সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ كَثِيرٍ أَبِي إِسْمَعِيلَ قَالَ قُلْتُ لِفَاطِمَةَ يَعْنِي بِنْتَ عَلِيٍّ أَتَقْضِينَ صَلَاةَ أَيَّامِ حَيْضِكِ قَالَتْ لَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف كثير
১০২১. শারীক রাহি. হতে বর্ণিত, কাছীর ইবনু ইসমাঈল রাহি. বলেন, আমি ফাতিমা বিনতে আলীকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আপনার হায়েযের দিনগুলির সালাতসমূহের কাযা আদায় করেন? তিনি বললেন, না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কাছীর যঈফ হওয়ার কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৪০।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ قَالَ سَمِعْتُ مُعَاذَةَ عَنْ عَائِشَةَ سَأَلَتْهَا امْرَأَةٌ أَتَقْضِي الْحَائِضُ الصَّلَاةَ قَالَتْ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ قَدْ حِضْنَ نِسَاءُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُنَّ يَجْزِينَ قَالَ عَبْد اللَّهِ مَعْنَاهُ أَنَّهُنَّ لَا يَقْضِينَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০২২. শারীক বলেন, আমি মা’য়াযাহ রাহি. কে বলতে শুনেছি, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে এক মহিলা এসে জিজ্ঞেস করলো, হায়েযগ্রস্ত মহিলা (পবিত্রতা লাভ করার পর হায়েযকালীন দিনগুলিতে পরিত্যক্ত সালাতসমূহের) কাযা আদায় করবে? তখন আয়িশা বলেন, ‘তুমি কি হারুরী (খারিজী)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীগণের কারো হায়েয হতো, তখন তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিতেন, যা (কাযা আদায় করা হতে) তাদের জন্য যথেষ্ট হতো।[1]
আব্দুল্লাহ বলেন: এর অর্থ: তারা কাযা আদায় করতেন না।[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৩৫ (৬৮); নববী, শরহে মুসলিম ১/৬৩৯ বলেন: এটি সহীহ ব্যাখ্যা।’ পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন বিগত ১০১৯, ১০২০, ১০২১, ১০২৬ (অনুবাদে ১০১৩, ১০১৪, ১০১৫, ১০২০) নং হাদীসগুলি।
[2] আগের টীকাটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْحَائِضُ وَالْجُنُبُ يَذْكُرَانِ اللَّهَ وَيُسَمِّيَانِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০২৩. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন: হায়িযগ্রস্ত মহিলা ও ‘জুনুবী (সহবাসের কারণে অপবিত্র) ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করতে পারবে এবং ‘বিসমিল্লাহ’ও বলতে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৩০৫ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ بَلَغَنِي عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ أَنَّهُمَا قَالَا لَا يَقْرَأْ الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ آيَةً تَامَّةً يَقْرَآنِ الْحَرْفَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف
১০২৪. সুফিয়ান বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, ইবরাহীম ও সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. উভয়ে বলেন: ‘জুনুবী’ ব্যক্তি ও হায়িয্গ্রস্ত মহিলা পূর্ণ আয়াত পাঠ করবে না, তবে হরফ পড়তে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০২ যঈফ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْبَزَّازُ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ عَامِرٍ الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ لَا يَقْرَآنِ الْقُرْآنَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل شريك
১০২৫. ফিরাস হতে বর্ণিত, আমির রাহি. বলেন, ‘জুনুবী’ ও হায়িযগ্রস্ত মহিলা কুরআন পাঠ করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান শারীক এর কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০২, ১০৩।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ عُمَرُ يَكْرَهُ أَوْ يَنْهَى أَنْ يَقْرَأَ الْجُنُبُ قَالَ شُعْبَةُ وَجَدْتُ فِي الْكِتَابِ وَالْحَائِضُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০২৬. হাকাম হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ‘জুনুবী’ ব্যক্তি ও হায়িযগ্রস্ত মহিলার কুরআন পাঠ অপছন্দ করতেন কিংবা নিষেধ করতেন।[1]
শু’বাহ বলেন, আমি কিতাবে (অতিরিক্ত) পেয়েছি: ‘এবং হায়িযগ্রস্ত মহিলা।’
[1] তাহক্বীক্ব এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৩০৭; ইবনু আবী শাইবা ১/১০২ সহীহ সনদে, ১/১০৩ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন সনদে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَرْبَعَةٌ لَا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ عِنْدَ الْخَلَاءِ وَفِي الْحَمَّامِ وَالْجُنُبُ وَالْحَائِضُ إِلَّا الْآيَةَ وَنَحْوَهَا لِلْجُنُبِ وَالْحَائِضِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০২৭. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, চারটি অবস্থায় কুরআন পাঠ করবে না। ১. পায়খানায় ২. গোসলখানায় অবস্থানকালে ৩. ‘জুনুবী’ অবস্থায় এবং ৪. হায়িযগ্রস্ত অবস্থায়। তবে জুনুবী ব্যক্তি ও হায়িযগ্রস্ত মহিলা এক আয়াত ও এর অনুরূপ পরিমাণ পাঠ করতে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১১৪ তবে সেখানে ‘গোসলখানায়’ এর পরিবর্তে ‘স্ত্রী সহবাসরত অবস্থায়’ আছে।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَحَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالُوا الْحَائِضُ وَالْجُنُبُ يَسْتَفْتِحُونَ الْآيَةَ وَلَا يُتِمُّونَ آخِرَهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف حجاج وهو: ابن أرطاة
১০২৮. আতা ও হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম ও সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. বলেন, হায়িযগ্রস্ত মহিলা ও জুনুবী ব্যক্তি কোনো আয়াত পড়া শুরু করলেও তা সম্পূর্ণ পড়ে শেষ করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কারণ, হাজ্জাজ: ইবনু আরতাহ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০২।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ فِي الْحَائِضِ قَالَ لَا تَقْرَأُ الْقُرْآنَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০২৯. আসিম আল আহওয়াল হতে বর্ণিত, আবুল আলীয়া রাহি. হায়িযগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন, সে কুরআন পাঠ করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০৩।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا أَخْبَرَنَا السَّائِبُ بْنُ عُمَرَ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ أَنَّ عَائِشَةَ كَانَتْ تَرْقِي أَسْمَاءَ وَهِيَ عَارِكٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩০. ইবনু আবী মুলাইকা হতে বর্ণিত, আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হায়িযগ্রস্ত অবস্থায় আসমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে ঝাড়ফুঁক করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি-অনুবাদক।)
أَخْبَرَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ الْجُنُبُ يَذْكُرُ اسْمَ اللَّهِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩১. হিশাম রাহি হতে বর্ণিত, কাতাদা রাহি. বলেন, জুনুবী ব্যক্তি আল্লাহর নামের যিকির করতে পারবে।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৩০২।
أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَيَّارٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ كَانَ يُقَالُ لَا يَقْرَأُ الْجُنُبُ وَلَا الْحَائِضُ وَلَا يُقْرَأُ فِي الْحَمَّامِ وَحَالَانِ لَا يَذْكُرُ الْعَبْدُ فِيهِمَا اللَّهَ عِنْدَ الْخَلَاءِ وَعِنْدَ الْجِمَاعِ إِلَّا أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ بَدَأَ فَسَمَّى اللَّهَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
১০৩২. ইয়াসার রাহি. হতে বর্ণিত, আবু ওয়াইল রাহি. বলেন, তার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, জুনুবী ব্যক্তি (কুরআন থেকে কিছু) পাঠ করবে না; আর হায়িযগ্রস্ত মহিলাও পাঠ করবে না এবং গোসলখানার মধ্যেও কিছু পাঠ করবে না। দু’টি অবস্থায় বান্দা আল্লাহর যিকির করবে না: পায়খানায় অবস্থানকালে এবং স্ত্রী সহবাসকালীন অবস্থায়। তবে কোনো লোক যখন স্ত্রী সহবাস করতে চাইবে, তখন ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০২ সংক্ষেপে।
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ الْحَائِضِ تَقْرَأُ قَالَ لَا إِلَّا طَرَفَ الْآيَةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩৩. আব্দুল মালিক রাহি. থেকে বর্ণিত, ‘হায়িযগ্রস্ত মহিলার কুরআন পাঠ করা’ সম্পর্কে আতা রাহি. বলেন: না, (সে কুরআন পাঠ করবে না)। তবে সে আয়াতাংশ পাঠ করতে পারবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১০১৪ (অনুবাদে ১০০৮) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي عَطَّافٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَرْبَعٌ لَا يَحْرُمْنَ عَلَى جُنُبٍ وَلَا حَائِضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
১০৩৪. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: ‘চারটি জিনিস জুনুবী ব্যক্তি ও হায়িযগ্রস্ত মহিলার উপর হারাম নয়: ১. ‘সুবহানাল্লাহ’, ২. ‘হামদুলিল্লাহ’ ৩. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, ৪. ‘আল্লাহু আকবার’।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমি এ হাদীসটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ صُبَيْحٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الْحَائِضِ تَسْمَعُ السَّجْدَةَ قَالَ لَا تَسْجُدُ لِأَنَّهَا صَلَاةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩৫. মুসলিম ইবনু সাবীহ হতে বর্ণিত, যে হায়িযগ্রস্ত মহিলা (তিলাওয়াতের) সাজদা শুনতে পায়- তার সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সে সিজদা করবে না। কারণ সিজদাই সালাত।[1] (আর সালাত আদায় তার জন্য নিষিদ্ধ)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১৪।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَأَبِي الضُّحَى قَالَا لَا تَسْجُدُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩৬. হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম এবং আবু দুহা (রাহি.) উভয়ে বলেন: সে (হায়েযগ্রস্ত মহিলা) সিজদা করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১৪।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَا لَيْسَ عَلَيْهَا ذَاكَ الصَّلَاةُ أَكْبَرُ مِنْ ذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه حجاج وهو: ابن أرطاة وهو ضعيف
১০৩৭. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম ও সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. উভয়ে বলেন, তার (হায়িযগ্রস্ত মহিলার) ও উপর এটি (সাজদা) ওয়াজিব নয়। অথচ সালাত তো এর চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ।[1] (সেই সালাতই জন্য জায়েয নয়।)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এত হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ রয়েছে, সে যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১৩।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ مُنِعَتْ خَيْرًا مِنْ ذَلِكَ الصَّلَاةَ الْمَكْتُوبَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ابن جريج قد عنعن وهو مدلس
১০৩৮. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা রাহি. বলেন, তাকে তো এর চেয়েও অধিক উত্তম বিষয় থেকে নিষেধ করা হয়েছে। আর তা হলো: ফরয সালাত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। তবে মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাকে তিনি এটি ‘আমি বলতে শুনেছি’ বলে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১৪; আব্দুর রাযযাক নং ১২৩০; আগের টীকাটি দেখুন দেখুন, কেননা, আগের এবং পরের হাদীসগুলি একে শক্তিশালী করে।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَسْجُدُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৩৯. আশ’আছ হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, সে (হায়েযগ্রস্ত মহিলা) সাজদা করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোনখানে পাইনি। তবে আব্দুর রাযযাক নং ১২৩১ টি দেখতে পারেন।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ فِي الْمَرْأَةِ تَرَى الطُّهْرَ فَتَسْمَعُ السَّجْدَةَ قَالَ لَا تَسْجُدُ حَتَّى تَغْتَسِلَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০৪০. ইউনুস হতে বর্ণিত, ‘যে মহিলা (হায়িযের মধ্যে) পবিত্রাবস্থা লক্ষ্য করলো, তারপর সে (তিলাওয়াতের) সিজদা শুনতে পেলো, এমন মহিলা সম্পর্কে যুহুরী রাহি. বলেন, ‘সে গোসল না করা পর্যন্ত সিজদা করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইন। তবে আব্দুর রাযযাক নং ১২৩১ হাদীসটি দেখতে পারেন।