সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَالنَّخَعِيِّ قَالَا لِتَغْتَسِلْ مِنْ الْجَنَابَةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف حجاج هو: ابن المنهال وحماد هو: ابن سلمة وحجاج هو: ابن أرطاة وهو سبب ضعف هذا الإسناد
১০০১. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত, আতা ও (ইবরাহীম) আন নাখঈ’ উভয়ে বলেন, সে যেন জানাবাতের গোসল করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এ সনদের (প্রথম) হাজ্জাজ হলেন, ইবনু মিনহাল। আর (দ্বিতীয়) হাজ্জাজ ইবন আরতাহ, যিনি যঈফ।
তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক।))
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ عَامِرٍ الْأَحْوَلِ عَنْ الْحَسَنِ مِثْلَ ذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০০২. আমির আল আহওয়াল হতে, তিনি হাসান রাহি. হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]
[1] এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১০০৪ (অনুবাদে ৯৯৮) নং এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ بْنُ الْمُسَيَّبِ قَالَ سُئِلَ عَنْهَا حَمَّادٌ فَقَالَ قَالَ إِبْرَاهِيمُ تَغْتَسِلُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০০৩. আলা’ ইবনুল মুসাইয়্যিব বলেন, আমি এমন মহিলা সম্পর্কে হাম্মাদ রাহি.কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেন, ইবরাহীম রাহি. বলেন, সে গোসল করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১০০৩ (আমাদের অনুবাদে ৯৯৭) নং এ গত হয়েছে। আরও বর্ণিত হয়েছে, ইবনু আবী শাইবা ১/৭৭।
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ فُضَيْلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ تَغْتَسِلُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف حديث محمد بن سالم لا يسوى شيئا
১০০৪. মুহাম্মদ ইবনু সালিম হতে বর্ণিত, শা’বী রাহি. বলেন, সে মহিলা গোসল করবে।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। মুহাম্মদ ইবনু সালিমের হাদীসে কোনো কিছুই ঠিক নেই।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি। দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ১/৭৭।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ قَالَ سَمِعْتُ الْحَكَمَ بْنَ عُتَيْبَةَ يَقُولُ كَانَ يُعْجِبُهُمْ فِي الْمَرْأَةِ الْحَائِضِ أَنْ تَوَضَّأَ وُضُوءَهَا لِلصَّلَاةِ ثُمَّ تُسَبِّحَ اللَّهَ وَتُكَبِّرَهُ فِي وَقْتِ الصَّلَاةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০০৫. ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব বলেন, আমি হাকাম ইবনু উতাইবাহ রাহি.কে বলতে শুনেছি, মহিলাদের এ বিষয়টি লোকদেরকে পছন্দনীয় ছিলো যে, হায়িযগ্রস্ত মহিলা সালাতের ওয়াক্ত হলে সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করবে, আল্লাহর তাসবীহ (‘সুবহানাল্লাহ’) পাঠ করবে এবং তাকবীর (আল্লাহর বড়ত্ব - আল্লাহু আকবার) পাঠ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এ সনদে এটি আর কোথাও পাইনি। তবে ইবনু আবী শাইবা ২/২৪৩ এ শু’বাহ হতে বর্ণনা করেন, আমি হাকাম ও হাম্মাদকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তারা দু’জন এটি অপছন্দ করলেন’।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ قَالَ قُلْتُ لِأَبِي قِلَابَةَ الْحَائِضُ تَتَوَضَّأُ عِنْدَ وَقْتِ كُلِّ صَلَاةٍ وَتَذْكُرُ اللَّهَ فَقَالَ مَا وَجَدْتُ لِهَذَا أَصْلًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
১০০৬. সুলাইমান আত তাইমী বলেন, আমি আবু কিলাবাহ রাহি.কে বললাম, হায়িযগ্রস্ত মহিলা কি প্রত্যেক সালাতের ওয়াক্তে ওযু করবে এবং আল্লাহর যিকির করবে? তিনি বললেন, আমি এর কোনো ভিত্তি পাইনি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৪২... সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ قَالَ حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الصَّدَفِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ الْمَرْأَةَ الْحَائِضَ عِنْدَ أَوَانِ الصَّلَاةِ أَنْ تَوَضَّأَ وَتَجْلِسَ بِفِنَاءِ مَسْجِدِهَا فَتَذْكُرَ اللَّهَ وَتُسَبِّحَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
১০০৭. উক্ববাহ ইবনু আমির আল জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি হায়িযগ্রস্ত মহিলাকে প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করে তার সালাতের স্থানে বসে আল্লাহর যিকির ও তাসবীহ পড়ার নির্দেশ দিতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : খালিদ ইবনু ইয়াযীদ আল সিদ্দিকী ও তার পিতা ইয়াযীদ এর কোনো জীবনী আমি পাইনি।
তাখরীজ: তবে আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আল মুকরী’ সূত্রে এটি ইবনু আবী শাইবা ২/৩৪৩ এ বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ الْحَائِضِ أَتَقْرَأُ قَالَ لَا إِلَّا طَرَفَ الْآيَةِ وَلَكِنْ تَوَضَّأُ عِنْدَ وَقْتِ كُلِّ صَلَاةٍ ثُمَّ تَسْتَقْبِلُ الْقِبْلَةَ وَتُسَبِّحُ وَتُكَبِّرُ وَتَدْعُو اللَّهَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০০৮. আব্দুল মালিক বর্ণনা করেন, ‘হায়িযগ্রস্ত মহিলা কুরআন পাঠ করবে কি-না’ এ সম্পর্কে আতা রাহি. বলেন, না, তবে আয়াতের অংশবিশেষ পড়তে পারে। তবে, সে প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে, কিবলাহ মুখী হবে এবং তাসবীহ-তাকবীর পাঠ করবে এবং আল্লাহর নিকট দু’আ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৪২; এটি ১০৩৯ (অনুবাদে ১০৩৩) নং এ আসছে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ حَدَّثَنَا السَّيْبَانِيُّ وَهُوَ يَحْيَى بْنُ أَبِي عَمْرٍو مِنْ أَهْلِ الرَّمْلَةِ حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ قَالَ تُؤْمَرُ الْحَائِضُ تَتَوَضَّأُ عِنْدَ مَوَاقِيتِ الصَّلَاةِ وَتَسْتَقْبِلُ الْقِبْلَةَ وَتَذْكُرُ اللَّهَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০০৯. ইয়াহইয়া ইবনু আবী আমর আশ শাইবানী, যিনি রামলাহ’র অধিবাসী তিনি বর্ণনা করেন, মাকহুল বলেছেন, হায়িযগ্রস্ত মহিলাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকে যে, সালাতের ওয়াক্তে তারা গোসল করবে, কিবলামুখী হবে এবং আল্লাহ তা’আলার যিকির করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এখানে ব্যতীত এটি আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا سَمِعَ الْحَائِضُ وَالْجُنُبُ السَّجْدَةَ يَغْتَسِلُ الْجُنُبُ وَيَسْجُدُ وَلَا تَقْضِي الْحَائِضُ لِأَنَّهَا لَا تُصَلِّي
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০১০. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, হায়িযগ্রস্ত মহিলা ও ‘জুনুবী’ মহিলা যদি সিজদা শুনতে পায় (সাজদাতুত তিলাওয়াত), তবে জুনুবী মহিলা গোসল করবে এবং সাজদা আদায় করবে, কিন্তু হায়িযগ্রস্ত মহিলা এ সাজদার কাযা আদায় করবে না। কেননা, (এ অবস্থায়) সে সালাতই আদায় করে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৪০; আব্দুর রাযযাক ১২৩২ সহীহ সনদে। দেখুন, পরবর্তী সনদটি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الْحَائِضِ تَسْمَعُ السَّجْدَةَ قَالَ لَا تَقْضِي
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০১১. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, হায়িযগ্রস্ত মহিলা সিজদা (আত-তিলাওয়াত) শুনতে পেলে, তার সম্পর্কে ইবরাহীম রাহি. বলেন: সে এ সাজদার কাযা আদায় করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এখানে তাখরীজের প্রয়োজন মনে করেননি-অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ وَجَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَيْسَ عَلَيْهَا شَيْءٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أن سماع جعفر وسعيد من ابن أبي عروبة متأخر
১০১২. আবু মা’শার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, তার উপর কোনো কিছুই (ওয়াজিব) নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে জা’ফর ও সাঈদ আবী উরওয়াহ থেকে কোনকিছু শোনা হতে পিছিয়ে রয়েছে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: দেখুন পূর্বের হাদীসটি।
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عُبَيْدَةُ بْنُ مُعَتِّبٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنَّا نَحِيضُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَا يَأْمُرُ امْرَأَةً مِنَّا بِرَدِّ الصَّلَاةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف عبيدة بن معتب
১০১৩. আল আসওয়াদ হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থাকা অবস্থায় আমরা হায়েযগ্রস্ত হতাম, কিন্তু তিনি আমাদের মধ্যকার কোনো নারীকে সালাত পুনরায় (কাযা) আদায়ের নির্দেশ দেননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : উবাইদাহ ইবনু মা’তাব-এর কারণে এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১৬৭০।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ مُعَاذَةَ أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْ عَائِشَةَ أَتَقْضِي إِحْدَانَا صَلَاةَ أَيَّامِ حَيْضِهَا فَقَالَتْ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ قَدْ كَانَتْ إِحْدَانَا تَحِيضُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا تُؤْمَرُ بِقَضَاءٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :حديث صحيح
১০১৪. মা’য়াযাহ রাহি. হতে বর্ণিত, এক মহিলা আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলো, আমাদের কেউ কি তার হায়েযের দিনগুলির সালাতের কাযা আদায় করবে? তিনি বললেন: ‘তুমি কি হারুরী (খারিজী)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমাদের কারো হায়েয হতো, কিন্তু তাকে কাযা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হতো না।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩২১; সহীহ মুসলিম ৩৩৫। আমরা এর সকল সনদ ও তাখরীজ একত্র করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৪৯ এ।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ عَنْ مُعَاذَةَ قَالَ أَبُو النُّعْمَانِ كَأَنَّ حَمَّادًا فَرِقَ حَدِيثَ أَيُّوبَ فَجَاءَ بِهَذَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :لم يحكم عليه المحقق
১০১৫. ইয়াযীদ আর রাশক, মা’য়াযাহ রাহি. হতে বর্ণনা করেন...। আবুন নু’মান বলেন, হাম্মাদ রাহি. যেন আউয়্যুবের হাদীসটিকে আলাদা করে রাখতেন। তারপর তিনি এটি নিয়ে আসলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((মুহাক্বিক্ব এতে কোনো হুকুম লাগাননি। তবে সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এটি সহীহ হওয়াই যুক্তিযুক্ত- অনুবাদক))
তাখরীজ: রাশকির হাদীসটি সহীহ মুসলিমে এসেছে ৩৩৫ নং এ। আরও দেখুন আগের zwj;টীকা দু’টি।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَامِرٍ قَالَ إِذَا سَمِعَتْ الْحَائِضُ السَّجْدَةَ فَلَا تَسْجُدْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء
১০১৬. আতা ইবনু সায়িব হতে বর্ণিত, আমির রাহি. বলেন, যদি হায়িযগ্রস্ত মহিলা সিজদা শুনতে পায়, তবুও সে সিজদা (আত-তিলাওয়াত আদায়) করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। খালিদ ইবনু আব্দুল্লাহ আতা হতে কিছু শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তী আছারটি একে শক্তিশালী করে।
তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ لَا تَسْجُدُ الْمَرْأَةُ الْحَائِضُ إِذَا سَمِعَتْ السَّجْدَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :سناده صحيح
১০১৭. খালিদ আল-হিযাই হতে বর্ণিত, আবু কিলাবাহ রাহি. বলেন, যদি হায়িযগ্রস্ত মহিলা সিজদা শুনতে পায়, তবু সে সিজদা করবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدٍ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ كَانَ يَكْرَهُ لِلْحَائِضِ أَنْ تَسْجُدَ إِذَا سَمِعَتْ السَّجْدَةَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
১০১৮. হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণিত যে, সিজদা শুনে হায়িযগ্রস্ত মহিলার সিজদা করাকে ইবরাহীম রাহি. এটি অপছন্দ করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১৪।
أَخْبَرَنَا يَعْلَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَوْنٍ عَنْ أَبِي غَالِبٍ عَجْلَانَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ النُّفَسَاءِ وَالْحَائِضِ هَلْ تَقْضِيَانِ الصَّلَاةَ إِذَا تَطَهَّرْنَ قَالَ هُوَ ذَا أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَوْ فَعَلْنَ ذَلِكَ أَمَرْنَا نِسَاءَنَا بِذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
১০১৯. আবু গালিব ’ইজলান বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলাম যে, হায়িয ও নিফাসগ্রস্ত মহিলারা কি পবিত্রতা লাভ করার পর (হায়েযকালীন পরিত্যক্ত) সালাতের কাযা করবে? তিনি বললেন: ‘এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীগণেরও হতো; যদি তারা একাজ (সালাতের কাযা) করতেন, তবে আমরাও আমাদের স্ত্রীদেরকে এর নির্দেশ দিতাম।[1] (যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর স্ত্রীদেরকে হায়েযকালীন সালাতের কাযা আদায় করতে আদেশ করেননি, তাই আমরাও আমাদের স্ত্রীদেরকে এর কাযা আদায় করতে বলিনা।)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَتَتْ امْرَأَةٌ إِلَى عَائِشَةَ فَقَالَتْ أَقْضِي مَا تَرَكْتُ مِنْ صَلَوَاتِي فِي الْحَيْضِ عِنْدَ الطُّهْرِ فَقَالَتْ عَائِشَةُ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَتْ إِحْدَانَا تَحِيضُ وَتَطْهُرُ فَلَا يَأْمُرُنَا بِالْقَضَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف الليث بن أبي سليم ولكن الحديث متفق عليه
১০২০. আব্দুর রহমান ইবনু কাসিম তার পিতা কাসিম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার নিকট এক মহিলা এসে জিজ্ঞেস করলো, আমি কি হায়েয হতে পবিত্রতা লাভ করার পর হায়েযকালীন দিনগুলিতে পরিত্যক্ত সালাতসমূহের কাযা আদায় করবো? তখন আয়িশা বলেন, ‘তুমি কি হারুরী (খারিজী)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমাদের কারো হায়েয হতো এবং সে পবিত্রতা লাভ করতো, কিন্তু তিনি আমাদেরকে কাযা আদায়ের নির্দেশ দিতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, লাইছ ইবনু আবী সালীম যঈফ। কিন্তু হাদীসটি (মুত্তাফাকুন আলাইহি) বুখারী-মুসলিমের হাদীস।
তাখরীজ: এটি ১০১৯, ১০২০, ১০২১ (অনুবাদে ১০১৩, ১০১৪, ২০১৫) নং এ গত হয়েছে। আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৩৭ নং এ।