সহীহ ইবনু হিব্বান
3521 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ [ص:288] مُحَمَّدِ بْنِ مَرْزُوقٍ الْبَاهِلِيُّ، بِالْبَصْرَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ أَفْطَرَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ نَاسِيًا فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ، وَلَا كَفَّارَةَ»
رقم طبعة با وزير = (3512)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ভুলবশত সিয়াম ভেঙ্গে ফেলে, তবে তার উপর কাযা ও কাফফারা কোন কিছুই বর্তাবে না।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৯০; দারাকুতনী: ২/১৭৮; হাকিম: ১/৪৩০; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৯; মাজমাউয যাওয়াইদ: ৩/১৫৭-১৫৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «الإرواء» (4/ 87).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
3522 - أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ النَّضْرِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَهِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَقَتَادَةَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي كُنْتُ صَائِمًا، فَأَكَلْتُ وَشَرِبْتُ نَاسِيًا، فَقَالَ [ص:289] رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَطْعَمَكَ اللَّهُ وَسَقَاكَ، أَتِمَّ صَوْمَكَ»
رقم طبعة با وزير = (3513)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি সিয়াম রেখেছিলাম, অতঃপর আমি ভুলবশত পানাহার করেছি।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আল্লাহই তোমাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন। তুমি তোমার সিয়াম পূর্ণ করো।”[1]
[1] আবূ দাঊদ: ২৩৯৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৯; দারাকুতনী: ২/১৭৯-১৯০; তিরমিযী: ৭২১; আবূ ইয়ালা: ৬০৩৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৬)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (4/ 86)، «صحيح أبي داود» (2075).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3523 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ بْنِ الْمُبَارَكِ بْنِ الْهَيْثَمِ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ، فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُكَفِّرَ بِعِتْقِ رَقَبَةٍ، أَوْ صِيَامِ شَهْرَيْنِ، أَوْ إِطْعَامِ سِتِّينَ مِسْكِينًا، قَالَ: لَا أَجِدُ، فَأُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَقِ تَمْرٍ، فَقَالَ: «خُذْ هَذَا فَتَصَدَّقْ بِهِ»، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا أَجِدُ أَحَدًا أَحْوَجَ مِنِّي، فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، ثُمَّ قَالَ: «كُلْهُ»
رقم طبعة با وزير = (3514) [ص:292] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: لَمْ يَقُلْ أَحَدٌ فِي هَذَا الْخَبَرِ، عَنِ الزُهْرِيِّ: «أَوْ صِيَامِ شَهْرَيْنِ، أَوْ إِطْعَامِ سِتِّينَ مِسْكِينًا»، إِلَّا مَالِكٌ وَابْنُ جُرَيْجٍ، [ص:293] وَقَوْلُ الرَّجُلِ: أَفْطَرْتُ، أَيْ: وَاقَعْتُ، ذِكْرُ الْبَيَانِ بِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا أَمَرَ الْمُجَامِعَ فِي شَهْرِ الصَّوْمِ بِصِيَامِ شَهْرَيْنِ عِنْدَ عَدَمِ الْقُدْرَةِ عَلَى الرَّقَبَةِ، وَبِإِطْعَامِ سِتِّينَ مِسْكِينًا عِنْدَ عَدَمِ الْقُدْرَةِ عَلَى الصَّوْمِ، لَا أَنَّهُ يُخَيَّرُ بَيْنَ هَذِهِ الْأَشْيَاءِ الثَّلَاثَةِ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রমযান মাসে সিয়াম ভেঙ্গে ফেলেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে একটি দাস মুক্ত করতে অথবা দুই মাস সিয়াম রাখতে অথবা ৬০ জন মিসকিনকে খাদ্য খাওয়ানোর নির্দেশ দেন। তখন সেই ব্যক্তি বলেন, “আমার তো সামর্থ নেই।” তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এক ঝুড়ি খেজুর আনা হয়। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “এগুলো নাও এবং সাদাকাহ করো।” সেই ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমার চেয়ে অভাবী আর কাউকে আমি পাই না।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেঁসে দেন এমনকি তাঁর দাত প্রকাশ পায়। তারপর তিনি বলেন, “এগুলো খেয়ে নাও।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনায় “অথবা দুই মাস সিয়াম রাখতে অথবা ৬০ জন মিসকিনকে খাদ্য খাওয়ানোর” কথা মালিক ও ইবনু জুরাইজ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি।” আর কোন ব্যক্তির কথা أَفْطَرْتُ এর অর্থ আমি স্ত্রী সহবাস করেছি।”
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯৬; ইমাম শাফেঈ: ১/২৬০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৪৫৭; সহীহ মুসলিম: ১১১১; আবূ দাঊদ: ২৩৯২; দারেমী: ২/১১; তাহাবী: ২/৬০; সহীহুল বুখারী: ৫৩৬৮; মুসনাদ আহমাদ: ২/২০৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৪৫; দারাকুতনী: ২/১৯০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৮-৮৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2071)، «الإرواء» (4/ 88 - 89): م، لكن قوله: «أو» في الكفارة شاذ، والمحفوظ كما في الرواية الآتية.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3524 - أَخْبَرَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، بِبَغْدَادَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: هَلَكَتُ، فَقَالَ: «وَمَا شَأْنُكَ»؟، قَالَ: وَقَعَتُ عَلَى امْرَأَتِي، قَالَ: «فَهَلْ تَجِدُ مَا تُعْتِقُ بِهِ رَقَبَةً»؟، قَالَ: لَا، قَالَ: «أَتَسْتَطِيعُ أَنْ تَصُومَ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ؟ »، قَالَ: لَا، قَالَ: «أَتَسْتَطِيعُ أَنْ تُطْعِمَ سِتِّينَ مِسْكِينًا؟ »، قَالَ: لَا، قَالَ: «اجْلِسْ»، فَأُتِيَ بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ، وَهُوَ الْمِكْتَلُ الضَّخْمُ، قَالَ: «خُذْ هَذَا فَتَصَدَّقْ بِهِ عَلَى سِتِّينَ مِسْكِينًا»، قَالَ: مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا أَهْلُ بَيْتٍ أَفْقَرُ مِنَّا، قَالَ: فَضَحِكَ [ص:294] رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، قَالَ: «خُذْهُ وَأَطْعِمْهُ عِيَالَكَ»
رقم طبعة با وزير = (3515)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “আমি ধ্বংস হয়ে গেছি।”তখন তিনি বলেন, “তোমার কী হয়েছে? ”সে ব্যক্তি বলেন, “আমি স্ত্রী সহবাস করেছি।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি কি একটি দাস মুক্ত করতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “জ্বী, না।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন, “তুমি কি বিরতিহীনভাবে দুই মাস সিয়াম রাখতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাব দেন, “জ্বী, না।” তখন তিনি বলেন, “বসো।” তারপর তাঁর কাছে এক আরাক খেজুর আনা হয়। আরাক হলো বড় ঝুড়ি। তখন তিনি বলেন, “এটা নাও এবং ৬০ জন মিসকিনকে সাদাকাহ করো।” সেই ব্যক্তি বলেন, “দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় (মাদীনায়) আমাদের চেয়ে অভাবী কোন পরিবার নেই।” রাবী বলেন, “এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেঁসে দেন এমনকি তাঁর দাত প্রকাশ পেয়ে যায়। তিনি বলেন, “তুমি নিয়ে নাও এবং তোমার পরিবারকে খাওয়াও।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২৪১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১০৬; হুমাইদী: ১০০৮; সহীহুল বুখারী: ৬৭০৯; সহীহ মুসলিম: ১১১১; আবূ দাঊদ: ২৩৯০; তিরমিযী: ৭২৭; ইবনু মাজাহ: ১৬৭১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৪৪; তাহাবী: ২/৬১; ইবনুল জারুদ: ৩৮৪; বাগাবী: ১৭৫২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৮-৮৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2068)، «الإرواء» -أيضا-: ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3525 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ بَكْرِ بْنِ مُضَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ [ص:295] وَقَعَ بِامْرَأَتِهِ فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ: «هَلْ تَجِدُ رَقَبَةً؟ »، قَالَ: لَا، قَالَ: «هَلْ تَسْتَطِيعُ صِيَامَ شَهْرَيْنِ؟ » قَالَ: لَا، قَالَ: «تُطْعِمُ سِتِّينَ مِسْكِينًا؟ »، قَالَ: لَا أَجِدُ، فَأَعْطَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمْرًا، وَأَمَرَهُ أَنْ يَتَصَدَّقَ بِهِ، قَالَ: فَذَكَرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَاجَتَهُ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَأْخُذَهُ هُوَ
رقم طبعة با وزير = (3516)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন যে, তিনি রমযানে স্ত্রী সহবাস করেছেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি কি একটি দাস মুক্ত করতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “জ্বী, না।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন, “তুমি কি (বিরতিহীনভাবে) দুই মাস সিয়াম রাখতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাব দেন, “জ্বী, না।” তখন তিনি তাকে কিছু খেজুর দেন এবং সেগুলো সাদাকাহ করার নির্দেশ দেন। অতঃপর সেই ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিজের অভাবের কথা বলেন। তখন তিনি তাকে সেগুলো গ্রহণ করার আদেশ করেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২৪১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১০৬; হুমাইদী: ১০০৮; সহীহুল বুখারী: ৬৭০৯; সহীহ মুসলিম: ১১১১; আবূ দাঊদ: ২৩৯০; তিরমিযী: ৭২৭; ইবনু মাজাহ: ১৬৭১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৪৪; তাহাবী: ২/৬১; ইবনুল জারুদ: ৩৮৪; বাগাবী: ১৭৫২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৮-৮৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3526 - أَخْبَرَنَا ابْنُ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتُ، قَالَ: «وَيْحَكَ، وَمَا ذَاكَ؟ »، قَالَ: وَقَعَتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي يَوْمٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ، قَالَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً»، قَالَ: مَا أَجِدُ، قَالَ: «فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ»، قَالَ: مَا أَسْتَطِيعُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»، [ص:296] قَالَ: مَا أَجِدُ، قَالَ: فَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَقٍ فِيهِ خَمْسَةَ عَشَرَ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، فَقَالَ لَهُ: «فَتَصَدَّقْ بِهِ»، قَالَ: عَلَى أَفْقَرَ مِنْ أَهْلِي، مَا بَيْنَ لَابَتَيِ الْمَدِينَةِ أَحْوَجُ مِنْ أَهْلِي، فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، وَقَالَ: «خُذْهُ وَاسْتَغْفَرِ اللَّهَ، وَأَطْعِمْهُ أَهْلَكَ»
رقم طبعة با وزير = (3517)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “আমি ধ্বংস হয়ে গেছি।”তখন তিনি বলেন, “দুর্ভোগ তোমার, তোমার কী হয়েছে?”সে ব্যক্তি বলেন, “আমি রমযানের দিনে স্ত্রী সহবাস করেছি।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি একটি দাস মুক্ত কর।” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “আমার সেটা করার সামর্থ নেই।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তাহলে তুমি বিরতিহীনভাবে দুই মাস সিয়াম পালন করো” সে ব্যক্তি জবাব দেন, “আমি তো এটা করতে পারবো না।” তখন তিনি বলেন, “তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকীন খাদ্য দান করো।” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “আমার সেটা করার সামর্থ নেই।” তারপর তাঁর কাছে এক ঝুড়ি খেজুর আনা হয়, যাতে ১৫ সা‘ খেজুর ছিল। তখন তিনি তাকে বলেন, “এগুলো সাদাকাহ করো।” সেই ব্যক্তি জিজ্ঞেস করেন, “আমাদের চেয়ে গরীব লোকদেরকে? দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় (মাদীনায়) আমাদের চেয়ে অভাবী কোন পরিবার নেই।” রাবী বলেন, “এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি হেঁসে দেন এমনকি তাঁর দাত প্রকাশ পেয়ে যায়। তিনি বলেন, “তুমি নিয়ে নাও, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং এগুলো তোমার পরিবারকে খাওয়াও।”[1]
[1] দারাকুতনী: ২/১৯০; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৭; সহীহুল বুখারী: ৬১৬৪; তাহাবী: ২/৬১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৭০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2070).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3527 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنِ الزُهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتُ، قَالَ: «وَمَا ذَاكَ؟ »، قَالَ: وَقَعَتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي يَوْمٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ، قَالَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً»، قَالَ: مَا أَجِدُهَا، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ»، قَالَ: لَا أَسْتَطِيعُ، قَالَ: «فَأَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»، قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: فَأُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَقٍ، فَقَالَ: «خُذْهُ فَتَصَدَّقْ بِهِ»، [ص:297] فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَلَى غَيْرِ أَهْلِي، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا بَيْنَ طُنُبَيِ الْمَدِينَةِ أَحَدٌ أَفْقَرُ مِنِّي، فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، ثُمَّ قَالَ: «خُذْهُ وَاسْتَغْفَرْ رَبِّكَ»
رقم طبعة با وزير = (3518)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। ”তখন তিনি বলেন, “সেটা কী?” সে ব্যক্তি বলেন, “আমি রমযানের দিনে স্ত্রী সহবাস করেছি।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি একটি দাস মুক্ত কর।” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “আমার সেটা করার সামর্থ নেই।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তাহলে তুমি বিরতিহীনভাবে দুই মাস সিয়াম পালন করো” সে ব্যক্তি জবাব দেন, “আমি তো এটা করতে পারবো না।” তখন তিনি বলেন, “তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকীন খাদ্য দান করো।” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “আমার সেটা করার সামর্থ নেই।” তারপর তাঁর কাছে এক ঝুড়ি খেজুর আনা হয়। তখন তিনি তাকে বলেন, “এগুলো নাও এবং সাদাকাহ করো।” সেই ব্যক্তি জিজ্ঞেস করেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অন্য লোকদের? ঐ সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, মদীনার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় আমার চেয়ে অভাবী কেউ নেই।” রাবী বলেন, “এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি হেঁসে দেন এমনকি তাঁর দাত প্রকাশ পেয়ে যায়। তিনি বলেন, “তুমি নিয়ে নাও এবং তোমার প্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।”[1]
[1] দারাকুতনী: ২/১৯০; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৭; সহীহুল বুখারী: ৬১৬৪; তাহাবী: ২/৬১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৭০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3528 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أَتَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرَ أَنَّهُ احْتَرَقَ، فَسَأَلَهُ عَنْ أَمْرِهِ، فَذَكَرَ أَنَّهُ وَقَعَ عَلَى امْرَأَتِهِ فِي رَمَضَانَ، فَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِكْتَلٍ يُدْعَى الْعَرَقُ فِيهِ تَمْرٌ، فَقَالَ: «أَيْنَ الْمُحْتَرِقُ»، فَقَامَ الرَّجُلُ، فَقَالَ: «تَصَدَّقْ بِهَذَا»
رقم طبعة با وزير = (3520)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন যে, তিনি জ্বলে-পুড়ে গিয়েছেন, অতঃপর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তখন সেই ব্যক্তি বলেন যে, তিনি রমযানে স্ত্রী সহবাস করেছেন। অতঃপর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এক ঝুড়ি খেজুর আসলে বলেন, “জ্বলে-পুড়ে যাওয়া লোকটি কোথায়?” তখন লোকটি দাঁড়ালে তিনি বলেন, “এগুলো সাদাকাহ করো।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১০৬; দারেমী: ২/১১-১২; সহীহুল বুখারী: ১৯৩৫; তাহাবী: ২/৫৯-৬০; সুনান বাইহাকী: ৪/২২৩; সহীহ মুসলিম: ১১১২; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ১১/২২৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৭৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2074).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3529 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ الْكَلَاعِيُّ، بِحِمْصَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الزُهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: بَيْنَمَا نَحْنُ جُلُوسٌ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتُ، قَالَ: «وَمَا لَكَ»؟ قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي وَأَنَا صَائِمٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هَلْ تَجِدُ رَقَبَةً تُعْتِقُهَا؟ »، قَالَ: لَا، قَالَ: «فَهَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تَصُومَ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ؟ »، قَالَ: لَا، وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «هَلْ تَجِدُ إِطْعَامَ سِتِّينَ مِسْكِينًا؟ »، قَالَ: لَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: بَيْنَا نَحْنُ عَلَى ذَلِكَ، أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ، وَالْعَرَقُ: الْمِكْتَلُ، فَقَالَ: «أَيْنَ [ص:299] السَّائِلُ آنِفًا؟، خُذْ هَذَا التَّمْرَ فَتَصَدَّقْ بِهِ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: عَلَى أَفْقَرَ مِنْ أَهْلِي يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَاللَّهِ مَا بَيْنَ لَا بَتَيْهَا يُرِيدُ الْحَرَّتَيْنِ، أَهْلُ بَيْتٍ أَفْقَرُ مِنْ أَهْلِ بَيْتِي، قَالَ: فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ، ثُمَّ قَالَ: «أَطْعِمْهُ أَهْلَكَ»
رقم طبعة با وزير = (3521)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বসে আছি, এমন সময় এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি।”তখন তিনি বলেন, “তোমার কী হয়েছে?”সে ব্যক্তি বলেন, “আমি সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি কি একটি দাস মুক্ত করতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাবে বলেন, “জ্বী, না।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করেন, “তুমি কি বিরতিহীনভাবে দুই মাস সিয়াম রাখতে পারবে?” সে ব্যক্তি জবাব দেন, “আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি পারবো না।” তখন তিনি বলেন, “৬০ জন মিসকিনকে খাদ্য খাওয়াতে পারবে? সেই ব্যক্তি জবাব দেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি পারবো না।” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ থাকেন। আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমরা এমন অবস্থাতেই ছিলাম। এমন সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এক আরাক খেজুর আনা হয়। আরাক হলো একটি পরিমাপক ঝুড়ি। তখন তিনি বলেন, “এক্ষুনি যে প্রশ্ন করলো, সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তুমি এগুলো নিয়ে নাও এবং সাদাকাহ করো।”সেই ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমাদের চেয়ে অভাবী ব্যক্তিকে? আল্লাহর কসম, দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় (মাদীনায়) আমাদের চেয়ে অভাবী কোন পরিবার নেই।” রাবী বলেন, “এটা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি হেঁসে দেন এমনকি তাঁর দাত প্রকাশ পেয়ে যায়। অতঃপর তিনি বলেন, “এগুলো তোমার পরিবারকে খাওয়াও।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/২৪১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১০৬; হুমাইদী: ১০০৮; সহীহুল বুখারী: ৬৭০৯; সহীহ মুসলিম: ১১১১; আবূ দাঊদ: ২৩৯০; তিরমিযী: ৭২৭; ইবনু মাজাহ: ১৬৭১; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৪৪; তাহাবী: ২/৬১; ইবনুল জারুদ: ৩৮৪; বাগাবী: ১৭৫২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৮-৮৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق انظر (3515).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3530 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْحَكَمِ، وَسَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، وَمُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، وَمُجَاهِدٍ، وَعَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: إِنَّ أُخْتِي مَاتَتْ، وَعَلَيْهَا صِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ، قَالَ: «أَرَأَيْتِ لَوْ كَانَ عَلَى أُخْتِكِ دَيْنٌ، أَكُنْتِ تَقْضِينَهُ؟ »، قَالَتْ: نَعَمْ، قَالَ: «فَحَقُّ اللَّهِ أَحَقُّ»
رقم طبعة با وزير = (3519) و (3522)
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক মহিলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, “আমার বোন মারা গিয়েছে, তার উপর বিরতিহীনভাবে দুই মাস সিয়াম পালন ওয়াজিব ছিল।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমার কি অভিমত, যদি তোমার বোনের ঋণ থাকতো, তবে তুমি কি তা পরিশোধ করতে?” সেই নারী বলেন, “জ্বী, হ্যা। ”তখন তিনি বলেন, “তবে আল্লাহর হক আদায় করা বেশি উপযুক্ত।”[1]
[1] তিরমিযী: ৭১৭; সহীহ মুসলিম: ১১৪৮; ইবনু মাজাহ: ১৭৫৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২৫৫; দারাকুতনী: ২/১৯৫; বাগাবী: ১৭৭৪; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৫৮; সহীহুল বুখারী: ১৯৫৩; তাবারানী: ১২৩৩০; আবূ দাঊদ: ৩৩১০; নাসাঈ: ৭/২০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ১/২৬১-২৬২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: تنبيه!! هذا الحديث تكرر في «طبعة باوزير» في موضعين الموضع الأول (3519) وقال عنه الشيخ: صحيح - «الإرواء» (3/ 261 - 262)، «التعليق على صحيح ابن خزيمة» (3/ 223 و 272): ق. الموضع الثاني (3522) وقال عنه الشيخ: صحيح مكرر (3519) أما في «طبعة المؤسسة» فلم يرد بهذا الإسناد إلا في هذا الموضع، نعم الحديث موجود فيها برقم (3570) ولكن من رواية الحسين بن إسحاق الأصبهاني، قال: حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي ... به. - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3531 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو الْمِنْقَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ»
رقم طبعة با وزير = (3523)
আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়ামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষম করে নিয়েছিলেন।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১৯৩৯; আবূ দাঊদ: ২৩৭২; তাহাবী: ২/১০১; সুনান বাইহাকী: ৪/২৬৩; তিরমিযী: ৭৭৫; তাবারানী: ১১৮৬০; ইমাম শাফেঈ: ১/২৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫৪১; মুসনাদ আহমাদ: ১/২১৫; ইবনু মাজাহ: ১৬৮২; আবূ ইয়ালা: ২৪৭১; দারাকুতনী: ২/২৩৯; ইবনুল জারুদ: ৩৮৮; তাহাবী: ২/১০১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৯৩২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2054)، «الإرواء» (932): خ.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3532 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو قِلَابَةَ، أَنَّ أَبَا أَسْمَاءَ الرَّحَبِيَّ حَدَّثَهُ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ خَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِثَمَانِ عَشْرَةَ خَلَتْ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلَى الْبَقِيعِ، فَنَظَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى رَجُلٍ يَحْتَجِمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
رقم طبعة با وزير = (3524)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আজাদকৃত দাস সাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রমযানের ১৮ তারিখ বাকী‘ নামক জায়গায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির দিকে লক্ষ্য করেন, যে রক্ত মোক্ষম করছিল। তখন তিনি বলেন, “যে রক্তমোক্ষম করছে আর যাকে রক্তমোক্ষম করে দিচ্ছে উভয়ের সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৬২; তাহাবী: ২/৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ৫/২৮০; হাকিম: ১/৪২৭; সুনান বাইহাকী: ৪/২৬৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫২২; আত তায়ালিসী: ৯৮৯; দারেমী: ২/১৪-১৫; আবূ দাঊদ: ২৩৬৭; ইবনু মাজাহ: ১৬৮০; তাবারানী: ১৪৪৭; ইবনুল জারুদ: ৩৮৬; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৪৯-২০৫৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2049 - 2053).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3533 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، قَالَ: بَيْنَمَا أَنَا أَمْشِي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثَمَانِ عَشْرَةَ خَلَتْ مِنْ رَمَضَانَ، إِذْ حَانَتْ مِنْهُ الْتِفَاتَةٌ، فَأَبْصَرَ رَجُلًا يَحْتَجِمُ، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
رقم طبعة با وزير = (3525) [ص:303] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: سَمِعَ هَذَا الْخَبَرَ أَبُو قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، وَسَمِعَهُ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، وَهُمَا طَرِيقَانِ مَحْفُوظَانِ، وَقَدْ جَمَعَ شَيْبَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بَيْنَ الْإِسْنَادَيْنِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، وَعَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ
শাদ্দাদ বিন আওস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রমযানের ১৮ তারিখে হাঁটছিলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির দিকে লক্ষ্য করেন, যে রক্ত মোক্ষম করছিল। তখন তিনি বলেন, “যে রক্তমোক্ষম করছে আর যাকে রক্তমোক্ষম করে দিচ্ছে উভয়ের সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি আবূ কিলাবাহ রহিমাহুল্লাহ আবূ আসমা থেকে, তিনি সাওবান থেকে হাদীসটি শ্রবণ করেছেন এবং তিনি হাদীসটি আবুল আশআস থেকে, তিনি আবূ আসমা থেকে, তিনি শাদ্দাদ বিন আওস থেকেও হাদীসটি শ্রবণ করেছেন। আর দুটি সানাদই সহীহ। শাইবান বিন আব্দুর রহমান দুটি সানাদের মাঝেই সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন। তিনি ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসীর থেকে, তিনি আবূ কিলাবাহ থেকে, তিনি আবূ আসমা থেকে, তিনি সাওবান ও আবুল আশআস থেকে, তারা আবু আসমা থেকে, তিনি শাদ্দাদ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/১২৪; দারেমী: ২/১৪; তাবারানী: ৭১৫১; সুনান বাইহাকী: ৪/২৬৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫১৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৪৯-৫০; আবূ দাঊদ: ২৩৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৫১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2051).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3534 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ [ص:304] الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْبَقِيعِ زَمَانَ الْفَتْحِ، فَنَظَرَ إِلَى رَجُلٍ يَحْتَجِمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
رقم طبعة با وزير = (3526)
শাদ্দাদ বিন আওস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “মক্কা বিজয়ের সময়ে রমযানের ১৮ তারিখে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তিকে রক্তমোক্ষম করতে দেখলেন। তখন তিনি বলেন, “যে রক্তমোক্ষম করছে আর যাকে রক্তমোক্ষম করে দিচ্ছে উভয়ের সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৪/১২৪; দারেমী: ২/১৪; তাবারানী: ৭১৫১; সুনান বাইহাকী: ৪/২৬৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫১৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৪৯-৫০; আবূ দাঊদ: ২৩৬৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ২০৫১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3535 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدٍ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَارِظٍ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
رقم طبعة با وزير = (3527) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذَانِ خَبَرَانِ قَدْ أَوْهَمَا عَالَمًا مِنَ النَّاسِ أَنَّهُمَا مُتَضَادَّانِ، وَلَيْسَا كَذَلِكَ، لِأَنَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ مُحْرِمٌ، وَلَمْ يَرْوَ عَنْهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي خَبَرٍ صَحِيحٍ أَنَّهُ احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ دُونَ الْإِحْرَامِ، وَلَمْ يَكُنْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحْرِمًا قَطُّ إِلَّا وَهُوَ مُسَافِرٌ، وَالْمُسَافِرُ قَدْ أُبِيحَ لَهُ الْإِفْطَارُ إِنْ شَاءَ بِالْحِجَامَةِ، وَإِنْ شَاءَ بِالشَّرْبَةِ مِنَ الْمَاءِ، وَإِنْ شَاءَ بِالشَّرْبَةِ مِنَ اللَّبَنِ، أَوْ بِمَا شَاءَ مِنَ الْأَشْيَاءِ، [ص:307] وَقَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ» لَفْظَةُ إِخْبَارٍ عَنْ فِعْلٍ مُرَادُهَا الزَّجْرُ عَنِ اسْتِعْمَالِ ذَلِكَ الْفِعْلِ نَفْسِهِ *
রাফে‘ বিন খাদীজ আওস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে রক্তমোক্ষম করছে আর যাকে রক্তমোক্ষম করে দিচ্ছে উভয়ের সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই দুটি হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীস দুটি হয়তো পরস্পর বিপরীত। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরামরত অবস্থায় সিয়াম পালনকালে রক্ত মোক্ষম করে নিয়েছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এরকম কোন সহীহ বর্ণনা আসেনি যে, তিনি ইহরাম অবস্থা ছাড়া সিয়াম পালনকালে রক্তমোক্ষম করে নিয়েছেন। ইহরাম তিনি সফর অবস্থায় করেছেন। আর মুসাফিরের জন্য সিয়াম ভঙ্গ করা বৈধ; সেটা হতে পারে রক্তমোক্ষম করার মাধ্যমে, হতে পারে পানি বা দুধ পানের মাধ্যমে অথবা অন্য যে কোন জিনিসের মাধ্যমে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “যে রক্তমোক্ষম করছে আর যাকে রক্তমোক্ষম করে দিচ্ছে উভয়ের সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে” এটা হলো একটি কাজ সম্পর্কে সংবাদ। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো খোদ এই ধরণের কাজ করার ব্যাপারে নিষেধ করা।”[2]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৫২৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৬৫; তিরমিযী: ৭৭৪; তাবারানী: ৪২৫৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৯৬৪; হাকিম: ১/৪২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২৬৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৭০-৭১) [2] শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ তার প্রতিবাদে বলেন, “লেখন রহিমাহুল্লাহ যা বলেছেন, সেটা দুই দিক থেকে ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে: প্রথমত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরাম অবস্থা ছাড়া সিয়াম রেখে রক্ত মোক্ষম করেছেন, এরকম কোন হাদীস বর্ণিত না হওয়া এটা মোটেও আবশ্যক করে না যে, এরকম কিছু সংঘটিত হয়নি। বরং এই ব্যাপারে বর্ণিত প্রথম মুতলাক বা সাধারণ হাদীসটিই যথেষ্ট। সেটা হলো, তিনি সিয়ামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষম করেছেন। বিশেষত সহীহ বুখারীর বর্ণনায় এসেছে, احتجم وهوصائم ، واحتجم وهو محرم (তিনি সিয়ামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষম করেছেন এবং তিনি ইহরাম অবস্থাতেও রক্তমোক্ষম করেছেন)। এই হাদীসটি দুটি স্বতন্ত্র ঘটনা হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। এই হাদীসটি ঐ হাদীসের চেয়ে বেশি বিশুদ্ধ যেখানে এই শব্দে বর্ণিত হয়েছে, احتجم وهو صائم محرم (তিনি সিয়ামরত ও মুহরিম অবস্থায় রক্তমোক্ষম করেছেন)। এই হাদীসটি এটাকে একটা ঘটনা হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। গ্রন্থকার এর উপর পথ চলেছেন। অতঃপর যা বলার তা বলেছেন। আর এই ব্যাপারে সহীহ বুখারীর বর্ণনাটি বেশি বিশুদ্ধ। এই ব্যাপারে ইবনু হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহর কথা জানতে দেখুন ইরওয়াউল গালীল (৪/৭৭)। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সর্বশেষ সিয়াম পালনকারীর জন্য রক্তমোক্ষম করার বৈধতা সাব্যস্ত রয়েছে। দেখুন সহীহ আবূ দাঊদ (২০৫৫) ও ইরওয়াউল গালীল (৪/৭২-৭৪)।”
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (4/ 70 - 71). * [قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذَانِ خَبَرَانِ ... ذَلِكَ الْفِعْلِ نَفْسِهِ] قال الشيخ: قلت: وفيما قاله المؤلف - رحمه الله - نظر مِنْ وَجْهَيْنِ: الأول: أَنَّهُ لا يَلزمُ مِنْ كونَه لم يرو أَنَّهُ احتجم وهو صائم دون الإحرام، أَنَّ ذلك لم يقع منه، بل يَكفِي في ذلك مُطلقُ الحديث الأوَّل: «احتجم وهو صائم»، وبخاصةٍ أنَّ في رواية البخاريّ: «احتجم وهو صائم، واحتجم وهو مُحرمٌ»، فجعلهما قَضِيَّتَيْنِ مُستقلَّتَينِ، وهو أصحُّ مِنْ جَمعهما بلفظ: «احتجم وهو صائم مُحرمٌ» فجعلها قضيَّةً واحدة، وعلى ذلك جرى المؤلف فقال ما قال. وروايةُ البُخاريّ هي الأصحُّ. انظر كلام الحافظ في «الإرواء» (4/ 77). والآخرُ أَنَّهُ ثبت الترخيص للصائم بالحجامة، فانظر «صحيح أبي داود» (2055)، و «الإرواء» (4/ 72 - 74).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3536 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ أَبَا طَيْبَةَ أَنْ يَأْتِيَهُ مَعَ غَيْبُوبَةِ الشَّمْسِ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَضَعَ الْمَحَاجِمَ مَعَ إِفْطَارِ الصَّائِمِ فَحَجَمَهُ، ثُمَّ سَأَلَهُ: «كَمْ خَرَاجُكَ»، قَالَ صَاعَيْنِ، فَوَضَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهُ صَاعًا
رقم طبعة با وزير = (3528) [ص:308] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى يُعْرَفُ بِسَعْدَانِ، مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ، ثِقَةٌ، مَأْمُونٌ، مُسْتَقِيمُ الْأَمْرِ فِي الْحَدِيثِ
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ তায়বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় তাঁর কাছে আসার নির্দেশ দেন। অতঃপর তিনি তাকে রক্তমোক্ষমের যন্ত্রপাতি ইফতারের সাথে রাখার নির্দেশ দেন। অতঃপর তিনি রক্তমোক্ষম করে নেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন, “তোমার প্রতিদিনের পরিশোধযোগ্য করের পরিমাণ কতো?” তিনি জবাবে বলেন, “দুই সা‘ খাদ্যদ্রব্য।” অতঃপর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রতিদিনের পরিশোধযোগ্য কর থেকে এক সা‘ কমিয়ে দেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “সাঈদ বিন ইয়াহইয়া সা‘দান নামে পরিচিত। তিনি দামেস্কের অধিবাসী, হাদীসের ক্ষেত্রে সঠিক, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৩/৩৫৩। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৯৩৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «الإرواء» (933 - التحقيق الثاني).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null
3537 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ: «إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُقَبِّلُ بَعْضَ نِسَائِهِ وَهُوَ صَائِمٌ» ثُمَّ ضَحِكَتْ
رقم طبعة با وزير = (3529)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়াম অবস্থায় তাঁর কোন এক স্ত্রীকে চুম্বন করেছেন। তারপর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হেঁসে দেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯২; সহীহুল বুখারী: ১৯২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২৩৩; বাগাবী: ১৭৫০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৪০৯; হুমাইদী: ১৯৮; দারেমী: ২/১২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫৯; সহীহ মুসলিম: ১১০৬; আবূ ইয়ালা: ৪৪২৮; তাহাবী: ২/৯১; আবূ দাউদ: ২৩৮২; তিরমিযী: ৭২৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২০০০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (4/ 82): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3538 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ [ص:310] يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ الْحِمْيَرِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُقَبِّلُ الصَّائِمُ؟ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «سَلْ هَذِهِ، أُمَّ سَلَمَةَ»، فَأَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ ذَلِكَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ: «وَاللَّهِ إِنِّي أَتْقَاكُمْ لِلَّهِ وَأَخْشَاكُمْ لَهُ»
رقم طبعة با وزير = (3530)
উমার বিন আবূ সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, “সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি কি চুম্বন করতে পারে?” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “একে –উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে- জিজ্ঞেস করো।” অতঃপর উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তাকে জানান, নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরকম করেছেন।” সেই ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনার আগের পরের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান ও আল্লাহকে ভয় করি।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১১৮০; সুনান বাইহাকী: ৪/২৩৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الإرواء» (4/ 84): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3539 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي [ص:311] كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْهُ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ»
رقم طبعة با وزير = (3531)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে সিয়াম অবস্থায় চুম্বন করেছেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯২; সহীহুল বুখারী: ১৯২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২৩৩; বাগাবী: ১৭৫০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৪০৯; হুমাইদী: ১৯৮; দারেমী: ২/১২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫৯; সহীহ মুসলিম: ১১০৬; আবূ ইয়ালা: ৪৪২৮; তাহাবী: ২/৯১; আবূ দাউদ: ২৩৮২; তিরমিযী: ৭২৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২০০০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر (3529). تنبيه!! رقم (3529) = (3537) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3540 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُ بَعْضَ نِسَائِهِ وَهُوَ صَائِمٌ»
رقم طبعة با وزير = (3532)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়াম অবস্থায় তাঁর কোন এক স্ত্রীকে চুম্বন করেছেন।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯২; সহীহুল বুখারী: ১৯২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২৩৩; বাগাবী: ১৭৫০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৪০৯; হুমাইদী: ১৯৮; দারেমী: ২/১২; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৫৯; সহীহ মুসলিম: ১১০৬; আবূ ইয়ালা: ৪৪২৮; তাহাবী: ২/৯১; আবূ দাউদ: ২৩৮২; তিরমিযী: ৭২৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২০০০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৪/৮২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين