يقال قعرت الشئ إِذَا بَلَغْتَ قَعْرَهُ وَيَكُونُ سَبْعِينَ ظَرْفُ زَمَانٍ وفيه خبران التَّقْدِيرَ أَنَّ بُلُوغَ قَعْرِ جَهَنَّمَ لَكَائِنٌ فِي سَبْعِينَ خَرِيفًا وَالْخَرِيفُ السَّنَةُ وَاللَّهُ أَعْلَمُ قَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم (لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ يَدْعُوهَا فَأُرِيدُ أَنْ أَخْتَبِئَ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لِأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ) وَفِي الرِّوَايَةِ الْأُخْرَى
আল মিনহাজ
খন্ডঃ 3 | পৃষ্ঠাঃ 73
বলা হয় যে, ‘আমি কোনো বস্তুর তলদেশে পৌঁছালাম’ (قعرت الشئ), যখন আপনি সেটির গভীরতম প্রান্তে (قعر) উপনীত হন। এখানে ‘সত্তর’ (سبعين) শব্দটি সময়ের আধার (ظرف زمان) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এতে দুটি বর্ণনা রয়েছে। এর বিশ্লেষণ হলো—জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছানো সত্তরটি শরতের (خريف) সমান সময়ের বিষয়। আর এখানে ‘শরৎ’ দ্বারা বছর বোঝানো হয়েছে; আল্লাহই সর্বজ্ঞ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: "প্রত্যেক নবীর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দোয়া রয়েছে যা তিনি প্রার্থনা করেন; আমি আমার সেই দোয়াটি কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের সুপারিশের (شفاعة) জন্য সংরক্ষিত রাখতে চাই।" আর অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে—