হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (2661)


2661 - أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ: صَلَّى بِنَا عَلْقَمَةُ الظُّهْرَ خَمْسًا، فَقَالَ لَهُ إِبْرَاهِيمُ، فَقَالَ: وَأَنْتَ يَا أَعْوَرُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «[ص:385] فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ»، ثُمَّ حَدَّثَ عَلْقَمَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ ذَلِكَ
رقم طبعة با وزير = (2651)




ইবরাহিম বিন সুওয়াইদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আলকামাহ রহিমাহুল্লাহ আমাদের নিয়ে একবার যোহরের সালাত পাঁচ রাকা‘আত আদায় করেন, তখন ইবরাহিম রহিমাহুল্লাহ তাকে বিষয়টি বললে তিনি বলেন, “হে কানা, তুমিও বলছো? ”জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ।” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি দুটি সাহু সাজদা করেন। তারপর আলকামাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেন।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ৫৭২; আবূ দাঊদ: ১০২২; নাসাঈ: ৩/৩২; আবূ আওয়ানা: ২/২০৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৬৫১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2662)


2662 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةً - قَالَ إِبْرَاهِيمُ: لَا أَدْرِي أَزَادَ نَقَصَ - فَلَمَّا سَلَّمَ قِيلَ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَحَدَثَ فِي الصَّلَاةِ شَيْءٌ؟ قَالَ: «لَا، وَمَا ذَاكَ؟ » قَالُوا: صَلَّيْتَ كَذَا وَكَذَا، قَالَ: فَثَنَى رِجْلَهُ، وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ، وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ، فَلَمَّا أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ قَالَ: «إِنَّهُ لَوْ حَدَثَ فِي الصَّلَاةِ شَيْءٌ أَنْبَأْتُكُمْ بِهِ، وَلَكِنِّي إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ، أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ، فَإِذَا نَسِيتُ فَذَكِّرُونِي، وَإِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ، فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ، وَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ، ثُمَّ لْيُسَلِّمْ، ثُمَّ لْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (2652)




আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার সালাত আদায় করেন। – ইবরাহিম রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি জানি না, তিনি সালাত বেশি পড়েছিলেন নাকি কম পড়েছিলেন।– অতঃপর যখন তিনি সালাম ফেরালেন, তখন তাঁকে বলা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে কোন কিছু (নতুন কোন বিধান) ঘটেছে কি?” জবাবে তিনি বলেন, “না, তো। (তোমরা যা বলতে চাইছো) সেটা কী?” সাহাবীগণ বললেন, “আপনি এরকম এরকম সালাত আদায় করেছেন।” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি তাঁর পা ঘুরিয়ে নেন এবং তা কিবলামুখী করে দুটি সাজদা দেন তারপর সালাম ফেরান। তারপর যখন তিনি আমাদের মুখোমুখি হন, তখন বলেন, “যদি সালাতের ব্যাপারে নতুন কিছু ঘটতো, তবে আমি তোমাদেরকে তা জানাতাম। কিন্তু আমি একজন মানুষ, আমি ভুলে যাই, যেভাবে তোমরা ভুলে যাও। কাজেই যখন আমি ভুলে যাবো, তখন তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে। আর তোমাদের কেউ যখন তার সালাতে সন্দেহ পোষন করবে, তখন সে সঠিকতা জানতে সচেষ্ট করবে এবং তার উপরই তার সালাতকে পূর্ণ করবে অতঃপর সালাম ফেরাবে তারপর দুটি (সাহু) সাজদা করবে।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৪১৯; হুমাইদী: ৯৬; সহীহুল বুখারী: ৬৬৭১; সহীহ মুসলিম: ৫৭২; ইবনু মাজাহ: ১২১১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২০১-২০২; সুনান বাইহাকী: ২/১৪-১৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (2646). تنبيه!! رقم (2646) = (2656) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (2663)


2663 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ، فَلَمْ يَدْرِ ثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا، فَلْيُصَلِّ رَكْعَةً، وَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ قَبْلَ السَّلَامِ، فَإِنْ كَانَتْ ثَالِثَةً شَفَعَتْهَا السَّجْدَتَانِ، وَإِنْ كَانَتْ رَابِعَةً فَالسَّجْدَتَانِ تَرْغِيمٌ لِلشَّيْطَانِ»
رقم طبعة با وزير = (2653) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: رَوَى هَذَا الْخَبَرَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, অতঃপর সে জানতে পারে না যে, সে তিন রাকা‘আত নাকি চার রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে, তবে সে যেন আরেক রাকা‘আত সালাত আদায় করে এবং সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাহু সাজদা করে। যদি আদতে সেটি তৃতীয় রাকা‘আত হয়, তবে এই দুটি সাজদা সেটাকে জোড় সংখ্যায় পরিণত করবে আর যদি সেটা চতুর্থ রাকা‘আত হয়, তবে সাজদা দুটি শয়তানের জন্য ‘অবমাননাকারী’ হিসেবে পরিগণিত হবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি আহমাদ বিন হাম্বল রহিমাহুল্লাহ সাফওয়ান বিন সালিহ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৫; আবূ দাঊদ: ১০২৬; তাহাবী: ১/৪৩৩; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩১; বাগাবী: ৭৫৪; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৭২; দারেমী: ১/৩৫১; সহীহ মুসলিম: ৫৭১; নাসাঈ: ৩/২৭; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; ইবনুল জারূদ: ২৪১; দারাকুতনী: ১/৩৭৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (942): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين غير صفوان بن صالح وهو ثقة









সহীহ ইবনু হিব্বান (2664)


2664 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ، فَلْيُلْقِ الشَّكَّ، وَلْيَبْنِ عَلَى الْيَقِينِ، فَإِنِ اسْتَيْقَنَ التَّمَامَ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، فَإِنْ كَانَتْ صَلَاتُهُ تَامَّةً كَانَتِ الرَّكْعَةُ نَافِلَةً، وَالسَّجْدَتَانِ نَافِلَةً، وَإِنْ كَانَتْ نَاقِصَةً كَانَتِ الرَّكْعَةُ تَمَامًا لِصَلَاتِهِ، وَالسَّجْدَتَانِ تُرْغِمَانِ أَنْفَ الشَّيْطَانِ»
رقم طبعة با وزير = (2654) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «قَدْ يَتَوَهَّمُ مَنْ لَمْ يُحْكِمْ صِنَاعَةَ الْأَخْبَارِ، وَلَا تَفَقَّهَ مِنْ صَحِيحِ الْآثَارِ، أَنَّ التَّحَرِّيَ فِي الصَّلَاةِ وَالْبِنَاءَ عَلَى الْيَقِينِ وَاحِدٌ، وَلَيْسَ كَذَلِكَ، لِأَنَّ التَّحَرِّيَ هُوَ أَنْ يَشُكَّ الْمَرْءُ فِي صَلَاتِهِ، فَلَا يَدْرِي [ص:388] مَا صَلَّى، فَإِذَا كَانَ كَذَلِكَ عَلَيْهِ أَنْ يَتَحَرَّى الصَّوَابَ، وَلْيَبْنِ عَلَى الْأَغْلَبِ عِنْدَهُ، وَيَسْجُدْ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ بَعْدَ السَّلَامِ عَلَى خَبَرِ ابْنِ مَسْعُودٍ، وَالْبِنَاءُ عَلَى الْيَقِينِ: هُوَ أَنْ يَشُكَّ الْمَرْءُ فِي الثِّنْتَيْنِ وَالثَّلَاثِ، أَوِ الثَّلَاثِ وَالْأَرْبَعِ، فَإِذَا كَانَ كَذَلِكَ عَلَيْهِ أَنْ يَبْنِيَ عَلَى الْيَقِينِ وَهُوَ الْأَقَلُّ، وَلْيُتِمَّ صَلَاتَهُ، ثُمَّ يَسْجُدْ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ قَبْلَ السَّلَامِ عَلَى خَبَرِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، سُنَّتَانِ غَيْرُ مُتَضَادَّتَيْنِ»




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার সালাতে সন্দেহ পোষন করবে, তখন সে সন্দেহকে দূরীভূত করে এবং নিশ্চিতের উপর সালাতকে প্রতিষ্ঠিত করে। যদি সে সালাত পরিপূর্ণ হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়, তবে সে দুটো সাহু সাজদা করবে। যদি আদতে সালাত পরিপূর্ণ হয়ে থাকে, তবে অতিরিক্ত রাকা‘আতটি নফল আর সাজদা দুটিও নফল হিসেবে গণ্য হবে আর যদি কম হয়ে থাকে, তবে ঐ রাকা‘আতটি তার সালাতের পূর্ণতা দানকারী আর সাজদা ‍দুটি শয়তানের নাককে ধুলিমলিন (অবমাননা) করবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস শাস্ত্রে অনভিজ্ঞ ও সহীহ হাদীসের বিষয়ে ব্যুৎপত্তি অর্জন করে নাই, সে ব্যক্তি কোন কোন সময় এই সংশয়ে নিপতিত হয় যে, সঠিকতা জানতে সচেষ্ট হওয়া আর নিশ্চিতের উপর সালাতকে দাঁড় করানো একই জিনিস। অথচ বিষয়টি এমন নয়। কেননা সঠিকতা জানতে সচেষ্ট হওয়া হলো কোন ব্যক্তি সালাতে সন্দিহান হবে, ফলে সে জানে না যে, সে কী সালাত আদায় করেছে। যখন সে এরকম হবে, তখন তার জন্য জরুরী হলো সঠিকতা জানার জন্য সচেষ্ট হবেন তার নিকট যা প্রাবল্যমান, তার উপর সালাতকে পূর্ণতা দিবেন এবং সালামের পর দুটি সাহু সাজদা দিবেন, যা আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। আর নিশ্চিতের উপর সালাতকে প্রতিষ্ঠিত করার অর্থ হলো কোন ব্যক্তি সন্দেহ পোষন করবে যে, সে দুই, তিন অথবা তিন, চার সংখ্যার ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করবে, যখন এমন হবে, তখন তার জন্য আবশ্যক হলো নিশ্চিতের উপর সালাতকে প্রতিষ্ঠিত করা। নিশ্চিত হলো দুটি সংখ্যার মধ্যে যা নূন্যতম সংখ্যা, তার উপর সালাতকে পূর্ণ করবে তারপর সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাহু সাজদা করবে, যা আব্দুর রহমান বিন আওফ ও আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। কাজেই এখানে সুন্নাত রয়েছে, যা পরস্পর বিপরীত নয়।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৩; আবূ দাঊদ: ১০২৪; ইবনু মাজাহ: ১২১০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৫; নাসাঈ: ৩/২৭; তাহাবী: ১/৪৩৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - «صحيح أبي داود» (939).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2665)


2665 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عِيَاضٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ، فَلَمْ يَدْرِ ثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا، فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، وَإِذَا أَتَى أَحَدَكُمُ الشَّيْطَانُ فَقَالَ: إِنَّكَ قَدْ أَحْدَثْتَ، فَلْيَقُلْ: كَذَبْتَ، إِلَّا مَا سَمِعَ صَوْتَهُ بِأُذُنِهِ، أَوْ وَجَدَ رِيحَهُ بِأَنْفِهِ»
رقم طبعة با وزير = (2655)




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, অতঃপর সে জানতে পারে না যে সে চার নাকি পাঁচ রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে, তবে সে যেন (সালাম ফেরানোর আগে) বসা অবস্থাতেই দুটি সাজদা করে। আর যখন তোমাদের কারো কাছে শয়তান এসে বলে, “নিশ্চয়ই তুমি বায়ু ত্যাগ করেছো!” তবে সে ব্যক্তি যেন বলে, “তুমি মিথ্যা বলেছো!” তবে যদি সে ব্যক্তি নাকে গন্ধ পায় অথবা কানে আওয়ায শুনতে পায় (তাহলে সালাত ছেড়ে দিয়ে ওযূ করে আবার সালাত আদায় করবে)।”[1]



[1] আবূ দাঊদ: ১০২৯; তিরমিযী: ৩৯৬; তাহাবী: ১/৪৩২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ১৮৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (187).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين غير عياض فإنه لم يوثقه غير المؤلف









সহীহ ইবনু হিব্বান (2666)


2666 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بِبُسْتَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا جَاءَ أَحَدَكُمُ الشَّيْطَانُ فَقَالَ: إِنَّكَ قَدْ أَحْدَثْتَ، فَلْيَقُلْ فِي نَفْسِهِ: كَذَبْتَ، حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا بِأُذُنِهِ، أَوْ يَجِدَ رِيحًا بِأَنْفِهِ»
رقم طبعة با وزير = (2656)




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারো কাছে শয়তান এসে বলে, “নিশ্চয়ই তুমি বায়ু ত্যাগ করেছো!” তবে সে ব্যক্তি যেন মনে মনে বলে, “তুমি মিথ্যা বলেছো!” যতক্ষন না সে ব্যক্তি নাকে গন্ধ পায় অথবা কানে আওয়ায শুনতে পায়।”[1]



[1] আবূ দাঊদ: ১০২৯; তিরমিযী: ৩৯৬; তাহাবী: ১/৪৩২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ১৮৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات رجال الشيخين غير عياض بن هلال وهو مجهول









সহীহ ইবনু হিব্বান (2667)


2667 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا [ص:390] شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيُلْقِ الشَّكَّ، وَلْيَبْنِ عَلَى الْيَقِينِ، فَإِنِ اسْتَيْقَنَ التَّمَامَ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، فَإِنْ كَانَتْ صَلَاتُهُ تَامَّةً كَانَتِ الرَّكْعَةُ نَافِلَةً، وَالسَّجْدَتَانِ نَافِلَةً، وَإِنْ كَانَتْ نَاقِصَةً كَانَتِ الرَّكْعَةُ تَمَامًا بِصَلَاتِهِ، وَالسَّجْدَتَانِ تُرْغِمَانِ أَنْفَ الشَّيْطَانِ»
رقم طبعة با وزير = (2657)




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ তার সালাতে সন্দেহ পোষন করবে, তখন সে সন্দেহকে দূরীভূত করে এবং নিশ্চিতের উপর সালাতকে প্রতিষ্ঠিত করে। যদি সে সালাত পরিপূর্ণ হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়, তবে সে দুটো সাহু সাজদা করবে। যদি আদতে সালাত পরিপূর্ণ হয়ে থাকে, তবে অতিরিক্ত রাকা‘আতটি নফল আর সাজদা দুটিও নফল হিসেবে গণ্য হবে আর যদি কম হয়ে থাকে, তবে ঐ রাকা‘আতটি তার সালাতের পূর্ণতা দানকারী আর সাজদা ‍দুটি শয়তানের নাককে ধুলিমলিন (অবমাননা) করবে।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৩; আবূ দাঊদ: ১০২৪; ইবনু মাজাহ: ১২১০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২৫; নাসাঈ: ৩/২৭; তাহাবী: ১/৪৩৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - انظر (2654). تنبيه!! رقم (2654) = (2664) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2668)


2668 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلَمْ يَدْرِ ثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا، فَلْيُصَلِّ رَكْعَةً، وَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ قَبْلَ السَّلَامِ، فَإِنْ كَانَتْ رَابِعَةً فَالسَّجْدَتَانِ تَرْغِيمًا لِلشَّيْطَانِ، وَإِنْ كَانَتْ خَامِسَةً شَفَعَتْهَا السَّجْدَتَانِ»
رقم طبعة با وزير = (2658) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «وَهِمَ فِي هَذَا الْإِسْنَادِ الدَّرَاوَرْدِيُّ حَيْثُ قَالَ: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَإِنَّمَا هُوَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَكَانَ إِسْحَاقُ يُحَدِّثُ مِنْ حِفْظِهِ كَثِيرًا، فَلَعَلَّهُ مِنْ وَهْمِهِ أَيْضًا»




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, অতঃপর সে জানতে পারে না যে, সে তিন রাকা‘আত নাকি চার রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে, তবে সে যেন আরেক রাকা‘আত সালাত আদায় করে এবং সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাহু সাজদা করে। যদি আদতে সেটি চতুর্থ রাকা‘আত হয়, তবে সাজদা দুটি শয়তানের জন্য ‘অবমাননাকারী’ হিসেবে পরিগণিত হবে। আর যদি সেটি পঞ্চম রাকা‘আত হয়, তবে সাজদা দুটি সালাতে জোড় সংখ্যায় পরিণত করবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসের সানাদের ব্যাপারে দারাওয়ারদী ভুল করেছেন। তিনি হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন অথচ এটি আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। আর ইসহাক বহুলাংশে মুখস্ত হাদীস বর্ণনা করতেন। সম্ভবত এই হাদীসটিও তার ভুলের অন্তর্ভুক্ত।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৫; আবূ দাঊদ: ১০২৬; তাহাবী: ১/৪৩৩; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩১; বাগাবী: ৭৫৪; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৭২; দারেমী: ১/৩৫১; সহীহ মুসলিম: ৫৭১; নাসাঈ: ৩/২৭; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; ইবনুল জারূদ: ২৪১; দারাকুতনী: ১/৩৭৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر (2653). تنبيه!! رقم (2653) = (2663) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2669)


2669 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْعِجْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ، فَلَمْ يَدْرِ كَمْ صَلَّى ثَلَاثًا أَوْ أَرْبَعًا، فَلْيَقُمْ فَلْيُصَلِّ رَكْعَةً يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَسُجُودَهَا، ثُمَّ يَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، فَإِنْ كَانَ قَدْ صَلَّى خَمْسًا شَفَعَ بِالسَّجْدَتَيْنِ، وَإِنْ كَانَ قَدْ صَلَّى أَرْبَعًا كَانَتِ السَّجْدَتَانِ تَرْغِيمًا لِلشَّيْطَانِ»
رقم طبعة با وزير = (2659) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «خَبَرُ ابْنِ مَسْعُودٍ، وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، مِمَّا قَدْ يُوهِمُ عَالِمًا مِنَ النَّاسِ أَنَّ التَّحَرِّيَ فِي الصَّلَاةِ وَالْبِنَاءَ عَلَى الْيَقِينِ وَاحِدٌ، وَحُكْمَاهُمَا مُخْتَلِفَانِ، لِأَنَّ فِي خَبَرِ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي ذِكْرِ التَّحَرِّي أَمَرَ بِسَجْدَتَيِ السَّهْوِ بَعْدَ السَّلَامِ، وَفِي خَبَرِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ فِي الْبِنَاءِ عَلَى الْيَقِينِ: أَمَرَ بِسَجْدَتَيِ السَّهْوِ قَبْلَ السَّلَامِ، [ص:392] وَالْفَصْلُ بَيْنَ التَّحَرِّي وَالْبِنَاءِ عَلَى الْيَقِينِ: أَنَّ الْبِنَاءَ عَلَى الْيَقِينِ هُوَ أَنْ يَشُكَّ الْمَرْءُ فِي صَلَاتِهِ، فَلَا يَدْرِي ثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا، فَإِذَا كَانَ كَذَلِكَ فَلْيَبْنِ عَلَى مَا اسْتَيْقَنَ وَهُوَ الثَّلَاثُ، وَيُتِمَّ صَلَاتَهُ، وَيَسْجُدْ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ قَبْلَ السَّلَامِ، وَأَمَّا التَّحَرِّي: فَهُوَ أَنْ يَدْخُلَ الْمَرْءُ فِي صَلَاتِهِ، ثُمَّ اشْتَغَلَ بِقَلْبِهِ بِبَعْضِ أَسْبَابِ الدِّينِ أَوِ الدُّنْيَا حَتَّى مَا يَدْرِي أَيَّ شَيْءٍ صَلَّى أَصْلًا، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ تَحَرَّى عَلَى الْأَغْلَبِ عِنْدَهُ، وَيَبْنِي عَلَى مَا صَحَّ لَهُ مِنَ التَّحَرِّي مِنْ صَلَاتِهِ، وَيُتِمُّهَا، وَيَسْجُدُ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ بَعْدَ السَّلَامِ حَتَّى يَكُونَ مُسْتَعْمِلًا لِلْخَبَرَيْنِ مَعًا»




আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ (সালাতে) সন্দেহ করে, অতঃপর সে জানতে পারে না যে, সে তিন রাকা‘আত নাকি চার রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে, তবে সে যেন উঠে আরেক রাকা‘আত সালাত আদায় করে, যাতে সে রুকূ‘ ও সাজদা পরিপূর্ণভাবে করবে তারপর বসা অবস্থায় দুটি সাহু সাজদা করে। যদি আদতে সেটি পাঁচ রাকা‘আত পড়ে থাকে, তবে সে দুই সাজদার মাধ্যমে সালাতকে জোড় সংখ্যায় পরিণত করবে আর যদি সে চার রাকা‘আত সালাত পড়ে থাকে, তবে সাজদা দুটি শয়তানের জন্য ‘অবমাননাকারী’ হিসেবে পরিগণিত হবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ ও আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীসের ব্যাপারে কোন কোন আলিম এই সংশয়ে নিপতিত হয় যে, সালাতে সঠিকতা অনুসন্ধান করা আর নিশ্চিতের উপর সালাত বিনির্মান করা একই, কিন্তু তাদের হুকুম আলাদা। কেননা আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে সঠিকতা অনুসন্ধানের আলোচনায় সালাম ফেরানোর পর দুটি সাহু সাজদা করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে নিশ্চিতের উপর উপর ভিত্তি করে সালাম পূর্ণ করার ক্ষেত্রে সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাহু সাজদা করার নির্দেশ দিয়েছেন। সঠিকতা অনুসন্ধান ও নিশ্চিতের উপর সালাম বিনির্মান করা মাঝে পার্থক্য হলো নিশ্চিতের উপর সালাম বিনির্মান করার ক্ষেত্রে মুসল্লী ব্যক্তি সন্দিহান হয় ফলে সে জানে না যে, তিন রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে নাকি চার রাকা‘আত। ‍যখন এরকম হবে, তখন নিশ্চিতের উপর সালাত বিনির্মান করবে। আর নিশ্চিত রাকা‘আত হলো তিন রাকা‘আত। অতঃপর সালাত পূর্ণ করে সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাহু সাজদা করবে। আর সঠিকতা অনুসন্ধান হলো কোন ব্যক্তি সালাতে প্রবেশ করবে, তারপর সে দ্বীন বা দুনিয়ার কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করে, ফলে সে আদৌ জানতে পারে না সে কী সালাত আদায় করেছে। যখন এমন হবে, তখন সে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে সালাত বিনির্মান করবে অতঃপর সালাত পূর্ণ করে সালাম ফেরানোর পর দুটি সাহু সাজদা করবে। এভাবে দুই হাদীসের উপরই আমল করবে।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৫; আবূ দাঊদ: ১০২৬; তাহাবী: ১/৪৩৩; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩১; বাগাবী: ৭৫৪; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৭২; দারেমী: ১/৩৫১; সহীহ মুসলিম: ৫৭১; নাসাঈ: ৩/২৭; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; ইবনুল জারূদ: ২৪১; দারাকুতনী: ১/৩৭৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري









সহীহ ইবনু হিব্বান (2670)


2670 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عُمَرَ الْخَطَّابِيُّ بِالْبَصْرَةِ، أَبُو سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَوَابٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى بِهِمْ، فَسَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ، ثُمَّ تَشَهَّدَ وَسَلَّمَ»
رقم طبعة با وزير = (2660) «[ص:393] تَفَرَّدَ بِهِ الْأَنْصَارِيُّ، مَا رَوَى ابْنُ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ، وَخَالِدٌ تِلْمِيذُهُ»




ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার তাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি সাজদায়ে সাহু করেন তারপর তাশাহহুদ পাঠ করেন এবং সালাম ফেরান।”[1] হাদীসটি আনসারী এককভাবে বর্ণনা করেছেন, ইবনু সিরীন খালিদ থেকে এই হাদীস ছাড়া আর কোন হাদীস বর্ণনা করেননি। আর খালিদ তার ছাত্র।



[1] আবূ দাঊদ: ১০৩৯; তিরমিযী: ৩৯৫; নাসাঈ: ৩/২৬; বাগাবী: ৭৬১; হাকিম: ১/৩২৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শায বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে তাশাহ্হুদের উল্লেখসহ শায বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ১৯৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ بذكر التشهد - «ضعيف أبي داود» (193)، «الإرواء» (403).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (2671)


2671 - أَخْبَرَنَا شَبَابُ بْنُ صَالِحٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ قَحْطَبَةَ، قَالَا: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلَّمَ فِي ثَلَاثِ رَكَعَاتٍ مِنَ الْعَصْرِ، فَقَالَ لَهُ الْخِرْبَاقُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَسِيتَ أَمْ قُصِرَتِ الصَّلَاةُ؟ فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَصَدَقَ الْخِرْبَاقُ؟ » فَقَالُوا: نَعَمْ. فَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَةً، ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2661)




ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আসরের সালাতে তিন রাকা‘আতে সালাম ফেরান। তখন খিরবাক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি কি ভুলে গিয়েছেন নাকি সালাত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে?” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “খিরবাক কি সঠিক বলেছে?” সাহাবীগণ বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তখন তিনি দাঁড়ান অতঃপর এক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন তারপর দুটি সাজদা করেন অতঃপর সালাম ফেরান।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৪১৯; হুমাইদী: ৯৬; সহীহুল বুখারী: ৬৬৭১; সহীহ মুসলিম: ৫৭২; ইবনু মাজাহ: ১২১১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২০১-২০২; সুনান বাইহাকী: ২/১৪-১৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (933): م. تنبيه!! هذا الحديث لم يرد في «طبعة باوزير» إلا في هذا الموضع بينما في «طبعة المؤسسة» ورد في هذا الموضع وورد أيضا برقم (2654). وهو مكرر ولا فرق بينهما. - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2672)


2672 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عُمَرَ الْخَطَّابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَوَابٍ الْحُصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيُّ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى بِهِمْ، فَسَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ، ثُمَّ تَشَهَّدَ وَسَلَّمَ»
رقم طبعة با وزير = (2662)




ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার তাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি সাজদায়ে সাহু করেন তারপর তাশাহহুদ পাঠ করেন এবং সালাম ফেরান।”[1]



[1] আবূ দাঊদ: ১০৩৯; তিরমিযী: ৩৯৫; নাসাঈ: ৩/২৬; বাগাবী: ৭৬১; হাকিম: ১/৩২৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে শায বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে তাশাহ্হুদের উল্লেখসহ শায বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ১৯৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ - انظر (2660). تنبيه!! رقم (2660) = (2670) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (2673)


2673 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي عَوْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ خَتَنُ الْمُقْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى صَلَاةَ الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ ثَلَاثَ رَكَعَاتٍ، فَقِيلَ لَهُ، فَقَالَ: «أَكَذَلِكَ؟ » قَالُوا: نَعَمْ، فَصَلَّى رَكْعَةً، ثُمَّ تَشَهَّدَ وَسَلَّمَ، ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ، ثُمَّ سَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2663)




ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার যোহর অথবা আসরের সালাতে তিন রাকা‘আতে সালাম ফেরান। তখন তাঁকে তা বলা হলে, তিনি বলেন, “বিষয়টি কি এমনই?” সাহাবীগণ বলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তখন তিনি আরেক রাকা‘আত সালাত আদায় করেন তারপর তাশাহ্হুদ পাঠ করেন এবং সালাম ফেরান তারপর দুটি সাজদা করেন অতঃপর সালাম ফেরান।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/৪১৯; হুমাইদী: ৯৬; সহীহুল বুখারী: ৬৬৭১; সহীহ মুসলিম: ৫৭২; ইবনু মাজাহ: ১২১১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৮; আবূ আওয়ানা: ২/২০১-২০২; সুনান বাইহাকী: ২/১৪-১৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (933)، «الإرواء» (2/ 126 / 400): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2674)


2674 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ أَيُّوبَ يُحَدِّثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَغْرِبَ، فَسَهَا فَسَلَّمَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ، ثُمَّ انْصَرَفَ»، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّكَ سَهَوْتَ فَسَلَّمْتَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ، «فَأَمَرَ بِلَالًا، فَأَقَامَ الصَّلَاةَ، ثُمَّ أَتَمَّ تِلْكَ الرَّكْعَةَ»، وَسَأَلْتُ النَّاسَ عَنِ الرَّجُلِ الَّذِي قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّكَ سَهَوْتَ، فَقِيلَ لِي: تَعْرِفُهُ؟ فَقُلْتُ: لَا، إِلَّا أَنْ أُرَاهُ، وَمَرَّ بِي رَجُلٌ، فَقُلْتُ: هُوَ هَذَا، فَقَالُوا: هَذَا طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ
رقم طبعة با وزير = (2664)




মু‘আবিয়া বিন হুদাইজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করি। অতঃপর তিনি তাতে ভুল করেন এবং দ্বিতীয় রাকা‘আতে সালাম ফেরান। তারপর তিনি চলে যান। অতঃপর এক ব্যক্তি তাঁকে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি ভুল করেছেন এবং দ্বিতীয় রাকা‘আতে সালাম ফিরিয়েছেন। অতঃপর তিনি বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আদেশ দিলে, তিনি সালাতের ইকামত দেন। তারপর তিনি সেই রাকা‘আত পূর্ণ করেন।” যেই ব্যক্তি বলেছিলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি ভুল করেছেন” আমি সেই ব্যক্তি সম্পর্কে লোকদের জিজ্ঞেস করলাম, তখন আমাকে বলা হলো, “আপনি কি তাঁকে চিনেন?” আমি বললাম, “না। তবে আমি তাকে দেখলে চিনতে পারবো। তারপর আমার পাশ দিয়ে এক ব্যক্তি গমন করলে, আমি বলি, “ইনি সেই ব্যক্তি।” তখন লোকজন বলেন, “ইনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু।”[1]



[1] হাকিম: ১/২৬১; ‍সুনান বাইহাকী: ২/৩৫৯; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪০১; আবূ দাঊদ: ১০২৩; নাসাঈ: ২/১৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৩৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (938).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (2675)


2675 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى صَلَاتَيِ الْعَشِيِّ - وَأَظُنُّ أَنَّهَا الظُّهْرُ - رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ قَامَ إِلَى خَشَبَةٍ فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ، فَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَيْهَا، إِحْدَاهُمَا عَلَى الْأُخْرَى، وَخَرَجَ سَرَعَانُ النَّاسِ، وَقَالُوا: قُصِرَتِ الصَّلَاةُ، وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا، فَهَابَا أَنْ يُكَلِّمَاهُ، قَالَ: وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ إِمَّا قَصِيرُ الْيَدَيْنِ - وَإِمَّا طَوِيلُهُمَا - يُقَالُ لَهُ: ذُو الْيَدَيْنِ، فَقَالَ: أَقُصِرَتِ الصَّلَاةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَمْ نَسِيتَ؟ فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَمْ تُقْصَرِ الصَّلَاةُ وَلَمْ أَنَسَ»، فَقَالَ: بَلْ نَسِيتَ، فَقَالَ: «أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ؟ » فَقَالُوا: نَعَمْ، فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ كَبَّرَ، وَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ، ثُمَّ كَبَّرَ وَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ [ص:397] قَالَ: وَنُبِّئْتُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّهُ قَالَ: «ثُمَّ سَلَّمَ»
رقم طبعة با وزير = (2665) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «هَذِهِ الْأَخْبَارُ الثَّلَاثَةُ قَدْ تُوهِمُ غَيْرَ الْمُتَبَحِّرِ فِي صِنَاعَةِ الْعِلْمِ أَنَّهَا مُتَضَادَّةٌ، لِأَنَّ فِي خَبَرِ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ ذَا الْيَدَيْنِ هُوَ الَّذِي أَعْلَمَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَلِكَ، وَفِي خَبَرِ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ الْخِرْبَاقَ قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَلِكَ، وَفِي خَبَرِ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ أَنَّ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ لَهُ ذَلِكَ، وَلَيْسَ بَيْنَ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ تَضَادٌّ وَلَا تَهَاتُرٌ، وَذَلِكَ أَنَّ خَبَرَ ذِي الْيَدَيْنِ: سَلَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ، وَخَبَرَ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ: أَنَّهُ سَلَّمَ مِنَ الرَّكْعَةِ الثَّالِثَةِ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ، وَخَبَرَ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ: أَنَّهُ سَلَّمَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ مِنْ صَلَاةِ الْمَغْرِبِ، فَدَلَّ مِمَّا وَصَفْنَا عَلَى أَنَّهَا ثَلَاثَةُ أَحْوَالٍ مُتَبَايِنَةٍ فِي ثَلَاثِ صَلَوَاتٍ لَا فِي صَلَاةٍ وَاحِدَةٍ»




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিয়ে বিকেলের কোন এক সালাত দুই রাকা‘আত আদায় করেন। -আর আমার ধারণা সেটা যোহরের সালাত ছিল- তারপর তিনি মাসজিদের কিবলার দিকে একটি কাঠের উদ্দেশ্যে দাঁড়ান অতঃপর তার উপর তিনি তাঁর দুই হাত একটির উপর আরেকটি রাখেন। ব্যস্ত লোকজন বের হয়ে যায় এবং তারা বলেন, “সালাত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।” লোকদের মাঝে আবূ বকর ও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাও ছিল। তাঁরা তাঁর সাথে কথা বলতে ভয় পান। রাবী বলেন, লোকদের মাঝে এক ব্যক্তি ছিল, তার হাত হয়তো খাটো ছিল – না হয় লম্বা ছিল- তাকে যুল ইয়াদাইন বলা হতো। তিনি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সালাত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি আপনি ভুলে গিয়েছেন?” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “সালাত কমিয়ে দেওয়া হয়নি আর আমি ভুলেও যাইনি।” সেই ব্যক্তি বললো, “বরং আপনি ভুলে গিয়েছেন।” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যুল ইয়াদাইন কি সত্য বলেছে?” সাহাবীগণ জবাব দিলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” তখন তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন তারপর সালাম ফেরান, তারপর তাকবীর দেন এবং পূর্বের অনুরুপ অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সাজদা করেন। তারপর তিনি মাথা উত্তোলন করেন এবং তাকবীর দেন, তারপর আবার তাকবীর দেন এবং পূর্বের অনুরুপ অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সাজদা করেন। তারপর তিনি মাথা উত্তোলন করেন এবং তাকবীর দেন।” রাবী বলেন, “ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, “তারপর তিনি সালাম ফেরান।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এসব হাদীসগুলো কোন কোন অপরিপক্ক আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসগুলো হয়তো পরস্পর বিরোধী; কেননা আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যুল ইয়াদাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলের বিষয়টি অবহিত করেছিলেন, ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, খিরবাক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুনাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলের বিষয়টি বলেছিলেন, আর মু‘আবিয়া বিন হুদাইজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভুলের বিষয়টি অবহিত করেছিলেন। বস্তুত এসব হাদীসগুলোর মাঝে কোন বৈপরীত্ব নেই। কেননা যুল ইয়াদাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহর কিংবা আসরের সালাতে দুই রাকা‘আত পড়ে সালাম ফিরিয়েছেন। ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহর কিংবা আসরের সালাতে তৃতীয় রাকা‘আত পড়ে সালাম ফিরিয়েছেন আর মুআবিয়া বিন হুদাইজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহর কিংবা মাগরিবের সালাতে দুই রাকা‘আত পড়ে সালাম ফিরিয়েছেন। কাজেই এটা প্রমাণ করে যে, এসব তিনটি সালাতের তিনটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা; একই সালাতের ঘটনা নয়- যা আমরা পূর্বে বর্ণনা করেছি।”



[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৩; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২১; সহীহ আল বুখারী: ৭১৪; আবূ দাঊদ: ১০০৯; তিরমিযী: ৩৯৯; নাসাঈ: ৩/২২; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৪৪; সুনান বাইহাকী: ২/৩৫৬; সহীহ মুসলিম: ৫৭৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯২৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (923): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2676)


2676 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجُنَيْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، قَالَ: «صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الظُّهْرَ، فَقَامَ وَعَلَيْهِ جُلُوسٌ، فَلَمَّا كَانَ فِي آخِرِ [ص:398] صَلَاتِهِ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ»
رقم طبعة با وزير = (2666)




বানু আব্দুল মুত্তালিব গোত্রের মিত্র আসাদী গোত্রের আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমাদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করেন। অতঃপর যে জায়গায় তার জন্য জরুরী ছিল বসা, সেখানে তিনি না বসে দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর যখন তিনি সালাতের শেষে পৌঁছেন, তখন তিনি বসা অবস্থায় সালাম (ফেরানোর আগে) দুটি সাজদা দেন।”[1]



[1] সহীহ আল বুখারী: ১২৩০; সহীহ মুসলিম: ৫৭০; তিরমিযী: ৩৯১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৫৮; নাসাঈ: ৩/৩৪; তাহাবী: ১/৪৩৮; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৬; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ১০৩৪; দারেমী: ১/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩৩-৩৩৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৪৪৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১২০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৯; ইবনুল জারূদ: ২৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - وتقدم (1935 و 1936). تنبيه!! رقم (1935) = (1938) من «طبعة المؤسسة». رقم (1936) = (1939) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2677)


2677 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ، عَنِ ابْنِ بُحَيْنَةَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ، فَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ، فَلَمَّا جَلَسَ فِي أَرْبَعٍ انْتَظَرَ النَّاسُ تَسْلِيمَهُ، كَبَّرَ ثُمَّ سَجَدَ، ثُمَّ كَبَّرَ ثُمَّ سَجَدَ قَبْلَ أَنْ يُسَلِّمَ»
رقم طبعة با وزير = (2667)




আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার দ্বিতীয় রাকা‘আতে উঠে যান অতঃপর সাহাবীগণও তাঁর সাথে উঠে যান। অতঃপর যখন তিনি চতুর্থ রাকা‘আতে বসেন, আর লোকজন তাঁর সালাম ফেরানোর অপেক্ষা করছিলেন, তখন তিনি তাকবীর দেন তারপর সালাম ফেরানোর আগে (সাহু) সাজদা করেন।”[1]



[1] সহীহ আল বুখারী: ১২৩০; সহীহ মুসলিম: ৫৭০; তিরমিযী: ৩৯১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৫৮; নাসাঈ: ৩/৩৪; তাহাবী: ১/৪৩৮; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৯৬; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ১০৩৪; দারেমী: ১/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩৩-৩৩৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৪৪৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১২০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৯; ইবনুল জারূদ: ২৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (946): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (2678)


2678 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ الْأَعْرَجِ، [ص:399] عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُحَيْنَةَ الْأَسَدِيِّ حَلِيفِ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِي صَلَاةِ الظُّهْرِ وَعَلَيْهِ جُلُوسٌ، فَلَمَّا أَتَمَّ صَلَاتَهُ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ أَنْ يُسَلِّمَ، وَسَجَدَهُمَا النَّاسُ مَعَهُ مَكَانَ مَا نَسِيَ مِنَ الْجُلُوسِ»
رقم طبعة با وزير = (2668)




বানু আব্দুল মুত্তালিব গোত্রের মিত্র আসাদী গোত্রের আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার যোহরের সালাতের যে জায়গায় তার জন্য বসা জরুরী ছিল, সেখানে তিনি না বসে দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর যখন তিনি সালাত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি বসা অবস্থায় সালাম ফেরানোর আগে দুটি সাজদা দেন এবং তাঁর সাথে লোকজনও সাজদা করেন। তিনি যে বসতে ভুলে গিয়েছিলেন, সেজন্য তিনি এই দুটি সাজদা প্রদান করেন।”[1]



[1] সহীহ আল বুখারী: ১২৩০; সহীহ মুসলিম: ৫৭০; তিরমিযী: ৩৯১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৫৮; নাসাঈ: ৩/৩৪; তাহাবী: ১/৪৩৮; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; মুয়াত্তা েইমাম মালিক: ১/৯৬; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ১০৩৪; দারেমী: ১/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩৩-৩৩৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৪৪৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১২০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৯; ইবনুল জারূদ: ২৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (2679)


2679 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيَّ، يَقُولُ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بُحَيْنَةَ أَخْبَرَهُ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِي ثِنْتَيْنِ مِنَ الظُّهْرِ فَلَمْ يَجْلِسْ، فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ بَعْدَ ذَلِكَ»
رقم طبعة با وزير = (2669)




আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার যোহরের সালাতের দ্বিতীয রাকা‘আতে না বসে দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর যখন তিনি সালাত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি দুটি সাজদা দেন তারপর সালাম ফেরান।”[1]



[1] সহীহ আল বুখারী: ১২৩০; সহীহ মুসলিম: ৫৭০; তিরমিযী: ৩৯১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৫৮; নাসাঈ: ৩/৩৪; তাহাবী: ১/৪৩৮; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; মুয়াত্তা েইমাম মালিক: ১/৯৬; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ১০৩৪; দারেমী: ১/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩৩-৩৩৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৪৪৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১২০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৯; ইবনুল জারূদ: ২৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৯৪৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (2680)


2680 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدَّغَوْلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ، وَابْنِ حِبَّانَ، [ص:400] عَنِ ابْنِ بُحَيْنَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فَقَامَ فِي الشَّفْعِ الَّذِي يُرِيدُ أَنْ يَجْلِسَ، فَسَبَّحْنَا فَمَضَى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ»
رقم طبعة با وزير = (2670)




আব্দুল্লাহ বিন বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার যোহরের সালাতের জোড় রাকা‘আতে না বসে দাঁড়িয়ে যান। তখন আমরা ‘সুবহানাল্লাহ’ বলি কিন্তু তিনি সালাত অব্যাহত রাখেন। অতঃপর যখন তিনি সালাত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি বসা অবস্থায় দুটি সাজদা দেন।”[1]



[1] সহীহ আল বুখারী: ১২৩০; সহীহ মুসলিম: ৫৭০; তিরমিযী: ৩৯১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৭৫৮; নাসাঈ: ৩/৩৪; তাহাবী: ১/৪৩৮; আবূ আওয়ানা: ২/১৯৩; মুয়াত্তা েইমাম মালিক: ১/৯৬; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৪৫; আবূ দাঊদ: ১০৩৪; দারেমী: ১/৩৫২; সুনান বাইহাকী: ২/৩৩৩-৩৩৪; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৩৪৪৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৩০; ইবনু মাজাহ: ১২০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১০২৯; ইবনুল জারূদ: ২৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৪৫৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2457): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده على شرط البخاري