সহীহ ইবনু হিব্বান
3001 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، [ص:268] عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَتَمَنَّيَنَّ أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ، فَإِنْ كَانَ لَابُدَّ مُتَمَنِّيًا، فَلْيَقُلِ: اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي مَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي»
رقم طبعة با وزير = (2990)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন ক্ষতি নেমে আসার কারণে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যু কামনা না করে। যদি অগত্যা মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে যেন বলে, اللهمَّ أَحْيني مَا كَانَتِ الحياةُ خَيْرًا لِي وتَوَفَّني مَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لي (হে আল্লাহ, আপনি আমাকে বাঁচিয়ে রাখুন, যতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর হবে, আর আমাকে মৃত্যু দান করুন, যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর)।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/২৮১; আত তায়ালিসী: ১/১৫২; সহীহ আল বুখারী: ৬৩৫১; সহীহ মুসলিম: ২৬৮০; তিরমিযী: ২৯৭১; নাসাঈ: ৪/৩; আবূ দাঊদ: ৩১০৮; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৪৪৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানায়েয: ১২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (683): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3002 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ السَّخْتِيَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اقْرَءُوا عَلَى مَوْتَاكُمْ يس».
رقم طبعة با وزير = (2991) [ص:271] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «قَوْلُهُ: اقْرَءُوا عَلَى مَوْتَاكُمْ يس»، أَرَادَ بِهِ مَنْ حَضَرَتْهُ الْمَنِيَّةُ لَا أَنَّ الْمَيِّتَ يُقْرَأُ عَلَيْهِ وَكَذَلِكَ قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»
মা‘কিল বিন ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমারা তোমাদের মাঝে মুমূর্ষু ব্যক্তির নিকট সূরা ইয়াসিন পাঠ করো।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমাদের তোমাদের মাঝে মুমূর্ষু ব্যক্তির নিকট সূরা ইয়াসিন পাঠ করো” এর উদ্দেশ্য হলো ঐ ব্যক্তি যার কাছে মৃত্যু উপস্থিত হয়েছে। এটা উদ্দেশ্য নয় যে, মৃত ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পড়তে হবে। অনুরুপভাবে রাসূল রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিকে لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই) এর তালকীন করো ” এর দ্বারাও উদ্দেশ্য হলো মুমূর্ষু ব্যক্তি; মৃত ব্যক্তি নয়।”
[1] বাগাবী: ১৪৬৪; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২৩৭; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৬; আবূ দাঊদ: ৩১২১; ইবনু মাজাহ: ১৪৪৮; তাবারানী: ২০/৫১০; হাকিম: ১/৫৬৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৮৩; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ: ১০৭৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৬৮৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف- «الإرواء» (688)، «المشكاة» (1622).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف
3003 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْأَنْمَاطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ غَزِيَّةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ قَوْلَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»
رقم طبعة با وزير = (2992)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিকে لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই) এর তালকীন করো।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩; সহীহ মুসলিম: ১৯১৬; নাসাঈ: ৪/৫; আবূ দাঊদ: ৩১১৭; তিরমিযী: ৯৭৬; বাগাবী: ১৪৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২৩৮; ইবনু মাজাহ: ১৪৪৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৮৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ১৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» (19): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3004 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الشَّرْقِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الثَّوْرِيُّ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنِ الْأَغَرِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَإِنَّهُ مَنْ كَانَ آخِرُ كَلِمَتِهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ عِنْدَ الْمَوْتِ، دَخَلَ الْجَنَّةَ يَوْمًا مِنَ الدَّهْرِ، وَإِنْ أَصَابَهُ قَبْلَ ذَلِكَ مَا أَصَابَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2993)
আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিকে لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই) এর তালকীন করো। কেনন মৃত্যুর সময় যে ব্যক্তির শেষ বাক্য হবে لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই), সে একদিন জান্নাতে প্রবেশ করবে, যদিও তার আগে তাকে যা (শাস্তি) পাওয়ার তা পেয়ে যায়।”[1]
[1] মুসনাদ বাযযার: ৩; তাবারানী আস সাগীর: ১১১৯; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ২/৩২৩। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৩/১৫০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «الإرواء» (3/ 150).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3005 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا حَضَرْتُمُ الْمَيِّتَ، فَقُولُوا خَيْرًا، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تُؤَمِّنُ عَلَى مَا تَقُولُونَ»، قَالَتْ: فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَقُولُ؟ قَالَ: «قُولِي: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، وَأَعْقِبْنَا عُقْبَى صَالِحَةً» قَالَتْ: فَأَعْقَبَنِي اللَّهُ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (2994)
উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হবে, তখন তোমরা ভালো কথা বলবে। কেননা তোমরা যা বলো, তাতে ফেরেস্তাগণ আমীন বলে থাকেন।” উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “যখন আবূ সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারা যান, তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি কী বলবো?” জবাবে তিনি বলেন, “তুমি বলো, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وأعْقِبْنَا عُقْبَى صَالِحَةً (হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদেরকে উত্তম পরিণতি দান কর)।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ৩১১৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬০৬৬; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩২২; তাবারানী: ২৩/৭২২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৪৪৭; তিরমিযী: ৯৭৭; নাসাঈ: ৪/৪; সহীহ মুসলিম: ৯১৯; হাকিম: ৪/১৬; বাগাবী: ১১৬১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (ইবনু মাজাহ: ১৪৪৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «ابن ماجه» (1447): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3006 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: «كُنَّا مَقْدَمَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذَا حُضِرَ الْمَيِّتُ، آذَنَّاهُ، فَحَضَرَهُ وَاسْتَغْفَرَ لَهُ حَتَّى يُقْبَضَ، فَإِذَا قُبِضَ انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَنْ مَعَهُ، فَرُبَّمَا طَالَ ذَلِكَ مِنْ حَبْسِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا خَشِينَا مَشَقَّةَ ذَلِكَ، قَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ لِبَعْضٍ: وَاللَّهِ لَوْ كُنَّا لَا نُؤْذِنُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِأَحَدٍ حَتَّى يُقْبَضَ، فَإِذَا قُبِضَ آذَنَّاهُ، فَلَمْ يَكُنْ فِي ذَلِكَ مَشَقَّةٌ عَلَيْهِ وَلَا حَبْسٌ، قَالَ: فَفَعَلْنَا فَكُنَّا لَا نُؤْذِنُهُ إِلَّا بَعْدَ أَنْ يَمُوتَ، فَيَأْتِيهِ فَيُصَلِّي عَلَيْهِ وَيَسْتَغْفِرُ لَهُ، فَرُبَّمَا انْصَرَفَ عِنْدَ ذَلِكَ، وَرُبَّمَا مَكَثَ حَتَّى يُدْفَنَ الْمَيِّتُ» قَالَ: «وَكُنَّا عَلَى ذَلِكَ حِينًا، ثُمَّ قُلْنَا: [ص:276] وَاللَّهِ لَوْ أَنَّا لَا نُحْضِرُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَحَمَلْنَا إِلَيْهِ جَنَائِزَ مَوْتَانَا حَتَّى يُصَلِّيَ عَلَيْهَا عِنْدَ بَيْتِهِ، لَكَانَ ذَلِكَ أَرْفَقَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَيْسَرَ عَلَيْهِ فَفَعَلْنَا ذَلِكَ فَكَانَ الْأَمْرُ إِلَى الْيَوْمِ»
رقم طبعة با وزير = (2995)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “প্রথম দিকে যখন আমাদের মাঝে কেউ মুমূর্ষু অবস্থায় পৌঁছতো, তখন আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা অবহিত করতাম। তখন তিনি সেখানে উপস্থিত হতেন এবং মৃত্যু অবধি তার জন্য ইস্তিগফার করতেন। যখন মারা যেত, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাথের সাহাবীগণ চলে যেতেন। এজন্য কোন কোন সময় দীর্ঘক্ষন অবস্থান করতে হতো। যখন আমরা আশংকা করলাম যে, এতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কষ্ট হয়, তখন সাহাবীদের কেউ কেউ অপরজনকে বললো, “আল্লাহর কসম, যদি আমরা কারো ব্যাপারে মৃত্যু বরণ না করা পর্যন্ত কাউকে অবহিত না করতাম, বরং যখন মারা যাবে, তখন তাঁকে অবহিত করতাম, তাহলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দীর্ঘক্ষন অবস্থান করতে হতো না এবং তাঁর কষ্টও হতো না (তবে সেটা কতইনা ভালো হতো)।” রাবী বলেন, “তারপর আমরা তা-ই করি। অতঃপর কেউ মৃত্যুবরণ না করা পর্যন্ত আমরা তাঁকে অবহিত করতাম না। অতঃপর কেউ মৃত্যুবরণ করার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসতেন, অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করতেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করতেন। তারপর কোন কোন সময় তখনই চলে যেতেন। আবার কখনো দাফন না করা পর্যন্ত অবস্থান করতেন।” রাবী বলেন, “দীর্ঘ দিন পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে। তারপর আমরা বলি, “আল্লাহর কসম, যদি আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উপস্থিত না করিয়ে আমরাই আমাদের মৃত ব্যক্তিদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতাম, তাহলে তিনি তাঁর বাড়িতেই জানাযার সালাত আদায় করতেন, তবে অবশ্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য আরামদায়ক এবং সহজ হতো। অতঃপর আমরা সেটাই করি। সেখান থেকে অদ্যবধি সেই নিয়মই বহাল রয়েছে।”[1]
[1] হাকিম: ১/৩৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৬৬; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৩/২৬। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৮৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الأحكام» (87).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات غير أبي يحيى بن سليمان ... . فقد احتج به البخاري وأصحاب السنن
3007 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذْ طَلَعَتْ جَنَازَةٌ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ» قُلْنَا: مَا يَسْتَرِيحُ وَيُسْتَرَاحُ مِنْهُ؟ فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمُؤْمِنُ يَمُوتُ وَيَسْتَرِيحُ مِنْ أَوْصَابِ الدُّنْيَا وَبَلَائِهَا وَمُصِيبَاتِهَا، وَالْكَافِرُ يَمُوتُ فَيَسْتَرِيحُ مِنْهُ الْعِبَادُ وَالْبِلَادُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ»
رقم طبعة با وزير = (2996)
আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বসে ছিলাম, এমন সময় একটি জানাযা আসলো। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “নিজে স্বস্থি লাভকারী, অথবা তার থেকে অন্যরা স্বস্থি লাভকারী।” আমরা বললাম, “নিজে স্বস্থি লাভকারী, অথবা তার থেকে অন্যরা স্বস্থি লাভকারী” এর মর্ম কী?” তখন তিনি বলেন, “মুমিন ব্যক্তি মারা যায়, আর সে এর মাধ্যমে দুনিয়ার সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ও বালা-মুসিবত থাকে স্বস্থি পেয়ে যায়, আর কাফির ব্যক্তি মারা যায়, আর এর মাধ্যমে আল্লাহর বান্দাগণ, শহর-নগর, বৃক্ষরাজি, ও প্রাণীকুল (তার অনিষ্ট থেকে) স্বস্থি পায়।”[1]
[1] নাসাঈ: ৪/৪৮-৪৯; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৪১; সহীহুল বুখারী: ৬৫১২; সহীহ মুসলিম: ৯৫০; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭৯; বাগাবী: ১৪৫৩; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৯৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৭১০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1710): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3008 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ لَمْ يُحِبَّ لِقَاءَ اللَّهِ لَمْ يُحِبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2997)
আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে মহান আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে না, মহান আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন না।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৪০; সহীহুল বুখারী: ৭৫০৪; বাগাবী: ১৪৪৮; নাসাঈ: ৪/১০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৯৯৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3009 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ سُرَيْجٍ النَّقَّالُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ» فَقَالَتْ عَائِشَةُ إِنَّا نَكْرَهُ الْمَوْتَ، فَذَاكَ كَرَاهِيَتُنَا لِقَاءَ اللَّهِ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا، وَلَكِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا حُضِرَ فَبُشِّرَ بِمَا أَمَامَهُ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، وَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا حُضِرَ، فَبُشِّرَ بِمَا أَمَامَهُ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، وَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2998)
উবাদা বিন সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে, মহান আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে না, মহান আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন না।” তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আমরা তো মৃত্যুকে অপছন্দ করি, এতে কি আমাদের আল্লাহর সাক্ষাতকে অপছন্দ করা হয়?” তখন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “না। বরং মুমিন ব্যক্তি যখন মুমূর্ষু অবস্থায় থাকে, তখন তার সামনে যা রয়েছে, তার সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসে। আর কাফির ব্যক্তি যখন মুমূর্ষু অবস্থায় থাকে, তখন তার সামনে যা রয়েছে, তার সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাতকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাতকে অপছন্দ করে।”[1]
[1] তিরমিযী: ১০৬৬; নাসাঈ: ৪/১০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩২১; দারেমী: ২/৭০৮; সহীহুল বুখারী: ৬৫০২; বাগাবী: ১৪৪৯; আত তায়ালিসী: ৫৭৪; সহীহ মুসলিম: ২৬৮৩; বাযযার: ৭৮০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৯৯৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3010 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ» قَالَتْ: فَقُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ كَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ؟ فَكُلُّنَا نَكْرَهُ الْمَوْتَ قَالَ: «لَيْسَ كَذَلِكَ وَلَكِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا بُشِّرَ بِرَحْمَةِ اللَّهِ وَرِضْوَانِهِ وَجَنَّتِهِ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، وَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا بُشِّرَ بِعَذَابِ اللَّهِ وَسَخَطِهِ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، وَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
رقم طبعة با وزير = (2999)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাতকে ভালবাসে, মহান আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসেন।” তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মৃত্যুকে অপছন্দ করা? আমরা সবাই তো মৃত্যুকে অপছন্দ করি।” জবাবে তিনি বলেন, “বিষয়টি এমন নয়। বস্তুত মুমিন ব্যক্তিকে যখন আল্লাহর রহমত, তাঁর সন্তুষ্টি ও তাঁর জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাতকে পছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাতকে ভালবাসে। আর কাফির ব্যক্তিকে যখন আল্লাহর আযাব ও তাঁর নারাজী হওয়া সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়, তখন সে আল্লাহর সাক্ষাতকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাতকে অপছন্দ করে।”[1]
[1] তিরমিযী: ১০৬৭; সহীহুল বুখারী: ৬৫০৭; সহীহ মুসলিম: ২৬৮৪; তিরমিযী: ১০৬৭; নাসাঈ: ৪/১০; ইবনু মাজাহ: ৪২৬৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৪৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৯৯৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده على شرط الشيخين
3011 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ، عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ دَخَلَ فَرَأَى ابْنًا لَهُ يَرْشَحُ جَبِينُهُ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «يَمُوتُ الْمُؤْمِنُ بِعَرَقِ الْجَبِينِ»
رقم طبعة با وزير = (3000)
বুরাইদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি তার ছেলের কাছে প্রবেশ করে দেখেন যে, তার কপাল থেকে ঘাম ঝরছে। তখন তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “মুমিন ব্যক্তি কপালের ঘামের সহিত মৃত্যু বরণ করেন।”[1]
[1] হাকিম: ১/৩৬১; তিরমিযী: ৯৮২; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৩৫০; নাসাঈ: ৪/৫-৬; ইবনু মাজাহ: ১৪৫২; আত তায়ালিসী: ৮০৮। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আহকামুল জানাইয: ৪৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «أحكام الجنائز» (49).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3012 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ بْنِ رِبْعِيٍّ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُرَّ عَلَيْهِ بِجِنَازَةٍ فَقَالَ: «مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ» فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنِ الْمُسْتَرِيحُ وَالْمُسْتَرَاحُ مِنْهُ؟ فَقَالَ: «الْعَبْدُ الْمُؤْمِنُ يَسْتَرِيحُ مِنْ نَصَبِ الدُّنْيَا وَأَذَاهَا إِلَى رَحْمَةِ اللَّهِ، وَالْمُسْتَرَاحُ مِنْهُ الْعَبْدُ الْفَاجِرُ يَسْتَرِيحُ مِنْهُ الْعِبَادُ وَالْبِلَادُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ»
رقم طبعة با وزير = (3001)
আবূ কাতাদা বিন রিবঈ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে একটি জানাযা অতিক্রম করলে তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “নিজে স্বস্তি লাভকারী, অথবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি লাভকারী।” সাহাবীগণ বলেন, “নিজে স্বস্তি লাভকারী, অথবা তার থেকে অন্যরা স্বস্তি লাভকারী” কারা?” তখন তিনি বলেন, “মুমিন বান্দা দুনিয়ার সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ও বালা-মুসিবত থেকে স্বস্তি পেয়ে আল্লাহর রহমতের দিকে যায়, আর কাফির ব্যক্তি (তার অনিষ্ট) থেকে আল্লাহর বান্দাগণ, শহর-নগর, বৃক্ষরাজি, ও প্রাণীকুল স্বস্তি পায়।”[1]
[1] নাসাঈ: ৪/৪৮-৪৯; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৪১; সহীহুল বুখারী: ৬৫১২; সহীহ মুসলিম: ৯৫০; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭৯; বাগাবী: ১৪৫৩; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৯৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৭১০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - وهو مكرر (2996). تنبيه!! رقم (2996) = (3007) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
3013 - (1) أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا حَضَرَهُ الْمَوْتُ حَضَرَتْهُ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ، فَإِذَا قُبِضَتْ نَفْسُهُ جُعِلَتْ فِي حَرِيرَةٍ بَيْضَاءَ، فَيُنْطَلَقُ بِهَا إِلَى بَابِ السَّمَاءِ، فَيَقُولُونَ: مَا وَجَدْنَا رِيحًا أَطْيَبَ مِنْ هَذِهِ، فَيُقَالَ: دَعُوهُ يَسْتَرِيحُ، فَإِنَّهُ كَانَ فِي غَمٍّ، فَيُسْأَلُ مَا فَعَلَ فُلَانٌ؟ مَا فَعَلَ فُلَانٌ؟ مَا فَعَلَتْ فُلَانَةُ؟. وَأَمَّا الْكَافِرُ فَإِذَا قُبِضَتْ نَفْسُهُ وَذُهِبَ بِهَا إِلَى بَابِ الْأَرْضِ يَقُولُ خَزَنَةُ الْأَرْضِ: مَا وَجَدْنَا رِيحًا أَنْتَنَ مِنْ هَذِهِ، فَتَبْلُغُ بِهَا إِلَى الْأَرْضِ السُّفْلَى»
رقم طبعة با وزير = (3002)
3013 - (2) قَالَ قَتَادَةَ: وَحَدَّثَنِي رَجُلٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: «أَرْوَاحُ الْمُؤْمِنِينَ تُجْمَعُ بِالْجَابِيَتِيْنِ، وَأَرْوَاحُ الْكُفَّارِ تُجْمَعُ بِبُرْهُوتَ: سَبِخَةٌ بِحَضْرَمَوْتَ.
رقم طبعة با وزير = (3002) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذَا الْخَبَرُ رَوَاهُ مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ قَسَامَةَ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، نَحْوَهُ مَرْفُوعًا. الْجَابِيَتَانِ بِالْيَمَنِ، وَبُرْهُوتَ مِنْ نَاحِيَةِ الْيَمَنِ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুমিন ব্যক্তির কাছে যখন মৃত্যু উপনিত হয়, তখন তার কাছে রহমতের ফেরেস্তাগণ আসেন, যখন তার রূহ কবয করা হয়, তখন তা সাদা রেশমের কাপড়ে রাখা হয়। অতঃপর তাকে আসমানের দরজার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন তারা বলেন, “এর চেয়ে অধিক সুঘ্রাণ আমরা ইতিপূর্বে পাইনি। তখন বলা হবে, “তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, তিনি বিশ্রাম নিবেন। কেননা তিনি (দুনিয়াতে) দুঃখ-কষ্ট-দুশ্চিন্তায় ছিলেন। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, “ওমুক কী আমল করেছে? ওমুক কী আমল করেছে? ওমুক নারী কী আমল করেছে?” আর কাফির ব্যক্তির রূহ যখন কবয করা হয়, এবং সেটা জমিনের দরজার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন জমিনের রক্ষী ফেরেস্তাগণ বলেন, “এর চেয়ে অধিক দুর্গন্ধ আমরা কখনই পাইনি। তারপর সেটাকে সবচেয়ে নিম্নভূমিতে নিয়ে যাওয়া হয়।”[1] কাতাদা রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমাকে এক ব্যক্তি সা‘ঈদ বিন মুসাইয়্যিবের মাধ্যমে আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, “মুমিনদের রূহগুলো জাবিয়াতাইনে একত্রিত করা হয় আর কাফেরদের রূহগুলো বুরহুতে জমা করা হয়। এটা হলো হাযারামাউতের জলাভূতিতে অবস্থিত।”[2] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি মু‘আয বিন হিশাম, তার বাবা থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি কাসামাহ বিন যুহাইর থেকে তিনি আবূ হুরাইরা থেকে অনুরুপ মারফূ‘ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। জাবিয়াতান হলো ইয়ামিনে আর বুরহুত ইয়ামানের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত।”
[1] হাকিম: ১/৩৫৩; নাসাঈ: ৪/৮-৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৪/১৮৭)
[2] শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩০০২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: (1) صحيح - «التعليق الرغيب» (4/ 187). <br> (2) ضعيف.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: (1) إسناد صحيح على شرط الشيخين <br> (2) Null
3014 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ قَسَامَةَ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا قُبِضَ أَتَتْهُ مَلَائِكَةُ الرَّحْمَةِ بِحَرِيرَةٍ بَيْضَاءَ، فَتَقُولُ: اخْرُجِي إِلَى رَوْحِ اللَّهِ، فَتَخْرُجُ كَأَطْيَبِ رِيحِ مِسْكٍ حَتَّى إِنَّهُمْ لِيُنَاوِلُهُ بَعْضُهُمْ بَعْضًا [ص:285] يَشُمُّونَهُ، حَتَّى يَأْتُونَ بِهِ بَابَ السَّمَاءِ، فَيَقُولُونَ: مَا هَذِهِ الرِّيحُ الطَّيِّبَةُ الَّتِي جَاءَتْ مِنَ الْأَرْضِ؟ وَلَا يَأْتُونَ سَمَاءً إِلَّا قَالُوا مِثْلَ ذَلِكَ، حَتَّى يَأْتُونَ بِهِ أَرْوَاحَ الْمُؤْمِنِينَ فَلَهُمْ أَشَدُّ فَرَحًا بِهِ مِنْ أَهْلِ الْغَائِبِ بِغَائِبِهِمْ، فَيَقُولُونَ: مَا فَعَلَ فُلَانٌ؟ فَيَقُولُونَ: دَعُوهُ حَتَّى يَسْتَرِيحَ، فَإِنَّهُ كَانَ فِي غَمِّ الدُّنْيَا، فَيَقُولُ: قَدْ مَاتَ، أَمَا أَمَاتَكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: ذُهِبَ بِهِ إِلَى أُمِّهِ الْهَاوِيَةِ، وَأَمَّا الْكَافِرُ فَيَأْتِيهُ مَلَائِكَةُ الْعَذَابِ بِمُسْحٍ، فَيَقُولُونَ: اخْرُجِي إِلَى غَضِبِ اللَّهِ، فَتَخْرُجُ كَأَنْتَنِ رِيحِ جِيفَةٍ فَتَذْهَبُ بِهِ إِلَى بَابِ الْأَرْضِ»
رقم طبعة با وزير = (3003)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুমিন ব্যক্তির রূহ কবয করা হয়, তখন তার কাছে রহমতের ফেরেস্তাগণ সাদা রেশমের কাপড় নিয়ে আসেন, তারা বলেন, “আল্লাহর রহমতের দিকে বেরিয়ে আসুন।” অতঃপর সেটি মিশকে আম্বরের চেয়েও বেশি সুঘ্রাণময় হয়ে বের হয়। তারা সেই রূহ এক থেকে আরেকজন গ্রহণ করেন। তারা তার ঘ্রাণ গ্রহণ করেন। এভাবে আসমানের দরজার কাছে আসেন। অতঃপর তারা (আসমানের ফেরেস্তাগণ) বলেন, “এই পবিত্র ঘ্রাণটা কিসের, যা জমিন থেকে এসেছে?” ফেরেস্তাগণ তাকে যেই আসমানেই নিয়ে যাবে, সেখানকার ফেরেস্তাগণ অনুরুপ প্রশ্ন করবেন। অতঃপর মুমিনদের রূহের কাছে আসবেন। দুনিয়াতে প্রবাসী ব্যক্তি আপনজনের কাছে আসলে যে খুশি হন, তারা (মুমিনদের রূহগুলো) তার চেয়ে বেশি খুশি হবেন। তারা জিজ্ঞেস করবেন, “ওমুক কী আমল করেছে?” তারা বলবেন, “তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, তিনি বিশ্রাম নিবেন। কেননা তিনি দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট-দুশ্চিন্তায় ছিলেন।” তিনি জবাব দিবেন, “সে তো মারা গেছে। সে কি আপনাদের কাছে আসেনি?” তারা জবাব দিবেন, “তাকে তার মা হাবিয়া জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” আর কাফির ব্যক্তির কাছে আযাবের ফেরেস্তাগণ ত্যানা-নেকড়েসহ আসেন। তারা বলেন, “তুমি আল্লাহর গযবের দিকে আসো।” তখন সেটি লাশের চেয়ে দুর্গন্ধময় হয়ে বের হয়। অতঃপর তারা তাকে নিয়ে জমিনের দরজার দিকে নিয়ে যায়।”[1]
[1] হাকিম: ১/৩৫৩; নাসাঈ: ৪/৮-৯। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৩০৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1309).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3015 - أَخْبَرَنَا ابْنُ قُتَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، [ص:286] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَتَمَنَّى أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ وَلَا يَدْعُو بِهِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَهُ، إِنَّهُ إِذَا مَاتَ انْقَطَعَ عَمَلُهُ، وَإِنَّهُ لَا يَزِيدُ الْمُؤْمِنَ عُمُرُهُ إِلَّا خَيْرًا»
رقم طبعة با وزير = (3004)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মৃত্যুর সময় আসার আগে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যু কামনা না করে এবং মৃত্যুর জন্য দু‘আ না করে। নিশ্চয়ই যখন মানুষ মারা যায়, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। নিশ্চয়ই বয়স মুমিন ব্যক্তির কল্যাণ কেবল বৃদ্ধিই করে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১৬; সহীহ মুসলিম: ২৬৮২; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭৭; বাগাবী: ১৪৪৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২৭২১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2721): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3016 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هَاجِكٍ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثٍ: صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ»
رقم طبعة با وزير = (3005)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন কোন মানুষ মারা যায়, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি আমল ব্যতীত। (১) সাদাকায়ে জারিয়া, (২) এমন ইলম, যা দ্বারা উপকার সাধিত হয় এবং (৩) সৎ সন্তান, যে তার জন্য তার দু‘আ করে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৬৩১; তিরমিযী: ১৩৭৬; নাসাঈ: ৬/২৫১; বাগাবী: ১৩৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩৭২; ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৩৮; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২৪৬; সুনান বাইহাকী: ৬/২৭৮; আবূ দাঊদ: ৩৮৮০। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২৫৬৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2564): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3017 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَبَى عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَدِمَ الطُّفَيْلُ بْنُ عَمْرٍو الدَّوْسِيُّ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَكَّةَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلُمَّ إِلَى حِصْنٍ وَعَدَدٍ وَعِدَّةٍ، قَالَ أَبُو الزُّبَيْرِ: حِصْنٌ فِي رَأْسِ الْجَبَلِ لَا يُؤْتَى إِلَّا فِي مِثْلِ الشِّرَاكِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَعَكَ مَنْ وَرَاءَكَ؟ » قَالَ: لَا أَدْرِي فَأَعْرَضَ عَنْهُ، فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ، قَدِمَ الطُّفَيْلُ بْنُ عَمْرٍو مُهَاجِرًا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَعَهُ رَجُلٌ مِنْ رَهْطِهِ، فَحُمَّ ذَلِكَ الرَّجُلُ حِمَّى [ص:288] شَدِيدَةً، فَجَزِعَ، فَأَخَذَ شَفْرَةً، فَقَطَعَ بِهَا رَوَاجِبَهُ فَتَشَخَّبَتْ حَتَّى مَاتَ، فَدُفِنَ، ثُمَّ إِنَّهُ جَاءَ فِيمَا يَرَى النَّائِمُ مِنَ اللَّيْلِ إِلَى الطُّفَيْلِ بْنِ عَمْرٍو فِي شَارَةٍ حَسَنَةٍ وَهُوَ مُخَمِّرٌ يَدَهُ، فَقَالَ لَهُ الطُّفَيْلُ: أَفُلَانٌ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: كَيْفَ فَعَلْتَ؟ قَالَ: صَنَعَ بِي رَبِّي خَيْرًا، غَفَرَ لِي بِهِجْرَتِي إِلَى نَبِيِّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَمَا فَعَلَتْ يَدَاكَ؟ قَالَ: قَالَ لِي رَبِّي: لَنْ نُصْلِحَ مِنْكَ مَا أَفْسَدْتَ مِنْ نَفْسِكَ قَالَ: فَقَصَّ الطُّفَيْلُ رُؤْيَاهُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ: «اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِرْ، اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِرْ، اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِرْ»
رقم طبعة با وزير = (3006)
জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “তুফাইল বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মক্কায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি দুর্গের দিকে আসুন, এখানে অস্ত্র-সস্ত্রসহ যথেষ্ট লোকবল রয়েছে।” আবুয যুবাইর বলেন, “দুর্গটি পাহাড়ের চূড়ায় ছিল, যেখানে খুবই কষ্ট করে পৌঁছা সম্ভব।” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যারা তোমার পিছনে রয়েছে, তারা কি তোমার সাথের লোক?” জবাবে তিনি বলেন, “আমি জানি না।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন তুফাইল বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার গোত্রের একজন লোকসহ হিজরত করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসেন। এখানে এসে সেই ব্যক্তি প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়। অতঃপর সে অস্থির হয়ে যায়। ফলে সে একটি ছুরি হাতে নেয় এবং তার রগ কেটে ফেলে। এতে তার রক্তক্ষরণ হয় এবং মারা যায়। তারপর রাতে স্বপ্নে সেই ব্যক্তি তুফাইল বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে সুন্দর অলঙ্কার-বেশভূষা নিয়ে আসেন, এসময় তিনি তার হাতকে ঢেকে রেখেছিলেন, তখন তুফাইল বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি কি ওমুক?” সে জবাব দিল, “হ্যাঁ।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কী ব্যাপার তোমার?” সে জবাবে বলেন, “আমার প্রভু আমার সাথে উত্তম আচরণ করেছেন। আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে হিজরত করার কারণে মহান আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন, “তোমার হাতের কী খবর?” সে জবাবে বলেন, “আমার প্রভু বলেছেন, “তুমি নিজে যা নষ্ট করেছো, তা আমি ঠিক করে দিবো না।” তারপর তুফাইল বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু স্বপ্নের ব্যাপারটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বর্ণনা করলে তিনি দুই হাত উঠিয়ে দু‘আ করেন, اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِرْ اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فَاغْفِرْ اللَّهُمَّ وَلِيَدَيْهِ فاغفر (হে আল্লাহ, আপনি তার দুই হাতকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি তার দুই হাতকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি তার দুই হাতকে ক্ষমা করে দিন)।”[1]
[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ২১৭৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৭০; সহীহ মুসলিম: ১১৬; সুনান বাইহাকী: ৮/১৭; হাকিম: ৪/৭৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটির রাবীদের নির্ভরযোগ্য বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আদাবুল মুফরাদ: ৯৫-৯৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «مختصر مسلم» (ص 35)، «ضعيف الأدب المفرد» (95 و 96).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات
3018 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ الْكَلَاعِيُّ، بِحِمْصَ، [ص:289] قَالَ: حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمَذْحِجِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا مَاتَ صَاحِبُكُمْ فَدَعُوهُ»
رقم طبعة با وزير = (3007)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের সঙ্গী মারা যাবে, তখন তোমরা তাকে ছেড়ে দিবে (অর্থাৎ তার সমালোচনা করবে না) ।”[1]
[1] তিরমিযী: ৩৮৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৮৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (285).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3019 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ، وَوَكِيعٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا مَاتَ صَاحِبُكُمْ فَدَعُوهُ»
رقم طبعة با وزير = (3008)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের সঙ্গী মারা যাবে, তখন তোমরা তাকে ছেড়ে দিবে (অর্থাৎ তার সমালোচনা করবে না) ।”[1]
[1] তিরমিযী: ৩৮৯৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৮৫)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - مكرر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده من طريق وكيع على شرط الشيخين
3020 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ بْنِ كُرَيْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اذْكُرُوا مَحَاسِنَ مَوْتَاكُمْ وَكُفُّوا عَنْ مَسَاوِئِهِمْ»
رقم طبعة با وزير = (3009)
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা তোমাদের মৃতদের ভালো বিষয়গুলো আলোচনা করো আর মন্দ বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকো।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ৪৯০০; তিরমিযী: ১-১৯; তাবারানী আল কাবীর: ১২/১৩৫৯৯; তাবারানী আস সগীর: ৪৬১; হাকিম: ১/৩৮৫; সুনান বাইহাকী: ৪/৭৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (মিশকাত: ১৬৭৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «المشكاة» (1678)، «الروض» (485).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف