সহীহ ইবনু হিব্বান
3712 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ [ص:26] الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيَبْعَثَنَّ اللَّهُ هَذَا الرُّكْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهُ عَيْنَانِ يُبْصِرُ بِهِمَا، وَلِسَانٌ يَنْطِقُ بِهِ يَشْهَدُ لِمَنِ اسْتَلَمَهُ بِحَقٍّ»
رقم طبعة با وزير = (3704)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ এই হাজরে আসওয়াদকে কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত করবেন, এমন অবস্থায় যে, তার দুটি চোখ থাকবে, যা দ্বারা সে দেখতে পাবে, একটি জিহবা থাকবে, যা দ্বারা সে কথা বলবে। যে ব্যক্তি এটাকে সত্যনিষ্ঠভাবে (হাত বা মুখ দিয়ে) স্পর্শ করবে, এটি তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে।”[1]
[1] মুসনাদ আবূ ইয়ালা; ২৭১৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/২৬৬; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৬; হাকিম: ১/৪৫৭; দারেমী: ২/৪২; তিরমিযী: ৯৬১; ইবনু মাজাহ: ২৯৪৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকু আলা সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৭৩৫-২৭৩৭)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح بما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3713 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ الْبُخَارِيُّ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ أَيُّوبَ يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ جِبْرِيلَ حِينَ رَكَضَ زَمْزَمَ بِعَقِبِهِ جَعَلَتْ أُمُّ إِسْمَاعِيلَ تَجْمَعُ الْبَطْحَاءَ»، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «رَحِمَ اللَّهُ هَاجَرَ، لَوْ تَرَكَتْهَا كَانَتْ عَيْنًا مَعِينًا»
رقم طبعة با وزير = (3705)
উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই জিবরীল আলাইহিস সালাম যখন পায়ের গোড়ালীর আঘাতে যমযম কূপ সৃষ্টি করেন, তখন ইসমাঈল আলাইহিস সালামের মা মাটিকে একত্রিত করতে শুরু করেন (পানিকে আটকিয়ে রাখার জন্য)।” আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “মহান আল্লাহ হাজারা আলাইহিস সালামের প্রতি রহম করুন, যদি তিনি সেটাকে আপন অবস্থায় ছেড়ে দিতেন, তবে সেটা প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পরিণত হতো!”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১২১; সহীহুল বুখারী: ২৩৬৮; সুনান বাইহাকী: ৫/৯৮-৯৯; তাবারী: ১৩/২২৯-২৩০। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১৬৬৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1669): خ لم يذكر أٌبيًّا، وهو الأصحُّ*. * قال الشيخ: ولم يتنبه المعلق على الكتاب للفرق بين رواية البخاري وغيره ممن عزاه إليهم، وبين رواية الكتاب!
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3714 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَعْيَنَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْقِلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْجَزَرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يَحْمِلَ السِّلَاحَ بِمَكَّةَ*»
رقم طبعة با وزير = (3706)
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আনহু ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “কোন ব্যক্তির জন্য মক্কায় অস্ত্র বহন করে নিয়ে যাওয়া বৈধ নয়।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৫৬; বাগাবী: ২০০৫; সুনান বাইহাকী: ৫/১৫৫। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৯৩৮)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2938): م. * [لاَ يَحِلُّ لأَحَدٍ أَنْ يَحْمِلَ السِّلاَحَ بِمَكَّةَ] قال الشيخ: أي: لقتالٍ كما في رواية، انظر المصدر المذكور أعلاه. ومِنْ طريقه: اخرجه ابن خُزيمة (4/ 226 / 227)، والحاكم (1/ 460)، وقال «صحيح غريب». وقال الذهبي: «خ م».
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3715 - أَخْبَرَنَا ابْنُ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: لَمَّا فَتْحَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ، قَتَلَتْ هُذَيْلُ رَجُلًا مِنْ بَنِي لَيْثٍ بِقَتِيلٍ كَانَ لَهُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَامَ، فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ جَلَّ وَعَلَا حَبَسَ الْفِيلَ عَنْ مَكَّةَ، وَسَلَّطَ عَلَيْهَا رَسُولَهُ وَالْمُؤْمِنِينَ، وَإِنَّهَا لَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ كَانَ قَبْلِي، وَلَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ بَعْدِي، وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ، وَإِنَّهَا سَاعَتِي هَذِهِ، ثُمَّ هِيَ حَرَامٌ، لَا يُعْضَدُ شَجَرُهَا، وَلَا يُخْتَلَى شَوْكُهَا، وَلَا يُلْتَقَطُ سَاقِطُهَا إِلَّا لِمُنْشِدٍ، وَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ، فَهُوَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ، إِمَّا أَنْ يَقْتُلَ، وَإِمَّا أَنْ يَفْدِيَ»، فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْيَمَنِ يُقَالُ لَهُ: أَبُو شَاهٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُبُوا لِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ»، ثُمَّ قَامَ الْعَبَّاسُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا الْإِذْخِرَ، فَإِنَّا نَجْعَلُهُ فِي قُبُورِنَا، وَفِي بُيُوتِنَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِلَّا الْإِذْخِرَ»
رقم طبعة با وزير = (3707)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আনহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ যখন স্বীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মক্কার বিজয় দান করেন, তখন হুযাইল গোত্রের লোকজন জাহেলী যুগে তাদের এক নিহত ব্যক্তির দায়ে বানু লাইস গোত্রের একজনকে হত্যা করেন। অতঃপর ব্যাপারটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পৌঁছলে, তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ হস্তী (বাহিনী) কে মক্কা প্রবেশে আটকিয়ে দিয়েছিলেন। আর তিনি এর উপর তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মুমিনদেরকে কর্তৃত্ব দান করেছেন। নিশ্চয়ই এটা আমার পূর্বে কারো জন্য হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কারো জন্য বৈধ হবে না। নিশ্চয়ই এটা আমার জন্য দিবসের একটা অংশে হালাল করা হয়েছে। আর এটা হলো সেই সময়। তারপর এটি হারাম হিসেবে বহাল থাকবে। তার বৃক্ষ কাটা যাবে না, তার কাঁটা কর্তন করা যাবে, প্রচারক ছাড়া এখানকার হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেওয়া যাবে না। আর যার কোন ব্যক্তি নিহত হয়, তার জন্য দুটি ইখতিয়ারের মাঝে উত্তম ইখতিয়ার রয়েছে; হয়তো সে হত্যা করবে নতুবা মুক্তিপণ গ্রহণ করবে।” তখন একজন ইয়ামানের আবূ শাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নামক এক ব্যক্তি বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এটি আমার জন্য লিখে দিন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা আবূ শাহ'র জন্য এটি লিখে দাও।” তারপর আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু দাঁড়িয়ে বলেন, “হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইযখির ঘাস ব্যতীত। কেননা এটাকে আমরা কবর ও বাড়ির কাজে ব্যবহার করি।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তবে ইযখির ঘাস ব্যতীত।”[1]
[1] ইবনু মাজাহ: ২৬২৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬০)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1760): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
3716 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْقَطَّانُ بِالرَّقَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَكِيمُ بْنُ سَيْفٍ الرَّقِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ: «مَا عِنْدَنَا كِتَابٌ نَقْرَؤُهُ إِلَّا كِتَابَ اللَّهِ، وَصَحِيفَةً فِي قِرَابِ سَيْفِي، فَقَرَأَهَا عَلَيْنَا، فَإِذَا فِيهَا شَيْءٌ مِنْ أَسْنَانِ الْإِبِلِ وَالْجِرَاحَاتِ، وَإِذَا فِيهَا مَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذَنِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَمَلَائِكَتِهِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا، وَلَا عَدْلًا، ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ، يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ، فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، وَلَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ، وَلَا عَدْلٌ، وَالْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا، فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ»
رقم طبعة با وزير = (3708)
ইবরাহিম আত তাইমী তার বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তার বাবা বলেন, “আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে পড়ার মতো কোন কিতাব নেই, তবে আল্লাহর কিতাব ও আমার তরবারীর খাপের মধ্যে যে পুস্তিকা রয়েছে, সেটা ছাড়া।” রাবী বলেন, “অতঃপর তিনি সেটা আমাদেরকে পড়ে শুনান। অতঃপর আমরা দেখতে পাই সেখানে উটের বিভিন্ন বয়স (যেগুলো যাকাত বা রক্তপণ হিসেবে দেওয়া হবে) ও বিভিন্ন আহতের রক্তমুল্য সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।” সেখানে আরো আছে, “যে ব্যক্তি তার মুনীবের অনুমতি ব্যতীত কোন কওমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। সমস্ত মুসলিমের নিরাপত্তা বিধান এক। (কোন মুসলিম কর্তৃক কাউকে নিরাপত্তা প্রদান করা হলে, সেটা সবার পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার শামিল। কাজেই সেটাকে সম্মান দেখানো সবার জন্য জরুরী), সেটা তাদের মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ব্যক্তিও পালনে সচেষ্ট হবে। কাজেই যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের (নিরাপত্তা বিধানের) সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। মদীনার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী জায়গা হারাম। কাজেই যে ব্যক্তি তাতে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করবে, অথবা কোন বিদ‘আতীতে আশ্রয় দিবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ৩১৭২, ৬৭৫৫; সহীহ মুসলিম: ১৩৭০; তিরমিযী: ২১২৭; আবূ ইয়ালা: ২৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৫১; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৭/৩৫০; হুমাইদী: ৪০; ইবনু মাজাহ: ২৬৫৮; নাসাঈ: ৮/২৩; ইবনুল জারুদ: ৭৯৪; সুনান বাইহাকী: ৮/২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1773): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
3717 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، ثُمَّ قَالَ: مَا كَتَبْنَا، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا الْقُرْآنَ، وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَدِينَةُ حَرَامٌ [ص:33] مَا بَيْنَ عِيرٍ إِلَى ثَوْرٍ، فَمَنْ أَحْدَثَ حَدَثًا فِيهَا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ، ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ، وَمَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذَنِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ، وَالْمَلَائِكَةِ، وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ»
رقم طبعة با وزير = (3709)
আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আল্লাহর কিতাব ও আমার তরবারীর খাপের মধ্যে যে পুস্তিকা রয়েছে, সেটা ছাড়া আর কোন কিছু লিপিবদ্ধ করি নাই। আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মদীনার আইর ও সাওর নামক দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী জায়গা হারাম। কাজেই যে ব্যক্তি তাতে কোন বিদ‘আত সৃষ্টি করবে, অথবা কোন বিদ‘আতীতে আশ্রয় দিবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। সমস্ত মুসলিমের নিরাপত্তা বিধান এক।(কোন মুসলিম কর্তৃক কাউকে নিরাপত্তা প্রদান করা হলে, সেটা সবার পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার শামিল। কাজেই সেটাকে সম্মান দেখানো সবার জন্য জরুরী), সেটা তাদের মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্তরের ব্যক্তিও পালনে সচেষ্ট থাকবে। কাজেই যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের (নিরাপত্তা বিধানের) সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না। যে ব্যক্তি তার মুনীবের অনুমতি ব্যতীত কোন কওমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তাগণ ও সমস্ত মানুষের লা‘নত। মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার নফল-ফরয কোন ইবাদত গ্রহণ করবেন না।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ৩১৭২, ৬৭৫৫; সহীহ মুসলিম: ১৩৭০; তিরমিযী: ২১২৭; আবূ ইয়ালা: ২৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৫১; নাসাঈ আল কুবরার বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ৭/৩৫০; হুমাইদী: ৪০; ইবনু মাজাহ: ২৬৫৮; নাসাঈ: ৮/২৩; ইবনুল জারুদ: ৭৯৪; সুনান বাইহাকী: ৮/২৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق - انظر ما قبله.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3718 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ زَكَرِيَّا، قَالَ: حَدَّثَنِي عَامِرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُطِيعًا، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ: «لَا يُقْتَلُ قُرَشِيٌّ صَبْرًا بَعْدَ هَذَا الْيَوْمِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»، وَلَمْ يُدْرِكِ الْمُسْلِمُونَ أَحَدًا مِنْ كُفَّارِ قُرَيْشً غَيْرَ مُطِيعٍ، وَكَانَ اسْمَهُ الْعَاصِ، فَسَمَّاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُطِيعًا
رقم طبعة با وزير = (3710)
মুতী‘রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি মক্কা বিজয়ের দিন বলেছেন, “আজকের দিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত কোন কুরাইশী ব্যক্তিকে বেঁধে হত্যা করা যাবে না। আর মুসলিমগণ কুরাইশ কাফিরদের মাঝে মুতী‘ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ছাড়া আর কাউকে নাগালে পাননি। তার নাম ছিল আল আস। অতঃপর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার নাম মুতী‘ রাখেন।”[1]
[1] ইমাম বুখারী, আদাবুল মুফরাদ: ৮২৬; তাবারানী আল কাবীর: ২০/৬৯৩; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪১২; তাহাবী, মুশকিলুল আসার: ২/২২৭; হাকিম: ৪/২৭৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯৩৯৯; হুমাইদী: ৫৬৮; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১৪/৪৯০; সহীহ মুসলিম: ১৭৮২; দারেমী: ২/১৯৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (2427 و 3243): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الصحيح
3719 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، وَالْحَجَبِيُّ، وَأَبُو الْوَلِيدِ، قَالُوا: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، دَخَلَ مَكَّةَ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، فَلَمَّا وَضَعَهُ، قِيلَ: «هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةَ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ»
رقم طبعة با وزير = (3711)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। অতঃপর যখন তিনি সেটা খুলে রাখেন, তখন তাঁকে বলা হলো, “এই যে ইবনু খতল, কা‘বার গিলাফ ধরে ঝুলে আছে!” তখন তিনি বলেন, “তাকে হত্যা করো।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২৩; সহীহুল বুখারী: ৫৮০৮; আবূ দাঊদ: ২৬৮৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১৪/৪৯২; দারেমী: ২/৭৩-৭৪; হুমাইদী: ১২১২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৯; সহীহ মুসলিম: ১৩৫৭; ইবনু মাজাহ: ২৮০৫; সুনান বাইহাকী: ৭/৫৯; বাগাবী: ২০০৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (2406): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرطهما
3720 - أَخْبَرَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَنَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا [ص:36] مُفَضَّلُ بْنُ مُهَلْهِلٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُوسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ: «إِنَّ هَذَا الْبَلَدَ حَرَامٌ، حَرَّمَهُ اللَّهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، لَا يُنَفَّرُ صَيْدُهُ، وَلَا يُعْضَدُ شَوْكَهُ، وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتَهُ إِلَّا مَنْ عَرَّفَهَا، وَلَا يُخْتَلَى خَلَاؤُهُ»، فَقَالَ الْعَبَّاسُ: إِلَّا الْإِذْخِرَ، فَإِنَّهُ لِبُيُوتِهِمْ، فَقَالَ: «إِلَّا الْإِذْخِرَ، وَلَا هِجْرَةَ، وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ، وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا»
رقم طبعة با وزير = (3712)
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বলেছেন, “নিশ্চয়ই এই শহর হারাম। মহান আল্লাহ এটাকে কিয়ামত পর্যন্ত হারাম ঘোষনা করেছেন। এখানকার শিকার তাড়িয়ে দেওয়া যাবে না, এখানকার কাঁটা উপড়ে ফেলা যাবে না, এখানকার হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেওয়া যাবে না, এখানকার ঘাস উৎপাটন করা যাবে না।” তখন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তবে ইযখির ঘাস ব্যতীত। কেননা এটা আমাদের বাড়ির কাজে লাগে। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তবে ইযখির ব্যতীত`। আর (মক্কাবাসীর জন্য) কোন হিজরত নেই। তবে জিহাদ ও নিয়ত বলবত থাকবে। আর যখন তোমাদের জিহাদে বের হওয়ার আহবান করা হবে, তখন তোমরা বের হবে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৫৩; তাবারানী কাবীর: ১০৯৪৩; সুনান বাইহাকী: ৬/১৯৯; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩১৫-৩১৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৯৭১৩; সহীহুল বুখারী: ১৫৮৭; আবূ দাঊদ: ১৩৫৩; তিরমিযী: ১৫৯০; নাসাঈ: ৫/২০৩-২০৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৬১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1761): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3721 - أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْحَلَبِيُّ بِدِمَشْقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، وَإِنَّهُمْ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلَّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ»، فَقُتِلَ
رقم طبعة با وزير = (3713)
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। সাহাবীগণ তাঁকে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইবনু খতল, কা‘বার গিলাফ ধরে ঝুলে আছে!” তখন তিনি বলেন, “তাকে হত্যা করো।” অতঃপর তাকে হত্যা করা হয়।”[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৪২৩; সহীহুল বুখারী: ৫৮০৮; আবূ দাঊদ: ২৬৮৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১৪/৪৯২; দারেমী: ২/৭৩-৭৪; হুমাইদী: ১২১২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০৯; সহীহ মুসলিম: ১৩৫৭; ইবনু মাজাহ: ২৮০৫; সুনান বাইহাকী: ৭/৫৯; বাগাবী: ২০০৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৭৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر (3711). تنبيه!! رقم (3711) = (3719) من «طبعة المؤسسة». - مدخل بيانات الشاملة -.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3722 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ، وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ [ص:38] سَوْدَاءُ
رقم طبعة با وزير = (3714) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: فِي خَبَرِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، وَفِي خَبَرِ جَابِرٍ أَنَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ، وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ، وَلَمْ يَدْخُلْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ بِغَيْرِ إِحْرَامٍ إِلَّا مَرَّةً وَاحِدَةً، وَهُوَ يَوْمَ الْفَتْحِ، وَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ كَانَ عَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، وَقَدْ تَعَمَّمَ بِعِمَامَةٍ سَوْدَاءِ فَوْقَهُ، فَإِذًا جَابِرٌ ذَكَرَ الْعِمَامَةَ الَّتِي عَايَنَهَا، وَإِذَا أَنَسٌ ذَكَرَ الْمِغْفَرَ الَّذِي رَآهُ مِنْ غَيْرِ أَنْ يَكُونَ بَيْنَ الْخَبَرَيْنِ تَضَادٌّ أَوْ تَهَاتُرٌ
জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় কালো পাগড়ী ছিলো।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসে রয়েছে “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিলো। আর জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসে রয়েছে “আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন মক্কায় প্রবেশ করেন, এসময় তাঁর মাথায় কালো পাগড়ী ছিলো।” আর আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় ইহরাম বিহীন অবস্থায় কেবল একবারই প্রবেশ করেছিলেন। আর এটা ছিল মক্কা বিজয়ের সময়। এখানে হতে পারে সেদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লামের মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল এবং সেটার উপর কালো পাগড়ী ছিলো। কাজেই জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পাগড়ী দেখে, সেটা বর্ণনা করেছেন আর আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু শিরস্ত্রাণ দেখে তিনি সেটাই বর্ণনা করেছেন। এমন নয় যে, উভয় হাদীসের মাঝে বৈপরীত্ব আছে।”
[1] আবূ দাঊদ: ৪০৭৬; আলী বিন জা‘দ: ৩৪৩৯; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৮/৪২২; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩৬৩; আবূ দাঊদ: ৪০৭৬; তিরমিযী: ১৭৩৫; ইবনু মাজাহ: ২৮২২; সুনান বাইহাকী: ৫/১৭৭; বাগাবী: ২০০৭; দারেমী: ২/৭৪; সহীহ মুসলিম: ১৩৫৮; নাসাঈ: ৫/২০১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মুখতাসারুশ শামাইল: ৯৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «مختصر الشمائل» (94): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3723 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، سَمِعْتُ أَبَا الْحُبَابِ سَعِيدَ بْنَ يَسَارٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُمِرْتُ بِقَرْيَةٍ تَأْكُلُ الْقُرَى، يَقُولُونَ: يَثْرِبُ، وَهِيَ الْمَدِينَةُ تَنْفِي النَّاسَ كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ»
رقم طبعة با وزير = (3715) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُمِرْتُ بِقَرْيَةٍ تَأْكُلُ الْقُرَى» لَفْظَةُ تَمْثِيلٍ، مُرَادُهَا أَنَّ الْإِسْلَامَ يَكُونُ ابْتِدَاؤُهُ مِنَ الْمَدِينَةِ، ثُمَّ يَغْلِبُ عَلَى سَائِرِ الْقُرَى وَيَعْلُو عَلَى سَائِرِ الْمُلْكِ، فَكَأَنَّهَا قَدْ أَتَتْ [ص:40] عَلَيْهَا، لَا أَنَّ الْمَدِينَةَ تَأْكُلُ الْقُرَى
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমাকে আদেশ করা হয়েছে এমন এক জনপদে (হিজরত করতে), যা অন্যান্য সমস্ত নগরীকে খেয়ে ফেলবে (জয় করবে)। লোকজন সেটাকে ইয়াসরিব বলে। বস্তুত সেটা মাদীনা। এটা (মন্দ) লোকদের বিতাড়িত করে, যেভাবে হাপর লোহার ময়লাকে দূর করে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “আমাকে আদেশ করা হয়েছে এমন এক জনপদে (হিজরত করতে), যা অন্যান্য সমস্ত নগরীকে খেয়ে ফেলবে।” এটি একটি উপমামূলক বাক্য, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো নিশ্চয়ই ইসলামের সূচনা মদীনা থেকে হবে তারপর সেটা অন্যান্য নগরীর উপর প্রাবল্যতা লাভ করবে এবং অন্যান্য সমস্ত রাজত্বের উপর বিজয়ী হবে। কাজেই এটা এমন হলো যে, যেন এটি অন্যান্য নগরীর উপর প্রাবল্যতা লাভ করবে। এর দ্বারা এটা উদ্দেশ্য নয়, মাদীনা অন্যান্য সমস্ত নগরীকে খেয়ে ফেলবে।”
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৮৮৭; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৩৭; সহীহুল বুখারী: ১৮৭১; সহীহ মুসলিম: ১৩৮২; তাহাবী, শারহু মুশকিলুল আসার: ২/৩৩২-৩৩৩; বাগাবী: ২০১৬; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৭১৬৫; হুমাইদী: ১১৫২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (মুখতাসারুশ শামাইল: ৯৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (274): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3724 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ بِمَنْبِجَ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: لَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وُعِكَ أَبُو بَكْرٍ وَبِلَالٌ، قَالَتْ: فَدَخَلْتُ عَلَيْهِمَا، فَقُلْتُ: يَا أَبَتِ كَيْفَ تَجِدُكَ، وَيَا بِلَالُ كَيْفَ تَجِدُكَ؟ قَالَتْ: وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمَّى يَقُولُ: [البحر البسيط] كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ ... وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ وَكَانَ بِلَالُ رَحِمَهُ اللَّهُ إِذَا أُقْلِعَ عَنْهُ يَرْفَعُ عَقِيرَتَهُ وَيَقُولُ: [البحر الطويل] [ص:41] أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً ... بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلٌ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجَنَّةٍ ... وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلٌ قَالَتْ عَائِشَةُ: فَجِئْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَخْبَرْتُهُ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ، وَصَحِّحْهَا لَنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا، وَانْقُلْ حُمَّاهَا وَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ»، [ص:42] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: الْعِلَّةُ فِي دُعَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بْنَقْلِ الْحُمَّى إِلَى الْجُحْفَةِ، أَنَّ الْجُحْفَةَ حِينَئِذٍ كَانَتْ دَارَ الْيَهُودِ، وَلَمْ يَكُنْ بِهَا مُسْلِمٌ، فَمِنْ أَجْلِهِ، قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَانْقُلْ حُمَّاهَا إِلَى الْجُحْفَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3716)
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় আগমন করেন, তখন আবূ বকর ও বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা জ্বরে আক্রান্ত হন।” তিনি বলেন, “অতঃপর আমি তাদের কাছে গিয়ে বলি, হে বাবা, আপনি কেমন অনুভব করছেন? হে বিলাল, আপনি কেমন অনুভব করছেন?” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু জ্বরে আক্রান্ত হলে বলতেন, كل امرىء مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ “প্রত্যেকটি মানুষ সকালে তার পরিবারের মাঝে অভিনন্দিত হয়, অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী।” বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন জ্বর থেকে সেরে উঠতেন, তখন তিনি বলতেন, أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلٌ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مجنةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلٌ “হায়, যদি আমি একটি রাত এমন উপত্যকায় কাটাতে পারতাম, যেখানে আমার চতুষ্পার্শ্বে ইযখির ও জালীল ঘাস থাকতো, আমি কি কোন দিন মাজিনার পানিতে নামতে পারবো? আর আমার সামনে কি শামাহ ও তাফিল পাহাড় দৃশ্যমান হবে?” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বিষয়টি তাঁকে অবহিত করি। তখন তিনি বলেন, “হে আল্লাহ, আপনি মাদীনাকে আমাদের কাছে মক্কার মতো বা তার চেয়ে বেশি প্রিয় করে দিন। আমাদের জন্য (এর আবহাওয়া) অনুকূল করে দিন। আমাদের জন্য এর মুদ ও সা‘তে বারাকাহ দিন। এর জ্বরকে স্থানান্তরিত করে জুহফায় পাঠিয়ে দিন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জ্বর জুহফায় স্থানান্তর করার দুআ করার কারণ হলো, জুহফাহ সেসময় ইয়াহুদি অধ্যুষিত ছিল, সেখানে কোন মুসলিম ছিল না। এজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এর জ্বরকে স্থানান্তরিত করে জুহফায় পাঠিয়ে দিন।”
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৮৯০; সহীহুল বুখারী: ৩৯২৬; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৮২; বাগাবী: ২০১৩; মুসনাদ আহমাদ: ৬/৫৬; সহীহ মুসলিম: ১৩৭৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ২৫৮৪)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «تخريج فقه السيرة» (173)، «الصحيحة» (2584): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3725 - أَخْبَرَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: نَظَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أُحُدٍ، وَقَالَ «إِنَّ أُحُدًا جَبَلٌ يُحِبُّنَا وَنُحِبُّهُ»
رقم طبعة با وزير = (3717) [ص:43] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «جَبَلٌ يُحِبُّنَا وَنُحِبُّهُ»، يُرِيدُ أَهْلَ الْجَبَلِ، كَقَوْلِهِ جَلَّ وَعَلَا {وَأُشْرِبُوا فِي قُلُوبِهِمُ الْعِجْلَ بِكُفْرِهِمْ} [البقرة: 93] يُرِيدُ حُبَّ الْعِجْلِ، وَكَقَوْلِهِ جَلَّ وَعَلَا {وَاسْأَلِ الْقَرْيَةَ} [يوسف: 82] يُرِيدُ بِهِ أَهْلَ الْقَرْيَةِ، وَالْقَصْدُ فِيهِ أَهْلُ الْمَدِينَةِ، فَأَطْلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خِطَابَ [ص:44] الْمَقْصُودِ بِهِ الْمَدِينَةَ عَلَى الْجَبَلِ الَّذِي هُوَ أُحُدٌ عَلَى سَبِيلِ الْمُقَارَبَةِ بَيْنَهُمَا وَالْمُجَاوَرَةِ
আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ পাহাড়ের দিকে তাকান এবং বলেন, “নিশ্চয়ই উহুদ পাহাড় আমাদের ভালবাসেন আর আমরাও তাকে ভালবাসি।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী, “নিশ্চয়ই উহুদ পাহাড় আমাদের ভালবাসেন আর আমরাও তাকে ভালবাসি।” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পাহাড়ের অধিবাসী। যেমন: আল্লাহর বাণী, وأُشْرِبُوا فِي قُلُوبِهِمُ الْعِجْلَ بِكُفْرِهِمْ (তাদের অন্তরে গোবৎস (পুজা) ঢেলে দেওয়া হয়েছিল তাদের কুফরির কারণে।–সূরা বাকারাহ: ৯৩)।” অর্থাৎ গোবৎস পুজা প্রীতি। অনুরুপভাবে আল্লাহর বাণী, وَاسْأَلِ الْقَرْيَةَ {আপনি জনপদকে (এর অধিবাসীকে) জিজ্ঞেস করুন।–সূরা: ইউসূফ: ৮২}। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো জনপদের অধিবাসী। আর হাদীসের শব্দ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মাদীনাবাসী। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বক্তব্যে মদীনা বুঝানোর ক্ষেত্রে উহুদ পাহাড় ব্যবহার করেছেন। যেহেতু উভয়টি পাশাপাশি ও কাছাকাছি।”
[1] সহীহ মুসলিম: ১৩৯৩; আবূ ইয়ালা: ৩১৩৯; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১৪০; সহীহুল বুখারী: ৪০৮৩; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ২/৮৮৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৭১৭০; তিরমিযী: ৭৩৩৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১/৮২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ: ২৯১)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «تخريج فقه السيرة» (291): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3726 - أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَطَّارُ بِالْبَصْرَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ يَقُولُ: «سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمَّى الْمَدِينَةَ طَابَةَ»
رقم طبعة با وزير = (3718)
জাবির বিন সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মাদীনাকে ‘তাবাহ’ নামকরণ করতে শুনেছি।”[1]
[1] তাবারানী আল কাবীর: ১৮৯২; মুসনাদ আহমাদ: ২/১০২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ: ১৪২)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «تخريج فقه السيرة» (142): م.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
3727 - أَخْبَرَنَا صَالِحُ بْنُ الْأَصْبَغِ بْنِ عَامِرٍ التَّنُوخِيُّ بِمَنْبِجَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْإِيمَانَ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةِ، كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ إِلَى جُحْرِهَا»
رقم طبعة با وزير = (3719)
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয় সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই ঈমান মাদীনায় ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তে ফিরে আসে।”[1]
[1] বাযযার: ১১৮২; সহীহ মুসলিম: ১৪৬; মুসনাদ আহমাদ: ১/১৮৪; তিরমিযী: ২৬৩০। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ স্পষ্ট কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৭১৯)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: منكر
3728 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ بِحَرَّانَ، حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ زِيَادٍ السُّوسِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْإِيمَانَ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةَ، كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ إِلَى جُحْرِهَا»
رقم طبعة با وزير = (3720) [ص:47] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «الْإِيمَانُ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةِ» يُرِيدُ بِهِ أَهْلَ الْإِيمَانِ، وَذَلِكَ أَنَّ الْمَدِينَةَ خَشِنَةٌ قَفْرَةٌ ذَاتُ بَسَابِسَ وَدَكَادِكَ، مَنَعَ اللَّهُ جَلَّ وَعَلَا عَنْهَا طَيِّبَاتِ اللَّذَّاتِ فِي الْأَعْيُنِ وَالْأَنْفُسِ، وَقَدَّرَ فِيهَا أَقْوَاتَهَا لِمَنْ طَلَبَ اللَّهَ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ، فَلَا يَرْكَنُ إِلَيْهَا إِلَّا كُلُّ مُشَمَّرٍ، عَنْ هَذِهِ الْفَانِيَةِ الزَّائِلَةِ، وَلَا قَطَنَهَا إِلَّا كُلُّ مُنْقَلِعٍ بِكُلِّيَّتِهِ إِلَى الْآخِرَةِ الدَّائِمَةِ
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই ঈমান মাদীনায় ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তে ফিরে আসে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “ঈমান মাদীনায় ফিরে আসবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য ঈমানদার ব্যক্তি। কেননা মাদীনা হলো শক্ত, শুস্ক অসমতল বিস্তীর্ণ এলাকা, আল্লাহ তা‘আলা এমন সব জিনিস রাখেননি, যা মানুষের চোখে ও মনে প্রীতিকর। এখানে মহান আল্লাহ ঐ ব্যক্তির রিযিকের ব্যবস্থা রেখেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকাল অন্বেষণ করেন। কাজেই এখানে কেবল ঐ ব্যক্তি ঝুঁকবে, যে ব্যক্তি নশ্বর দুনিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, এখানে কেবল সেই ব্যক্তিই বসবাস করবে, যে সম্পূর্ণরুপে চিরস্থায়ী পরকালের দিকে ধাবিত হয়।”
[1] সহীহ মুসলিম: ১৪৭; েইবনু মাজাহ: ৩১১১; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪২২; সহীহুল বুখারী: ১৮৭৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৩০৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (3073): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
3729 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْإِيمَانَ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةَ، كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ إِلَى جُحْرِهَا»
رقم طبعة با وزير = (3721)
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই ঈমান মাদীনায় ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তে ফিরে আসে।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১৪৭; ইবনু মাজাহ: ৩১১১; মুসনাদ আহমাদ: ২/৪২২; সহীহুল বুখারী: ১৮৭৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ৩০৭৩)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره - «المشكاة» (1/ 60)، «الصحيحة» (3073): ق.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
3730 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ حُمَيْدٍ الطَّوِيلُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَبْشِرُوا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ، لَا يَدْخُلُهَا الدَّجَّالُ» - يَعْنِي الْمَدِينَةَ -
رقم طبعة با وزير = (3722)
ফাতিমাহ বিনতু কাইস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হে মুসলিম সম্প্রদায়, আপনারা সুসংবাদ গ্রহণ করুন, এখানে দাজ্জাল প্রবেশ করবে না।” অর্থাৎ মাদীনায়।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১২/১৮০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪৭; সহীহুল বুখারী: ৭১২৬; হাকিম: ৪/৫৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০৮২৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (কিসসাতুল মাসিহিদ দাজ্জাল)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م بنحوه مطولا.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح
3731 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَنْ يَدْخُلَ [ص:49] الْمَدِينَةَ رُعْبُ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، لَهَا يَوْمَئِذٍ سَبْعَةُ أَبْوَابٍ، لِكُلِّ بَابٍ مِنْهَا مَلَكَانِ»
رقم طبعة با وزير = (3723)
আবূ বাকরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মাদীনায় মাসীহ আদ দাজ্জালের ভয়াবহতা প্রবেশ করবে না। সে সময় মাদীনায় সাতটি দরজা থাকবে আর প্রত্যেকটি দরজায় দুইজন করে ফেরেস্তা থাকবে।”[1]
[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১২/১৮০; মুসনাদ আহমাদ: ৫/৪৭; সহীহুল বুখারী: ৭১২৬; হাকিম: ৪/৫৪২; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০৮২৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (কিসসাতুল মাসিহিদ দাজ্জাল)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «قصة المسيح الدجال»: خ.
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين