মুসনাদ আশ-শাফিঈ
1493 - أَخْبَرَنَا الثِّقَةُ ، عَنِ ابْنِ أَبِي خَالِدٍ ، عَنْ قَيْسٍ ، عَنْ جَرِيرٍ ، قَالَ : كَانَتْ بَجِيلَةُ رُبُعَ النَّاسِ، فَقَسَمَ لَهُمْ عُمَرُ رُبُعَ السَّوَادِ، فَاسْتَغَلُّوهُ ثَلاثَ أَوْ أَرْبَعَ سِنِينَ، أَنَا شَكَكْتُ، ثُمَّ قَدِمْتُ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَمَعِي فُلانَةُ بِنْتُ فُلانٍ امْرَأَةٌ مِنْهُمْ قَدْ سَمَّاهَا، لا يَحْضُرُنِي ذِكْرُ اسْمِهَا، فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ : ` لَوْلا أَنِّي قَاسِمٌ مَسْئُولٌ لَتَرَكْتُكُمْ عَلَى مَا قُسِمَ لَكُمْ، وَلَكِنِّي أَرَى أَنْ تَرُدُّوا عَلَى النَّاسِ ` *
জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাজীলা গোত্র ছিল (ঐ সময়কার) মানুষের এক-চতুর্থাংশ। অতঃপর উমার (রাঃ) তাদের জন্য আস-সাওয়াদ (ইরাকের উর্বর ভূমি) এর এক-চতুর্থাংশ ভাগ করে দেন। তারা তিন বা চার বছর এর সুবিধা ভোগ করে – (বর্ণনাকারী বলেন,) আমি সন্দেহ পোষণ করছি। এরপর আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর কাছে এলাম। আমার সাথে তাদের গোত্রের এক মহিলা ছিল— (যার নাম তিনি উল্লেখ করেছিলেন— কিন্তু) আমার এখন তার নাম মনে পড়ছে না— (তিনি হলেন) অমুক বিনতে অমুক। অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন: “আমি যদি বণ্টনকারী না হতাম এবং (পরকালে) আমাকে জবাবদিহি করতে না হতো, তাহলে তোমাদের জন্য যা বণ্টন করা হয়েছিল, আমি তোমাদেরকে তার উপরেই রাখতাম। কিন্তু আমার মনে হয়, তোমরা তা সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দাও।”