Part 2 | Page 83
খন্ডঃ 2 | পৃষ্ঠাঃ 83
অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতেমা বিনতে দাহহাক বিন সুফিয়ান আল-কিলাবিয়াকে বিবাহ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, "তুমি এক মহান সত্তার আশ্রয় গ্রহণ করেছ; সুতরাং তোমার পরিবারের সাথে গিয়ে মিলিত হও।" অতঃপর তিনি তার সাথে বিচ্ছেদ সম্পন্ন করেন। এদিকে আত্তাব বিন আসীদ লোকজনকে নিয়ে হজ পালন করেন। যিলহজ মাসে মারিয়া আল-কিবতিয়ার গর্ভে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পুত্র ইব্রাহিম জন্মগ্রহণ করেন। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অন্তরে (পিতৃত্ব নিয়ে) কিছুটা সংশয় জাগ্রত হলে জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) এসে বললেন, "হে ইব্রাহিম, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।" এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দুশ্চিন্তা দূরীভূত হলো। আনসারী নারীরা তাকে দুগ্ধপান করানোর জন্য একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলেন যে, কে তাকে দুধ পান করাবেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে উম্মে বুর্দাহ বিনতে মুনযির বিন যায়দ ও তার স্বামী ইবনে মাবযুলের নিকট সোপর্দ করলেন এবং তিনিই তাকে দুধ পান করাতেন। সপ্তম দিনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার মাথা মুণ্ডন করেন এবং চুলের ওজন পরিমাণ রৌপ্য মিসকিনদের মাঝে সদকা করেন। এছাড়া তার পক্ষ থেকে দুটি ভেড়া দ্বারা আকীকা সম্পন্ন করেন। তিনি ষোলো মাস জীবিত ছিলেন।