হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (2632)


2632 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، [ص:360] عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي شَيْئًا مِنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ جَالِسًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَجَعَلَ يَقْرَأُ، فَإِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنَ السُّورَةِ ثَلَاثُونَ آيَةً أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً، قَامَ فَقَرَأَ، ثُمَّ رَكَعَ»
رقم طبعة با وزير = (2623)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাতের কোন সালাত বসে আদায় করতে দেখি নাই, যতদিন না তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি (বসে দীর্ঘ) কিরা‘আত করতেন, অতঃপর যখন সূরার ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর রুকূ‘ করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (2500). تنبيه!! رقم (2500) = (2509) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2633)


2633 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَقْرَأُ فِي صَلَاتِهِ جَالِسًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَكَانَ يَقْرَأُ وَهُوَ جَالِسٌ، فَإِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنَ السُّورَةِ ثَلَاثُونَ آيَةً أَوْ أَرْبَعُونَ آيَةً، قَامَ فَقَرَأَهَا، ثُمَّ رَكَعَ»
رقم طبعة با وزير = (2624)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাতের) কোন সালাত বসে আদায় করতেন না, যতদিন না তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি বসে (দীর্ঘ) কিরা‘আত করতেন, অতঃপর যখন সূরার ৩০ আয়াত বা ৪০ আয়াত বাকি থাকতো, তখন তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর তা পাঠ করতেন তারপর রুকূ‘ করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১২৪০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৩৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪০৯৭; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৬; হুমাইদী: ১৯২; সহীহ আল বুখারী: ১১১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩১; আবূ দাঊদ: ৯৫৩; নাসাঈ: ৩/২২০; ইবনু মাজাহ: ১২২৭; তাহাবী: ১/৩৩৮; সুনান বাইহাকী: ২/৪৯০; বাগাবী: ৯৭৯; তিরমিযী: ৩৭৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৭৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2634)


2634 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «[ص:361] كَانَ يُصَلِّي ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ، ثُمَّ يُوتِرُ، ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، ثُمَّ يَقُومُ فَيَقْرَأُ، ثُمَّ يَرْكَعُ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالْإِقَامَةِ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ»
رقم طبعة با وزير = (2625)




আবূ সালামাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে আট রাকা‘আত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন এবং এক রাকা‘আত বিতর আদায় করতেন। তারপর তিনি বসে ‍দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়াতেন অতঃপর কিরা‘আত পাঠ করতেন, তারপর রুকূ‘ করতেন এবং ফজরের আযান ও ইকামতের মাঝে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।”[1]



[1] বাগাবী: ৯৬৪; সহীহ ‍মুসলিম: ৭৩৮; আবূ দাঊদ: ১৩৪০; নাসাঈ: ৩/২৫১; সহীহ বুখারী: ১১৫৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২১১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1211): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2635)


2635 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا أَبُو حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْعِشَاءَ تَجَوَّزَ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَنَامُ وَعِنْدَ رَأْسِهِ طَهُورُهُ وَسِوَاكُهُ، فَيَقُومُ فَيَتَسَوَّكُ وَيَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي، وَيَتَجَوَّزُ [ص:362] بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي ثَمَانِ رَكَعَاتٍ يُسَوِّي بَيْنَهُنَّ فِي الْقِرَاءَةِ، ثُمَّ يُوتِرُ بِالتَّاسِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَلَمَّا أَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَخَذَ اللَّحْمُ، جَعَلَ الثَّمَانَ سِتًّا، وَيُوتِرُ بِالسَّابِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ يَقْرَأُ فِيهِمَا: قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَإِذَا زُلْزِلَتْ»
رقم طبعة با وزير = (2626) أَبُو حُرَّةَ اسْمُهُ وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ




সা‘দ বিন হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইশার সালাত আদায় করতেন, তখন সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি ঘুমিয়ে যেতেন আর তাঁর মাথার কাছে ওযূর পানি ও মিসওয়াক থাকতো। তারপর তিনি ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক করতেন এবং ওযূ করতেন অতঃপর সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে আট রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। এগুলিতে তিনি সমান পরিমাণ কিরাআত করতেন। তারপর তিনি নবম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। অতঃপর বসে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হন এবং শরীর ভারী হয়ে যায়, তখন আট রাকা‘আতের স্থলে ছয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেন এবং সপ্তম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। তারপর তিনি বসে দুই রাকা‘আত সালাত পড়তেন, তাতে তিনি قُلْ يا أيها الكافرون (বলুন, হে কাফিরগণ।– সূরা কাফিরূন: ১) ও إذا زلزلت (যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে। -সূরা যিলযাল: ১) পড়তেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ হুর্রার নাম ওয়াসিল বিন আব্দুর রহমান।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১০৪; আবূ দাঊদ: ১৩৫২; নাসাঈ: ৩/২২০-২২১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1419).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2636)


2636 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ اللَّيْلِ، فَقَضَى حَاجَتَهُ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، [ص:363] ثُمَّ نَامَ، ثُمَّ قَامَ فَأَتَى الْقِرْبَةَ، فَأَطْلَقَ شِنَاقَهَا، ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا بَيْنَ الْوُضُوئَيْنِ، لَمْ يُكْثِرْ وَقَدْ أَبْلَغَ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى، فَقُمْتُ فَتَمَطَّيْتُ كَرَاهِيَةَ أَنْ يَرَى أَنِّي كُنْتُ أَرْقُبُهُ، فَقُمْتُ فَتَوَضَّأْتُ، فَقَامَ يُصَلِّي، فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ، فَأَخَذَ بِأُذُنِي فَأَدَارَنِي عَنْ يَمِينِهِ، فَتَتَامَّتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً، ثُمَّ اضْطَجَعَ فَنَامَ حَتَّى نَفَخَ، وَكَانَ إِذَا نَامَ نَفَخَ، فَإِذَا بِلَالٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلَاةِ، فَقَامَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ، وَكَانَ فِي دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا، وَفِي بَصَرِي نُورًا، وَفِي سَمْعِي نُورًا، وَعَنْ يَمِينِي نُورًا، وَعَنْ يَسَارِي نُورًا، وَفَوْقِي نُورًا، وَتَحْتِي نُورًا، وَأَمَامِي نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَأَعْظِمْ لِي نُورًا» قَالَ كُرَيْبٌ: فَلَقِيتُ بَعْضَ وَلَدِ الْعَبَّاسِ، فَحَدَّثَنِي بِهِنَّ وَذَكَرَ: «عَصَبِي، وَلَحْمِي، وَدَمِي، وَشَعْرِي، وَبَشَرِي»، وَذَكَرَ خَصْلَتَيْنِ
رقم طبعة با وزير = (2627)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার আমার খালা মাইমূনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বাড়িতে রাত্রি যাপন করি। এই রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে তাঁর হাজত পূরণ করেন। তারপর তিনি তার চেহারা ও হাত ধৌত করেন তারপর তিনি ঘুমিয়ে যান। তারপর তিনি আবার ঘুম থেকে উঠে মশকের কাছে আসেন এবং তার মুখ খুলেন অতঃপর তিনি মাঝারি রকমের ওযূ করেন; অতিরিক্ত করেননি তবে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর আমিও উঠি এবং আড়মোড় ভাঙ্গি এই শংকায় যে, তিনি আমাকে দেখে ফেলবেন যে, আমি তাঁকে পর্যবেক্ষন করছি। আমি উঠে গিয়ে ওযূ করি। তিনি সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়ান অতঃপর আমি তাঁর বাম পাশে দাঁড়াই। তখন তিনি আমার কান ধরে ঘুরিয়ে তাঁর ডান পাশে নেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত ১৩ রাকা‘আত পূর্ণ হয়। তারপর তিনি শুয়ে ঘুমিয়ে যান এবং নাক ডাকেন। তিনি যখন ঘুমাতেন, নাক ডাকতেন। তারপর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে তাঁকে সালাতের কথা জানান। তখন তিনি উঠে যান এবং সালাত আদায় করেন। কিন্তু নতুন করে ওযূ করেননি। তিনি দু‘আ করতেন: اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي بَصَرِي نُورًا وَفِي سَمْعِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِي نُورًا وَعَنْ يَسَارِي نُورًا وَفَوْقِي نُورًا وَتَحْتِي نُورًا وَأَمَامِي نُورًا وَخَلْفِي نُورًا وَأَعْظِمْ لِي نُورًا (হে আল্লাহ, আপনি আমার অন্তর নূর দিন, আমার দৃষ্টিতে নূর দিন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দিন, আমার ডানে নূর দিন, আমার বামে নূর দিন, আমার উপরে নূর দিন, আমার নিচে ‍নূর দিন, আমার সামনে নূর দিন, আমার পিছনে নূর দিন, আমাকে মহান নূর দিন)। কুরাইব রহিমাহুল্লাহ বলেন, “অতঃপর আমি আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কোন এক সন্তানের সাথে সাক্ষাত করি। তিনি আমাকে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেন এবং তিনি আরো উল্লেখ করেন, عَصَبِي ولحمي ودمي وشعري وبشري (আমার স্নায়ু, গোসত, রক্ত, চুল ও চামড়ায় নূর দিন), এবং তিনি আরো দুটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ৬৩১৬; সহীহ মুসলিম: ৭৬৩; শামায়েলে তিরমিযী: ২৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৮৬২; আবূ দাঊদ: ৫০৪৩; ইবনু মাজাহ: ৫০৮; নাসাঈ: ২/২১৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২২৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1226): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2637)


2637 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْوَاسِطِيُّ، وَجُمْعَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَلْخِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا أَلْفَاهُ السَّحَرَ عِنْدِي إِلَّا نَائِمًا»، يَعْنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2628)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি তাঁকে সাহারীর সময় আমার নিকট কেবল ঘুমন্ত অবস্থায় পেয়েছি।” অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১১৩৩; আবূ দাঊদ: ১৩১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৪২; ইবনু মাজাহ: ১১৯৭; সুনান বাইহাকী: ৩/৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১৯১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1191).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2638)


2638 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، قَالَ: [ص:365] سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ يَنَامُ أَوَّلَ اللَّيْلِ ثُمَّ يَقُومُ، فَإِذَا كَانَ مِنَ السَّحَرِ أَوْتَرَ، ثُمَّ أَتَى فِرَاشَهُ، فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةُ الْمَرْءِ بِأَهْلِهِ كَانَ، فَإِذَا سَمِعَ الْأَذَانَ وَثَبَ، فَإِنْ كَانَ جُنُبًا أَفَاضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ وَإِلَّا تَوَضَّأَ، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ»
رقم طبعة با وزير = (2629) قَالَ: أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «هَذِهِ الْأَخْبَارُ لَيْسَ بَيْنَهَا تَضَادٌّ، وَإِنْ تَبَايَنَتْ أَلْفَاظُهَا وَمَعَانِيهَا مِنَ الظَّاهِرِ، لِأَنَّ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بِاللَّيْلِ عَلَى الْأَوْصَافِ الَّتِي ذُكِرَتْ عَنْهُ، لَيْلَةً بِنَعْتٍ وَأُخْرَى بِنَعْتٍ آخِرَ، فَأَدَّى كُلُّ إِنْسَانٍ مِنْهُمْ مَا رَأَى مِنْهُ، وَأَخْبَرَ بِمَا شَاهَدَ، وَاللَّهُ جَلَّ وَعَلَا جَعَلَ صَفِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُعَلِّمًا لِأُمَّتِهِ قَوْلًا وَفِعْلًا، فَدَلَّنَا تَبَايُنُ أَفْعَالِهِ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ عَلَى أَنَّ الْمَرْءَ مُخَيَّرٌ بَيْنَ أَنْ يَأْتِيَ بِشَيْءٍ مِنَ الْأَشْيَاءِ الَّتِي فَعَلَهَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَلَاتِهِ بِاللَّيْلِ دُونَ أَنْ يَكُونَ الْحُكْمُ لَهُ فِي الِاسْتِنَانِ بِهِ فِي نَوْعٍ مِنْ تِلْكَ الْأَنْوَاعِ لَا الْكُلِّ»




আসওয়াদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “তিনি রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন তারপর উঠে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর যখন ভোরের কাছাকাছি হতো, তখন তিনি বিতর সালাত আদায় করতেন। তারপর যদি তাঁর স্ত্রীর কাছে কোন মানবীয় প্রয়োজন থাকতো (তবে তা পূরণ করতেন)। অতঃপর যখন আযান শুনতেন, তখন তিনি লাফ দিয়ে উঠতেন। অতঃপর যদি তিনি জুনুবী থাকতেন, তবে তাঁর উপর পানি ঢেলে দিতেন। আর যদি জুনুবী না থাকতেন, তবে তিনি ওযূ করে সালাত আদায় করার জন্য বেরিয়ে যেতেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এসব হাদীসের মাঝে কোন বৈপরীত্ব নেই, যদিও বাহ্যত সেসবের শব্দ ও অর্থের মাঝে ভিন্নতা আছে। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন রাতে একভাবে সালাত আদায় করেছেন আরেকরাতে অন্যভাবে আদায় করেছেন। অতঃপর প্রত্যেকেই যা দেখেছেন, তা-ই বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয়পাত্রকে উম্মতের জন্য কথায় ও কাজে শিক্ষক বানিয়েছেন। তাহাজ্জুদ সালাতের ব্যাপারে তাঁর কর্মের বিভিন্নতা আমাদের কাছে প্রমাণ করে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাহাজ্জুদ সালাতের ব্যাপারে যেসব আমল করেছেন, সেগুলোর কোন একটি পালনে ব্যক্তির স্বাধীনতা রয়েছে। এমন নয় যে, এসবগুলো বাদে যে কোন একটি পালন করা সুন্নাত।”



[1] ইবনু মাজাহ: ১৩৬৫; মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৫৩; সহীহ মুসলিম: ৭৩৯; নাসাঈ: ৩/২১৮; সহীহ আলবুখারী: ১১৪৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মুখতাসারুশ শামাইল: ২২৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «مختصر الشمائل» (223).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2639)


2639 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يَعْلَى بْنُ مَمْلَكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ، ثُمَّ يُسَبِّحُ، ثُمَّ يُصَلِّي بَعْدُ مَا شَاءَ اللَّهُ مِنَ اللَّيْلِ، ثُمَّ يَنْصَرِفُ فَيَرْقُدُ مِثْلَ مَا يُصَلِّي، ثُمَّ يَسْتَيْقِظُ مِنْ نَوْمَتِهِ تِلْكَ، فَيُصَلِّي مِثْلَ مَا نَامَ، وَصَلَاتُهُ تِلْكَ الْآخِرَةُ تَكُونُ إِلَى الصُّبْحِ»
رقم طبعة با وزير = (2630)




ইয়ালা বিন মামলাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর তাসবীহ পাঠ করতেন। তারপর তিনি রাতে সালাত আদায় করতেন, যতটা আল্লাহ চাইতেন। তারপর তিনি ঘুমাতে যেতেন অতঃপর যে পরিমাণ সালাত পড়তেন, সে পরিমাণ ঘুমাতেন। তারপর তিনি আবার ঘুম থেকে জাগতেন অতঃপর যে পরিমাণ ঘুমাতেন সে পরিমাণ সালাত আদায় করতেন। আর তার শেষ সালাত ভোর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতো।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/২৯৭; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭০৯; তাবারানী আল কাবীর: ২৩/৬৪৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৬০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (260)، «المشكاة» (1210 / التحقيق الثاني).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2640)


2640 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْعِشَاءَ تَجَوَّزَ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَنَامُ وَعِنْدَ رَأْسِهِ طَهُورُهُ وَسِوَاكُهُ، فَيَقُومُ فَيَتَسَوَّكُ وَيَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي، وَيَتَجَوَّزُ بِرَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ يُسَوِّي بَيْنَهُنَّ فِي الْقِرَاءَةِ، ثُمَّ يُوتِرُ بِالتَّاسِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَلَمَّا أَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَخَذَ اللَّحْمُ، جَعَلَ الثَّمَانِ سِتًّا، وَيُوتِرُ بِالسَّابِعَةِ، وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ يَقْرَأُ فِيهِمَا: قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَإِذَا زُلْزِلَتْ»
رقم طبعة با وزير = (2631) أَبُو حُرَّةَ وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ




সা‘দ বিন হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইশার সালাত আদায় করতেন, তখন সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি ঘুমিয়ে যেতেন আর তাঁর মাথার কাছে ওযূর পানি ও মিসওয়াক থাকতো। তারপর তিনি ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক করতেন এবং ওযূ করতেন অতঃপর সংক্ষেপে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে আট রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। এগুলিতে তিনি সমান পরিমাণ কিরাআত করতেন। তারপর তিনি নবম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। অতঃপর বসে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি বয়োঃবৃদ্ধ হন এবং শরীর ভারী হয়ে যায়, তখন আট রাকা‘আতের স্থলে ছয় রাকা‘আত সালাত আদায় করেন এবং সপ্তম রাকা‘আতের মাধ্যমে বিতর করতেন। তারপর তিনি বসে দুই রাকা‘আত সালাত পড়তেন, তাতে তিনি قُلْ يا أيها الكافرون (বলুন, হে কাফিরগণ।– সূরা কাফিরূন: ১) ও إذا زلزلت (যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে। -সূরা যিলযাল: ১) পড়তেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ হুর্রার নাম ওয়াসিল বিন আব্দুর রহমান।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১০৪; আবূ দাঊদ: ১৩৫২; নাসাঈ: ৩/২২০-২২১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - هو مكرر (2626). تنبيه!! رقم (2626) = (2635) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2641)


2641 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «[ص:368] يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، لَا تَكُنْ مِثْلَ فُلَانٍ، كَانَ يَقُومُ اللَّيْلَ فَتَرَكَ قِيَامَ اللَّيْلِ» قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ دَلِيلٌ عَلَى [ص:369] إِبَاحَةِ قَوْلِ الْإِنْسَانِ بِظَهْرِ الْغَيْبِ فِي الْإِنْسَانِ مَا إِذَا سَمِعَهُ اغْتَمَّ بِهِ، إِذَا أَرَادَ هَذَا الْقَائِلُ بِهِ إِنْبَاهَ غَيْرِهِ دُونَ الْقَدْحِ فِي هَذَا الَّذِي قَالَ فِيهِ مَا قَالَ»
رقم طبعة با وزير = (2632)




আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হে আব্দুল্লাহ বিন আমর, তুমি ওমুকের মতো হয়ো না, যে রাতে কিয়াম করতো, তারপর সে তা ছেড়ে দিয়েছে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, কোন ব্যক্তির পশ্চাতে এমন কিছু বলা জায়েয, যা শুনলে সে ব্যক্তি দুঃখিত হবে, যখন উক্ত ব্যক্তি অন্যকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে এমনটা বলবেন; নিন্দা করার উদ্দেশ্যে বলবে না।”



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৭; আবূ দাঊদ: ১৩১৩; ইবনু মাজাহ: ১৩৪৩; সুনান বাইহাকী: ২/৪৮৪; আবূ আওয়ানা: ২/২৭১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহুত তারগীব: ৬৪১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح الترغيب» (641): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2642)


2642 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ سَعِيدٍ السَّعِيدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَمِلَ عَمَلًا أَثْبَتَهُ، وَكَانَ إِذَا نَامَ مِنَ اللَّيْلِ، أَوْ مَرِضَ صَلَّى مِنَ النَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2633)

2642 - قَالَتْ: «وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ لَيْلَةً حَتَّى الصَّبَاحِ، وَلَا صَامَ شَهْرًا مُتَتَابِعًا إِلَّا رَمَضَانَ»
رقم طبعة با وزير = (2633) قَالَ: أَبُو حَاتِمٍ: «فِي هَذَا الْخَبَرِ دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الْوِتْرَ لَيْسَ بِفَرْضٍ، إِذْ لَوْ كَانَ فَرْضًا لَصَلَّى مِنَ النَّهَارِ مَا فَاتَهُ مِنَ اللَّيْلِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً»




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন আমল করতেন, তখন তা বহাল রাখতেন। আর যখন তিনি রাতে ঘুমিয়ে থাকতেন অথবা অসুস্থ হতেন, তখন তিনি দিনে ১২ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আরো বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখিনি ভোর পর্যন্ত পুরো রাত সালাত আদায় করেছেন আর রমযান ব্যতিত কোন মাসেও দেখিনি যে, তিনি ধারাবাহিকভাবে পুরো মাস সিয়াম রেখেছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, বিতর সালাত ফরয নয়। কেননা যদি বিতর সালাত ফরয হতো, তবে রাতে যে (বিতরসহ) ১৩ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন, তা দিনে আদায় করতেন।”



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৯; বাগাবী: ৯৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১৪; আবূ আওয়ানা: ২/৩২১-৩২২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাউদ: ১২১৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى مختصرا (2411). تنبيه!! رقم (2411) = (2420) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2643)


2643 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ بِعَسْقَلَانَ، حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ [ص:370] بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ أَخْبَرَاهُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدِ الْقَارِيِّ مِنْ بَنِي قَارَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ، أَوْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ، فَقَرَأَهُ فِيمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ، كُتِبَ لَهُ كَأَنَّمَا قَرَأَهُ بِاللَّيْلِ»
رقم طبعة با وزير = (2634)




উমার বিন খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাতে তার নির্ধারিত নফল ইবাদত অথবা কিছু নফল ইবাদত থেকে ঘুমিয়ে থাকে, অতঃপর তা ফজর থেকে যোহরের মাঝে পাঠ (আদায়) করে, তবে তার জন্য লিপিবদ্ধ করে দেওয়া হয় যেন সে রাতে তা পাঠ (আদায়) করেছে।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৭; আবূ দাঊদ: ১৩১৩; ইবনু মাজাহ: ১৩৪৩; সুনান বাইহাকী: ২/৪৮৪; আবূ আওয়ানা: ২/২৭১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাউদ: ১১৮৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1186): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2644)


2644 - أَخْبَرَنَا أَبُو فِرَاسٍ مُحَمَّدُ بْنُ جُمْعَةَ الْأَصَمُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعِيشَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ زُرَارَةَ بْنَ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَمِلَ عَمَلًا أَثْبَتَهُ»، وَقَالَتْ: «كَانَ إِذَا نَامَ مِنَ اللَّيْلِ أَوْ مَرِضَ صَلَّى بِالنَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً، وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ لَيْلَةً حَتَّى الصُّبْحِ، وَلَا صَامَ شَهْرًا مُتَتَابِعًا إِلَّا رَمَضَانَ»
رقم طبعة با وزير = (2635)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন আমল করতেন, তখন তা বহাল রাখতেন। আর যখন তিনি রাতে ঘুমিয়ে থাকতেন অথবা অসুস্থ হতেন, তখন তিনি দিনে ১২ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আরো বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখিনি ভোর পর্যন্ত পুরো রাত সালাত আদায় করেছেন আর রমযান ব্যতিত কোন মাসেও দেখিনি যে, তিনি ধারাবাহিকভাবে পুরো মাস সিয়াম রেখেছেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৯; বাগাবী: ৯৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১৪; আবূ আওয়ানা: ২/৩২১-৩২২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাউদ: ১২১৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر (2633). تنبيه!! وقعت كنيت الراوي «مُحَمَّدُ بْنُ جُمْعَةَ الأَصَمُّ» في «طبعة باوزير»، «أَبُو قُرَيش» بدلا من «أَبُو فِرَاسٍ». ملحوظة رقم (2633) = (2642) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2645)


2645 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجُنَيْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، [ص:372] عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا لَمْ يُصَلِّ مِنَ اللَّيْلِ، مَنَعَهُ عَنْ ذَلِكَ النَّوْمُ أَوْ غَلَبَتْهُ عَيْنَاهُ، صَلَّى مِنَ النَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً»
رقم طبعة با وزير = (2636)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুমের কারণে অথবা তাঁর দুচোখ তাঁকে পরাভূত করার কারণে যখন রাতে সালাত আদায় করতে না পারতেন, তখন তিনি দিনে ১২ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৯; বাগাবী: ৯৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১৪; আবূ আওয়ানা: ২/৩২১-৩২২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাউদ: ১২১৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2646)


2646 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ السِّجِسْتَانِيُّ بِدِمَشْقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَمِلَ عَمَلًا أَثْبَتَهُ، وَكَانَ إِذَا نَامَ مِنَ اللَّيْلِ، أَوْ مَرِضَ، صَلَّى مِنَ النَّهَارِ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً» قَالَتْ: «وَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ لَيْلَةً حَتَّى الصَّبَاحِ، وَلَا صَامَ شَهْرًا مُتَتَابِعًا إِلَّا رَمَضَانَ»
رقم طبعة با وزير = (2637)




আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোন আমল করতেন, তখন তা বহাল রাখতেন। আর যখন তিনি রাতে ঘুমিয়ে থাকতেন অথবা অসুস্থ হতেন, তখন তিনি দিনে ১২ রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আরো বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখিনি ভোর পর্যন্ত পুরো রাত সালাত আদায় করেছেন আর রমযান ব্যতিত কোন মাসেও দেখিনি যে, তিনি ধারাবাহিকভাবে পুরো মাস সিয়াম রেখেছেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৭৪৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১১৬৯; বাগাবী: ৯৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৪৭১৪; আবূ আওয়ানা: ২/৩২১-৩২২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবু দাউদ: ১২১৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2647)


2647 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ نَسِيَ صَلَاةً، فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا»
رقم طبعة با وزير = (2638)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, সে যেন তা পড়ে নেয়, যখন তা স্মরন হবে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৪৩; আবূ আওয়ানা: ২/২৫২; সহীহ মুসলিম: ৬৮৪; তিরমিযী: ১৭৮; নাসাঈ: ১/২৯৩; ইবনু মাজাহ: ৬৯৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৬৬; সুনান বাইহাকী: ২/২১৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৯৩; সহীহ আল বুখারী: ৫৯৭; আবূ দাঊদ: ৪৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৩; দারেমী: ১/২৮০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (1553). تنبيه!! رقم (1553) = (1555) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (2648)


2648 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ نَسِيَ [ص:374] صَلَاةً، فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا، لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ»
رقم طبعة با وزير = (2639) قَالَ: أَبُو حَاتِمٍ: فِي قَوْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا، لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ» دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الصَّلَاةَ لَوْ أَدَّاهَا عَنْهُ غَيْرُهُ لَمْ تُجْزِ عَنْهُ، إِذِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا كَفَّارَةَ لَهَا إِلَّا ذَلِكَ»، يُرِيدُ إِلَّا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا، وَفِيهِ دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الْمَيِّتَ إِذَا مَاتَ وَعَلَيْهِ صَلَوَاتٌ لَمْ يَقْدِرْ عَلَى أَدَائِهَا فِي عِلَّتِهِ لَمْ يَجُزْ أَنْ يُعْطَى الْفُقَرَاءَ عَنْ تِلْكَ الصَّلَوَاتِ الْحِنْطَةَ، وَلَا غَيْرَهَا مِنْ سَائِرِ الْأَطْعِمَةِ وَالْأَشْيَاءِ




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, সে যেন তা পড়ে নেয়, যখন তা স্মরন হবে। তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “সে যেন তা পড়ে নেয়, যখন তা স্মরন হবে। তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই” এর মাঝে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, কোন ব্যক্তির সালাত যদি অন্য কেউ আদায় করে, তবে তা যথেষ্ট হবে না। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তার জন্য এছাড়া আর কোন কাফ্ফারা নেই” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তবে যখন তার তা স্মরণ হবে, তখন তা পড়ে নিবে। আর এখানে আরো দলীল রয়েছে যে, যখন কেউ মারা যাবে এমন অবস্থায় যে তার উপর বেশ কিছু সালাত ফরয ছিল, যা তিনি অসুস্থতার কারণে আদায় করতে পারেননি, তবে এক্ষেত্রে জায়েয হবে না এসব সালাতের জন্য ফকীরদের গম, অন্য কোন খাদ্য বা অন্য কিছু প্রদান করা।”



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৪৩; আবূ আওয়ানা: ২/২৫২; সহীহ মুসলিম: ৬৮৪; তিরমিযী: ১৭৮; নাসাঈ: ১/২৯৩; ইবনু মাজাহ: ৬৯৬; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৬৬; সুনান বাইহাকী: ২/২১৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩৯৩; সহীহ আল বুখারী: ৫৯৭; আবূ দাঊদ: ৪৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৩; দারেমী: ১/২৮০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2649)


2649 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابَهُ لَمَّا نَامُوا عَنِ الصَّلَاةِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «صَلُّوهَا الْغَدَ لِوَقْتِهَا»
رقم طبعة با وزير = (2640)




আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ যখন সালাত না পড়ে ঘুমিয়ে থাকতেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, “তোমরা এই সালাত আগামীকাল যথা সময়ে আদায় করবে।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩০৯; নাসাঈ: ১/২৯৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (465): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2650)


2650 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزَاةٍ، فَلَمَّا كَانَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ عَرَّسَ، فَمَا اسْتَيْقَظَ حَتَّى أَيْقَظَنَا حَرُّ الشَّمْسِ، فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَقُومُ دَهِشًا فَزِعًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ارْكَبُوا»، فَرَكِبَ وَرَكِبْنَا، فَسَارَ حَتَّى ارْتَفَعَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ نَزَلَ فَأَمَرَ بِلَالًا فَأَذَّنَ، وَفَرَغَ الْقَوْمُ مِنْ حَاجَاتِهِمْ، وَتَوَضَّؤُوا، وَصَلَّوَا الرَّكْعَتَيْنِ، ثُمَّ أَقَامَ، فَصَلَّى بِنَا، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَا نَقْضِيهَا لِوَقْتِهَا مِنَ الْغَدِ؟ قَالَ: «يَنْهَاكُمْ رَبُّكُمْ عَنِ الرِّبَا وَيَقْبَلُهُ مِنْكُمْ؟ »
رقم طبعة با وزير = (2641)




ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একটা যুদ্ধে চলছিলাম, অতঃপর যখন রাতের শেষ প্রহর হলো তখন তিনি যাত্রাবিরতি দিলেন। তারপর সূর্যের তাপ আমাদের জাগিয়ে না তুলা পর্যন্ত আমাদের কেউ জাগ্রত হয়নি। অতঃপর লোকজন বিস্ময় ও ভীত হয়ে একে একে উঠতে লাগলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা বাহনে আরোহন কর।” অতঃপর তিনি বাহনে আরোহন করেন আমরাও বাহনে আরোহন করি। তারপর তিনি সূর্য উঁচুতে উঠা পর্যন্ত চলতে থাকলেন। তারপর বাহন থেকে নামলেন এবং বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান দেওয়ার আদেশ দিলেন ফলে তিনি আযান দিলেন। লোকজন তাদের হাজত পূরণ করেন। অতঃপর ওযূ করে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তিনি ইকামত দিলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তখন আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমরা কি এই আগামীকাল যথাসময়ে কাযা করবো না?” জবাবে তিনি বলেন, “তোমাদের প্রভু কি তোমাদেরকে সুদ থেকে নিষেধ করে, নিজে তা গ্রহণ করবেন?”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৯৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৪৪১; দারাকুতনী: ১/৩৮৫; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪০০; সুনান বাইহাকী: ২/২১৭; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৫৪-৫৫; আবূ দাঊদ: ৪৪৩; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২২৪১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৪৭০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (470) ق: دون: وصلَّوا ركعتين.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين إلا أن رواية هشام وهو ابن حسان عن الحسن يتكلمون فيها









সহীহ ইবনু হিব্বান (2651)


2651 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: عَرَّسْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمْ نَسْتَيْقِظْ حَتَّى طَلَعَتِ الشَّمْسُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لِيَأْخُذْ كُلُّ إِنْسَانٍ بِرَأْسِ رَاحِلَتِهِ، فَإِنَّ هَذَا لَمَنْزِلٌ حَضَرَنَا فِيهِ الشَّيْطَانُ»، فَفَعَلْنَا، فَدَعَا بِالْمَاءِ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ صَلَّى سَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ
رقم طبعة با وزير = (2642)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বিশ্রামের জন্য শেষরাত্রে যাত্রা বিরতি দেই। অতঃপর সুর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কেউ জাগ্রত হতে পারি নাই। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “প্রত্যেকেই যেন তার বাহন নেয় অতঃপর এই জায়গা ত্যাগ করে। কেননা এটা এমন জায়গা যেখানে শয়তান উপস্থিত হয়েছে।” অতঃপর আমরা তা-ই করলাম। তারপর তিনি পানি আনতে বলেন, অতঃপর ওযূ করেন এবং দুই রাকাআত সালাত আদায় করেন। তারপর সালাতের ইকামত দেওয়া হয়।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৪২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২৫২; সহীহ মুসলিম: ৬৮০; নাসাঈ: ১/২৯৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৯৮৮; সুনান বাইহাকী: ২/২১৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৬৪; ইবনুল জারুদ: ২৪০; তাহাবী: ১/৪০২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ১৪৫৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مضى (1457). تنبيه!! رقم (1457) = (1459) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم