সুনান আবী দাউদ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَخْضَرِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الْحَنَفِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُهُ فَقَالَ " أَمَا فِي بَيْتِكَ شَىْءٌ " . قَالَ بَلَى حِلْسٌ نَلْبَسُ بَعْضَهُ وَنَبْسُطُ بَعْضَهُ وَقَعْبٌ نَشْرَبُ فِيهِ مِنَ الْمَاءِ . قَالَ " ائْتِنِي بِهِمَا " . فَأَتَاهُ بِهِمَا فَأَخَذَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ وَقَالَ " مَنْ يَشْتَرِي هَذَيْنِ " . قَالَ رَجُلٌ أَنَا آخُذُهُمَا بِدِرْهَمٍ . قَالَ " مَنْ يَزِيدُ عَلَى دِرْهَمٍ " . مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا قَالَ رَجُلٌ أَنَا آخُذُهُمَا بِدِرْهَمَيْنِ . فَأَعْطَاهُمَا إِيَّاهُ وَأَخَذَ الدِّرْهَمَيْنِ وَأَعْطَاهُمَا الأَنْصَارِيَّ وَقَالَ " اشْتَرِ بِأَحَدِهِمَا طَعَامًا فَانْبِذْهُ إِلَى أَهْلِكَ وَاشْتَرِ بِالآخَرِ قَدُومًا فَأْتِنِي بِهِ " . فَأَتَاهُ بِهِ فَشَدَّ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عُودًا بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ لَهُ " اذْهَبْ فَاحْتَطِبْ وَبِعْ وَلاَ أَرَيَنَّكَ خَمْسَةَ عَشَرَ يَوْمًا " . فَذَهَبَ الرَّجُلُ يَحْتَطِبُ وَيَبِيعُ فَجَاءَ وَقَدْ أَصَابَ عَشَرَةَ دَرَاهِمَ فَاشْتَرَى بِبَعْضِهَا ثَوْبًا وَبِبَعْضِهَا طَعَامًا . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَذَا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ تَجِيءَ الْمَسْأَلَةُ نُكْتَةً فِي وَجْهِكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ الْمَسْأَلَةَ لاَ تَصْلُحُ إِلاَّ لِثَلاَثَةٍ لِذِي فَقْرٍ مُدْقِعٍ أَوْ لِذِي غُرْمٍ مُفْظِعٍ أَوْ لِذِي دَمٍ مُوجِعٍ " .
আনাস ইবনু মালিক (রহ:) হতে বর্ণিত, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক আনসারী ব্যক্তি এসে ভিক্ষা চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন : তোমার ঘরে কিছু আছে কি? সে বললো, একটি কম্বল আছে, যার কিছু অংশ আমরা পরিধান করি এবং কিছু অংশ বিছাই। একটি পাত্রও আছে, তাতে আমরা পানি পান করি। তিনি বললেন, সেগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো, লোকটি তা নিয়ে এলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হাতে নিয়ে বললেনঃ এ দুটি বস্তু কে কিনবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি এগুলো এক দিরহামে নিবো। তিনি দুইবার অথবা তিনবার বললেনঃ কেউ এর অধিক মূল্য দিবে কি? আরেকজন বললো, আমি দুই দিরহামে নিতে পারি। তিনি ঐ ব্যক্তিকে তা প্রদান করে দিরহাম দু’টি নিলেন এবং ঐ আনসারীকে তা প্রদান করে বললেনঃ এক দিরহামে খাবার কিনে পরিবার-পরিজনকে দাও এবং আরেক দিরহাম দিয়ে একটি কুঠার কিনে আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি তাই করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বহস্তে তাতে একটি হাতল লাগিলে দিয়ে বললেনঃযাও, তুমি কাঠ কেটে এনে বিক্রি করো। পনের দিন যেন আমি আর তোমাকে না দেখি। লোকটি চলে গিয়ে কাঠ কেটে বিক্রি করতে লাগলো। অতঃপর সে আসলো, তখন তার নিকট দশ দিরহাম ছিলো। সে এর থেকে কিছু দিয়ে কাপড় এবং কিছু দিয়ে খাবার কিনলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ভিক্ষা করে বেড়ানোর চেয়ে এ কাজ তোমার জন্য অধিক উত্তম। কেননা ভিক্ষার কারণে ক্বিয়ামাতের দিন তোমার মুখমন্ডলে একটি বিশ্রী কালো দাগ থাকতো। ভিক্ষা করা তিন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারোর জন্য বৈধ নয়। (১) ধুলা-মলিন নিঃস্ব ভিক্ষুকের জন্য ; (২) ঋণে জর্জরিত ব্যক্তি ; (৩) যার উপর রক্তপণ আছে, অথচ সে তা পরিশোধ করতে অক্ষম। (১৬৪১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، مشکوۃ المصابیح (1851، 2873) ، أخرجہ النسائي (4512 وسندہ صحیح) وابن ماجہ (2198 وسندہ حسن) والترمذي (1218 وسندہ حسن) أبو بکر الحنفي حسن الحدیث
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ، لجهالة حال أبي بكر الحنفي، وللقطعة الأخيرة منه وهي قوله : " إن المسألة … " شواهد تصح بها . أبو بكر الحنفي : هو عبد الله . وأخرجه ابن ماجه (٢١٩٨) ، والترمذي (١٢٦١) ، والنسائي في " الكبرى " (٦٠٥٤) من طرق عن الأخضر بن عجلان، بهذا الإسناد . ورواية النسائي مختصرة بقوله : أن رسول الله ﷺ باع قدحاً وحِلساً فيمن يزيد . وهو في " مسند أحمد " (١٢١٣٤). ويشهد لبيع المزايدة حديث جابر بن عبد الله عند البخاري (٢١٤١). ويشهد لقوله : " المسألة نكتة في وجهك يوم القيامة " حديث ابن عمر عند البخاري (١٤٧٥) ، ومسلم (١٠٤٠). ولقوله : " إن المسألة لا تصلح إلا … " حديث حبشي بن جُنادة عند الترمذي (٦٥٩) و (٦٦٠). ولعل الترمذي حسنه لهذه الشواهد، وقد فاتنا أن ننبه على هذه الشواهد في " سنن الترمذي " ، فتستدرك من هنا .
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ، - يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ - عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ الْخَوْلاَنِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي الْحَبِيبُ الأَمِينُ، أَمَّا هُوَ إِلَىَّ فَحَبِيبٌ وَأَمَّا هُوَ عِنْدِي فَأَمِينٌ عَوْفُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبْعَةً أَوْ ثَمَانِيَةً أَوْ تِسْعَةً فَقَالَ " أَلاَ تُبَايِعُونَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " . وَكُنَّا حَدِيثَ عَهْدٍ بِبَيْعَةٍ قُلْنَا قَدْ بَايَعْنَاكَ حَتَّى قَالَهَا ثَلاَثًا فَبَسَطْنَا أَيْدِيَنَا فَبَايَعْنَاهُ فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا قَدْ بَايَعْنَاكَ فَعَلاَمَ نُبَايِعُكَ قَالَ " أَنْ تَعْبُدُوا اللَّهَ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَتُصَلُّوا الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ وَتَسْمَعُوا وَتُطِيعُوا " . وَأَسَرَّ كَلِمَةً خُفْيَةً قَالَ " وَلاَ تَسْأَلُوا النَّاسَ شَيْئًا " . قَالَ فَلَقَدْ كَانَ بَعْضُ أُولَئِكَ النَّفَرِ يَسْقُطُ سَوْطُهُ فَمَا يَسْأَلُ أَحَدًا أَنْ يُنَاوِلَهُ إِيَّاهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ حَدِيثُ هِشَامٍ لَمْ يَرْوِهِ إِلاَّ سَعِيدٌ .
‘আওফ ইবনু মালিক (রহ:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা সাতজন অথবা আটজন অথবা নয়জন রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বাই’আত গ্রহণ করবে না? অথচ আমরা কয়েকদিন আগেই বাই’আত নিয়েছি, তাই আমরা বললাম, আমরা তো আপনার কাছে বাই’আত হয়েছি। এমনকি তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। অতঃপর আমরা আমাদের হাত প্রসারিত করে বাই’আত গ্রহণ করলাম। একজন বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা তো বাই’আত করেছি, তাহলে এখন আবার কিসের উপর বাই’আত হবো? তিনি বললেনঃ তোমরা এক আল্লাহর ‘ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করবে এবং আমীরের কথা শুনবে ও তার আনুগত্য করবে। তিনি সংক্ষেপে নিচু স্বরে বললেনঃ মানুষের কাছে কিছু সওয়াল করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, এদের কেউই (সফরে) একটি ছড়ি নীচে পড়ে গেলেও অন্যকে তা তুলে দিতে অনুরোধ করেননি। (১৬৪২)
সহীহ : মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (1043)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح . هشام بن عمار والوليد - وهو ابن مسلم - متابعان . أبو إدريس الخولاني : هو عائذ الله بن عبد الله ، وأبو مسلم الخولاني : هو عبد الله بن ثُوَب . وأخرجه ابن ماجه (٢٨٦٧) عن هشام بن عمّار، بهذا الإسناد . وأخرجه مسلم (١٠٤٣) من طريق مروان بن محمد، والنسائي في " الكبرى " (٣١٦) و (٧٧٣٥) من طريق أبي مُسهر عبد الأعلى بن مُسهر، كلاهما عن سعيد بن عبد العزيز، به . وهو في " مسند أحمد " (٢٣٩٩٣) مختصراً بذكر المسألة، و " صحيح ابن حبان " (٣٣٨٥).
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ وَكَانَ ثَوْبَانُ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ تَكَفَّلَ لِي أَنْ لاَ يَسْأَلَ النَّاسَ شَيْئًا وَأَتَكَفَّلَ لَهُ بِالْجَنَّةِ " . فَقَالَ ثَوْبَانُ أَنَا . فَكَانَ لاَ يَسْأَلُ أَحَدًا شَيْئًا .
সাওবান (রহ:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাকে নিশ্চয়তা দিবে যে, সে অন্যের কাছে কিছু চাইবে না, তাহলে আমি তার জান্নাতের যিম্মাদার হবো। সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি। এরপর তিনি কারো কাছে কিছু সওয়াল করেননি। (১৬৪৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح ، مشکوۃ المصابیح (1857)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . معاذ : هو ابن معاذ بن نصر العنبري، وعاصم : هو ابن سليمان الأحول، وأبو العالية : هو رفيع بن مهران الرياحي . وأخرجه ابن ماجه (١٨٣٧) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٣٨٢) من طريق عبد الرحمن ابن يزيد عن ثوبان، به . وهو في " مسند أحمد " (٢٢٣٧٤). وأخرج أحمد (٢٢٤٢٠) ، والدارمي (١٦٤٥) ، والبزار (٩٢٣ - كشف الأستار) ، والطحاوي في " شرح معاني الآثار " ٢ / ٢٠، والطبراني في " المعجم الكبير " (١٤٠٧) ، وأبو نعيم في " الحلية " ١ / ١٨١ من حديث ثوبان، عن النبي ﷺ قال : " من سأل مسألة وهو عنها غني كانت شيناً في وجهه يوم القيامة " وإسناده صحيح .
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ نَاسًا، مِنَ الأَنْصَارِ سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَعْطَاهُمْ ثُمَّ سَأَلُوهُ فَأَعْطَاهُمْ حَتَّى إِذَا نَفِدَ مَا عِنْدَهُ قَالَ " مَا يَكُونُ عِنْدِي مِنْ خَيْرٍ فَلَنْ أَدَّخِرَهُ عَنْكُمْ وَمَنْ يَسْتَعْفِفْ يُعِفَّهُ اللَّهُ وَمَنْ يَسْتَغْنِ يُغْنِهِ اللَّهُ وَمَنْ يَتَصَبَّرْ يُصَبِّرْهُ اللَّهُ وَمَا أَعْطَى اللَّهُ أَحَدًا مِنْ عَطَاءٍ أَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রহ:) হতে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট কতিপয় আনসারী কিছু চাইলে তিনি তাদেরকে দান করলেন, তারা পুনরায় চাইলে তিনি তাদেরকে পুনরায় দান করলেন। এভাবে দান করতে করতে তাঁর সম্পদ শেষ হয়ে গেলো। তখন তিনি বললেনঃ আমার কাছে সম্পদ থাকলে আমি তোমাদেরকে না দিয়ে তা জমা করে রাখি না। কেউ সওয়াল থেকে পবিত্র থাকতে চাইলে আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখেন। যে অমুখাপেক্ষী থাকতে চায়, আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী রাখেন এবং যে ধৈর্য ধারণ করতে চায়, আল্লাহ তাকে তাই দান করেন। ধৈর্যের চেয়ে অধিক ব্যাপক কিছু দান করা হয়নি। (১৬৪৪)
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (1469) صحیح مسلم (1053)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . ابن شهاب : هو محمد بن مسلم الزهري . وهو عند مالك في " الموطأ " ٢ / ٩٩٧، ومن طريقه أخرجه البخاري (١٤٦٩) ، ومسلم (١٠٥٣) ، والترمذي (٢١٤٣) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٣٨٠). وأخرجه البخاري (٦٤٧٠) ، ومسلم (١٠٥٣) من طريقين عن ابن شهاب الزهري، به . وهو في " مسند أحمد " (١١٠٩١) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٤٠٠).
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، ح حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ حَبِيبٍ أَبُو مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، - وَهَذَا حَدِيثُهُ - عَنْ بَشِيرِ بْنِ سَلْمَانَ، عَنْ سَيَّارٍ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ طَارِقٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَصَابَتْهُ فَاقَةٌ فَأَنْزَلَهَا بِالنَّاسِ لَمْ تُسَدَّ فَاقَتُهُ وَمَنْ أَنْزَلَهَا بِاللَّهِ أَوْشَكَ اللَّهُ لَهُ بِالْغِنَى إِمَّا بِمَوْتٍ عَاجِلٍ أَوْ غِنًى عَاجِلٍ " .
ইবনু মাসউদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুর্ভিক্ষে পড়ে মানুষের দুয়ারে দুয়াতে চেয়ে বেড়ায়, তার ক্ষুধা কখনো বন্ধ হবে না। আর যে আল্লাহর স্মরণাপন্ন হয়েছে শীঘ্রই মহান আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী করবেন, হয়ত দ্রুত মৃত্যুর দ্বারা অথবা সম্পদশালী বানিয়ে। [১৬৪৫]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، مشکوۃ المصابیح (1852)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن . سيّار أبو حمزة روى عنه جمع وذكره ابن حبان في " الثقات " فهو حسن الحديث . مسدَّدٌ : هو ابن مسرهد الأسدي، وعبد الله : هو ابن داود بن عامر الرَّبيع الهمداني، وابن المبارك : هو عبد الله، وطارق : هو ابن شهاب بن عبد شمس البجلي . وأخرجه الترمذي (٢٤٧٩) من طريق سفيان الثوري عن بشير بن سليمان، بهذا الإسناد . وقال عنه : حديث حسن صحيح غريب . وهو في " مسند أحمد " (٣٦٩٦). وقوله : إما بموت عاجل . قال في " عون المعبود ": قيل : بموت قريب له غني فيرثه، ولعل الحديث مقتبس من قوله تعالى : ﴿ وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا (2) وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ ﴾ [ الطلاق : ٢ - ٣ ].
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ مَخْشِيٍّ، عَنِ ابْنِ الْفِرَاسِيِّ، أَنَّ الْفِرَاسِيَّ، قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَسْأَلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ وَإِنْ كُنْتَ سَائِلاً لاَ بُدَّ فَاسْأَلِ الصَّالِحِينَ " .
ইবনুল ফিরাসী (রহ:) হতে বর্ণিত, একদা তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমি কি লোকদের কাছে কিছু চাইতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। যদি তোমাকে চাইতেই হয় তাহলে নেককার লোকদের কাছে চাও। [১৬৪৬]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، نسائی (2588) ، ابن الفراسي لم أجد من وثقہ وھو مجہول،انظر التحریر (8485) ، مسلم بن مخشي وثقہ ابن حبان وحدہ فھو مجہول،راجع التحریر (6646) ، (انوار الصحیفہ ص 66)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ، لجهالة مسلم بن مَخْشيّ وابن الفراسي . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٢٣٧٩) عن قتيبة بن سعيد، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " (١٨٩٤٥).
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ السَّاعِدِيِّ، قَالَ اسْتَعْمَلَنِي عُمَرُ - رضى الله عنه - عَلَى الصَّدَقَةِ فَلَمَّا فَرَغْتُ مِنْهَا وَأَدَّيْتُهَا إِلَيْهِ أَمَرَ لِي بِعُمَالَةٍ فَقُلْتُ إِنَّمَا عَمِلْتُ لِلَّهِ وَأَجْرِي عَلَى اللَّهِ . قَالَ خُذْ مَا أُعْطِيتَ فَإِنِّي قَدْ عَمِلْتُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَمَّلَنِي فَقُلْتُ مِثْلَ قَوْلِكَ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أُعْطِيتَ شَيْئًا مِنْ غَيْرِ أَنْ تَسْأَلَهُ فَكُلْ وَتَصَدَّقْ " .
ইবনুস সাঈদী (রহ:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে যাকাত আদায়ের জন্য নিযুক্ত করেন। আমি তা আদায়ের পর তার নিকট পৌঁছিয়ে দিলে তিনি আমার কাজের পারিশ্রমিক প্রদানের নির্দেশ দেন। আমি বললাম, আমি এ কাজ আল্লাহর ওয়াস্তে করেছি, তাই এর বিনিময় আল্লাহর কাছেই চাই। তিনি বললেন, তোমাকে যা দেয়া হয় গ্রহণ করো। কেননা আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময় এ কাজ করেছিলাম। তিনি আমাকে পারিশ্রমিক দিলে আমিও তোমার মত বলেছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ চাওয়া ছাড়াই তোমাকে যা কিছু দেয়া হয় তা খাও এবং সদাক্বাহ করো।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (7163) صحیح مسلم (1045) ، مشکوۃ المصابیح (1854)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . أبو الوليد : هو هشام بن عبد الملك الطيالسي، والليث : هو ابن سعد، وابن الساعدي - وقيل ابن السَّعدي -: هو عبد الله . وأخرجه مسلم (١٠٤٥) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٣٩٦) من طريق بكير بن عبد الله بن الأشج، به . وأخرجه بنحوه البخاري (٧١٦٤) ، والنسائى (٢٣٩٧ - ٢٣٩٨) من طريق حُوَيطِب ابن عبد العُزَّى، عن عبد الله بن السعدي، به . وهو في " مسند أحمد " (٣٧١) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٤٠٥). وسيأتي مختصراً برقم (٢٩٤٤). العُمالة بضم العين : أجر العامل على عمله، وعَمّلَني بتشديد الميم : أعطاني العمالة، وأما العَمالة بفتح العين، فهي نفس العمل .
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَذْكُرُ الصَّدَقَةَ وَالتَّعَفُّفَ مِنْهَا وَالْمَسْأَلَةَ " الْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى وَالْيَدُ الْعُلْيَا الْمُنْفِقَةُ وَالسُّفْلَى السَّائِلَةُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ اخْتُلِفَ عَلَى أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ قَالَ عَبْدُ الْوَارِثِ " الْيَدُ الْعُلْيَا الْمُتَعَفِّفَةُ " . وَقَالَ أَكْثَرُهُمْ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ " الْيَدُ الْعُلْيَا الْمُنْفِقَةُ " . وَقَالَ وَاحِدٌ عَنْ حَمَّادٍ " الْمُتَعَفِّفَةُ " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহ:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে যাকাত গ্রহণ, তা থেকে বিরত থাকা এবং ভিক্ষা সম্পর্কে উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম বলেছেন। উপরের হাত হলো দাতার হাত এবং ভিক্ষার হাত হলো নীচের হাত।
ইমাম আবূ দাউদ (রহ:) বলেন, নাফি’ হতে আইয়ূব সূত্রে বর্ণিত হাদীসে মতভেদ আছে। ‘আবদুল ওয়ারিস বলেন, এমন হাতই উপরের হাত যা ভিক্ষা হতে বিরত থাকে এবং অনেকেই হাম্মাদ ইবনু যায়িদ হতে আইয়ূব সূত্রে বলেছেন, দানকারীর হাতই উপরের হাত। আরেক বর্ণনাকারী বলেন, (তা হচ্ছে) ভিক্ষা হতে বিরত হাত।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। এছাড়া তার “ভিক্ষা হতে বিরত হাত।” কথাটি শায।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح ق ورواية المتعففة شاذة
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (1429) صحیح مسلم (1033) ، قولہ: ’’المتعففۃ‘‘ شاذ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . وهو عند مالك في " الموطأ " ٢ / ٩٩٨، ومن طريقه أخرجه البخاري (١٤٢٩) ، ومسلم (١٠٣٣) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٣٢٤). وأخرجه البخاري (١٤٢٩) من طريق أيوب، عن نافع، به . وهو في " مسند أحمد " (٤٤٧٤) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٣٦٤).
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو الزَّعْرَاءِ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِيهِ، مَالِكِ بْنِ نَضْلَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الأَيْدِي ثَلاَثَةٌ فَيَدُ اللَّهِ الْعُلْيَا وَيَدُ الْمُعْطِي الَّتِي تَلِيهَا وَيَدُ السَّائِلِ السُّفْلَى فَأَعْطِ الْفَضْلَ وَلاَ تَعْجِزْ عَنْ نَفْسِكَ " .
মালিক ইবনু নাদলাহ (রহ:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (দানের) হাত তিন প্রকার। (১) আল্লাহর হাত সবার উপরে (২) অতঃপর দানকারীর হাত (৩) এবং ভিক্ষার হাত সবার নীচে। কাজেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ দান করো এবং প্রবৃত্তির কাছে অক্ষম হয়ো না।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح ، صححہ ابن خزیمۃ (2440 وسندہ صحیح)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . أبو الزعراء : هو عمرو بن عمرو - ويقال : ابن عامر - بن مالك، وأبو الأحوص : هو عوف بن مالك بن نضْلة . وهو عند أحمد في " مسنده " (١٥٨٩٠) ، ومن طريقه أخرجه الحاكم في " المستدرك " ١ / ٤٠٨ . وأخرجه ابن خزيمة (٢٤٤٠) ، وابن حبان (٣٣٦٢) ، والبيهقي ٤ / ١٩٨ من طريق عَبِيدة بن حُميد، به . وله شاهد من حديث عبد الله بن عمر سلف قبله . وآخر من حديث عبد الله بن مسعود عند أحمد برقم (٤٢٦١). وقوله : " ولا تعجز عن نفسك " ، أي : لا تعجز عن ردّ نفسك إذا منعتك عن الإعطاء .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ رَجُلاً عَلَى الصَّدَقَةِ مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ فَقَالَ لأَبِي رَافِعٍ اصْحَبْنِي فَإِنَّكَ تُصِيبُ مِنْهَا . قَالَ حَتَّى آتِيَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَسْأَلَهُ فَأَتَاهُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ " مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْ أَنْفُسِهِمْ وَإِنَّا لاَ تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَةُ " .
আবূ রাফি’ (রহ:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাখযূম গোত্রের এক ব্যক্তিকে যাকাত আদায়ের উদ্দেশে প্রেরণ করলে তিনি আবূ রাফি’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলেন, তুমি আমার সাথে গেলে তুমিও তা থেকে কিছু পাবে। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে নিবো। অতঃপর তিনি এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন সম্প্রদায়ের মুক্তদাস তাদেরই একজন। আর আমাদের জন্য যাকাত হালাল নয়।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، مشکوۃ المصابیح (1829) ، صححہ ابن خزیمۃ (2344 وسندہ صحیح) وللحدیث شواھد عند البخاري (6761) ومسلم (1069)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . محمد بن كثير : هو العبدي، والحكم : هو ابن عتيبة الكندي مولاهم، وابن أبي رافع : هو عبيد الله . وأخرجه الترمذي (٦٦٣) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٤٠٤) من طريقين عن شعبة، بهذا الإسناد . وقال الترمذي : حديث حسن صحيح . وهو في " مسند أحمد " (٢٣٨٦٣) و (٢٣٨٧٢) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٢٩٣). وبنو هاشم : هم آل علي وآل عباس وآل جعفر وآل عقيل وآل الحارث بن عبدالمطلب . وهاشم : هو ابن عبد مناف بن قصي بن كلاب بن مرة . قال الخطابي : أما النبي ﷺ ، فلا خلاف بين المسلمين أن الصدقة لا تحل له، فكذلك بنو هاشم في قول أكثر العلماء، وقال الشافعي : لا تحل الصدقة لبني عبد المطلب، لأن النبي ﷺ أعطاهم من سهم ذوي القربى، وأشركهم فيه مع بني هاشم، ولم يعط أحداً من قبائل قريش غيرهم، وتلك العطية عِوض عوضوه بدلاً عما حرموه من الصدقة، فأما موالي بني هاشم فإنه لا حظ لهم في سهم ذوي القربى، فلا يجوز أن يحرموا الصدقة، ويشبه أن يكون إنما نهاه عن ذلك تنزيهاً له . وقال : " مولى القوم " على سبيل التشبيه للاستنان بهم والاقتداء بسيرتهم في اجتناب مال الصدقة التي هي أوساخ الناس، ويشبه أن يكون ﷺ قد كان يكفيه المؤونة إذ كان أبو رافع مولى له، وكان ينصرف له في الحاجة والخدمة، فقال له على هذا المعنى : إذا كنت تستغني بما أُعطت فلا تطلب أوساخ الناس، فإنك مولانا ومنا .
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمُرُّ بِالتَّمْرَةِ الْعَائِرَةِ فَمَا يَمْنَعُهُ مِنْ أَخْذِهَا إِلاَّ مَخَافَةُ أَنْ تَكُونَ صَدَقَةً .
আনাস (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় পড়ে থাকা একটি খেজুরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি শুধু এ কারণেই তুলে নেননি যে, হয়ত ওটা যাকাতের (খেজুর)।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، انظر الحدیث الآتي (1652)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . حماد : هو ابن سلمة، وقتادة : هو ابن دعامة السدوسي . وهو في " مسند أحمد " (١٢٩١٣) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٢٩٦). وانظر ما بعده . قال الخطابي : العائرة : هي الساقطة على وجه الأرض لا يعرف من صاحبها، ومِن هذا قيل : عار الفرس، إذا انفلت على صاحبه فذهب على وجهه ولا يدفع . وهذا أصل في الورع وفي أن كل ما لا يتينه الإنسان من شيء طلقاً لنفسه فإنه يجتنبه ويتركه .
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا أَبِي، عَنْ خَالِدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ تَمْرَةً فَقَالَ " لَوْلاَ أَنِّي أَخَافُ أَنْ تَكُونَ صَدَقَةً لأَكَلْتُهَا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ هَكَذَا .
আনাস (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পথে একটি খেজুর পেয়ে বলেনঃ আমি এটি যাকাতের খেজুর হওয়ার আশংকা না করলে এটি খেতাম।
সহীহ: মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (2055) صحیح مسلم (1071)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . علي : هو ابن نصر بن علي الأزدي . وأخرجه مسلم (١٠٧١) من طريق هشام بن أبي عبد الله، عن قتادة، به . وأخرجه البخاري (٢٠٥٥) و (٢٤٣١) و (٢٤٣٢) ، ومسلم (١٠٧١) من طريق طلحة بن مُصرّف، عن أنس بن مالك . وهو في " مسند أحمد " (١٢١٩٠) و (١٤١١٠). وانظر ما قبله .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بَعَثَنِي أَبِي إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي إِبِلٍ أَعْطَاهَا إِيَّاهُ مِنَ الصَّدَقَةِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট একটি উটের জন্য প্রেরণ করেন- যা তিনি তাকে যাকাতের মাল হতে দান করেছিলেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، الأعمش وحبیب مدلسان وعنعنا ، (انوار الصحیفہ ص 66، 67)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . الأعمش : هو سليمان بن مهران . وأخرجه النسائي في " السنن الكبرى " مطولاً (١٣٤١) من طريق محمد بن إسماعيل عن محمد بن فضيل، بهذا الإسناد . وانظر ما بعده . قال البيهقي : هذا الحديث لا يحتمل إلا معنيين، أحدهما : أن يكون قبل تحريم الصدقة على بني هاشم فصار منسوخاً، والآخر : أن يكون قد استسلف من العباس للمساكين إبلاً ثم ردها عليه من إبل الصدقة .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - هُوَ ابْنُ أَبِي عُبَيْدَةَ - عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، نَحْوَهُ زَادَ أَبِي يُبْدِلُهَا لَهُ .
ইবনু ‘আব্বাস (রা:) সূত্র হতে বর্ণিত, অনুরূপ বর্ণিত। তাতে এ কথাটি অতিরিক্ত আছে : আমার পিতা তা পরিবর্তন করে নিয়েছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، الأعمش وحبیب مدلسان وعنعنا ، (انوار الصحیفہ ص 66، 67)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . ابن أبي عبيدة : هو عبد الملك بن معن الهذلي . وانظر ما قبله .
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِلَحْمٍ قَالَ " مَا هَذَا " . قَالُوا شَىْءٌ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ فَقَالَ " هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَلَنَا هَدِيَّةٌ " .
আনাস (রা:) হতে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খিদমাতে গোশত পেশ করা হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন : এটা কি ধরনের গোশত? লোকেরা বললো, এটা বারীরাহকে সদাক্বাহ দেয়া হয়েছিলো। তিনি বললেনঃ এটা তার জন্য সদাক্বাহ, কিন্ত আমাদের জন্য উপঢৌকন।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (1495) صحیح مسلم (1074)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . قتادة : هو ابن دِعامة السدوسي . وأخرجه البخاري (١٤٩٥) و (٢٥٧٧) ، ومسلم (١٠٧٤) ، والنسائي في " الكبرى " (٦٥٥٩) من طرق عن شعبة، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " (١٢١٥٩). قال البيضاوي : إذا تصدق على المحتاج بشيء ملكه، وصار له كسائر ما يملكه، فله أن يهدي به غيره، كما له أن يهدي سائر أمواله بلا فرق .
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، بُرَيْدَةَ أَنَّ امْرَأَةً، أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ كُنْتُ تَصَدَّقْتُ عَلَى أُمِّي بِوَلِيدَةٍ وَإِنَّهَا مَاتَتْ وَتَرَكَتْ تِلْكَ الْوَلِيدَةَ . قَالَ " قَدْ وَجَبَ أَجْرُكِ وَرَجَعَتْ إِلَيْكِ فِي الْمِيرَاثِ " .
বুরাইদাহ (রা:) হতে বর্ণিত, এক মহিলা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে বললো, আমি আমার মাকে একটি দাসী দান করেছিলাম। তিনি ঐ দাসীটি রেখে মারা গেছেন। তিনি বললেনঃ তুমি দানের সওয়াব পেয়েছো এবং সে উত্তরাধিকার সূত্রে তোমার কাছে ফিরে এসেছে।
সহীহ : মুসলিম। (আরবী) অতিরিক্ত যোগে। যেমন সামনে আসছে হাদীস (২৮৭৭ নং)।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح م بزيادة قضيتين أخريين
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (1149)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . زهير : هو ابن معاوية الجعفي . وأخرجه مسلم (١١٤٩) ، وابن ماجه (٢٣٩٤) ، والترمذي (٦٧٣) ، والنسائي في " الكبرى " (٦٢٨٠ - ٦٢٨٣) من طرق عن عبد الله بن عطاء، به . وقال الترمذي : حديث حسن صحيح . وهو في " مسند أحمد " (٢٢٩٥٦). وسيكرر برقم (٢٨٧٧) و (٣٣٠٩) وفيه زيادة . وقوله : " ورجعت إليكِ في الميراث " ، أي : ردها الله عليكِ بالميراث، وصارت الجارية ملكاً لكِ بالإرث، وعادت إليك بالوجه الحلال، والمعنى : أن ليس هذا من باب العود في الصدقة، لأنه ليس أمراً اختيارياً، وأكثر العلماء على أن الشخص إذا تصدق بصدقة على قريبه، ئم ورثها حلت له .
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا نَعُدُّ الْمَاعُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَارِيَةَ الدَّلْوِ وَالْقِدْرِ .
আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে ‘মাউন’ গন্য করতাম বালতি, হাঁড়ি-পাতিল ইত্যাদি ছোট-খাটো বস্তু ধারে আদান-প্রদান করাকে। [১৬৫৭]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن . عاصم بن أبي النجود صدوق حسن الحديث، وباقي رجاله ثقات . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (١١٦٣٧) عن قتيبة بن سعيد، بهذا الإسناد . وروى ابن أبي حاتم عن عكرمة قال : رأس الماعون زكاة المال، وأدناه : المنخل والدلو والإبرة، قال ابن كثير : وهذا الذي قاله عكرمة حسن، فإنه يشمل الأقوال كلها، وترجع كلها إلى شيء واحد، وهو ترك المعاونة بمال أو بمنفعة .
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنْ صَاحِبِ كَنْزٍ لاَ يُؤَدِّي حَقَّهُ إِلاَّ جَعَلَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُحْمَى عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَى بِهَا جَبْهَتُهُ وَجَنْبُهُ وَظَهْرُهُ حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ تَعَالَى بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ثُمَّ يُرَى سَبِيلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ وَمَا مِنْ صَاحِبِ غَنَمٍ لاَ يُؤَدِّي حَقَّهَا إِلاَّ جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَوْفَرَ مَا كَانَتْ فَيُبْطَحُ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ فَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا وَتَطَؤُهُ بِأَظْلاَفِهَا لَيْسَ فِيهَا عَقْصَاءُ وَلاَ جَلْحَاءُ كُلَّمَا مَضَتْ أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولاَهَا حَتَّى يَحْكُمَ اللَّهُ بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ثُمَّ يُرَى سَبِيلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ وَمَا مِنْ صَاحِبِ إِبِلٍ لاَ يُؤَدِّي حَقَّهَا إِلاَّ جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَوْفَرَ مَا كَانَتْ فَيُبْطَحُ لَهَا بِقَاعٍ قَرْقَرٍ فَتَطَؤُهُ بِأَخْفَافِهَا كُلَّمَا مَضَتْ عَلَيْهِ أُخْرَاهَا رُدَّتْ عَلَيْهِ أُولاَهَا حَتَّى يَحْكُمَ اللَّهُ تَعَالَى بَيْنَ عِبَادِهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ ثُمَّ يُرَى سَبِيلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ধনী ব্যক্তি তার হাক্ব (যাকাত) আদায় না করলে ক্বিয়ামাতের দিন সোনা ও রুপা জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে তার ললাটে, তার পার্শ্বদেশে ও তার পৃষ্ঠদেশে সেঁক দেয়া হবে। এমন শাস্তি অব্যাহত থাকবে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে ফায়সালা করার দিন পর্যন্ত, যে দিন হবে তোমাদের গণনা অনুসারে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। এরপর সে নিজের গন্তব্যস্থান চাক্ষুস দেখবে, জান্নাত অথবা জাহান্নাম। আর যে মেষপালের মালিক তার যাকাত দেয় না ক্বিয়ামাতের দিন সেগুলো পূর্বের চেয়েও সংখ্যায় অধিক ও মোটা-তাজা অবস্থায় উপস্থিত হবে এবং তাকে শিং দিয়ে গুতা মারবে ও খুর দিয়ে দলিত করবে। ওসবের কোনোটিই বাঁকা শিং বিশিস্ট বা শিংবিহীন হবে না। যখন সর্বশেষ জানোয়ারটি তাকে দলিত করে চলে যাবে, তখন প্রথমটিকে আবার তার কাছে আনা হবে। এরূপ চলতে থাকবে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে ফয়সালা করার দিন পর্যন্ত, যে দিনটি হবে তোমাদের হিসাব মতে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। এরপর সে তার গন্তব্যস্থান প্রত্যক্ষ করবে, জান্নাত অথবা জাহান্নাম। আর যে উটের মালিক উটের যাকাত প্রদান করে না ক্বিয়ামাতের দিন ঐ উট পূর্বের চাইতেও সংখ্যায় অধিক ও মোটা-তাজা অবস্থায় মালিকের নিকট উপস্থিত হবে। তাকে এক বিশাল সমভূমিতে উপুড় করে শোয়ানো হবে এবং পশুগুলো তাকে খুর দিয়ে দলন করতে থাকবে। সর্বশেষ পশুটি তাকে অতিক্রম করার পর প্রথমটিকে পুনরায় তার কাছে ফিরে আনা হবে। এরূপ চলতে থাকবে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাঝে ফয়সালা করার দিন পর্যন্ত, যেদিন হবে তোমাদের গণনা অনুযায়ী পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। অতঃপর সে তার গন্তব্যস্থল প্রত্যক্ষ করবে, হয়তো জান্নাত অথবা জাহান্নাম।
সহীহ : মুসলিম। বুখারী সংক্ষেপে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (987)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . حمّاد : هو ابن سلمة، وأبو صالح : هو ذكوان السمان وأخرجه مسلم بطوله (٩٨٧) من طرق عن سهيل بن أبي صالح، بهذا الإسناد . وأخرجه مختصراً بذكر الكنز النسائي في " الكبرى " (١١٥٥٧) من طريق معمر، عن سهيل، به . بلفظ : " ما من رجل لا يؤدي زكاة ماله إلا جعل له يوم القيامة شجاعاً من نار، فيكوى بها جبهته وجبينه وظهره في يوم كان مقداره خمسين ألف سنة، حتى يقضى بين الناس ". وأخرجه مسلم (٩٨٧) من طريق بكير بن عبد الله، عن أبي صالح، به . بنحو حديث سهيل عند المصنف . وأخرجه مختصراً بذكر الكنز البخاري (١٤٠٣) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٢٧٣) من طريق عبد الله بن دينار، عن أبي صالح، به . إلا أنه قال في روايته : " من آتاه الله مالاً فلم يؤد زكاته، مُثل له يوم القيامة شجاعاً أقرع له زبيبتان، يطوِّقه يوم القيامة، ثم يأخذ بلهزمتيه - يعني بشِدقَيه - ثم يقول : أنا مالك أنا كنزك ". وأخرجه نحوه مختصراً البخاري (٦٩٥٨) من طريق همام بن منبه، وابن ماجه (١٧٨٦) من طريق عبد الرحمن بن يعقوب، كلاهما عن أبي هريرة، به . ولفظهما في الكنز بنحو لفظ عبد الله بن دينار عن أبي صالح . وأخرجه البخاري (١٤٠٢) ، والنسائي في " الكبرى " (٢٢٤٠) من طريق عبد الرحمن ابن هرمز، عن أبي هريرة، به . ورواية البخاري ليس فيها ذكر الكنز . ولفظ رواية النسائي في الكنز كرواية عبد الله بن دينار، عن أبي صالح . وهو في " مسند أحمد " (٧٥٦٣) ، و " صحيح ابن حبان " (٣٢٥٣) و (٣٢٥٤). وانظر ما سيأتي برقم (١٦٥٩) و (١٦٦٠). القاع : الأرض الواسعة . قر قر : أملس . والأظلاف : جمع ظلف وهو للبقر والغنم بمنزلة الحافر للفرس، والعقصاء : ملتوية القرن، والجلحاء : التي لا قرن لها .
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ . قَالَ فِي قِصَّةِ الإِبِلِ بَعْدَ قَوْلِهِ " لاَ يُؤَدِّي حَقَّهَا " . قَالَ " وَمِنْ حَقِّهَا حَلْبُهَا يَوْمَ وِرْدِهَا " .
আবূ হুরাইরাহ (রা:) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তাতে উটের ব্যাপারে উল্লেখ রয়েছে: যে ব্যক্তি তার হাক্ব আদায় করে না। এর হাক্ব হচ্ছে, পানি পান করার দিন তার দুধ দোহন করা।
সহীহ : মুসলিম। বুখারী সংক্ষেপে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (2371) صحیح مسلم (987)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، وهذا إسناد حسن . هشام بن سعد حديثه حسن في المتابعات والشواهد، وقد توبع . وأخرجه مسلم بتمامه (٩٨٧) من طريق هشام بن سعد، و (٩٨٧) من طريق حفص بن ميسرة، كلاهما عن زيد بن أسلم، به . وأخرج البخاري (٢٣٧٨) من طريق عبد الرحمن بن أبي عمرة عن أبي هريرة، به . رفعه : " من حق الإبل أن تُحلَب على الماء ". وانظر ما قبله . قال الطيبي : ومعنى حلبها يوم وردها : أن يسقي ألبانها المارة، وهذا مثل نهيه ﵊ عن الجذاذ بالليل أراد أن يصرم بالنهار ليحضرها الفقراء . وقال ابن عبد الملك : وحصر يوم الورد لاجتماعهم غالباً على المياه، وهذا على سبيل الاستحباب . وقال ابن حزم في " المحلى " ٦ / ٥٠ : وفرض على كل ذي إبل وبقر وغنم أن يحلبها يوم وردها على الماء، ويتصدق من لبنها بما طابت به نفسه . قال شعيب : وأهل القرى في دمشق بارك الله فيهم الذين عندهم البقر يُوزِّع غالبهم الحليب يوم الجمعة على الفقراء حسبة لله، وقد كانوا يفعلون ذلك إذ كنت فيهم قبل ربع قرن، وأظنهم لا يزالون يقومون بذلك إلى يومنا هذا لما أعلم فيهم من الكرم وحب الخير، والبر بالفقراء والمساكين .
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي عُمَرَ الْغُدَانِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذِهِ الْقِصَّةِ فَقَالَ لَهُ - يَعْنِي لأَبِي هُرَيْرَةَ - فَمَا حَقُّ الإِبِلِ قَالَ تُعْطِي الْكَرِيمَةَ وَتَمْنَحُ الْغَزِيرَةَ وَتُفْقِرُ الظَّهْرَ وَتُطْرِقُ الْفَحْلَ وَتَسْقِي اللَّبَنَ .
আবূ হুরাইরাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এরূপই বলতে শুনেছি। বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলেন, উটের হাক্ব কি? তিনি বললেন, উত্তমটি দান করা, অধিক দুগ্ধবতী দান করা, তার পৃষ্ঠে আরোহণ করতে দেয়া, পুরুষ উট দ্বারা প্রজনন করতে দেয়া এবং দুধ (অভাবীদের) পান করতে দেয়া। [১৬৬০]
হাসান, পরবর্তী হাদীসের কারণে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن لغيره
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، أخرجہ النسائي (2444 وسندہ حسن) وصححہ ابن خزیمۃ (2322 وسندہ حسن)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، وهذا إسناد ضعيف لجهالة أبي عمر - ويقال : عمرو - الغُداني . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٢٢٣٤) من طريق سعيد بن أبي عروبة عن قتادة، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " (١٠٣٥١). وقول أبي هريرة آخر الحديث أخرجه ابن أبي شيبة ٧ / ٣٣ عن وكيع عن عكرمة ابن عمار، عن علقمة بن الزبرقان - وهو علقمة بن بجالة بن الزبرقان - قال : قلت لأبي هريرة : ما حق الإبل … وعلقمة هذا ذكره ابن حبان في " الثقات " ، وفي " مشاهير علماء الأمصار " وقال : كان ثبتاً . وانظر سابقيه . الغزيرة : الكثيرة اللبن، والمنيحة : الشاة اللبون، أو الناقة ذات الدَّرِ تُعار لدرها، فإذا حُلبت رُدت إلى صاحبها، وإفقار الظهر : إعارته للركوب، يقال : أفقرت الرجل بعيري : إذا أعرته ظهره يركبه، ويبلغ عليه حاجته، وإطراق الفحل : إعارته للضرب لا يمنعه إذا طلبه، ولا يأخذ عليه أجرة .