইবনু আদী (২/২০৩) এবং ইবনু মান্দাহ “তারীখু আসবাহান” (কাফ ২/২৩৫) গ্রন্থে সাখর ইবনু মুহাম্মাদ আল-হাজেবী হতে তিনি লাইছ ইবনু সা’আদ হতে তিনি যুহরী হতে তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। একই সূত্রে হাদীছটি লাহেক ইবনু মুহাম্মাদ আল-ইসকাফী তার “শুয়ুখ” (১/১১৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। তার সমস্যা এই সাখর। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ তার থেকে বর্ণনা করাই হালাল নয়। তার সম্পর্কে ইবনু তাহের বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বাতিল হাদীছ বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ এ হাদীছটি লাইছের উপর জালকৃত।





হাদীছটি ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু’আত” (১/১৮২) গ্রন্থে ইবনু হিব্বানের বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী “আল-লাআলী` (১/১৪৯) গ্রন্থে তাকে সমর্থন করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (825)


` جبل الخليل جبل مقدس، وإن الفتنة لما ظهرت في
بني إسرائيل أو حى الله تعالى إلى أنبيائهم أن يفروا بدينهم إلى جبل الخليل `.
منكر.
رواه ابن عساكر (1 / 172 / 1) عن إبراهيم بن ناصح: أنبأنا نعيم بن حماد: أنبأنا محمد بن حميد عن الوضين بن عطاء أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فذكره. قلت: وهذا إسناد واه جدا، فإنه مع إرساله فيه نعيم
بن حماد وهو ضعيف جدا. وإبراهيم بن ناصح وهو الأصبهاني قال أبو نعيم: ` متروك الحديث `. وقال ابن مردويه في ` تاريخه `: ` حدث بمناكير `.
قلت: وهذا من منكراته، بل أخشى أن يكون موضوعا، وإن أورده السيوطي في ` الجامع الصغير `، ولم يعله المناوي بأكثر من الإرسال وهذا تقصير ظاهر!
‌‌




৮২৫। খালীলের পাহাড় পবিত্র পাহাড়, বানু ইসরাঈলের মধ্যে যখন ফিতনাফাসাদ প্রকাশ পেয়েছিল, তখন আল্লাহ তা'আলা তাদের নবীগণের নিকট ওহী মারফৎ নির্দেশ দিয়েছিলেন তারা যেন তাদের ধর্মকে ধারণ করে খালীল পাহাড়ের দিকে চলে যায়।





হাদীছটি মুনকার।





এটি ইবনু আসাকির (১/১৭২/১) ইব্রাহীম ইবনু নাসেহ হতে তিনি নোয়াইম ইবনু হাম্মাদ হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু হুমায়েদ হতে তিনি ওয়ায়ীন ইবনু আতা হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি নিতান্তই দুর্বল। কারণ এটি মুরসাল হওয়া সত্ত্বেও তার বর্ণনাকারী নোয়াইম ইবনু হাম্মাদ খুবই দুর্বল। ইবরাহীম ইবনু নাসেহ আল-আসফাহানী সম্পর্কে আবু নোয়াইম বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীছ। ইবনু মারদুবিয়াহ তার `তারীখ` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মুনকার হাদীছ বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি তার মুনকারগুলোর অন্তর্ভুক্ত। বরং আমি এটি বানোয়াট হওয়ার আশঙ্কা করছি। সুয়ূতী হাদীছটি “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। মানবী শুধুমাত্র মুরসাল বলে কারণ দর্শিয়েছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (826)


` دخلت الجنة، فرأيت فيها جنابذ من لؤلؤ، ترابها المسك، فقلت: لمن هذا يا جبريل؟ فقال: هذا للمؤذنين والأئمة من أمتك `.
موضوع.
رواه ابن عدي (313 / 1) عن محمد بن إبراهيم الشامي: حدثنا محمد بن العلاء الأيلي عن يونس بن يزيد الأيلي عن الزهري عن أنس بن مالك عن أبي بن كعب مرفوعا، وقال: ` لا أعلم يرويه غير محمد بن إبراهيم الشامي وهو منكر الحديث، وعامة أحاديثه غير محفوظة `. قلت: وقال الدارقطني: ` كذاب `.
قال الذهبي: ` قلت: صدق الدارقطني رحمه الله، وابن ماجه فما عرفه، قال ابن حبان: لا تحل الرواية عنه، كان يضع الحديث ` (1) . والحديث أورده السيوطي في ` الجامع الصغير ` من رواية أبي يعلى عن أبي، وسكت عليه المناوي!
(1) في ` الضعفاء ` (2 / 295) بتقديم الجملة الأخرى على الأولى. اهـ.
‌‌




৮২৬। আমি জান্নাতে প্রবেশ করে দেখলাম তাতে মতির তৈরি বহু উচু টিলা, যার মাটি মিস্কে আম্বার। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এটি কার জন্য হে জিবরীল? তিনি বললেনঃ এটি মুয়াযযিন ও আপনার উম্মাতের ইমামদের জন্য।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু আদী (৩১৩/১) মুহাম্মাদ ইবনু ইব্রাহীম আশ-শামী হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আল-আইলী হতে তিনি ইউনুস ইবনু ইয়াযীদ আল-আইলী হতে তিনি যুহরী হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম আশ-শামী ছাড়া অন্য কেউ এটিকে বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানি না। তিনি মুনকারুল হাদীছ। তার অধিকাংশ হাদীছ নিরাপদ নয়।





আমি (আলবানী) বলছিঃ দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। হাফিয যাহাবী বলেনঃ দারাকুতনী সত্য কথা বলেছেন। ইবনু মাজাহ তাকে চিনেন নি। ইবনু হিব্বান `আয-যোয়াফা` (২/২৯৫) গ্রন্থে বলেনঃ তার থেকে বর্ণনা করাই হালাল নয়, তিনি হাদীছ জাল করতেন। তা সত্ত্বেও সুয়ূতী হাদীছটি “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে আবু ইয়ালার বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (827)


` ذهاب البصر مغفرة للذنوب، وذهاب السمع مغفرة للذنوب، وما نقص من الجسد فعلى مقدار ذلك `.
موضوع. رواه ابن عدي (128 / 2) أبو الحسن النعالي في جزء من ` حديثه `
(128 / 2) وأبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 296) وعنه الخطيب في ` تاريخه ` (2 / 152) عن داود بن الزبرقان عن مطر عن هارون بن عنترة عن عبد الله بن السائب عن زاذان عن عبد الله بن مسعود مرفوعا.
وقال ابن عدي: وهذا منكر المتن والإسناد، يرويه داود بن الزبرقان، وعامة ما يرويه عن كل من روى عنه مما لا يتابعه أحد عليه `. قلت: وهو متروك كما قال الحافظ.
ومطر هو الوراق فيه ضعف. وهارون بن عنترة لا بأس به، فآفة الحديث من ابن الزبرقان. والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (3 / 204) من طريق الخطيب ونقل قول ابن عدي المتقدم: ` منكر المتن والإسناد ` وقال: ` وهارون لا يحتج به، وداود ليس بشيء `. وأقره السيوطي في ` اللآلي ` (2 / 402) وكذا ابن عراق، فإنه أورده في ` الفصل الأول ` من ` تنزيه الشريعة ` (379 - 380) وقال: ` وقد أورد الحافظ الذهبي في طبقات الحفاظ هذا الحديث من جهة الخطيب وقال: غريب. والله أعلم `.
ومع اعتراف السيوطي بوضعه فقد أورده في ` الجامع الصغير ` من رواية ابن عدي والخطيب عن ابن مسعود، وتعقبه المناوي بحكم ابن الجوزي بوضعه ومتابعة السيوطي له في ` مختصر الموضوعات `! وفي الباب حديث آخر نحوه وهو موضوع أيضا، وهو:
‌‌




৮২৭। দৃষ্টি শক্তি এবং শ্রবণ শক্তি চলে যাওয়া গুনাহ মোচনের কারণ। দেহ হতে যে অংশটুকু কমে যাবে সে পরিমাণ গুনাহ মোচন হবে।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু আদী (২/১২৮), আবুল হাসান আন-না-আলী তার “হাদীছ` (২/১২৮) গ্রন্থে, আবু নোয়াইম `আখবারু আসবাহান` (২/২৯৬) গ্রন্থে, এবং আল-খাতীব তার “তারীখ” (২/১৫২) গ্রন্থে দাউদ ইবনু যিবরকান হতে তিনি মাতর হতে তিনি হারূণ ইবনু আনতারাহ হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুস সায়েব হতে তিনি যাযান হতে ... বর্ণনা করেছেন।





ইবনু আদী বলেনঃ হাদীছটির সনদ ও মতন উভয়টিই মুনকার। এটি দাউদ ইবনু যিবরকান বর্ণনা করেছেন। তিনি যার নিকট হতেই বর্ণনা করেছেন, তাতে কেউ তার অনুসরণ করেনি।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি মাতরূক যেমনটি হাফিয ইবনু হাজার বলেছেন। আর মাতর হচ্ছেন ওয়াররাক, তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। হাদীছটির সমস্যা হচ্ছে ইবনু যিবরকান। হাদীছটি ইবনুল জাওযী `আল-মাওযু'আত` (৩/২০৪) গ্রন্থে আল-খাতীবের সূত্রে উল্লেখ করে ইবনু আদীর উল্লেখিত বক্তব্য নকল করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ হারূণের দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। আর দাউদ কিছুই না। সুয়ূতী `আল-লাআলী` (২/৪০২) গ্রন্থে এবং ইবনু ইরাক `তানযীহুশ শারীয়াহ` (৩৭৯-৩৮০) গ্রন্থে তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।





সুয়ূতী হাদিসটি জাল হিসাবে স্বীকার করার পরেও হাদিসটি `আল-জামে'উস সাগীর` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ফলে মানবী ইবনুল জাওযী কর্তৃক জাল হিসাবে হুকুম লাগানোর কথা এবং সুয়ূতী যে “মুখতাসারুল মাওযু'আত” গ্রন্থে তার অনুসরণ করেছেন তা উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (828)


` ذهاب إحدى رجلي الرجل غفران نصف ذنوبه، وذهابهما كلاهما غفران ذنوبه كلها، وذهاب إحدى عينيه غفران نصف ذنوبه، وذهابهما كليهما استحلال الجنة `.
موضوع.
رواه النرسي أبو نصر في ` منتقى من الجزء الثاني من حديثه ` (72 / 1) عن عبد الرحمن بن قريش قال: أخبرنا أبو العباس الفضل بن عبد الله قال: حدثنا مالك بن سليمان قال: أخبرنا قيس عن منصور عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود مرفوعا. قلت: وهذا إسناد موضوع، المتهم به ابن قريش هذا، قال الذهبي: ` اتهمه السليماني بوضع الحديث `.
‌‌




৮২৮। যে ব্যক্তির দুই পায়ের এক পা চলে (নষ্ট হয়ে) যাবে তার অর্ধেক গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে। যার দুই পা চলে (নষ্ট হয়ে) যাবে তার সব গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে। যার দুই চোখের একটি চলে (নষ্ট হয়ে) যাবে তার অর্ধেক গুনাহ ক্ষমা হয়ে যাবে। যার দুই চোখই চলে যাবে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ অপরিহার্য হয়ে যাবে।





হাদীছটি জাল।





এটি আন-নারসী আবু নাসর “মুনতাকা মিনাল জুযউছ ছানী মিন আহাদীছহি” (১/৭২) গ্রন্থে আব্দুর রহমান ইবনু কুরায়েশ হতে তিনি আবুল আব্বাস ফাযল ইবনু আবদিল্লাহ হতে তিনি মালেক ইবনু সুলায়মান হতে তিনি কায়েস হতে তিনি মানসূর হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। ইবনু কুরায়েশ জাল করার দোষে দোষী। হাফিয যাহাবী বলেনঃ সুলায়মানী তাকে হাদীছ জাল করার দোষে দোষী করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (829)


` رأس الدين الورع `.
موضوع.
رواه ابن عدي: (57 / 1) عن جعفر بن عبد الواحد قال: قال لنا حكام بن مسلم: حدثنا أبي عن مالك بن دينار عن أنس مرفوعا. ذكره في ترجمة جعفر هذا وهو الهاشمي وساق له أحاديث أخر ثم قال: ` وهذه الأحاديث
التي ذكرتها عن جعفر بن عبد الواحد كلها بواطيل، وكان يتهم بوضع الحديث `، ثم قال: ` وعامة أحاديثه موضوعة `. قلت: وقال ابن حبان (1 / 209) : `
كان يسرق الحديث، ويقلب الأخبار، حتى لا يشك من الحديث صناعته أنه كان يعملها، وكان لا يقول: ` حدثنا ` في روايته، كان يقول: قال لنا فلان ابن فلان `.
وقال الدارقطني: ` كان يضع الحديث `. وقال أبو زرعة: ` روى
أحاديث لا أصل لها `. قلت: ومع ذلك أورده السيوطي في ` الجامع الصغير ` من رواية ابن عدي نفسه! ولم يتكلم عليه المناوي بشيء!
‌‌




৮২৯। ধর্মের মূল হচ্ছে পরহেজগারিতা।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু আদী (১/৫৭) জাফর ইবনু আব্দিল ওয়াহেদ হতে তিনি হুক্কাম ইবনু মুসলিম হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি মালেক ইবনু দীনার হতে ... বর্ণনা করেছেন।





তিনি জা'ফারের জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে এ হাদীছটি সহ তার অন্যান্য হাদীছগুলো উল্লেখ করে বলেছেনঃ জাফার হতে উল্লেখিত সকল হাদীছ বাতিল। তাকে হাদীছ জাল করার দোষে দোষী করা হতো। অতঃপর বলেছেনঃ তার অধিকাংশ হাদীছ বানোয়াট।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু হিব্বান (১/২০৯) বলেনঃ তিনি হাদীছ চুরি করতেন। হাদীছগুলো উলট-পালট করে ফেলতেন। হাদীছের গবেষক ব্যক্তি কাজটি যে তারইকৃত তিনি তাতে কোন সন্দেহ করতেন না।





দারাকুতনী বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন। আবু যুর'আহ বলেনঃ তিনি কতিপয় হাদীছ বর্ণনা করেছেন সেগুলোর মূল নেই। তা সত্ত্বেও সুয়ূতী হাদীছটি “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু আদীর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (830)


832) ، و `الروض النضير`
(45 و65) ، و`المشكاة` (5598 - 5599) .
وبعد: فإن مجال إبطال قول الشيخ السالمي المتقدم - بأن الأحاديث التي احتج
بها الربيع على خصومه من أهل السنة أحاديث صحاح؛ يعترف بها الخصم - واسع
جداً، وحسبنا الآن ما تقدم، اراجين من الفه أن ييسر لي بيان وضع أحاديث أخرى
من `مسند ربيعهم` الذي سموه بـ: `الجامع الصحيح` بغياً وظلماً وعدواناً!
وقد كنت ذكرت - فيما تقدم - حديثاً آخر منه، وبينت أيضاً بطلانه، وأن
`مسندهم` لا قيمة له مطلقاً من الناحية الحديثية العلمية لأسباب كثيرة،
وبسطت القول في ذلك في (17) صفحة، بما لا تراه في مكان آخر؛ فراجع ذلك
تحت الحديث (6044) .
‌‌




৮৩০। সালামের উত্তর দেয়ার ন্যায় চিঠির উত্তর দেয়া হচ্ছে তার প্রাপ্য।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু আদী (১/৯০) এবং আবু নোয়াইম `আখবারু আসবাহান` (২/২৮৯) গ্রন্থে আহমাদ ইবনু আবদিল্লাহ আল-ফিরইয়ানানী আল-মারওয়াযী হতে তিনি হাসান ইবনু মুহাম্মদ আবু মুহাম্মদ আল-বালখী হতে তিনি হুমায়েদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনু আদী বলেছেনঃ হাদীছটি মুসনাদ হিসাবে মুনকার। এই হাসান প্রসিদ্ধ নন। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীছ বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু হিব্বান (১/২৩২-২৩৩) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। কোন অবস্থাতেই তার থেকে হাদীছ বর্ণনা করা হালাল নয়। তিনি তা ভুলে গিয়ে তাকে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্তও করেছেন। আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ বলেনঃ তিহি হুমায়েদ সূত্রে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে। বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ইবনু আবদিল্লাহও নির্ভরযোগ্য নন। বরং তার সম্পর্কে হাফিয আবূ নোয়াইম বলেনঃ তিনি জাল করার দোষে প্রসিদ্ধ। ইবনু হিব্বান (১/১৩৩) বলেনঃ যারা নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে যা তাদের হাদীছ নয় তা বর্ণনা করতেন তিনি, তাদের অন্তর্ভুক্ত। আর দুর্বলদের উদ্ধৃতিতে যা তারা বর্ণনা করেননি তিনি তা বর্ণনা করতেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি অথবা তার শাইখ হাদীছটির সমস্যা। হাদীছটি বাগাবী `হাদীছু আলী ইবনুল জা’আদ` (৯/১০৭/১) গ্রন্থে শুরায়িক হতে তিনি আব্বাস ইবনু যুরায়েহ হতে মওকুফ হিসাবে ... বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত মওকুফ হওয়াটাই সঠিক। ইবনু আদী দৃঢ়তার সাথে তাই বলেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (831)


` رمضان بالمدينة خير من ألف رمضان فيما سواها من البلدان، وجمعة بالمدينة خير من ألف جمعة فيما سواها من البلدان `.
باطل.
رواه الطبراني (1 / 111 / 2) وابن عساكر (8 / 510 / 2) عن عبد الله بن أيوب المخرمي: أخبرنا عبد الله بن كثير بن جعفر عن أبيه عن جده عن بلال بن الحارث مرفوعا. قلت: وهذا سند واه، عبد الله هذا أورده الذهبي في ` الميزان ` وساق له هذا الحديث وقال: ` لا يدرى من ذا؟ وهذا باطل، والإسناد مظلم، تفرد به عنه عبد الله بن أيوب المخرمي، لم يحسن ضياء الدين بإخراجه في (المختارة) `.
وأقره الحافظ في ` اللسان `. وعبد الله بن أيوب المخرمي هو عبد الله بن محمد بن أيوب وهو صدوق، وله ترجمة في تاريخ بغداد (10 / 81 - 82) . والحديث أورده السيوطي في ` الجامع الصغير ` من رواية الطبراني والضياء عن بلال. وتعقبه المناوي بأن الهيثمي قال: (3 / 145، 301) : ` فيه عبد الله بن كثير وهو ضعيف `.
وبكلام الذهبي المذكور. وقد وجدت له شاهدا من حديث ابن عمر، أخرجه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 337 - 338) عن الهيثم بن بشر بن حماد: حدثنا عمرو بن عثمان: حدثنا عبد الله بن نافع عن عاصم بن عمر العمري عن عبد الله بن دينار عنه مرفوعا. قلت: وهذا سند ضعيف، عاصم بن عمر العمري ضعيف. بل قال ابن حبان (2 / 123) : ` منكر الحديث جدا، يروي عن الثقات مالا يشبه حديث الأثبات `.
وعبد الله بن نافع هو الصائغ، قال الحافظ: ` ثقة صحيح الكتاب، في حفظه لين من كبار العاشرة `. وعمرو بن عثمان إن كان الحمصي فصدوق، وإن كان الرقي فضعيف. والهيثم بن بشر بن حماد لم أجد فيه جرحا ولا تعديلا، ولعله آفة هذه الطريق.
ووجدت له طريق آخر عن ابن عمر. أخرجه ابن عساكر (12 / 349 / 1) عن عمر بن أبي بكر الموصلي (1) عن القاسم بن عبد الله العمري عن كثير المزني عن نافع عنه مرفوعا به. وفيه زيادة صحيحة في أوله وهي: ` صلاة في مسجدي كألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام ` الحديث. أورده في ترجمة الموصلي هذا وروى عن أبي حاتم أنه قال فيه: ` ذاهب الحديث متروك الحديث `.
وعن أبي زرعة أنه قرنه بابن زبالة والواقدي في الضعف في الحديث وعن الحافظ سعيد بن أبي عمر البردعي أنه قال: ` هو آفة من الآفات `. قلت: والقاسم بن عبد الله العمري مثله أو شر منه، فقد قال الإمام أحمد: ` كان يكذب ويضع الحديث `.
وكثير المزني هو ابن عبد الله بن عمرو بن عوف متهم أيضا بالكذب. وبهذا التمام أورده السيوطي أيضا في ` الجامع ` من رواية البيهقي في ` الشعب ` عن ابن عمر، وتعقبه المناوي بقوله: ` ظاهر صنيع المصنف أن مخرجه سكت عليه، والأمر بخلافه، فإنه عقبه بالقدح في سنده فقال: هذا إسناد ضعيف بمرة انتهى بلفظه، فحذف المصنف له من سوء الصنيع `.
قلت: وعليه فمن حسن الصنيع أن لا يورده السيوطي في كتابه أصلا، ولوساق القدح المذكور فيه! هذا، ورواه البزار مختصرا عن ابن عمر بلفظ: ` رمضان بمكة أفضل من ألف رمضان بغير مكة `. أورده السيوطي أيضا. وأعله الهيثمي في ` المجمع ` (3 / 145) بعاصم بن عمر، وهو ضعيف كما سبق. قلت: وإسناده عند البزار (ص 102 - زوائده) هكذا: حدثنا عمرو بن حماد بن بنت حماد بن مسعدة: حدثنا عبد الله بن نافع: حدثنا عاصم بن عمر عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر به. وقال:
(1) الأصل: (المؤملي) والتصويب من ` الجرح ` (3 / 1 / 100) . اهـ.
` تفرد به عاصم بن عمر، لا نعلمه عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا من هذا الوجه، وعاصم متفق على ضعفه `. قلت: وعبد الله بن نافع هو الصائغ المدني قال الحافظ: ` ثقة صحيح الكتاب، في حفظه لين `. وعمرو بن حماد بن بنت حماد بن مسعدة لم أجد له الآن ترجمة. وروي الحديث عن ابن عباس بلفظ: ` … مائة ألف `، وإليك لفظه بتمامه معه بيان حاله:
‌‌




৮৩১। মদীনায় এক রামাযান অবস্থান করা অন্য দেশে এক হাজার রামাযান অবস্থান করার চেয়েও অতি উত্তম। মদীনায় এক জুম'আহ আদায় করা অন্য দেশে এক হাজার জুম'আহ আদায় করার চেয়েও অতি উত্তম।





হাদীছটি বাতিল।





এটি তাবারানী (১/১১১/২) এবং ইবনু আসাকির (৮/৫১০/২) আব্দুল্লাহ ইবনু আইউব আল-মাখরামী হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু কাছীর ইবনে জাফার হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি তার দাদা হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। এই আব্দুল্লাহ ইবনু কাছীর সম্পর্কে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি কে জানা যায় না, তার এ হাদীছটি বাতিল। আর সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। তার থেকে আব্দুল্লাহ ইবনু আইউব আল-মাখরামী এককভাবে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তার এ বক্তব্যকে হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।





হাদীছটি সুয়ূতী “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে তাবারানী এবং যিয়ার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ হায়ছামী (৩/১৪৫,৩০১) বলেনঃ তাতে আব্দুল্লাহ ইবনু কাছীর রয়েছেন, তিনি দুর্বল।





এটির একটি শাহেদ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এসেছে। সেটি আবু নোয়াইম `আখবারু আসবাহান` (২/৩৩৭-৩৩৮) গ্রন্থে হায়ছাম ইবনু বিশর ইবনে হাম্মাদ হতে তিনি আমর ইবনু উছমান হতে তিনি আবদুল্লাহ ইবনু নাফে' হতে তিনি আসেম ইবনু উমার আল-উমারী হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। আসেম ইবনু উমার আল-উমারী দুর্বল। বরং ইবনু হিব্বান (২/১২৩) বলেনঃ তিনি খুবই মুনকারুল হাদীছ। তিনি নির্ভরযোগ্যদের থেকে যা তাদের হাদীছের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয় তাই বর্ণনা করেছেন।





আব্দুল্লাহ ইবনু নাফে'- তিনি হচ্ছেন আস-সায়েগ । হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ ... তার হেফযে ক্রটি ছিল।





আমর ইবনু উছমান যদি হিমসী হন তাহলে তিনি সত্যবাদী। যদি আর-রাকী হন তাহলে দুর্বল। আর হায়ছাম ইবনু বিশর ইবনে হাম্মাদ সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই পাচ্ছি না। সম্ভবত তিনিই এ সূত্রটির সমস্যা।





আমি হাদীছটি আরেকটি সূত্রে ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে পেয়েছি। সেটি ইবনু আসাকির উমার ইবনু আবী বাকর আল-মুসেলী হতে তিনি আল-কাসেম ইবনু আবদিল্লাহ আল-উমারী হতে তিনি কাছীর আল-মুযানী হতে ... বর্ণনা করেছেন। তার প্রথমে নিম্নোক্ত বর্ধিত সহীহ অংশটুকু রয়েছেঃ `আমার মসজিদে সালাত আদায় করা মসজিদুল হারাম ব্যতীত অন্য স্থানে এক হাজার সালাত আদায় করার তুল্য।` তিনি এ বর্ধিত অংশটুকু আল-মুসেলীর জীবনীর মধ্যে উল্লেখ করেছেন। আবূ হাতিম হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি যাহেবুল হাদীছ, মাতরূকুল হাদীছ। আবূ যুর'আহ হাদীছের ক্ষেত্রে দুর্বলতার দিক দিয়ে তাকে ইবনু যাবালাহ এবং ওয়াকেদীর সাথে তুলনা করেছেন।





হাফিয সাঈদ আবু উমার আল-বারদাঈ বলেনঃ তিনি সমস্যাগুলোর এক সমস্যা।





আমি (আলবানী) বলছিঃ আল-কাসেম ইবনু আবদিল্লাহ উমারী তার ন্যায় বা তার চেয়েও নিকৃষ্ট। ইমাম আহমাদ তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মিথ্যা বলতেন এবং হাদীছ জাল করতেন। তিনিও মিথ্যার দোষে দোষী । সুয়ুতীর উচিত ছিল হাদীছটি “আল-জামে” গ্রন্থে উল্লেখ না করা।





বাযযার ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নের বাক্যে বর্ণনা করেছেনঃ





رمضان بمكة أفضل من ألف رمضان بغير مكة





`মক্কায় এক রামাযান মক্কা ছাড়া অন্য স্থানে এক হাজার রামাযান হতে অতি উত্তম।`





এটিকেও সুয়ূতী উল্লেখ করেছেন। হায়ছামী `আল-মাজমা` (৩/১৪৫) গ্রন্থে এর বর্ণনাকারী আসেম ইবনু উমারকে দুর্বল আখ্যা দিয়ে সমস্যা বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ আসেম ইবনু উমার এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি সকলের ঐকমত্যে দুর্বল। আরেক বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনু নাফে সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজারের মন্তব্য পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। আর আমর ইবনু হাম্মাদের জীবনী পাচ্ছি না।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (832)


` من أدرك رمضان بمكة فصام وقام منه ما تيسر له، كتب الله له مائة ألف شهر رمضان فيما سواها، وكتب الله له بكل يوم عتق رقبة، وكل ليلة عتق رقبة، وكل يوم حملان فرس في سبيل الله، وفي كل يوم حسنة، وفي كل ليلة حسنة `.
موضوع.
رواه ابن ماجة (رقم 3117) عن عبد الرحيم بن زيد العمي عن أبيه عن سعيد بن جبير عن ابن عباس مرفوعا. قلت: وهذا موضوع، ولوائح الوضع عليه ظاهرة، وآفته عبد الرحيم هذا، فقد قال ابن معين فيه: ` كذاب خبيث `. وقال النسائي: ` ليس بثقة ولا مأمون `. وقال ابن حبان (2 / 152) : ` يروي عن أبيه العجائب مما لا يشك من الحديث صناعته أنها معمولة أو مقلوبة كلها `. ثم رأيت الحديث في ` العلل ` لابن أبي حاتم، وقال (1 / 250) : ` هذا حديث منكر، وعبد الرحيم بن زيد متروك الحديث `.
‌‌




৮৩২। যে ব্যক্তি মক্কায় রামাযান মাস পাবে, অতঃপর সওম পালন করবে এবং যতটুকু সম্ভব কিয়াম (রাতে জেগে ইবাদাত) করবে, আল্লাহ তার জন্য অন্য স্থানের একলক্ষ রামাযান মাসের সমান ছাওয়াব লিখে দিবেন। তার জন্য প্রতি দিনের বিনিময়ে একটি দাসী মুক্ত করার ছাওয়াব লিখে দিবেন। প্রতি রাতের বিনিময়ে একটি করে দাসী মুক্ত করার ছাওয়াব লিখে দিবেন। প্রতি দিন আল্লাহর পথে একটি করে ঘোড়া প্রস্তুত করার সমান ছাওয়াব লিখে দিবেন। প্রতি দিন ও প্রতি রাতে একটি একটি করে ছাওয়াব লিখে দিবেন।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু মাজাহ (নং ৩১১৭) আব্দুর রহীম ইবনু যায়েদ আল-আমী হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি সাঈদ ইবনু জুবায়ের হতে তিনি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। এতে বানোয়াটের চিহ্ন সুস্পষ্ট। তার সমস্যা হচ্ছে এই আব্দুর রহীম। তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক খাবীছ। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন, নিরাপদও নন। ইবনু হিব্বান (২/১৫২) বলেনঃ তিনি তার পিতা হতে আজব আজব বস্তু বর্ণনা করেছেন। যিনি হাদীছের গবেষক তিনি এ সবই যে তারই কারুকার্যকৃত বা উলট-পালটকৃত তাতে কোন প্রকার সন্দেহ করবেন না।





অতঃপর আমি হাদীছটি ইবনু আবী হাতিমের `আল-ইলাল` (১/২৫০) গ্রন্থে পেয়েছি, তিনি বলেনঃ এ হাদীছটি মুনকার। আব্দুর রহীম ইবনু যায়েদ মাতরূকুল হাদীছ।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (833)


` العبد المطيع لوالديه، والمطيع لرب العالمين في أعلى عليين `.
موضوع.
رواه الديلمي في ` مسند الفردوس ` من طريق أبي نعيم بسنده عن الخضر بن أبان: حدثنا إبراهيم بن هدبة عن أنس مرفوعا. قلت: وهذا سند موضوع، آفته إبراهيم هذا، فإنه كذاب مشهور.
والخضر بن أبان ضعفه الحاكم وغيره، ولهذا أورده السيوطي في ` ذيل الأحاديث الموضوعة ` (رقم




৮৩৩। পিতা-মাতার অনুগত বান্দা আর সারা জাহানের প্রতিপালকের অনুগত বান্দা জান্নাতের ইল্লীন নামক স্থানের সর্বোচ্চ জায়গায় স্থান পাবে।





হাদীছটি জাল।





এটি দাইলামী `মুসনাদুল ফিরদাউস` গ্রন্থে আবু নোয়াইমের সূত্রে তার সনদে খিযর ইবনু আবান হতে তিনি ইব্রাহীম ইবনু হুদবাহ হতে তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ সনদটি বানোয়াট। তার সমস্যা হচ্ছে এই ইবরাহীম। কারণ তিনি প্রসিদ্ধ মিথ্যুক।





আর খিযর ইবনু আবানকে হাকিম ও অন্য বিদ্বানগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। এ করণে সুয়ূতী `যালুল আহাদীছিল মাওষু'আহ` (নং ১১৪৬ গ্রন্থে এবং ইবনু ইরাক `তানযীহুশ শারীয়াহ` (কাফ ১/৪০৪) গ্রন্থে উল্লেখ করছেন। তা সত্ত্বেও সুয়ূতী `আল-জামেউস সাগীর` গ্রন্থেও দাইলামীর বর্ণনায় আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হাদীছটি উল্লেখ করেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (834)


` العنبر ليس بركاز، بل هو لمن وجده `.
موضوع.
رواه ابن النجار في ` الذيل ` (10 / 21 / 2) عن سلام الطويل عن إبراهيم بن (الأصل: ` عن ` وهو تحريف) إسماعيل بن مجمع عن أبي الزبير عن جابر مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد ساقط، إبراهيم بن إسماعيل ضعيف، لكن الآفة من سلام الطويل فإنه ضعيف جدا، بل قال ابن خراش: ` كذاب `. وقال ابن حبان والحاكم: ` روى أحاديث موضوعة `. قلت: فلهذا يستنكر على السيوطي إيراده لهذا الحديث في ` الجامع الصغير ` من رواية ابن النجار هذه: وبيض له المناوي فلم يتكلم عليه بشيء! فالظاهر أنه لم يقف على إسناده.
‌‌




৮৩৪। সুগন্ধি কোন ভূ-গর্ভস্থ খণি লয়, বরং যে ব্যক্তি পাবে তা তার জন্য।





হাদীছটি জাল।





ইবনুন নাজ্জার “আয-যায়েল” (১০/২১/২) গ্রন্থে সাল্লাম আত-তাবীল হতে তিনি ইবরাহীম ইবনু ইসমাঈল হতে তিনি আবুয যুবায়ের হতে তিনি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি সাকেত। ইবরাহীম ইবনু ইসমাঈল দুর্বল। তবে সমস্যাটা সাল্লাম আত-তাবীল হতে। কারণ তিনি নিতান্তই দুর্বল। বরং তার সম্পর্কে ইবনু খাররাশ বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইবনু হিব্বান ও হাকিম বলেনঃ তিনি বহু বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। এ জন্যই সুয়ূতী কর্তৃক হাদীছটি `আল-জামেউস সাগীর` গ্রন্থে উল্লেখ করাকে অপছন্দনীয় হিসাবে দেখা হচ্ছে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (835)


` الغيبة تنقض الوضوء والصلاة `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` أخبار أصبهان ` (2 / 279) وعنه الديلمي (2 / 325) عن سهل بن صقير الخلاطي: حدثنا إسماعيل بن يحيى بن عبد الله [عن] ابن أبي مليكة: حدثنا مالك بن أنس عن صفوان بن سليم عن ابن عمر مرفوعا.
قلت: هذا موضوع، آفته إسماعيل هذا، وهو أبو يحيى التيمي كذاب وضاع، قال الدارقطني: ` كان يكذب على مالك والثوري وغيرهما `. وقال الحاكم: ` روى عن مالك ومسعر وابن أبي ذئب أحاديث موضوعة `. وسهل بن صقير، قال الخطيب:
` يضع الحديث `. وقال ابن ماكولا: ` فيه ضعف `. والحديث مما سود به السيوطي ` الجامع الصغير ` فأورده فيه من رواية الديلمي عن ابن عمر، وعلق عليه المناوي بقوله: ` ورواه عنه أبو نعيم، وعنه تلقاه الديلمي، فإهمال
المصنف للأصل، واقتصاره على الفرع غير مرضي `. قلت: لقد انشغل المناوي بالقشر عن اللب، فسكت عن الحديث مع ظهور آفته، بل إنه ذكر ما يشعر بثبوته عنده فقال:
` تمسك بظاهره قوم من المتنسكين والعباد، فأو جبوا الوضوء من النطق المحرم، وهو غلولا يوافق عليه الجمهور، والحديث عندهم خرج مخرج الزجر عن الغيبة `. قلت: التأويل فرع التصحيح، فكيف هذا والحديث موضوع؟! ولوصح إسناده لكان أسعد الناس به أولئك المتنسكون. ولكن هذا من ثمرة الجهل بالأحاديث الضعيفة والموضوعة، فإن الجهال بها يشرعون في الدين ما ليس منه!
ثم رأيت في ` المشكاة ` (4873) من رواية البيهقي في ` الشعب ` عن ابن عباس: إن رجلين صليا صلاة الظهر أو العصر، وكانا صائمين، فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم الصلاة قال: أعيدوا وضوءكما وصلاتكما، وامضيا في صومكما، واقضياه يوما آخر، قالا: لم يا رسول الله؟ قال: اغتبتم فلانا `. ولم أقف على إسناده حتى الآن، وما أراه يصح.
‌‌




৮৩৫। গীবত উযু ও সালাত উভয়টিকেই নষ্ট করে ফেলে।





হাদীছটি জাল।





এটি আবু নোয়াইম `আখবাবু আসবাহান` (২/২৭৯) গ্রন্থে এবং তার থেকে দাইলামী (২/৩২৫) সাহাল ইবনু সুকায়ের আল-খালাতী হতে তিনি ইসমাঈল ইবনু ইয়াহইয়া হতে তিনি ইবনু আবী মুলায়কাহ হতে তিনি মালেক ইবনু আনাস হতে তিনি সাফওয়ান ইবনু সুলায়েম হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীছটি বানোয়াট। তার সমস্যা হচ্ছে এই ইসমাঈল। তিনি হচ্ছেন আবু ইয়াহইয়া আত-তামীমী, তিনি মিথ্যুক-জালকারী। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মালেক, ছাওরী ও অন্য বিদ্বানদের উপর মিথ্যারোপ করেছেন। হাকিম বলেনঃ তিনি মালেক, মুস'ইদ ও ইবনু আবী যিইব হতে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। সাহাল ইবনু সুকায়ের সম্পর্কে আল-খাতীব বলেনঃ তিনি হাদীছ জালকারী। ইবনু মাকুলা বলেছেনঃ তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে।





হাদীছটি সুয়ূতী `আল-জামেউস সাগীর` গ্রন্থে উল্লেখ করে গ্রন্থটিকে কলিমলিপ্ত করেছেন।





মিশকাতের মধ্যে (৪৮৭৩) বাইহাকী কর্তৃক “আশ-শু'আব” গ্রন্থের বর্ণনায় ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত একটি হাদীছ দেখেছি তাতে বলা হয়েছেঃ দু' ব্যক্তি যোহরের অথবা আসরের সালাত আদায় করলো এমতাবস্থায় যে, তারা উভয়ে সওম পালনকারী ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তার সালাত শেষ করলেন, তখন বললেনঃ তোমরা দু'জন তোমাদের উযূ এবং সালাত পূনরায় আদায় করো। আর তোমাদের সওমকে অব্যাহত রাখো, তবে তার স্থলে আরেকদিন আদায় করবে। তারা দু’জন বললোঃ কেন হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমরা উমুক ব্যক্তির গীবত করেছ।





এখন পর্যন্ত এটির কোন সনদ সম্পর্কে অবহিত হইনি। আমি ধারণা রাখিনা যে, এটি সহীহ ।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (836)


` لرباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من غير شهر رمضان أعظم أجرا من عبادة مائة سنة صيامها وقيامها، ورباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من شهر رمضان أفضل عند الله وأعظم أجرا - أراه قال - من عبادة ألف سنة صيامها وقيامها، فإن رده الله إلى أهله سالما لم تكتب عليه سيئة ألف سنة، وتكتب له الحسنات، ويجرى له أجر الرباط إلى يوم القيامة `.
موضوع.
رواه ابن ماجة (2 / 175) عن محمد بن يعلى السلمي: حدثنا عمر بن صبيح عن عبد الرحمن بن عمرو عن مكحول عن أبي بن كعب مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد موضوع، والمتهم به ابن صبيح هذا، قال الذهبي: ` ليس بثقة ولا مأمون، قال ابن حبان: كان ممن يضع الحديث، وقال الأزدي: كذاب `. والراوي عنه محمد بن يعلى السلمي ضعيف جدا.
ثم هو منقطع بين مكحول وأبي، وقد قال الحافظ المنذري في ` الترغيب ` (2 / 151) بعد أن عزاه لابن ماجه: ` وآثار الوضع ظاهرة عليه، ولا عجب فراويه عمر بن صبيح الخراساني، ولولا أنه في الأصول لما ذكرته `.
ونقل أبو الحسن السندي في ` حاشيته على ابن ماجه ` عن الحافظ ابن كثير أنه قال: ` أخلق بهذا الحديث أن يكون موضوعا، لما فيه من المجازفة، ولأنه من رواية عمر بن صبيح أحد الكذابين المعروفين بوضع الحديث `.
‌‌




৮৩৬। রামাযান ছাড়া অন্য কোন মাসে ছাওয়াবের আশায় মুসলিমদের ইজ্জত রক্ষায় আল্লাহর রাস্তায় একদিন নিজেকে জড়িত রাখা সওম ও কিয়াম সহ একশত বছরের ইবাদাতের চেয়েও বেশী বড় ছাওয়াব। রামাযান মাসে ছাওয়াবের আশায় মুসলিমদের ইজ্জত রক্ষায় আল্লাহর রাস্তায় একদিন নিজেকে জড়িত রাখা —আমার ধারণ তিনি বলেন- সওম ও কিয়াম সহ এক হাজার বছরের ইবাদাতের চেয়েও আল্লাহর নিকট বেশী উত্তম ও বেশী বড় ছাওয়াব। তাকে যদি আল্লাহ তা'আলা তার পরিবারের নিকট নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন, তাহলে তার উপর এক হাজার বছরের গুনাহ লিখা হবে না। আর তার জন্য বহু ছাওয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে। আর তার জন্য কিয়ামত দিবস পর্যন্ত আল্লাহর পথে জড়িত থাকার ছাওয়াব প্রাপ্তি অব্যাহত থাকবে।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনু মাজাহ (২/১৭৫) মুহাম্মাদ ইবনু ইয়ালা আস-সুলামী হতে তিনি উমার ইবনু সাবীহ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু আমর হতে তিনি মাকহুল হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। এই ইবনু সাবীহ জাল করার দোষে দোষী। হাফিয যাহাৰী বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যও নন, নিরাপদও নন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি হাদীছ জালকারীদের অন্তর্ভুক্ত। আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। তার থেকে বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু ইয়ালা আস-সুলামী বলেনঃ তিনি খুবই দুর্বল।





তাছাড়া মাকহুল এবং উবাইয়ের মধ্যে সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। হাফিয মুনযের `আত-তারগীব` (২/১৫১) গ্রন্থে বলেনঃ বানোয়াটের আলামত সুস্পষ্ট। তাতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। কারণ, বর্ণনাকারী হচ্ছেন উমর ইবনু সাবীহ আল-খুরাসানী।





ইবনু কাছীর বলেনঃ তিনি হাদীছ জলকারী প্রসিদ্ধ মিথ্যুকদের একজন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (837)


10090) ، فإنه
قال عقب الحديث:
` وروي عنه موقوفا، وهو أصح `.
فأوهم أن لفظ الموقوف مثل لفظ المرفوع، وليس كذلك كما سبق.
‌‌




৮৩৭। যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করার দ্বারা বাদশাকে সন্তুষ্ট করবে, সে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীন হতে বেরিয়ে গেল।





হাদীছটি জাল।





এটি আবু নোয়াইম `আল-আখবার` (২/৩৪৮) গ্রন্থে, হাকিম (৪/১০৪) এবং যিয়া `আল-মুনতাকা মিন মাসমূয়াতিহি বেমারু` (১/৯৯) গ্রন্থে আম্বাসাহ ইবনু আবদির রহমান আল-কুরাশী হতে তিনি ইলাক ইবনু আবী মুসলিম হতে তিনি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





হাকিম বলেনঃ ইলাক ইবনু আবী মুসলিম হাদীছটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তার নিকট পর্যন্ত বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য! হাফিয যাহাবী তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন মানবীও তার অনুসরণ করেছেন। এটি তাদের সকলের মারাত্মক ভুল। বিশেষ করে যাহাবীর। কারণ তিনি `আল-মীযান` গ্রন্থে আম্বাসাহকে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেনঃ মুহাদ্দিছগণ তাকে পরিত্যাগ করেছেন। তিরমিযী বুখারী হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ তিনি যাহেবুল হাদীছ। আবু হাতিম বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন। ইবনু হিব্বান (২/১৬৮) বলেনঃ তিনি কতিপয় বানোয়াট হাদীছের অধিকারী তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা হালাল নয়।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইলাক ইবনু আবী মুসলিম হতে এই আম্বাসাহ ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। তিনি মাজহুলুল আ'ঈন। তার মাজহুল হওয়ার ব্যাপারটি হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাহযীব` এবং `আত-তাকরীব` গ্রন্থে স্পষ্টভাবে বলেছেন।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (838)


` من أدرك رمضان، وعليه من رمضان شيء لم يقضه، لم يتقبل منه، ومن صام تطوعا وعليه من رمضان شيء لم يقضه، فإنه لا يتقبل منه حتى يصومه `.
ضعيف.

أخرجه أحمد (2 / 352) : حدثنا حسن: حدثنا ابن لهيعة: حدثنا أبو الأسود عن عبد الله بن رافع عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.
وأخرج الشطر الأول منه الطبراني في ` الأوسط ` (99 / 2) من طريق عبد الله بن يوسف: حدثنا ابن لهيعة به. وقال: ` لا يروى عن أبي هريرة إلا بهذا الإسناد، تفرد به ابن لهيعة `. قلت: وهو سيء الحفظ، وقد اضطرب في إسناده ومتنه، أما السند، فرواه حسن وعبد الله بن يوسف عنه كما ذكرنا. وتابعهما جماعة كما يأتي.
وخالفهم ابن وهب فقال: عنه عن أبي الأسود عن عبد الله بن أبي رافع مولى أم سلمة عنه. وابن المبارك فقال عنه.... عن عبد الله عن أبي هريرة. وخالف الجماعة عمرو بن خالد عنه فأوقفه! قال ابن أبي حاتم في ` العلل ` (1 / 259) : ` سئل أبو زرعة عن حديث رواه ابن لهيعة، فاختلف على ابن لهيعة، رواه عبد الله بن وهب عن ابن لهيعة عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل الأسدي أبي الأسود فقال: عن عبد الله بن أبي رافع مولى أم سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال … (فذكره) .
ورواه عبد الله بن عبد الحكم، وسعيد بن الحكم بن أبي مريم وعمرو بن خالد الحراني وأبو صالح كاتب الليث والنضر بن عبد الجبار عن ابن لهيعة عن أبي الأسود عن عبد الله بن رافع عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم، إلا عمرو بن خالد فإنه أوقفه ولم يرفعه.
ورفع الباقون الحديث إلى النبي صلى الله عليه وسلم ورواه ابن المبارك فقال: أخبرنا عبد الله بن عقبة - نسب ابن لهيعة إلى جده، لأن ابن لهيعة هو عبد الله بن لهيعة بن عقبة - عن أبي الأسود عن عبد الله عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم، ولم ينسب عبد الله. فقال أبو زرعة: الصحيح عبد الله بن رافع عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم `.
قلت: ويتلخص من ذلك أن ابن لهيعة كان يضطرب فيه على وجوه، فتارة يسمي تابعي الحديث عبد الله بن أبي رافع. وتارة يسميه عبد الله بن رافع. وتارة: عبد الله، لا ينسبه. وتارة يرفع الحديث، وتارة يوقفه. والاضطراب علامة على أن الراوي لم يضبط حفظ الحديث.
ولذلك كان المضطرب من أقسام الحديث الضعيف في ` علم المصطلح `. ولا يقال: لعل هذا الإضطراب من الرواة عن ابن لهيعة، لا منه. لأننا نقول: هذا مردود لأنهم جميعا ثقات، وفيهم عبد الله بن وهب وعبد الله بن المبارك، وهما ممن سمعا من ابن لهيعة قبل احتراق كتبه، فذلك يدل على أن الاضطراب منه، وأنه قديم لم يعرض له بعد احتراق الكتب، والله أعلم.
وإن مما يؤكد ضعف الحديث ما رواه البيهقي (4 / 253) عن عبد الوهاب ابن عطاء: سئل سعيد - هو ابن أبي عروبة - عن رجل تتابع عليه رمضانان وفرط فيما بينهما؟ فأخبرنا عن قتادة عن
صالح أبي الخليل عن مجاهد عن أبي هريرة أنه قال: ` يصوم الذي حضر، ويقضي الآخر، ويطعم لكل يوم مسكينا `. وإسناده صحيح. ورواه من طرق أخرى عن عطاء به. ثم قال: ` وروى هذا الحديث إبراهيم بن نافع الجلاب عن عمر بن موسى بن وجيه عن الحكم
عن مجاهد عن أبي هريرة مرفوعا. وليس بشيء، إبراهيم وعمر متروكان. وروينا عن ابن عمر وأبي هريرة في الذي لم يصم حتى أدركه رمضان آخر؟ يطعم ولا قضاء عليه. وعن الحسن وطاووس والنخعي، يقضي ولا كفارة عليه. وبه نقول، لقوله تعالى: (فعدة من أيام أخر) `.
قلت: فلوكان هذا الحديث عند أبي هريرة مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم لم يقل بالقضاء، لأنه يتنافى مع قوله فيه ` لم يتقبل منه `. وهذا ظاهر بين. والله أعلم.
ومن هذا التحقيق يتبين لك ما هو الصواب في قول الهيثمي في ` المجمع ` (3 / 179) : رواه أحمد والطبراني في ` الأوسط ` باختصار، وهو حديث حسن `.
وقوله في مكان آخر (3 / 149) عقب رواية الطبراني: ` رواه الطبراني في ` الأوسط ` وأحمد أطول منه، وفيه ابن لهيعة وحديثه حسن، وفيه كلام، وبقية رجاله رجال الصحيح `!
‌‌




৮৩৮। যে ব্যক্তি রামাযান পেল এমতাবস্থায় যে, তার উপর বিগত রমযানের কিছু সওম রয়ে গেছে যা সে আদায় করেনি, তার থেকে কিছু কবুল করা হবে না। আর যে ব্যক্তি নফল সওম করবে এমতাবস্থায় যে, তার উপর বিগত রমযানের কিছু সওম অবশিষ্ট রয়ে গেছে যা সে আদায় করেনি, তার সেই সওমকে আদায় না পর্যন্ত তার থেকে কিছু কবুল করা হবে না।





হাদীছটি দুর্বল।





এটি-ইমাম আহমাদ (২/৩৫২) হাসান হতে তিনি ইবনু লাহীয়াহ হতে তিনি আবুল আসওয়াদ হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু রাফে' হতে ... বর্ণনা করেছেন।





হাদীছটির প্রথম অংশটি তাবারানী `আল-আওসাত` (২/৯৯) গ্রন্থে আব্দুল্লাহ ইবনু ইউসুফ সূত্রে ইবনু লাহীয়াহ হতে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ হাদীছটি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এ সনদে একমাত্র ইবনু লাহীয়াহ বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ তার মুখস্থ বিদ্যায় ক্রটি ছিল। তার সনদ ও মতনে ইযতিরাব ঘটেছে।





সনদের ইযতিরাবঃ হাসান ও আব্দুল্লাহ ইবনু ইউসুফ তার থেকে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে সেরূপ বর্ণনা করেছেন। তাদের দু'জনের একদল মুতাবায়াতও করেছেন। আর ইবনু ওয়াহাব তাদের বিরোধিতা করেছেন।





মোটকথাঃ ইবনু লাহীয়াহ হতেই বিভিন্নভাবে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। একবার বলেছেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আবী রাফে', আরেকবার আব্দুল্লাহ ইবনু রাফে', আবার বলেছেনঃ আব্দুল্লাহ। একবার হাদীছটিকে মারফু' হিসাবে উল্লেখ করেছেন, আবার মওকুফ হিসাবে। এই ইযতিরাবই প্রমাণ করে যে, বর্ণনাকারীর হেফযে ক্রটি ছিল। আর এ কারণেই ইযতিরাব দুর্বল হাদীছের একটি প্রকার। এ ছাড়া সহীহ হাদীছে এর বিপরীত বর্ণনা এসেছে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (839)


` من أسبغ الوضوء في البرد الشديد كان له من الأجر كفلان `.
ضعيف جدا.
رواه الطبراني في ` الأوسط ` (3 / 1) عن إبراهيم بن موسى البصري: حدثنا أبو حفص العبدي عن علي بن زيد عن سعيد بن المسيب عن علي مرفوعا. وقال: لم يرو هـ عن علي بن زيد إلا أبو حفص، واسمه عمر بن حفص `.
قلت: قال أحمد: ` تركنا حديثه وحرقناه `. وقال علي: ` ليس بثقة `.
وقال النسائي: ` متروك `. والحديث أورده الهيثمي في المجمع ` (1 / 237) من رواية الطبراني هذه وقال: ` وفيه عمر بن حفص العبدي وهو متروك `. قلت: وعلي بن زيد وهو ابن جدعان ضعيف. وإبراهيم بن موسى البصري لم أعرفه، ولعله من أولئك الرواة الذين رووا عن العبدي وقال فيهم أبو زرعة الرازي وقد سئل عن العبدي: ` واهي الحديث، لا أعلم حدث عنه كبير أحد، إلا من لا يدري الحديث `. رواه الخطيب في ` تاريخه ` (11 / 194) ، ولم يرد في ` الميزان `، ولا في ` اللسان `! وقد توبع العبدي ممن هو أسوأ منه حالا بزيادة في متنه وهو الآتي:
‌‌




৮৩৯। যে ব্যক্তি প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে পূর্ণ করে উযু করবে, তার দ্বিগুণ ছাওয়াব হবে।





হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।





এটি তাবারানী “আল-আওসাত” (১/৩) গ্রন্থে ইবরাহীম ইবনু মূসা আল-বাসরী হতে তিনি আবূ হাফস আল-আবাদী হতে তিনি আলী ইবনু যায়েদ হতে তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব হতে তিনি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন।





অতঃপর বলেছেনঃ আলী ইবনু যায়েদ হতে একমাত্র আবু হাফস (উমার ইবনু হাফস) বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ ইমাম আহমাদ বলেনঃ তার হাদীছ আমরা পরিত্যাগ করেছি, এবং পুড়িয়ে ফেলেছি। আলী বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। নাসাঈ বলেনঃ তিনি মাতরূক।





হাদীছটি হায়ছামী `আল-মাজমা` (১/২৩৭) গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তাতে উমার ইবনু হাফস আল-আবাদী রয়েছেন-তিনি মাতরুক।





আমি (আলবানী) বলছিঃ বর্ণনাকারী আলী ইবনু যায়েদ ইবনে জাদ'আন দুর্বল। আর ইবরাহীম ইবনু মূসাকে আমি চিনি না। আল-আবাদী সম্পর্কে আবু যুর'আহকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেনঃ তিনি হাদীছের ক্ষেত্রে দুর্বল। যে ব্যক্তি হাদীছ চিনে না সেই তার থেকে বর্ণনা করেছে।











সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ (840)


` من أسبغ الوضوء في البرد الشديد كان له من الأجر كفلان، ومن أسبغ الوضوء في الحر الشديد كان له من الأجر كفل `.
موضوع.
رواه ابن النجار (10 / 209 / 2) عن محمد بن الفضل عن علي بن زيد قال: سمعت سعيد بن المسيب يحدث عن علي رضي الله عنه مرفوعا.
قلت: هذا سند واه بمرة، علي بن زيد هو ابن جدعان وهو ضعيف كما سبق. ومحمد بن الفضل هو ابن عطية المروزي وهو كذاب. وقد تابعه على الشطر الأول منه عمر بن حفص العبدي عن علي بن زيد به. قلت: وهو متروك كما تقدم آنفا مع تخريجه.
‌‌




৮৪০। যে ব্যক্তি প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে পূর্ণ করে উযু করবে, তার দ্বিগুণ ছাওয়াব হবে। আর যে ব্যক্তি প্রচণ্ড গরমের মধ্যে পূর্ণ করে উযু করবে, তার একগুণ ছাওয়াব হবে।





হাদীছটি জাল।





এটি ইবনুন নাজ্জার (১০/২০৯/২) মুহাম্মাদ ইবনুল ফাযল হতে তিনি আলী ইবনু যায়েদ হতে তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব হতে ... বর্ণনা করেছেন।





আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি একেবারে দুর্বল। আলী ইবনু যায়েদ দুর্বল। যেমনটি পূর্বে তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মুহাম্মদ ইবনুল ফাযল হচ্ছেন ইবনু আতিয়াহ আল-মারওয়ায়ী- তিনি মিথ্যুক। উমর ইবনু হাফস আল-আবাদী আলী ইবনু যায়েদ হতে প্রথম অংশে তার মুতাবা'য়াত করেছেন। কিন্তু তিনি মাতরূক।