হাদীস বিএন


সহীহ ইবনু হিব্বান





সহীহ ইবনু হিব্বান (3281)


3281 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِنْهَالٍ الضَّرِيرُ، [ص:76] حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، وَسَعِيدٌ، جَمِيعًا عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ فِي الْفِضَّةِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَ أَوَاقٍ، وَلَيْسَ فِي التَّمْرِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسُقٍ، وَلَيْسَ فِي الْإِبِلِ شَيْءٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةً مِنَ الذَّوْدِ»
رقم طبعة با وزير = (3270)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত নেই। পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কম খেজুরে যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (3257). تنبيه!! رقم (3257) = (3268) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3282)


3282 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ، وَالْوَسْقُ سِتُّونَ صَاعًا»
رقم طبعة با وزير = (3271)




আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পাঁচ উকিয়ার (২০০ দিরহাম) কম রৌপ্যে যাকাত নেই। পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই এবং পাঁচ ওয়াসাকের কম খেজুরে যাকাত নেই। এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘।”[1]



[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২২৯৩; তাহাবী: ২/৩৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৩৯৪)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3283)


3283 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ طَاوُوسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْوَزْنُ وَزْنُ مَكَّةَ، وَالْمِكْيَالُ مِكْيَالُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3272)




আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ওজন হবে মক্কার ওজন অনুসারে আর পরিমাণ হবে মদীনার পরিমাণ অনুসারে।”[1]



[1] বাযযার: ১২৬২; আবূ দাঊদ: ৩৩৪০; নাসাঈ: ৫/৫৪; তাবারানী: ১৩৪৪৯; সুনান বাইহাকী: ৬/৩১; বাগাবী: ২০৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (165).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما









সহীহ ইবনু হিব্বান (3284)


3284 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ [ص:79] يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ ابْنُ خُزَيْمَةَ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْعَلَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِيلَ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صَاعُنَا أَصْغَرُ الصِّيعَانِ، وَمُدُّنَا أَصْغَرُ الْأَمْدَادِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي قَلِيلِنَا وَكَثِيرِنَا، وَاجْعَلْ لَنَا مَعَ الْبَرَكَةِ بَرَكَتَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (3273) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي تَرْكِ إِنْكَارِ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيْثُ قَالُوا: صَاعُنَا أَصْغَرُ الصِّيعَانِ بَيَانٌ وَاضِحٌ أَنَّ صَاعَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَصْغَرُ الصِّيعَانِ، وَلَمْ يَخْتَلِفْ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ لَدُنِ الصَّحَابَةِ إِلَى يَوْمِنَا هَذَا فِي الصَّاعِ وَقَدْرِهِ إِلَّا مَا قَالَهُ الْحِجَازِيُّونَ وَالْعِرَاقِيُّونَ، فَزَعَمَ الْحِجَازِيُّونَ أَنَّ الصَّاعَ خَمْسَةُ أَرْطَالٍ وَثُلُثٌ، وَقَالَ الْعِرَاقِيُّونَ: الصَّاعُ ثَمَانِيَةُ أَرْطَالٍ، فَلَمَّا لَمْ نَجِدْ بَيْنَ أَهْلِ الْعِلْمِ خِلَافًا فِي قَدْرِ الصَّاعِ إِلَّا مَا وَصَفْنَا صَحَّ أَنَّ صَاعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:80] كَانَ خَمْسَةَ أَرْطَالٍ وَثُلُثًا، إِذْ هُوَ أَصْغَرُ الصِّيعَانِ وَبَطَلَ قَوْلُ مَنْ زَعَمَ أَنَّ الصَّاعَ ثَمَانِيَةُ أَرْطَالٍ مِنْ غَيْرِ دَلِيلٍ ثَبَتَ لَهُ عَلَى صِحَّتِهِ




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হয়, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমাদের সা‘ সবচেয়ে ছোট সা‘, আমাদের মুদ সবচেয়ে ছোট মুদ।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “হে আল্লাহ, আপনি আমাদের সা‘তে বারাকাহ দান করুন। আমাদের অল্প ও বেশিতে বারাকাহ দান করুন। আমাদের জন্য বারাকার সাথে আরো দুই বারাকাহ দান করুন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “সাহাবীগণ যখন বলেছেন যে, আমাদের সা‘ হলো সবচেয়ে ছোট সা‘ আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটাকে প্রত্যাখ্যান করেননি- এতে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে যে, মদীনার সা‘ সবচেয়ে ছোট সা‘। সাহাবীদের সময়কাল থেকে আমাদের সময়কাল পর্যন্ত সা‘ এবং তার পরিমাণ সম্পর্কে বিদ্বানগণ কোন মতভেদ করেননি, হিজাযবাসী ও ইরাকবাসীগণ যা মতভেদ করেছেন, সেটা ছাড়া। হিজাযবাসীগণ বলেছেন যে, এক সা‘ হলো পাঁচ রতল ও এক রতলের এক-তৃতীয়াংশ, আর ইরাকবাসীগণ বলেছেন যে, এক সা‘ হলো আট রতল। কাজেই যখন আমরা সা‘ এর পরিমাণ বিষয়ে এছাড়া আর কোন মতভেদ পাইনি, কাজেই এটাই সঠিক যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ ছিল পাঁচ রতল ও এক রতলের এক-তৃতীয়াংশ। কারণ এটাই হলো ছোট সা‘। আর যারা বিশুদ্ধ প্রমাণ ছাড়া বলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা‘ ছিল আট রতল, তাদের কথা বাতিল।”



[1] সুনান বাইহাকী: ৪/১৭১; ‍মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৮৮৫; দারেমী: ২/১০৬-১০৭; ইবনু মাজাহ: ৩৩২৯; সহীহ মুসলিম: ১৩৭৪; সহীহুল বুখারী: ১৮৮৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৩৯৯৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (3997): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3285)


3285 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْأَنْهَارُ وَالْعُيُونُ، أَوْ مَا كَانَ عَثَرِيًّا الْعُشْرَ، وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفُ الْعُشْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3274)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ আর সেচের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলে বিশ ভাগের এক ভাগ ফরয করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1421): ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3286)


3286 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا كَانَ بَعْلًا، أَوْ يُسْقَى بِنَهَرٍ، أَوْ عَثَرِيًّا يُؤْخَذُ مِنْ كُلِّ عَشَرَةٍ وَاحِدٌ»
رقم طبعة با وزير = (3275)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ উশর দিতে হবে।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null









সহীহ ইবনু হিব্বান (3287)


3287 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْأَنْهَارُ وَالْعُيُونُ الْعُشْرَ، وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفَ الْعُشْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3276)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশ, নদী ও ঝর্ণার পানিতে উৎপাদিত ফসলে অথবা পানির উৎসের কাছে আদ্র মাটিতে উৎপাদিত ফসলে এক-দশমাংশ আর সেচের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলে বিশ ভাগের এক ভাগ ফরয করেছেন।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৮৩; আবূ দাউদ: ১৫৯৬; তিরমিযী: ৬৪০; নাসাঈ: ৫/৪১; ইবনু মাজাহ: ১৮১৭; তাহাবী: ২/৩৬; দারাকুতনী: ২/১৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق مكرر (3274). تنبيه!! رقم (3274) = (3285) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3288)


3288 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ الدَّرَاوَرْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَعَبْدِ اللَّهِ، أَخِيهِ كِلَاهُمَا عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ لِلْمَسْجِدِ مِنْ كُلِّ حَائِطٍ بِقَنَا»
رقم طبعة با وزير = (3277) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: عَبْدُ اللَّهِ هَذَا: هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ مِنْ عُبَّادِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، قَدْ غَلَبَ عَلَيْهِ التَّقَشُّفُ وَالْعِبَادَةُ حَتَّى كَانَ يَقْلِبُ الْأَخْبَارَ وَلَا يَعْلَمُ، فَلَمَّا كَثُرَ ذَلِكَ مِنْهُ فِي أَخْبَارِهِ بَطَلَ الِاحْتِجَاجُ بِآثَارِهِ، وَاعْتِمَادُنَا فِي هَذَا الْخَبَرِ عَلَى أَخِيهِ عُبَيْدِ اللَّهِ دُونَهُ




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক বাগান থেকে এক থোকা করে খেজুর মাসজিদে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হাদীসের রাবী আব্দুল্লাহ হলেন আব্দুল্লাহ বিন উমার বিন হাফস বিন আসিম বিন উমার বিন খাত্তাব, তিনি মদীনাবাসী একজন আবিদ। দুনিয়ার ব্যাপারে বিরাগভাজন ও ইবাদতের অবস্থা প্রাবল্যতা লাভ করার কারণে তিনি অজান্তেই হাদীস উলট-পালট করে বর্ণনা করতেন। যখন হাদীস বর্ণনায় এরকম বেশি বেশি হতে থাকে, তখন তার হাদীসের মাধ্যমে দলীল গ্রহণ বাতিল হয়ে যায়। আর আমরা এই হাদীসে তার ভাইয়ের উপর নির্ভর করেছি; অন্য কারো উপর নয়।”



[1] হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/৭৭; আবূ ইয়ালা: ২০৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৫৯-৩৬০; আবূ দাঊদ: ১৬৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪৯৬; তাহাবী: ৪/৩০; সুনান বাইহাকী: ৫/৩১১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1465).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات ورجاله رجال الصحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3289)


3289 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، [ص:83] حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، عَنْ عَمِّهِ، وَاسِعِ بْنِ حِبَّانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ كُلِّ جَادٍّ * عَشَرَةِ أَوْسُقٍ مِنَ التَّمْرِ بِقِنْوٍ يُعَلَّقُ فِي الْمَسْجِدِ لِلْمَسَاكِينَ»
رقم طبعة با وزير = (3278)




জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ১০ ওয়াসাক খেজুর থেকে এক থোকা করে খেজুর মিসকীনদের জন্য মসজিদে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।”[1]



[1] হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/৭৭; আবূ ইয়ালা: ২০৩৮; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৫৯-৩৬০; আবূ দাঊদ: ১৬৬২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪৯৬; তাহাবী: ৪/৩০; সুনান বাইহাকী: ৫/৩১১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৬৫)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. * [جَادٍّ] قال الشيخ: الأصل: (جذاذ)، وهو خطأ. وَمِنَ الغَريب أنَّهُ وَقَع كذلك فِي «موارد الظمآن» (801)! فلعلَّ الطابع اغترَّ به لِجَهلِهِ بِهَذا العلم واللُّغة. قال في «النهاية»: (الجادّ): بمعنى الجدود؛ أي: نَخلٌ يُجَدُّ منه ما يبلغُ عشرة أوسق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (3290)


3290 - أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِنَّ الصَّدَقَةَ لَا تَحِلُّ لِغَنِيٍّ وَلَا لِذِي مِرَّةٍ سَوِيٍّ»
رقم طبعة با وزير = (3279)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সাদাকাহ ধনী ও সুস্থ্-সবল ব্যক্তির জন্য বৈধ নয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২০৭; নাসাঈ: ৫/৯৯; ইবনু মাজাহ: ১৮৩৯; তাহাবী: ২/১৪; সুনান বাইহাকী: ৭/১৪; দারাকুতনী: ২/১৮; হাকিম: ১/৪০৭; আত তায়ালিসী: ২২৭১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭১৫৫; দারেমী: ১/৩৮৭; আবূ দাউদ: ১৬৩৪; তিরমিযী: ৬৫২; বাগাবী: ১৫৯৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ শক্তিশালী বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৭৬)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (876 - 878).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي









সহীহ ইবনু হিব্বান (3291)


3291 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَارُونَ بْنِ رِئَابٍ، عَنْ كِنَانَةَ الْعَدَوِيِّ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ قَبِيصَةَ بْنِ الْمُخَارِقِ، فَاسْتَعَانَ بِهِ نَفَرٌ مِنْ قَوْمِهِ فِي نِكَاحِ رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ، فَأَبَى أَنْ [ص:86] يُعْطِيَهُمْ شَيْئًا، فَانْطَلَقُوا مِنْ عِنْدِهِ، قَالَ كِنَانَةُ: فَقُلْتُ لَهُ: أَنْتَ سَيِّدُ قَوْمِكَ، وَأَتَوْكَ يَسْأَلُونَكَ فَلَمْ تُعْطِهِمْ شَيْئًا، قَالَ: أَمَّا فِي هَذَا، فَلَا أُعْطِي شَيْئًا، وَسَأُخْبِرُكَ عَنْ ذَلِكَ، تَحَمَّلْتُ بِحَمَالَةٍ فِي قَوْمِي، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَخْبَرْتُهُ وَسَأَلْتُهُ أَنْ يُعِينَنِي، فَقَالَ: «بَلْ نَحْمِلُهَا عَنْكَ يَا قَبِيصَةُ، وَنُؤَدِّيهَا إِلَيْهِمْ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ»، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ الْمَسْأَلَةَ لَا تَحِلُّ إِلَّا لِثَلَاثَةٍ: رَجُلٍ تَحَمَّلَ بِحَمَالَةٍ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُؤَدِّيَهَا، أَوْ رَجُلٍ أَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ فَاجْتَاحَتْ مَالَهُ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ أَوْ سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، أَوْ رَجُلٍ أَصَابَتْهُ فَاقَةٌ فَشَهِدَ لَهُ ثَلَاثَةٌ مِنْ ذَوِي الْحِجَا مِنْ قَوْمِهِ أَنْ حَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ، فَقَدْ حَلَّتْ لَهُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ أَوْ سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، فَالْمَسْأَلَةُ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ سُحْتٌ»
رقم طبعة با وزير = (3280)




কিনানাহ আল আদাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি একবার কবীসাহ বিন মুখারিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ছিলাম। এমন সময় তার কওমের কিছু লোক এক ব্যক্তির বিবাহের জন্য তার কাছে সাহায্য চান। কিন্তু তিনি তাদেরকে কিছু সাহায্য করতে অস্বীকৃতি জানান। অতঃপর তারা সেখান থেকে চলে যান।” কিনানাহ আল আদাবী বলেন, “তখন আমি তাকে বললাম, “আপনি আপনার সম্প্রদায়ের নেতা। আর তারা আপনার কাছে সাহায্য চাইতে এসেছিলেন, কিন্তু আপনি তাদেরকে কিছুই দিলেন না!” তখন তিনি জবাবে বলেন, “এই ব্যাপারে আমি কোন কিছুই দিবো না। অচিরেই আমি এই সম্পর্কে তোমাকে হাদীস বলবো। একবার আমি আমার কওমের এক ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব গ্রহণ করি। অতঃপর আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বিষয়টি তাঁকে অবহিত করি এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি বলেন, “হে কবীসা, বরং আমরা সেই ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব তোমার থেকে আমরা গ্রহণ করে নিলাম। আমরা যাকাতের উট থেকে তা পরিশোধ করে দিবো। তারপর তিনি বলেন, “চাওয়া কেবল তিন শ্রেণির মানুষের জন্য বৈধ। (১) ঐ ব্যক্তি যে অন্যের ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেয়। তবে তার জন্য তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া বৈধ, (২) ঐ ব্যক্তি যাকে কোন দুর্যোগ পেয়ে বসে অতঃপর তার সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায়। তবে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন এবং (৩) যে ব্যক্তি দারিদ্র হয়ে পড়ে, অতঃপর তার কওমের তিনজন জ্ঞানী লোক তার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এছাড়া অন্য কোন কারণে ভিক্ষা করা হারাম।”[1]



[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৯৪৬; বাগাবী: ১৬২৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৭৭; হুমাইদী: ৮১৯; দারেমী: ১/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪৪; আবূ দাঊদ: ১৬৪০; নাসাঈ: ৫/৮৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৫৯; ইবনুল জারুদ: ৩৬৭; তাহাবী: ২/১৭-১৮; তাবারানী: ২/১১৯-১২০; সুনান বাইহাকী: ৬/৭৩; দারাকুতনী: ২/১১৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৬৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (868)، «صحيح أبي داود» (1448): م.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3292)


3292 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ أَبَا يُونُسَ مَوْلَى أَبِي هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: «إِنِّي أَنْقَلِبُ إِلَى أَهْلِي فَأَجِدُ التَّمْرَةَ سَاقِطَةً ثُمَّ أَرْفَعُهَا لِآكُلَهَا، ثُمَّ أَخْشَى أَنْ تَكُونَ صَدَقَةٌ فَأُلْقِيهَا»
رقم طبعة با وزير = (3281)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি একবার আমার পরিবারের কাছে যাচ্ছিলাম, এমন সময় আমি খেজুর পড়ে পাই। তারপর সেটা আমি উঠিয়ে নেই খাওয়ার জন্য তারপর আমার আশংকা হলো যে এটা হয়তো সাদাকার খেজুর হবে, অতঃপর আমি সেটা ফেলে দেই।”[1]



[1] সহীহ মুসলিম: ১০৭০; সুনান বাইহাকী: ৭/২৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৯৪৪; মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১৭; বাগাবী: ১৬০৬; সহীহুল বুখারী: ২৪৩১; তাহাবী: ২/১০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৮১)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3293)


3293 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى الْقَطَّانُ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِنَّا لَا تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَةُ وَمَوْلَى الْقَوْمِ مِنْ أَنْفُسِهِمْ»
رقم طبعة با وزير = (3282)




আবূ রাফে‘ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই আমাদের জন্য সাদাকার মাল বৈধ নয়। আর কোন কওমের আজাদকৃত দাস তাদের অন্তর্ভুক্ত।”[1]



[1] আত তায়ালিসী: ৯৭২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২১৪; মুসনাদ আহমাদ: ৬/১০; তিরমিযী: ৬৫৭; নাসাঈ: ৫/১০৭; তাহাবী: ২/৮; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৪৪; হাকিম: ১/৪০৪; সুনান বাইহাকী: ৭/৩২; বাগাবী: ১৬০৭। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৬১৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (3/ 365 / 862 و 3/ 387 / 880)، «الصحيحة» (1613)، «المشكاة» (1829).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3294)


3294 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِتَمْرٍ مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَةِ، فَتَنَاوَلَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ تَمْرَةً، فَلَاكَهَا فِي فِيهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كِخْ كِخْ، إِنَّا لَا تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَةُ»
رقم طبعة با وزير = (3283)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে সাদাকার খেজুর আনা হয়। অতঃপর হাসান বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সেখান থেকে একটি খেজুর নিয়ে মুখে দেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “ফেলো, ফেলো। নিশ্চয়ই আমাদের জন্য সাদাকার মাল ভক্ষন করা বৈধ নয়।”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২১৪; সহীহ মুসলিম: ১০৬৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৪৪; তাহাবী: ২/৯; বাগাবী: ১৬০৫; আত তায়ালিসী: ২৪৮২; দারেমী: ১/৩৮৬-৩৮৭; সহীহুল বুখারী: ১৪৯১; সুনান বাইহাকী: ৭/২৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৯৪০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৮৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3295)


3295 - سَمِعْتُ أَبَا خَلِيفَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ بَكْرِ بْنِ [ص:90] الرَّبِيعِ بْنِ مُسْلِمٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ مُسْلِمٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ زِيَادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: أَتَى أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمْرٌ مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَةِ، فَأَخَذَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ تَمْرَةً فَلَاكَهَا، فَأَدْخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِصْبَعَيْهِ فِي فِيهِ فَأَخْرَجَهَا، وَقَالَ: «كِخْ أَيْ بُنَيَّ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّا لَا تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَةُ»
رقم طبعة با وزير = (3284)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে সাদাকার খেজুর আসে। অতঃপর হাসান বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সেখান থেকে একটি খেজুর নিয়ে মুখে দেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাতের দুটি আঙ্গুল তার মুখে ঢুকিয়ে তা বের করে আনেন এবং বলেন, “ফেলো, হে বৎস। তুমি কি জানো না যে, আমাদের জন্য সাদাকার মাল ভক্ষন করা বৈধ নয়?”[1]



[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/২১৪; সহীহ মুসলিম: ১০৬৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪৪৪; তাহাবী: ২/৯; বাগাবী: ১৬০৫; আত তায়ালিসী: ২৪৮২; দারেমী: ১/৩৮৬-৩৮৭; সহীহুল বুখারী: ১৪৯১; সুনান বাইহাকী: ৭/২৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৬৯৪০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৮৩)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3296)


3296 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قَحْطَبَةَ، بِفَمِ الصُّلْحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَمُرُّ بِالتَّمْرَةِ سَاقِطَةً فَلَا يَمْنَعُهُ مِنْ أَخْذِهَا إِلَّا مَخَافَةُ الصَّدَقَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3285)




আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়ে থাকা খেজুরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতেন, অতঃপর সেটা কুড়িয়ে নিতে তাঁকে এই বিষয়টিই বাধা দিতো যে, সেটা সাদাকার খেজুর হতে পারে।”[1]



[1] আত তায়ালিসী: ১৯৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৮৪; আবূ দাঊদ: ১৬৫১; আবূ ইয়ালা: ২৬৮২; তাহাবী: ২/৯; সহীহ মুসলিম: ১০৭১; সুনান বাইহাকী: ৭/৩০; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/২১৪; সহীহুল বুখারী: ২০৫৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৫৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1457)، «الضعيفة» تحت الحديث (6467).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح









সহীহ ইবনু হিব্বান (3297)


3297 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ جُبَيْرَ بْنَ مُطْعَمٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ جَاءَ هُوَ وَعُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ رَسُولَ اللَّهِ يُكَلِّمَانِهِ فِيمَا قَسَمَ مِنْ خُمْسِ خَيْبَرَ لِبَنِي هَاشِمٍ، وَبَنِي الْمُطَّلِبِ ابْنَيْ عَبْدِ مَنَافٍ، وَقَرَابَتُهُمْ مِثْلُ قَرَابَتِهِمْ، فَقَالَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ قَسَمْتَ لِإِخْوَانِنَا بَنِي الْمُطَّلِبِ وَبَنِي هَاشِمٍ ابْنَيْ عَبْدِ مَنَافٍ، وَلَمْ تُعْطِنَا شَيْئًا، فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَا إِنَّ هَاشِمًا وَالْمُطَّلِبَ شَيْءٌ وَاحِدٌ» قَالَ جُبَيْرُ بْنُ مُطْعَمٍ: وَلَمْ يَقْسِمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِبَنِي عَبْدِ شَمْسٍ وَلَا لِبَنِي نَوْفَلٍ مِنْ ذَلِكَ الْخُمْسِ شَيْئًا، كَمَا قَسَمَ لِبَنِي هَاشِمٍ وَبَنِي الْمُطَّلِبِ
رقم طبعة با وزير = (3286)




সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুবাইর বিন মুতইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এবং উসমান বিন আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসেন, তিনি যে খাইবার যুদ্ধের গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ বানু হাশিম ও বানু মুত্তালিবের বংশধরদের জন্য বন্টন করেন- সেই বিষয়ে কথা বলার জন্য। অথচ তারা তাদের মতই নিকটতম। তারা দুইজন বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি আবদে মানাফের দুই পুত্র হাশিম ও মুত্তালিবের সন্তানদের জন্য ভাগ দিয়েছেন অথচ আপনি আমাদেরকে কিছুই দেননি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের বলেন, “নিশ্চয়ই হাশিম ও মুত্তালিব একই।” জুবাইর বিন মুতয়িম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বানু আবদে শামস ও বানু নাওফেলের জন্য কোন ভাগ প্রদান করেননি, যেভাবে তিনি বানু হাশিম ও বানু মুত্তালিবের সন্তানদের জন্য ভাগ প্রদান করেছিলেন।”[1]



[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/৮৩; সহীহুল বুখারী: ৪২২৯; আবূ দাঊদ: ২৯৭৮; নাসাঈ: ৭/১৩০; ইবনু মাজাহ: ২৮৮১; তাবারানী: ১৫৯৩; সুনান বাইহাকী: ২/১৪৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১২৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (1242): خ.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3298)


3298 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَيْسَ الْمِسْكِينُ بِالطَّوَافِ، مَنْ تَرُدُّهُ الْأَكْلَةُ وَالْأَكْلَتَانِ، وَاللُّقْمَةُ وَاللُّقْمَتَانِ، وَالتَّمْرَةُ وَالتَّمْرَتَانِ، وَلَكِنَّ الْمِسْكِينَ الَّذِي لَا يَجِدُ غِنًى فَيُغْنِيهِ، وَلَا يَسْأَلُ النَّاسَ إِلْحَافًا، وَيَسْتَحْيِي أَنْ يَسْأَلَ النَّاسَ إِلْحَافًا»
رقم طبعة با وزير = (3287)




আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ঐ ব্যক্তি (প্রকৃত) মিসকিন নয় যে মানুষের কাছে ঘুরে ঘুরে সাহায্য চায়, অতঃপর এক গ্রাস ও দুই গ্রাস, এক লুকমা ও দুই লুকমা, একটি ও দুটি খেজুর দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়। বস্তুত মিসকিন হলো ঐ ব্যক্তি যে এমন কিছু পায় না, যার মাধ্যমে সে স্বাবলম্বী হবে আর মানুষের কাছে করজোড়ে প্রার্থনাও করে না; সে মানুষের কাছে করজোড়ে সাহায্য চাইতে লজ্জাবোধ করে।”[1]



[1] সহীহুল বুখারী: ১৪৭৬; দারেমী: ১/৩৭৯; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৬০; সুনান বাইহাকী: ৭/১১; বাগাবী: ১৬০৩; সহীহ মুসলিম: ১০৯৩; নাসাঈ: ৫/৮৪-৮৫; আবূ দাঊদ: ১৬৩১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৪২)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1442).




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين









সহীহ ইবনু হিব্বান (3299)


3299 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ فَارِسٍ الدَّلَّالُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِإِخْرَاجِ زَكَاةِ الْفِطْرِ أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ، وَأَنَّ عَبْدَ اللَّهِ كَانَ يُؤَدِّيهَا قَبْلَ ذَلِكَ بِيَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ»
رقم طبعة با وزير = (3288) [ص:94] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: كَانَ ابْنُ عُمَرَ يُعَجِّلُ الزَّكَاةَ قَبْلَ الْفِطْرِ بِيَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ، وَيَسْتَقْبِلُ رَمَضَانَ بِصِيَامِ يَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাকাতুল ফিতর লোকদের (ঈদগাহের উদ্দেশ্যে) বের হওয়ার আগেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এর একদিন বা দুইদিন আগে আদায় করতেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সাদাকাতুল ফিতর ঈদুল ফিতরের এক বা দুইদিন আগে দিতেন এবং রমযানের সিয়ামের এক বা দুইদিন আগে থেকে সিয়াম রাখা শুরু করতেন।”



[1] সহীহ মুসলিম: ৯৮৬; মুসনাদ আহমাদ: ২/১৫৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৪২১; দারাকুতনী: ২/১৫২; দারেমী: ১/৩৯২; সহীহুল বুখারী: ১৫০৯; সহীহ মুসলিম: ৯৮৬; আবূ দাঊদ: ১৬১০; নাসাঈ: ৫/৫৪; তিরমিযী: ৬৭৭; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৮৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪২৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1428): ق دون فعل ابن عمر، وله (خ) معناه.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم









সহীহ ইবনু হিব্বান (3300)


3300 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِصَدَقَةِ الْفِطْرِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ» قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: فَجَعَلَ النَّاسُ عِدْلَهُ مُدَّيْنِ مِنْ حِنْطَةٍ
رقم طبعة با وزير = (3289)




আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাকাতুল ফিতর হিসেবে এক সা‘ খেজুর অথবা এক সা‘ যব আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।” আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, “তারপর লোকজন তার পরিবর্তে দুই মুদ বা অর্ধ সা‘ গম প্রদান করেন।”[1]



[1] তাহাবী: ২/৪৪; সহীহুল বুখারী: ১৫০৭; সহীহ মুসলিম: ৯৮৪; ইবনু মাজাহ: ১৮২৫; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৬/১৯৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২৮৯)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح.




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما