আল-আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : كُنَّا فِي غَزْوَةٍ، فَحَاصَ النَّاسُ حَيْصَةً، قُلْنَا : كَيْفَ نَلْقَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ فَرَرْنَا ؟ فَنَزَلَتْ : ( إِلاَّ مُتَحَرِّفًا لِقِتَالٍ ) ، فَقُلْنَا : لاَ نَقْدِمُ الْمَدِينَةَ، فَلاَ يَرَانَا أَحَدٌ، فَقُلْنَا : لَوْ قَدِمْنَا، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ صَلاَةِ الْفَجْرِ، قُلْنَا : نَحْنُ الْفَرَّارُونَ، قَالَ : أَنْتُمُ الْعَكَّارُونَ، فَقَبَّلْنَا يَدَهُ، قَالَ : أَنَا فِئَتُكُمْ .
৯৮১। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা একটি যুদ্ধে যোগদান করলাম। (যুদ্ধের ভয়াবহতায়) লোকজন পলায়ন করলো। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা কেমন করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাত করবো, অথচ আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছি। তখন নাযিল হলো, ”অবশ্য যুদ্ধকৌশল অবলম্বনের জন্য পশ্চাৎপদ হলে স্বতন্ত্র কথা” (সূরা আনফালঃ ১৬)। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা মদীনায় ফিরে যাবো না। তাহলে লোকজন আমাদেরকে দেখবে না। আমরা আরও বললাম, যদি আমরা মদীনায় ফিরে যাই! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ে কেবল বের হয়েছেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো পলাতকের দল। তিনি বলেনঃ তোমরা তো পাল্টা আক্রমণকারী দল। তাঁর একথায় আমরা তাঁর হাতে চুমা দিলাম। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের দলভুক্ত। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَطَّافُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ : حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ رَزِينٍ قَالَ : مَرَرْنَا بِالرَّبَذَةِ فَقِيلَ لَنَا : هَا هُنَا سَلَمَةُ بْنُ الأَكْوَعِ، فَأَتَيْنَاهُ فَسَلَّمْنَا عَلَيْهِ، فَأَخْرَجَ يَدَيْهِ فَقَالَ : بَايَعْتُ بِهَاتَيْنِ نَبِيَّ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَخْرَجَ كَفًّا لَهُ ضَخْمَةً كَأَنَّهَا كَفُّ بَعِيرٍ، فَقُمْنَا إِلَيْهَا فَقَبَّلْنَاهَا .
৯৮২। আবদুর রহমান ইবনে রাজীন (রহঃ) বলেন, আমরা একদা রাবাযা নামক স্থান দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের বলা হলো, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এখানে আছেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তিনি তার দুই হাত বের করে বলেন, এই দুই হাতে আমি আল্লাহর নবীর হাতে বায়আত হয়েছি। তিনি তার হৃষ্টপুষ্ট এক হাতের তালু বের করলেন, যা ছিল উটের পাঞ্জার মত। আমরা উঠে তার নিকট গিয়ে তাতে চুমা দিলাম।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ جُدْعَانَ، قَالَ ثَابِتٌ لأَنَسٍ : أَمَسَسْتَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِكَ ؟ قَالَ : نَعَمْ، فَقَبَّلَهَا .
৯৮৩। ইবনে জুদআন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। সাবিত (রহঃ) আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলেন, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিজ হাতে স্পর্শ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। তখন তিনি তার হাতে চুমা দিলেন।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَطَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْنَقُ قَالَ : حَدَّثَتْنِي امْرَأَةٌ مِنْ صَبَاحِ عَبْدِ الْقَيْسِ يُقَالُ لَهَا : أُمُّ أَبَانَ ابْنَةُ الْوَازِعِ، عَنْ جَدِّهَا، أَنَّ جَدَّهَا الْزَّارِعَ بْنَ عَامِرٍ قَالَ : قَدِمْنَا فَقِيلَ : ذَاكَ رَسُولُ اللهِ، فَأَخَذْنَا بِيَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ نُقَبِّلُهَا .
৯৮৪। ওয়াজে ইবনে আমের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা (আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল মদীনায়) পৌছলে বলা হলো, ইনিই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা তাঁর হস্তদ্বয় ও পদদ্বয় ধরে তাতে চুমা দিলাম। (আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَمْرٌو، عَنْ ذَكْوَانَ، عَنْ صُهَيْبٍ قَالَ : رَأَيْتُ عَلِيًّا يُقَبِّلُ يَدَ الْعَبَّاسِ وَرِجْلَيْهِ .
৯৮৫। সুহাইব (রহঃ) বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাত ও উভয় পায়ে চুমা দিতে দেখেছি।
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، وَحَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ الشَّهِيدِ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا مِجْلَزٍ يَقُولُ : إِنَّ مُعَاوِيَةَ خَرَجَ، وَعَبْدُ اللهِ بْنُ عَامِرٍ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ الزُّبَيْرِ قُعُودٌ، فَقَامَ ابْنُ عَامِرٍ، وَقَعَدَ ابْنُ الزُّبَيْرِ، وَكَانَ أَرْزَنَهُمَا، قَالَ مُعَاوِيَةُ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَمْثُلَ لَهُ عِبَادُ اللهِ قِيَامًا، فَلْيَتَبَوَّأْ بَيْتًا مِنَ النَّارِ .
৯৮৬। আবু মিজলায (রহঃ) বলেন, মুয়াবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বের হলেন। তখন আবদুল্লাহ ইবনে আমের ও আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বসা ছিলেন। ইবনে আমের উঠে দাঁড়ালেন এবং ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বসে থাকলেন। আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন তাদের উভয়ের চেয়ে অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। মুয়াবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার সম্মানে আল্লাহর বান্দাগণ দাঁড়ালে আনন্দিত হয় সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্দিষ্ট করে নেয়। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ, তাবারানী, হাকিম)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : خَلَقَ اللَّهُ آدَمَ صلى الله عليه وسلم عَلَى صُورَتِهِ، وَطُولُهُ سِتُّونَ ذِرَاعًا، ثُمَّ قَالَ : اذْهَبْ، فَسَلِّمْ عَلَى أُولَئِكَ، نَفَرٌ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ جُلُوسٌ، فَاسْتَمِعْ مَا يُحَيُّونَكَ بِهِ فَإِنَّهَا تَحِيَّتُكَ وَتَحِيَّةُ ذُرِّيَّتِكَ، فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَقَالُوا : السَّلاَمُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَزَادُوهُ : وَرَحْمَةُ اللهِ، فَكُلُّ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَتِهِ، فَلَمْ يَزَلْ يَنْقُصُ الْخَلْقُ حَتَّى الآنَ .
৯৮৭। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তাআলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন। তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। আল্লাহ তাআলা তাঁকে বলেন, যাও, উপবিষ্ট ঐ ফেরেশতার দলকে সালাম দাও এবং তারা তোমার সালামের কি জবাব দেয় তা মনোযোগ সহকারে শোনো। কেননা এটাই হবে তোমার ও তোমার সন্তানদের সালাম (সম্ভাষণ)। আদম (আঃ) গিয়ে বলেন, আসসালামু আলাইকুম (আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ জবাব দিলেন, আসসালামু আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহ (আপনার উপরও শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)। ফেরেশতাগণ ”ওয়া রহমাতুল্লাহি” বাড়িয়ে বলেন। যে ব্যক্তি বেহেশতে যাবে সেই হবে আদম (আঃ) এর আকৃতি বিশিষ্ট। তখন থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত মানুষের দেহাবয়ব (উচ্চতাবারানী) ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে আসছে। (বুখারী, মুসলিম)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، عَنْ قِنَانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ النَّهْمِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : أَفْشُوا السَّلامَ تَسْلَمُوا .
৯৮৮। বারাআ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা সালামের বহুল প্রসার করো, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবে (মুসনাদ আহমাদ, ইবনে হিব্বান)।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، وَالْقَعْنَبِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لاَ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا، وَلاَ تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا، أَلاَ أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا تَحَابُّونَ بِهِ ؟ قَالُوا : بَلَى، يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ : أَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৮৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না। তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন জিনিস জ্ঞাত করবো না, যাতে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে মহব্বত সৃষ্টি হয়? সাহাবাগণ বলেন, নিশ্চয় ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যে সালামের বহুল প্রসার ঘটাও। (মুসলিম)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلِ بْنِ غَزْوَانَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : اعْبُدُوا الرَّحْمَنَ، وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ، وَأَفْشُوا السَّلاَمَ، تَدْخُلُوا الْجِنَانَ .
৯৯০। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা দয়াময় রহমানের ইবাদত করো, মানুষকে আহার করাও এবং সালামের বহুল প্রচলন করো, তাহলে জান্নাতসমূহে প্রবেশ করতে পারবে। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, দারিমী, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ : مَا كَانَ أَحَدٌ يَبْدَأُ، أَوْ يَبْدُرُ، ابْنَ عُمَرَ بِالسَّلامِ .
৯৯১। বশীর ইবনে ইয়াসার (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে তার আগে কেউ সালাম দিতে পারতো না। (আবু আওয়ানা, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا يَقُولُ : يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي، وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْمَاشِيَانِ أَيُّهُمَا يَبْدَأُ بِالسَّلامِ فَهُوَ أَفْضَلُ .
৯৯২। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আরোহী ব্যক্তি পদব্রজে গমনকারীকে সালাম দিবে এবং পদব্রজে গমনকারী বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। আর দুই পথচারীর মধ্যে যে প্রথম সালাম দিবে সে অধিক উত্তম।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي أَخِي، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ الأَغَرَّ، وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ مُزَيْنَةَ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، كَانَتْ لَهُ أَوْسُقٌ مِنْ تَمْرٍ عَلَى رَجُلٍ مِنْ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ، اخْتَلَفَ إِلَيْهِ مِرَارًا، قَالَ : فَجِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَأَرْسَلَ مَعِي أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ، قَالَ : فَكُلُّ مَنْ لَقِينَا سَلَّمُوا عَلَيْنَا، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ : أَلاَ تَرَى النَّاسَ يَبْدَأُونَكَ بِالسَّلاَمِ فَيَكُونُ لَهُمُ الأَجْرُ ؟ ابْدَأْهُمْ بِالسَّلاَمِ يَكُنْ لَكَ الأَجْرُ يُحَدِّثُ هَذَا ابْنُ عُمَرَ عَنْ نَفْسِهِ .
৯৯৩। নাফে (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমার (রহঃ) তাকে অবহিত করেন যে, মুযায়না গোত্রের আল-আগারর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী ছিলেন। আমর ইবনে আওফ গোত্রের এক ব্যক্তির নিকট তার কয়েক ওয়াসাক খেজুর পাওনা ছিল। তিনি এজন্য বেশ কয়েক বার তাকে তাগাদাও দেন। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলে তিনি আমার সাথে আবু বাকর সিদ্দীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে পাঠান। তিনি বলেন, (পথিমধ্যে যার সাথেই) আমাদের সাক্ষাত হয়েছে তারাই আগে আমাদের সালাম দিয়েছে। আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তুমি কি লক্ষ্য করছে না যে, লোকজন তোমাকে আগে সালাম দিচ্ছে এবং তাদের সওয়াব হচ্ছে? তুমি আগে তাদেরকে সালাম দাও, তোমার সওয়াব হবে। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটাকে নিজের ঘটনা বলেছেন। (তাবারানী)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ، وَالْقَعْنَبِيُّ، قَالاَ : أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لاَ يَحِلُّ لِامْرِئٍ مُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثٍ، فَيَلْتَقِيَانِ فَيُعْرِضُ هَذَا وَيُعْرِضُ هَذَا، وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلامِ .
৯৯৪। আবু আইউব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন মুসলিমের জন্য তার অপর মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা হালাল নয়। অবস্থা এই দাঁড়ায় যে, তাদের দু’জনের সাক্ষাত হলে একজন এদিকে এবং অপরজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে আগে সালাম দেয়। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, তিরমিযী)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ : حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ زَيْدٍ التَّيْمِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً مَرَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي مَجْلِسٍ فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَقَالَ : عَشْرُ حَسَنَاتٍ، فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَقَالَ : عِشْرُونَ حَسَنَةً، فَمَرَّ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، فَقَالَ : ثَلاَثُونَ حَسَنَةً، فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْمَجْلِسِ وَلَمْ يُسَلِّمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَا أَوْشَكَ مَا نَسِيَ صَاحِبُكُمْ، إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَجْلِسَ فَلْيُسَلِّمْ، فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يَجْلِسَ فَلْيَجْلِسْ، وَإِذَا قَامَ فَلْيُسَلِّمْ، مَا الأُولَى بِأَحَقَّ مِنَ الآخِرَةِ .
৯৯৫। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তখন এক মজলিসে ছিলেন। সে বললো, আসসালামু আলাইকুম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দশটি নেকী। অতঃপর অপর এক ব্যক্তি ঐ পথে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিশ নেকী। আরেক ব্যক্তি সেখান দিয়ে যেতে বললো, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিরিশ নেকী। অতঃপর এক ব্যক্তি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলো, কিন্তু সালাম দিলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হয়তো তোমাদের সাথী (সালামের মর্যাদা) বিস্তৃত হয়েছে। তোমাদের কেউ মজলিসে এসে পৌছলে যেন সালাম দেয়। তারপর মজলিসে বসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে সে বসবে। আবার সে যখন চলে যাবে তখনও যেন সালাম দেয়। কেননা পরের সালাম পূর্বের সালামের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ নয়। (তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, আহমাদ, আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ عُمَرَ قَالَ : كُنْتُ رَدِيفَ أَبِي بَكْرٍ، فَيَمُرُّ عَلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَيَقُولُونَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ، وَيَقُولُ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَيَقُولُونَ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ : فَضَلَنَا النَّاسُ الْيَوْمَ بِزِيَادَةٍ كَثِيرَةٍ .
৯৯৬। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বাহনের পেছন দিকে আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সফরসংগী ছিলাম। তিনি যে কোন জনসমষ্টিকে অতিক্রম করেন তাদেরকে আসসালামু আলাইকুম বলেন। তারা বললো, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আর তিনি আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বললে তারা বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, লোকজন আজ আমাদের চেয়ে অনেক বেশী সওয়াবের অধিকারী হলো।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَا حَسَدَكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ مَا حَسَدُوكُمْ عَلَى السَّلامِ وَالتَّأْمِينِ .
৯৯৭। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইহুদীরা তোমাদের কোন ব্যাপারে এতো বেশী ঈর্ষান্বিত নয় যতোটা তারা তোমাদের সালাম ও আমীনের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত। (ইবনে মাজাহ হাঃ ৮৫৬)
حَدَّثَنَا شِهَابٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : إِنَّ السَّلامَ اسْمٌ مِنْ أَسْمَاءِ اللهِ تَعَالَى، وَضَعَهُ اللَّهُ فِي الأَرْضِ، فَأَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ .
৯৯৮। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাম হলো আল্লাহ তাআলার নামসমূহের একটি। তিনি দুনিয়াবাসীদের জন্য তা দান করেছেন। অতএব তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের বহুল প্রচলন করো। (তাবারানী, বাযযার)
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحِلٌّ قَالَ : سَمِعْتُ شَقِيقَ بْنَ سَلَمَةَ أَبَا وَائِلٍ يَذْكُرُ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ : كَانُوا يُصَلُّونَ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْقَائِلُ : السَّلاَمُ عَلَى اللهِ، فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ قَالَ : مَنِ الْقَائِلُ : السَّلاَمُ عَلَى اللهِ ؟ إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلاَمُ، وَلَكِنْ قُولُوا : التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ قَالَ : وَقَدْ كَانُوا يَتَعَلَّمُونَهَا كَمَا يَتَعَلَّمُ أَحَدُكُمُ السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ .
৯৯৯। ইবনে মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেছনে নামায পড়ছিলো। এক ব্যক্তি বললো, আসসালামু আলাল্লাহ (আল্লাহর প্রতি সালাম)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শেষে জিজ্ঞেস করেনঃ আসসালামু আলাল্লাহ কে বলেছে? নিশ্চয় আল্লাহ হলেন সালাম (শান্তিদাতাবারানী)। বরং তোমরা বলো, ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি....... আবদুহু ওয়া রাসূলুল্লাহু’। ”সমস্ত সম্মান, ইবাদত, উপাসনা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহর রহমত এবং প্রাচুর্যও। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তার বান্দাহ ও রাসূল”। রাবী বলেন, সাহাবীগণ তা এতো গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা করতেন, যেমন তোমাদের কেউ কুরআনের সূরা শিক্ষা করে। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : حَقُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ سِتٌّ، قِيلَ : وَمَا هِيَ ؟ قَالَ : إِذَا لَقِيتُهُ فَسَلِّمْ عَلَيْهِ، وَإِذَا دَعَاكَ فَأَجِبْهُ، وَإِذَا اسْتَنْصَحَكَ فَانْصَحْ لَهُ، وَإِذَا عَطَسَ فَحَمِدَ اللَّهَ فَشَمِّتْهُ، وَإِذَا مَرِضَ فَعُدْهُ، وَإِذَا مَاتَ فَاصْحَبْهُ .
১০০০। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এক মুসলিমের উপর অপর মুসলিমের পাঁচটি কর্তব্য রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি কি? তিনি বলেনঃ (১) তুমি তার সাথে সাক্ষাত করলে তাকে সালাম দিবে। (২) সে তোমাকে দাওয়াত দিলে তুমি তার দাওয়াত কবুল করবে। (৩) সে তোমার কাছে পরামর্শ বা উপদেশ চাইলে তুমি তাকে সৎ পরামর্শ বা সদুপদেশ দিবে। (৪) সে হাঁচি দিয়ে আলহামদু লিল্লাহ বললে তুমি তার হাঁচির জবাব দিবে। (৫) সে মারা গেলে তুমি তার সংগী হবে (জানাযা পড়বে ও দাফন করবে)। (বুখারী, মুসলিম)