وقد ترجم فيه للأعلام النبلاء من بداية الإسلام إلى سنة (700 هـ) تقريبا، وكسره على خمس وثلاثين طبقة (1) ، كل طبقة تستوعب عشرين سنة، تقريبا وأفراد المجلدين الأول والثاني للسيرة النبوية الشريفة، وسير الخلفاء الراشدين، ولكنه لم يعد صياغتهما، وإنما أحال على كتابه العظيم " تاريخ الإسلام " لتؤخذ منه، وتضم إلى السير، كما سنوضحه فيما بعد.
والمنهج العام الذي اتبعه الذهبي في الترجمة هو أنه يذكر اسم المترجم ونسبه ولقبه وكنيته ونسبته، ثم يذكر تاريخ مولده (2) ، وأحوال نشأته ودراسته، وأوجه نشاطه، والمجال الذي اختص به، وأبدع فيه، والشيوخ الذين التقى بهم، وروى عنهم، وأفاد منهم، والتلاميذ الذين أخذوا عنه، وانتفعوا، بعلمه، وتخرجوا به، وآثاره العلمية، أو الأدبية، أو الاجتماعية، ثم يبين منزلته من خلال أقاويل العلماء الثقات فيه معتمدا في ذلك على أوثق المصادر ذات الصلة الوثيقة بالمترجم، ثم يذكر تاريخ وفاته، ويدقق في ذلك تدقيقا بارعا، وربما رجح قولا على آخر عند اختلاف المؤرخين (3) .
وقد نثر غير ما حديث في تراجم المحدثين مما وقع له من طريقهم بإسناد عال موافقة أو بدلا أو مساواة.
وهو على الأغلب يراعي في طول الترجمة أو قصرها قيمة المترجم
সিয়ারু আলামীন নুবালা
খন্ডঃ | পৃষ্ঠাঃ 144
এতে তিনি ইসলামের সূচনা থেকে আনুমানিক ৭০০ হিজরি পর্যন্ত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গের জীবনী আলোচনা করেছেন এবং গ্রন্থটিকে প্রায় পঁয়ত্রিশটি স্তরে (১) বিন্যস্ত করেছেন, যেখানে প্রতিটি স্তর প্রায় বিশ বছর সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড দুটিকে পবিত্র সীরাতুন্নবী এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের জীবনীর জন্য নির্দিষ্ট করেছেন। তবে তিনি সেগুলোর নতুন কোনো রূপরেখা প্রণয়ন করেননি, বরং তার মহান গ্রন্থ ‘তারিখুল ইসলাম’-এর উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন যেন সেখান থেকে সেগুলো গ্রহণ করে জীবনীগুলোর সাথে যুক্ত করা হয়, যা আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করব।
জীবনী রচনায় আয-যাহাবী যে সাধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন তা হলো—তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম, বংশপরিচয়, উপাধি, কুনিয়াত (উপনাম) এবং নিসবত (সম্পর্কিত স্থান বা গোত্র) উল্লেখ করেন। এরপর তার জন্ম তারিখ (২), শৈশব ও শিক্ষা জীবনের অবস্থা, কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক, তার বিশেষায়িত ও সৃজনশীল ক্ষেত্রসমূহ, যে সকল শাইখ বা শিক্ষকের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন, যাদের থেকে বর্ণনা করেছেন ও উপকৃত হয়েছেন এবং যে সকল ছাত্র তার থেকে জ্ঞান অর্জন করে উপকৃত ও দক্ষ হয়ে বের হয়েছেন, তাদের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তার ইলমি, সাহিত্যিক কিংবা সামাজিক অবদানসমূহ আলোচনা করেন। অতঃপর নির্ভরযোগ্য আলেমদের মন্তব্যের আলোকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মর্যাদা তুলে ধরেন, যার জন্য তিনি ওই ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎসসমূহের ওপর নির্ভর করেন। সবশেষে তিনি অত্যন্ত নিপুণ সূক্ষ্মতার সাথে মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করেন এবং ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ থাকলে কোনো একটি মতকে প্রাধান্য দেন (৩)।
মুহাদ্দিসগণের জীবনী বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি উচ্চতর সনদসহ (ইসনাদে আলী) তাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত একাধিক হাদীস সন্নিবেশিত করেছেন, যেগুলো মুওয়াফাকাত, বদল কিংবা মুসাওয়াত পর্যায়ের সনদ সমৃদ্ধ।
তিনি সাধারণত জীবনীর দৈর্ঘ্য বা সংক্ষিপ্ততার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির গুরুত্ব ও মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখেছেন।