হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (3272)


3272 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدَّغُولِيُّ، حَدَّثَنَا [ص:66] مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا صَدَقَةَ عَلَى الرَّجُلِ فِي فَرَسِهِ وَعَبْدِهِ، إِلَّا زَكَاةَ الْفِطْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3261) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: فِي هَذَا الْخَبَرِ دَلِيلٌ عَلَى أَنَّ الْعَبْدَ لَا يَمْلِكُ، إِذِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْجَبَ زَكَاةَ الْفِطْرِ الَّتِي تَجِبُ عَلَى الْعَبْدِ عَلَى مَالِكِهِ عَنْهُ دُونَهُ




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মুসলিম ব্যক্তির ঘোড়া ও দাসে যাকাতুল ফিতর ছাড়া আর কোন যাকাত নেই।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে এই মর্মে দলীল রয়েছে যে, দাস কোন সম্পদের মালিক হতে পারে না। কেননা দাসের উপর যে সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়, সেটাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মালিকের উপর ওয়াজিব করেছেন; দাসের উপর নয়।”



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৮৮; সহীহ ‍মুসলিম: ৯৮২; আবূ দাঊদ: ১৯৫৪; সুনান বাইহাকী: ৪/১১৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1420): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3273)


3273 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُشْكَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْرَجُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ عَلَى الصَّدَقَةِ، فَمَنَعَ ابْنُ جَمِيلٍ، وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ، وَالْعَبَّاسُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا يَنْقِمُ ابْنُ جَمِيلٍ إِلَّا أَنْ كَانَ فَقِيرًا فَأَغْنَاهُ اللَّهُ، وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا لَقَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ وَأَعْتَادَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَأَمَّا الْعَبَّاسُ فَعَمُّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَهُوَ عَلَيَّ وَمِثْلُهَا»، ثُمَّ قَالَ: «أَمَا شَعَرْتَ أَنَّ عَمَّ الرَّجُلِ صِنْوُ الرَّجُلِ أَوْ صِنْوُ أَبِيهِ»
رقم طبعة با وزير = (3262) [ص:68] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا قَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ وَأَعْتَادَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»، يُرِيدُ إِنَّكُمْ تَظْلِمُونَهُ أَنَّهُ حَبَسَ مَالَهُ مِنَ الْأَدْرَاعِ وَالْأَعْتَادِ حَتَّى لَمْ يَبْقَ لَهُ مَالٌ تَجِبُ عَلَيْهِ الصَّدَقَةُ، وَقَوْلُهُ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «هُوَ عَلَيَّ وَمِثْلُهَا» يُرِيدُ أَنَّ صَدَقَتَهُ عَلَيَّ أَنِّي ضَامِنٌ عَنْهُ، وَمِثْلُهَا مَعَهَا مِنْ صَدَقَةٍ ثَانِيَةٍ مِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ، [ص:69] وَقَدْ رَوَى شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ هَذَا الْخَبَرَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، وَقَالَ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «فَهِيَ عَلَيْهِ صَدَقَةٌ وَمِثْلُهَا مَعَهَا»، وَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ مَعْنَاهُ: فَهِيَ لَهُ صَدَقَةٌ، لِأَنَّ الْعَرَبَ فِي لُغَتِهَا تَقُولُ: «عَلَيْهِ» بِمَعْنَى لَهُ، قَالَ اللَّهُ: {أُولَئِكَ لَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ} [الرعد: 25] يُرِيدُ: عَلَيْهِمُ اللَّعْنَةُ، وَالْعَبَّاسُ لَمْ يَحِلَّ لَهُ أَخَذُ الصَّدَقَةِ مِنْ وَجْهَيْنِ، أَحَدُهُمَا: أَنَّهُ كَانَ غَنِيًّا لَا يَحِلُّ لَهُ أَخَذُ الصَّدَقَةِ الْفَرِيضَةِ، وَالْأُخْرَى: أَنَّهُ كَانَ مِنْ صِبَيَةِ بَنِي هَاشِمٍ، فَكَيْفَ يَتْرُكُ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَتَهُ عَلَيْهِ، وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ أَخَذُهَا، وَيَمْنَعُهَا مِنْ أَهْلِهَا مِنَ الْفُقَرَاءِ؟، وَقَدْ رَوَى مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ هَذَا الْخَبَرَ، وَقَالَ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «فَهِيَ لَهُ وَمِثْلُهَا مَعَهَا» يُرِيدُ: فَهِيَ لَهُ عَلَيَّ، كَمَا قَالَ وَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ فِي خَبَرِهِ




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার বিন খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে যাকাত উসূল করার জন্য পাঠান। অতঃপর ইবনু জামিল, খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানান। অতঃপর রাসূল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইবনু জামীলকে কিসে যাকাত দিতে বাধা দিলো, অথচ সে দরিদ্র ছিল অতঃপর আল্লাহ তাকে সম্পদশালী করে দিয়েছেন? খালিদের ব্যাপারে তোমরা অন্যায় করেছো, সে তো তার বর্ম ও অস্ত্র-সস্ত্র-বাহন আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দিয়েছে। আর আব্বাস, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা। কাজেই সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব।” তারপর তিনি বলেন, “আপনি কি জানেন না যে, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তির চাচা, তার বাবার সমতুল্য?”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “খালিদের ব্যাপারে তোমরা অন্যায় করেছো, সে তো তার বর্ম ও অস্ত্র-সস্ত্র-বাহন সব কিছু আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দিয়েছে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তোমরা তার উপরে অন্যায় করেছো, এমনকি তার কাছে যাকাতযোগ্য কোন সম্পদ নেই। আর আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য, “সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার সাদাকার দায়িত্ব আমার উপর, আমি তার পক্ষ থেকে জামিনদার এবং তার অনুরুপ আগামী আরো এক বছরের যাকাত আমার দায়িত্ব। শু‘আইব বিন আবূ হামযা এই হাদীসটি আবুয যিনাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাপারে বলেছেন, “সেটা তার জন্য সাদাকাহ এবং অনুরুপ আরো এক যাকাত। এখানে হতে পারে তার অর্থ হলো এটা তার জন্য সাদাকাহ। কেননা আরবরা তাদের ভাষায় لَهُ অর্থে عَلَيْهِ ব্যবহার করেন। মহান আল্লাহ বলেছেন, “তাদের উপর লা‘নত এবং তাদের জন্য রয়েছে মন্দ বাসস্থান।” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাদের উপর লা‘নত। আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জন্য তো সাদাকাহ গ্রহণ করা দুই দিক থেকে জায়েয নেই। প্রথম কারণ হলো তিনি ধনী ছিলেন, কাজেই তার জন্য যাকাত গ্রহণ করা জায়েয নেই্ দ্বিতীয়ত: তিনি বানু হাশিম গোত্রের ছিলেন, যাদের জন্য যাকাত গ্রহণ করা বৈধ হবে না। কাজেই কিভাবে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার যাকাত নিজের উপর রেখে ‍দিলেন অথচ ফরয যাকাত গ্রহণ করা তার জন্য বৈধ নয় এবং তিনি দরিদ্র মুসলিমদের তা দিলেন না? মুসা বিন উকবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, আবুয যিনাদ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “কাজেই সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব।” অর্থাৎ সেটা তার জন্য আমার দায়িত্ব তা পরিশোধ করা। যেমনটা ওয়ারাকা বিন উমার স্বীয় হাদীসে বর্ণনা করেছেন।”



[1]আবূ দাঊদ: ১৬২৩; সুনান বাইহাকী: ৬/১৬৪-১৬৫; দারাকুতনী: ২/১২৩; সহীহ মুসলিম: ৯৮৩; সহীহুল বুখারী: ১৪৬৮; নাসাঈ: ৫/৩৩; বাগাবী: ১৫৭৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৩৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1435): م تمامه خ دون قوله «أما شعرت ... »، وقال: «فهي عليه صدقة، ومثلها معها»، وهو الأرجح.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3274)


3274 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، [ص:70] قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَتَاهُ رَجُلٌ بِصَدَقَةِ مَالِهِ صَلَّى عَلَيْهِ، فَأَتَيْتُ بِصَدَقَةِ مَالِي، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى آلِ أَبِي أَوْفَى»
رقم طبعة با وزير = (3263)




ইবনু আবী আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “কোন ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে সাদাকাহ নিয়ে আসলে তিনি তার জন্য দুআ করতেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমি তাঁর কাছে সাদাকাহ নিয়ে আসলে তিনি বলেন, اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى آل أبي أوفى (হে আল্লাহ, আপনি আবূ আওফার পরিবার-পরিজনের উপর সালাত তথা রহম করুন)।”[1]



[1] আবূ দাঊদ আত তায়ালিসী: ৮১৯; হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৫/৯৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৯৫৭; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৩৫৩; সহীহ আল বুখারী: ১৪৯৭; সহীহ মুসলিম: ১০৭৮; আবূ দাঊদ: ১৫৯০; সুনান বা্ইহাকী: ২/১৫২। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১৫।)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - مضى (913). تنبيه!! رقم (913) = (917) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3275)


3275 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، وَسُفْيَانُ، وَمَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ، وَلَا فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ، وَلَا فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ»
رقم طبعة با وزير = (3264)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কমে কোন যাকাত নেই। পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কমে কোন যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে কোন যাকাত নেই।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - مضى (3257). تنبيه!! رقم (3257) = (3268) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3276)


3276 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ يَحْيَى الْحَسَّانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى الْمَازِنِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَحِلُّ فِي الْبُرِّ وَالتَّمْرِ زَكَاةٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسُقٍ، وَلَا يَحِلُّ فِي الْوَرِقِ زَكَاةٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَ أَوَاقٍ، وَلَا يَحِلُّ فِي الْإِبِلِ زَكَاةٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَ ذَوْدٍ»
رقم طبعة با وزير = (3265)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কম গম ও খেজুরে যাকাত বৈধ নয়। পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত বৈধ নয়। পাঁচ উটের কমে যাকাত বৈধ নয়।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3277)


3277 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَيْسَ فِي [ص:73] حَبٍّ وَلَا تَمْرٍ دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ»
رقم طبعة با وزير = (3266)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কম শস্য ও খেজুরে যাকাত নেই। পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (3/ 275): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3278)


3278 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ التَّمَّارِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَتَّابِ بْنِ أُسَيْدٍ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَبْعَثُ عَلَى النَّاسِ مَنْ يُخْرَصِ كُرُومَهُمْ وَثِمَارَهُمْ»
رقم طبعة با وزير = (3267)




আত্তাব বিন উসাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের জন্য এমন কাউকে পাঠাতেন, যিনি লোকদের আঙ্গুর ও ফল-ফলাদি অনুমান করতেন।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩১৬; সুনান বাইহাকী: ৪/১২১; দারাকুতনী: ২/১৩৩; আবূ দাঊদ: ১৬০৪; ইবনু মাজাহ: ১৮১৯; তাহাবী: ২/৩৯০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১৯৫; নাসাঈ: ৫/১০৯; হাকিম: ৩/৫৯৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৭০৩; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৮০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (280).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3279)


3279 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ التَّمَّارِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَتَّابِ بْنِ أُسَيْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «الْكَرْمُ يُخْرَصُ كَمَا يُخْرَصُ النَّخْلُ، ثُمَّ تُؤَدَّى زَكَاتُهُ زَبِيبًا كَمَا تُؤَدَّى زَكَاةُ النَّخْلِ تَمْرًا»
رقم طبعة با وزير = (3268)




আত্তাব বিন উসাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কাঁচা খেজুর যেভাবে অনুমান করা হয়, অনুরুপভাবে আঙ্গুরও অনুমান করা হবে। অতঃপর আঙ্গুরের যাকাত কিসমিস দিয়ে আদায় করতে হবে, যেভাবে কাঁচা খেজুরের যাকাত শুকনো খেজুর দিয়ে আদায় করতে হয়।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩১৬; সুনান বাইহাকী: ৪/১২১; দারাকুতনী: ২/১৩৩; আবূ দাঊদ: ১৬০৪; ইবনু মাজাহ: ১৮১৯; তাহাবী: ২/৩৯০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১৯৫; নাসাঈ: ৫/১০৯; হাকিম: ৩/৫৯৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৭০৩; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৮০)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات لكنه منقطع









সহীহ ইবনু হিব্বান (3280)


3280 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنَا خُبَيْبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَسْعُودِ بْنِ نِيَارٍ يُحَدِّثُ، قَالَ: جَاءَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي حَثْمَةَ إِلَى مَسْجِدِنَا فَحَدَّثَنَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا خَرَصْتُمْ فَخُذُوا وَدَعُوا الثُّلُثَ، فَإِنْ لَمْ تَدْعُوا الثُّلُثْ، فَدَعُوا الرُّبُعَ»
رقم طبعة با وزير = (3269) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: لِهَذَا الْخَبَرِ مَعْنَيَانِ: أَحَدُهُمَا أَنْ يُتْرَكَ الثُّلُثُ أَوِ الرُّبُعُ مِنَ الْعُشْرِ، وَالثَّانِي: أَنْ يُتْرَكَ ذَلِكَ مِنْ نَفْسِ التَّمْرِ قَبْلَ أَنْ يُعَشَّرَ إِذَا كَانَ ذَلِكَ حَائِطًا كَبِيرًا يَحْتَمِلُهُ




আব্দুর রহমান বিন মাসঊদ বিন নিয়ার বর্ণনা করেন, “আমাদের মাসজিদে সাহল বিন আবূ হাসমাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে হাদীস বর্ণনা করেন। নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা ফল-ফলাদি অনুমান করবে, তখন এক-তৃতীয়াংশ ছেড়ে দিয়ে উশর গ্রহণ করবে। যদি তোমরা এক-তৃতীয়াংশ ছাড়তে না চাও, তবে এক-চতুর্থাংশ ছেড়ে দিবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটির দুটো অর্থ রয়েছে। একটি হলো, উশর থেকে এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ ছেড়ে দেওয়া। দ্বিতীয়টি হলো, উশর বের করার আগে এক-তৃতীয়াংশ ছেড়ে দেওয়া। যদি সেটা সম্ভাব্য বড় বাগান হয়ে থাকে।”



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১৯৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৪৮; আবূ দাউদ: ১৬০৫; নাসাঈ: ৫/৪২; তিরমিযী: ৬৪৩; তাহাবী: ২/৩৯; ইবনু খুযাইমাহ: ২৩১৯; হাকিম: ১/৪০২; সুনান বাইহাকী: ৪/২৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ যঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ২৮১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «ضعيف أبي داود» (281).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف









সহীহ ইবনু হিব্বান (3281)


3281 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِنْهَالٍ الضَّرِيرُ، [ص:76] حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، وَسَعِيدٌ، جَمِيعًا عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ فِي الْفِضَّةِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَ أَوَاقٍ، وَلَيْسَ فِي التَّمْرِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسُقٍ، وَلَيْسَ فِي الْإِبِلِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةً مِنَ الذَّوْدِ»
رقم طبعة با وزير = (3270)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত নেই। পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কম খেজুরে যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (3257). تنبيه!! رقم (3257) = (3268) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3282)


3282 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ، وَالْوَسْقُ سِتُّونَ صَاعًا»
رقم طبعة با وزير = (3271)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই এবং পাঁচ ওয়াসাকের কম খেজুরে যাকাত নেই। এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3283)


3283 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ طَاوُوسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْوَزْنُ وَزْنُ مَكَّةَ، وَالْمِكْيَالُ مِكْيَالُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3272)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ওজন হবে মক্কার ওজন অনুসারে আর পরিমাণ হবে মদীনার পরিমাণ অনুসারে।”[1]



[1] বাযযার: ১২৬২; আবূ দাঊদ: ৩৩৪০; নাসাঈ: ৫/৫৪; তাবারানী: ১৩৪৪৯; সুনান বাইহাকী: ৬/৩১; বাগাবী: ২০৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (165).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3284)


3284 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ [ص:79] يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ ابْنُ خُزَيْمَةَ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِيلَ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صَاعُنَا أَصْغَرُ الصِّيعَانِ، وَمُدُّنَا أَصْغَرُ الْأَمْدَادِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي قَلِيلِنَا وَكَثِيرِنَا، وَاجْعَلْ لَنَا مَعَ الْبَرَكَةِ بَرَكَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (3273) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي تَرْكِ إِنْكَارِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيْثُ قَالُوا: صَاعُنَا أَصْغَرُ الصِّيعَانِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ صَاعَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَصْغَرُ الصِّيعَانِ، وَلَمْ يَخْتَلِفْ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ لَدُنِ الصَّحَابَةِ إِلَى يَوْمِنَا هَذَا فِي الصَّاعِ وَقَدْرِهِ إِلَّا مَا قَالَهُ الْحِجَازِيُّونَ وَالْعِرَاقِيُّونَ، فَزَعَمَ الْحِجَازِيُّونَ أَنَّ الصَّاعَ خَمْسَةُ أَرْطَالٍ وَثُلُثٌ، وَقَالَ الْعِرَاقِيُّونَ: الصَّاعُ ثَمَانِيَةُ أَرْطَالٍ، فَلَمَّا لَمْ نَجِدْ بَيْنَ أَهْلِ الْعِلْمِ خِلَافًا فِي قَدْرِ الصَّاعِ إِلَّا مَا وَصَفْنَا صَحَّ أَنَّ صَاعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:80] كَانَ خَمْسَةَ أَرْطَالٍ وَثُلُثًا، إِذْ هُوَ أَصْغَرُ الصِّيعَانِ وَبَطَلَ قَوْلُ مَنْ زَعَمَ أَنَّ الصَّاعَ ثَمَانِيَةُ أَرْطَالٍ مِنْ غَيْرِ دَلِيلٍ ثَبَتَ لَهُ عَلَى صِحَّتِهِ




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হয়, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমাদের সা‘ সবচেয়ে ছোট সা‘, আমাদের মুদ সবচেয়ে ছোট মুদ।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “হে আল্লাহ, আপনি আমাদের সা‘তে বারাকাহ দান করুন। আমাদের অল্প ও বেশিতে বারাকাহ দান করুন। আমাদের জন্য বারাকার সাথে আরো দুই বারাকাহ দান করুন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “সাহাবীগণ যখন বলেছেন যে, আমাদের সা‘ হলো সবচেয়ে ছোট সা‘ আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটাকে প্রত্যাখ্যান করেননি- এতে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, মদীনার সা‘ সবচেয়ে ছোট সা‘। সাহাবীদের সময়কাল থেকে আমাদের সময়কাল পর্যন্ত সা‘ এবং তার পরিমাণ সম্পর্কে বিদ্বানগণ কোন মতভেদ করেননি, হিজাযবাসী ও ইরাকবাসীগণ যা মতভেদ করেছেন, সেটা ছাড়া। হিজাযবাসীগণ বলেছেন যে, এক সা‘ হলো পাঁচ রতল ও এক রতলের এক-তৃতীয়াংশ, আর ইরাকবাসীগণ বলেছেন যে, এক সা‘ হলো আট রতল। কাজেই যখন আমরা সা‘ এর পরিমাণ বিষয়ে এছাড়া আর কোন মতভেদ পাইনি, কাজেই এটাই সঠিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ ছিল পাঁচ রতল ও এক রতলের এক-তৃতীয়াংশ। কারণ এটাই হলো ছোট সা‘। আর যারা বিশুদ্ধ প্রমাণ ছাড়া বলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ ছিল আট রতল, তাদের কথা বাতিল।”



[1] সুনান বাইহাকী: ৪/১৭১; ‍মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৮৮৫; দারেমী: ২/১০৬-১০৭; ইবনু মাজাহ: ৩৩২৯; সহীহ মুসলিম: ১৩৭৪; সহীহুল বুখারী: ১৮৮৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৩৯৯৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (3997): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3285)


3285 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْأَنْهَارُ وَالْعُيُونُ، أَوْ مَا كَانَ عَثَرِيًّا الْعُشْرَ، وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ الْعُشْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3274)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ আর সেচের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলে বিশ ভাগের এক ভাগ ফরয করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1421): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3286)


3286 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا كَانَ بَعْلًا، أَوْ يُسْقَى بِنَهَرٍ، أَوْ عَثَرِيًّا يُؤْخَذُ مِنْ كُلِّ عَشَرَةٍ وَاحِدٌ»
رقم طبعة با وزير = (3275)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ উশর দিতে হবে।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null









সহীহ ইবনু হিব্বান (3287)


3287 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْأَنْهَارُ وَالْعُيُونُ الْعُشْرَ، وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفَ الْعُشْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3276)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ আর সেচের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলে বিশ ভাগের এক ভাগ ফরয করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق مكرر (3274). تنبيه!! رقم (3274) = (3285) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3288)


3288 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ الدَّرَاوَرْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَعَبْدِ اللَّهِ، أَخِيهِ كِلَاهُمَا عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ لِلْمَسْجِدِ مِنْ كُلِّ حَائِطٍ بِقَنَا»
رقم طبعة با وزير = (3277) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: عَبْدُ اللَّهِ هَذَا: هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ مِنْ عُبَّادِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، قَدْ غَلَبَ عَلَيْهِ التَّقَشُّفُ وَالْعِبَادَةُ حَتَّى كَانَ يَقْلِبُ الْأَخْبَارَ وَلَا يَعْلَمُ، فَلَمَّا كَثُرَ ذَلِكَ مِنْهُ فِي أَخْبَارِهِ بَطَلَ الِاحْتِجَاجُ بِآثَارِهِ، وَاعْتِمَادُنَا فِي هَذَا الْخَبَرِ عَلَى أَخِيهِ عُبَيْدِ اللَّهِ دُونَهُ




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক বাগান থেকে এক থোকা করে খেজুর মাসজিদে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হাদীসের রাবী আব্দুল্লাহ হলেন আব্দুল্লাহ বিন উমার বিন হাফস বিন আসিম বিন উমার বিন খাত্তাব, তিনি মদীনাবাসী একজন আবিদ। দুনিয়ার ব্যাপারে বিরাগভাজন ও ইবাদতের অবস্থা প্রাবল্যতা লাভ করার কারণে তিনি অজান্তেই হাদীস উলট-পালট করে বর্ণনা করতেন। যখন হাদীস বর্ণনায় এরকম বেশি বেশি হতে থাকে, তখন তার হাদীসের মাধ্যমে দলীল গ্রহণ বাতিল হয়ে যায়। আর আমরা এই হাদীসে তার ভাইয়ের উপর নির্ভর করেছি; অন্য কারো উপর নয়।”



[1] হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/৭৭; আবূ ইয়ালা: ২০৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৫৯-৩৬০; আবূ দাঊদ: ১৬৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪৯৬; তাহাবী: ৪/৩০; সুনান বাইহাকী: ৫/৩১১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1465).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات ورجاله رجال الصحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3289)


3289 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، [ص:83] حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، عَنْ عَمِّهِ، وَاسِعِ بْنِ حِبَّانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ كُلِّ جَادٍّ * عَشَرَةِ أَوْسُقٍ مِنَ التَّمْرِ بِقِنْوٍ يُعَلَّقُ فِي الْمَسْجِدِ لِلْمَسَاكِينَ»
رقم طبعة با وزير = (3278)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ১০ ওয়াসাক খেজুর থেকে এক থোকা করে খেজুর মিসকীনদের জন্য মসজিদে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1]



[1] হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/৭৭; আবূ ইয়ালা: ২০৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৫৯-৩৬০; আবূ দাঊদ: ১৬৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪৯৬; তাহাবী: ৪/৩০; সুনান বাইহাকী: ৫/৩১১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. * [جَادٍّ] قال الشيخ: الأصل: (جذاذ)، وهو خطأ. وَمِنَ الغَريب أنَّهُ وَقَع كذلك فِي «موارد الظمآن» (801)! فلعلَّ الطابع اغترَّ به لِجَهلِهِ بِهَذا العلم واللُّغة. قال في «النهاية»: (الجادّ): بمعنى الجدود؛ أي: نَخلٌ يُجَدُّ منه ما يبلغُ عشرة أوسق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (3290)


3290 - أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِنَّ الصَّدَقَةَ لَا تَحِلُّ لِغَنِيٍّ وَلَا لِذِي مِرَّةٍ سَوِيٍّ»
رقم طبعة با وزير = (3279)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সাদাকাহ ধনী ও সুস্থ্-সবল ব্যক্তির জন্য বৈধ নয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২০৭; নাসাঈ: ৫/৯৯; ইবনু মাজাহ: ১৮৩৯; তাহাবী: ২/১৪; সুনান বাইহাকী: ৭/১৪; দারাকুতনী: ২/১৮; হাকিম: ১/৪০৭; আত তায়ালিসী: ২২৭১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭১৫৫; দারেমী: ১/৩৮৭; আবূ দাউদ: ১৬৩৪; তিরমিযী: ৬৫২; বাগাবী: ১৫৯৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৭৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (876 - 878).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (3291)


3291 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَارُونَ بْنِ رِئَابٍ، عَنْ كِنَانَةَ الْعَدَوِيِّ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ قَبِيصَةَ بْنِ الْمُخَارِقِ، فَاسْتَعَانَ بِهِ نَفَرٌ مِنْ قَوْمِهِ فِي نِكَاحِ رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ، فَأَبَى أَنْ [ص:86] يُعْطِيَهُمْ شَيْئًا، فَانْطَلَقُوا مِنْ عِنْدِهِ، قَالَ كِنَانَةُ: فَقُلْتُ لَهُ: أَنْتَ سَيِّدُ قَوْمِكَ، وَأَتَوْكَ يَسْأَلُونَكَ فَلَمْ تُعْطِهِمْ شَيْئًا، قَالَ: أَمَّا فِي هَذَا، فَلَا أُعْطِي شَيْئًا، وَسَأُخْبِرُكَ عَنْ ذَلِكَ، تَحَمَّلْتُ بِحَمَالَةٍ فِي قَوْمِي، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَخْبَرْتُهُ وَسَأَلْتُهُ أَنْ يُعِينَنِي، فَقَالَ: «بَلْ نَحْمِلُهَا عَنْكَ يَا قَبِيصَةُ، وَنُؤَدِّيهَا إِلَيْهِمْ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ»، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ الْمَسْأَلَةَ لَا تَحِلُّ إِلَّا لِثَلَاثَةٍ: رَجُلٍ تَحَمَّلَ بِحَمَالَةٍ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُؤَدِّيَهَا، أَوْ رَجُلٍ أَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ فَاجْتَاحَتْ مَالَهُ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ أَوْ سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، أَوْ رَجُلٍ أَصَابَتْهُ فَاقَةٌ فَشَهِدَ لَهُ ثَلَاثَةٌ مِنْ ذَوِي الْحِجَا مِنْ قَوْمِهِ أَنْ حَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ أَوْ سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، فَالْمَسْأَلَةُ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ سُحْتٌ»
رقم طبعة با وزير = (3280)




কিনানাহ আল আদাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার কবীসাহ বিন মুখারিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ছিলাম। এমন সময় তার কওমের কিছু লোক এক ব্যক্তির বিবাহের জন্য তার কাছে সাহায্য চান। কিন্তু তিনি তাদেরকে কিছু সাহায্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অতঃপর তারা সেখান থেকে চলে যান।” কিনানাহ আল আদাবী বলেন, “তখন আমি তাকে বললাম, “আপনি আপনার সম্প্রদায়ের নেতা। আর তারা আপনার কাছে সাহায্য চাইতে এসেছিলেন, কিন্তু আপনি তাদেরকে কিছুই দিলেন না!” তখন তিনি জবাবে বলেন, “এই ব্যাপারে আমি কোন কিছুই দিবো না। অচিরেই আমি এই সম্পর্কে তোমাকে হাদীস বলবো। একবার আমি আমার কওমের এক ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব গ্রহণ করি। অতঃপর আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বিষয়টি তাঁকে অবহিত করি এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি বলেন, “হে কবীসা, বরং আমরা সেই ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব তোমার থেকে আমরা গ্রহণ করে নিলাম। আমরা যাকাতের উট থেকে তা পরিশোধ করে দিবো। তারপর তিনি বলেন, “চাওয়া কেবল তিন শ্রেণির মানুষের জন্য বৈধ। (১) ঐ ব্যক্তি যে অন্যের ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেয়। তবে তার জন্য তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া বৈধ, (২) ঐ ব্যক্তি যাকে কোন দুর্যোগ পেয়ে বসে অতঃপর তার সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায়। তবে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন এবং (৩) যে ব্যক্তি দারিদ্র হয়ে পড়ে, অতঃপর তার কওমের তিনজন জ্ঞানী লোক তার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এছাড়া অন্য কোন কারণে ভিক্ষা করা হারাম।”[1]



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৯৪৬; বাগাবী: ১৬২৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৭৭; হুমাইদী: ৮১৯; দারেমী: ১/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪৪; আবূ দাঊদ: ১৬৪০; নাসাঈ: ৫/৮৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৫৯; ইবনুল জারুদ: ৩৬৭; তাহাবী: ২/১৭-১৮; তাবারানী: ২/১১৯-১২০; সুনান বাইহাকী: ৬/৭৩; দারাকুতনী: ২/১১৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৬৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (868)، «صحيح أبي داود» (1448): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم