হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (521)


حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : " ثَلاثٌ كُلُّهُنَّ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ : عِيَادَةُ الْمَرِيضِ ، وَشُهُودُ الْجَنَازَةِ ، وَتَشْمِيتُ الْعَاطِسِ إِذَا حَمِدَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ " .




৫২১। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিনটি বিষয়, তার প্রতিটিই প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অবশ্য করণীয়। রুগ্নকে দেখতে যাওয়া, জানাযায় অংশগ্রহণ করা এবং যে ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করে তার জবাব দেয়া (ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা) (ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (522)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَيُّوبُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : حَدَّثَنِي ثَلاثَةٌ مِنْ بَنِي سَعْدٍ ، كُلُّهُمْ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، دَخَلَ عَلَى سَعْدٍ يَعُودُهُ بِمَكَّةَ ، فَبَكَى ، فَقَالَ : مَا يُبْكِيكَ ؟ قَالَ : خَشِيتُ أَنْ أَمُوتَ بِالأَرْضِ الَّتِي هَاجَرْتُ مِنْهَا كَمَا مَاتَ سَعْدٌ ، قَالَ : اللَّهُمَّ اشْفِ سَعْدًا ، ثَلاثًا ، فَقَالَ : لِي مَالٌ كَثِيرٌ ، يَرِثُنِي ابْنَتَيْ ، أَفَأُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ ؟ قَالَ : لا ، قَالَ : فَبِالثُّلُثَيْنِ ؟ قَالَ : لا ، قَالَ : فَالنِّصْفُ ؟ قَالَ : لا ، قَالَ : فَالثُّلُثُ ؟ قَالَ : الثُّلُثُ ، وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ، إِنَّ صَدَقَتَكَ مِنْ مَالِكَ صَدَقَةٌ ، وَنَفَقَتَكَ عَلَى عِيَالِكَ صَدَقَةٌ ، وَمَا تَأْكُلُ امْرَأَتُكَ مِنْ طَعَامِكَ لَكَ صَدَقَةٌ ، وَإِنَّكَ أَنْ تَدَعَ أَهْلَكَ بِخَيْرٍ ، أَوْ قَالَ : بِعَيْشٍ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَدَعَهُمْ يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ ، وَقَالَ بِيَدِهِ " .




৫২২। হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর গোত্রের তিনজন নিজ নিজ পিতার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় রোগাক্রান্ত সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখতে গেলেন। সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কেঁদে দিলেন। তিনি বলেন, তোমাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তিনি বলেন, আমার আশংকা যে, আমি যে স্থান থেকে হিজরত করেছি, সাদ ইবনে খাওলার মত সেই স্থানেই বুঝি মারা যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আল্লাহ! সাদকে আরোগ্য দান করুন। তিনি তিনবার দোয়া করলেন। সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার প্রচুর সম্পদ আছে এবং আমার একমাত্র কন্যা আমার ওয়ারিস। আমি কি আমার সমস্ত সম্পদ ওসিয়াত করতে পারি? তিনি বলেনঃ না। সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তবে দুই-তৃতীয়াংশ? তিনি বলেনঃ না। সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তবে অর্ধেক? তিনি বলেনঃ না। সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তবে এক-তৃতীয়াংশ? তিনি বলেনঃ এক-তৃতীয়াংশ, তবে এক-তৃতীয়াংশও অনেক। নিশ্চয় তোমার মালের যাকাতও দানরূপে গণ্য। তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য তুমি যা খরচ করো তাও দানরূপে গণ্য। তোমার স্ত্রী তোমার খাদ্য থেকে যা আহার করে তাও তোমার জন্য দানরূপে গণ্য। তোমার পরিবার-পরিজনকে তোমার সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাওয়া, তাদেরকে দ্বারে দ্বারে হাত পেতে বেড়ানোর মত অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম, (একথা বলে) তিনি হাত দ্বারা ইঙ্গিত করেন (মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (523)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَاصِمٌ ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ ، قَالَ : " مَنْ عَادَ أَخَاهُ كَانَ فِي خُرْفَةِ الْجَنَّةِ ، قُلْتُ لأَبِي قِلابَةَ : مَا خُرْفَةُ الْجَنَّةِ ؟ قَالَ : جَنَاهَا ، قُلْتُ لأَبِي قِلابَةَ : عَنْ مَنْ حَدَّثَهُ أَبُو أَسْمَاءَ ؟ قَالَ : عَنْ ثَوْبَانَ ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




৫২৩। আবু আসমা (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তার রুগ্ন ভাইকে দেখতে যায়, সে বেহেশতের খুরফার মধ্যে থাকে। আমি আবু কিলাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম, বেহেশতের খুরফা কি? তিনি বলেন, বেহেশতের কুড়ানো ফল। আমি আবু কিলাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, আবু আসমা এই হাদীস কার সূত্রে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেন, সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে। (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (524)


حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ حَفْصٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي أَبِي ، أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ حَزْمٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ ، فِي نَاسٍ مِنْ أَهْلِ الْمَسْجِدِ ، عَادُوا عُمَرَ بْنَ الْحَكَمِ بْنِ رَافِعٍ الأَنْصَارِيَّ ، قَالُوا : يَا أَبَا حَفْصٍ ، حَدِّثْنَا ، قَالَ : سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، يَقُولُ : " مَنْ عَادَ مَرِيضًا خَاضَ فِي الرَّحْمَةِ ، حَتَّى إِذَا قَعَدَ اسْتَقَرَّ فِيهَا




৫২৪। আবদুল হামীদ ইবনে জাফর (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আমাকে অবহিত করেন যে, আবু বাকর ইবনে হাযম ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) মসজিদের কতক লোকসহ অসুস্থ উমার ইবনে হাকাম ইবনে রাফে আনসারীকে দেখতে গেলেন। তারা বলেন, হে আবু হাফস! আমাদেরকে হাদীস শুনান। তিনি বলেন, আমি জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে যায়, সে রহমতের মধ্যে ডুব দেয়, এমনকি সে যখন সেখানে বসে পড়ে, তখন তো রহমতের মধ্যেই অবস্থান করে। (মুয়াত্তা মালিক, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, বাযযার)









আল-আদাবুল মুফরাদ (525)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " عَادَ ابْنُ عُمَرَ ابْنَ صَفْوَانَ ، فَحَضَرَتِ الصَّلاةُ ، فَصَلَّى بِهِمُ ابْنُ عُمَرَ رَكْعَتَيْنِ ، وَقَالَ : إِنَّا سَفْرٌ




৫২৫। আতা (রহঃ) বলেন, উমার ইবনে সাফওয়ান (রহঃ) আমার রুগ্ন অবস্থায় আমাকে দেখতে এলেন। নামাযের ওয়াক্ত হয়ে গেলে ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদেরকে নিয়ে দুই রাকাআত নামায পড়েন এবং বলেন, আমরা সফরে আছি।









আল-আদাবুল মুফরাদ (526)


دَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، " أَنَّ غُلامًا مِنَ الْيَهُودِ كَانَ يَخْدُمُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَرِضَ ، فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُهُ ، فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، فَقَالَ : أَسْلِمْ ، فَنَظَرَ إِلَى أَبِيهِ ، وَهُوَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، فَقَالَ لَهُ : أَطِعْ أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَأَسْلَمَ ، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، وَهُوَ يَقُولُ : الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْقَذَهُ مِنَ النَّارِ




৫২৬। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। এক ইহুদী বালক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমত করতো। সে অসুস্থ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখতে যান। তিনি তার শিয়রে বসে বলেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ করো। সে তার শিয়রে বসা তার পিতার দিকে তাকালো। সে তাকে বললো, আবুল কাসিমের অনুসরণ করো। ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা বলতে বলতে বেরিয়ে এলেনঃ ”সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি তাকে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা করেছেন”। (বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (527)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، أَنَّهَا قَالَتْ : " لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وُعِكَ أَبُو بَكْرٍ وَبِلالٌ ، قَالَتْ : فَدَخَلْتُ عَلَيْهِمَا ، قُلْتُ : يَا أَبَتَاهُ ، كَيْفَ تَجِدُكَ ؟ وَيَا بِلالُ ، كَيْفَ تَجِدُكَ ؟ قَالَ : وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ ، إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمَّى ، يَقُولُ : كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ ، وَكَانَ بِلالٌ إِذَا أُقْلِعَ عَنْهُ ، يَرْفَعُ عَقِيرَتَهُ ، فَيَقُولُ : أَلا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ ، وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجَنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ ، قَالَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا : فَجِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرْتُهُ ، فَقَالَ : اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ ، وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا ، وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ " .




৫২৭। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরত করে) মদীনায় আসলে আবু বাকর ও বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখনই জ্বরে আক্রান্ত হতেন তখনই একটি কবিতাংশ আবৃত্তি করে বলতেন,

”প্রত্যেক ব্যক্তিই তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী”।

আর বিলালের যখন জ্বর ছেড়ে যেতো তখন উচ্চ স্বরে এ কবিতাংশ আবৃত্তি করতেন, ”আহ! কতই না ভালো হতো যদি আমি কবিতা বলতে পারতাম। আহ! যদি আমি মক্কার প্রান্তরে একটি রাত কাটাতে পারতাম যেখানে আমার চারিদিকে ইযখির ও জালিল ঘাস থাকতো। আহ! একদিন যদি মুজেন্নার প্রান্তরে ঝর্ণার পানি পান করতে পারতাম এবং শামা ও তাফিল পাহাড়ের পাদদেশে যেতে পারতাম”।

আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে একথা জানালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করলেনঃ ”হে আল্লাহ! মক্কার প্রতি আমাদের যেমন মহব্বত, মদীনার প্রতিও তেমন অথবা তার চাইতেও বেশী মহব্বত আমাদের মধ্যে সৃষ্টি করে দাও। হে আল্লাহ আমাদের সা’ ও মুদে বরকত দান করো”।









আল-আদাবুল মুফরাদ (528)


حَدَّثَنَا مُعَلَّى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدٌ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، " أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، دَخَلَ عَلَى أَعْرَابِيٍّ يَعُودُهُ ، قَالَ : وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ عَلَى مَرِيضٍ يَعُودُهُ ، قَالَ : لا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ، قَالَ : ذَاكَ طَهُورٌ ، كَلا بَلْ هِيَ حُمَّى تَفُورُ أَوْ تَثُورُ عَلَى شَيْخٍ كَبِيرٍ ، تُزِيرُهُ الْقُبُورَ ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : فَنَعَمْ إِذًا




৫২৮। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রুগ্ন বেদুইনকে দেখতে গেলেন। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে বলতেনঃ ক্ষতি হবে না, ইনশাআল্লাহ পাক-পবিত্র হয়ে যাবে। সে বললো, তা কি পবিত্র? কখনো নয়, বরং তা তো এক প্রবীণ বৃদ্ধের উপর আপতিত টগবগে জ্বর। তা তাকে কবরে নিয়ে ছাড়বে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তা তো আরো উত্তম। (বুখারী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (529)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، عَنْ حَرْمَلَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْقُرَشِيِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : " كَانَ ابْنُ عُمَرَ ، إِذَا دَخَلَ عَلَى مَرِيضٍ ، يَسْأَلُهُ : كَيْفَ هُوَ ؟ فَإِذَا قَامَ مِنْ عِنْدِهِ ، قَالَ : خَارَ اللَّهُ لَكَ ، وَلَمْ يَزِدْهُ عَلَيْهِ




৫২৯। নাফে (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রুগ্ন ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করতেন যে, সে কেমন আছে? আর তিনি তার নিকট থেকে বিদায়কালে বলতেন, আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুন। তিনি এর অধিক কিছু বলতেন না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (530)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : " دَخَلَ الْحَجَّاجُ عَلَى ابْنِ عُمَرَ ، وَأَنَا عِنْدَهُ ، فَقَالَ : كَيْفَ هُوَ ؟ قَالَ : صَالِحٌ ، قَالَ : مَنْ أَصَابَكَ ؟ قَالَ : أَصَابَنِي مَنْ أَمَرَ بِحَمْلِ السِّلاحِ فِي يَوْمٍ لا يَحِلُّ فِيهِ حَمْلُهُ ، يَعْنِي : الْحَجَّاجَ




৫৩০। ইসহাক ইবনে সাঈদ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। হাজ্জাজ ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট প্রবেশ করলো। আমি তখন তার নিকট উপস্থিত ছিলাম। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, তিনি কেমন আছেন? তিনি বলেন, ভালো। হাজ্জাজ জিজ্ঞেস করলো, কে আপনাকে কষ্ট দিলো? তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এমন দিনে অস্ত্ৰধারণ করতে আদেশ করেছিল, যেদিন অস্ত্ৰধারণ করা নিষিদ্ধ অর্থাৎ স্বয়ং হাজ্জাজ। (বুখারী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (531)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ زَحْرٍ ، عَنْ حِبَّانَ بْنِ أَبِي جَبَلَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، قَالَ : " لا تَعُودُوا شُرَّابَ الْخَمْرِ إِذَا مَرِضُوا




৫৩১। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মদ্যপ রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাকে দেখতে যেও না (বুখারী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (532)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ ، هُوَ ابْنُ مُسْلِمٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ عُبَيْد اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ ، قَالَ : " رَأَيْتُ أُمَّ الدَّرْدَاءِ ، عَلَى رِحَالِهَا أَعْوَادٌ لَيْسَ عَلَيْهَا غِشَاءٌ ، عَائِدَةً لِرَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْمَسْجِدِ مِنَ الأَنْصَارِ




৫৩২। হারিস ইবনে উবায়দুল্লাহ আনসারী (রহঃ) বলেন, আমি উম্মু দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে একটি অনাবৃত উটে চড়ে মসজিদবাসী এক অসুস্থ আনসারীকে দেখতে যেতে দেখেছি (বুখারীর তারীখ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (533)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ ، عَنِ الأَجْلَحِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْهُذَيْلِ ، قَالَ : " دَخَلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ عَلَى مَرِيضٍ يَعُودُهُ ، وَمَعَهُ قَوْمٌ ، وَفِي الْبَيْتِ امْرَأَةٌ ، فَجَعَلَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ يَنْظُرُ إِلَى الْمَرْأَةِ ، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ : لَوِ انْفَقَأَتْ عَيْنُكَ كَانَ خَيْرًا لَكَ




৫৩৩। আবদুল্লাহ ইবনে আবুল হুযাইল (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একদল লোকসহ এক রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন। ঘরের মধ্যে ছিল এক মহিলা। দলের এক ব্যক্তি সেই নারীর দিকে তাকাতে থাকে। আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বলেন, যদি তোমার চোখ ফুড়ে দেয়া হতো তবে তা তোমার জন্য উত্তম হতো।









আল-আদাবুল মুফরাদ (534)


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، قَالَ : سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ ، يَقُولُ : " رَمِدَتْ عَيْنِي ، فَعَادَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ قَالَ : يَا زَيْدُ ، لَوْ أَنَّ عَيْنَكَ لَمَّا بِهَا كَيْفَ كُنْتَ تَصْنَعُ ؟ قَالَ : كُنْتُ أَصْبِرُ وَأَحْتَسِبُ ، قَالَ : لَوْ أَنَّ عَيْنَكَ لَمَّا بِهَا ، ثُمَّ صَبَرْتَ وَاحْتَسَبْتَ كَانَ ثَوَابُكَ الْجَنَّةَ




৫৩৪। আবু ইসহাক (রহঃ) বলেন, আমি যায়েদ ইবনে আরকাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আমার চক্ষুরোগ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এলেন, অতঃপর বলেনঃ হে যায়েদ! এভাবে তোমার চক্ষুরোগ অব্যাহত থাকলে তুমি কি করবে? তিনি বলেন, আমি সবর করবো এবং সওয়াবের আশা করবো। তিনি বলেনঃ তোমার চক্ষুরোগ অব্যাহত থাকলে এবং তুমি তাতে সবর করলে ও সওয়াবের আশা করলে তুমি তার বিনিময়ে জান্নাত লাভ করবে (আবু দাউদ, আহমাদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (535)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادٌ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، أَنَّ رَجُلا مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ ذَهَبَ بَصَرُهُ ، فَعَادُوهُ ، فَقَالَ : كُنْتُ أُرِيدُهُمَا لأَنْظُرَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَأَمَّا إِذْ قُبِضَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَوَاللَّهِ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ مَا بِهِمَا بِظَبْيٍ مِنْ ظِبَاءِ تَبَالَةَ




৫৩৫। কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবীর দৃষ্টিশক্তি লোপ পেলে একজন তাকে দেখতে গেলো। তিনি বলেন, আমি তো চেয়েছিলাম যে, এই দুই চোখ ভরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবশ্যই দেখবো। এখন যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, আল্লাহর শপথ! হরিণসমূহের মধ্যকার সৌন্দর্যময় হরিণ দেখেও আমি আর আনন্দিত হবো না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (536)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ وَابْنُ يُوسُفَ ، قَالا : حَدَّثَنَا اللَّيْثُ ، قَالَ : حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ الْهَادِ ، عَنْ عَمْرٍو مَوْلَى الْمُطَّلِبِ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، يَقُولُ : " قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : إِذَا ابْتَلَيْتُهُ بِحَبِيبَتَيْهِ يُرِيدُ عَيْنَيْهِ ، ثُمَّ صَبَرَ عَوَّضْتُهُ الْجَنَّةَ




৫৩৬। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মহামহিম আল্লাহ বলেছেন, যখন আমি আমার বান্দাকে তার প্রিয় বস্তু দুইটির পরীক্ষায় (চক্ষুদ্বয়ের জ্যোতিলোপ) ফেলেছি এবং সে ধৈর্য ধারণ করেছে, বিনিময়ে আমি তাকে জান্নাত দান করলাম। (বুখারী, তিরমিযী, আহমাদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (537)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا خَطَّابٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عَجْلانَ ، وَإِسْحَاقَ بْنِ يَزِيدَ ، قَالا : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ، قَالَ : حَدَّثَنِي ثَابِتٌ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَقُولُ اللَّهُ : " يَا ابْنَ آدَمَ ، إِذَا أَخَذْتُ كَرِيمَتَيْكَ ، فَصَبَرْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ وَاحْتَسَبْتَ ، لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ




৫৩৭। আবু উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে আদম সন্তান! আমি যখন তোমার প্রিয় জিনিস দু’টি নিয়ে নেই (চোখের জ্যোতি হরণ করি) এবং তুমি সে বিপদে ধৈর্য ধারণ করো ও সওয়াবের আশা করো, আমি তোমাকে সওয়াবের পরিবর্তে জান্নাত না দেয়া পর্যন্ত খুশি হই না। (বুখারী, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (538)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي عَمْرٌو ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِي الْمِنْهَالُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : " كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَادَ الْمَرِيضَ جَلَسَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، ثُمَّ قَالَ سَبْعَ مِرَارٍ : أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظِيمَ ، رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ، أَنْ يَشْفِيكَ ، فَإِنْ كَانَ فِي أَجَلِهِ تَأْخِيرٌ عُوفِيَ مِنْ وَجَعِهِ




৫৩৮। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার মাথার কাছে বসতেন এবং সাতবার বলতেনঃ ”আমি মহান আল্লাহর নিকট মহান আরশের প্রভুর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন তোমাকে রোগমুক্ত করেন”। তার মৃত্যু বিলম্বিত হলে সে রোগমুক্ত হয়ে যেতো। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (539)


حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : " ذَهَبْتُ مَعَ الْحَسَنِ إِلَى قَتَادَةَ نَعُودُهُ ، فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، فَسَأَلَهُ ، ثُمَّ دَعَا لَهُ ، قَالَ : اللَّهُمَّ اشْفِ قَلْبَهُ ، وَاشْفِ سَقَمَهُ




৫৩৯। রাবী ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি হাসান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে অসুস্থ কাতাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখতে গেলাম। তিনি তার মাথার নিকট বসে তার কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন, অতঃপর তার জন্য দোয়া করেনঃ ”হে আল্লাহ! তুমি তার অন্তরাত্মাকে আরোগ্য দান করো এবং তাকে রোগমুক্ত করো”।









আল-আদাবুল মুফরাদ (540)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ رَجَاءٍ، وَحَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا : مَا كَانَ يَصْنَعُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي أَهْلِهِ ؟ فَقَالَتْ : كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاةُ خَرَجَ .




৫৪০। আসওয়াদ (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিবারবর্গের সাথে অবস্থানকালে কি কাজ করতেন? তিনি বলেন, পরিবারের কাজকর্ম করতেন এবং নামাযের ওয়াক্ত হলে বের হয়ে যেতেন। (বুখারী, তিরমিযী)